মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

প্রতিবেদনঃ মোঃ ওমর ফারুক

আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

মা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অনেক বড়। সন্তানের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না—সবকিছুতেই একজন মা নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকেন। তাই মায়ের অবদান কখনোই পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত। কারণ একজন মাই পরিবারের সবচেয়ে বড় আশ্রয় ও শক্তির জায়গা।

বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।


চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া পৃথক আরো চারটি মামলায় তাঁর করা জামিন আবেদন আগামীকাল আদেশের জন্য রেখেছেন হাইকোর্ট।

 

রবিবার (১০ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

 

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইয়েদা শাজিয়া শারমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল মো. হুমায়ুন কবির, আল-আমিন, খোরশেদ আলম সেলিম, মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং মো. মোখলেছুর রহমান।

অপরদিকে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্যসহ আরো বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

 

জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ইসকন থেকে বহিষ্কৃত চিন্ময় কৃষ্ণকে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ নভেম্বর তাঁকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়।

 

এদিন চিন্ময় দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে তাঁর অনুসারীরা আদালত এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। একপর্যায়ে আদালতের বাইরে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। গত বছরের ১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান মোট ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

 

এতে প্রধান আসামি করা হয় চিন্ময় দাসকে। পরে ২৫ আগস্ট চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

মামলার বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জানুয়ারি আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা বিচারের জন্য চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

 

তবে চিন্ময়ের বিরুদ্ধে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলাসহ আরো ছয়টি মামলা রয়েছে।

 

তন্মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখল এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগেও মামলা রয়েছে। মামলার বাদী সরকারের ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পিতা ও সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

চিন্ময় কৃষ্ণের জামিন আবেদন নাকচ

আলোচিত তরুণ ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারার ফের বিচ্ছেদ হয়েছে। দ্বিতীয়বার বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হলো। শনিবার (৯ মে) সাবিকুন নাহার সারা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

সাবিকুন নাহার জানান, পারিবারিক অশান্তি ও মতবিরোধের জেরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

 

একপর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

তিনি বলেন, ‘আমরা নতুনভাবে সংসার শুরু করার চেষ্টা করেছিলাম। দুই পরিবারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই সম্পর্ক আর টেকেনি।

 

শেষ পর্যন্ত রমজানের চাঁদরাতে আমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।’

বিচ্ছেদের পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবু ত্বহা আদনান ও সাবিকুন নাহার। প্রথম বিচ্ছেদের পর দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উদ্যোগে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটে। নতুন করে সংসার শুরু করলেও সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলো না।

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাসেই বিচ্ছেদ, মুখ খুললেন সাবিকুন নাহার

নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করালেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল

 

মাইদুল ইসলাম: (স্টাফ রিপোর্টার প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার “বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’এর জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছে চীন সরকারের পাঁচ সদস্যের একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল। শনিবার

(৯ মে) বেলা ছাড়ে ১১ টার দিকে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির পরিচালক ড. ডং লি’র নেতৃত্বে দলটি জেলা সদরের দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস সংলগ্ন প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করে। এ সময় বিশেষজ্ঞ দলটি পুরো এলাকা ঘুরে দেখে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে পানি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেয়। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ফাতেমা- তুজ- জোহরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা বিভাগের পরিচালক ডা. আফরিন মাহমুদ চীনা প্রতিনিধিদলকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। এছাড়া নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম এবং গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাকিউজ্জামান প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ফাতেমা- তুজ- জোহরা জানান, চীন থেকে আগত কারিগরি বিশেষজ্ঞ দলটি প্রাথমিক সমীক্ষা শেষে তাদের সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। পরবর্তীতে আরোও একটি প্রতিনিধিদল পরিদর্শনে আসবে। তবে হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় নির্ভর করবে চীন সরকারের সিদ্ধান্তের উপর। স্থান পরিদর্শন শেষে চীনা কারিগরি বিশেষজ্ঞ দলটি নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করে। সেখানে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও চিকিৎসকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা।

নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করালেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাবিবপুরে মাদক বিরোধী ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

শনিবার বিকেলে উপজেলার হাবিবপুর বাজার কমিটির আয়োজনে, জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে বাজারে সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালিয়াকৈর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সহিদুল ইসলাম পিপিএম,

বিশেষ অতিথি ছিলেন, মৌচাক ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান ৩, মেম্বার মোঃ দেলোয়ার হোসেন এতে বক্তব্য রাখেন বাজার কমিটির সহ-সভাপতি ও চ্যানেল এস কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি মো. হাবিবুর রহমান যুবদল নেতা সোহেল বাবু সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন হাবিবপুর যুব সমাজ ও স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গগণ. অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফ হোসেন.

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর ।

মুঠোফোন ০১৯১৮১৮১৮৮০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদকবিরোধী ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

আবারও ভেঙে গেছে আলোচিত তরুণ ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারার সংসার । গত বছরের ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মাত্র ৪ মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

 

গত রমজানের চাঁদরাতেই আবু ত্বহা আদনান তার স্ত্রীকে তালাক দিলেও বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল বলে জানা গেছে। শনিবার (৯ মে) সাবিকুন্নাহার সারা নিজেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

সারা জানান, গত রমজানের চাঁদরাতেই তাদের মধ্যে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। আবু ত্বহা আদনান তাকে তালাক দেন।

 

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে গত বছরের ২১ অক্টোবর আবু ত্বহা-সারা দম্পতির প্রথমবার বিচ্ছেদ ঘটেছিল। পরবর্তীতে ২ ডিসেম্বর তারা আবারও ঘটা করে বিয়ে করেন। তবে দ্বিতীয় দফার এই দাম্পত্য জীবনও স্থায়ী হলো না।রংপুরের তরুণ ইসলামিক বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ২০১৭ সালে ইউটিউবে বক্তৃতা শুরু করে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার আলোচনায় কিয়ামতের আলামত, দাজ্জাল, সামাজিক সমস্যা এবং মুসলিম সমাজের চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত থাকে।

 

তিনি ‘জিন নুরাইন অনলাইন মাদ্রাসা’ ও পরিচালনা করেন এবং দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করার পাশাপাশি দ্বীনি বিষয়ে স্বশিক্ষিত।

 

২০২৩ সালের জুনে, আদনান তার তিন সঙ্গী এবং গাড়িচালকসহ ঢাকায় যাওয়ার পথে হঠাৎ নিখোঁজ হন। আট দিন পর তিনি রংপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন।

 

পুলিশ জানায়, তিনি ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন এবং কোনো অপরাধের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে, আদনান দাবি করেছিলেন যে তাকে শেখ হাসিনার পুলিশ বাহিনী ‘গুম‘ করে আয়নাঘরে আটকে রেখেছিল। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা তার পরিচিতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

সেই স্ত্রীকে আবারও তালাক দিলেন আবু ত্বহা আদনান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক, নৌ ও রেলপথে সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।একই সঙ্গে ঈদের আগে অনুমোদন ও ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ করতে নৌপুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।

 

রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন রোডের লেডিস ক্লাবে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তারা এসব কথা বলেন।

 

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, নৌ সেক্টরকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগকে কাজে লাগানোর বিকল্প নেই।

 

প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে নৌপথের দুর্ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া পৃথক আরো চারটি মামলায় তাঁর করা জামিন আবেদন আগামীকাল আদেশের জন্য রেখেছেন হাইকোর্ট।

 

রবিবার (১০ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

 

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইয়েদা শাজিয়া শারমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল মো. হুমায়ুন কবির, আল-আমিন, খোরশেদ আলম সেলিম, মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং মো. মোখলেছুর রহমান।

অপরদিকে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্যসহ আরো বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

 

জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ইসকন থেকে বহিষ্কৃত চিন্ময় কৃষ্ণকে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ নভেম্বর তাঁকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়।

 

এদিন চিন্ময় দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে তাঁর অনুসারীরা আদালত এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। একপর্যায়ে আদালতের বাইরে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। গত বছরের ১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান মোট ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

 

এতে প্রধান আসামি করা হয় চিন্ময় দাসকে। পরে ২৫ আগস্ট চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

মামলার বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জানুয়ারি আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা বিচারের জন্য চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

 

তবে চিন্ময়ের বিরুদ্ধে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলাসহ আরো ছয়টি মামলা রয়েছে।

 

তন্মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখল এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগেও মামলা রয়েছে। মামলার বাদী সরকারের ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পিতা ও সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

চিন্ময় কৃষ্ণের জামিন আবেদন নাকচ

আলোচিত তরুণ ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারার ফের বিচ্ছেদ হয়েছে। দ্বিতীয়বার বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হলো। শনিবার (৯ মে) সাবিকুন নাহার সারা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

সাবিকুন নাহার জানান, পারিবারিক অশান্তি ও মতবিরোধের জেরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

 

একপর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

তিনি বলেন, ‘আমরা নতুনভাবে সংসার শুরু করার চেষ্টা করেছিলাম। দুই পরিবারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই সম্পর্ক আর টেকেনি।

 

শেষ পর্যন্ত রমজানের চাঁদরাতে আমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।’

বিচ্ছেদের পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবু ত্বহা আদনান ও সাবিকুন নাহার। প্রথম বিচ্ছেদের পর দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উদ্যোগে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটে। নতুন করে সংসার শুরু করলেও সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলো না।

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাসেই বিচ্ছেদ, মুখ খুললেন সাবিকুন নাহার

প্রতিবেদনঃ মোঃ ওমর ফারুক

আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

মা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অনেক বড়। সন্তানের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না—সবকিছুতেই একজন মা নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকেন। তাই মায়ের অবদান কখনোই পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত। কারণ একজন মাই পরিবারের সবচেয়ে বড় আশ্রয় ও শক্তির জায়গা।

বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করালেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল

 

মাইদুল ইসলাম: (স্টাফ রিপোর্টার প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার “বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’এর জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছে চীন সরকারের পাঁচ সদস্যের একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল। শনিবার

(৯ মে) বেলা ছাড়ে ১১ টার দিকে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির পরিচালক ড. ডং লি’র নেতৃত্বে দলটি জেলা সদরের দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস সংলগ্ন প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করে। এ সময় বিশেষজ্ঞ দলটি পুরো এলাকা ঘুরে দেখে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে পানি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেয়। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ফাতেমা- তুজ- জোহরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা বিভাগের পরিচালক ডা. আফরিন মাহমুদ চীনা প্রতিনিধিদলকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। এছাড়া নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম এবং গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাকিউজ্জামান প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ফাতেমা- তুজ- জোহরা জানান, চীন থেকে আগত কারিগরি বিশেষজ্ঞ দলটি প্রাথমিক সমীক্ষা শেষে তাদের সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। পরবর্তীতে আরোও একটি প্রতিনিধিদল পরিদর্শনে আসবে। তবে হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় নির্ভর করবে চীন সরকারের সিদ্ধান্তের উপর। স্থান পরিদর্শন শেষে চীনা কারিগরি বিশেষজ্ঞ দলটি নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করে। সেখানে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও চিকিৎসকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা।

নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করালেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাবিবপুরে মাদক বিরোধী ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

শনিবার বিকেলে উপজেলার হাবিবপুর বাজার কমিটির আয়োজনে, জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে বাজারে সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালিয়াকৈর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সহিদুল ইসলাম পিপিএম,

বিশেষ অতিথি ছিলেন, মৌচাক ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান ৩, মেম্বার মোঃ দেলোয়ার হোসেন এতে বক্তব্য রাখেন বাজার কমিটির সহ-সভাপতি ও চ্যানেল এস কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি মো. হাবিবুর রহমান যুবদল নেতা সোহেল বাবু সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন হাবিবপুর যুব সমাজ ও স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গগণ. অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফ হোসেন.

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর ।

মুঠোফোন ০১৯১৮১৮১৮৮০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদকবিরোধী ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে খোলপেটুয়া নদী কেবল একটি জলাধার নয়, এটি এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করা এই জনপদের জন্য নদীভাঙন এক চিরস্থায়ী অভিশাপ। আর এই ক্ষতকে আরও গভীর করে তুলছে এক শ্রেণির অসাধু চক্রের অবৈধ বালু উত্তোলন। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে রাতের আঁধারে পরিচালিত অভিযান এই দস্যুতা রোধে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

শ্যামনগরে বর্তমানে কোনো বৈধ বালুমহাল নেই। তবুও জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোলপেটুয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়েছেন। বিশেষ করে রাতের আঁধারে বালু দস্যুদের ধরতে এই তৎপরতা প্রমাণ করে যে, প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সচেতন। তবে প্রশ্ন থেকে যায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইজারা বিহীন নদী থেকে বালু তোলার সাহস এই চক্রটি পায় কোথায়?

খোলপেটুয়া নদীটি অত্যন্ত ভাঙনপ্রবণ। এই নদীর পাড় রক্ষা করতে প্রতি বছর সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়। অথচ একদল স্বার্থান্বেষী মানুষ সামান্য ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য নদীর তলদেশ থেকে বালু তুলে পাড়ের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। এতে কেবল বাঁধের ঝুঁকি বাড়ছে না, বরং উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান এবং মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিও হুমকির মুখে পড়ছে। বালু উত্তোলনকারীরা মূলত সাধারণ মানুষের জীবনের বিনিময়ে নিজেদের পকেট ভারী করছে।

প্রশাসনের এই অভিযানকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে কেবল মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা বা কয়েকজনকে জরিমানা করাই যথেষ্ট নয়। বালু দস্যুতার এই শিকড় অনেক গভীরে। এদের পেছনে থাকা রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাবশালী শক্তির উৎসগুলো চিহ্নিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নদী এলাকায় নিয়মিত টহল ব্যবস্থা জোরদার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

নদী বাঁচলে উপকূল বাঁচবে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান যেন লোক দেখানো বা সাময়িক কোনো তৎপরতা না হয়। বরং খোলপেটুয়া নদীকে দস্যুমুক্ত করতে এই অভিযান নিয়মিত ও স্থায়ী হোক এটাই উপকূলবাসীর প্রত্যাশা। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়, বরং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ

আবারও ভেঙে গেছে আলোচিত তরুণ ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারার সংসার । গত বছরের ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মাত্র ৪ মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

 

গত রমজানের চাঁদরাতেই আবু ত্বহা আদনান তার স্ত্রীকে তালাক দিলেও বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল বলে জানা গেছে। শনিবার (৯ মে) সাবিকুন্নাহার সারা নিজেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

সারা জানান, গত রমজানের চাঁদরাতেই তাদের মধ্যে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। আবু ত্বহা আদনান তাকে তালাক দেন।

 

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে গত বছরের ২১ অক্টোবর আবু ত্বহা-সারা দম্পতির প্রথমবার বিচ্ছেদ ঘটেছিল। পরবর্তীতে ২ ডিসেম্বর তারা আবারও ঘটা করে বিয়ে করেন। তবে দ্বিতীয় দফার এই দাম্পত্য জীবনও স্থায়ী হলো না।রংপুরের তরুণ ইসলামিক বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ২০১৭ সালে ইউটিউবে বক্তৃতা শুরু করে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার আলোচনায় কিয়ামতের আলামত, দাজ্জাল, সামাজিক সমস্যা এবং মুসলিম সমাজের চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত থাকে।

 

তিনি ‘জিন নুরাইন অনলাইন মাদ্রাসা’ ও পরিচালনা করেন এবং দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করার পাশাপাশি দ্বীনি বিষয়ে স্বশিক্ষিত।

 

২০২৩ সালের জুনে, আদনান তার তিন সঙ্গী এবং গাড়িচালকসহ ঢাকায় যাওয়ার পথে হঠাৎ নিখোঁজ হন। আট দিন পর তিনি রংপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন।

 

পুলিশ জানায়, তিনি ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন এবং কোনো অপরাধের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তবে, আদনান দাবি করেছিলেন যে তাকে শেখ হাসিনার পুলিশ বাহিনী ‘গুম‘ করে আয়নাঘরে আটকে রেখেছিল। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা তার পরিচিতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

সেই স্ত্রীকে আবারও তালাক দিলেন আবু ত্বহা আদনান

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক বলেছেন, যারা একই দিনে সারা বিশ্বে ঈদ পালনের কথা বলেন, তাদের মতবাদ ধর্ম ও বিজ্ঞানবিরোধী।

 

শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসন ও শরিয়াহ বিশ্লেষণ শীর্ষক’ জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

 

একই তারিখে সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি দলীলভিত্তিক নয় এবং কার্যক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নও অসম্ভব উল্লেখ করে আবদুল মালেক বলেন, ইসলামি শরিয়তে চন্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা কিংবা হেলালের সাক্ষ্য। অন্যথায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করা। এ মানদণ্ড বাদ দিয়ে অমাবস্যা থেকে মাস শুরু করা শরিয়ত পরিবর্তন এবং নিজ খেয়াল-খুশি মোতাবেক নতুন শরিয়ত প্রবর্তন করার শামিল। এমনিভাবে হেলাল দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞান-ভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত হিজরি ক্যালেন্ডারের নামে বিভিন্ন লুনার ক্যালেন্ডারকে মানদণ্ড বানানোও স্পষ্ট নাজায়েজ এবং শরিয়তে হস্তক্ষেপের শামিল।

 

তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈদ অন্য জাতিগোষ্ঠীর উৎসবের মতো নিছক আনন্দ-উৎসব নয়; বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্যদের উৎসবের আদলে উদযাপনের চিন্তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও অযৌক্তিক।

 

বায়তুল মোকাররমের খতিব আরও বলেন, হেলাল দেখাকে একমাত্র ভিত্তি গণ্য করে পুরো বিশ্বের জন্য একই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া দলীলভিত্তিক নয় এবং উম্মতের ইজমা পরিপন্থি। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো শহরের চাঁদ দেখাকে ভিত্তি করে অন্য অঞ্চলের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণও শরিয়তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

মাওলানা আবদুল মালেক বলেন, শরয়ি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য অপরিহার্য নয়। অতীতে মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও বিশ্বব্যাপী একই দিনে রোজা-ঈদ পালনের পক্ষে ছিলেন না। কারণ এটি মূলত শরিয়তের বিষয় এবং শরিয়ত যা বলে তাই মেনে নেওয়াই মুসলমানদের কর্তব্য।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পদ্ধতিতে রোজা ও ঈদ পালিত হয়ে আসছে, দেশের অধিকাংশ আলেম-মাশায়েখ সে ব্যাপারে একমত। তাই অনুমিত ধারা পরিবর্তনের কোনো শরয়ি কারণ নেই। বরং এর পরিবর্তনের ফলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে।

 

আবদুল মালেক আরও বলেন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। তাই শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো আপত্তি না থাকলে এ কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে চলা মুসলিম নাগরিকদের দায়িত্ব।

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মাহমুদুল হাসান। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

একই দিনে বিশ্বে ঈদ পালনের প্রশ্নে যা বললেন মুফতি আবদুল মালেক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d