রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে শেষ ষোলোয় মরক্কো, নেদারল্যান্ডসের বিদায় - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে শেষ ষোলোয় মরক্কো, নেদারল্যান্ডসের বিদায়

রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে শেষ ষোলোয় মরক্কো, নেদারল্যান্ডসের বিদায়

মরক্কো-নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ লড়াই যেন থ্রিলার সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়েছে। মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তা, উত্তেজনা আর রোমাঞ্চে ভরপুর। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মরক্কো।

 

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশ পর্ব শুরু হয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেসে দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডার ম্যাচ দিয়ে। আর টুর্নামেন্টের আরেক আয়োজক মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মুখোমুখি হয় মরক্কো ও নেদারল্যান্ডস। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে, যেখানে স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে জয় পায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

 

ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। ১-০ ব্যবধানে ডাচদের জয় তখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। বাঁ দিক দিয়ে দুর্দান্ত দৌড়ে উঠে আসা শেমসেদ্দিন তালবির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে জাল খুঁজে নেন ডিফেন্ডার ইসা দিওপ। শেষ মুহূর্তের সেই গোলে উল্লাসে ফেটে পড়ে মরক্কো শিবির, আর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

 

অতিরিক্ত সময়েও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। ৯৮তম মিনিটে তালবির পাস থেকে ইসমাইল সাইবারি একেবারে গোলের সামনে পৌঁছে গেলেও নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুখেন অসাধারণ দক্ষতায় বাঁ পা বাড়িয়ে নিশ্চিত গোল রুখে দেন। অন্যদিকে ডাচরাও সুযোগ তৈরি করলেও মরক্কোর রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু দৃঢ়তায় প্রতিপক্ষকে হতাশ করেন। ফলে অতিরিক্ত সময়েও আর কোনো গোল হয়নি।

 

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। ১৯তম মিনিটে আশরাফ হাকিমির কর্নার থেকে নেইল এল আইনাউইয়ের হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন ভারব্রুখেন। দুই মিনিট পর আবারও গোল বাঁচিয়ে নেদারল্যান্ডসকে স্বস্তি দেন তিনি।

 

প্রথমার্ধের শেষদিকে নেদারল্যান্ডসও বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে। ৪৪তম মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিলের পাস থেকে মিকি ফন দে ফেন শট নিলেও মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু দুর্দান্ত সেভ করেন। অন্যদিকে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে হাকিমির পাস থেকে ছয় গজ দূরে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেন ইসমাইল সাইবারি। হতাশায় সঙ্গে সঙ্গেই মাথায় হাত দেন এই মিডফিল্ডার। গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।

 

দ্বিতীয়ার্ধে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে ইসা দিওপের সমতাসূচক গোল ম্যাচে নতুন প্রাণ ফেরায়। এরপর অতিরিক্ত সময়েও দুই দল একে অপরকে ভেদ করতে না পারায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।

 

সেখানেই শেষ হাসি হাসে মরক্কো। স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে রুদ্ধশ্বাস এই লড়াই শেষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেয় আফ্রিকার দলটি।


গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত লিওনেল মেসি যখন পরিবারের পাশে থাকতে আর্জেন্টিনায়, তখন মাঠে নেমে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো দে পল। নিজের জার্সির নিচে মেসির ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকা। গোল করেই সেই জার্সি প্রকাশ করেন এবং আবেগঘনভাবে মেসির প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধা জানান।

 

শনিবারের দিনটি মেসি পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইন্টার মায়ামির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের পাশে থাকতে রোজারিওতে ফিরে যান মেসি।

 

এ কারণে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বে মনতেরের বিপক্ষে ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অনুপস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হয় অন্যদের। সেই দায়িত্বের অন্যতম একজন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল।

 

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইন্টার মায়ামি। একপর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির এক শটে দারুণ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দে পল।

 

গোল করার পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। তখন প্রকাশ পায় আসল চমক। নিজের জার্সির নিচে তিনি পরে ছিলেন মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। গোল করার পর সেই জার্সি দেখিয়ে মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও সমবেদনা জানান দে পল।

 

মেসির কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার এটি ছিল দে পলের আবেগঘন এক বার্তা। মাঠের বাইরেও দুজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে শুরু করে ইন্টার মায়ামি—দুই জায়গাতেই মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দে পলের।

 

মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বেরতেরামে না থাকায় মনতেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে ৩২ বছর বয়সী দে পল সামনে থেকে দায়িত্ব নেন। গোল করে দলকে যেমন এগিয়ে দেন, তেমনি বন্ধুর পরিবারের কঠিন সময়েও পাশে থাকার বার্তা দেন।

 

মেসির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ফুটবল বিশ্বের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। দে পলের এই শ্রদ্ধা যেন সেই শোকের মধ্যেই বন্ধুত্বের আরেকটি গভীর উদাহরণ হয়ে থাকল।

 

মেসি যখন রোজারিওতে বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে পরিবারের সঙ্গে, তখন তাঁর হয়ে মাঠে লড়লেন দে পল। আর গোলের পর মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে জানিয়ে দিলেন—কঠিন সময়ে বন্ধুকে তিনি একা হতে দেবেন না।

মেসির জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন দে পল, গোল করে উৎসর্গ করলেন মেসির প্রয়াত বাবাকে

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে যাওয়ার পথে দেয়া অনুপ্রেরণামূলক ভাষণের একটি ভিডিও প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর ভিডিওটির একটি অংশ ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে মেসির বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ বাক্যটির গোপন অর্থ খুঁজতে শুরু করেছিলেন অনেকে। তবে সম্প্রতি পুরো ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বক্তব্যকে ঘিরে নতুন ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে।

 

মাঠে নামার আগে সতীর্থদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘চলো সবাই, শান্ত থাকো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা যেন শান্ত থাকি। শুধু খেলায় মনোযোগ দাও। সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলো, খেলায় মনোযোগ দাও। চলো।’

 

তার এই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল চাপমুক্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটি খেলা।

 

মাঠে প্রবেশের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে কৌশলগত কিছু কথোপকথনও শোনা যায়। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে উদ্দেশ করে ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো বলেন, প্রতিপক্ষের আক্রমণে কীভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং লামিন ইয়ামালকে সামলানোর পরিকল্পনা নিয়ে।

 

লিসান্দ্রো ‘লিচা’ মার্টিনেজ দিবুকে সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ ভেতরে ঢুকে শট নেয়ার চেষ্টা করবে, তাই সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পরে লিচা নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়ে তাকে আটকে রাখবে।’ দিবুকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি বল নিশ্চিতভাবে ধরবে, মানসিকভাবে শক্ত থাকো।’

 

এ সময় মেসি আবারও ডিফেন্ডারদের বলেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে এলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামনে উঠে না যান। সবশেষে কুতি রোমেরো দিবুকে বলেন, ‘আজ তোমার দিন।’ জবাবে দিবুর আত্মবিশ্বাসী উত্তর ছিল, ‘আজ আমার দিন। আজ ইতিহাসে লেখা থাকবে।’

 

এরপর দুই দল মাঠে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খেলার বিভিন্ন মুহূর্তে তীব্র লড়াই ও বাকবিনিময় দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টিনাকে।

 

ভিডিওটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাইলে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। এসব বিষয়ে কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কেও আমার কোনো ধারণা নেই।’

ফাইনালের আগমুহূর্তে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী হচ্ছিল? স্পষ্ট করলো দেশটির গণমাধ্যম

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন আলোচনার তুঙ্গে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেলার একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, এই চেলসি তারকা একটি সাধারণ সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে করে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো দেখতে একটি বস্তু নিয়ে স্টেডিয়াম ছাড়ছেন। অত্যন্ত মূল্যবান এই ট্রফিটি এভাবে ‘ময়লা ফেলার ব্যাগে’ বহনের দৃশ্য দেখে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খেলোয়াড়েরা যখন ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন, তখন ক্যামেরায় ধরা পড়ে কুকুরেলার এই অদ্ভুত দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি শপিং ব্যাগের ভেতর সোনালী রঙের ট্রফিটি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন তিনি।

 

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি এমন সাদামাটাভাবে বহন করতে দেখে নেটিজেন ও সাংবাদিকেরা বিষ্ময় প্রকাশ করেন। তবে এই রহস্যের সমাধান হয়েছে খুব দ্রুতই। জানা গেছে, কুকুরেলার ব্যাগে থাকা বস্তুটি আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না; বরং সেটি ছিল লেগো (LEGO) দিয়ে তৈরি ট্রফির একটি হুবহু প্রতিচ্ছবি বা খেলনা। শখের বশে তৈরি করা এই লেগো ট্রফিটিই তিনি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

কুকুরেয়ার প্লাস্টিকের ব্যাগে ‘বিশ্বকাপ ট্রফি’! আসল রহস্য কী?

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের স্কুলছাত্রী মরিয়মকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

 

সোমবার (২০ জুলাই) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল চুয়াডাঙ্গার বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

 

আসামি আবুল হোসেনের বাড়ি পার্শ্ববর্তী গয়েশপুর গ্রামে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গোয়ালপাড়া গ্রামের মরিয়ম খাতুন কয়েকজন শিশুকে সাথে নিয়ে মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আসামী মরিয়মকে একটি ভুট্টাখেতের ভেতর নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ শেষে হত্যা করে।

 

এ ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

 

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু আদালতের পিপি এমএম শাহজাহান মুকুল জানান, ‘৩১জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।’ আদালতের রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তষ্টি প্রকাশ করেন। এমন বিচার অব্যাহত থাকলে দেশে ধর্ষণ হত্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিজেকে কুষ্টিয়া সদর আসনের ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি মো. আমির হামজা।

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া (ভাইরাল) একটি ভিডিওতে নিজের সংসদীয় এলাকার (কুষ্টিয়া-৩) জনসাধারণের উদ্দেশে দেয়া এক বক্তব্যে এই মন্তব্য করতে দেখা যায় তাকে।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় জনগণের সামনে আমির হামজা নিজের সংসদীয় আসনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে কুষ্টিয়া সদর আসনের জন্য আমিই প্রধানমন্ত্রী। বাজেটগুলো সরকার দেবে, ওটা দেবে আমির হামজার হাতে। এটা কি কোনো ফেরেশতার হাতে দেবে?’

 

উন্নয়ন কাজের কৃতিত্ব নিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ফেরেশতারা কী বলে? আর মানুষ নাচে যে উন্নয়ন কাজ করে দিয়েছে। সে কি তার বাবার টাকা নিয়ে এসে করবে? এই পাগলামিগুলো আর বিশ্বাস করা যাবে না।’

আগামী ৫ বছর কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী আমি: আমির হামজা

জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, রগকাটা জামায়াত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে।

 

গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ফেসবুক পোস্টে নুর অভিযোগ করে বলেন, কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াতের কর্মীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন। এতে কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ছাত্র অধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি সোহান আহমেদসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘রগকাটা জামাত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে। কুষ্টিয়া গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াতের সন্ত্রাসীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি, চাপাতি নিয়ে উপর্যুপরি হামলা করেছে।’

 

নুর আরও বলেন, ‘জামাত-শিবিরের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে জামাত-শিবিরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গত দেড় দশক যেভাবে গুপ্ত ছিলেন, বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা

হবে।’

 

জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে

জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, রগকাটা জামায়াত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে।

 

গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ফেসবুক পোস্টে নুর অভিযোগ করে বলেন, কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াতের কর্মীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন। এতে কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ছাত্র অধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি সোহান আহমেদসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘রগকাটা জামাত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে। কুষ্টিয়া গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াতের সন্ত্রাসীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি, চাপাতি নিয়ে উপর্যুপরি হামলা করেছে।’

 

নুর আরও বলেন, ‘জামাত-শিবিরের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে জামাত-শিবিরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গত দেড় দশক যেভাবে গুপ্ত ছিলেন, বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে।’

 

জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে

বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। একইসঙ্গে সমস্যা সমাধানে চারটি প্রস্তাবও উত্থাপন করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য।

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহন করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।’

 

প্রথম প্রস্তাবনায় কুমিল্লা-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল যে সমাধান ইতিমধ্যেই টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬–১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে। ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যারা। মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।’

 

দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় হাসনাত বলেন, ‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি, গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার। এনসিপি’র দেওয়া ৩০ দিনের জন্য ৫টি, মধ্যমেয়াদি (৬-১৮ মাস) ৬টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ৪টি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে নিন প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধীদল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।’

 

চতুর্থ প্রস্তাবনায় এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত। সচিবালয়ে যাঁরা এসেছেন তাঁরা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী FSRU-তে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।’

 

হাসনাত বলেন, ‘আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন? এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল SLA ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা ,যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।’

 

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রীও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে না। এটা হচ্ছে আই হ্যাভ নো প্ল্যান এর টেস্টিং। একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আল্টিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয়না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে।এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়লো! এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো? সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।’

প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন হাসনাত, দিলেন ৪ প্রস্তাব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় মৎস্য পক্ষ সামনে রেখে আজ রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন।

 

সকালে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

 

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকলে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তিনি সড়কপথে যাবেন। সেখানে কটিয়াদি উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নে জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।’

মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু জানান, প্রধানমন্ত্রী রোববার কিশোরগঞ্জ থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এবারে দিবসটি প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, ‘রুপালি মৎসে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

 

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি : সকাল সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় ব্রক্ষপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বিতরণ, শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান, সাড়ে ১২টায় কটিয়াদি কার্ড হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ১টায় আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জাতীয় মৎস্য পদক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, আড়াইটায় শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন।

 

দুপুর তিনটা ১৫ মিনিটে সার্কিট হাউজে মধ্যহ্ন ভোজ এবং ৪টায় পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত-ভিক্ষু-পার্দীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিদের সন্মানি প্রদানের অনুষ্ঠানে যোগদান।

 

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সড়কপথে ঢাকায় ফিরবেন।

আজ কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, ভিটেছাড়া করার হুমকি।

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গার্মেন্টস কর্মীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী যুবক শরিফুলের বিরুদ্ধে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।

 

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী নাপিত পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম (৩০) ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী নাপিত পাড়া এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী রুমানা (২২) (ছন্দনাম) ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত এবং ছুটির সুবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ গ্রামে বাড়ীর পাশে শরিফুল (৩০) নামে এক যুবকের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে ওই যুবক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে এবং নিজ বাড়ীতে একাধিকবার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

 

এ সময় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন রুমানা। পরে প্রেমিক শরিফুলের চাপে বাচ্চাটি নষ্ট করতে বাধ্য হন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই গার্মেন্টস কর্মী বিয়ের জন্য চাপ দিলে যুবকটি অস্বীকৃতি জানায় এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

 

নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিজের পরিবারকে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত যুবক ও তার পরিবারের প্রভাবশালী সদস্যরা ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনাটি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করতে চাইলে তরুণীর পরিবারকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং ভিটেমাটি ছাড়া করার সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর থেকে লোকলজ্জা ও চরম নিরাপত্তার অভাবে ভুক্তভোগী পরিবারটি অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটান।

 

পরে ঘটনাটি বাড়া না করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, মেয়ের মামা আব্দুল মালেক, স্থানীয়

মাতব্বর মানিক, কুরবান আলী, গত বুধবার রাতারাতি জোরপূর্বক ৮৩ হাজার টাকা দিয়ে আপোষ করার চেষ্টা করেন।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি টাকার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

 

পরবর্তী সময় মেয়ের মামা আব্দুল মালেক স্থানীয় এক নেতা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করার জন্য ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ২০ হাজার টাকা নেন।

 

এ ঘটনায় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম এর বাড়ীতে গেলে জানা যায় সে বাড়ীতে নেই।

 

মেয়ের মামা আব্দুল মালেক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

 

আইনি ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া:

আইনজীবীদের মতে, বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী বিয়ের মিথ্যা প্রলোভনে সম্মতি আদায় করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা সরাসরি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। তাছাড়া মামলা করতে বাধা দেওয়া বা ভিটেছাড়া করার হুমকি দেওয়া ফৌজদারি অপরাধের শামিল।

 

মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে আসামিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, কর্মজীবী নারীদের এভাবে ফাঁদে ফেলে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে পরিবারকে সমাজচ্যুত বা ভিটেছাড়া করার হুমকি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

 

ভুক্তভোগী পরিবারটি স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

 

এ বিষয়ে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী  জানান, এই ধরনের কোন ঘটনা আমরা জানি না এবং কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, ভিটেছাড়া করার হুমকি

সাভারের বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের তেঁতুলঝোড়া মোড় এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার।

উক্ত অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে ছিলেন আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ঢাকা জেলা যুবদল নেতা ইয়ার মোঃ ইয়াছিন সরকার শাওন। উক্ত দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ এলাকার সাধারণ জনগণ অংশ নেন। উক্ত দোয়া মাহফিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়, এবং সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

সাভারের বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

আতিকুর রহমান আশিক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব এস এ কবির জিন্নাহ।

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল আলম খান লোদী, সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান, আব্দুল বাতেন,মোঃ মোতালেব হোসেন,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার, কৃষক দলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সালাম বাদল, যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক আহমেদ দিপু, সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এডভোকেট জিন্নাহ খান, ছাত্র দলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান এবং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

 

অনুষ্ঠান শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে (বিএসপিআই) একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

বিএসপিআই সূত্র জানায়, ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা মূলত দুটি ফোরামে বিভক্ত। এর একটি ফোরাম গঠিত হয়েছে কক্সবাজার জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে। আরেকটি অন্য সব জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে। গতকাল রাতে সংঘর্ষে জড়ানো দুটি পক্ষ মূলত ওই দুই ফোরামের। তবে কী কারণে সংঘর্ষ হয়েছে ও ফেসবুক স্ট্যাটাসে কী ছিল, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

আহত ১২ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন কক্সবাজার জেলার। তারা হলেন হোসেন নুর আবিদ, মোস্তফা ওবায়দুল, তাকবির হাবিব, আরাফাত আবির ও মো. ইমরান। আর অন্যরা ভিন্ন ভিন্ন জেলার। তারা হলেন আবদুল্লাহ আল তৌসিফ, আল আমিন, আদিত্য রায়, মো. হাসান খন্দকার, মেহেরাব হোছাইন, মো. মোস্তাকিম ও তারেক হোছাইন।

 

সংঘর্ষের পর রাতেই বিএসপিআই কর্তৃপক্ষ আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। জানতে চাইলে ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনাটি সত্যি। ঘটনাটি তদন্তে অটোমোবাইল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ।’

 

সংঘর্ষের খবর পেয়ে রাতেই কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানতে চাইলে শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।’

 

ইনস্টিটিউটের হোস্টেল সুপার আবদুল মান্নান বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুটি পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এখন ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

রাঙামাটিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১২

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে জাহাজ কাটার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

 

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসন ও পক্ষ থেকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড মালিকদের সংগঠন বিএসবিআরএ এর পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন গঠিত ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি কারও গাফিলতি বা দায় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশসহ সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

এদিকে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শনে যান শিল্প সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা জানান, জাহাজটিতে ২১.৯ পিপিএম হাইড্রোজেন সালফাইডের অস্তিত্ব পেয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর, যা খুব বিষাক্ত।

 

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে জাহাজ কাটার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে নিহত ৯ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d