চট্টগ্রামের ‘সন্ত্রাসী’ ঢাকাইয়া আকবরকে পতেঙ্গা সৈকতে গুলি - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
চট্টগ্রামের ‘সন্ত্রাসী’ ঢাকাইয়া আকবরকে পতেঙ্গা সৈকতে গুলি

চট্টগ্রামের ‘সন্ত্রাসী’ ঢাকাইয়া আকবরকে পতেঙ্গা সৈকতে গুলি

Oplus_131072

চট্টগ্রামের ‘সন্ত্রাসী’ আলী আকবর ওরফে ঢাকাইয়া আকবরকে (৪৪) গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে আসা স্বজনদের দাবি, এই ঘটনায় কারাগারে বন্দী ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারীরা জড়িত। এর আগে গত ২৯ মার্চ ‘সন্ত্রাসী’ সরোয়ার হোসেনকে লক্ষ্য করে গুলি করলে দুজন মারা যান নগরের বাকলিয়া এলাকায়।
আকবর নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার মঞ্জু মিয়ার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির ১০টি মামলা রয়েছে। ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত আকবর ও সরোয়ার।
কারাগারে আটক ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারী ও তাঁর স্ত্রী তামান্না শারমিনকে নিয়ে কটূক্তি করে নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রায়ই ভিডিও দিতেন আকবর। পাশাপাশি সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্নাও আকবরকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে নানা ভিডিও দিতেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় রাত আটটার দিকে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন আকবর। ওই সময় হঠাৎ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এসে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে আকবরকে লক্ষ্য করে। গুলিতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অস্ত্রধারীরা চলে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ আকবরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে লোকজনের ভিড় ছিল বেশি। হঠাৎ গুলির শব্দে সৈকতে বেড়াতে আসা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সৈকতে পুলিশি টহল জোরদার না থাকায় প্রকাশ্যে এই গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে বেড়াতে আসা লোকজনের অভিযোগ।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মাহমুদা বেগম রাতে প্রথম আলোকে বলেন, পতেঙ্গা সৈকতে একজনকে গুলি করা হয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় কারা জড়িত, পুলিশ তা তদন্ত করছে।গত ১৫ মার্চ ঢাকার একটি শপিং মল থেকে গ্রেপ্তার হন সন্ত্রাসী সাজ্জাদ। এরপর ২৯ মার্চ নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোডে একটি প্রাইভেট কারকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এতে দুজন নিহত হন। তবে বেঁচে যান কারে থাকা ‘সন্ত্রাসী’ সরোয়ার হোসেন। এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, এলাকায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, সাজ্জাদকে ধরিয়ে দেওয়াসহ পাঁচ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা সরোয়ারকে লক্ষ্য করে গুলি করেছিলেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, সরোয়ার কারাগারে আটক থাকলেও তাঁর অনুসারী বেশির ভাগ ‘সন্ত্রাসী’ এখনো ধরা পড়েনি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d