অর্থনীতি পাঠের সময় এখন
অর্থনীতি পাঠের সময় এখন

অর্থনীতি পাঠের সময় এখন

Oplus_131072

আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, তখন অর্থনীতির বিভিন্ন প্রচলিত তত্ত্ব ও নিয়ম নিয়েই বেশি পড়তে হয়েছে। সাম্প্রতিক বাস্তবতায় এসব ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এখন বিহেভিয়রাল ইকোনমিকস নিয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি নিয়ে যাঁরা পড়ছেন, তাঁদের জন‍্য সামনের দিনগুলোয় কাজ ও গবেষণার সুযোগ আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করি। আমার যেমন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আগ্রহ। অর্থনীতিতে পড়েছি বলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা কেমন, তার ভিন্ন আঙ্গিক নিয়ে ভাবনার সুযোগ পাচ্ছি। এখন বিশ্বব্যাপী ব্যবসা ও অর্থনীতির বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নীতিমালার পরিবর্তন, প্রযুক্তির অগ্রগতি, সবই অর্থনীতির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ব্লকচেইন, বিগ ডেটা আর বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতিমালার বিভিন্ন পরিবর্তন নতুন ধরনের গবেষণা ও কাজের সুযোগ তৈরি করছে। বাংলাদেশেও এসব প্রযুক্তির প্রভাব পড়ছে। এসব বিষয়ে কাজের জন্য অনেক অর্থনীতিবিদ ও গবেষক প্রয়োজন। এখন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে শুরু করে প্রকৌশলেও অর্থনীতি নিয়ে পড়তে হয়। কারণ, অর্থনীতি আমাদের বিভিন্ন দিক থেকে যেকোনো বিষয় নিয়ে ‘ক্রিটিক্যালি’ ভাবতে শেখায় এবং সব ক্ষেত্রেই আসলে অর্থনীতির সংযোগ আছে। তবে আমি শিক্ষক হিসেবে বলব, শুধু তাত্ত্বিক অর্থনীতি পড়লেই হবে না। আমাদের অর্থনীতিবিদদের এই নতুন যুগে চলতে গেলে মানবমনকে বুঝতে হবে, প্রচলন বুঝতে হবে এবং এ জন্য সাহিত্য, ইতিহাস ও আমজনতার সঙ্গে সংযোগ থাকতে হবে। অঙ্কে পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি আশপাশকে দেখা, চেনা ও জানার উদ্যোগ ও মানসিকতা থাকতে হবে।

আসছে বাজেট
বাংলাদেশে মে, জুন ও জুলাইয়ে বাজেট নিয়ে প্রতিবছর অনেক হইচই হয়। অর্থনীতির শিক্ষার্থীদের জন‍্য বাজেট নিয়ে জানা ও গবেষণা একটা বড় সুযোগ হতে পারে। বাজেটবিষয়ক গবেষণার মাধ্যমে সরকারের নীতিমালা, রাজস্ব ও ব্যয়ের ভাগ, সামাজিক নিরাপত্তা খাত, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষি খাত, নানা দিক বিশ্লেষণ করা যায়। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে গবেষণাপত্র লিখতে পারেন, পত্রিকায় লেখা পাঠাতে পারেন। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করা ও বাজেটের বাস্তবিক প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা তরুণ অর্থনীতিবিদদের জন্য একটি বড় সুযোগ। মোটকথা, অর্থনীতি পড়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করার সঙ্গে বাজেটের একটা অন্তরঙ্গ যোগসূত্র আছে। এ জন্য বাজেট প্রণয়নের পদ্ধতি বুঝতে পারা জরুরি। প্রশ্ন করা জরুরি, চিন্তা করা জরুরি ও নতুন প্রজন্মের অর্থনীতিবিদদের গবেষণা বা চিন্তা নীতিনির্ধারণ পর্যায়ে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়া জরুরি। এতে ওদেরও আগ্রহ বাড়বে।
গবেষণার নানা সুযোগ
বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো দারিদ্র্য ও অসচ্ছলতা। এটি মোকাবিলা করতে সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি অলাভজনক সংস্থা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক গবেষণা করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসব বিষয়ে গবেষণার লোক খোঁজা হচ্ছে। বাংলাদেশের রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর জন‍্য কী করা যায়, তা নিয়েও গবেষণা হতে পারে। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো শক্তিশালীভাবে ভূমিকা রাখছে। কৃষি খাতের প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে ব্যাপক; তাই কৃষি নীতি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষকদের জীবনমান নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া দেশের এসএমই খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে অর্থনীতিপড়ুয়াদের গবেষণার সুযোগ দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত তো আছেই—উভয় খাতেই অর্থনীতিবিদেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বিদেশে হেলথ ইকোনমিস্ট (স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ) ও এডুকেশন ইকোনমিস্টদের (শিক্ষা অর্থনীতিবিদ) এখন অনেক চাহিদা। কারণ, তাঁরা এই খাতগুলো বোঝেন। অর্থনীতির প্রশিক্ষণ তাঁদের একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সমস্যা অনুধাবন ও মীমাংসা করতে শেখায়, যা অনেক সময় এসব খাতের অন্য বিশেষজ্ঞরা একইভাবে পারেন না।

পড়ার আছে কত–কী
অর্থনীতি পড়লে সামাজিক অনেক সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক, মনোজাগতিক ও আর্থিক দিক সম্পর্কে জানা যায়। বাজার কীভাবে চলে, টাকা কীভাবে তৈরি হবে, বাণিজ্য কীভাবে হবে, নানা কিছু এর সঙ্গে জড়িত। মানুষের আচরণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কীভাবে পরিবেশদূষণ কমানো যায়—এসবও এখন অর্থনীতি পাঠের অংশ। অর্থনীতি একদিকে যেমন অনেক তত্ত্বকে বিশ্লেষণ করে, তেমনি বাস্তবসম্মত উদাহরণসহ বাস্তব দুনিয়ার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সুযোগ করে দেয়। অর্থনীতি পড়লে শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা, উপাত্ত বিশ্লেষণ ও অর্থনৈতিক মডেলিংয়ের মাধ্যমে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা অর্জন সহজ হয়। নতুন এই বিশ্বে আগামী দিনগুলোয় আমাদের অর্থনীতিবিদদের প্রধান সমস্যা হবে মানবমন বা হিউম্যান বিহেভিয়র বোঝা। কীভাবে মানুষকে সৎ থাকতে অনুপ্রেরণা দিলে সে দুর্নীতি করবে না? কীভাবে পলিসি ডিজাইন করলে মানুষ রাস্তায় ময়লা না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলবে? সামনে আমাদের অনেক কাজ, কারণ আমরা সবাই–ই দেশের মানুষের ভালো চাই, বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখতে চাই। সেটা সবদিক থেকে—জিডিপিতে ও মনমানসিকতায়। এই সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বড় সুযোগ অর্থনীতিবিদদের আছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‎বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) শাখার ২০২৫-২৬ কার্যবর্ষের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত কমিটিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইমন হোসেন কে  সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতি খাতুন কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ সজীব প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‎বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে
কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দিতে বলা হয়েছে।

‎নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. ইমন হোসেন বলেন,”এই দায়িত্ব আমার কাছে কেবল একটি পদ নয়- এটি একটি দায়িত্বের প্রতিজ্ঞা। আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি তরুণ লেখকের কলমে লুকিয়ে আছে পরিবর্তনের শক্তি, জাগরণের আগুন, আর ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি। আমি চাই তরুণ কলাম লেখকদের কলম হোক হাতিয়ার – স্বপ্নের,সাফল্যের, প্রতিবাদেরও, যেখানে শব্দ জন্ম দেবে চিন্তার, আর চিন্তা জাগাবে মানবতা। আমাদের লক্ষ্য শুধু লেখা নয়—সমাজে আলোর বীজ বপন করা। আমার বিশ্বাস  তরুণ কলাম লেখক ফোরাম হবে সেই মঞ্চ, যেখানে তরুণের ভাবনা মিলবে দেশের হৃদস্পন্দনের সাথে, আর কলম হবে পরিবর্তনের পতাকা।”

সাধারণ সম্পাদক জান্নাতি খাতুন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, কলমের রাজ্যে আজ নতুন সূর্যের উদয়। দায়িত্ব নয়, এটি এক বিশ্বাস—চিন্তার প্রদীপ জ্বেলে ফোরামকে স্বপ্নের চূড়ায় পৌঁছে দেওয়া।আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—প্রতিটি শব্দে জাগবে সত্য, প্রতিটি লেখায় ফুটবে প্রজ্ঞার ফুল। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এখন হবে এক অগ্নিশিখা—যেখানে কলম হবে তরবারি, চিন্তা হবে বিপ্লবের অঙ্গীকার”।

প্রসঙ্গত, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। তরুণ লেখকদের পরামর্শ দেওয়া, পত্রিকায় লেখা প্রকাশে সহযোগিতাসহ লেখালেখি বিষয়ক সভা, সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোবিপ্রবি শাখার নেতৃত্বে ইমন-জান্নাতি

 

মেহেদী হাসান:

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে এক বিশেষ সেমিনার এর আয়োজন  সম্পন্ন হয়েছে।

১০ই অক্টোবর রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় ঐতিহ্যবাহী নকিপুর জমিদার বাড়ি মাঠ প্রাঙ্গণে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে, এলাকার সাধারণ কৃষকদের বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদের জন্য এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

 

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, খুলনা কৃষ ইনস্টিটিউট দৌলতপুরের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ জনাব এস এম ফেরদৌস হোসেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী ছিলেন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ জামাল ফারুক।উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব শেখ সাখাওয়াত হোসেন উপজেলা কৃষি অফিসার ফকিরহাট। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগরের সুযোগ্য কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হুদা এবং উক্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার অন্যতম নেতা জনাব হাজী আশরাফুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠান সাফল্যমন্ডিত করার জন্য সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র শেখ সিরাজুল ইসলাম মিলন।অনুষ্ঠানটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, প্রভাষক সামিউল ইমাম আজম মনির, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু কৃষ্ণান্দ মুখার্জী, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক এ মাজিজুল হক, বাবু রনজিত দেবনাথ, শেখ মেহেদী হাসান, এস এম তরিকুল ইসলাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে, বক্তারা বলেন এলাকার একমাত্র মিষ্টি পানির খালটি সাধারণ কৃষকদের বোরো মৌসুমে সেচের জন্য একমাত্র উপায়। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী স্বার্থন্বেষী মানুষ তাদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থের নিমিত্তে এই খালটি নেট পাটা দিয়ে লোনা পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে খালটিতে চিংড়ি চাষ অব্যাহত রেখেছে। যাহার ফলে ৬০০-৭০০ জমিতে বোরো ধান চাষে আগ্রহী কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সাধারণ কৃষকদের দাবি অনতিবিলম্বে খালটি অবমুক্ত করা সহ খালটিতে মিষ্টি পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। না হলে,দেশের কৃষি খাত মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত  

 

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতির প্রার্থীতার বিরুদ্ধে রিট আবেদনকারী নারী শিক্ষার্থীকে শিবির নেতা কর্তৃক প্রকাশ্যে গণধর্ষণের হুমকি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেত্রীদের হেনস্থা এবং শিবিরের নেতাকর্মীদের দ্বারা সারাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে অব্যাহত সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুতের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের  লিপুস ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ  মিছিল  শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে নেতাকর্মীদের বক্তৃতার মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচী শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে আনুমানিক হাজারের অধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখ যায়।
এসময়  বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের  সিনিয়র সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম,  সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার গালিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক খন্দকার,   যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান ইসলাম, মাসুদ রানা, আরিফুল ইসলাম, নূরজামাল, আল রোহান, বাতেন সরকার, শফিকুল ইসলাম, জাহিদ কামাল,  দপ্তর সম্পাদক তর্কি ইয়াছির,  সহ সকল  পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ মিছিলে স্লোগান দেয়, ❝নারী অধিকার রক্ষা করতে, ছাত্রদল সজাগ থাকবে। দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার। শিবির আর স্বৈরাচার, মিলেমিশে একাকার। নারী হেনস্থার আস্তানা, এ বাংলায় হবে না।❞
বিক্ষোভ মিছিল শেষে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলে যে সংগঠন, তা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি ৫ আগস্টের পর একটি গুপ্ত সংগঠনের আবির্ভাব হয়েছে, যারা গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের সাথে মিলিত হয়ে কাজ চালিয়েছে। সেই কারণে তারা তাদের কমিটি প্রকাশ করে না। বর্তমানে তারা সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে নারীদের হেনস্তা করছে এবং গুপ্তভাবে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করছে। আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, জামাত-শিবির গুপ্তভাবে রাজনীতি করে তাদের ফায়দা হাসিল করতে পারবে না।
ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ বলেন, পরিচয় গোপন করে এমন চরিত্রহীনা রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান থাকবে আপনাদের প্রতি (গুপ্ত বাহিনীর)। পাশাপাশি, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ (৭১) বিশ্বাস করে না, তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারে না। আপনারা গুপ্তভাবে রাজনীতি করবেন না, প্রকাশ্যে আসুন। আপনাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেও আপনারা ফেক আইডি দিয়ে প্রতিহত করেন। এই ফেক আইডির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। আমি ছাত্রদলের রাজনীতি করি, আমার পরিচয় আছে। আপনিও রাজনীতি করলে আপনার পরিচয় প্রকাশ্যে আনুন। আমরা সবাই ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনে একসাথে কাজ করেছি। আবার একসাথে থেকে আগামী বাংলাদেশ গড়ব। তবে আপনাদের প্রতি একটা অনুরোধ রাখবো, সাইবার বুলিং ও অনলাইন রাজনীতি থেকে সরে আসুন।

নারী নিপীড়নের গোবিপ্রবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ 

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d