
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।
বৃহস্পতিবার রাতে দলের পক্ষ থেকে রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তারা দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
যুবদল নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রুহুল কবির রিজভীর বলিষ্ঠ ও ত্যাগী নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী যুবদলসহ সকল অঙ্গ-সংগঠন আগামী দিনে দলের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আরও বেশি সুসংগঠিত ও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে।
এ সময় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দলের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়।
এর আগে গত ১৫ আগস্ট তাকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সাক্ষাৎকালে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য পদস্থ নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নাম ব্যবহার করে ইজারাদার দাবি করে এবং সিটি করপোরেশনের টোকেন বা রসিদ ব্যবহার করে প্রকাশ্যে যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজের নিচে অন্তত দুটি পয়েন্টে রাতভর ৩-৪ জনের পৃথক গ্রুপ টোলের নামে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টাকা তুলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাত ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়।
বুধবার রাত আড়াইটার দিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রবেশপথসংলগ্ন এলাকায় সিটি করপোরেশনের রসিদ ব্যবহার করে যানবাহন থেকে টাকা আদায় করতে দেখা যায়। সেখানে দায়িত্ব পালনকারী সুজন নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদকের ক্যামেরার সামনে টাকা তুলছিলেন। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি সরকারি রাজস্ব চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিদিন ৭০০ টাকা মজুরিতে তিনি দায়িত্ব পালন করেন বলেও জানান।
সুজন বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের স্লিপ দিয়ে ১০০ টাকা করে আদায় করি। আমাদের হাতে স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে রোজভিত্তিক টাকা দিয়ে বলা হয়েছে টাকা তুলতে।’ টাকা আদায়ের বৈধতা বা কী নিয়মে তা করা হচ্ছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না এটা কোন নিয়ম আছে কিনা।’ তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্লিপে থাকা প্রতিটি পয়েন্টে শিফট অনুযায়ী ৩-৪ জন করে দায়িত্ব পালন করেন এবং এ ধরনের আরও অনেক পয়েন্ট রয়েছে। পরে কর্তৃপক্ষকে ডেকে আনার কথা বলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে বেড়িবাঁধসংলগ্ন মিটফোর্ড হাসপাতালের সীমানার কোণায় অজ্ঞাত একজনকে টাকা তুলতে দেখা যায়। তার সামনে যুগান্তরের ক্যামেরা গেলে তিনি বেড়িবাঁধের রাস্তা দিয়ে সুভারীঘাটের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যান।
এ ছাড়া জোবায়ের নামের আরেক ব্যক্তিকে যানবাহন থেকে টাকা তুলতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দেওয়া জোবায়ের জানান, এখানে সারা বছর অন্য লোকজন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মাত্র দুই দিন ধরে সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দাবি, ‘আউয়াল ভাই’ নামে একজন বড় ভাই তাকে ওই স্লিপ দিয়ে টাকা তুলতে বলেছেন। এ কাজের বিনিময়ে তাকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
একাধিক চালক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, টাকা দিতে অস্বীকার করলে জোবায়েরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চালকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হেনস্তা এবং মারধর করেন। জোবায়ের কয়েক দিন আগে সুমন নামের এক চালককে মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে একটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে দেওয়া এবং যানবাহন আটকে রাখার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য, এ কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে ওই এলাকা পার হন।
সরেজমিনে পাওয়া রসিদে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ লেখা রয়েছে। রসিদে ফুলবাড়িয়া, টপ ওভার, বাস টার্মিনাল, গোলাপশাহ মাজার, জিরো পয়েন্ট, টিএনটি সম্মুখভাগ, বঙ্গবাজার, নবাবপুর রোড, চকবাজার, কাজী নজরুল ইসলাম সরণি, নর্থ সাউথ রোড, ইংলিশ রোড, এ এইচ এম কামরুজ্জামান সরণি, চানখারপুল, ভিক্টোরিয়া পার্ক, বাদামতলী, নয়াবাজার ও বাবুবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার নাম উল্লেখ রয়েছে।
রসিদে ‘সংশ্লিষ্ট যানবাহন হতে টোল ফ্রি আদায়ের রশিদ’ লেখা রয়েছে। সেখানে ইজারাদার হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রসিদে বাস, ট্রাক, সিএনজি, রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি, ঝুড়ি ও বস্তাসহ বিভিন্ন যানবাহন বা পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা হারে আদায়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে সরেজমিনে অভিযোগ পাওয়া যায়, বাস্তবে যানবাহনের ধরন ও পণ্য অনুযায়ী এর চেয়ে বেশি টাকাও আদায় করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আগত চালক বলেন, ‘পুরো ঢাকা শহরের সড়কে সিটি করপোরেশনের নামে এভাবে টোল দিতে হয় না। কিন্তু বাবুবাজারে এলেই টাকা দিতে হয়। টাকা দিতে না চাইলে গালাগালি, হেনস্তা এমনকি গাড়ির গ্লাস ভাঙার ঘটনাও ঘটে।’ তাদের অভিযোগ, ছোট ট্রাকের কাছ থেকে ১০০ টাকা এবং বড় মালবাহী ট্রাক, বিশেষ করে কাঠ বা বড় গাছ বহনকারী ট্রাক থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।
চালকদের অভিযোগ, এক জায়গায় পুলিশ থাকলে কিছুদূর পর অন্য জায়গায় গিয়ে টাকা আদায় করা হয়। আবার পুলিশ ঘটনাস্থলে না থাকলে কথিত টোকেনধারীরা প্রকাশ্যে টাকা সংগ্রহ শুরু করে। ফলে রাতের বেলায় বাবুবাজার ব্রিজের নিচ দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন চালকদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
এদিকে সিটি করপোরেশনের নামে ব্যবহৃত রসিদে ইজারাদার হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় সত্যিই কোনো বৈধ ইজারা বা টোল আদায়ের অনুমোদন রয়েছে কি না, থাকলে তার আওতা কতটুকু এবং বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এভাবে রাতভর যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের অনুমতি রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম যুগান্তরকে জানান, ‘আমরা বাবুবাজার ব্রিজের নিচে জায়গাগুলো ইযারা দিয়েছি। তবে বাইরে কোনো পরিবহনে টোকেন দিয়ে টাকা নেওয়ার ইযারা আমরা দেইনি।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক (পরিবহন) গোলাম মোর্শেদ যুগান্তরকে জানান, এ ধরনের অভিযোগ সিটি করপোরেশনে কয়েকবার এসেছে। রাতের আঁধারে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ‘এগুলো ভুয়া। কোনো ধরনের রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহনের কোনো ইজারা আমরা দেইনি,’ বলেন তিনি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল সালাম যুগান্তরকে বলেন, ‘তারা চাঁদাবাজ, তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে।’
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল যুগান্তরকে বলেন, ‘এ ধরনের তথ্য আমার কাছে নেই। তাছাড়া যেগুলো অভিযোগ এসেছিল, সবগুলো আমরা এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করেছি। সিটি করপোরেশনের উচিত সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে সিটি করপোরেশন কোনটি ইজারা দিয়েছে এবং দেননি, সে বিষয়ে অবগত করা। এতে আমাদের এগুলো নির্মূলে সহযোগিতা হবে। কোনো ধরনের অভিযোগ এলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

নেত্রকোনার বারহাট্টায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) আওতায় বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত এমওপি সার দোকানে বিক্রির অভিযোগে এক সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোপালপুর বাজারে মইন উদ্দিন ট্রেডার্স নামের একটি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত এমওপি সার বিক্রির অপরাধে মুমিন মিয়াকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। মুমিন মিয়া মইন উদ্দিন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মহিম উদ্দিনের ছোট ভাই বলে জানা গেছে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা।
বারহাট্টা উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার বিনামূল্যে দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত সার প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী ওজন করে বিতরণ করার নিয়ম রয়েছে।
তবে কৃষকদের মধ্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত সরকারি সারের বস্তা কীভাবে দোকানে গেল—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বারহাট্টা উপজেলায় দুই হাজার কৃষকের নামে সার ও বীজের প্রণোদনা বরাদ্দ থাকলেও তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের অনেকের নাম নেই। এতে সরকারি প্রণোদনার সুফল প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কৃষি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্তদের তদারকি ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত সার দোকানে বিক্রির ঘটনায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার তালিকা পুনঃযাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং সরকারি সার অনিয়মের মাধ্যমে দোকানে বিক্রি হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যব
স্থা নেওয়া হোক।

বাগেরহাট জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আজ ১৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রি: সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় বাগেরহাট জেলা পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সুপার জনাব হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এর সভাপতিত্বে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয় কনফারেন্স রুমে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সুপার কল্যাণ সভার শুরুতেই গত মাসের কল্যাণ সভায় প্রস্তাবিত কল্যাণ মূলক দাবি সর্বসম্মতিক্রমে বাস্তবায়ন করা হয় এবং বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প থেকে আগত অফিসার ও ফোর্স এবং পুলিশ লাইন্সের অফিসার ও ফোর্সদের সাথে সামগ্রিক সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। তাদের উল্লেখিত সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেন। বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থেকে জনসাধারণের সর্বোচ্চ পুলিশী সেবা প্রদানের জন্য আহবান জানান।
এ সময় ভালো কাজে স্বীকৃতি স্বরূপ নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন।

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বাংলা স্যার অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
এস এম নাসির উদ্দীন, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ
শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অনন্য অবদান রাখা ‘বাংলা স্যার’ খ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় মরহুমের কবর জিয়ারত এবং সাড়ে ১১টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে স্মৃতিচারণ সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণ সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম মমতাজ হোসেন মন্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডা. শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাপ্পী, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস এম আহম্মদ উল্লাহ বাচ্ছু এবং সদস্য ইশারাত আলী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জিয়া পরিষদের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান পাড়, কৃষ্ণনগর বিএনপির সভাপতি আল মাহমুদ ছট্টু, রতনপুর বিএনপির সেক্রেটারি ফজলুর রহমান আকাশ, মসজিদে কুবা জামে মসজিদের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ গাজী, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য শেখ আব্দুল করিম, মামুন হাসান, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলমগীর হোসেন, শিমুল হোসেন, তাপস কুমার ঘোষ, ফজলুল হক, সলেমান মামুন, সাফিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন কালিগঞ্জের শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও সামাজিক অঙ্গনের একজন আলোকিত ব্যক্তিত্ব। তিনি কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপজেলা ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
বক্তারা আরও বলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার এই কৃতী সন্তান ছিলেন অসংখ্য শিক্ষার্থী ও মানুষের শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু। তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও সামাজিক অবদান আজও মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছে। প্রতি বছর ১৯ আগস্ট তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও কবর জিয়ারত, স্মৃতিচারণ সভা, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মরহুম অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের রুহের মাগফিরাত এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তাঁর জন্য জান্নাতের উচ্চ মাকাম কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম মমতাজ হোসেন মন্টু।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান।

বগুড়ার ধুনটে সুমন মিয়া (৩৫) নামে সৌদি আরব প্রবাসী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরপর ওই প্রেমিকা তিন দিন ধরে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই নারী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সুমন মিয়া ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। ওই প্রেমিকা সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের বাসিন্দা।
ওই নারী অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে দুজনই সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তারা বিভিন্ন স্থানে একান্তে সময় কাটান।
তিনি দাবি করেন, সুমন কৌশলে তাকে দেশে রেখে আবার সৌদি আরবে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পরও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চলতি মাসে সুমন আবার ছুটিতে দেশে এলেও তাকে বিষয়টি জানাননি। পরে অন্যদের মাধ্যমে সুমনের দেশে ফেরার কথা জানতে পেরে তিনি তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন।
এদিকে, সুমন চাপের মুখে বিয়ের কথা বলে গত ১৬ আগস্ট তাকে বেড়েরবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়িতে আসতে বলেন। তার কথামতো বাড়িতে যাওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে সুমন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
সুমনের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বাড়িতেও ফেরেননি। এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম জানান, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের পরামর্শে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেছেন। তবে সুমন ও তার পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীকে থানায় এসে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। তিনি আসেননি। অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যব
স্থা নেওয়া হবে।

ভূমি ও উত্তরাধিকার তথ্যকে সহজ করতে ডিজিটাল উদ্যোগ— http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ ও BhumiBD
বাংলাদেশে জমি, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য খুঁজে বের করা অনেকের জন্যই সময়সাপেক্ষ ও জটিল। খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্য কিংবা উত্তরাধিকারীদের অংশ নির্ধারণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় সঠিক তথ্য ও হিসাব। এসব বিষয়কে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.com।
উত্তরাধিকার হিসাব এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে
http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ মূলত ইসলামি উত্তরাধিকার বা ফারায়েজ-সংক্রান্ত তথ্য ও হিসাবকে সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ। পরিবারের সদস্যদের তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরাধিকার বণ্টনের হিসাব বুঝতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য প্ল্যাটফর্মটিতে সহজ বাংলা ইন্টারফেস রাখা হয়েছে।
উত্তরাধিকার আইন ও ফারায়েজের হিসাব অনেকের কাছেই জটিল মনে হতে পারে। ডিজিটাল ক্যালকুলেটর ও তথ্যভিত্তিক নির্দেশনার মাধ্যমে সেই জটিলতাকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম।
মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে Uttoradhikar অ্যাপ, যার মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকেই উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাব ও তথ্য ব্যবহার করা যায়।
BhumiBD-তে খতিয়ান অনুসন্ধান ও ভূমি তথ্য
অন্যদিকে http://Bhumibd.comভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে একটি সহজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এখানে খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, ভূমি-সংক্রান্ত হিসাব এবং বিভিন্ন তথ্য ও গাইড ব্যবহারকারীদের জন্য সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো খতিয়ান অনুসন্ধান। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে খতিয়ান-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে জমি-সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য খোঁজার প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার সুযোগ তৈরি হয়।
স্যাটেলাইট ম্যাপে জমি দেখার সুবিধা
ভূমি-সংক্রান্ত তথ্যকে আরও ভিজ্যুয়াল ও সহজবোধ্য করতে স্যাটেলাইট ম্যাপ সুবিধার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জমির অবস্থান ও আশপাশের এলাকার ভৌগোলিক চিত্র স্যাটেলাইট ম্যাপের মাধ্যমে দেখার সুযোগ থাকায় ব্যবহারকারীরা শুধু লিখিত তথ্যের ওপর নির্ভর না করে মানচিত্রের মাধ্যমেও জায়গাটি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।
জমি কেনাবেচা, জমির অবস্থান বোঝা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের ম্যাপভিত্তিক সুবিধা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করতে পারে।
AI সহায়ক—জটিল তথ্য বুঝতে প্রযুক্তির ব্যবহার
BhumiBD-এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো AI সহায়ক। ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের প্রাথমিক উত্তর ও তথ্য খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য AI-ভিত্তিক সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনেক ব্যবহারকারী খতিয়ান, দলিল, জমির হিসাব, ভূমি আইন কিংবা বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোথা থেকে তথ্য শুরু করবেন তা বুঝতে পারেন না। AI সহায়ক এ ক্ষেত্রে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়ার পথে একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।
তবে AI থেকে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
একই ইকোসিস্টেমে ভূমি ও উত্তরাধিকার
জমি ও উত্তরাধিকার অনেক ক্ষেত্রেই একে অপরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। একটি পরিবারের সম্পত্তির মালিকানা, জমির খতিয়ান বা দলিলের তথ্যের পাশাপাশি সেই সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টিত হবে—এ বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।
এই বাস্তবতায় http://Bhumibd.com যেখানে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক সুবিধার মাধ্যমে ভূমি-তথ্যকে সহজ করার চেষ্টা করছে, সেখানে http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার ও ফারায়েজ-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
সাধারণ মানুষের জন্য ডিজিটাল তথ্যসেবার সম্ভাবনা
বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যও ধীরে ধীরে ডিজিটাল মাধ্যমে সহজলভ্য হচ্ছে। এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক তথ্য নিজেরাই খুঁজে দেখা, হিসাব বোঝা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.comএর মতো প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জটিল তথ্যকে প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও সহজ, বোধগম্য ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলা।
ভবিষ্যতে আরও উন্নত AI প্রযুক্তি, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপিং এবং ভূমি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গায় সমন্বিত হলে সাধারণ মানুষের জন্য জমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের অভিজ্ঞতা আরও সহজ হতে পারে।
http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার উদ্যোগ, আর http://Bhumibd.com ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে ডিজিটালভাবে সহজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম—যেখানে খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্যপ্রাপ্তির অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।


Leave a Reply