আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, পরকীয়ার বিরোধে হত্যার দাবি পুলিশের - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, পরকীয়ার বিরোধে হত্যার দাবি পুলিশের

আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, পরকীয়ার বিরোধে হত্যার দাবি পুলিশের

সাভারের আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই বলছে, পরকীয়াসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এম. মোর্শেদ।

 

এর আগে, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আশুলিয়ার জামগড়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে এক দম্পতি ও তাদের নবজাতক সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে দরজা ভেঙে গলিত অবস্থায় তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহতরা হলেন নাজমা খাতুন, তার স্বামী আলমগীর কবির ও তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তান। নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। আর আলমগীর পান-সিগারেট বিক্রি করতেন।

 

ঘটনাটি ক্লুলেস হওয়ায় তদন্তে নামে পিবিআই। পাশাপাশি ছায়া তদন্তের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে থাকে সংস্থাটি। একপর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

পিবিআইয়ের তথ্যমতে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কারখানা ছুটির পর নাজমা ও তার স্বামী বাসায় ফেরেন। এরপর নাজমার সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগে আলমগীর তাকে নিজ বাসায় ডেকে আনেন।

 

পিবিআই বলছে, ওই ব্যক্তিকে মারধর ও সতর্ক করার একপর্যায়ে আলমগীরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ওই ব্যক্তি নাজমা ও আলমগীরকে হত্যা করেন। এ সময় তাদের নবজাতক সন্তানও মারা যায় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

 

হত্যার পর বাইরে থেকে ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। পরে কয়েক দিন পর ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

 

এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, গ্রেফতার ব্যক্তির সঙ্গে নিহতদের সম্পর্ক এবং হত্যার পেছনের বিস্তারিত কারণ খতিয়ে দেখছে পিবিআই।


সাভারে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভারের বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি নিজেই। সংবাদে উল্লেখিত তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই দাবি করে তিনি প্রকৃত সত্য তুলে ধরে এক প্রতিবাদলিপি প্রদান করেছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, তার ৩১ বছরের দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি সরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ঋণ এবং নিজস্ব জমি বিক্রির উপার্জিত অর্থ দিয়ে একটি পাকা ভবন নির্মাণ করেছেন। সাভার ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ ডিজাইন অনুমোদন নিয়েই ১৮ ফুট প্রশস্ত ও ৯০ ফুট দীর্ঘ এই ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছে।

 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার আয়-ব্যয়ের প্রকৃত উৎস কিংবা ভবন নির্মাণের বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত কোনো তথ্য যাচাই না করেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা তার সাথে কোনো যোগাযোগ না করে কিংবা তার বক্তব্য না নিয়েই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন, যা পেশাগত দায়িত্বের অপব্যবহার এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার চরম পরিপন্থী।

 

বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মতামত নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব। এতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের সামনে আসে এবং বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।” ভবিষ্যতে তার সম্পর্কে যেকোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা রক্ষা ও সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সাভারে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১.

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ০৯নং রায়পুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানায়, তেতুলিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের বসতবাড়ির প্রায় ১০০ গজ পশ্চিমে ঢোলইগামী কাঁচা সড়কের ওপর থেকে সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়।

 

পরে তার দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলাম সদর উপজেলার ৯ নং রায়পুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া কাচনা গ্রামের মৃত ছলিফ উদ্দিনের ছেলে।

 

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় তেতুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিরাজুল ইসলামকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

 

ঠাকুরগাঁও ডিবির ওসি গোলাম রসুল বলেন, মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ৮০ পিস ইয়াবাসহ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১.

ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার বৃহৎ পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাসের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্রে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ টার্মিনালের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংকটকালীন সময়ে শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইপিজেড ও বিসিকের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

 

সংসদ নেতা বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। সামনে এসব উদ্যোগের আরও সুফল দেখা যাবে। একই সঙ্গে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে বিশেষ সুবিধার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেসব গ্রাহক নিজেদের ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা মূল্য পাবেন।

 

এদিকে সরকারি প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির প্রবণতায় নানা দুর্বলতা ধরা পড়ার পর সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সমীক্ষা, বাস্তবায়নের প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে নিবিড় তদারকি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

আওয়ামী লীগ আমলে নেওয়া মেগাপ্রকল্পগুলোর অতিরঞ্জিত ব্যয় ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। কয়েকটি প্রকল্পের তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় কমিয়ে কম খরচে জনগণ যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা পায়, সরকার সে বিষয়টি নিশ্চিত করছে।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও দুঃশাসন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার যে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল, সেটিকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকট নিরসনে বৃহৎ পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

 

পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির পূর্বে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এতে আরও বলা হয়, সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই পরিপত্রের মাধ্যমে সরকারি দপ্তরগুলোর দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হলো।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয়

নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পরিবেশ সুরক্ষা, ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগামী দুই বছর মেয়াদি অর্থাৎ ২০২৮ সাল পর্যন্ত মেয়াদের এই নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল-এর সার্বিক পরিচালনায় গঠিত এই নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক দেওয়ান মোঃ ফারুক হোসেন। সাধারণ সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন পরিবেশ সংগঠক মাহমুদুন নবী বেলাল।

কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান খান চৌধুরী আপেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী এবং অর্থ সম্পাদক তানিয়া ফেরদৌসী। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে স্থান পেয়েছেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী গোলাম মোস্তফা মুন্টু ও তরুণ সংগঠক সজিব হোসেন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল বলেন, “নওগাঁর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়ন নিশ্চিত করতেই এই সংগঠনের জন্ম। নতুন কমিটির সকল সদস্যকে সাথে নিয়ে আমরা আমাদের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করব। বিশেষ করে আগামী দুই বছর ‘গ্রীণ নওগাঁ, ক্লীন নওগাঁ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা মাঠপর্যায়ে কঠোর পরিশ্রম করব।”

নবনির্বাচিত সভাপতি দেওয়ান মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং নওগাঁ জেলাকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে এই কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। আগামী দিনে জেলার সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধ ও প্লাস্টিক বর্জনের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।”

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার এই নতুন ও গতিশীল কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় সুধীসমাজ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল

বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ বলে লাশ পাঠালো বাংলাদেশ দূতাবাস

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

মালয়েশিয়ায় বৈধ ভিসা থাকা পরেও অবৈধ অভিসীর তকমা দিয়ে মরদেহ দেশে প্রেরণের ছাড়পত্র দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। মৃত প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে গত ২৮ আগস্ট নরসিংদী সদরের হাটখোলা এলাকার মোঃ জাইদুল ইসলাম মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের সেরেম্বান শহরে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান । তিনি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে সেরেম্বান শহরে লিম চং ভেজি মার্ট লিম চং ভেজি মার্ট এসডিএন বিএইচডি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

 

মৃত প্রবাসীর ভিসা যাচাই করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৭ অক্টোবর ভিসার মেয়াদ শেষ হবে । অথচ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে দেখিয়ে অবৈধ অভিবাসীর তকমা দিয়ে মরদেহের ছাড়পত্র দিলে চলতি মাসের ২ তারিখে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে জাইদুলের লাশ তার পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। ভিসা থাকার পরেও অবৈধ অভিবাসীর তকমা দেয়ায় প্রবাসীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দূতাবাস আসলে কাদের সেবায় নিয়োজিত?

 

এদিকে মরদেহ দেশে প্রেরণে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ হওয়ায় নিয়োগকর্তা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মৃত জাইদুলের ভিসা নেই দেখিয়ে ২০২৫ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া কাগজপত্র দিয়ে মরদেহ প্রেরণের ছাড়পত্রের আবেদন করে দূতাবাসে। ছাড়পত্র দেয়ার আগেই এ বিষয়ে দূতাবাসরে সংশ্লিষ্ট শাখায় অবহিত করলেও কোন সুবিধার বিনিময়ে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ছাড়াপত্র দিয়েছে দূতাবাস সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

উল্লেখ্য মালয়েশিয়ায় থাকা বৈধ কর্মীর ভিসা নবায়নের সময় ইন্সুরেন্স করতে হয় । পরবর্তীতে কর্মীর চিকিৎসাসহ কোন কারণে মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে প্রেরণে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী থেকে ক্ষতি পূরণ পাওয়া যায়। দেশটির শ্রমআইন অনুযায়ী ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতা মূলক থাকলেও নিয়োগকর্তা সেটি না করায় মরদেহ দেশে প্রেরণসহ আইনি জটিলতা এড়াতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। যদিও জাইদুল ইসলামের ভিসা মেয়াদ এখনো চলমান আছে জানিয়ে বিষয়টি দূতাবাসের লেবার উইংয়ে কর্মরত সাইফুল ইসলাম কে মোবাইল ফোনে আগেই অবহিত করা হয়। পূর্বে অবহিত করার পরেও কেন অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ছাড়পত্র দেয়া হলো জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম জানান, ভিসা কিভাবে চেক করতে হয় সেটা আমাদের জানা নাই। এমনকি আগাম অবহিতকরণের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে কয়েজন গণমাধ্যমকর্মী লেবার কাউন্সিলর সৈয়দ শরিফুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকার কল দিলেও তিনি ফোনকল রিসিভ না করলে হাইকমিশনের লেবার মিনিস্টার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ হিসেবে যদি ছাড়পত্র দেয়া হয় তাহলে সে বিষয়ে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

উল্লেখ্য, লেবার কাউন্সিলর শরিফুলের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নিয়ে অস্তিত্বহীন কোম্পানীতে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের এটাস্টেশন, ব্যক্তিগত সহকারীকে দিয়ে কোম্পানীর তালিকা করে কোম্পানীর মালিক কর্তৃক অর্থ নিয়ে ফাইল ছাড় করা, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার সামনে অভিযোগ করায় নিয়োগকর্তা কর্তৃক কর্মী নির্যাতন, সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে বেশি ব্যবহার, সরকারের আর্থিক ক্ষতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেকে বাঁচাতে কখনও অস্থায়ী নিয়োগ পাওয়া ড্রাইভারকে জোরপূর্বক চাকরির ইস্তফা দিয়ে বিদায় করা, কখনও ব্যক্তিগত সহকারীকে (কল্যাণসহকারী, অস্থায়ী) চাকরিচ্যুত করেছেন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকা ইউনিভার্সিটির বন্ধু হওয়ায় তার হস্তক্ষেপে নানা অপরাধ করেও রক্ষা পান তিনি। এমনকি জুনিয়র কর্মকর্তা হয়েও অফিসিয়াল ভাষা ভুলে ডেপুটিকে ”তুমি সম্বোধন” মিশনের ক্ষমতার দাপটও দেখান।

বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ বলে লাশ পাঠালো বাংলাদেশ দূতাবাস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাভারে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভারের বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি নিজেই। সংবাদে উল্লেখিত তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই দাবি করে তিনি প্রকৃত সত্য তুলে ধরে এক প্রতিবাদলিপি প্রদান করেছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, তার ৩১ বছরের দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি সরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ঋণ এবং নিজস্ব জমি বিক্রির উপার্জিত অর্থ দিয়ে একটি পাকা ভবন নির্মাণ করেছেন। সাভার ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ ডিজাইন অনুমোদন নিয়েই ১৮ ফুট প্রশস্ত ও ৯০ ফুট দীর্ঘ এই ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছে।

 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার আয়-ব্যয়ের প্রকৃত উৎস কিংবা ভবন নির্মাণের বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত কোনো তথ্য যাচাই না করেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা তার সাথে কোনো যোগাযোগ না করে কিংবা তার বক্তব্য না নিয়েই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন, যা পেশাগত দায়িত্বের অপব্যবহার এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার চরম পরিপন্থী।

 

বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মতামত নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব। এতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণের সামনে আসে এবং বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হয়।” ভবিষ্যতে তার সম্পর্কে যেকোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা রক্ষা ও সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সাভারে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

সাভারের আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই বলছে, পরকীয়াসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এম. মোর্শেদ।

 

এর আগে, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আশুলিয়ার জামগড়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে এক দম্পতি ও তাদের নবজাতক সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে দরজা ভেঙে গলিত অবস্থায় তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহতরা হলেন নাজমা খাতুন, তার স্বামী আলমগীর কবির ও তাদের সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তান। নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। আর আলমগীর পান-সিগারেট বিক্রি করতেন।

 

ঘটনাটি ক্লুলেস হওয়ায় তদন্তে নামে পিবিআই। পাশাপাশি ছায়া তদন্তের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে থাকে সংস্থাটি। একপর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

পিবিআইয়ের তথ্যমতে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কারখানা ছুটির পর নাজমা ও তার স্বামী বাসায় ফেরেন। এরপর নাজমার সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগে আলমগীর তাকে নিজ বাসায় ডেকে আনেন।

 

পিবিআই বলছে, ওই ব্যক্তিকে মারধর ও সতর্ক করার একপর্যায়ে আলমগীরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ওই ব্যক্তি নাজমা ও আলমগীরকে হত্যা করেন। এ সময় তাদের নবজাতক সন্তানও মারা যায় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

 

হত্যার পর বাইরে থেকে ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। পরে কয়েক দিন পর ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

 

এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, গ্রেফতার ব্যক্তির সঙ্গে নিহতদের সম্পর্ক এবং হত্যার পেছনের বিস্তারিত কারণ খতিয়ে দেখছে পিবিআই।

আশুলিয়ায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, পরকীয়ার বিরোধে হত্যার দাবি পুলিশের

ক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চব্বিশের অভ্যুত্থান ভুলে গেলে সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই তরুণরা জাগ্রত আছে— বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এ কথা বলেন তিনি।

 

তিনি পোস্টে বলেন, নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নামে বিএনপি সরকার আরেকটি বাজে কাজ করতে যাচ্ছে। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ পিএসসির কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে নিজেদের কমিটি গঠন করে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

অন্যান্য ১০ম গ্রেডের পদের মত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ চলছে অনেক বছর ধরেই। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়। পিএসসি পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য প্রার্থীরা তালিকা প্রকাশ করে। মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। ফলে নিয়োগটা ভালোভাবেই চলছে।

 

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, পিএসসির অধীনে যে নিয়োগ হয় সেটা তরান্বিত (!) করতে জনপ্রশান প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী মূখ্য সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে কমিটি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে, এই কমিটি নিয়োগ কার্যক্রম তরান্বিত করতে কাজ করবে।

 

কেনো পিএসসি কী পারছে না? পিএসসি কী কোথায় বলেছে, ‘আমরা পারছি না’। খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, সরকার নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। উদ্দেশ্য হতে পারে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ করা কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ করা।

 

তিনি আরও বলেন, কিন্তু তারা কী চব্বিশ ভুলে গেছে? সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্য করার কারণেই কিন্তু এই দেশের ছাত্ররা আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিল। যা থেকে কালজয়ী অভ্যুত্থান হয়েছে।

 

নিয়োগে হাত দিয়ে দুর্নীতি করে লাভবান হওয়ার যে চিন্তা করছেন, এটা কিন্তু কখনোই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা জাগ্রত আছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

ঠাকুরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১.

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ০৯নং রায়পুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানায়, তেতুলিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের বসতবাড়ির প্রায় ১০০ গজ পশ্চিমে ঢোলইগামী কাঁচা সড়কের ওপর থেকে সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়।

 

পরে তার দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলাম সদর উপজেলার ৯ নং রায়পুর ইউনিয়নের তেতুলিয়া কাচনা গ্রামের মৃত ছলিফ উদ্দিনের ছেলে।

 

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় তেতুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিরাজুল ইসলামকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

 

ঠাকুরগাঁও ডিবির ওসি গোলাম রসুল বলেন, মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ৮০ পিস ইয়াবাসহ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১.

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

আন্তঃনগর সীমান্ত ট্রেনে এক যাত্রীকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া (৫৬) নামে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার

(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী। অসচেতন হয়ে যাওয়া যাত্রী হাজী মফিজুল রহমান সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সীমান্ত এক্সপ্রেসের ‘ঙ’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হেলাফেলা গ্রামে। বুধবার

বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মফিজুর রহমান ও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত রেলওয়ে পুলিশ তার পাশের যাত্রী ফুল মিয়াকে আটক করে। পরে তার দেহে তল্লাশি করে মফিজুল রহমানের টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানাই ২০২৫ সালে ২

৩০ আগস্ট একই ট্রেনে দুই নারী যাত্রীকে জুস পান করিয়ে অচেতন করার অভিযোগে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময় অচেতন দুই নারী কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে পাশের এক যাত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা জুস পরীক্ষা করতে তাকেই পান করানো হলে তিনি নিজেই অচেতন হয় পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, উপপরিদর্শক (এএসআই)

মিজানুর রহমান বাদী হয়ে

ফুল মিয়াসহ তার অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিনজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপরজন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে সুমন রায় (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের বাবলু রায়ের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন তিনি। বুধবার সকালে প্রতিবেশীরা গোয়ালঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকালে উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যক্তিকে কাজীরহাট বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

আন্তঃনগর সীমান্ত ট্রেনে এক যাত্রীকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া (৫৬) নামে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার

(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী। অসচেতন হয়ে যাওয়া যাত্রী হাজী মফিজুল রহমান সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সীমান্ত এক্সপ্রেসের ‘ঙ’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হেলাফেলা গ্রামে। বুধবার

বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মফিজুর রহমান ও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত রেলওয়ে পুলিশ তার পাশের যাত্রী ফুল মিয়াকে আটক করে। পরে তার দেহে তল্লাশি করে মফিজুল রহমানের টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানাই ২০২৫ সালে ২

৩০ আগস্ট একই ট্রেনে দুই নারী যাত্রীকে জুস পান করিয়ে অচেতন করার অভিযোগে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময় অচেতন দুই নারী কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে পাশের এক যাত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা জুস পরীক্ষা করতে তাকেই পান করানো হলে তিনি নিজেই অচেতন হয় পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, উপপরিদর্শক (এএসআই)

মিজানুর রহমান বাদী হয়ে

ফুল মিয়াসহ তার অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিনজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপরজন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে সুমন রায় (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের বাবলু রায়ের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন তিনি। বুধবার সকালে প্রতিবেশীরা গোয়ালঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকালে উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ষাটোর্ধ্ব এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যক্তিকে কাজীরহাট বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ডোমারে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফুডকোর্টে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

 

প্রায় ৫৫ মিনিটের চেষ্টায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি বলে জানায় তারা।

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে আগুন

চলমান গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ফার্নেস অয়েল সংকটের কার্যকর বিকল্প সমাধান হিসেবে পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকার বড় পরিসরে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনায় অবস্থিত বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের প্রাঙ্গণে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, টেকসই ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিতের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে অন্তত দশ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুস্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

 

বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকটের বাস্তবতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কাটিয়ে প্রাকৃতিক শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

 

এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যক্তিগত বাসাবাড়ির ছাদ থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতর ও কলকারখানার অব্যবহৃত উন্মুক্ত স্থান যেখানেই সুযোগ রয়েছে, সেখানেই সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে।

জ্বালানি সংকটে ৫ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d