যুক্তরাষ্ট্রে সস্তা পোশাকে এগিয়ে চীন, বৈচিত্র্যে পিছিয়ে বাংলাদেশ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
যুক্তরাষ্ট্রে সস্তা পোশাকে এগিয়ে চীন, বৈচিত্র্যে পিছিয়ে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে সস্তা পোশাকে এগিয়ে চীন, বৈচিত্র্যে পিছিয়ে বাংলাদেশ

Oplus_131072

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এককভাবে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে চীন। চীনের বড় শক্তি সস্তা পোশাক আর পোশাকের বৈচিত্র্য। চীনের চেয়ে দামি পোশাক রপ্তানি করলেও শুধু বৈচিত্র্যের কারণে দ্বিতীয় অবস্থানে ভিয়েতনাম। যদিও চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশটি চীনকে টপকে গেছে। বাংলাদেশের বড় শক্তি সুতার কাপড়ের পোশাক রপ্তানি। তবে তুলাবিহীন পোশাকে বৈচিত্র্য কম। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় বাজারে বাংলাদেশ ঘুরেফিরে তৃতীয় অবস্থানে আটকে আছে।
যুক্তরাষ্ট্র গত বছর বিশ্বের ২০০ দেশ থেকে ৮ হাজার ১৩২ কোটি ডলারের ৬৩৯ ক্যাটাগরি বা ধরনের পোশাক আমদানি করেছে। এর মধ্যে চীন সবচেয়ে কম দামে অর্থাৎ প্রতি পিস ২ দশমিক ৬২ মার্কিন ডলার দামে তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। তারপরই রয়েছে বাংলাদেশ, ৩ দশমিক ৯১ ডলার। সস্তা পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বৈচিত্র্যের ধরনে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। চীন ৬২৮টি, ভিয়েতনাম ৫২১ ও ভারত ৫৫৯ ধরনের পোশাক রপ্তানি করলেও বাংলাদেশ করেছে ৪৬১ ধরনের তৈরি পোশাক। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের তথ্যভান্ডার থেকে এমন তথ্য মিলেছে।বাণিজ্য–ঘাটতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে, সেসব দেশের ওপর গত ২ এপ্রিল ন্যূনতম ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ আরোপ করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৫৭ দেশের ওপর বিভিন্ন হারে বাড়তি পাল্টা শুল্ক বসানো হয়। ৯ এপ্রিল পাল্টা শুল্ক কার্যকরের দিন অনেকটা ‘ইউটার্ন’ করে তা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন ট্রাম্প। যদিও সব দেশের ওপর ন্যূনতম ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কার্যকর করা হয়।
সস্তা পোশাকে শীর্ষে চীন, দ্বিতীয় বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তথ্যভান্ডারের সংরক্ষিত শীর্ষ পাঁচ রপ্তানিকারক দেশের পরিসংখ্যান তুলনা করে দেখা যায়, গত বছর চীন গড়ে প্রতি পিস পোশাক ২ ডলার ৬২ সেন্টে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে। ভিয়েতনাম প্রতি পিস পোশাক রপ্তানি করেছে ৪ ডলার ৬২ সেন্টে। বাংলাদেশের প্রতি পিসের রপ্তানি মূল্য ছিল ৩ ডলার ৬৩ সেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শীর্ষ পাঁচ রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে বেশি দরে পোশাক রপ্তানি করেছে ইন্দোনেশিয়া। তারা প্রতি পিস পোশাক রপ্তানি করেছে ৫ ডলার ৪৬ সেন্ট। মোজা ও গ্লাভস ছাড়া এই হিসাব করা হয়েছে।
চার ধরনের পোশাকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চীন গড়ে প্রতি পিস ট্রাউজার বা প্যান্টজাতীয় পোশাক রপ্তানি করছে ৩ ডলার ৭৮ সেন্টে। বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতি পিস ৫ ডলার ১৮ সেন্ট। এ ক্ষেত্রে চীন গত বছর ২২৯ কোটি ডলারের ট্রাউজার রপ্তানি করেছে, বাংলাদেশের রপ্তানি ৩০৭ কোটি ডলারের। অবশ্য ভিয়েতনাম প্রতি পিস ট্রাউজার ৫ ডলার ৮৪ সেন্টে রপ্তানি করেছে। দেশটি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮৯ কোটি ডলারের ট্রাউজার রপ্তানি করেছে।
শার্ট রপ্তানিতেও চীনের চেয়ে বেশি দাম পাচ্ছে বাংলাদেশ। গত বছর বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৮০ কোটি ডলারের শার্ট রপ্তানি করে। প্রতি পিস শার্টের গড় রপ্তানি মূল্য ছিল ৪ ডলার ৮৮ সেন্ট। চীন গড়ে ৪ ডলার ৬২ সেন্টে প্রতি পিস শার্ট রপ্তানি করেছে। অবশ্য ভিয়েতনাম বেশি দামে শার্ট রপ্তানি করেছে, প্রতি পিস ৬ ডলার ৮৯ সেন্ট। আর ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি করা শার্টের গড় মূল্য ছিল ৬ ডলার ৯০ সেন্ট।
টি-শার্ট ও সোয়েটার রপ্তানিতে দামের ক্ষেত্রে চীনের চেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। সবচেয়ে সস্তা টি-শার্ট রপ্তানি করে বাংলাদেশ। প্রতি পিসের গড় রপ্তানি মূল্য ১ ডলার ৬৬ সেন্ট। চীনের রপ্তানি করা টি–শার্টের গড় মূল্য ১ ডলার ৭৬ সেন্ট। ভিয়েতনাম প্রতি পিস টি–শার্ট ২ ডলার ৭৪ সেন্টে রপ্তানি করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া প্রতি পিস সোয়েটারের গড় মূল্য ৩ ডলার ৯৪ সেন্ট। বাংলাদেশের প্রধান দুই প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনাম সোয়েটারে এগিয়ে।
বৈচিত্র্যে এগিয়ে চীন-ভিয়েতনাম
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গত বছর বাংলাদেশ ৪৬১ ধরনের তৈরি পোশাক (আট সংখ্যার এইচএসকোড) রপ্তানি করেছে। এই সংখ্যা চীনের ৬২৮, ভিয়েতনামের ৫২১ ও ভারতের ৫৫৯। পোশাক ও কাপড়ভেদে ধরন বিভাজন করা হয়। বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকার পেছনে মূল কারণ পোশাকে কম বৈচিত্র্য।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় ম্যান মেইড ফাইবার (এমএমএফ) বা কৃত্রিম তন্তুর কাপড়ে তৈরি পোশাক। এই পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে চীন। গত বছর দেশটি ১ হাজার ৩৩১ ডলারের কৃত্রিম তন্তুর পোশাক রপ্তানি করেছে। অন্যদিকে ভিয়েতনাম রপ্তানি করেছে ৯৩৫ কোটি ডলারের পোশাক।
বাংলাদেশের অবস্থান ঠিক উল্টো। গত বছর বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে যত পোশাক রপ্তানি করেছে তার ২৯ শতাংশ ছিল কৃত্রিম তন্তুর পোশাক। তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের পেছনে থাকা ভারতের হার আরও কম, ২৬ শতাংশ। তার মানে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়ার মোট তৈরি পোশাকের ৭১ শতাংশ তুলার (কটন) তৈরি, ভারতের এই হার ৭৪ শতাংশ। তার মানে বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশই কৃত্রিম তন্তুর পোশাক রপ্তানিতে চীন-ভিয়েতনামের চেয়ে পিছিয়ে।
তৈরি পোশাকের বৈচিত্র্যের কারণে চীন-ভিয়েতনাম কীভাবে এগিয়ে গেছে তার একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। চীন গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ১১৬ কোটি ডলারের মোজা রপ্তানি করেছে। বেশির ভাগই নন কটন। বাংলাদেশ এই পণ্য রপ্তানি করেছে ৫ লাখ ডলারের। ভিয়েতনামের রপ্তানি প্রায় ১২ কোটি ডলার।
কৃত্রিম তন্তুর তৈরি সোয়েটারজাতীয় পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে চীন ও ভিয়েতনাম। গত বছর চীন ৮৬ ও ভিয়েতনাম ৭৫ কোটি ডলারের সোয়েটার রপ্তানি করেছে, যেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি মাত্র ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। গ্লাভস রপ্তানিতেও এগিয়ে চীন। গত বছর প্রায় ৭২ কোটি ডলারের গ্লাভস রপ্তানি করেছে দেশটি, যেখানে বাংলাদেশ করেছে ২ কোটি ডলারের কম।
তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, ৩৪১ ধরনের পোশাকে শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন। ভিয়েতনাম ৮৯ ধরনের পোশাকে শীর্ষে। এই পোশাকের বড় অংশই কৃত্রিম তন্তুর। বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে ২৫ ধরনের পোশাকে। তার বেশির ভাগই কটন পোশাক।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শোভন ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চীনের রপ্তানিকারকেরা ৫০০ থেকে ৩ হাজার পিসের ক্রয়াদেশের পোশাক তৈরি করে। পাশাপাশি লাখ লাখ পিসের বড় ক্রয়াদেশের কাজও করে। বাংলাদেশের কারখানাগুলোর চীনের মতো বড় ক্রয়াদেশের পোশাক উৎপাদন করার সক্ষমতা থাকলেও ছোট ক্রয়াদেশে মুনাফা করতে পারে না। অনেক চীনা কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে গুদামে পোশাক মজুত করে ক্রেতাদের সরবরাহ করে। সব মিলিয়েই তাই চীন আমাদের থেকে কম দামে পোশাক উৎপাদন করতে পারে।
শক্তির জায়গা দুর্বল হচ্ছে
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ৬৩৯ ধরনের পোশাক আমদানি করেছে। এর মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে কটন ট্রাউজার। এই পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত বছর ১৪৪ কোটি ডলারের কটন ট্রাউজার রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। শীর্ষে থাকা পণ্যটির রপ্তানি গত বছরের চেয়ে সামান্য কম। তার মানে বাংলাদেশের শক্তির জায়গা দুর্বল হতে শুরু করেছে।
পরিমাণ ও শতাংশের হারের তুলনা করে দেখা গেছে, কটন পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। দুই দেশেরই তুলার কাপড়ের পোশাকে নির্ভরতা বেশি। অন্যদিকে পরিমাণের হিসাবে তুলার কাপড়ের পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটি গত বছর কটন পোশাক রপ্তানি করেছে ৫৭৬ কোটি ডলারের। বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ৫৭০ কোটি ডলারের।
বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসের (পিডব্লিউসি) এক গবেষণায় বলেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বেড়ে ১ হাজার ১২১ বিলিয়ন বা ১ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়াবে। সেখানে কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পণ্যের হিস্যা হবে ৬০ শতাংশ। এখানে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে (২০২২ সালের হিসাব) চীন, ভিয়েতনাম, তুরস্ক ও ইতালি কৃত্রিম তন্তুর পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে মোট পোশাক রপ্তানির বিপরীতে কৃত্রিম তন্তুর পোশাকে চীনের হিস্যা ৬২ শতাংশ, ভিয়েতনামের ৫৬ শতাংশ, তুরস্কের ৪৮ শতাংশ ও ইতালির ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ২৭ শতাংশ কৃত্রিম তন্তুর পণ্য।
করণীয় কী
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বৈচিত্র্য বাড়াতে হলে কৃত্রিম তন্তুতে জোর দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, কৃত্রিম তন্তুর পোশাকের রপ্তানি বাড়ানো গেলে রপ্তানি আয় বাড়বে। এ ধরনের পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি। বৈশ্বিক বাজার হিস্যাও দিন দিন বাড়ছে। যদিও আমাদের স্থানীয় উদ্যোক্তারা তুলা থেকে কৃত্রিম তন্তুর পোশাকে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নন। ফলে যাঁরা প্রস্তুত, তাঁদের বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে হবে।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে হলে বিনিয়োগেও বৈচিত্র্য আনতে হবে। বর্তমানে সব পণ্য ও বাজারে প্রণোদনা দেয় সরকার। দেশি সুতা ব্যবহারেও প্রণোদনা দেওয়া হয়। এই প্রণোদনাকাঠামো পরিবর্তন করতে হবে। কৃত্রিম তন্তুর পোশাক রপ্তানিতে প্রণোদনা দিতে হবে। তাহলে কৃত্রিম তন্তুর তৈরি পোশাকের রপ্তানি বাড়বে।


ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

“ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ মে) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ৮ টি ইভেন্টের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত অতিথি এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসের উচ্চমান সহকারী মোঃ মনিরুজ্জামান।

সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

প্রতিবেদনঃ মোঃ ওমর ফারুক

আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

মা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অনেক বড়। সন্তানের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না—সবকিছুতেই একজন মা নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকেন। তাই মায়ের অবদান কখনোই পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত। কারণ একজন মাই পরিবারের সবচেয়ে বড় আশ্রয় ও শক্তির জায়গা।

বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, রাউতকোনা এলাকার মনির হোসেন প্রবাসে থাকেন। বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানরা থাকে। শুক্রবার রাতেও সবাইকে স্বাভাবিকই দেখা গেছে। তবে শনিবার ভোরে ওই বাড়িতে দেখা যায় পাঁচজনের গলা কাটা লাশ পড়ে রয়েছে। কারা কেন তাদের হত্যা করেছে, বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

 

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী মনির হোসেনের স্ত্রী, তার তিন মেয়েসন্তান এবং শ্যালক। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লুটপাটের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা-পয়সাও নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। হত্যার পর ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

 

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার, (এসপি) মোঃশরিফ উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে ।

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেছেন, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো-ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

 

 

সোমবার (৪ মে) রাতে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

 

 

‘প্রিয় কুষ্টিয়াবাসী, আসসালামু আলাইকুম। সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে। যার রহমত এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আজকে সংসদ বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আসলে এই মুহূর্তে তাদের হাতে কোনো কল্যাণকর রাজনীতি নেই। তারা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে ক্যাপাবল নয়, সেজন্য আমার পথ আটকানোর চেষ্টা এখন তাদের একমাত্র রাজনীতি হয়ে উঠেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমার কুষ্টিয়াবাসী।

 

 

চাঁদাবাজির বিষয়ে আমির হামজা লেখেন, আমি এমপি হওয়ায় অনেকে তাদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, মাদকের সাম্রাজ্য আগের মতো নির্বিঘ্নে চালাতে পারছে না। বরং এসব অপকর্মের সাম্রাজ্য ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন তারা এখন। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ ধারণ করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

 

তিনি সতর্ক করে লেখেন, আমি তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কুষ্টিয়াবাসী শান্তিতে বসবাসের জন্য যে আমানত আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে। সেই আমানত রক্ষার্থে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত, তবুও পিছপা হবো না, ইনশাপ্রিয় কুষ্টিয়া ৩ আসনের মা, বাবা, ভাই, বোনেরা আমার বিশ্বাস আগেও আপনারা আমার পাশে ছিলেন, এখনও আমার পাশে আছেন, ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন, ইনশাল্লাহ। আপনাদের নিয়ে সম্মিলিত লড়াইয়ে আমরা বারবার অপকর্মকারীদের পরাজিত করবো ইনশাল্লাহ।

যে আমানত কাঁধে তুলে দিয়েছেন, সেটা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত

 

হাম সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি ইউনূস সরকার। সম্প্রতি একটি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

 

প্রশ্ন: প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।

 

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।

 

তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রিয়জনদের কাছে ফিরছেন হাজারো মানুষ। তবে ঘরমুখো মানুষের ঢল আনন্দের চেয়ে ভোগান্তিই বেশি বয়ে আনছে। তীব্র যানজট ও বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে দেখা দিয়েছে যানজট। সন্ধ্যার পর থেকেই এ পথে বাড়তে থাকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। এতে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় পেরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বাইপাস পর্যন্ত যানজটের নাকাল হচ্ছে ঘরমুখী হাজার হাজার মানুষ।

 

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকে এ যানজটের চিত্র দেখা গেছে। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে চন্দ্রা বাস স্টেশন এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা গেছে। ধীরে ধীরে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত যানজট ছাড়িয়ে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত।

 

জানা গেছে, সন্ধ্যার পর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাকসহ ছোট বড় যানবাহন রাজধানী ঢাকা, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। এতে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় তীব্র জটলা সৃষ্টি হয়। যার ফলে সেখানকার যানজট ছাড়িয়ে গেছে জেলার ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত। এছাড়াও চন্দ্রার পর থেকে উত্তরের পথে বাড়ছে যানজট। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও শেষ হচ্ছে না সড়ক।

 

জানা গেছে, দিনভর এ জেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এলাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যানবাহন অবাধে ও নির্বিঘ্নে এ সড়ক পাড় হয়ে গেছে। তবে, রাত ৯টার পর থেকে কালিয়াকৈর থেকে মির্জাপুর অংশে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্ত যানজট রয়েছে।

 

চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় এক বাস চালক বলেন, এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার জায়গা এসেছি। চন্দ্রা এলাকা পার হতে পারলে রক্ষা পাই। যাত্রীরা অনেকেই যানজটে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

 

গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, শেষ মুহূর্তে মানুষ ও যানবাহনের চাপে পরিস্থিতি একটি বেসামাল হয়ে গেছে। তবে, সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত আমাদের পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা রয়েছে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ৪০ কিলোমিটার যানজটে ঈদযাত্রায় নাভিশ্বাস

বিগত সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দেশজুড়ে মহালুট করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ থেকে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছে। বর্তমান সরকার এসব অনিময়, ‍দুর্নীতি বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সৌর বিদ্যুতে যাচ্ছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আমাদের রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে। এটা অব্যাহত থাকবে, বন্ধ হবে না।

 

এই ঘাটতি পূরণ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের সক্ষমতা অর্জন করতে আমাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে। আপনারা ঘরের চালে, ছাদে যে যেখানে পারেন ছোট ছোট করে সৌর বিদ্যুৎ করেন। সব সরকারের ওপর চাপাবেন না। আমরা বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নিচ্ছি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করব।

 

তিনি আরও বলেন, নরসিংদী জেলাকে নিয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে মনোহরদী বেলাবো এর এক ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা থাকবে না।

 

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী জুলাই মাসে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নেয়া হবে। তার মধ্যে ৮০ হাজার মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী নেওয়া হবে।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে বেলাবো উপজেলা পরিষদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বেলাবো উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ সারতাজ জায়েদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব ও ওসি এসএম আমানুল­সহ রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যাসিস্ট আ. লীগ সরকার দেশজুড়ে মহালুট করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

কাউন্দিয়া বাঁশীসহ দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ বিদ্যুৎ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীসহ সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদ বিদ্যুৎ।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা নিয়ে হাজির হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমেই এই ঈদের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।”

 

যুবদল নেতা রাশেদ বিদ্যুৎ কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দ ও ত্যাগের মানসিকতা যেন আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনে প্রতিফলিত হয়। আসুন, আমরা সবাই মিলে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে ভাগ করে নেই।”

 

তিনি কাউন্দিয়াবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুস্থ ও নিরাপদ জীবন কামনা করেছেন।

 

কাউন্দিয়া বাঁশীসহ দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ বিদ্যুৎ

কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল ইসলামের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আল ইসলাম।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় যুবদল নেতা মোহাম্মদ আল ইসলাম বলেন, “ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে প্রতিবছর ঘুরে আসে। এই ঈদ আমাদের শেখায় পারস্পরিক সহমর্মিতা, ত্যাগ ও সৌহার্দ্য। ঈদের আনন্দ যেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে, এটাই আমাদের কাম্য।”

 

তিনি আরও বলেন, কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশের সকল মুসলিম ভাই-বোনদের জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা। উৎসবের এই দিনগুলো সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

 

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং সকলের কোরবানি যেন মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হয় সেই দোয়া করেন।

ঈদ মোবারক!

কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল ইসলামের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা

কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন জননেতা দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

ঢাকা: ত্যাগ ও মহিমার আমেজে সারা দেশের ন্যায় আগামীতে উদযাপিত হতে যাচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এই আনন্দঘন মুহূর্ত উপলক্ষে কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন অত্র ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী আলহাজ্ব দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,

“ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ, আত্মোৎসর্গ এবং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হতে শেখায়। আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও আনুগত্যের যে অনুপম দৃষ্টান্ত হযরত ইব্রাহিম (আঃ) স্থাপন করে গেছেন, তা আমাদের জীবনে প্রতিফলিত করাই হোক এই ঈদের মূল লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, কাউন্দিয়া ইউনিয়নের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও অবহেলিত জনপদকে একটি আধুনিক, উন্নত এবং মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য। ঈদের এই আনন্দ যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তিনি সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি কাউন্দিয়াবাসীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং সবাইকে কোরবানি পরবর্তী সময়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

 

“সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা — ঈদ মোবারক!”

কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন জননেতা দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি

গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে ৫৫৫ শিশুর প্রাণ গেল। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১১৩৬ জন।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে একজন ও সন্দেহজনক হাম রোগে নয়জন মারা গেছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৮৮ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৪৬৭।

হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১০ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৫৫

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন যমুনা টেলিভিশনের মুখোমুখি হয়ে এই সরকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ থাকার বিষয়টি সামনে আনেন। যা নিয়ে আগে থেকেই কানাঘুষা ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে।তৌহিদ হোসেনের এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কারা ছিলেন ‘কিচেন কেবিনেটের’ সদস্য? অনেকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলছেন ছাত্র নেতা থেকে উপদেষ্টা বনে যাওয়া আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দিকেও।

 

তবে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেন, তিনি কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলেন না।

 

তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যের আরও বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

তার দাবি, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সাথেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপিয়েছে। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

 

রাজনীতি, কূটনীতি পেরিয়ে ক্রিকেট পাড়াকেও টেনে আনলেন সাবেক এই ক্রীড়া উপদেষ্টা। অভিযোগ করেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল।

কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না: আসিফ মাহমুদ

ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাভার পৌর যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ মিয়া

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাভার পৌর যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ মিয়া।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ, আত্মত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার মহান শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করেই মুসলিম উম্মাহ এই পবিত্র ঈদ উদযাপন করে থাকে। এই ঈদ আমাদের মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ঈদের আনন্দ শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়াই হোক ঈদের প্রকৃত শিক্ষা। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

রুবেল আহমেদ মিয়া বলেন, “আমি দেশবাসীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। পবিত্র ঈদুল আযহার শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনুক। সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা যেন একটি সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে একসাথে কাজ করতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে সবাইকে নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করছি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের কোরবানি কবুল করুন এবং দেশকে সকল সংকট থেকে রক্ষা করুন।”

শেষে তিনি আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “ঈদ মোবারক।”

ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাভার পৌর যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ মিয়া

খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর কালশী এলাকার বস্তির বাসিন্দারা।

 

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ঝুম বৃষ্টিতে বস্তিবাসী আশ্রয় নেয় কালশী ফ্লাইওভারের নিচে।

 

সোমবার (২৫ মে) কালশী এলাকার বস্তিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ ঘটনায় হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া না গেলেও রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সহায়তা পায়নি বলে জানিয়েছে বস্তির বাসিন্দারা।

 

তারা বলছেন, গতকাল রাতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এসে আশ্বাস দেয়ার পর এ পর্যন্ত আর কেউ দেখা করতে আসেনি।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকার যেন পুনর্বাসনের জন্য সহায়তা করে। আশ্বাসে নয়, এর বাস্তবায়ন চায় তারা।

 

এদিকে, আজ দুপুরের দিকে একটি সংস্থা থেকে ৩শ’ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

খোলা আকাশের নিচে কালশী বস্তিবাসী, বৃষ্টিতে হাহাকার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d