admin

নীলফামারীতে অনূর্ধ্ব-১৪ বালক-বালিকাদের ১০ দিনব্যাপী আরচ্যারী ক্যাম প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

 

 

, নীলফামারী:

জেলা ক্রীড়া অফিস, নীলফামারীর বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৬-২৭-এর আওতায় নীলফামারী জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৪ (বালক-বালিকা) খেলোয়াড়দের নিয়ে ১০ দিনব্যাপী আরচ্যারী প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর সাবেক জেলা প্রশাসক ও বর্তমান যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুজহাত তাসনিম আওন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এম এ হাফিজ, সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ সোয়েম, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবুল হাসেম এবং সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সালাম বাবলা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। আরচ্যারীর মতো সম্ভাবনাময় খেলায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ খেলোয়াড়দের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করা সম্ভব।

১০ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে অনূর্ধ্ব-১৪ বয়সী বালক-বালিকারা অংশ নিচ্ছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের আরচ্যারীর মৌলিক কৌশল, নিয়ম-কানুন ও প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

নীলফামারীতে অনূর্ধ্ব-১৪ বালক-বালিকাদের ১০ দিনব্যাপী আরচ্যারী ক্যাম প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

নীলফামারীতে অনূর্ধ্ব-১৪ বালক-বালিকাদের ১০ দিনব্যাপী আরচ্যারী ক্যাম প্রশিক্ষণের উদ্বোধন   স্টাফ রিপোর্টার মাইদুল ইসলাম     , নীলফামারী: জেলা ক্রীড়া অফিস, নীলফামারীর বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৬-২৭-এর আওতায় নীলফামারী জেলা পর্যায়ে বিস্তারিত

নওগাঁর ধামইরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাণ গেল যুবকের ৫ ঘন্টায় গ্রেফতার -৭

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর ধামইরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মর্মান্তিক যুবকের মৃত্যু এবং ৫ ঘন্টায় মুল আসামি সহ ০৭জন গ্রেফতার হয়েছে।

২ রা অক্টোবর ( শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭ টার সময় উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত বডশিবপুর মাস্টার পাডায় এই ঘটনা ঘটে। স্হানীয় জনগনের সুত্রে জানা যায় যে, ছাগল করলার গাছ খওয়াকে কেন্দ্র করে আবুল কাসেমের সাথে প্রতিপক্ষের কথা কাটাকাটি ও মারামারি হয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন কাসেমকে ছুরিকাঘাত করে। এতে আবুল কাসেম(৪০) গুরুতর আহত হয়। পরে স্হানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে সে মারা যায়। একই ঘটনায় আবুল কাসেমের পক্ষে আহত তার স্ত্রী সহ ৪ জনকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। তার স্ত্রী আশংকা জনক হওয়ায় বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। অপর ৩ জন জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন আছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুতভাবে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার ভিকটিম এর ছেলে আবুসাঈ বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা রুজু পরপরই নওগাঁ পুলিশ সুপার নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান এর নেতৃত্বে ধামইরহাট থানার একটি চৌকস টিম জয়পুরহাট জেলার পাচঁবিবি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় রাতভর অভিযান চালিয়ে মামলার রুজুর ৫ ঘন্টার মধ্যে এজাহার নামীয় আসামি ১! মোঃ রকিবুল ইসলাম (২৮) পিতা আব্দুল। হাকিম ২! আব্দুল হাকিম(৬০) পিতা মৃত আব্দুল গফুর ৩! কফিল উদ্দীন (৬৫) পিতা মৃত আব্দুল গফুর ৪! আকলিমা (৩৫) স্বামী ফেরদৌস ৫! হামিদা বেগম (৩৮) পিতা মৃত ইসমাইল ৬! ফরিদা বেগম (৫০) স্বামী আব্দুল হাকিম ৭! জিয়াসমিন (২১) স্বামী রফিকুল উভয়ের সাং বডশিবপুর মাস্টার পাডা কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামীগনকে আদালতে প্রেরন প্রক্রিয়া ধীন।

 

নওগাঁর ধামইরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাণ গেল যুবকের ৫ ঘন্টায় গ্রেফতার -৭ 

নওগাঁর ধামইরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাণ গেল যুবকের ৫ ঘন্টায় গ্রেফতার -৭   মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল বিশেষ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মর্মান্তিক যুবকের বিস্তারিত

মোঃ সামিউল আলমের বিরুদ্ধে অপারেশন ও সেবাপ্রচারে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের

 

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

 

নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের উত্তরা ইপিজেড মোড় এলাকার রিয়াজউদ্দীন কমপ্লেক্সে ‘বৃষ্টি ফার্মেসি এন্ড ড্রেসিং সেন্টার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন মো. সামিউল আলম। ছামিউল আলমের ভিজিটিং কার্ডে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা, ড্রেসিং এবং অপারেশন-সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার তথ্য উল্লেখ থাকায় এর কার্যক্রম, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

সাংবাদিকদের হাতে আসা সামিউল আলমের ভিজিটিং কার্ডে প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘বৃষ্টি ফার্মেসি এন্ড ড্রেসিং সেন্টার’ উল্লেখ রয়েছে। কার্ডে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা, ক্ষতস্থানের যেমন,১। নাকের হাড় বাঁকা/মাংস বৃদ্ধি,২।ভিভেইন কম/বেশি ৩। কানের সমস্যা, ৪। চোখের সমস্যা, ৫। দাঁতের সমস্যা, ৬। জিহ্বার সমস্যা, ৭। শরীরে কাটা দাগ/পোড়া দাগ,৮। চর্মরোগ,৯। টনসিলের সমস্যা, ১০।নখের খুনির সমস্যা, ১১। পায়ের তালু সমান, ১২। হাত ও পায়ের তালু ঘামে,১৩। মলদ্বারে সমস্যা।

 

ড্রেসিংসহ অপারেশন-সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার প্রচারণা রয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে মো. সামিউল আলমের নাম ও যোগাযোগের তথ্যও দেওয়া হয়েছে।

 

কার্ডে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা, ক্ষতস্থানের ড্রেসিং এবং অপারেশন-সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকায় এসব সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত যোগ্যতা, চিকিৎসা নিবন্ধন এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

স্বাস্থ্য বিভাগের বক্তব্য পাওয়া যায়নি

 

বিষয়টি নিয়ে নীলফামারী সিভিল সার্জনের বক্তব্য জানতে সাংবাদিকরা তাঁর কার্যালয়ে গেলে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সিভিল সার্জনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

 

বক্তব্য নিতে গিয়ে বাধার অভিযোগ

 

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মো. সামিউল আলমের বক্তব্য জানতে সাংবাদিকরা সরেজমিনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তবে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করেন বলে জানা গেছে।

 

এ সময় প্রতিষ্ঠানটি যে ভবনে পরিচালিত হচ্ছে, সেই রিয়াজউদ্দীন কমপ্লেক্সের মালিক কালামের স্ত্রী শাহীনা বেগম ও তাঁর ছেলে আয়াতুল্লাহর কাছ থেকেও বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁরাও সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি করেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

এছাড়াও রিয়াজউদ্দীন কমপ্লেক্সকে ঘিরে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আরও কিছু অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, ওই কমপ্লেক্সে উত্তরা ইপিজেডে কর্মরত চীনা নাগরিকরা ভাড়া থাকেন এবং সেখানে অল্পবয়সী বাংলাদেশি মেয়েদের নিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত স্বাধীনভাবে কোনো সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

বৈধতা যাচাইয়ের দাবি স্থানীয়দের

 

স্থানীয়দের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চিকিৎসা, ড্রেসিং কিংবা অপারেশন-সংক্রান্ত সেবা দিয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত যোগ্যতা, চিকিৎসা নিবন্ধন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না—তা স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

 

তদন্তে কোনো অনিয়ম বা অনুমোদনহীন চিকিৎসাসেবা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বৈধ অনুমোদনের আওতায় থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

মোঃ সামিউল আলমের বিরুদ্ধে অপারেশন ও সেবাপ্রচারে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের

মোঃ সামিউল আলমের বিরুদ্ধে অপারেশন ও সেবাপ্রচারে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের   নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:   নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের উত্তরা ইপিজেড মোড় এলাকার রিয়াজউদ্দীন বিস্তারিত

সোনারায় উচ্চ বিদ্যালয় ডোমার, নীলফামারী ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন-২০২৬ অভিভাবক প্রতিনিধি পদে মোঃ হেফাজুল ইসলাম কে ৫ নং ক্রমিকে আপনার মূল্যবান ভোট দিয়ে অত্র বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন করার সুযোগ দিন

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

 

সোনারায় উচ্চ বিদ্যালয় ডোমার, নীলফামারী আগামী ০৮ইং অক্টোবর ২০২৬ খ্রিঃ,রোজ বৃহস্পতিবার ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন-২০২৬ অভিভাবক প্রতিনিধি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।আসন্ন ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে অভিভাবক প্রতিনিধি পদে ৫ নম্বর ক্রমিকে প্রার্থী হয়েছেন মো. হেফাজুল ইসলাম। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ আরও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা এবং অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা জানায় ,

 

মোঃ হেফাজুল ইসলামকে অভিভাবক প্রতিনিধি পদে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান।

মো. হেফাজুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) একজন ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৯ নং সোনারায় ইউনিয়ন শাখা। এছাড়াও তিনি শাহ কলদার ( রা:) মাজারের সাধারণ সম্পাদক। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়ে নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতার বিষয়ে ভোটারদের নিজস্ব বিবেচনা ও সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

 

ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিভাবক প্রতিনিধিদের নির্বাচন বিদ্যালয়ের পরিচালনা করতে অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, অঙ্গীকার ও বিদ্যালয়কেন্দ্রিক পরিকল্পনা বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোনারায় উচ্চ বিদ্যালয় ডোমার, নীলফামারী ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন-২০২৬

সোনারায় উচ্চ বিদ্যালয় ডোমার, নীলফামারী ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন-২০২৬ অভিভাবক প্রতিনিধি পদে মোঃ হেফাজুল ইসলাম কে ৫ নং ক্রমিকে আপনার মূল্যবান ভোট দিয়ে অত্র বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন করার সুযোগ দিন   বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ: বীরগঞ্জ থেকে কিশোর গ্রেপ্তার।

মোঃ আশরাফুল ইসলাস

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলায় তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

গ্রেপ্তার কিশোরের বিরুদ্ধে ভূল্লী থানায় মামলা নং-০৩/১০৪, তারিখ-২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি শিশু ধর্ষণের অভিযোগসংক্রান্ত।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ভূল্লী উপজেলার শুখানপুকুরী ইউনিয়নের লাউথুতি নরেশ মেম্বারপাড়া এলাকায় তিন বছর বয়সী শিশুটি বাড়ির পাশে খেলছিল। এ সময় এক শিশুর ডাকে খেলতে গিয়ে বাড়ির পেছনের নির্জন স্থানে যায়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে অভিযুক্ত কিশোর শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকার শুনে তার মা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

 

ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।

 

পুলিশের তথ্যমতে, ঘটনার পর অভিযুক্ত কিশোর দিনাজপুরের বীরগঞ্জের দেউলি রথবাজার এলাকায় নিজ বাড়ির দিকে চলে যায়। পরে অভিযান চালিয়ে বীরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম আইন অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

 

এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ: বীরগঞ্জ থেকে কিশোর গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ: বীরগঞ্জ থেকে কিশোর গ্রেপ্তার। মোঃ আশরাফুল ইসলাস ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:   ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলায় তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৩ বছর বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ১২৩ বোতল ফেন্সিডিলজাতীয় মাদক ও ৬২০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১২৩ বোতল ফেন্সিডিলজাতীয় মাদকদ্রব্য ও ৬২০ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হরিপুর থানার কোশগাঁও গ্রামের মো. এনাবুলের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩২) এবং বরুয়াল গ্রামের মৃত নুহু বিশ্বাসের ছেলে মো. তোফাজ্জল ওরফে তফজুল (২৮)।

 

এসআরবি-১৩ জানায়, শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে সিপিসি-১, এসআরবি-১৩ দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি দল হরিপুর উপজেলার বেলুয়া গ্রামের জাদুরানি-বনগাঁও সড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করে। এ সময় জসিম উদ্দিনের মোটরসাইকেল তল্লাশি করে ৭৪ বোতল পিকেড্রিল ও ৪৯ বোতল ফেন্সিবিল জব্দ করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

জসিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৯টার দিকে হরিপুরের বরুয়াল গ্রামে তোফজুলের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার শয়নকক্ষের শোকেসের ভেতর থেকে ৬২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং তোফজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এসআরবি-১৩ জানায়, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

মাদকের বিরুদ্ধে এসআরবি-১৩-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে ১২৩ বোতল ফেন্সিডিলজাতীয় মাদক ও ৬২০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ে ১২৩ বোতল ফেন্সিডিলজাতীয় মাদক ও ৬২০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার। মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:   ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১২৩ বোতল ফেন্সিডিলজাতীয় মাদকদ্রব্য ও ৬২০ পিস ইয়াবাসহ বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ বছরের শিশুকে নির্জনে নিয়ে ধর্ষণ, ধর্ষক হৃদয় চন্দ্র পলাতক।

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হৃদয় চন্দ্র (১৩) এক কিশোরের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুটিকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার শুখানপুকুরী ইউনিয়নের লাউথুতি নরেশ মেম্বার পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শিশুটি বাড়ীতে খেলা করার সময় পাশের বাড়ী এক শিশুর ডাকে খেলাধুলা করতে যায়।

 

খেলাধুলা করার সময় সকলের অগোচরে বাড়ির পিছনে শিশুটিকে হৃদয় চন্দ্র (১৩) নামে তরুণ তাকে বাড়ির পেছনের নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালায়।

একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করলে তার মা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এ সময় অভিযুক্ত যুবক সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

 

ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

 

অভিযুক্ত হৃদয় চন্দ্র (১৩) বীরগঞ্জের রতবাজার দেউলি এলাকার বৈশাখুর ছেলে বলে জানা গেছে। পরিবারের দাবি, সে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। প্রায় নানার বাড়ীতে বেড়াতে আসে। ঘটনার পর তার নানা নিতাই তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছেন বলে জানা যায়।

 

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আলমগীর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, শিশুটির চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশা করি অভিযুক্তকেও আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে পারবো।

 

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ বছরের শিশুকে নির্জনে নিয়ে ধর্ষণ, ধর্ষক হৃদয় চন্দ্র পলাতক

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ বছরের শিশুকে নির্জনে নিয়ে ধর্ষণ, ধর্ষক হৃদয় চন্দ্র পলাতক।   মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ   ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হৃদয় চন্দ্র বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ২১৬ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক আটক

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২১৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মোঃ জাহাঙ্গীর (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পেরিয়ে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১২টা ৪০ মিনিটে উপজেলার ৪ নম্বর কলনী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পেরিয়ে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর অধীন চোষপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৪ নম্বর কলনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মোঃ জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২১৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

আটক মোঃ জাহাঙ্গীর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৪ নম্বর কলনী গ্রামের বইজ উদ্দিনের ছেলে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটের আনুমানিক সিজার মূল্য ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা।

 

বিজিবি জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকদ্রব্যের চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

 

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান, মানবপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকার স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেছে বিজিবি।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ২১৬ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে ২১৬ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক আটক   মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:   ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২১৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মোঃ জাহাঙ্গীর (৩২) নামে এক বিস্তারিত

অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে একাধিক জুয়া সাইটের ০১ এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

————————————————————————————

 

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে অর্থপাচারকারী চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একাধিক জুয়া সাইটের পরিচালনাকারী ও এজেন্ট মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।

 

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গত ৩০/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে ০৫.০০ ঘটিকার দিকে (২৯/০৯/২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত) তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম স্নিগ্ধ সিকদার (৩১), পিতা- স্বপন কুমার সিকদার, মাতা- মিনা রানী সরকার, সাং- গ্রাম- বালিয়াট, ইউপি- শেখহাটী, থানা- নড়াইল সদর, জেলা- নড়াইল।

 

সূত্রে জানা যায়, সিআইডি নিয়মিত সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনাকালে দেখতে পায় যে, দেশের অভ্যন্তর ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং (জুয়া) ওয়েবসাইটের কার্যক্রম প রিচালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব অনলাইন জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা এবং অনলাইন ক্যাসিনোকে কেন্দ্র করে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে এসব বেটিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল।

 

অনলাইন বেটিং সাইটে ব্যবহৃত বিভিন্ন এজেন্টের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এমএফএস ও ব্যাংক হিসাবসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করে সিআইডি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সহায়তায় তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন বেটিংয়ের এজেন্ট নিয়োগ করে তাদের মাধ্যমে এমএফএস ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন। পরবর্তীতে জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত এজেন্টদের কমিশন পরিশোধের পর অবশিষ্ট অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে পাচার করা হতো।

 

ইতোপূর্বে গত ১৩/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে এ মামলার অপর আসামি সুমন রায় (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সুমন রায় আন্তর্জাতিক অনলাইন বেটিং ও অবৈধ জুয়া চক্রের বাংলাদেশ অংশের অন্যতম প্রধান কো-অর্ডিনেটর এবং আর্থিক লেনদেন (Deposit & Withdraw) নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে কাজ করতেন। পুরনো সাইটের পাশাপাশি পরবর্তীতে নতুন জুয়া সাইটের কাস্টমার সাপোর্ট পরিচালনার দায়িত্বও তিনি পালন করতেন মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।

 

গ্রেফতারকৃত সুমন রায় আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং জবানবন্দিতে তার সহযোগী হিসেবে স্নিগ্ধ শিকদারের নাম প্রকাশ করেন। প্রাথমিক তদন্তে স্নিগ্ধ শিকদারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় সিআইডি তেজগাঁও থানায় মামলা নং-২০, তারিখ ১৭/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা- সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২০(২)/২১(২)/২২(২)/২৪(২)/২৭(২)/২৯(২) এর তদন্তেপ্রাপ্ত অভিযুক্ত হিসেবে তাকে গ্রেফতার করে।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত স্নিগ্ধ সিকদার (৩১)কে গত ৩০/০৯/২০২৬ খ্রি. বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক নিজের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

 

উল্লেখ্য, এ মামলায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সিআইডির একটি চৌকস অভিযানিক দল গত ০৭/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের মো. সোলায়মান (৪৭), মো. সাগর মিয়া (২৮) ও মো. জুয়েল রানা (৩২)-কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে গত ১৬/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একই চক্রের মো. রায়হান খান (২১), মো. পাভেল রহমান ভূঁইয়া (২৩) ও আবু জোবায়ের সানি (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে নড়াইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মো. জসিম উদ্দিন (৩৩) ও সুমন রায় (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এছাড়াও গত ১৯/০৮/২০২৬ খ্রি. তারিখে রাজশাহী জেলার চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার রোড নং-০২, বাসা নং-২৬৪ থেকে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের সৈয়দ জামান (২৭) ও রুহুল কুদ্দুস @ বাপ্পী (২৮)-কে এবং গত ১৩/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বাবলু মিয়া (২৮), মো. মনির হোসেন (৩০), নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪) ও শামীম আল মামুন (২৯)-কে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অবৈধ লেনদেন, অর্থপাচার এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশি-বিদেশি চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক, অবৈধ ই-ট্রানজেকশন, অর্থপাচার কার্যক্রম এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

সিআইডি দেশের জনগণকে অনলাইন জুয়া ও বেটিং কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। একইসঙ্গে অনলাইন বেটিং বা জুয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা চক্রের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন না করার এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে একাধিক জুয়া সাইটের ০১ এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে একাধিক জুয়া সাইটের ০১ এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি ————————————————————————————   অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব বিস্তারিত

গাজীপুরে দুইটি ফার্মেসিকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর সফিপুর বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগে দুটি ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে সফিপুর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানায়, সফিপুর বাজারের ‘রোজা মেডিসিন কর্নার’ ও ‘সাগরিকা ফার্মেসি’তে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত রেখে বিক্রি করা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুপুরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ফার্মেসিগুলোতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পরিদর্শন করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা।

 

এ সময় দুটি ফার্মেসিতেই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ‘রোজা মেডিসিন কর্নার’কে ২০ হাজার টাকা, ‘সাগরিকা ফার্মেসি’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিয়াকৈর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুন নাহার শিলা। অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুন নাহার শিলা বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ওষুধের মান ও মেয়াদ নিশ্চিত না করে তা বিক্রি করা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। তাই ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে বাজার তদারকি করা হচ্ছে।

গাজীপুরে দুইটি ফার্মেসিকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

গাজীপুরে দুইটি ফার্মেসিকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা।   মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।   গাজীপুরের কালিয়াকৈর সফিপুর বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগে দুটি ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩