অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার  - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

আন্তঃনগর সীমান্ত ট্রেনে এক যাত্রীকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া (৫৬) নামে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার

(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী। অসচেতন হয়ে যাওয়া যাত্রী হাজী মফিজুল রহমান সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সীমান্ত এক্সপ্রেসের ‘ঙ’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হেলাফেলা গ্রামে। বুধবার

বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মফিজুর রহমান ও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত রেলওয়ে পুলিশ তার পাশের যাত্রী ফুল মিয়াকে আটক করে। পরে তার দেহে তল্লাশি করে মফিজুল রহমানের টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানাই ২০২৫ সালে ২

৩০ আগস্ট একই ট্রেনে দুই নারী যাত্রীকে জুস পান করিয়ে অচেতন করার অভিযোগে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময় অচেতন দুই নারী কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে পাশের এক যাত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা জুস পরীক্ষা করতে তাকেই পান করানো হলে তিনি নিজেই অচেতন হয় পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, উপপরিদর্শক (এএসআই)

মিজানুর রহমান বাদী হয়ে

ফুল মিয়াসহ তার অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিনজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।


ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপরজন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে সুমন রায় (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের বাবলু রায়ের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন তিনি। বুধবার সকালে প্রতিবেশীরা গোয়ালঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকালে উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যক্তিকে কাজীরহাট বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্লিপার বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে স্লিপার বাস মালিক সমিতির আবেদনে সাড়া দেননি হাইকোর্ট। আদালত বলেন, শুধুমাত্র বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যেসব বাসের চলাচলে পারমিশন দিয়েছে সেগুলো রাস্তায় চলাচল করবে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

আদালতে বিআরটিএর আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ধারা ৪০-এ বলে দেওয়া আছে টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন। যদি টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন কেউ লঙ্ঘন করে, তাহলে সেটা ৮০-সেকশন ৮৪ দ্বারা এগুলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা।

 

এছাড়া সড়ক পরিবহন আইন, সেখানে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া আছে রুট পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না।

মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচলে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

ঢাকার ধামরাইয়ে ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. মাহিদুর রহমান মাহিম (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে ধামরাই থানা-পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান। এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁও গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোমবার নওগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

গ্রেপ্তার মো. মাহিদুর রহমান মাহিম ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁও গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

 

ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি তার চার বছর বয়সী ছোট বোন ও সহপাঠী সাইমের সঙ্গে খেলতে মঙ্গলের বাড়ির পাশে যায়। এ সময় মাহিদুর রহমান মাহিম শিশুটিকে ও তার সঙ্গীদের গাবল বিলের নিচু জমিতে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে মাটিতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।

 

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁও গ্রামে ৬ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় মাহিদুর রহমান মাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাইয়ে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টা, তরুণ গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীর পাংশা থানা পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ হত্যা মামলার আসামি ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার। পুলিশের দাবি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রস্তুত কালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চরঝিকড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামের মৃত মতিয়ার মিয়ার ছেলে মো. মনজুর মিয়া ওরফে মঞ্জু (৪০) এবং বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত হামিদ মোল্লার ছেলে মো. শরীফ মোল্লা (৩০)।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত দেড়টার দিকে হাবাসপুর ইউনিয়নের চরঝিকড়ী এলাকায় মো. তালেব মহুরির মেহগনি বাগানের উত্তর পাশে কালুখালী-হাবাসপুর বেড়িবাঁধের পাকা সড়কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পাংশা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি সচল পাইপগান ও দুইটি তাজা শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

 

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, মনজুর মিয়া ওরফে মঞ্জুর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, একটি অপহরণ ও চাঁদাবাজি, একটি ডাকাতির প্রস্তুতি এবং দুটি মারামারির মামলা রয়েছে। অপরদিকে, শরীফ মোল্লার বিরুদ্ধে একটি দস্যুতা এবং পুলিশকে আক্রমণের অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের দুজনকেই রাজবাড়ীর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রাজবাড়ীতে দুই হত্যা মামলার আসামি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি

 

তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ

 

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

যাকে মেয়ের মতো স্নেহ করতেন, সেই ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধেই উঠেছে আশ্রয়দাতা পরিবারের ঘরে চুরির অভিযোগ। বসতঘরের তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নম্বর আসামি আরফিন আক্তার ছবিয়া (২০)কে অবশেষে গাজীপুরের কাশেমপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি শাহিদ আলী (২২) এখনো পলাতক।

 

ঘটনাটি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মধুরেশপুর গ্রামের। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য চাষ ও ঘের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক (৬৪) তাঁর বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়েছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে আরফিন আক্তার ছবিয়া ও শাহিদ আলী সেখানে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে আরফিনকে মেয়ের মতোই স্নেহ করতেন বাড়ির মালিক।

 

কিন্তু গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ঘটে যায় চুরির ঘটনা-এমনই অভিযোগ বাদীর।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, রতনপুর এলাকায় এক নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুর রাজ্জাক। যাওয়ার আগে বসতঘরে তালা লাগিয়ে যান। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফিরে এসে দেখেন, ঘরের দরজার তালা ভাঙা। ভেতরের স্টিলের শোকেসও ক্ষতিগ্রস্ত। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়*বাড়িতে নেই দুই ভাড়াটিয়া আরফিন আক্তার ও শাহিদ আলী।

 

বাদীর অভিযোগ, ঘর থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ১২ আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের দুল, ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের আংটি, তিন ভরি রুপার নূপুর এবং নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলায় চুরি যাওয়া মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ঘটনার পর দুই আসামি আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ করেন আব্দুর রাজ্জাক। পরে তাঁর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০/৩৪ ধারায় মামলা হয়। মামলাটি কালিগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০১, তারিখ ৬ জুন ২০২৬।

 

মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আরফিন আক্তারের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর গাজীপুরের কাশেমপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে কাশেমপুর থানাধীন সারদারগঞ্জ সাতবাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মামলার ১ নম্বর আসামি আরফিন আক্তারকে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামি শাহিদ আলীকে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার আরফিন আক্তারকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের পেনাং আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে ‘প্রবাসীদের অধিকার এবং দেশের সংকটে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, জুরুর অটো সিটি এলাকার কমিউনিটি সেন্টার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন। তেলাওয়াত শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পেনাং আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব রাশেদুল ইসলাম শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

 

কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব সাজেদুল আলম এবং যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস বিথী-এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) যুগ্ম সদস্য সচিব জনাব ফরিদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) যুগ্ম সদস্য সচিব ও গ্লোবাল ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের সম্পাদক জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ এবং এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের সদস্য সচিব জনাব আলম রওশন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব ফরিদুল হক বলেন, “এই রাষ্ট্রের ভিত্তি হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ, মেহনতি কৃষক, বিদেশে কর্মরত আমাদের প্রবাসী শ্রমিক ভাই-বোনেরা এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স। অথচ রাষ্ট্রের এই মূল ভিত্তি যারা গড়ে তুলছেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও শাসনব্যবস্থায় তাদের যথাযথ মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি।”

 

তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্রে আমলাতন্ত্র, দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদদের প্রভাব রয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা থেকে পাওয়া মানসিকতা ও কাঠামোর অনেকটাই এখনো আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান। রাষ্ট্রের কর্মচারীরা জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে না দেখে প্রজা হিসেবে বিবেচনা করেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক মানসিকতার এই ধারাবাহিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”

 

ফরিদুল হক আরও বলেন, “রাষ্ট্রের মালিক জনগণ—এই মৌলিক ধারণাকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও জনগণকে নিয়ন্ত্রণের পুরোনো ব্যবস্থা পরিবর্তন করে জবাবদিহিমূলক, জনবান্ধব ও নাগরিককেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই প্রথা ও সিস্টেম পরিবর্তন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়।”

 

তিনি দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, বিদেশের মাটিতে একজন প্রবাসী কতটুকু সম্মান ও মর্যাদা পাবেন, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে তার দেশের পরিচয় ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর।

 

তিনি বলেন, “বিদেশে আমরা কতটুকু সম্মান পাবো, তা মূলত নির্ভর করে আমাদের কান্ট্রি অব অরিজিনের ওপর। আপনি ব্যক্তিগতভাবে যতই ভালো, যোগ্য বা সফল হন না কেন, বিদেশে আপনার ব্যক্তি পরিচয়ের চেয়ে অনেক সময় সামষ্টিক জাতীয় পরিচয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আপনার দেশকে যদি তারা সম্মানজনক ও কাঙ্ক্ষিত একটি দেশ হিসেবে বিবেচনা করে, তাহলে সেই দেশের নাগরিক হিসেবেও আপনি সম্মানিত হবেন। কিন্তু দেশের পরিচয় দুর্বল হলে শুধু ব্যক্তি হিসেবে ভালো হওয়ার কারণে সবসময় আলাদাভাবে সেই সম্মান পাওয়া সম্ভব নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “এ কারণেই নিজের দেশকে ঠিক করতে না পারলে কোনো দেশেই আত্মমর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করা কঠিন। দেশের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা শুধু দেশের মানুষের দায়িত্ব নয়; প্রবাসীরাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।”

 

আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, প্রবাসীদের শুধু রেমিট্যান্স প্রেরণকারী হিসেবে দেখলে হবে না। দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ, জ্ঞান, দক্ষতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

 

প্রবাসীদের অধিকার ও দেশের সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

 

সভায় বক্তারা প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের কার্যকর সমাধান, দেশের চলমান সংকট উত্তরণে প্রবাসীদের দায়িত্ব ও করণীয় এবং জাতীয় অর্থনীতি ও উৎপাদনে প্রবাসীদের আরও কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

 

বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন না; তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগও দেশের উন্নয়ন ও ভাবমূর্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

 

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব তানভীরুল ইসলাম, সেলাঙ্গর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সোহেল হোসেন, পেনাং আঞ্চলিক কমিটির সহ-সমন্বয়ক জনাব শেখ আবদুল মতিন, পেনাং আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব রুকন বেপারী এবং পেনাং আঞ্চলিক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সোহেল রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

এ সময় এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টার, কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর ও পেনাং আঞ্চলিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

পরিশেষে, এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়ার যুগ্ম সচিব জনাব মুশফিক চৌধুরী-এর গুরুত্বপূর্ণ সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সফল, প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ এই মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘটে।

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাভারে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভারের বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি নিজেই। সংবাদে উল্লেখিত তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই দাবি করে তিনি প্রকৃত সত্য তুলে ধরে এক প্রতিবাদলিপি প্রদান করেছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, তার ৩১ বছরের দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি সরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ঋণ এবং নিজস্ব জমি বিক্রির উপার্জিত অর্থ দিয়ে একটি পাকা ভবন নির্মাণ করেছেন। সাভার ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ ডিজাইন অনুমোদন নিয়েই ১৮ ফুট প্রশস্ত ও ৯০ ফুট দীর্ঘ এই ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছে।

 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার আয়-ব্যয়ের প্রকৃত উৎস কিংবা ভবন নির্মাণের বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত কোনো তথ্য যাচাই না করেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা তার সাথে কোনো যোগাযোগ না করে কিংবা তার বক্তব্য না নিয়েই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন, যা পেশাগত দায়িত্বের অপব্যবহার এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার চরম পরিপন্থী।

 

বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মতামত নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব। এতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের সামনে আসে এবং বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।” ভবিষ্যতে তার সম্পর্কে যেকোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা রক্ষা ও সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সাভারে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

সাভারের আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই বলছে, পরকীয়াসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এম. মোর্শেদ।

 

এর আগে, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আশুলিয়ার জামগড়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে এক দম্পতি ও তাদের নবজাতক সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে দরজা ভেঙে গলিত অবস্থায় তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহতরা হলেন নাজমা খাতুন, তার স্বামী আলমগীর কবির ও তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তান। নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। আর আলমগীর পান-সিগারেট বিক্রি করতেন।

 

ঘটনাটি ক্লুলেস হওয়ায় তদন্তে নামে পিবিআই। পাশাপাশি ছায়া তদন্তের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে থাকে সংস্থাটি। একপর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

পিবিআইয়ের তথ্যমতে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কারখানা ছুটির পর নাজমা ও তার স্বামী বাসায় ফেরেন। এরপর নাজমার সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগে আলমগীর তাকে নিজ বাসায় ডেকে আনেন।

 

পিবিআই বলছে, ওই ব্যক্তিকে মারধর ও সতর্ক করার একপর্যায়ে আলমগীরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ওই ব্যক্তি নাজমা ও আলমগীরকে হত্যা করেন। এ সময় তাদের নবজাতক সন্তানও মারা যায় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

 

হত্যার পর বাইরে থেকে ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। পরে কয়েক দিন পর ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

 

এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, গ্রেফতার ব্যক্তির সঙ্গে নিহতদের সম্পর্ক এবং হত্যার পেছনের বিস্তারিত কারণ খতিয়ে দেখছে পিবিআই।

আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, পরকীয়ার বিরোধে হত্যার দাবি পুলিশের

ক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চব্বিশের অভ্যুত্থান ভুলে গেলে সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই তরুণরা জাগ্রত আছে— বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এ কথা বলেন তিনি।

 

তিনি পোস্টে বলেন, নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নামে বিএনপি সরকার আরেকটি বাজে কাজ করতে যাচ্ছে। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ পিএসসির কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে নিজেদের কমিটি গঠন করে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

অন্যান্য ১০ম গ্রেডের পদের মত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ চলছে অনেক বছর ধরেই। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়। পিএসসি পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য প্রার্থীরা তালিকা প্রকাশ করে। মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। ফলে নিয়োগটা ভালোভাবেই চলছে।

 

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, পিএসসির অধীনে যে নিয়োগ হয় সেটা তরান্বিত (!) করতে জনপ্রশান প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী মূখ্য সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে কমিটি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে, এই কমিটি নিয়োগ কার্যক্রম তরান্বিত করতে কাজ করবে।

 

কেনো পিএসসি কী পারছে না? পিএসসি কী কোথায় বলেছে, ‘আমরা পারছি না’। খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, সরকার নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। উদ্দেশ্য হতে পারে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ করা কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ করা।

 

তিনি আরও বলেন, কিন্তু তারা কী চব্বিশ ভুলে গেছে? সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্য করার কারণেই কিন্তু এই দেশের ছাত্ররা আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিল। যা থেকে কালজয়ী অভ্যুত্থান হয়েছে।

 

নিয়োগে হাত দিয়ে দুর্নীতি করে লাভবান হওয়ার যে চিন্তা করছেন, এটা কিন্তু কখনোই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা জাগ্রত আছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

ঠাকুরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১.

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ০৯নং রায়পুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানায়, তেতুলিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের বসতবাড়ির প্রায় ১০০ গজ পশ্চিমে ঢোলইগামী কাঁচা সড়কের ওপর থেকে সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়।

 

পরে তার দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলাম সদর উপজেলার ৯ নং রায়পুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া কাচনা গ্রামের মৃত ছলিফ উদ্দিনের ছেলে।

 

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় তেতুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিরাজুল ইসলামকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

 

ঠাকুরগাঁও ডিবির ওসি গোলাম রসুল বলেন, মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ৮০ পিস ইয়াবাসহ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১.

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

আন্তঃনগর সীমান্ত ট্রেনে এক যাত্রীকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া (৫৬) নামে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার

(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী। অসচেতন হয়ে যাওয়া যাত্রী হাজী মফিজুল রহমান সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সীমান্ত এক্সপ্রেসের ‘ঙ’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হেলাফেলা গ্রামে। বুধবার

বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মফিজুর রহমান ও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত রেলওয়ে পুলিশ তার পাশের যাত্রী ফুল মিয়াকে আটক করে। পরে তার দেহে তল্লাশি করে মফিজুল রহমানের টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানাই ২০২৫ সালে ২

৩০ আগস্ট একই ট্রেনে দুই নারী যাত্রীকে জুস পান করিয়ে অচেতন করার অভিযোগে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময় অচেতন দুই নারী কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে পাশের এক যাত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা জুস পরীক্ষা করতে তাকেই পান করানো হলে তিনি নিজেই অচেতন হয় পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, উপপরিদর্শক (এএসআই)

মিজানুর রহমান বাদী হয়ে

ফুল মিয়াসহ তার অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিনজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপরজন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে সুমন রায় (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের বাবলু রায়ের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন তিনি। বুধবার সকালে প্রতিবেশীরা গোয়ালঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকালে উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যক্তিকে কাজীরহাট বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

আন্তঃনগর সীমান্ত ট্রেনে এক যাত্রীকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া (৫৬) নামে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার

(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী। অসচেতন হয়ে যাওয়া যাত্রী হাজী মফিজুল রহমান সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সীমান্ত এক্সপ্রেসের ‘ঙ’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হেলাফেলা গ্রামে। বুধবার

বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মফিজুর রহমান ও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত রেলওয়ে পুলিশ তার পাশের যাত্রী ফুল মিয়াকে আটক করে। পরে তার দেহে তল্লাশি করে মফিজুল রহমানের টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানাই ২০২৫ সালে ২

৩০ আগস্ট একই ট্রেনে দুই নারী যাত্রীকে জুস পান করিয়ে অচেতন করার অভিযোগে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময় অচেতন দুই নারী কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে পাশের এক যাত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা জুস পরীক্ষা করতে তাকেই পান করানো হলে তিনি নিজেই অচেতন হয় পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, উপপরিদর্শক (এএসআই)

মিজানুর রহমান বাদী হয়ে

ফুল মিয়াসহ তার অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিনজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপরজন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে সুমন রায় (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের বাবলু রায়ের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন তিনি। বুধবার সকালে প্রতিবেশীরা গোয়ালঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকালে উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যক্তিকে কাজীরহাট বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফুডকোর্টে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

 

প্রায় ৫৫ মিনিটের চেষ্টায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি বলে জানায় তারা।

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে আগুন

চলমান গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ফার্নেস অয়েল সংকটের কার্যকর বিকল্প সমাধান হিসেবে পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকার বড় পরিসরে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনায় অবস্থিত বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের প্রাঙ্গণে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, টেকসই ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিতের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে অন্তত দশ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুস্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

 

বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকটের বাস্তবতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কাটিয়ে প্রাকৃতিক শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

 

এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যক্তিগত বাসাবাড়ির ছাদ থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতর ও কলকারখানার অব্যবহৃত উন্মুক্ত স্থান যেখানেই সুযোগ রয়েছে, সেখানেই সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে।

জ্বালানি সংকটে ৫ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d