নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মাইদুল ইসলাম; (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় জমি- জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা,

হয়রানিমূলক মামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার

(২৫ জুন) বিকেলে চাপরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মুক্তা খাতুন। এছাড়াও নাসরিন বেগম, বড় ভাই আবু তালেব সহ আরো অনেকে বক্তব্য দেন। লিখিত বক্তব্যে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরত চলে আসছে। সম্প্রতি তালাকের পর তহমিনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার সহযোগীরা মজিদুল ইসলামের

ভিটাবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। খেতে মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম আহত হন। পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তা খাতুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তহমিনা বেগম ও রবিউল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো আসামিদের গ্রেফতার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল এবং তাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষণ্য করার চেষ্টা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানান বক্তারা।


 

সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে চলতি বাজেটে জিডিপির এক শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

 

রোববার (১৪ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ১০ জেলার নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী থাকবে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে।

 

তিনি আরও বলেন, অতীতের সরকারের সময় হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি এবং সময়মতো টিকা আমদানি করা হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউনিসেফের সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করে প্রথম ধাপে ১৮ জেলায় হাম প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু করে। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনের মাধ্যমে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হয়।

 

চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো সেবা দিলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। আমাদেরও সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

ডেঙ্গু মোকাবিলার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে নারায়ণগঞ্জসহ ১০ জেলায় নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা চালু করা হয়েছে। বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় এসব কেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

তিনি আরও বলেন, জরুরি চিকিৎসাসেবা জোরদার করতে চারটি হেলিকপ্টার ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের জটিল রোগীদের দ্রুত জেলা সদর বা উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তরে এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।

 

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের রান্নাঘরসহ সামগ্রিক পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা থাকায় জেলা সিভিল সার্জনের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আগামী তিন দিনের মধ্যে রান্নাঘরের সব অপরিচ্ছন্ন সরঞ্জাম পরিষ্কার করে তাকে জানানোর নির্দেশ দেন। অন্যথায় সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

 

সাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজের ক্যান্টিন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্যান্টিনটি চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক বাবুল হোসাইন, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শামসুল আলম এবং ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,”শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুপরিচালিত ক্যান্টিন শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্যান্টিনের সেবার মান বজায় রাখতে হবে”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন,”ক্যান্টিন চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এটি শুধু খাদ্য সংগ্রহের স্থান নয়, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও বন্ধন সুদূর করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক জানান, শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হবে। ক্যান্টিনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থাও থাকবে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়ববাহক মোঃ পায়েলুজ্জামান রকসি , সদস্য সচিব মোঃ রইসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ সৈকতসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মঙ্গলবার (৯ জুন) তিনি দুটি থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম, নথিপত্র ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সুপারের এ ধরনের পরিদর্শন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কাজে আরও উৎসাহিত করবে এবং থানার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

সাভারের ছায়াবিথি এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে রিয়া মনি (১৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত রিয়া মনি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলামের স্ত্রী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত রিয়া মনি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের ছায়াবিথি এলাকার ওই ফ্ল্যাটে রনি ইসলাম ও তার স্ত্রী রিয়া মনি ভাড়া থাকতেন। গত কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিয়াকে হত্যার পর ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে রনি ইসলাম পালিয়ে যান।

 

নিহতের মামা সাদ্দাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার পর থেকে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি রিয়াকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনোভাবে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে তাদের দাবি।

 

তিনি জানান, ঘটনার পর রনি তার মাকে ফোনে বিষয়টি জানানোর পর ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে আছেন।

 

নিহতের নানি জাহানারা বেগম জানান, রিয়ার বাবা ও মা দুজনেই প্রবাসে থাকেন। তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ পরিদর্শক রমজান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের কবরস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন, নেয়ামতপুর গ্রামের জমির হোসেনের ছেলে নুরু মিয়া (৬৫) এবং মর্জু মিয়ার ছেলে সানাউল্লাহ (১৮)।

 

জানা যায়, নেয়ামতপুর গ্রামের মরহুম মতি সরকারের স্ত্রীকে দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার কাজে কয়েকজন যুবকসহ গ্রামের লোকজন অংশ নেন। একপর্যায়ে কবরস্থানের পাশে একটি স্টিল শিট সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে সংস্পর্শ হয়। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ২ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

কসবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নেয়ামতপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

রাজধানীর সড়কে এআই দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সফলতা এসেছে দাবি করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা জানান তিনি।

 

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন তারাও এগিয়ে আসবেন। আমরা বলছি না একদিনেই পারব, আমরা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন কর‍তে চাই। আমরা সবাই মিলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করব।

 

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণরূপে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো লঙ্ঘন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মাইদুল ইসলাম; (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় জমি- জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা,

হয়রানিমূলক মামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার

(২৫ জুন) বিকেলে চাপরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মুক্তা খাতুন। এছাড়াও নাসরিন বেগম, বড় ভাই আবু তালেব সহ আরো অনেকে বক্তব্য দেন। লিখিত বক্তব্যে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরত চলে আসছে। সম্প্রতি তালাকের পর তহমিনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার সহযোগীরা মজিদুল ইসলামের

ভিটাবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। খেতে মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম আহত হন। পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তা খাতুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তহমিনা বেগম ও রবিউল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো আসামিদের গ্রেফতার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল এবং তাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষণ্য করার চেষ্টা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানান বক্তারা।

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

একসময় সাতক্ষীরার সকল উপজেলার বিল, খাল, পুকুর ও জলাশয়গুলোতে শাপলা ফুলের বাহার ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্ষা এলেই ফুটে উঠতো সাদা, লাল ও বেগুনি রঙের শাপলা, যা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, গ্রামীণ জীবনের এক আবেগময় অংশ হিসেবেই পরিগণিত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আশাশুনির সেই অপরূপ দৃশ্য ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত আধুনিকায়ন, জলাশয় ভরাট, রাসায়নিক বর্জ্য এবং অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ফলে আজ বিলুপ্তির পথে প্রাকৃতিক জলজ উদ্ভিদ শাপলা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রামের শিশুরা সকাল সকাল শাপলা তুলতে পুকুরে যেত। মায়েরা রান্নার উপকরণ হিসেবে শাপলার ডাটা সংগ্রহ করতেন। শাপলার শিকড় (ঢ্যাঁড়শের মতো অংশ) ছিল গ্রামীণ পুষ্টিকর খাদ্য, যা পেটের নানা রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।

বিশেষ করে প্রতিটি গ্রামে পুকুরঘাট, বিল বা খালের ধারে বসে শাপলা ফোটা দেখার যে অপার আনন্দ ছিল তা আজ শহুরে যান্ত্রিকতার ভিড়ে চাপা পড়ে যাচ্ছে। কলারোয়া, তালা, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও আশাশুনিসহ অনেক এলাকায় এখন আর আগের মতো শাপলা দেখা যায় না। উপজেলা কৃষি ও পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, শাপলা শুধু একটি ফুল নয় এটি একটি জীববৈচিত্র্যবান এলাকার পরিচায়ক।

এটি জলাশয়ের স্বাস্থ্যবিধান রক্ষা করে এবং ছোট মাছের আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। ফলে শাপলা বিলুপ্ত হওয়া মানে শুধু ফুল হারানো নয়, একটি জীববৈচিত্র্যগত ভারসাম্যের বিপর্যয়ও। ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ কাশেম বলেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের প্রকৃতি চেনাতে হলে, গ্রামীণ সৌন্দর্য টিকিয়ে রাখতে হলে স্থানীয় জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিতে হবে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে বিল ও খাল পুনরুদ্ধার, রাসায়নিক দূষণ রোধ এবং শাপলা সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। পরিবেশবান্ধব সাতক্ষীরা গড়তে হলে প্রকৃতির এই নিঃশব্দ ধ্বংস ঠেকাতে কার্যকর নীতিমালা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সাতক্ষীরার জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও বোনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মেঝো বোন কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকেও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার কারণ জানাতে পারেনি কেউ।

 

নিহতরা হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তাদের পিতা কামাল হোসেন ২০১৯ সালে কেরোয়া গ্রামে রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান।

 

গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের বাসিন্দা কার্তিক মজুমদারের ছেলে অন্তর মজুমদার। নিহতদের রায়পুর ও সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

 

এদিকে আহত মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

 

বৃহস্পতিবার সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে ওই যুবক। এ সময় ঘটনাস্থলেই মা ও ছোট মেয়ে মারা যান। অপর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর বড় মেয়ে সায়মাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ইকরা নামের একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

 

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার আবু তারেক।

 

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। এছাড়া তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

 

সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে তিনি পথে মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে ৭ জন সদস্য আহত হয়।

 

পুলিশ সুপার আবু তারেক ৪ জন নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখনো ঘটনার কারণ জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, যারা বিগত ২০ বছর ধরে গ্রামের শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে এসেছে, তাদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে।

 

‎বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, জুলাই মাস থেকে দেশের সব স্কুলে মিড ডে মিল চালু হবে, সেখানে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তিনি আরও বলেন, ৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চলছে। এভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। তাই পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

 

এহসানুল হক মিলন বলেন, আগে পরীক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ করলে শুধুমাত্র নম্বরপত্র যোগ করা হতো। তাই আইন পরিবর্তন করে খাতা চেক করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গ্রামের শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে আগতদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে

শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু

মুজাহিদ শেখ, শ্রীপুর (মাগুরা):

 

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে এক ওরিয়েন্টেশন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটনের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অলি মিয়া। এছাড়া সভায় হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, মাঠকর্মী এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটন জানান, আগামী ২৮শে জুন শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ১৯৩টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ১৯২টি নিয়মিত ইপিআই আ/রি-কেন্দ্র এবং ১টি বিশেষ অতিরিক্ত কেন্দ্র রয়েছে। ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২,৪৭৫ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৯,২৫০ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, উপজেলায় সর্বমোট ২১,৭২৫ জন শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে।

 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ১৭৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলার মোট ১,৮৪,৭৭৯ জন জনসংখ্যার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই ক্যাম্পেইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফলভাবে সম্পন্ন করতে ২৩ জন মাঠকর্মী (এইচ.এ), ২৩ জন এফডব্লিউএ, ১৯ জন সিএইচসিপি এবং ২৪ জন প্রথম সারির তত্ত্বাবধায়ক মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও কেন্দ্রগুলোতে সার্বিক সহায়তার জন্য মোট ৩৮৬ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। দুর্গম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের সুবিধার্থে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্ধারিত স্থানে অতিরিক্ত ক্যাপসুলের বিশেষ বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

সভায় অতিথি শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ অলি মিয়া বলেন, “শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অপরিহার্য। এই জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।” তিনি প্রতিটি অভিভাবককে তাদের শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

 

উল্লেখ্য, এই ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে ২৩ জুন মাইক্রোপ্লান প্রণয়ন এবং ২৫ জুন উপজেলা অ্যাডভোকেসী মিটিং ও সিএস অফিসে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ সম্পন্ন হয়েছে। ২১ ও ২২ জুন দুই দিনব্যাপী ওয়ার্ড পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবকদের ওরিয়েন্টেশনও সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে মেজো বোনকেও। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘটনাটি ঘটে।

 

নিহতরা হলেন- সায়মা আক্তার (২১), তার তা শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং ছোট বোন শিফা আক্তার (৯)। এ ঘটনায় আহত মেজো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।

 

এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অজ্ঞাত এক যুবককে পিটুনি দেওয়া হয়েছে। তাকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

 

নিহতদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

 

বিষয়টি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ। তিনি বলেন বলেন, ৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকেও সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে আমাদের ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়।

মাসহ দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, আশঙ্কাজনক মেজো মেয়েও

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাওকি গ্রামের মুকুল মল্লিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মিঠু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও মনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (পলাতক)।

 

অপরদিকে, একই মামলার আসামি ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মালিকের বিরোধ হয়। ওই রাতেই মুকুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

 

রায়ে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পূর্বে ভোগ করা হাজতবাসের সময় দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহে মুকুল হত্যা মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুককে একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম. সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।

 

এর আগে ওমর ফারুক নিজের ফেসবুক আইডিতে ফেনী জেলা এনসিপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা নাই, নাই কোনো মুরোদ, আছে শুধু একটা পদ, যার নাম আহ্বায়ক। দয়া করে কমিটির এসব অযোগ্য, কোরামবাজ লোকজনকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া হোক।’

 

একই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দলের যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘ভাই, দয়া করে আপনি উনাকে নিঃশর্তভাবে আর কোনো সাপোর্ট দিয়েন না। উনি আপনার নাম বিক্রি করেই ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছে। নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দাগনভূঞায় এনসিপি এখন পর্যন্ত কোণঠাসা। বর্তমানে উনি জেলা এনসিপিকে যা করে রাখছে, এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। আপনাকে বিষয়গুলো নিয়ে ইনবক্স করেছি, এএসএম সুজাউদ্দিন ভাইকেও বলেছি। দুঃখজনকভাবে আপনারা সিন করেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপরও সিফাত ভাই ফেনীতে এসে বিষয়গুলোর সমাধান না করে উল্টো তাদের সঙ্গে বসার অর্থ হচ্ছে আমাদের উপেক্ষা করা, ফেনী জেলা এনসিপির কণ্ঠকে তুচ্ছ করে দেখা। আপনাদের এসব পদক্ষেপ-অপদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।’

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে শিগগিরই তা জাতীয় সংসদে পাস করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। একইসঙ্গে মাদক সংক্রান্ত মামলা জট দূর করতে আলাদা ট্রাইব্যুনালও গঠন হবে বলে জানান তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

 

 

দেশের প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকাসহ তিনটি বিভাগীয় শহরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ের মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে সরকার। যাতে করে মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়।

 

আরও পড়ুন: দেশে স্বর্ণের দামে ফের পতন, ভরিতে কমলো কত?

 

সরকার মাদক নিরাময়ে ৭৩টি প্রতিষ্ঠানকে এবার ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দিয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এসময় সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, আইন সংশোধনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অস্ত্র প্রদান, থানায় আসামী হস্তান্তরের আগে রাখার জন্য হাজতখানাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিগগিরই মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d