ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী গ্রেফতার। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশেষ অভিযানে কথিত শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খোরশেদ আলী (৩০)কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

 

বুধবার ৬আগষ্ট ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর একটি চৌকস দল সদর উপজেলার ১০ নম্বর জামালপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মালিগাঁও (কাশিডাঙ্গা) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃত খোরশেদ আলী মালিগাঁও (কাশিডাঙ্গা) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ও মোছা. মাজেদা বেগমের ছেলে।

 

ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতারকৃতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ৩৮টি অনলাইন ক্যাসিনো অ্যাপ পাওয়া গেছে। তিনি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে সাইবার স্পেসে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানায়, “আমরা শুধু মাদক নির্মূলে নয়, অনলাইন ক্যাসিনোসহ সব ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে সর্বদা সোচ্চার। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান আরও জোরদারভাবে চলমান থাকবে।”

 

গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ভোরে ছেলেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য গাড়িতে তুলে দিয়েছিলেন বাবা। কে জানত, সেটিই হবে ছেলের শেষ যাত্রা। কয়েক ঘণ্টা পর সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসতে হবে বাবাকে। দুপুরে সিলেটের শেরপুর হাইওয়ে থানায় ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পরপর জ্ঞান হারাচ্ছিলেন বাবা-মা দুজনই।

 

নিহত আরমান হোসেন রাহিম (১৫) কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবা রফিকুল ইসলাম সিলেটে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। দুই ছেলের মধ্যে রাহিম বড়। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ছিল তার। শাহপরান (রহ.) মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে দুই বছর আগে কোরআনের হাফিজ হন তিনি।

 

রাহিম সিলেটে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। পরে গত বছর তাকে ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য শুক্রবার ভোরে বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইউনিক পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন তিনি। কিন্তু ঢাকায় আর পৌঁছানো হয়নি রাহিমের।

 

শুক্রবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাহিমসহ অন্তত নয়জন নিহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাহিমের বাবা সিলেট থেকে শেরপুর হাইওয়ে থানায় ছুটে যান। তার মা কুমিল্লা থেকে সেখানে আসেন।

 

দুপুরে থানায় ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন তারা। সেখানে উপস্থিত লোকজন তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

 

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার দুই ছেলের মধ্যে রাহিম বড়। সে শাহপরান মাদ্রাসা থেকে হাফিজি শেষ করে। ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। ভোরে তাকে গাড়িতে তুলে দিলাম, সেটাই শেষ যাত্রা হবে ভাবিনি।’

 

রাহিমের স্বজনেরা জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাতেও তার আগ্রহ ছিল। পরিবারের আশা ছিল, পড়াশোনা শেষ করে তিনি ভালো কিছু করবেন। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সেই স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে।

ভোরে ছেলেকে গাড়িতে তুলে দিলাম, সেটাই শেষ যাত্রা হবে ভাবিনি’

নীলফামারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির চেক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারীর ডোমার ও ডিমলা উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক, জেলা পরিষদের ডিজিটাল ল্যাবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে

হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার

(০৬/আগস্ট) দুপুরে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব বিতরণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী। জেলা পরিষদের ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের রাজস্ব বরাদ্দের অর্থে তোমার ও ডিমলা উপজেলার মোট ২৭ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তির চেক দেওয়া হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে ৫ হাজার টাকা করে তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া নীলফামারী জেলা পরিষদের ডিজিটাল ল্যাবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পূর্ণ করা সাতজন প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র প্রদান করা হয়। একই অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন দুই ব্যক্তির চলাচলের সুবিধার্থে তাদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশুনার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে। এসব দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের

কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষণার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন

নীলফামারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির চেক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ 

বাড়িতে বিয়ের আয়োজন। দিন কাটিয়ে রাত পোহালেই সেই বিয়েতে আসার কথা আমন্ত্রিত অতিথিদের। বিয়েকে কেন্দ্র করে চাচাদের সঙ্গে বাজার করতে বেরিয়েছিলেন ফেনীর ছাগলনাইয়া এলাকার যুবক ছায়েদুল হক ফনির (৩২)। কিন্তু বোনের বিয়ের ঠিক আগের দিন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তার। এতে বিয়ে বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছাগলনাইয়া উপজেলার সমিতি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফনির উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ছয়ঘরিয়া পাড়ার আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

 

ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন নয়ন জানান, আগামী শুক্রবার ফনিরের চাচাতো বোনের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বিয়ের কেনাকাটা শেষে বারৈয়ারহাট থেকে টমটমযোগে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে সমিতি বাজার এলাকায় পৌঁছালে চট্টগ্রাম থেকে ফেনীগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে টমটমটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফনির মৃত্যু হয়। এ সময় তার চাচা আলম ও টমটমচালক গুরুতর আহত হন।

মুহুরীগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নোমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

বাড়িতে বোনের বিয়ের আয়োজন, বাজার শেষে নিথর দেহে ফিরল ভাই

সাতক্ষীরা সদরের মাধবকাটি এলাকায় থেকে নতুন মাদক কুশ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে ৬ কোটি টাকা মূল্যের ১২ কেজি ওজনের এই মাদক জব্দ করা হয়। এসময় এক চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, সাতক্ষীরা শহর থেকে মোটর সাইকেলযোগে ল্যাগেজ ভর্তি মাদক নিয়ে ঝাউডাঙ্গা যাওয়ার সময় মাধবকাটি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর দেখা যায়, এই মাদকের নাম কুশ। নতুন এই মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, দেশের মধ্যে প্রথম এত বড় চালান জব্দ করা হয়েছে এই মাদকের। যার এক গ্রামের মূল্য পাঁচ হাজার টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নতুন এই মাদক জব্দ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ১২ কেজি মাদক কুশসহ চোরাকারবারী আটক

জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে বিল’, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।

 

এ সময় সচিবালয়ের সামনে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কাউকে অসম্মান করতে আসিনি, জনগণের দাবি নিয়ে এসেছি।’

 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে সচিবালয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশ তাদের পদযাত্রায় বাধা দেয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন তিনি।

 

এ সময় জামায়াত আমির বলেন, আমরা আজ এখানে বক্তৃতা দিতে আসিনি। জনগণের ১১ দফা দাবি মানুষের হাতে তুলে দিতে এসেছি। এই ১১ দফা কোনো দল, গোষ্ঠী বা কোনো ব্যক্তির স্বার্থের জন্য নয়; এটি ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষার দাবি।

 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জনভোগান্তি বাড়ছে। এসব সমস্যার সমাধানে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

সরকারের উদ্দেশে জামায়াতের শীর্ষ নেতা বলেন, সচিবালয় জনগণের সম্পদ। সেখানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের জনগণের দাবি শুনতে হবে এবং বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

এসময় তিনি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: বিরোধীদলীয় নেতা

ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তঃমাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্ট ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত।

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের ঐতিহাসিক বেগুনবাড়ি ফাজিল( ডিগ্রী) মাদ্রাসায় আন্তঃ মাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

ফুটবল টুর্নামেন্ট মাদ্রাসার সকল শিক্ষার্থী শ্রেণী ভেদে খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

 

আন্তঃমাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ খাইরুল ইসলাম।

গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ সভাপতি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপি।

 

বিশেষ অতিথি হিসে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আরিফুল্লাহ্, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা,ঠাকুরগাঁও ও জনাব আলহাজ্ব মোঃ আহসান হাবিন সভাপতি অত্র মাদ্রাসা ও সাংগঠনিক সম্পাদক ৪ নং বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি।

 

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন বর্তামান সময়ে মাঠ পর্যায়ের খেলা গুলো হারিয়ে যাচ্ছে অনলাইন গেম মোবাইল আসক্তির মাধ্যমে এসব বিভিন্ন ভাবে শিক্ষার্থীদের ধ্বংসের দিকে প্রভাবিত করছে।

 

তাই এই খারাপ দিক থেকে ফিরিয়ে আনতে হলে মাঠ পর্যায়ে খেলাধুলা বিকল্প নাই। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের মাঠে খেলাধুলায় মনযোগী করতে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

 

আন্তঃ মাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলায় দশম শ্রেণীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী করেন অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা খেলার মাঠে দশম শ্রেণীকে হারিয়ে ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের গৌরব অর্জন করেন অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলেদেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ খাইরুল ইসলাম।

অত্র মাদ্রসারর অধ্যাক্ষের সভাপতিত্বের অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানিকাতা সমাপ্তি করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তঃমাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্ট ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান প্রয়াত আলহাজ্ব মাহমুদুল হাসান আলালকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করেছে সাভার পৌর বিএনপি।

 

 

 

১৩তম (ত্রয়োদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর সাভার পৌরসভার ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মরহুমের স্মৃতি ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাভার পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলালের পক্ষে ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর কাছ থেকে এই সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল ।

 

দলীয় সূত্র মতে, সাভারের রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা, তৃণমূল বিএনপিতে দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বসাধারণের সেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হয়।

 

সম্মাননা স্মারক গ্রহণকালে মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল সাভার পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি তার প্রয়াত ভাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন।

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

সাভার উপজেলাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নকে কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছ।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার উপজেলাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নসহ সাভারের ৩টি ইউনিয়নকে সাভার উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে কেরানীগঞ্জের সাথে সংযুক্ত করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে এই কর্মসূচি পালিত হয়, এতে অংশ নেয় হাজার হাজার সাধারণ জনগণ। এ সময় হাজার হাজার জনতার পদচারণায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

 

 

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নাম করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে একটি ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে সাভারের তিনটি ইউনিয়নকে কেরানীগঞ্জের সাথে সংযুক্ত করতে ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল। বক্তারা আরো বলেন, নাগরিক সুবিধার্থে তেতুলঝোড়া,আমিনবাজার,ভাকুর্তা এই তিনটি ইউনিয়ন সাভার উপজেলার সাথে সব সময় থাকতে চাই। তাই কোনোভাবেই কেরানীগঞ্জের সাথে সংযুক্ত করা যাবে না।

এ সময় উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সকলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নকে সাভার উপজেলায় রাখার জোর দাবি জানান। অন্যথায় পরবর্তীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ সময় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন

তেঁতুলঝরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার,

ঢাকা জেলা যুবদল নেতা ও আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে এলাকাবাসী বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

সাভার উপজেলাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নকে কেরানীগঞ্জের সাথে যুক্ত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

ভোরে ছেলেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য গাড়িতে তুলে দিয়েছিলেন বাবা। কে জানত, সেটিই হবে ছেলের শেষ যাত্রা। কয়েক ঘণ্টা পর সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসতে হবে বাবাকে। দুপুরে সিলেটের শেরপুর হাইওয়ে থানায় ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পরপর জ্ঞান হারাচ্ছিলেন বাবা-মা দুজনই।

 

নিহত আরমান হোসেন রাহিম (১৫) কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবা রফিকুল ইসলাম সিলেটে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। দুই ছেলের মধ্যে রাহিম বড়। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ছিল তার। শাহপরান (রহ.) মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে দুই বছর আগে কোরআনের হাফিজ হন তিনি।

 

রাহিম সিলেটে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। পরে গত বছর তাকে ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য শুক্রবার ভোরে বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইউনিক পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন তিনি। কিন্তু ঢাকায় আর পৌঁছানো হয়নি রাহিমের।

 

শুক্রবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাহিমসহ অন্তত নয়জন নিহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাহিমের বাবা সিলেট থেকে শেরপুর হাইওয়ে থানায় ছুটে যান। তার মা কুমিল্লা থেকে সেখানে আসেন।

 

দুপুরে থানায় ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন তারা। সেখানে উপস্থিত লোকজন তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

 

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার দুই ছেলের মধ্যে রাহিম বড়। সে শাহপরান মাদ্রাসা থেকে হাফিজি শেষ করে। ঢাকার একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। ভোরে তাকে গাড়িতে তুলে দিলাম, সেটাই শেষ যাত্রা হবে ভাবিনি।’

 

রাহিমের স্বজনেরা জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষাতেও তার আগ্রহ ছিল। পরিবারের আশা ছিল, পড়াশোনা শেষ করে তিনি ভালো কিছু করবেন। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সেই স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে।

ভোরে ছেলেকে গাড়িতে তুলে দিলাম, সেটাই শেষ যাত্রা হবে ভাবিনি’

সরকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিনি দুই বছর ধরে নিজ দেশ থেকে নির্বাসনে রয়েছেন। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, দেশে ফিরে একটি বিদায়ী সিরিজেও অংশ নিতে চান তিনি।

 

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই সাকিব বলেন, ‘সরকার যদি আমাকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়, তাহলে আমি দেশে ফিরে আদালতের বিচারপ্রক্রিয়াসহ যা যা করার প্রয়োজন, সবই করতে প্রস্তুত। আমি জানি, আমি কোনো অন্যায় করিনি।’

 

সাকিব বর্তমানে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে শ্রীলঙ্কায় রয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দেশে ফিরতে না পারলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে খুব বেশি দেরি করতে চান না। সাকিব বলেন, ‘এখনও বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলছি। ভালো লাগছে, খেলাটাও উপভোগ করছি। কিন্তু বয়স তো আর আমার পক্ষে নেই। তাই অবসর নেওয়ার জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে চাই না।’

 

সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, ২০২৪ সালের শেষ দিকে একবার সরকারের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বিমানে উঠেছিলেন। কিন্তু যাত্রাপথেই তাকে ফিরে যেতে বলা হয়। তার ভাষ্য, বিমানবন্দরের লাউঞ্জ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরে দুবাইয়ে নেমে জানতে পারেন, বাংলাদেশে আর যেতে পারবেন না। সেখান থেকেই তিনি আবার নিউইয়র্কে ফিরে যান।

 

সাকিব বলেন, ‘১২ ঘণ্টার মধ্যে কী পরিবর্তন হয়েছিল, সেটা আজও জানি না। পরে শুনলাম ফেসবুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পোস্ট করার কারণে নাকি আমাকে আসতে দেওয়া হয়নি। এটি দেশে না ঢুকতে দেওয়ার কেমন মানদণ্ড, তা আমার মাথায় আসে না।’

 

সম্প্রতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নিয়েও কথা বলেন সাকিব। তিনি জানান, সেখানে তিনি কেবল দেশের শান্তি ও উন্নতির কথাই বলেছেন এবং এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই।

 

শেখ হাসিনার সঙ্গে ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হলে সাকিব বলেন, ‘ক্যাপ্টেন যা বলবেন, আমরা তাই অনুসরণ করব। আমার মনে হয় উনারাই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন এবং তাদের দেওয়া নির্দেশনাই আমরা মেনে চলব।’

 

বর্তমানে নিজের বিরুদ্ধে দুটি মামলা সক্রিয় রয়েছে বলে জানান সাকিব। একটি ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় একজন নিহত হওয়ার ঘটনায়, অন্যটি দুর্নীতির অভিযোগে। হত্যা মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি হাস্যকর একটি মামলা। যেদিন ঘটনাটি ঘটেছে, সেদিন আমি টরন্টোতে একটি ম্যাচ খেলছিলাম।’

 

তিনি আরও জানান, তদন্তের অংশ হিসেবে প্রায় দেড় বছর ধরে তার ব্যাংক হিসাব জব্দ রয়েছে। তবে কোন ব্যাংকে হিসাব রয়েছে বা কত অর্থ জব্দ আছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি।

 

সাকিব বলেন, গত দুই বছরে তিনি বাংলাদেশে থাকা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। তার দাবি, তার বাবা-মাও দেশ ছাড়তে পারেননি।

 

দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্র-রয়টার্স

নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত সাকিব

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের জনপ্রিয় বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী রয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাতটার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। পরে আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়।

 

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ৯ জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা হলেন সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকার উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রীতম (২২), ঢাকার বিক্রমপুরের জাহাঙ্গীর শেখের মেয়ে খোজাইফা (৪), কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী। তারা সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।

পরিবার ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, পেহেলী ভৈরবী সিলেটে একটি বাউল গানের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।

 

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দয়ামীর বাজারসংলগ্ন কাশিকাপন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষের পর ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় দুই বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, হাসপাতালে একটি শিশুকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়। মোট ১৬ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্য চারজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

 

এদিকে সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় বাউলশিল্পী ভৈরবী নিহত

 

বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে শেখ শাহরিয়ার সৈকত (৩৮) নামে এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল তিনটার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের শ্রীঘাট ফুলবাড়িয়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শেখ শাহরিয়ার সৈকত বাগেরহাট সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাট থেকে খুলনাগামী একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৈকত সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা, মুখ ও বুকে গুরুতর আঘাত পান।

 

খবর পেয়ে বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশিদ জানান, খবর পাওয়া মাত্রই দল পাঠিয়া আহত চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন উঠলেও পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

 

দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। তবে ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।

 

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ গিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। ঘাতক ট্রাক ও ক্ষতিগ্রস্ত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। পলাতক ট্রাকচালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল চালকের

সাভারে পুলিশি অভিযানের সময় পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে মনোয়ারুল হোসেন বকশী (২৯) নামে এক ছাত্রদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সাভারের বিপিএটিসি স্টাফ কোয়ার্টারে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মনোয়ারুল সাভারের বাংলাদেশ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টারের (বিপিএটিসি) গার্ড জাফরের ছেলে এবং সাভার থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থান এলাকায় প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে শাহারিয়ার কবির সৌমি নামের এক তরুণ মিম নামের এক কিশোরীকে নিয়ে সাভারে তার মামা মনোয়ারুলের বাসায় চলে আসে। এই ঘটনায় কিশোরীর পরিবার পীরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। জিডির সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পীরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার রাতে সাভার মডেল থানায় পৌঁছায়। পরবর্তীতে সাভার মডেল থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে রাত ১১টার দিকে বিপিএটিসি স্টাফ কোয়ার্টারের বাসায় যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ।

 

তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ভাগ্নে ও তার প্রেমিকা ওই বাসা থেকে কেটে পড়ে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মামা মনোয়ারুল দৌড়ে ছাদে আত্মগোপনের চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশও তাকে খুঁজতে ছাদে গেলে তিনি হঠাৎ পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের বিরুদ্ধে ধাওয়া দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। প্রতিবেশী রাসেল মনি ও ঢাকা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন শিকদার জানান, রাতে ভাগ্নেকে না পেয়ে পুলিশ জোরপূর্বক মনোয়ারুলকে ধাওয়া করে। পুলিশের তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে তিনি ছাদ থেকে পড়ে যান। মনোয়ারুল নিচে পড়ে যাওয়ার পরপরই উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে তারা দাবি করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মনোয়ারুলকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পীরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কনক রঞ্জন বর্মণ মুঠোফোনে জানান, ভিকটিমের বাবাকে নিয়ে তারা সাভার মডেল থানার পুলিশসহ রাতে বিপিএটিসির ওই বাসায় যান। সেখানে ঢুকে কেবল মনোয়ারুলের বাবা-মাকে পান। বাসার ভেতরে আর কেউ ছিল না। তবে কয়েক মিনিট পরেই বাইরে একটি বিকট শব্দ শুনে নিচে গিয়ে এক যুবককে পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এরপরই তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন।

 

অন্যদিকে, ঘটনার সময় উপস্থিত সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনার বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, পীরগঞ্জ থানা পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারে সাভারে এলে স্থানীয় থানার একটি দল তাদের সহযোগিতা করতে যায়। পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ভবনের ভেতরে ঢোকার পর এক যুবক ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। সাভার মডেল থানা পুলিশ সেই সময় ভবনের বাইরে ও নিচে অবস্থান করছিল বলে দাবি করেন তিনি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তদন্তে ইতিমধ্যেই পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ছাদ থেকে পড়ে ছাত্রদল নেতা নিহতের অভিযোগ

ভারতের হরিয়ানার সোনিপতে একটি বৃদ্ধাশ্রমে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তবে শেষ বিদায়ে তিন মেয়ের কেউ উপস্থিত না থেকে ভিডিও কলে বাবার শেষকৃত্য দেখেছেন। পরে তাদের একজন অনলাইনে পাঁচ হাজার ১০০ রুপি পাঠিয়ে যথাযথভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার অনুরোধ জানান।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মৃত ব্যক্তির নাম শিবচরণ রামরতন গুপ্ত। মুম্বাইয়ের সাবেক এই ব্যবসায়ী প্রায় দুই বছর ধরে সোনিপতের একটি বৃদ্ধাশ্রমে বসবাস করছিলেন। স্ত্রী মীনা গুপ্তও তার সঙ্গে সেখানে ছিলেন। তবে তিনি আগেই মারা যান।

 

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে শিবচরণ গুপ্ত মারা যান। এরপর বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ তার তিন মেয়েকে বিষয়টি জানায়।

 

কর্তৃপক্ষের জানানোর পরও মেয়েরা কেউ সোনিপতে আসতে পারেননি। একজন ছিলেন নেপালে, একজন উত্তর প্রদেশে এবং আরেকজন মুম্বাইয়ে। তারা ভিডিও কলের মাধ্যমে বাবার শেষকৃত্যে অংশ নেন। পরে বৃদ্ধাশ্রমের কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তার দাহকার্য সম্পন্ন করা হয়।

বৃদ্ধাশ্রমের প্রশাসক আনন্দ কুমার জানান, শিবচরণ গুপ্ত আশ্রমে থাকা একটি মোবাইল ফোন দিয়ে নিয়মিত মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতেন। তবে অসুস্থ হওয়ার পর মেয়েদের ফোন আসা অনেক কমে যায়। তিনি বলেন, প্রায় ২০ দিন আগে মেয়েদেরকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু এরপরও তারা তাকে দেখতে আসেননি।

 

শিবচরণের মৃত্যুর পর আবারও মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়, চাইলে তারা সোনিপতে এসে শেষকৃত্যে অংশ নিতে পারেন। কিন্তু তারা সময়ের অভাবের কথা জানিয়ে আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

 

নেপালে বসবাসকারী এবং পেশায় শিক্ষক বড় মেয়ে অনিতা অনলাইনে ৫ হাজার ১০০ রুপি পাঠিয়ে বাবার শেষকৃত্য যথাযথভাবে সম্পন্ন করার অনুরোধ জানান।

 

শেষকৃত্য শেষে মেয়েরা বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষকে পুরো অনুষ্ঠানের ভিডিও পাঠানোর অনুরোধও করেন। ভিডিও কলে তাদের একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আর কতক্ষণ লাগবে? আমাদের খেতে হবে, তারপর গোসল করতে হবে।’

 

বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ জানায়, শিবচরণ গুপ্ত তার তিন মেয়েকেই উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন। বড় মেয়ে নিশা উত্তর প্রদেশের আজমগড়ে থাকেন এবং ছোট মেয়ে প্রিয়া মুম্বাইয়ে বসবাস করেন। তিনজনই বিবাহিত এবং নিজ নিজ পরিবার নিয়ে থাকেন।

বাবার শেষ বিদায়ে ভিডিও কল দিয়ে মেয়ে বললেন, ‘আর কতক্ষণ লাগবে, খেতে হবে’

গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রাজধানী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে।

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকায় শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে কালিয়াকৈর স্টেশনে এলাকায় পৌঁছনোর পর সড়কের পাশে পার্কিং করা ছিল। এসময় গাড়ির ভেতর থেকে হঠাৎ ধোঁয়া উড়তে শুরু করে। এসময় আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য গাড়ির চালকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এদিকে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় বাসের ভেতর পুরোপুরি পুড়ে গেছে।

 

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- এটি বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে হয়েছে।

গাজীপুরে দিনে-দুপুরে বাসে আগুন

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিএনপির ওপর যে পরিমাণ নির্যাতন অত্যাচার চালিয়েছে। তাদের ক্ষমতা থেকে নামাতে বিএনপি’র যে পরিমাণ ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেই জায়গা থেকে আওয়ামী লীগের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

 

শুক্রবার (০৭ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়ার মিরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গেল পরশুদিন পতিত ফ্যাসিট সরকার ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্সের চেষ্টা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে ধরনের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে ধরনের প্রতিবাদ এর আগে কোন সরকার জানাতে পারেনি।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় যে সর্তকতা জারি করা হচ্ছে, তার পেছনে অন্য কোন কারণ নেই। এটি কেবলমাত্র রুটিন ওয়ার্ক।

 

মিরপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু, মহিলা সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীসহ অন্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোন সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d