ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি শিক্ষার্থীদের - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি শিক্ষার্থীদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি শিক্ষার্থীদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষ্যে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর আয়োজন করতে যাওয়া কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।

 

গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের কাছে পৃথক স্মারকলিপি দিয়ে এ দাবি জানায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনটি।

 

কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিকভাবে ইসলাম, ইলম, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় মূল্যেবোধের এক সমৃদ্ধ জনপদ। এ জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জনসাধারণের ধর্মীয় অনুভূতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এমন একটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নবীনবরণ উপলক্ষ্যে গানের কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি।

 

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবীনদের বরণ অবশ্যই আনন্দঘন ও উৎসবমুখর হাতে পারে, তবে সেই আয়োজন যেন শিক্ষার পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়- এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।’

 

অতীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন কনসার্ট ও গানের অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও দুর্ঘটনার ফলে এ ধরনের আয়োজনকে ঘিরে জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

 

এর আগে, গত ১৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

 

তারও আগে, গত ৩০ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে দর্শকপ্রিয় সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনীও বন্ধ করা হয় কওমি শিক্ষার্থীদের বাধায়।


ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে কষ্টিপাথরের মূর্তি ও ২০০ বছরের পুরোনো স্ট্যাম্প উদ্ধার।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার লক্ষীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিবিহীন কষ্টিপাথরের মূর্তি, প্রাচীন আমলের সামগ্রী ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্যবহৃত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)। উদ্ধার করা এসব সামগ্রীর সিজার মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা।

 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন সদর থেকে আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার দূরে ঠাকুরগাঁও সদর থানার লক্ষীপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে ৫০ বিজিবি। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান, জি, আর্টিলারি।

 

৫০ বিজিবি জানায়, অভিযানে আসামিবিহীন অবস্থায় ১৪ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি, ২২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের তিনটি কষ্টিপাথরের টুকরা, প্রাচীন আমলের দুটি মদের খালি বোতল, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্যবহৃত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো দুটি স্ট্যাম্প এবং একটি শঙ্খ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা কষ্টিপাথরের সামগ্রীর মোট ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম।

 

উদ্ধার করা সামগ্রীর সর্বমোট সিজার মূল্য ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে ৫০ বিজিবি।

 

৫০ বিজিবি জানায়, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত বিভিন্ন কৌশলী পরিকল্পনার মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)। সীমান্তের নিরাপত্তা ও সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে যেকোনো তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে কষ্টিপাথরের মূর্তি ও ২০০ বছরের পুরোনো স্ট্যাম্প উদ্ধার।

ক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চব্বিশের অভ্যুত্থান ভুলে গেলে সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই তরুণরা জাগ্রত আছে— বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এ কথা বলেন তিনি।

 

তিনি পোস্টে বলেন, নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নামে বিএনপি সরকার আরেকটি বাজে কাজ করতে যাচ্ছে। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ পিএসসির কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে নিজেদের কমিটি গঠন করে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

অন্যান্য ১০ম গ্রেডের পদের মত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ চলছে অনেক বছর ধরেই। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়। পিএসসি পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য প্রার্থীরা তালিকা প্রকাশ করে। মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। ফলে নিয়োগটা ভালোভাবেই চলছে।

 

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, পিএসসির অধীনে যে নিয়োগ হয় সেটা তরান্বিত (!) করতে জনপ্রশান প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী মূখ্য সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে কমিটি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে, এই কমিটি নিয়োগ কার্যক্রম তরান্বিত করতে কাজ করবে।

 

কেনো পিএসসি কী পারছে না? পিএসসি কী কোথায় বলেছে, ‘আমরা পারছি না’। খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, সরকার নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। উদ্দেশ্য হতে পারে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ করা কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ করা।

 

তিনি আরও বলেন, কিন্তু তারা কী চব্বিশ ভুলে গেছে? সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্য করার কারণেই কিন্তু এই দেশের ছাত্ররা আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিল। যা থেকে কালজয়ী অভ্যুত্থান হয়েছে।

 

নিয়োগে হাত দিয়ে দুর্নীতি করে লাভবান হওয়ার যে চিন্তা করছেন, এটা কিন্তু কখনোই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা জাগ্রত আছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

ইতালিতে হামলা ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী।

 

তার মতে, রাজনৈতিক ছত্রছায়াহীন সাধারণ নাগরিক হওয়ার কারণেই এমন সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন বাঁধন।

 

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাঁধনের ওপর হামলা অংশ নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছেন দীপ্তি চৌধুরী।

 

ক্যাপশনে অভিনেত্রীর ওপর আক্রমণের কারণ হিসেবে চারটি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন তিনি।

 

দীপ্তি চৌধুরী লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের অপরাধ- ১. একটি গণঅভ্যুত্থানে তার একটি স্টেন্ড পয়েন্ট ছিল- যা ছবির লোকগুলোসহ আরও হাজার হাজার মানুষের আদর্শের সঙ্গে মেলেনি।

 

২. বাঁধন রাষ্ট্র কর্তৃক শিশু হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে ছিল, প্রোফাইল লাল করেছিল। ৩. বাঁধন কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নেই।

 

৪. বাঁধন নারী; তাই সে সবচেয়ে সহজ টার্গেট।’

 

ওই স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই উপস্থাপক আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে সরকারে থাকা প্রধানমন্ত্রী, এমপি-মন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেতা-নেত্রীদের প্রত্যেকেই ‘জুলাই যোদ্ধা’। কিন্তু রাজনৈতিক ছায়াহীন সাধারণ নাগরিকদের ‘জুলাই জঙ্গি’ গালি শুনতে হচ্ছে। আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষকে বড় সমর্থন হিসেবে বাহবা দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সহযোদ্ধা হিসেবে তাদের আগলে রাখা হয় না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

 

জুলাই অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব ও অংশীদারিত্ব দাবি করা রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দীপ্তি চৌধুরী লেখেন, ‘দেখার অপেক্ষায় আছি জুলাইয়ের অংশীদারিত্ব নিয়ে টানাটানি করা রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়।’

 

প্রসঙ্গত, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালিতে গেছেন তিনি।

 

বর্তমানে তিনি মেস্ত্রে শহরে অবস্থান করছেন। সোমবার রাতে ভাই ও তার পরিবারের সঙ্গে তিনি স্থানীয় একটি পার্কে গেলে এ হামলা ও হেনস্তার ঘটনা ঘটে।

 

বাঁধনের অভিযোগ, ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকার কারণেই অভিনেত্রীকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী এবং ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

রাজনৈতিক ছায়াহীন বলেই বাঁধন সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত: দীপ্তি চৌধুরী

সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আর এক হাজার ৫৭১ জন।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩০ জন। অন্যদিকে মোট শনাক্তের সংখ্যা হয়ে গেল ৪৫ হাজার ৩৯৪ জন।

 

এর আগে, গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছিল, নতুন ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ১৩৯ জন, দক্ষিণ সিটির ১৪৩ জন এবং দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগের ২২৫ জন রয়েছেন।

 

এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৮ জন, খুলনায় ২৩৫ জন, ময়মনসিংহে ৮১ জন, রংপুরে ৩৬ জন, রাজশাহীতে ৯৯ জন এবং সিলেটে ৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু

নওগাঁর ৩ টা বিলে ২৬০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত: ‘আমিষের চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টিই মূল লক্ষ্য’— এমপি ধলু

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁয় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের আওতায় ৩টি বিলে ২৬০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নের হাঁসাইগাড়ি বিল, গুটার বিলসহ আরেকটি মুক্ত জলাশয়ে এই পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, “আমাদের দেশ মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা করে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানো। এই পোনামাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে আমাদের মুক্ত জলাশয়গুলো আবার মাছে ভরে উঠবে। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জনগণের আমিষের চাহিদাও পূরণ হবে।” তিনি স্থানীয় মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসীকে অবমুক্তকৃত পোনামাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ দিতে এবং অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ নূরুল আমিন, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দিপংকর পাল (অ.দা), নওগাঁ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শ.ম.আ আল কাফি তুহিন, জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ হায়দার টিপু, হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান জালাল হোসেন এবং বক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সারোয়ার কামাল চঞ্চল প্রমুখ।অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার সাধারণ মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি এই নিয়মিত উদ্যোগের ফলে বিলগুলোতে মাছের বংশবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

নওগাঁর ৩ টা বিলে ২৬০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত: ‘আমিষের চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টিই মূল লক্ষ্য’— এমপি ধলু

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের প্রতিটি মানুষ নাগরিকত্বের ভিত্তিতেই সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে। বাংলাদেশে বসবাসকারী কোনো জনগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মানুষকে আর ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে পরিচিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, আমাদের সবার প্রধান ও প্রথম পরিচিতি হওয়া উচিত ‘আমরা সবাই বাংলাদেশী’।

 

আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে ‘কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী উৎসব ১৪৩৩’ উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এর আয়োজন করে।

 

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের নেতা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। যদি তাই হয়, তবে আমরা প্রত্যেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশী’। আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা নৃগোষ্ঠীগত পরিচয় এর পরে আসবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের মূল নীতিই হলো সবার জন্য বাংলাদেশ।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেকে মনে করত, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা একটি নির্দিষ্ট দলের ‘ভোট ব্যাংক’। এটি দিয়ে তারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিল। কিন্তু দেশের সচেতন জনগণ সেই ভুল ধারণা ও কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।

 

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ছয় মাসে দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং আচার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, জনগণই বিচারক। তারা ইতোমধ্যে রায় দিয়েছেন এবং আগামীতেও গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় রাখতে এবং সব ধরনের অসুর শক্তি ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।

 

সংবিধান ও ধর্মীয় অধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাধ্য। সংবিধানের চেতনা অনুযায়ী ধর্মের ভিত্তিতে কোনো প্রকার বৈষম্য করা যাবে না।

 

তিনি আরও বলেন, সব ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্তদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। সরকার এসব কথা কেবল সংবিধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না, বাস্তবেও সাম্য ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

 

ভাষার ব্যবহারে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সচরাচর ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটি ব্যবহার করি। কিন্তু আমি মনে করি ‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটির আর প্রয়োজন নেই। এখন থেকে বলতে হবে আমরা ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং শান্তি বজায় রাখব। এই ইতিবাচক চর্চাই সমাজকে আরও সুন্দর করবে।

 

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে সমাবেশ ও মিছিলে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম।

 

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

 

অন্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস (সাধন)। অনুষ্ঠানের শুরুতে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে মিছিলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। জন্মাষ্টমীর মিছিলটি পলাশী মোড় (ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গন) থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের মূল নীতিই হলো সবার জন্য বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন, সময়মতো চার্জশিট দাখিল, মেডিকেল ও ফরেনসিক প্রতিবেদন দ্রুত সংগ্রহ এবং আদালত ও পুলিশের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে ঢাকার পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে।

 

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেয়া হয়।

 

ঢাকার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম।

 

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের সঞ্চালনায় কনফারেন্সে জেলার মামলার নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান।

 

এসময় ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন, সিআইডির পুলিশ সুপার, জেল সুপার, সিভিল সার্জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিনিধিসহ জেলার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ, জেলা পিপি, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন।

 

কনফারেন্সে মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনা এবং নির্ধারিত সময়ে চার্জশিট দাখিলের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি মামলার প্রয়োজনীয় মেডিকেল ও ফরেনসিক প্রতিবেদন দ্রুত আদালতে পৌঁছানো, আলামত যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং আসামিদের সময়মতো আদালতে উপস্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলার তদন্তে গতি:

 

কনফারেন্সে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, ঢাকা জেলা জজ আদালতে এ ধরনের মাত্র চারটি মামলা বিচারের জন্য এসেছে। এসব মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করে আইনানুগভাবে চার্জশিট দাখিলের জন্য জেলার সব থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। তদন্তকালে কোনো আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের পর্যাপ্ত ভিত্তি না পাওয়া গেলে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দেয়া হয়।

 

মেডিকেল-ফরেনসিক প্রতিবেদন দ্রুত পাওয়ার তাগিদ:

 

ভিকটিমদের মেডিকেল সার্টিফিকেট (এমসি) ও ফরেনসিক প্রতিবেদন দ্রুত প্রাপ্তির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেডিকেল প্রতিবেদন চাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট থানা থেকে যথাযথ রিকুইজিশন পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। চিকিৎসাদানকারী চিকিৎসক বর্তমানে কর্মরত না থাকলে সংশ্লিষ্ট পদে কর্মরত চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বোর্ড গঠন করে যথাযথ স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

হত্যা মামলায় মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সুরতহাল প্রতিবেদন, জব্দ তালিকা ও পোস্টমর্টেম প্রতিবেদন সময়মতো আদালতে না আসার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই সুরতহাল প্রতিবেদন ও জব্দ তালিকা এবং পরবর্তীতে পোস্টমর্টেম প্রতিবেদন যথাসময়ে আদালতে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়।

 

ডিজিটাল আলামত জব্দে সতর্কতার নির্দেশ:

 

ডিজিটাল আলামত ও ইলেকট্রনিক সাক্ষ্য যথাযথভাবে জব্দ, সংরক্ষণ ও শনাক্তকরণের ওপরও গুরুত্ব দেয়া হয়। সিসি ক্যামেরার ডিভিআরসহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইস যথাযথভাবে জব্দ এবং মোবাইল ফোন জব্দের সময় সিমের তথ্য ও আইএমইআই নম্বর সঠিকভাবে নথিভুক্ত করার বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে আইনগত শর্ত, স্বেচ্ছাস্বীকৃতি ও নির্ধারিত পদ্ধতি যথাযথভাবে অনুসরণের

ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ঢাকায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে প্রসূতির মৃত্যুর পর ‘নিউ সেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করেছে উপজেলা প্রশাসন। লাইসেন্স না থাকা এবং স্বাস্থ্যসেবার নিয়ম অমান্য করায় জরিমানা করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে।

 

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া সুলতানা এ্যানির নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযান সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি নিউ সেবা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজার করার ৪ দিন পর এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরে শনিবার দুপুরে ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে স্বাস্থ্যসেবার মান ও কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই।

 

লাইসেন্স না থাকা ও স্বাস্থ্যসেবার শর্ত অমান্য করায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ক্লিনিকের মালিক সুজা উদ্দিনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ক্লিনিকের রোগীদের দ্রুত নিরাপদে বের করে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

 

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। লাইসেন্স না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি জরিমানা ও সিলগালা করা হয়েছে।

(more…)

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে প্রসূতির মৃত্যুর পর ক্লিনিকে সিলগালা

সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের গত ১৭ বছরের দুঃশাসনে দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছে। তার দাবি, ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি টানা ছয়বার সংসদ সদস্য (এমপি) থাকলেও দেশে এ ধরনের মাদক সমস্যা, দখলবাজি ও চাঁদাবাজির চিত্র ছিল না।

 

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলা মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

 

স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে যারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, শেখ হাসিনাসহ তাদের অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এমনকি প্রধান বিচারপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইমামও পালিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, ক্যান্টনমেন্টে ৬০০ পুলিশ কর্মকর্তা আশ্রয় নিয়েছেন। ৬২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। মানুষ পেলে তাদের ছিঁড়ে ফেলতো।

 

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে খুশি করতে এবং নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন থানায় পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়েছেন। তার দাবি, এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পিয়ন-চাপরাশি পর্যন্ত সবাই পালিয়ে যাচ্ছে।

 

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, কিছুদিন আগে বেনজীর আহমেদের কাহিনি দেখেছেন। তিনি কত বড় চোর! বাংলাদেশের জায়গা-জমির বড় একটি অংশ নিজের, স্ত্রী ও সন্তানদের নামে লিখে নিয়েছেন। বনাঞ্চল দখলে নিয়েছেন। কত জায়গায় বাড়িঘর করেছেন, তার কোনো সীমা নেই।

 

তিনি আর বলেন, এসব ঘটনার কারণে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে দেশে মাদক ছড়িয়েছে: স্পিকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষ্যে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর আয়োজন করতে যাওয়া কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।

 

গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের কাছে পৃথক স্মারকলিপি দিয়ে এ দাবি জানায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনটি।

 

কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিকভাবে ইসলাম, ইলম, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় মূল্যেবোধের এক সমৃদ্ধ জনপদ। এ জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জনসাধারণের ধর্মীয় অনুভূতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এমন একটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নবীনবরণ উপলক্ষ্যে গানের কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি।

 

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবীনদের বরণ অবশ্যই আনন্দঘন ও উৎসবমুখর হাতে পারে, তবে সেই আয়োজন যেন শিক্ষার পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়- এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।’

 

অতীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন কনসার্ট ও গানের অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও দুর্ঘটনার ফলে এ ধরনের আয়োজনকে ঘিরে জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

 

এর আগে, গত ১৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

 

তারও আগে, গত ৩০ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে দর্শকপ্রিয় সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনীও বন্ধ করা হয় কওমি শিক্ষার্থীদের বাধায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ কনসার্ট বন্ধের দাবি কওমি শিক্ষার্থীদের

নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমাজের ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, শ্রমিক নেতা, উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এ কমিটি গঠনের মূল লক্ষ্য। কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এবং প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ও প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন নওগাঁ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জয়ব্রত পাল, সমন্বয় হিসেবে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। নবগঠিত কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক বায়োজিত হোসেন পলাশ এবং সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক খায়রুল আলম গোল্ডেন। কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন এ্যাড: সাব্বির আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ, গোলাম রাব্বানী, আব্দুল মজিদ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ডাঃ এবারত আলী, মাহমুদুন নবী বেলাল, তারেক রহমান, আমজাদ হোসেন, আবু জাহেদ মাসুদ, মহিলা সদস্য শবনম মোস্তারী কলি, লাকী আক্তার, শ্যামলী বেগম। নবগঠিত এ আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে নওগাঁ জেলার পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় তৈরি হবে এবং অপরাধ প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন 

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে আটক ১

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, ঘটনার ভিডিও ধারণ এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে মোঃ আল আমিন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার মোঃ আল আমিন রাণীশংকৈল উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মোঃ হানিফের ছেলে। র‌্যাব-১৩-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩, রংপুরের সদর কোম্পানি এবং র‌্যাব-১-এর সিপিএসসি, গাজীপুরের সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

 

র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ভুক্তভোগী ওই নারী তার বাবার বাড়িতে গোসল করার সময় আসামি জনি বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওই নারী বাথরুম থেকে বের হলে সেখানে অবস্থানরত আল আমিন তার গলা ধরে তাকে পুনরায় বাথরুমের ভেতরে নিয়ে যায়।

 

এ সময় জনি ভুক্তভোগীর ভিডিও ধারণ করে এবং তাকে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আল আমিনও ওই নারীকে ধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

 

র‌্যাব জানায়, ঘটনার ভিডিও ধারণের পর আসামিরা তা সংরক্ষণ ও অন্যত্র স্থানান্তর করে। পরবর্তীতে ওই ভিডিওকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেওয়া হয় বলেও মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এজাহার অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ২ আগস্ট অপর আসামি মাহবুব আলম ওই ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগী আতঙ্কিত হয়ে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান এবং পরবর্তীতে আইনের আশ্রয় নেন।

 

ঘটনার পর ভুক্তভোগী গত ২০ আগস্ট রাণীশংকৈল থানায় গণধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর-২৮। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।

 

মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে র‌্যাব-১৩-এর একটি গোয়েন্দা দল আসামিদের অবস্থান শনাক্তে নজরদারি শুরু করে। একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার অন্যতম আসামি মোঃ আল আমিন গাজীপুর এলাকায় অবস্থান করছে।

 

পরে তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও আইনগত প্রক্রিয়া ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, র‌্যাবের অভিযানে আটক ১

মালয়েশিয়া এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স এর বিশেষ উঠান বৈঠক।

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

১১ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের এর উদ্যোগে এক বিশেষ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

এনসিপি মালয়েশিয়ার যুগ্ম সচিব জনাব মুশফিক আহমেদ এর সঞ্চালনায়

উক্ত উঠান বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি(NCP)র যুগ্ম সদস্য সচিব জনাব ফরিদুল হক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি(NCP)র যুগ্ম সদস্য সচিব এবং গ্লোবাল ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের সম্পাদক জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ।

 

আজকের উঠান বৈঠক ছিলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রোগ্রাম।

এখানে মালয়েশিয়া এনসিপির বিভিন্ন আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিরা এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে দেশ গঠনে,নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়নে,দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে এনসিপির পরবর্তী ভাবনা ভিশন সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

 

আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান দুই আলোচক সবার প্রশ্নের চুলচেড়া বিশ্লেষণ করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রবাসীরা কেন এনসিপির সঙ্গে যোগদান করবে?

 

এই প্রশ্নের জবাবে ফরিদুল হক বলেন—

 

“প্রবাসীরা এনসিপির সঙ্গে যোগদান করবে একটি সমৃদ্ধ, কল্যাণমুখী ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায়। এমন একটি বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তারা গর্ববোধ করবে এবং ভবিষ্যতে নির্ভয়ে ও সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরে আসতে পারবে। তারা চায়, তাদের আগামী প্রজন্ম যেন একটি নিরাপদ, সুন্দর ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে বেড়ে উঠতে পারে।

 

প্রবাসীরা এনসিপির সঙ্গে থাকবে, কারণ তারা বিশ্বাস করে—এনসিপির নেতৃত্বে রাষ্ট্রের সংস্কার, মৌলিক পরিবর্তন এবং কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে একটি দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

 

প্রবাসীরা আরও চায়, তাদের প্রতি রাষ্ট্রের যে দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বৈষম্য রয়েছে, তার অবসান হোক। প্রবাসীদের অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত হোক এবং দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে তাদের অবদান যথাযথ স্বীকৃতি পাক।

 

এই প্রত্যাশা থেকেই প্রবাসীরা এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হবে—একটি নতুন, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।”

 

ফরিদুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন—

 

“প্রধানমন্ত্রীকে দশবার ‘মাননীয়’ বলতেও আমরা রাজি আছি, যদি তিনি সত্যিকার অর্থে দেশে দুর্নীতি বন্ধ করতে পারেন, অনিয়ম বন্ধ করতে পারেন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের চুরি-লুটপাট বন্ধ করতে পারেন।

 

একজন প্রধানমন্ত্রীর সত্যিকার কাজ হবে দেশের অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

মালয়েশিয়া এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স এর বিশেষ উঠান বৈঠক।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫ শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫ জন শিক্ষার্থীকে কলেজে ভর্তি ফি বাবদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ টেপ বল ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সারোয়ার হোসেন আকুল প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন।

 

মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

 

এ সময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

পাশাপাশি পূর্ব চন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাব ও গণপাঠাগারের সদস্য হওয়ার জন্য সকল শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও জ্ঞানচর্চায় সম্পৃক্ত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫ শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা

গাইবান্ধায় রাতের আঁধারে ডাকাতি, ছুরি ঠেকিয়ে লুটে নিল স্বর্ণ-নগদ টাকা

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাইহাট ইউনিয়নের বাজুনিয়া পাড়ায় গভীর রাতে এক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাড়িতে থাকা নারীদের গলায় ছুরি ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৬ লাখ টাকা এবং জমির গুরুত্বপূর্ণ দলিলসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল।

 

পরিবারসূত্রে জানা যায়,বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ৩ টার দিকে নাকাইহাট ইউনিয়নের বাজুনিয়া পাড়ার মোহাম্মদ হাজির বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। ডাকাতরা বাড়িতে প্রবেশ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে। এ সময় বাড়িতে থাকা নারীদের গলায় ছুরি ধরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

 

পরে ডাকাতরা ঘরে থাকা প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৬ লাখ টাকা, জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও অন্যান্য মালামাল লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

গাইবান্ধায় রাতের আঁধারে ডাকাতি, ছুরি ঠেকিয়ে লুটে নিল স্বর্ণ-নগদ টাকা

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে কষ্টিপাথরের মূর্তি ও ২০০ বছরের পুরোনো স্ট্যাম্প উদ্ধার।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার লক্ষীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিবিহীন কষ্টিপাথরের মূর্তি, প্রাচীন আমলের সামগ্রী ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্যবহৃত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)। উদ্ধার করা এসব সামগ্রীর সিজার মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা।

 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন সদর থেকে আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার দূরে ঠাকুরগাঁও সদর থানার লক্ষীপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে ৫০ বিজিবি। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান, জি, আর্টিলারি।

 

৫০ বিজিবি জানায়, অভিযানে আসামিবিহীন অবস্থায় ১৪ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি, ২২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের তিনটি কষ্টিপাথরের টুকরা, প্রাচীন আমলের দুটি মদের খালি বোতল, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্যবহৃত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো দুটি স্ট্যাম্প এবং একটি শঙ্খ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা কষ্টিপাথরের সামগ্রীর মোট ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম।

 

উদ্ধার করা সামগ্রীর সর্বমোট সিজার মূল্য ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে ৫০ বিজিবি।

 

৫০ বিজিবি জানায়, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত বিভিন্ন কৌশলী পরিকল্পনার মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)। সীমান্তের নিরাপত্তা ও সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে যেকোনো তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে কষ্টিপাথরের মূর্তি ও ২০০ বছরের পুরোনো স্ট্যাম্প উদ্ধার।

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d