টাঙ্গাইলের মধুপুরে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও মোটরসাইকেল সহ আসামী গ্রেফতার গণ টিভি - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও মোটরসাইকেল সহ আসামী গ্রেফতার গণ টিভি

টাঙ্গাইলের মধুপুরে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও মোটরসাইকেল সহ আসামী গ্রেফতার গণ টিভি

মোঃ শহিদুল ইসলাম(টাঙ্গাইল) বিশেষ প্রতিনিধিঃ

আজ সকাল ০৬.২৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানাধীন সাথীর মোড় (নতুন বাজার) গ্রামে মেসার্স সিদ্দিক স্টোরের সামনে অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ মনির আহম্মেদ জুয়েল (৪৪), পিতা- মৃত- আব্দুল মান্নান, সাং -মধুপুর (নতুন বাজার), থানা- মধুপুর, জেলা- টাঙ্গাইল কে ১২০ পিস ইয়াবা , ০১টি মটরসাইকেল, ০১টি মোবাইল, ০১টি সিম কার্ড এবং নগদ ৬,০০০ টাকা সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।

সাক্ষীদের সম্মুখে আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক দ্রব্য ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামী টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানা এলাকাসহ আশেপাশের থানা এলাকায় বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানায় ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১০(ক) ধারায় মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।


পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা নগদ ৭ লক্ষ টাকা আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় শাহজাহানপুর থানায় এই অর্থ প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শাহজাহানপুর থানার একটি বিশেষ টিম ডিউটি করাকালীন পরিত্যক্ত অবস্থায় নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। টাকা উদ্ধারের পরপরই পুলিশ বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

 

পরবর্তীতে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় এসে উক্ত টাকার মালিকানা দাবি করেন। তখন থানা পুলিশ তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে।

 

আদালতের নির্দেশনা এবং পুলিশের যথাযথ তদন্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ আজ উক্ত ৭ লাখ টাকা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে।

 

হারানো টাকা ফিরে পেয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম শাহজাহানপুর থানা পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ লাখ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিল পুলিশ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ছেলে ও ছেলের বউকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা খোতেজা বেগমকে তার ঘরে ঢুকে তারই আপন বড় ছেলে ফখরুল রাজু (৩৫) ও পুত্রবধূ মানিকা স্বপ্না (৩০) সম্পত্তি জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলে বউ সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধের করে।

 

এ সময় খোতেজা বেগমের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার ছোটো ছেলে রাকিব হোসেন আহত অবস্থায় তার মাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোতেজা বেগমর ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২৪) বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফখরুল রাজু ও তার স্ত্রী মানিকা স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর সদর থানার এস আই শাহিনুর ইসলাম বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাকে হত্যাচেষ্টা, ছেলে ও ছেলের বউ গ্রেপ্তার

ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৮ জুন থেকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থানরত ভারতের ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়। তবে সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

 

পুশ-ইন প্রতিরোধে ১৭ বিজিবি একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত ও অতিরিক্ত রাত্রীকালীন টহল, সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাঁশি, লাইট ও মেগাফোনসহ বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

এছাড়া নদীপথে পুশ-ইনের সম্ভাবনা রোধে সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে।

 

বিজিবি জানিয়েছে, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশ-ইনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পুশ-ইন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি

ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় উদ্ধার কাজে অংশ নিতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সময় শহরের ইটাখোলা বাইলেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত পাওয়ার কার ও চারটি বগি ঘটনাস্থলে রেখে ট্রেনটির বাকি অংশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে সেটিও লাইনচ্যুত হয়।

 

এ ঘটনায় পরে রেললাইন মেরামত হলে লাইনচ্যুত পাওয়ার কার উদ্ধারে যোগ দেয় রিলিফ ট্রেনটি।

লাইনচ্যুত ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসকে উদ্ধারে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

থাকেন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে। পেশায় ভ্যানচালক। স্ত্রীসহ এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে তার। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই বদলে যান তিনি। স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার ঋণ নিয়ে আর্জেনটিনা এ ভক্ত সেজেছেন নিজে। সাজিয়েছেন ভ্যান রিকশা সেই সাথে কিনেছেন ১৬টি আর্জেন্টিনার পতাকা।

 

বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় আর্জেন্টিনার এ ভক্তের নাম সুমন গৌড়। থাকেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর সদরের দত্তপাড়া সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে। এলাকায় তিনি মেসি সুমন নামে সমধিক পরিচিত। তার রয়েছে স্ত্রী এক মেয়ে এক ছেলে।

বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই যেন বদলে যায় তার জীবন।

 

আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন আর নানা সাজসজ্জায় নিজের বসতিপাড়া সাজিয়ে তুলছেন তিনি। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা গ্রাম।

 

তবে এই আয়োজনের পেছনের গল্প আরও বিস্ময়কর। আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানাতে স্ত্রী আরতি রাণী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পূর্ণিমার নামে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন সুমন। সেই অর্থ ব্যয় করছেন পতাকা, ব্যানার, রং ও বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজে।

 

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য বিরিয়ানি রান্না করে আপ্যায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

 

নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই সুমনের। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। জীবিকা নির্বাহ করেন ভ্যান রিকশা চালিয়ে। সংসারে অভাব-অনটন থাকলেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আর আর্জেন্টিনার প্রতি আবেগ তাকে থামাতে পারেনি।

 

সুমন বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। এখন সবাই আমাকে সুমন না, ‘মেসি সুমন’ নামেই চেনে। বিশ্বকাপ এলেই আমি চেষ্টা করি আর্জেন্টিনার জন্য কিছু করতে। এটা আমার ভালোবাসা।

 

সুমনের স্ত্রী আরতি রাণী বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই স্বামীর আর্জেন্টিনাপ্রেম দেখে আসছি। সংসারে অভাব আছে, তবুও বিশ্বকাপ এলে তিনি সবকিছু ভুলে যান। এত টাকা খরচ করে এসব করা পাগলামি মনে হলেও স্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছি।’

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুমন খুবই দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালান। কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই ঋণ নিয়ে এলাকায় সাজসজ্জা করেন, খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেন। এ কারণেই সবাই তাকে ‘মেসি সুমন’ নামে চেনে।

স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক

 

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ মামলার রায় দেবেন।

 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে রাকিব হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাদীর দাবি, ওই বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগেই ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন তামিমা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন।

 

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। তাদের দাবি, আগের বৈবাহিক সম্পর্ক আইন অনুযায়ী শেষ হওয়ার পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান ইসরাত হাসান বলেন, আমরা চাই, আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মামলার বিচার চলেছে। বিভিন্ন বিষয় চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতে রিভিশন করেছে। ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে আশা করছি। নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই ধারায় ও তামিমার বিরুদ্ধে তিন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর ও তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

 

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আমাদের আশা পজিটিভ। আসামিরা খালাস পাবেন আশা করছি। তারা কেন খালাস পাবেন যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছি।

 

রায় শুনতে নাসির-তামিমা আদালতে আসবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, আশা করি, আসবেন।

 

মামলার বাদী রাকিব বলেন, ইনশাআল্লাহ, ন্যায় বিচার হোক। এ ধরনের কাজ যেন আর না হয়। রায়ের মাধ্যমে একটা ম্যানেজ যাক সমাজে। আমার সাথে যেমনটা ঘটেছে, যেন আর কারও সঙ্গে এমনটা না হয়।

 

এ বিষয়ে নাসির হোসেনের বক্তব্য শুনতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা নগদ ৭ লক্ষ টাকা আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় শাহজাহানপুর থানায় এই অর্থ প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শাহজাহানপুর থানার একটি বিশেষ টিম ডিউটি করাকালীন পরিত্যক্ত অবস্থায় নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। টাকা উদ্ধারের পরপরই পুলিশ বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

 

পরবর্তীতে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় এসে উক্ত টাকার মালিকানা দাবি করেন। তখন থানা পুলিশ তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে।

 

আদালতের নির্দেশনা এবং পুলিশের যথাযথ তদন্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ আজ উক্ত ৭ লাখ টাকা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে।

 

হারানো টাকা ফিরে পেয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম শাহজাহানপুর থানা পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ লাখ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিল পুলিশ

 

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বড় ধরনের শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলে তাদের এবং পরিবারকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এককালীন আর্থিক অনুদান দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নতুন নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

 

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ‘নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা/কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা/অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৬’ শিরোনামে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাওয়া এই নীতিমালার মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকারীদের যেকোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা, অঙ্গহানি বা চিকিৎসার ব্যয়বহুল আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নির্বাচন কমিশন প্রতি অর্থবছরে তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে এই বড় অঙ্কের অনুদান নিশ্চিত করবে।

 

ইসি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এই নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন। নীতিমালার অধীনে অনুদানের হারকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমত, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি দুর্বৃত্তদের হামলা অথবা কোনো দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার পরিবারকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। একই কারণে কেউ গুরুতর আহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা, গুরুতর আহত বা সাময়িকভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা এবং সাধারণ আহতের ক্ষেত্রে আঘাতের ধরন বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে।

 

দ্বিতীয়ত, দায়িত্ব পালনকালে কেউ যদি আকস্মিকভাবে অসুস্থ বা মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার পরিবার সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা অনুদান পাবেন। এছাড়া আকস্মিক গুরুতর অসুস্থতা বা স্থায়ী অক্ষমতার জন্য সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা, সাময়িক অসুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা, হাসপাতালে ভর্তির পর ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা এবং সাধারণ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

 

নীতিমালায় অনুদান প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পরিবারের উত্তরাধিকার নির্ধারণের জন্য অর্থ বিভাগের সর্বশেষ সরকারি কর্মচারী পেনশন সহজীকরণ আদেশ অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকে তবে অনুদানের টাকা তাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হবে এবং এক্ষেত্রে স্ত্রীদের যৌথভাবে আবেদন করতে হবে; তবে অনুদান পাওয়ার আগে স্বামী বা স্ত্রী পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে এই সুবিধা পাবেন না। মৃত ব্যক্তির কোনো স্বামী বা স্ত্রী জীবিত না থাকলে তার অনূর্ধ্ব ২৫ বছর বয়সী ছেলে বা অবিবাহিত মেয়ে এবং সন্তান না থাকলে বাবা-মা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নাবালক সন্তান থাকলে অভিভাবক নির্ধারণের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স ১৯৮৫ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা ভাই-বোন এবং কোনো সন্তান না থাকলে স্বামী বা স্ত্রী অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক বাবা-মা বা অবিবাহিত ভাই-বোন সমহারে পাবেন। কোনো উপযুক্ত উত্তরাধিকারী না থাকলে বিবাহিত মেয়েরাও প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ আবেদন করতে পারবেন।

 

আর্থিক সহায়তার জন্য যেকোনো দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা অফিস প্রধানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিব বরাবর আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদনের সঙ্গে নির্ধারিত আবেদন ফরম, আবেদনকারীর সত্যায়িত ছবি, উত্তরাধিকার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রদত্ত চিকিৎসাজনিত বা মৃত্যুর সনদ সংযুক্ত করতে হবে।

 

এই আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়নের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-১ উইংয়ের যুগ্মসচিবকে সভাপতি এবং বাজেট ও অর্থ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি প্রতি অর্থবছরে অন্তত দুইবার প্রাপ্ত আবেদনসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে অনুদানের পরিমাণ নির্ধারণপূর্বক সচিবের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। পরে এই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে এককালীন এই অনুদানের অর্থ সরাসরি হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী দায়িত্বে প্রাণ হারালে পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা, নতুন নীতিমালা জারি করল ইসি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ছেলে ও ছেলের বউকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা খোতেজা বেগমকে তার ঘরে ঢুকে তারই আপন বড় ছেলে ফখরুল রাজু (৩৫) ও পুত্রবধূ মানিকা স্বপ্না (৩০) সম্পত্তি জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলে বউ সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধের করে।

 

এ সময় খোতেজা বেগমের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার ছোটো ছেলে রাকিব হোসেন আহত অবস্থায় তার মাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোতেজা বেগমর ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২৪) বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফখরুল রাজু ও তার স্ত্রী মানিকা স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর সদর থানার এস আই শাহিনুর ইসলাম বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাকে হত্যাচেষ্টা, ছেলে ও ছেলের বউ গ্রেপ্তার

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে আমজাদের মোড় এলাকার আয়েশা টাওয়ারে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মাহফুজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি নিয়ে আমি ঘটনাস্থলেই আছি। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারছি না। পরে বিস্তারিত জানাব।’

 

 

মেস থেকে রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৮ জুন থেকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থানরত ভারতের ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়। তবে সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

 

পুশ-ইন প্রতিরোধে ১৭ বিজিবি একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত ও অতিরিক্ত রাত্রীকালীন টহল, সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাঁশি, লাইট ও মেগাফোনসহ বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

এছাড়া নদীপথে পুশ-ইনের সম্ভাবনা রোধে সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে।

 

বিজিবি জানিয়েছে, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশ-ইনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পুশ-ইন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে সরকার ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব গাড়ি ক্রয়ে মোট ব্যয় হবে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

 

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাহিনীর জন্য এসব গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য মোট ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব উত্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

পুলিশের জন্য এসব যানবাহনগুলো সরবরাহ করবে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকায় ক্রয়চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে পুলিশের সেবার মান, টহল কার্যক্রম, অপরাধ দমন এবং জরুরি অভিযানে যানবাহন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

 

নতুন যানবাহন যুক্ত হলে মাঠপর্যায়ে পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণারয়।

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে কেনা হচ্ছে ২১২ গাড়ি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো হবে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর।

 

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

তিনি আরও বলেন, প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি এখন সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট, নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায়। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর। এমন পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর মর্ডানাইজেশনের লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগকারী বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

তারেক রহমান বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষিরা বিশ্বমঞ্চে যে গৌরব ও কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, এটা খুব সহজ ছিলোনা। তাদেরকে শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এই মহান ও মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। পরিবার-পরিজন থেকে বহু দূরে থেকে একটি প্রতিকূল পরিবেশে আপনারা নিষ্ঠা, সাহস এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করছেন। সরকার প্রধান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে, আপনাদের নিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের কারণেই বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সুনাম ও অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি আপনাদের সাহস এবং গভীর দায়িত্ববোধের প্রতিফলন বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এই গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের সশস্ত্রবাহিনী দেশের স্বাধীনতা সম্মান এবং সাহসের প্রতীক। বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই গৌরব এবং অহংকার অবশ্যই আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস। সুতরাং, এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয় সেটি রক্ষা করা সশস্ত্রবাহিনীর কর্তব্য।

 

বাংলাদেশ সব সময় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নীতিতে বিশ্বাস করে বলেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধানে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহাবস্থান ও ন্যায়বিচারের প্রতি যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে, আমরা তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব সময় শান্তি, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মানবতার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় থাকবে ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ যে কোনো আগ্রাসন ও সংঘাতের বিরুদ্ধে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তুলতে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।

শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় উদ্ধার কাজে অংশ নিতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সময় শহরের ইটাখোলা বাইলেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত পাওয়ার কার ও চারটি বগি ঘটনাস্থলে রেখে ট্রেনটির বাকি অংশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে সেটিও লাইনচ্যুত হয়।

 

এ ঘটনায় পরে রেললাইন মেরামত হলে লাইনচ্যুত পাওয়ার কার উদ্ধারে যোগ দেয় রিলিফ ট্রেনটি।

লাইনচ্যুত ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসকে উদ্ধারে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবে

 

লন্ডন থেকে আজিজুল আম্বিয়া,

 

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

 

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ, আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, মৌলানা হেলাল আহমদ, জিলু খান , আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

 

 

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদের বিরুদ্ধে একটি প্রাইভেট কারের চালককে মারধর করে গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে পৌর শহরে সদর রোডে এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে সড়কে যানজটেরও সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন তার এক বন্ধুকে নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে কালাইয়া পূবালী ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি চালক মো. শাহিন মিয়া চালাচ্ছিলেন। শাহিনের দাবি যানজট সৃষ্টি হলে গাড়ির পেছন দিক থেকে ফাহাদ তার মোটরসাইকেল দিয়ে কয়েক দফা ধাক্কা দেন। শাহিন ধাক্কা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাহাদ মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে তাকে মারধর শুরু করেন।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের দাবি, তাদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ছাত্রদল কর্মী সাজিদের নামও উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভিডিও ধারণ বন্ধে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে।

 

প্রাইভেটকারের চালক অভিযোগ করে বলেন, তার গাড়ি অভিযুক্তের গাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার পর আব্দুল আল ফাহাদ ক্ষুব্ধ হন। পরে তাকে থামিয়ে কথা বলার সময় মারধর করা হয় এবং গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়।

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল আল ফাহাদ। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে যাত্রাপথে ছিলেন। একটি প্রাইভেটকার তার গাড়ির খুব কাছ দিয়ে যাওয়ায় স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে ওই গাড়ির চালক তার হাত ধরেন বলে তিনি দাবি করেন। এরপর তিনি গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান। মারধর, সাংবাদিকদের হুমকি এবং গালিগালাজের অভিযোগ তিনি নাকচ করেন।

 

এদিকে ছাত্রদল কর্মী সাজিদ বলেন, ঘটনার সময় উপজেলা ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সভাপতির স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন এবং ওই পরিস্থিতিতে যে কেউ উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারতেন। তবে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

ড্রাইভারকে মারধর ও গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উপজেলা ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d