বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারির সাক্ষাৎ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারির সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারির সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।

 

বৃহস্পতিবার রাতে দলের পক্ষ থেকে রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাৎ করেন।

 

সাক্ষাৎকালে যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তারা দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

যুবদল নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রুহুল কবির রিজভীর বলিষ্ঠ ও ত্যাগী নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী যুবদলসহ সকল অঙ্গ-সংগঠন আগামী দিনে দলের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আরও বেশি সুসংগঠিত ও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে।

 

এ সময় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দলের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়।

 

এর আগে গত ১৫ আগস্ট তাকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সাক্ষাৎকালে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য পদস্থ নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।


রাজধানীর পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নাম ব্যবহার করে ইজারাদার দাবি করে এবং সিটি করপোরেশনের টোকেন বা রসিদ ব্যবহার করে প্রকাশ্যে যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজের নিচে অন্তত দুটি পয়েন্টে রাতভর ৩-৪ জনের পৃথক গ্রুপ টোলের নামে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টাকা তুলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাত ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়।

 

বুধবার রাত আড়াইটার দিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রবেশপথসংলগ্ন এলাকায় সিটি করপোরেশনের রসিদ ব্যবহার করে যানবাহন থেকে টাকা আদায় করতে দেখা যায়। সেখানে দায়িত্ব পালনকারী সুজন নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদকের ক্যামেরার সামনে টাকা তুলছিলেন। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি সরকারি রাজস্ব চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিদিন ৭০০ টাকা মজুরিতে তিনি দায়িত্ব পালন করেন বলেও জানান।

 

সুজন বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের স্লিপ দিয়ে ১০০ টাকা করে আদায় করি। আমাদের হাতে স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে রোজভিত্তিক টাকা দিয়ে বলা হয়েছে টাকা তুলতে।’ টাকা আদায়ের বৈধতা বা কী নিয়মে তা করা হচ্ছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না এটা কোন নিয়ম আছে কিনা।’ তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্লিপে থাকা প্রতিটি পয়েন্টে শিফট অনুযায়ী ৩-৪ জন করে দায়িত্ব পালন করেন এবং এ ধরনের আরও অনেক পয়েন্ট রয়েছে। পরে কর্তৃপক্ষকে ডেকে আনার কথা বলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

 

অন্যদিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে বেড়িবাঁধসংলগ্ন মিটফোর্ড হাসপাতালের সীমানার কোণায় অজ্ঞাত একজনকে টাকা তুলতে দেখা যায়। তার সামনে যুগান্তরের ক্যামেরা গেলে তিনি বেড়িবাঁধের রাস্তা দিয়ে সুভারীঘাটের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যান।

 

এ ছাড়া জোবায়ের নামের আরেক ব্যক্তিকে যানবাহন থেকে টাকা তুলতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দেওয়া জোবায়ের জানান, এখানে সারা বছর অন্য লোকজন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মাত্র দুই দিন ধরে সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দাবি, ‘আউয়াল ভাই’ নামে একজন বড় ভাই তাকে ওই স্লিপ দিয়ে টাকা তুলতে বলেছেন। এ কাজের বিনিময়ে তাকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

 

একাধিক চালক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, টাকা দিতে অস্বীকার করলে জোবায়েরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চালকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হেনস্তা এবং মারধর করেন। জোবায়ের কয়েক দিন আগে সুমন নামের এক চালককে মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে একটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে দেওয়া এবং যানবাহন আটকে রাখার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য, এ কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে ওই এলাকা পার হন।

 

সরেজমিনে পাওয়া রসিদে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ লেখা রয়েছে। রসিদে ফুলবাড়িয়া, টপ ওভার, বাস টার্মিনাল, গোলাপশাহ মাজার, জিরো পয়েন্ট, টিএনটি সম্মুখভাগ, বঙ্গবাজার, নবাবপুর রোড, চকবাজার, কাজী নজরুল ইসলাম সরণি, নর্থ সাউথ রোড, ইংলিশ রোড, এ এইচ এম কামরুজ্জামান সরণি, চানখারপুল, ভিক্টোরিয়া পার্ক, বাদামতলী, নয়াবাজার ও বাবুবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার নাম উল্লেখ রয়েছে।

 

রসিদে ‘সংশ্লিষ্ট যানবাহন হতে টোল ফ্রি আদায়ের রশিদ’ লেখা রয়েছে। সেখানে ইজারাদার হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রসিদে বাস, ট্রাক, সিএনজি, রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি, ঝুড়ি ও বস্তাসহ বিভিন্ন যানবাহন বা পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা হারে আদায়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে সরেজমিনে অভিযোগ পাওয়া যায়, বাস্তবে যানবাহনের ধরন ও পণ্য অনুযায়ী এর চেয়ে বেশি টাকাও আদায় করা হচ্ছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আগত চালক বলেন, ‘পুরো ঢাকা শহরের সড়কে সিটি করপোরেশনের নামে এভাবে টোল দিতে হয় না। কিন্তু বাবুবাজারে এলেই টাকা দিতে হয়। টাকা দিতে না চাইলে গালাগালি, হেনস্তা এমনকি গাড়ির গ্লাস ভাঙার ঘটনাও ঘটে।’ তাদের অভিযোগ, ছোট ট্রাকের কাছ থেকে ১০০ টাকা এবং বড় মালবাহী ট্রাক, বিশেষ করে কাঠ বা বড় গাছ বহনকারী ট্রাক থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।

 

চালকদের অভিযোগ, এক জায়গায় পুলিশ থাকলে কিছুদূর পর অন্য জায়গায় গিয়ে টাকা আদায় করা হয়। আবার পুলিশ ঘটনাস্থলে না থাকলে কথিত টোকেনধারীরা প্রকাশ্যে টাকা সংগ্রহ শুরু করে। ফলে রাতের বেলায় বাবুবাজার ব্রিজের নিচ দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন চালকদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

 

এদিকে সিটি করপোরেশনের নামে ব্যবহৃত রসিদে ইজারাদার হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় সত্যিই কোনো বৈধ ইজারা বা টোল আদায়ের অনুমোদন রয়েছে কি না, থাকলে তার আওতা কতটুকু এবং বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এভাবে রাতভর যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের অনুমতি রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

 

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম যুগান্তরকে জানান, ‘আমরা বাবুবাজার ব্রিজের নিচে জায়গাগুলো ইযারা দিয়েছি। তবে বাইরে কোনো পরিবহনে টোকেন দিয়ে টাকা নেওয়ার ইযারা আমরা দেইনি।’

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক (পরিবহন) গোলাম মোর্শেদ যুগান্তরকে জানান, এ ধরনের অভিযোগ সিটি করপোরেশনে কয়েকবার এসেছে। রাতের আঁধারে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ‘এগুলো ভুয়া। কোনো ধরনের রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহনের কোনো ইজারা আমরা দেইনি,’ বলেন তিনি।

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল সালাম যুগান্তরকে বলেন, ‘তারা চাঁদাবাজ, তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে।’

 

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল যুগান্তরকে বলেন, ‘এ ধরনের তথ্য আমার কাছে নেই। তাছাড়া যেগুলো অভিযোগ এসেছিল, সবগুলো আমরা এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করেছি। সিটি করপোরেশনের উচিত সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে সিটি করপোরেশন কোনটি ইজারা দিয়েছে এবং দেননি, সে বিষয়ে অবগত করা। এতে আমাদের এগুলো নির্মূলে সহযোগিতা হবে। কোনো ধরনের অভিযোগ এলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

বাবুবাজারে সিটি করপোরেশনের টোকেন ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

নেত্রকোনার বারহাট্টায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) আওতায় বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত এমওপি সার দোকানে বিক্রির অভিযোগে এক সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোপালপুর বাজারে মইন উদ্দিন ট্রেডার্স নামের একটি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত এমওপি সার বিক্রির অপরাধে মুমিন মিয়াকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। মুমিন মিয়া মইন উদ্দিন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মহিম উদ্দিনের ছোট ভাই বলে জানা গেছে।

 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা।

 

বারহাট্টা উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার বিনামূল্যে দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত সার প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী ওজন করে বিতরণ করার নিয়ম রয়েছে।

 

তবে কৃষকদের মধ্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত সরকারি সারের বস্তা কীভাবে দোকানে গেল—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বারহাট্টা উপজেলায় দুই হাজার কৃষকের নামে সার ও বীজের প্রণোদনা বরাদ্দ থাকলেও তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের অনেকের নাম নেই। এতে সরকারি প্রণোদনার সুফল প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কৃষি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্তদের তদারকি ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত সার দোকানে বিক্রির ঘটনায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার তালিকা পুনঃযাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং সরকারি সার অনিয়মের মাধ্যমে দোকানে বিক্রি হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যব

স্থা নেওয়া হোক।

 

বারহাট্টায় সরকারি প্রণোদনার সার বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বাগেরহাট জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

আজ ১৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রি: সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় বাগেরহাট জেলা পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সুপার জনাব হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এর সভাপতিত্বে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয় কনফারেন্স রুমে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সুপার কল্যাণ সভার শুরুতেই গত মাসের কল্যাণ সভায় প্রস্তাবিত কল্যাণ মূলক দাবি সর্বসম্মতিক্রমে বাস্তবায়ন করা হয় এবং বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প থেকে আগত অফিসার ও ফোর্স এবং পুলিশ লাইন্সের অফিসার ও ফোর্সদের সাথে সামগ্রিক সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। তাদের উল্লেখিত সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেন। বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থেকে জনসাধারণের সর্বোচ্চ পুলিশী সেবা প্রদানের জন্য আহবান জানান।

এ সময় ভালো কাজে স্বীকৃতি স্বরূপ নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন।

বাগেরহাট জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিতঃ

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বাংলা স্যার অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

 

এস এম নাসির উদ্দীন, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

 

শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অনন্য অবদান রাখা ‘বাংলা স্যার’ খ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

 

বুধবার (১৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় মরহুমের কবর জিয়ারত এবং সাড়ে ১১টায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে স্মৃতিচারণ সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণ সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম মমতাজ হোসেন মন্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডা. শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাপ্পী, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস এম আহম্মদ উল্লাহ বাচ্ছু এবং সদস্য ইশারাত আলী।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জিয়া পরিষদের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান পাড়, কৃষ্ণনগর বিএনপির সভাপতি আল মাহমুদ ছট্টু, রতনপুর বিএনপির সেক্রেটারি ফজলুর রহমান আকাশ, মসজিদে কুবা জামে মসজিদের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ গাজী, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য শেখ আব্দুল করিম, মামুন হাসান, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলমগীর হোসেন, শিমুল হোসেন, তাপস কুমার ঘোষ, ফজলুল হক, সলেমান মামুন, সাফিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন কালিগঞ্জের শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও সামাজিক অঙ্গনের একজন আলোকিত ব্যক্তিত্ব। তিনি কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপজেলা ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

 

বক্তারা আরও বলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার এই কৃতী সন্তান ছিলেন অসংখ্য শিক্ষার্থী ও মানুষের শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু। তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও সামাজিক অবদান আজও মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছে। প্রতি বছর ১৯ আগস্ট তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও কবর জিয়ারত, স্মৃতিচারণ সভা, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

মরহুম অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের রুহের মাগফিরাত এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে তাঁর জন্য জান্নাতের উচ্চ মাকাম কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম মমতাজ হোসেন মন্টু।

 

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান।

কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বাংলা স্যার অধ্যক্ষ তমিজউদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

বগুড়ার ধুনটে সুমন মিয়া (৩৫) নামে সৌদি আরব প্রবাসী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরপর ওই প্রেমিকা তিন দিন ধরে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই নারী।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সুমন মিয়া ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। ওই প্রেমিকা সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের বাসিন্দা।

 

ওই নারী অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে দুজনই সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তারা বিভিন্ন স্থানে একান্তে সময় কাটান।

 

তিনি দাবি করেন, সুমন কৌশলে তাকে দেশে রেখে আবার সৌদি আরবে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পরও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চলতি মাসে সুমন আবার ছুটিতে দেশে এলেও তাকে বিষয়টি জানাননি। পরে অন্যদের মাধ্যমে সুমনের দেশে ফেরার কথা জানতে পেরে তিনি তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন।

 

এদিকে, সুমন চাপের মুখে বিয়ের কথা বলে গত ১৬ আগস্ট তাকে বেড়েরবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়িতে আসতে বলেন। তার কথামতো বাড়িতে যাওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে সুমন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

সুমনের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বাড়িতেও ফেরেননি। এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম জানান, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের পরামর্শে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেছেন। তবে সুমন ও তার পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

 

এ ব্যাপারে ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীকে থানায় এসে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। তিনি আসেননি। অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যব

স্থা নেওয়া হবে।

 

বিয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে প্রেমিক পলাতক, ৩ দিন ধরে প্রেমিকার অনশন

ভূমি ও উত্তরাধিকার তথ্যকে সহজ করতে ডিজিটাল উদ্যোগ— http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ ও BhumiBD

 

বাংলাদেশে জমি, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য খুঁজে বের করা অনেকের জন্যই সময়সাপেক্ষ ও জটিল। খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্য কিংবা উত্তরাধিকারীদের অংশ নির্ধারণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় সঠিক তথ্য ও হিসাব। এসব বিষয়কে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.com

 

উত্তরাধিকার হিসাব এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে

 

http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ মূলত ইসলামি উত্তরাধিকার বা ফারায়েজ-সংক্রান্ত তথ্য ও হিসাবকে সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ। পরিবারের সদস্যদের তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরাধিকার বণ্টনের হিসাব বুঝতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য প্ল্যাটফর্মটিতে সহজ বাংলা ইন্টারফেস রাখা হয়েছে।

 

উত্তরাধিকার আইন ও ফারায়েজের হিসাব অনেকের কাছেই জটিল মনে হতে পারে। ডিজিটাল ক্যালকুলেটর ও তথ্যভিত্তিক নির্দেশনার মাধ্যমে সেই জটিলতাকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম।

 

মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে Uttoradhikar অ্যাপ, যার মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকেই উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাব ও তথ্য ব্যবহার করা যায়।

 

BhumiBD-তে খতিয়ান অনুসন্ধান ও ভূমি তথ্য

 

অন্যদিকে http://Bhumibd.comভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে একটি সহজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এখানে খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, ভূমি-সংক্রান্ত হিসাব এবং বিভিন্ন তথ্য ও গাইড ব্যবহারকারীদের জন্য সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো খতিয়ান অনুসন্ধান। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে খতিয়ান-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে জমি-সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য খোঁজার প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার সুযোগ তৈরি হয়।

 

স্যাটেলাইট ম্যাপে জমি দেখার সুবিধা

 

ভূমি-সংক্রান্ত তথ্যকে আরও ভিজ্যুয়াল ও সহজবোধ্য করতে স্যাটেলাইট ম্যাপ সুবিধার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জমির অবস্থান ও আশপাশের এলাকার ভৌগোলিক চিত্র স্যাটেলাইট ম্যাপের মাধ্যমে দেখার সুযোগ থাকায় ব্যবহারকারীরা শুধু লিখিত তথ্যের ওপর নির্ভর না করে মানচিত্রের মাধ্যমেও জায়গাটি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।

 

জমি কেনাবেচা, জমির অবস্থান বোঝা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের ম্যাপভিত্তিক সুবিধা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করতে পারে।

 

AI সহায়ক—জটিল তথ্য বুঝতে প্রযুক্তির ব্যবহার

 

BhumiBD-এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো AI সহায়ক। ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের প্রাথমিক উত্তর ও তথ্য খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য AI-ভিত্তিক সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অনেক ব্যবহারকারী খতিয়ান, দলিল, জমির হিসাব, ভূমি আইন কিংবা বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোথা থেকে তথ্য শুরু করবেন তা বুঝতে পারেন না। AI সহায়ক এ ক্ষেত্রে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়ার পথে একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।

 

তবে AI থেকে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

 

একই ইকোসিস্টেমে ভূমি ও উত্তরাধিকার

 

জমি ও উত্তরাধিকার অনেক ক্ষেত্রেই একে অপরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। একটি পরিবারের সম্পত্তির মালিকানা, জমির খতিয়ান বা দলিলের তথ্যের পাশাপাশি সেই সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টিত হবে—এ বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

 

এই বাস্তবতায় http://Bhumibd.com যেখানে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক সুবিধার মাধ্যমে ভূমি-তথ্যকে সহজ করার চেষ্টা করছে, সেখানে http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার ও ফারায়েজ-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

সাধারণ মানুষের জন্য ডিজিটাল তথ্যসেবার সম্ভাবনা

 

বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যও ধীরে ধীরে ডিজিটাল মাধ্যমে সহজলভ্য হচ্ছে। এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক তথ্য নিজেরাই খুঁজে দেখা, হিসাব বোঝা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

 

http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.comএর মতো প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জটিল তথ্যকে প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও সহজ, বোধগম্য ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলা।

 

ভবিষ্যতে আরও উন্নত AI প্রযুক্তি, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপিং এবং ভূমি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গায় সমন্বিত হলে সাধারণ মানুষের জন্য জমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের অভিজ্ঞতা আরও সহজ হতে পারে।

 

http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার উদ্যোগ, আর http://Bhumibd.com ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে ডিজিটালভাবে সহজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম—যেখানে খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্যপ্রাপ্তির অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভূমি-তথ্যসেবাকে আরও সহজ করতে তোহিদুল ইসলামের নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গাইবান্ধায় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা জেলা স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হয়েছে ‘গাইবান্ধা ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ (জিপিপিএল) ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শুক্রবার (২১শে আগস্ট) বিকেলে জেলা স্টেডিয়াম চত্বরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)-এর নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদ। উদ্বোধনী ক্রীড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আশরাফ হোসেন, শাহাদত হোসেন সাগর, খন্দকার রবিউল ইসলাম, মাসুদ রানা ও সেলিম মিয়া।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন গঠনে এবং যুবসমাজকে মাদক ও যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ফার্মাসিউটিক্যালস পেশাজীবীদের দিনভর কর্মব্যস্ততার মাঝে এই টুর্নামেন্ট কেবল মানসিক প্রশান্তিই দেবে না, বরং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখবে।”

উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নেওয়া দলগুলোকে উৎসাহ দিতে মাঠে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে বিরাজ করছিল টানটান উত্তেজনা ও উৎসবের আমেজ।

গাইবান্ধায় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে যে কাজ করেছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসেও হয়নি বলে দাবি করেছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তার দাবি, ডাকসুর নেতৃত্বে থাকায় ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও রাহাজানির মতো কর্মকাণ্ড শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

 

শুক্রবার (২১ আগস্ট) পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সাদিক কায়েম বলেন, ‘১১ মাসে আমরা প্রমাণ করেছি কীভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষার্থীরাই বলে, আমরা গত ১১ মাসে ডাকসুতে দায়িত্ব নেওয়ার পর যে কাজ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ১০৫ বছরেও সে কাজ করতে পারেনি।’

 

ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে একাধিক জরিপ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শতকরা ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করে, ডাকসু দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যাম্পাসে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো নারীরা নিরাপদে রয়েছে। ক্যাম্পাসের মধ্যে সব ধরনের মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও রাহাজানি—সবগুলোকে আমরা শূন্যের কোটায় নিয়ে এসেছি।’

 

ক্যাম্পাসের একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ডাকসুর ভিপি। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করা, গবেষণা করা, চিন্তা করা, প্রশ্ন করা এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করা। এজন্য সেই একাডেমিক পরিবেশ আমরা ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছি।’

 

দেশের তরুণ প্রজন্মকে যথাযথ স্বীকৃতি ও সুযোগ না দেওয়ার সমালোচনা করে সাদিক কায়েম বলেন, গত ৫৫ বছর ধরে দেশের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেভাবে ভাবা প্রয়োজন ছিল এবং তাদের যেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া দরকার ছিল, তা দিতে পারেননি।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান।

 

আয়োজকরা জানান, দুই পর্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩৬ জন এবং ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসার ১৬৪ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী এসব শিক্ষার্থীকে ফুল দিয়ে বরণ করে ক্রেস্ট, স্কুলব্যাগ ও কলম দেওয়া হয়। বিকেলে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ডাকসু ১১ মাসে যে কাজ করেছে, তা ১০৫ বছরেও হয়নি: সাদিক কায়েম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা। হন্য হয়ে খুঁজছেন স্বজন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষও। তবে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ভিন্ন তথ্য দিয়েছে পুলিশ। সৌভিক তার খালার বাড়ি থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বের হন এবং একই বাসার খালাত ভাইয়ের বউও ৯টা ৪৫ মিনিটে বের হন।

 

দুইজনই বর্তমান নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছেন। শিক্ষার্থী (সৌভিক) নিখোঁজের পর খুলনার দৌলতপুর থানায় জিডি হলেও খালাত ভাই তার স্ত্রীর জন্য এখনও জিডি করেননি। পুলিশ ও খালাত ভাইয়ের ধারণা সৌভিককে পাওয়া গেলে স্ত্রীকেও এক সঙ্গে পাওয়া যেতে পারে।

 

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, সৌভিক তার বাড়ি (কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুর) থেকে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ক্যাস্পাসে আসে। ক্যাম্পাসের থেকে ঝিনাইদহগামী একটি বাসে ওঠেন সৌভিক। পরে তিনি খুলনায় তার আত্মীয়’র (মাসি) বাসায় পৌঁছান। ওই দিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে খালার (মাসি) বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এদিকে নিখোঁজ ছেলের মা জানান, রাত সাড়ে ৯ টার দিকে সৌভিক মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। তখন কোনো বাস বা ট্রেন পাচ্ছেন না বলে জানান। এরপর থেকেই সৌভিকের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।

 

তবে দৌলতপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ হওয়ার পর তার খালার ছেলেও (মাসতুতো ভাই) থানায় আসছিলেন। সে জানায়, তার স্ত্রীও ওইদিন নিখোঁজ হয়েছেন।

 

পুলিশ ও পরিবারের ধারণা দুজন একইসময় নিখোঁজ হওয়ায় একটা সূত্র আছে। তবে ওই স্ত্রীর বিষয়ে এখনও থানায় জিডি করা হয়নি। পরিবারের দাবি ওই ছেলেকে পাওয়া গেলে তার ভাইয়ের স্ত্রীকেও (ভাবী) পাওয়া যেতে পারে।

 

এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অবগত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে জানিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীর বাবা কুষ্টিয়াতে জিডি করতে গিয়েছিলেন। পরে ওই শিক্ষার্থীর সর্বশেষ লোকেশন দৌলতপুর এলাকায়। এজন্য আমাদের অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেছেন।’

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাত মাসতুতো ভাই (কমল) জানান, তার বাসা থেকে সৌভিক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা বের হয়ে যায় এবং রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তাঁর স্ত্রীও বের হয়ে যায়। দুইজনই এখন নিখোঁজ। খালাতো ভাই সৌভিকের জন্য জিডি করেন এবং সৌভিকের সঙ্গে না পাওয়া গেলে স্ত্রীর জন্যও জিডি করবে বলে জানান তিনি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে থানা সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কিন্তু পরে শুনতেছি মাসতুতো ভাইয়ের বউও নিখোঁজ। এখন ঘটনা অন্যদিকেও হতে পারে।’

নিখোঁজ ইবি শিক্ষার্থী, খোঁজ নেই ভাবিরও

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদ সদস্যদের মোট ৩৪৩টি ভোটের মধ্যে ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

 

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় শপথ নেবেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার বিকালে বঙ্গভবন ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে বঙ্গভবনের ভেতরেও নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

 

বঙ্গভবনের দরবার হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

 

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

 

আরও পড়ুন

নতুন রাষ্ট্রপতি বরণে প্রস্তুত বঙ্গভবন

নতুন রাষ্ট্রপতি বরণে প্রস্তুত বঙ্গভবন

রাষ্ট্রপতির শপথ উপলক্ষে বঙ্গভবনে ১২ শতাধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

 

এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বঙ্গভবন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। বঙ্গভবনের প্রবেশপথ ও আশপাশের সড়কে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রবেশের বিষয়েও নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। নিরাপত্তার স্বার্থে বঙ্গভবনকেন্দ্রিক এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার রাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

 

শপথ নেওয়ার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাষ্ট্রপতির শপথ ঘিরে বঙ্গভবন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা দায়ের

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলায় এক নারী পোশাক শ্রমিককে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

গত বুধবার ১৯/৮/২৬ ইং তারিখে ভুক্তভোগী নারী ভূ্ল্লী থানায় বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী (২৬) ভূল্লী উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বগুলাডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকাকালীন সময়ে বাবার বাড়ীতে অবস্থান করেন। এ সময় প্রতিবেশী আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী (নাপিতপাড়া) গ্রামের বদিউজ্জামান এর ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে রুমানাকে কুপ্রস্তাব ও উত্ত্যক্ত করে আসছিল।

 

বিয়ে করবে মর্মে বিভিন্ন প্রলোভন দেখাইতো। গত রমজান মাসে (১০ মার্চ, ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮:৩০ মিনিটে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শরিফুল ঘরে প্রবেশ করে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এভাবে প্রায় বাড়ী পাশে ভূট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

 

ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী নারী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তিনি বিষয়টি শরিফুলকে জানান এবং বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু শরিফুল বিয়ে করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। লোকলজ্জার ভয়ে রুমানা ঢাকা চলে যান এবং একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজে যোগ দেন। পরবর্তীতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটান।

 

গত জুন মাসে শারীরিক অসুস্থতা বাড়লে ঢাকার ‘সুফিয়া হাসপাতালে’ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, গর্ভপাতের পরেও তার পেটে ইনফেকশন বা জটিলতা রয়ে গেছে। এই পর্যায়ে বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায়।

 

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় কিছু মাতব্বর ও আত্মীয়-স্বজনরা একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন।

ন্যায় বিচারের জন্য নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী নারী ভূল্লী থানায় হাজির হয়ে শরিফুলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

 

ভিটেছাড়া করার হুমকি ও অবরুদ্ধ পরিবার

 

মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামি শরিফুল ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর চড়াও হন। মামলা প্রত্যাহার না করলে তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা, গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং প্রাণনাশের সরাসরি হুমকি দেন।

 

এ বিষয়ে ভূল্লী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী নারীর এজাহারের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধান আসামি শরিফুলকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে সব ধরনের আইনি ও সামাজিক নিরাপত্তা দিতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা দায়ের.

রাজধানীর পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নাম ব্যবহার করে ইজারাদার দাবি করে এবং সিটি করপোরেশনের টোকেন বা রসিদ ব্যবহার করে প্রকাশ্যে যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজের নিচে অন্তত দুটি পয়েন্টে রাতভর ৩-৪ জনের পৃথক গ্রুপ টোলের নামে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টাকা তুলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাত ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়।

 

বুধবার রাত আড়াইটার দিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রবেশপথসংলগ্ন এলাকায় সিটি করপোরেশনের রসিদ ব্যবহার করে যানবাহন থেকে টাকা আদায় করতে দেখা যায়। সেখানে দায়িত্ব পালনকারী সুজন নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদকের ক্যামেরার সামনে টাকা তুলছিলেন। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি সরকারি রাজস্ব চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিদিন ৭০০ টাকা মজুরিতে তিনি দায়িত্ব পালন করেন বলেও জানান।

 

সুজন বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের স্লিপ দিয়ে ১০০ টাকা করে আদায় করি। আমাদের হাতে স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে রোজভিত্তিক টাকা দিয়ে বলা হয়েছে টাকা তুলতে।’ টাকা আদায়ের বৈধতা বা কী নিয়মে তা করা হচ্ছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না এটা কোন নিয়ম আছে কিনা।’ তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্লিপে থাকা প্রতিটি পয়েন্টে শিফট অনুযায়ী ৩-৪ জন করে দায়িত্ব পালন করেন এবং এ ধরনের আরও অনেক পয়েন্ট রয়েছে। পরে কর্তৃপক্ষকে ডেকে আনার কথা বলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

 

অন্যদিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে বেড়িবাঁধসংলগ্ন মিটফোর্ড হাসপাতালের সীমানার কোণায় অজ্ঞাত একজনকে টাকা তুলতে দেখা যায়। তার সামনে যুগান্তরের ক্যামেরা গেলে তিনি বেড়িবাঁধের রাস্তা দিয়ে সুভারীঘাটের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যান।

 

এ ছাড়া জোবায়ের নামের আরেক ব্যক্তিকে যানবাহন থেকে টাকা তুলতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দেওয়া জোবায়ের জানান, এখানে সারা বছর অন্য লোকজন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মাত্র দুই দিন ধরে সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দাবি, ‘আউয়াল ভাই’ নামে একজন বড় ভাই তাকে ওই স্লিপ দিয়ে টাকা তুলতে বলেছেন। এ কাজের বিনিময়ে তাকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

 

একাধিক চালক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, টাকা দিতে অস্বীকার করলে জোবায়েরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চালকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হেনস্তা এবং মারধর করেন। জোবায়ের কয়েক দিন আগে সুমন নামের এক চালককে মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে একটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে দেওয়া এবং যানবাহন আটকে রাখার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য, এ কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে ওই এলাকা পার হন।

 

সরেজমিনে পাওয়া রসিদে ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ লেখা রয়েছে। রসিদে ফুলবাড়িয়া, টপ ওভার, বাস টার্মিনাল, গোলাপশাহ মাজার, জিরো পয়েন্ট, টিএনটি সম্মুখভাগ, বঙ্গবাজার, নবাবপুর রোড, চকবাজার, কাজী নজরুল ইসলাম সরণি, নর্থ সাউথ রোড, ইংলিশ রোড, এ এইচ এম কামরুজ্জামান সরণি, চানখারপুল, ভিক্টোরিয়া পার্ক, বাদামতলী, নয়াবাজার ও বাবুবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার নাম উল্লেখ রয়েছে।

 

রসিদে ‘সংশ্লিষ্ট যানবাহন হতে টোল ফ্রি আদায়ের রশিদ’ লেখা রয়েছে। সেখানে ইজারাদার হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রসিদে বাস, ট্রাক, সিএনজি, রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি, ঝুড়ি ও বস্তাসহ বিভিন্ন যানবাহন বা পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা হারে আদায়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে সরেজমিনে অভিযোগ পাওয়া যায়, বাস্তবে যানবাহনের ধরন ও পণ্য অনুযায়ী এর চেয়ে বেশি টাকাও আদায় করা হচ্ছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আগত চালক বলেন, ‘পুরো ঢাকা শহরের সড়কে সিটি করপোরেশনের নামে এভাবে টোল দিতে হয় না। কিন্তু বাবুবাজারে এলেই টাকা দিতে হয়। টাকা দিতে না চাইলে গালাগালি, হেনস্তা এমনকি গাড়ির গ্লাস ভাঙার ঘটনাও ঘটে।’ তাদের অভিযোগ, ছোট ট্রাকের কাছ থেকে ১০০ টাকা এবং বড় মালবাহী ট্রাক, বিশেষ করে কাঠ বা বড় গাছ বহনকারী ট্রাক থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।

 

চালকদের অভিযোগ, এক জায়গায় পুলিশ থাকলে কিছুদূর পর অন্য জায়গায় গিয়ে টাকা আদায় করা হয়। আবার পুলিশ ঘটনাস্থলে না থাকলে কথিত টোকেনধারীরা প্রকাশ্যে টাকা সংগ্রহ শুরু করে। ফলে রাতের বেলায় বাবুবাজার ব্রিজের নিচ দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন চালকদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

 

এদিকে সিটি করপোরেশনের নামে ব্যবহৃত রসিদে ইজারাদার হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় সত্যিই কোনো বৈধ ইজারা বা টোল আদায়ের অনুমোদন রয়েছে কি না, থাকলে তার আওতা কতটুকু এবং বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এভাবে রাতভর যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের অনুমতি রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

 

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম যুগান্তরকে জানান, ‘আমরা বাবুবাজার ব্রিজের নিচে জায়গাগুলো ইযারা দিয়েছি। তবে বাইরে কোনো পরিবহনে টোকেন দিয়ে টাকা নেওয়ার ইযারা আমরা দেইনি।’

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক (পরিবহন) গোলাম মোর্শেদ যুগান্তরকে জানান, এ ধরনের অভিযোগ সিটি করপোরেশনে কয়েকবার এসেছে। রাতের আঁধারে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ‘এগুলো ভুয়া। কোনো ধরনের রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহনের কোনো ইজারা আমরা দেইনি,’ বলেন তিনি।

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল সালাম যুগান্তরকে বলেন, ‘তারা চাঁদাবাজ, তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে।’

 

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল যুগান্তরকে বলেন, ‘এ ধরনের তথ্য আমার কাছে নেই। তাছাড়া যেগুলো অভিযোগ এসেছিল, সবগুলো আমরা এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করেছি। সিটি করপোরেশনের উচিত সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে সিটি করপোরেশন কোনটি ইজারা দিয়েছে এবং দেননি, সে বিষয়ে অবগত করা। এতে আমাদের এগুলো নির্মূলে সহযোগিতা হবে। কোনো ধরনের অভিযোগ এলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

বাবুবাজারে সিটি করপোরেশনের টোকেন ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।

 

বৃহস্পতিবার রাতে দলের পক্ষ থেকে রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাৎ করেন।

 

সাক্ষাৎকালে যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তারা দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

যুবদল নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রুহুল কবির রিজভীর বলিষ্ঠ ও ত্যাগী নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী যুবদলসহ সকল অঙ্গ-সংগঠন আগামী দিনে দলের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আরও বেশি সুসংগঠিত ও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে।

 

এ সময় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দলের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়।

 

এর আগে গত ১৫ আগস্ট তাকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সাক্ষাৎকালে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য পদস্থ নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারির সাক্ষাৎ

নেত্রকোনার বারহাট্টায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) আওতায় বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত এমওপি সার দোকানে বিক্রির অভিযোগে এক সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোপালপুর বাজারে মইন উদ্দিন ট্রেডার্স নামের একটি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত এমওপি সার বিক্রির অপরাধে মুমিন মিয়াকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। মুমিন মিয়া মইন উদ্দিন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মহিম উদ্দিনের ছোট ভাই বলে জানা গেছে।

 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম। প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা।

 

বারহাট্টা উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার বিনামূল্যে দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত সার প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী ওজন করে বিতরণ করার নিয়ম রয়েছে।

 

তবে কৃষকদের মধ্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত সরকারি সারের বস্তা কীভাবে দোকানে গেল—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বারহাট্টা উপজেলায় দুই হাজার কৃষকের নামে সার ও বীজের প্রণোদনা বরাদ্দ থাকলেও তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের অনেকের নাম নেই। এতে সরকারি প্রণোদনার সুফল প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কৃষি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্তদের তদারকি ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত সার দোকানে বিক্রির ঘটনায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

কৃষকদের দাবি, প্রণোদনার তালিকা পুনঃযাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং সরকারি সার অনিয়মের মাধ্যমে দোকানে বিক্রি হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যব

স্থা নেওয়া হোক।

 

বারহাট্টায় সরকারি প্রণোদনার সার বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী ব্রিজের উত্তর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ এবং গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইজাজ হোসেন দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

 

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর থেকে ছেড়ে আসা সোনালী পরিবহণের খুলনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকটি দুমড়েমুচড়ে সড়কের ওপর উলটে যায়। অন্যদিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের চালক, হেলপার ও বাসের এক নারী যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

 

গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইজাজ হোসেন বলেন, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একজন নারীসহ নয়জনকে আনা হয়। এর মধ্যে দুজনের হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়।

 

গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২০ জন আহত হয়েছেন।

 

তিনি বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

নিহতদের মধ্যে দুজনের লাশ গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অপরজনের লাশ ঘটনাস্থলে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

দুর্ঘটনার পর গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কে যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন।

গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবিপ্রবি) অফিশিয়াল প্যাডে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের এমন শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শীর্ষ পদে থেকে এমন আচরণকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করার শামিল বলে মনে করছেন অনেকে।

 

জানা গেছে, সোমবার উপাচার্যের স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি বার্তায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ (বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব), আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে অভিনন্দন জানানো হয়।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক সর্বোচ্চ পদ। ফলে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকে এভাবে অভিনন্দন জানানো বিতর্ক তৈরি করবে, এটাই স্বাভাবিক। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা হয়েছে। একজন শিক্ষক প্রশ্ন তুলেছেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের শুভেচ্ছা জানাতে পারেন কিনা। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বলেও মত দেন তিনি।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত যুগান্তরকে বলেন, নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় ‘কার্টেসি’ (সৌজন্য) হিসাবে অভিনন্দন জানিয়ে

ছি।

 

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্যাডে বিএনপি নেতাদের অভিনন্দন

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d