আইনি দুর্বলতায় হচ্ছে না অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আইনি দুর্বলতায় হচ্ছে না অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আইনি দুর্বলতায় হচ্ছে না অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

জীবন রক্ষায় যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ পাহাড় সমান। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুল চিকিৎসার, অপারেশনের পর শরীরে সার্জিক্যাল রুমাল কিংবা চিকিৎসা সরঞ্জাম রেখে দেয়ার। আবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ রোগীকে গুমের হুমকি দেয়ার।

 

এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও চিকিৎসকের পেশাগত অসদাচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অন্যতম দায়িত্ব বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি)। তবে প্রশ্ন উঠছে, অভিযোগ আসলেই কি প্রতিকার মেলে?

 

এ বিষয়ে বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন বলেন, এ বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে গিয়ে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।

 

বিএমডিসির কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে তা কয়েক ধাপের মধ্য দিয়ে তদন্ত করা হয়। সব মিলিয়ে লেগে যায় মাসের ঘর থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত।

 

তিনি আরও বলেন, ২০১০ সালের আইন এবং প্রবিধানে আমাকে যেভাবে বলে দেয়া হয়েছে, এর বাইরে গিয়ে আমি কোনো বিচার করতে পারব না। আইনি কাঠামোর মধ্যে না থাকলে, যার বিরুদ্ধে আপনি বিচার করবেন, সে কোর্টে গিয়ে আপনার বিরুদ্ধে মামলা করবে। বিএমডিসির বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার দেয়া আছে আইনে।

 

২০২৬ সালের পর থেকে বিএমডিসিতে মোট অভিযোগ এসেছে ২১৫টি। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ১১২টির। বিভিন্ন ধাপে শাস্তি দেয়া হয়েছে ৩৯ জনকে। আর তদন্ত চলছে ১০৩টি অভিযোগ নিয়ে।

 

দেশে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ১১২। এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক দেড় লাখ আর ডেন্টাল চিকিৎসক ১৬ হাজারের বেশি। সবমিলিয়ে এত সংখ্যক ডাক্তারকে তদারকি করার জন্য বিএমডিসিতে কাজ করছেন মাত্র ৩০ জন। অথচ কর্মভার আর কাজের পরিধি বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ গুণ।

 

তবে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই আইন দ্বারা আপনি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। যার কোনো ক্ষমতা নেই, মানুষ কিন্তু বিএমডিসির কাছে আর যাচ্ছে না। হতাশায় ফিরে যাচ্ছে। আমরা এই আইনটাকে যুগোপযোগী করার জন্য কিন্তু চেষ্টা করছি। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েকটি মিটিং হয়েছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, স্বাস্থ্যখাতের এসব অনিয়ম আর বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা এত সহজ নয়।

 

সব মিলিয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ১৭ বছরের জঞ্জাল স্বাস্থ্যকে আসলে একটা দুর্বল খাতে পরিণত করেছে। আমি আপনাদের মেনেই বলতেছি, একটু টাইম লাগবে। বাট ইট ইমপ্রুভ। যেহেতু আমাদের সৎ ইচ্ছা আছে, ইমপ্রুভ হবে ইনশাআল্লাহ।

 

এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হয়ে পড়েন অভিযোগকারী। কারণ অভিযোগ তদন্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত চিকিৎসক তার পেশায় বহাল থাকেন। আর ভুক্তভোগী পরিবারকে অপেক্ষা করতে হয় সিদ্ধান্তের জন্য। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই যদি দীর্ঘ সময় চলে যায়, সেই সময়ের ক্ষতিপূরণ কে দেবে?


চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ৭৮ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের ভোলার বাড়ির মৃত নূর আহমদের ছেলে মোহাম্মদ হাসান বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় মামলাটি করেন।

 

মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমানকে (৩২) মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে।

 

গ্রেফতার দুজন হলেন- চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারি এলাকার সরওয়ার কামালের ছেলে মো. সাইমন ইসলাম ওরফে অভি (২৩) এবং আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের আমান উল্ল্যাহ পাড়া এলাকার শামসুল হুদার ছেলে আব্দুর রহিম উদ্দীন (৪২)।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা-পিএবি সড়কে ছাত্রলীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। এ সময় আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার উদ্দেশে উসকানিমূলক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর ষড়যন্ত্রে আসামিরা লিপ্ত ছিলেন।

 

মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের একান্ত সহকারী সচিব (পিএস) রিদোয়ানুল করিম চৌধুরী সায়েম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন, রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিন শরীফ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শওকত ওসমান এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাসহ মোট ৭৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আনোয়ারায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

 

আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ফেসবুকে প্রচারের পর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ মিছিলের ভিডিও দেখে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর পিএসসহ ৭৮ জনের নামে মামলা

আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তবে জনগণ তাদের সেই স্বপ্ন পুরণ করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

রাশেদ খাঁন বলেন, সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম অভিমূখে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চের ঘোষণা ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার পথ তৈরি করছে। জামায়াতের এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার নাকি বিরোধীদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের চেয়ে খারাপ আচরণ করছে’। এই বক্তব্যেকে ধিক্কার জানাই।

 

তিনি আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপির এমপিরা সংসদে সরাকরি দলের এমপিদের মতো সুবিধা চাইছে। তারা কি সুবিধা পাচ্ছে না? জামায়াত ১৭ বছর তাদের কার্যালয়ের তালা খুলতে পারেনি।

আ. লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত-এনসিপি সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে: রাশেদ খাঁন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে থাকা এক নারী আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।পলাতক আসামির নাম মিতু আক্তার। বৃহস্পতিবার সকালে থানা থেকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান।

 

পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় নেওয়া হয়। আজই শেষ দিন ছিল। দুপুরে তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকালে কৌশলে গেটের তালা খুলে তিনি পালিয়ে যায়। নারী আসামিদের হ্যান্ডকাফ পরানো হয় না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসামি থানা থেকে বের হয়ে গেছে।

 

তবে কীভাবে ওই আসামি থানা থেকে পালালেন এবং ওই সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

ডিএমপির ওয়ারি বিভাগের ডেমরা জোনের এডিসি মীর মুহসীন মাসুদ রানা বলেন, মিতু নামে এক নারী আসামিকে হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। নারী আসামিদের হ্যান্ডকাফ পরানো হয় না। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই নারী কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ মিতুকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়। তাকে খুঁজে বের করতে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। আশা করছি, শিগগির তাকে আবারও গ্রেফতার করা সম্ভ

ব হবে।

 

যাত্রাবাড়ী থানা থেকে রিমান্ডের নারী আসামি উধাও

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত এ যানজট চলছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ সংস্কারের কারণে যানজট সুত্রপাত হয়। এতে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটার যানজটে হাজার হাজার যানবাহনের জটলা সৃষ্টি হয়েছে।

 

সড়ক বিভাগ জানায়, আষাড়িয়ারচর ব্রিজের ঢাকা অভিমুখী লেনের একটি অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। দিন দিন গর্তটি বড় হয়ে ওঠায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে সংস্কারকাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। সংস্কারকাজ চলাকালে মহাসড়কের দুই লেনের একটি লেন বন্ধ রেখে অন্য এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। ফলে ধীরে ধীরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।

 

শনিবার অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এক লেন দিয়ে পার হতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এতে মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে দীর্ঘ যানজট করে বিদেশগামী যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়ে।

 

দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা স্টার লাইন বাসের চালক ইয়াহিয়া জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে যানজটে আটকে আছি। যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

 

সেন্টমার্টিন পরিবহনের চালক হুমায়ুন আজাদ বলেন, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় আট ঘন্টা যাবত যানজটে পড়ে আছি।

 

টোলপ্লাজায় আটকে থাকা মাহাবুব নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আমরা একই স্থানে আটকে আছি। কী কারণে এত দীর্ঘ যানজট, তা সাধারণ যাত্রীদের জানা নেই।

 

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি প্রেম দাস রায় বলেন, দাউদকান্দি থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজটের মূল কারণ আষাড়িয়ারচর ব্রিজ এলাকায় সড়ক সংস্কার। মহাসড়কের একটি লাইন বন্ধ থাকায় এ দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনের চেষ্টা করছে।

 

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি সফিউল ইসলাম জানান, আষাড়িয়ারচর এলাকায় মহাসড়কের দুই লেনের এক লেনে সড়ক বিভাগ জরুরি সংস্কারকাজ করছে। এতে এক লেন দিয়ে পর্যায়ক্রমে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট

সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকা অফিসের আড়ালে পরিচালিত একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ ও নিম্নমানের ভারতীয় কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় সাভার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাইপাইল এলাকায় ভুয়া সংবাদপত্রের সাইনবোর্ড ও একাধিক সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ের আড়ালে একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধ ও নকল জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী মোড়কজাত ও মজুত করা হচ্ছিল।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ কনডম ও অন্যান্য জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি করা হতো বলে জানা গেছে।

 

অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট ও সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠানটি কোনো অনুমোদিত বা বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে অবৈধভাবে নিম্নমানের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী মোড়কজাত ও মজুত করা হচ্ছিল। এসব পণ্যের অধিকাংশই পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা হতো। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। পাশাপাশি পণ্যের মান যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় এগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

 

তিনি জানান, এর আগে একই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং ভবনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার শর্তে সিলগালা খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ নিয়ম না মেনে গোপনে পুনরায় যৌন উত্তেজক ওষুধ ও নকল কনডম প্রস্তুত ও মোড়কজাতসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

 

ইউএনও সাইফুল ইসলাম আরও জানান, অভিযান শেষে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মালামাল ট্রাকে তুলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।

 

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের মূল অভিযুক্ত ও কর্ণধার শাহাদত হোসেন শান্তু অভিযানের সময় ঢাকায় অবস্থান করায় তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এ সময় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও পালিয়ে যায়।

 

জড়িতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও সংশ্লিষ্ট আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ইউএনও।

 

প্রশাসনের অভিযানে ২ কোটি টাকার কনডম জব্দ

চাঁদপুর থেকে নিখোঁজ স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টুসহ তার পরিবারের সদস্যদের চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকা থেকে আটক করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।

 

জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় অভিযান চালায় এবং তার পরিবারের চার সদস্যকে আটক করে।

 

চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কালামের নেতৃত্বে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। তিনি জানান, আটকের পর তাদের চাঁদপুরে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্যের জন্য পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 

এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চার সদস্য আত্মগোপনে ছিলেন। বিষয়টি না জেনে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ‘নিখোঁজ’ হওয়ার খবর ছড়াচ্ছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়নি।

 

আত্মগোপনে থাকা পরিবারের সদস্যরা হলেন- পিন্টু দাস, তার স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম এবং ছোট ছেলে রুপম দাস। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

পিন্টু দাসের আত্মীয় উপমা দে জানান, পিন্টু, তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে চাঁদপুর শহরের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। বিভিন্ন কারণে তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

 

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পিন্টু বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে- স্বর্ণ বন্ধক নিয়ে টাকা দেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে তা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন সমিতি থেকেও ব্যবসার জন্য ঋণ নেওয়ায় তিনি আর্থিক সংকটে পড়েন।

 

একাধিকবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থান পরিবর্তনের পর সর্বশেষ শহরের কুমিল্লা সড়কের আখন্দ মার্কেটের নিচতলায় ‘এস কে শিল্পালয়’ নামে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন পিন্টু দাস। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে স্বর্ণের বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম টাকা দিয়ে স্বর্ণ বন্ধক রাখা হতো।

 

রঘুনাথপুরের বাসিন্দা মনসুর খানের ছেলে রাসেল খান অভিযোগ করেন, তিনি পিন্টু দাসের কাছে আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন। পরে ৫০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণালংকার নিতে গেলে পিন্টু দাস তাকে পরদিন আসতে বলেন। এরপর তিনি জানতে পারেন, পিন্টু দাস পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসা ছেড়ে চলে গেছেন।

 

রাসেল খান জানান, স্বর্ণ ফেরত ও টাকা না পাওয়ায় তিনি গত ২৪ আগস্ট পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন।

 

এদিকে দক্ষিণ গুণরাজদীর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণ পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রাখার দাবি করেছেন। তারাও বন্ধক রাখা স্বর্ণ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আত্মগোপনে থাকা সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী সপরিবারে আটক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জীবন রক্ষায় যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ পাহাড় সমান। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুল চিকিৎসার, অপারেশনের পর শরীরে সার্জিক্যাল রুমাল কিংবা চিকিৎসা সরঞ্জাম রেখে দেয়ার। আবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ রোগীকে গুমের হুমকি দেয়ার।

 

এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও চিকিৎসকের পেশাগত অসদাচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অন্যতম দায়িত্ব বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি)। তবে প্রশ্ন উঠছে, অভিযোগ আসলেই কি প্রতিকার মেলে?

 

এ বিষয়ে বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন বলেন, এ বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে গিয়ে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।

 

বিএমডিসির কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে তা কয়েক ধাপের মধ্য দিয়ে তদন্ত করা হয়। সব মিলিয়ে লেগে যায় মাসের ঘর থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত।

 

তিনি আরও বলেন, ২০১০ সালের আইন এবং প্রবিধানে আমাকে যেভাবে বলে দেয়া হয়েছে, এর বাইরে গিয়ে আমি কোনো বিচার করতে পারব না। আইনি কাঠামোর মধ্যে না থাকলে, যার বিরুদ্ধে আপনি বিচার করবেন, সে কোর্টে গিয়ে আপনার বিরুদ্ধে মামলা করবে। বিএমডিসির বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার দেয়া আছে আইনে।

 

২০২৬ সালের পর থেকে বিএমডিসিতে মোট অভিযোগ এসেছে ২১৫টি। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ১১২টির। বিভিন্ন ধাপে শাস্তি দেয়া হয়েছে ৩৯ জনকে। আর তদন্ত চলছে ১০৩টি অভিযোগ নিয়ে।

 

দেশে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ১১২। এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক দেড় লাখ আর ডেন্টাল চিকিৎসক ১৬ হাজারের বেশি। সবমিলিয়ে এত সংখ্যক ডাক্তারকে তদারকি করার জন্য বিএমডিসিতে কাজ করছেন মাত্র ৩০ জন। অথচ কর্মভার আর কাজের পরিধি বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ গুণ।

 

তবে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই আইন দ্বারা আপনি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। যার কোনো ক্ষমতা নেই, মানুষ কিন্তু বিএমডিসির কাছে আর যাচ্ছে না। হতাশায় ফিরে যাচ্ছে। আমরা এই আইনটাকে যুগোপযোগী করার জন্য কিন্তু চেষ্টা করছি। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েকটি মিটিং হয়েছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, স্বাস্থ্যখাতের এসব অনিয়ম আর বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা এত সহজ নয়।

 

সব মিলিয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ১৭ বছরের জঞ্জাল স্বাস্থ্যকে আসলে একটা দুর্বল খাতে পরিণত করেছে। আমি আপনাদের মেনেই বলতেছি, একটু টাইম লাগবে। বাট ইট ইমপ্রুভ। যেহেতু আমাদের সৎ ইচ্ছা আছে, ইমপ্রুভ হবে ইনশাআল্লাহ।

 

এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হয়ে পড়েন অভিযোগকারী। কারণ অভিযোগ তদন্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত চিকিৎসক তার পেশায় বহাল থাকেন। আর ভুক্তভোগী পরিবারকে অপেক্ষা করতে হয় সিদ্ধান্তের জন্য। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই যদি দীর্ঘ সময় চলে যায়, সেই সময়ের ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

আইনি দুর্বলতায় হচ্ছে না অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে বলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী দিয়া মির্জা অভিনয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ। নানা ধরনের চরিত্রে এখনো নিয়মিত দেখা যায় তাকে।

 

তবে ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ‘মুঝে তুমসে মোহাব্বত হ্যায়’ গানটি দিয়াকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছিল।

 

ইমরান হাশমির সঙ্গে তার সেই গ্ল্যামারাস নাচ দর্শকের নজর কাড়লেও ক্যামেরার পেছনের অভিজ্ঞতা ছিল অভিনেত্রীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন দিয়া মির্জা। তিনি জানান, সেটে উপস্থিত শত শত পুরুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে নাচের দৃশ্যের শুটিং করতে হয়েছিল। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ দ্বিধায় ও অস্বস্তিতে ছিলেন।দিয়ার ভাষ্য, তখন নিজের শরীর নিয়ে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে এমন পোশাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তার জন্য সহজ ছিল না।

 

তবে শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তার জীবনে আত্মবিশ্বাস ও মুক্তির অনুভূতি এনে দেয়।

 

দিয়া বলেন, এই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমাকে এমনভাবে মুক্ত করেছিল, যা আমি কখনো আশা করিনি। নৃত্যপরিচালক বৈভবী মার্চেন্টের জন্যই আমি এই গানের শুটিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পেরেছিলাম। সেটে যারা কাজ করছিলেন, প্রত্যেকেই আমাকে খুব নিরাপদ অনুভব করিয়েছিলেন।

 

পোশাক ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন নারী হিসেবে এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন কাজ। কারণ শত শত মানুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে ক্যামেরার সামনে নাচতে হয়েছিল।

 

তবে কেন শেষ পর্যন্ত তিনি সেই দৃশ্যে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তার মতে, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের প্রয়োজন এবং চরিত্রের ভেতরের সত্যকে বোঝা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

দিয়া বলেন, বিষয়টি অস্বস্তিকর হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কারণ আমি বুঝতে পেরেছিলাম, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি এবং সেই চরিত্রের মাধ্যমে কী প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘরে ৫০০ জন মানুষ থাকুক বা ১ হাজার জন, সেটা আর আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

 

হায়দরাবাদে রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠা দিয়া জানান, একসময় নিজের শরীর নিয়ে তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। কিন্তু ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ওই গানের শুটিংই তাকে নিজের প্রতি আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

 

দর্শকের কাছে এটি হয়তো ছিল একটি গ্ল্যামারাস গানের দৃশ্য। তবে দিয়া মির্জার কাছে সেই অভিজ্ঞতা ছিল নিজের সীমাবদ্ধতা ভেঙে বেরিয়ে আসা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া এবং এক ধরনের মুক্তির অনুভূতির স্মরণীয় অধ্যায়।

অভিনেত্রী দিয়া মির্জার গোপন ভিডিও ফাঁস, তোলপাড় নেটদুনিয়া!

লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ একটি ইউনিট গঠন করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য দিলে ১০ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরষ্কার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে গেল তিন মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা কর্মক্ষেত্রে তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তার বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ের চাহিদার কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ বিশেষভাবে কাজ করবে। অস্ত্র উদ্ধারে সহায়তাকারীদের উৎসাহিত করতে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ধীরে ধীরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, তথ্যদাতাকে ২ লাখ টাকা পুরস্কার

গার্মেন্টস শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি শ্রমিক নেতা কবির হোসেনের

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

একজন শ্রমিকের জন্য তার পরিবার নিয়ে টিকে থাকতে হলে বর্তমানে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মোঃ কবির হোসেন। তিনি জানান, বর্তমান বাজারদর ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে এই পরিমাণের চেয়ে কম বেতনে কোনো পরিবার চালানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

 

সম্প্রতি গণ টেলিভিশনের সাথে আলাপ কালে মোঃ কবির হোসেন বলেন, “যে হারে জীবনযাত্রার ব্যয় ও বাসা ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে একজন সাধারণ শ্রমিকের পক্ষে বর্তমান মজুরি দিয়ে মাস চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের সদস্যদের তিন বেলা খাবার, চিকিৎসা, সন্তানের পড়াশোনা এবং বাসা ভাড়া মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।”

 

তিনি আরও বলেন, “একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা বেতন হলে তবেই তার পক্ষে পরিবার নিয়ে সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব। এর নিচে বেতন দেওয়া হলে তা হবে শ্রমিকদের প্রতি চরম অবিচার, কারণ এর চেয়ে কম আয়ে এখন আর কোনোভাবেই টিকে থাকা সম্ভব নয়।”

 

শ্রমিকদের এই ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মজুরি কাঠামো ঘোষণা করার জন্য সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান এই শ্রমিক নেতা।

গার্মেন্টস শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি শ্রমিক নেতা কবির হোসেনের

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ৭৮ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের ভোলার বাড়ির মৃত নূর আহমদের ছেলে মোহাম্মদ হাসান বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় মামলাটি করেন।

 

মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমানকে (৩২) মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে।

 

গ্রেফতার দুজন হলেন- চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারি এলাকার সরওয়ার কামালের ছেলে মো. সাইমন ইসলাম ওরফে অভি (২৩) এবং আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের আমান উল্ল্যাহ পাড়া এলাকার শামসুল হুদার ছেলে আব্দুর রহিম উদ্দীন (৪২)।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা-পিএবি সড়কে ছাত্রলীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। এ সময় আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার উদ্দেশে উসকানিমূলক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর ষড়যন্ত্রে আসামিরা লিপ্ত ছিলেন।

 

মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের একান্ত সহকারী সচিব (পিএস) রিদোয়ানুল করিম চৌধুরী সায়েম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন, রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিন শরীফ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শওকত ওসমান এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাসহ মোট ৭৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আনোয়ারায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

 

আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ফেসবুকে প্রচারের পর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ মিছিলের ভিডিও দেখে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর পিএসসহ ৭৮ জনের নামে মামলা

আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তবে জনগণ তাদের সেই স্বপ্ন পুরণ করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

রাশেদ খাঁন বলেন, সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম অভিমূখে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চের ঘোষণা ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার পথ তৈরি করছে। জামায়াতের এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার নাকি বিরোধীদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের চেয়ে খারাপ আচরণ করছে’। এই বক্তব্যেকে ধিক্কার জানাই।

 

তিনি আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপির এমপিরা সংসদে সরাকরি দলের এমপিদের মতো সুবিধা চাইছে। তারা কি সুবিধা পাচ্ছে না? জামায়াত ১৭ বছর তাদের কার্যালয়ের তালা খুলতে পারেনি।

আ. লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত-এনসিপি সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে: রাশেদ খাঁন

ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বেশ কিছু দিন ধরে নেপালে ‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এ সিনেমায় অপু বিশ্বাসের পাশাপাশি অভিনয় করছেন ওপার বাংলার কৌতুক অভিনেতা খরাজ মুখার্জি ও শক্তিমান অভিনেতা রজতাভ দত্ত।

 

এর মাঝে হঠাৎ করে যখন নেপালে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় প্রাণহানির কথা খবরে আসতে থাকে, ঠিক তখনই তাদের নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন ভক্ত-অনুরাগীরা। ভয়াবহ হড়পা বানে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই। এখনো নিখোঁজ প্রায় দুই হাজার মানুষ।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কলকাতা বিমানবন্দরে খরাজ মুখার্জি পা রাখতেই ভক্ত-অনুরাগী সবাইকে আশ্বস্ত করেন তারা নিরাপদে ছিলেন। এরপর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে অপু বিশ্বাস ঢাকায় ফিরে সেখানকার অবস্থার কথা জানালেন।

 

চরম এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে আটকে পড়েছিলেন অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও তার সিনেমা ‘শিকার’-এর পুরো ইউনিট। তবে অলৌকিকভাবে বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন তারা। পরিস্থিতি বিবেচনা ও মানবিক দিক চিন্তা করে নেপালের শুটিং শিডিউল স্থগিত রেখে অবশেষে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন তারা। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ঢাকায় ফিরে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে নেপালের সেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা বললেন অপু বিশ্বাস।

 

২৬ আগস্ট কাঠমান্ডু থেকে প্রায় দুই-তিন ঘণ্টার দূরত্বের একটি পাহাড়ি এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্যোগের ঘটনা ঘটে। কাকতালীয়ভাবে তাদের পরিকল্পনা ছিল ২৭ আগস্ট একই পথ দিয়ে যাত্রা করার। ভ্রমণের সময় একদিন পর হওয়ায় অলৌকিকভাবে বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যায় ‘শিকার’ সিনেমার পুরো শুটিং ইউনিট।

 

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের যে রাস্তা দিয়ে কাঠমান্ডু ঢোকার কথা ছিল, ঠিক তার কাছাকাছিই এ দুর্ঘটনা ঘটে। এটি আল্লাহর অশেষ রহমত যে ২৬ তারিখ নয়, ২৭ তারিখ আমাদের মুভ করার কথা ছিল। তিনি বলেন, তবে দুর্যোগটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ওই রাস্তাটি আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

 

অভিনেত্রী বলেন, ‘এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগের মাঝে গানের শুটিং করা অত্যন্ত অমানবিক। তাই আমি পুরো টিমের সঙ্গে আলোচনা করে শুটিং স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিই এবং সবাই নিরাপদে দেশে ফিরে আসি।’

নেপাল থেকে ফিরে যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অপু বিশ্বাস

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে থাকা এক নারী আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।পলাতক আসামির নাম মিতু আক্তার। বৃহস্পতিবার সকালে থানা থেকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান।

 

পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় নেওয়া হয়। আজই শেষ দিন ছিল। দুপুরে তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকালে কৌশলে গেটের তালা খুলে তিনি পালিয়ে যায়। নারী আসামিদের হ্যান্ডকাফ পরানো হয় না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসামি থানা থেকে বের হয়ে গেছে।

 

তবে কীভাবে ওই আসামি থানা থেকে পালালেন এবং ওই সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

ডিএমপির ওয়ারি বিভাগের ডেমরা জোনের এডিসি মীর মুহসীন মাসুদ রানা বলেন, মিতু নামে এক নারী আসামিকে হত্যা মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। নারী আসামিদের হ্যান্ডকাফ পরানো হয় না। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই নারী কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ মিতুকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়। তাকে খুঁজে বের করতে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। আশা করছি, শিগগির তাকে আবারও গ্রেফতার করা সম্ভ

ব হবে।

 

যাত্রাবাড়ী থানা থেকে রিমান্ডের নারী আসামি উধাও

মাইক্রোবাসকে সাইড না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইমরান হোসেন নামে এক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে মাগুরা মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি নাইমুজ্জামান নয়নের বিরুদ্ধে।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকালে মাগুরা শহরের মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

ইমরান হোসেন মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কন্ট্রোলরুমে কর্মরত বলে জানা গেছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মোটরসাইকেলে বসে থাকা পুলিশ সদস্য ইমরান হোসেনকে দুই পুলিশ কর্মকর্তার সামনেই চড়-থাপ্পড় মারছেন নাইমুজ্জামান নয়ন। একই সময়ে নিজের মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন তিনি।

 

এর আগে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, নয়ন মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড এলাকার লোকজনকে সেখানে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং পুলিশ সদস্য ইমরানের মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নিচ্ছেন। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা মাগুরা সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শরিফুল ও এএসআই মাসুদ নিজেদের পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাবি নিতে বাধা দেন।

 

একপর্যায়ে নয়নের সঙ্গে থাকা মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন ওই দুই এএসআইয়ের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে নয়ন মোটরসাইকেলে বসে থাকা ইমরানকে পরপর দুটি থাপ্পড় মারেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

 

১ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি শুক্রবার রাত থেকে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে পুলিশের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

 

ঘটনার পর সন্ধ্যায় নাইমুজ্জামান নয়নকে সদর থানায় নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে কিছু সময় পর মাগুরা পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিলসহ কয়েকজন নেতা থানায় উপস্থিত হয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

 

তবে নয়নকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মাগুরা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

হামলার শিকার পুলিশ সদস্য ইমরান হোসেনের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

 

অভিযোগের বিষয়ে নাইমুজ্জামান নয়ন বলেন, ঠিকাদারি কাজ শেষে মাইক্রোবাস চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। শহরের ঢাকা রোডের কাঁচাবাজার এলাকায় পৌঁছালে যানজটে আটকা পড়ি। সামনে থাকা ওই পুলিশ সদস্যকে বারবার হর্ন দিলেও তিনি সাইড দেননি। এ নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়। তিনি বাজে শব্দ করায় তার মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে একটি থাপ্পড় দিয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, মায়ের অসুস্থতা নিয়ে আমি বেশ উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলাম। সারাদিন না খেয়ে কাজ শেষে ফেরার সময় রাস্তায় সাইড না পেয়ে মেজাজ ঠিক রাখতে পারিনি। তবে থাপ্পড় মারা ভুল হয়েছে।

 

এদিকে প্রকাশ্যে একজন পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগতভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

মাগুরায় পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে চড় মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতির

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত এ যানজট চলছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ সংস্কারের কারণে যানজট সুত্রপাত হয়। এতে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটার যানজটে হাজার হাজার যানবাহনের জটলা সৃষ্টি হয়েছে।

 

সড়ক বিভাগ জানায়, আষাড়িয়ারচর ব্রিজের ঢাকা অভিমুখী লেনের একটি অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। দিন দিন গর্তটি বড় হয়ে ওঠায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে সংস্কারকাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। সংস্কারকাজ চলাকালে মহাসড়কের দুই লেনের একটি লেন বন্ধ রেখে অন্য এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। ফলে ধীরে ধীরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।

 

শনিবার অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এক লেন দিয়ে পার হতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এতে মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে দীর্ঘ যানজট করে বিদেশগামী যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়ে।

 

দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা স্টার লাইন বাসের চালক ইয়াহিয়া জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে যানজটে আটকে আছি। যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

 

সেন্টমার্টিন পরিবহনের চালক হুমায়ুন আজাদ বলেন, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় আট ঘন্টা যাবত যানজটে পড়ে আছি।

 

টোলপ্লাজায় আটকে থাকা মাহাবুব নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আমরা একই স্থানে আটকে আছি। কী কারণে এত দীর্ঘ যানজট, তা সাধারণ যাত্রীদের জানা নেই।

 

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি প্রেম দাস রায় বলেন, দাউদকান্দি থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজটের মূল কারণ আষাড়িয়ারচর ব্রিজ এলাকায় সড়ক সংস্কার। মহাসড়কের একটি লাইন বন্ধ থাকায় এ দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনের চেষ্টা করছে।

 

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি সফিউল ইসলাম জানান, আষাড়িয়ারচর এলাকায় মহাসড়কের দুই লেনের এক লেনে সড়ক বিভাগ জরুরি সংস্কারকাজ করছে। এতে এক লেন দিয়ে পর্যায়ক্রমে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d