admin

গাইবান্ধায় আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা প্রশাসক ড.মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক)একেএম হেদায়েতুল ইসলাম সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

 

এর আগে প্রতিমন্ত্রী কে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্কিট হাউজে পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এছাড়াও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন ।

 

এ সময় তিনি বলেন, একটি অবহেলিত ও নদীভাঙনকবলিত জেলা। এখানকার চর অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষি খাতের প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও মাদকের অবাধ ব্যবহার রোধ করা অত্যন্ত জরুরি।

 

মন্ত্রিপরিষদের পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত গাইবান্ধার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে আমি জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন, প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে গাইবান্ধাকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চেষ্টা করবো। এ ক্ষেত্রে তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

গাইবান্ধায় আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

গাইবান্ধায় আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে   শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি গাইবান্ধায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁওয়ে রসিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গা প্রতিমা প্রবেশকে কেন্দ্র করে ইসকন-সনাতনীদের সংঘর্ষ আহত ৮।

মোঃআশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ভাতগাঁওয়ে শ্রী শ্রী রসিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গা প্রতিমা প্রবেশ করানোকে কেন্দ্র করে ইসকন ও সনাতনী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে মন্দিরে দুর্গা প্রতিমা প্রবেশ করানোর সময় দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে মন্দির এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রসিক রায় জিউ মন্দিরের জমি ও পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজনের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের পক্ষে হাইকোর্টের রায় রয়েছে। তবে তাদের অভিযোগ, ইসকন সমর্থকেরা ওই স্থানে জোরপূর্বক অবস্থান করে আসছেন।

সনাতনীরা দুর্গা প্রতিমা মন্দিরে নিয়ে গেলে ইসকন সদস্যরা বাধা দেয় এবং তাদের উপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে সংঘর্ষের সময় তাদের ওপর লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসকন পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সনাতনীদের পক্ষে মন্দিরের সেবায়েত অপু শর্মা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরের জমি ও পূজা উদযাপন নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। হাইকোর্টের রায় তাদের পক্ষে থাকা সত্ত্বেও ইসকনপন্থীরা মন্দিরে অবস্থান করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। দুর্গা প্রতিমা মন্দিরে প্রবেশ করানোর সময় তারা বাধা দিলে প্রথমে কথা-কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাদের পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন জানান, মন্দিরের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবে যাতে নতুন করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। বর্তমানে মন্দির এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে রসিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গা প্রতিমা প্রবেশকে কেন্দ্র করে ইসকন-সনাতনীদের সংঘর্ষ আহত ৮

ঠাকুরগাঁওয়ে রসিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গা প্রতিমা প্রবেশকে কেন্দ্র করে ইসকন-সনাতনীদের সংঘর্ষ আহত ৮। মোঃআশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:   ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ভাতগাঁওয়ে শ্রী শ্রী রসিক রায় জিউ বিস্তারিত

পরিত্যক্ত দশা থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউএইচএফপিও ডা. জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রাণ ফিরছে হাসপাতালে।

 

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

“দৈনিক আমাদের দেশ”।

 

দীর্ঘদিন যাবত অবকাঠামোগতভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ভবন জরাজীর্ণ থাকায় আগত রোগীদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছিল। ফলে বিগত কয়েক বছর এই উপকূলীয় এলাকার মানুষজন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ছিল।

 

অবশেষে সেই অচলাবস্থা কাটতে শুরু করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান মহোদয়ের একান্ত প্রচেষ্টায় প্রাণ ফিরতে শুরু করেছে শ্যামনগরবাসীর চিকিৎসা সেবার একমাত্র এই প্রতিষ্ঠানে।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডা. জিয়াউর রহমান নিজে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে যোগাযোগ করে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত ভবনটি পুনঃনির্মাণের কার্যক্রম শুরু করিয়েছেন। অতি শীঘ্রই বিল্ডিংটির কাজ শেষে খুব দ্রুত রোগীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

 

শুধু ভবন নির্মাণই নয়, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশের আমূল পরিবর্তন এনেছেন তিনি। হাসপাতালের বিভিন্ন এরিয়ায় থাকা বন-জঙ্গল নিজে দায়িত্বে থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেছেন। বর্তমান বিদ্যুতের যে অবস্থা তা নিরসনের জন্য তিনি জরুরি বিভাগ, ডেলিভারি ওয়ার্ড, শিশু ওয়ার্ড, পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড সহ সব জায়গায় আইপিএস ব্যবস্থা করেছেন। নিজ উদ্যোগে জরুরি বিভাগের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও করেছেন।

 

ডা. জিয়াউর রহমান মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় হাসপাতালটি নতুনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী আশা করছে অতি শীঘ্রই বিল্ডিংটি চালু হলে সকলে একটু উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা পাবে।

 

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, শ্যামনগর উপজেলা আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের মধ্যে বৃহত্তম উপজেলা এবং আইলা-দুর্গম উপকূলীয় এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এখানে মাত্র ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে, যা এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য অপ্রতুল।

 

তাই হাসপাতালটির সেবার মান টেকসই করতে নতুন ভবন নির্মাণ, শয্যা সংখ্যা ১০০ থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের পাশাপাশি *প্রয়োজন অনুযায়ী ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারীর সংখ্যা বাড়ানোর* জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শ্যামনগরবাসী। পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করা হলে উপকূলের এই অবহেলিত মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে।

 

বিল্ডিংটি নতুনভাবে চালু করার উদ্যোগ নেওয়ায় মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছে শ্যামনগরবাসী।

পরিত্যক্ত দশা থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউএইচএফপিও ডা. জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রাণ ফিরছে হাসপাতালে

পরিত্যক্ত দশা থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউএইচএফপিও ডা. জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রাণ ফিরছে হাসপাতালে।   শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: জিয়াউর রহমান জিয়া, শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি, “দৈনিক আমাদের দেশ”। বিস্তারিত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দশলাল গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

 

নিহত শিশুরা দশলাল গ্রামের ফরহাদ আলীর তিন বছর বয়সী মেয়ে মিম আক্তার এবং তার ফুফাতো বোন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার থেকে মামার বাড়িতে বেড়াতে আসা কবির মণ্ডলের মেয়ে আফরিন আক্তার।

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে মিম ও আফরিন বাড়ির উঠানে একসঙ্গে খেলছিল। একপর্যায়ে সবার অগোচরে তারা বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় দুই শিশুর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। একই পরিবারের দুই শিশুর এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বৈরাগীহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. জহুরুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া   শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১টার বিস্তারিত

দিনাজপুর  বীরগঞ্জে ইএসডিও  রেইজ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষানবিশদের মতবিনিময়।

 

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

দিনাজপুর  বীরগঞ্জে ইএসডিও রেইজ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষানবিশদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জগদল এলাকার বেইস মিতালী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

 

 

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন—পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন—ইএসডিওর বাস্তবায়নে পরিচালিত রেইজ প্রকল্পের আওতায় সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

 

 

এরই ধারাবাহিকতায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ৪ ও ৬ মাস মেয়াদি বিভিন্ন ট্রেডে নির্বাচিত মোট ৩৬ জন শিক্ষানবিশ অংশ নেন। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী।

 

 

সভায় শিক্ষানবিশদের প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য, প্রশিক্ষণকালীন দায়িত্ব ও করণীয়, নিয়ম-শৃঙ্খলা এবং দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

 

পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণে তাদের উৎসাহিত করা হয়।

 

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন রেইজ প্রকল্পের পিকেএসএফের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিল্লাল হোসেন; ইএসডিও প্রধান কার্যালয়ের হেড অব ইনক্লুসিভ মাইক্রোফাইন্যান্স ও রেইজ প্রকল্পের ফোকাল পার্সন আইনুল হক, ফিল্ড কোর্ডিনেটর মোছাঃ সাম সুৎ তাবরীজ, ট্রেনিং অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট সাপোর্ট অফিসার  সাজেদুর রহমান,অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড এমআইএস অফিসার  নূরজাহান আক্তার এবং ইএসডিওর প্রশিক্ষক  মোস্তাকিম রহমান।

 

 

মতবিনিময় সভা শেষে রেইজ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী সফল শিক্ষানবিশদের স্ব-কর্মসংস্থান ও জব প্লেসমেন্ট কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

 

এ সময় তাদের বর্তমান কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ এবং প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগানোর বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়।

 

 

আয়োজকরা জানান, রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দিনাজপুর  বীরগঞ্জে ইএসডিও  রেইজ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষানবিশদের মতবিনিময়

দিনাজপুর  বীরগঞ্জে ইএসডিও  রেইজ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষানবিশদের মতবিনিময়।       মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ   দিনাজপুর  বীরগঞ্জে ইএসডিও রেইজ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষানবিশদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিস্তারিত

২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, বাগেরহাট-এ অনুষ্ঠিত হলো গুরুত্বপূর্ণ সাইন্টিফিক সেমিনার!

 

বিশেষ প্রতিনিধি: মামুন হাওলাদার

 

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, সকাল ৯.০০ টায় বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের গাইনী বিভাগের আয়োজনে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সেমিনারের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল: “Managing High risk pregnancy: Recent clinical updates” (উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা ব্যবস্থাপনা: সাম্প্রতিক ক্লিনিক্যাল আপডেট)।

 

উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য চিকিৎসকবৃন্দ:

 

সভাপতি: ডাঃ অসীম কুমার সমাদ্দার, তত্ত্বাবধায়ক, ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, বাগেরহাট।

 

প্রধান অতিথি: অধ্যাপক ডাঃ হোসনেয়ারা খাতুন, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান (গাইনী), আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

বিশেষ অতিথি: ডাঃ আবু দাউদ খান, প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক (গাইনী), গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

মূল বক্তা (Key note Speaker): ডাঃ ডালিয়া হালদার, সহযোগী অধ্যাপক (গাইনী), গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

সম্মানিত অতিথি (Guest of Honor): ডাঃ তাপস কুমার সরকার, আরএমও, ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, বাগেরহাট।

 

এই চমৎকার আয়োজনটির সায়েন্টিফিক পার্টনার হিসেবে ছিল নুভিস্টা ফার্মা লিমিটেড (Nuvista pharma limited)

 

মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে, চিকিৎসকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই ধরনের সেমিনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, বাগেরহাট-এ অনুষ্ঠিত হলো গুরুত্বপূর্ণ সাইন্টিফিক সেমিনার!

২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, বাগেরহাট-এ অনুষ্ঠিত হলো গুরুত্বপূর্ণ সাইন্টিফিক সেমিনার!   বিশেষ প্রতিনিধি: মামুন হাওলাদার   আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, সকাল ৯.০০ টায় বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের গাইনী বিস্তারিত

বগুড়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি শাহীন আটক।

 

বগুড়া প্রতিনিধি:

কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি এবং শাহজানপুর উপজেলার খরনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান শাহীন ওরফে ভিপি শাহীনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার রাতে কয়েকজন সঙ্গীসহ তাকে আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত সাজেদুর রহমান শাহীনের আবিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত হত্যা মামলাসহ একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। একইসাথে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিরীহ মানুষদের উপর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে সাংবাদিকদের চাঁদাবাজ বলে মামলা দেয়া সহ এলাকায় ভূমিদস্যুতায় একক ছত্র অধিপত্য বিস্তার, এমনকি অবৈধভাবে মাটি খননসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ এলাকাবাসীর। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় তার ভাগিনা আশিকুর রহমান ইতিমধ্যে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের শাজাহানপুর উপজেলার কার্যক্রম কে এগিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে আশিকুরের বিরুদ্ধে।

প্রশাসন জানিয়েছেন ভিপি শাহিন দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন মামলায় পলাতক ছিলেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বগুড়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি শাহীন আটক।

বগুড়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি শাহীন আটক।   বগুড়া প্রতিনিধি: কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি এবং বিস্তারিত

নীলফামারীতে “দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন” শীর্ষক সেমিনার -২০২৬ ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

 

‘কারিগরি শিক্ষা নিন, বদলে যাবে আপনার দিন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) নীলাচল সভাকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

টিটিসির অধ্যক্ষ মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোহসিন।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন এবং বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা জরুরি। দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।

সেমিনারে বিভিন্ন দেশে গমনকারী ১৩০ জন নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিল বিভিন্ন ইলেকট্রিক মিডিয়া ও গণমাধ্যম কর্মীগন।

নীলফামারীতে “দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন” শীর্ষক সেমিনার -২০২৬ ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে 

নীলফামারীতে “দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন” শীর্ষক সেমিনার -২০২৬ ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে   স্টাফ রিপোর্টার মাইদুল ইসলাম   ‘কারিগরি শিক্ষা নিন, বদলে যাবে আপনার দিন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীতে বিস্তারিত

ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সাংবাদিকদের সাথে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভূল্লী থানার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় ভূল্লী এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও অপরাধের চিত্র প্রশাসনের সামনে তুলে ধরতে পারেন।

মতবিনিময় সভায় ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। একই সঙ্গে ভুয়া তথ্য, গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা থাকলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব। পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকরা প্রশাসনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী, সেকেন্ড অফিসার (এসআই) রাশেদুজ্জামান, ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাব এর সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ (মামুন) (বাংলা টিভি), সহ-সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ হক (দৈনিক সোনালী খবর/দৈনিক উত্তরা) এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন আলম (দৈনিক যুগের আলো)।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাজু রানা (দৈনিক ঢাকার ডাক) ও মো. আশরাফুল ইসলাম (দৈনিক নাগরিক ভাবনা), দপ্তর সম্পাদক মো. আসিফ কামাল (দৈনিক দেশ বার্তা), অর্থ সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন (দৈনিক স্বাধীন ভোর), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নুর ইসলাম (দৈনিক আলোকিত কণ্ঠ) এবং ক্রীড়া ও সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক মো. রাকিব হাসান (দৈনিক চেতনার বাংলাদেশ)।

কার্যনির্বাহী সদস্য মো. নাজিমুল ইসলাম (দিগন্তের কাগজ) ও মো. সুয়েল রানা (নয়া সংবাদ)।

সভায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধে পুলিশ ও সাংবাদিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা

ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা। মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:   ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সাংবাদিকদের সাথে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকীর বিস্তারিত

গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মজিদচালা এলাকায় একটি খামার থেকে চুরি করা হয়েছে এমন অভিযোগে পাঁচটি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে আটক করে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর প্রকৃত মালিক এখনো শনাক্ত না হওয়ায় সেগুলো বর্তমানে কালিয়াকৈর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন শ্রীপুর উপজেলার বীরগঞ্জ থানার দোলতপুর এলাকার মৃত ইউনুস মণ্ডলের ছেলে মুজিবুর রহমান (৪৫), তার মেয়ে রোজিনা আক্তার (২৫)  সাভারের রাকেশচর এলাকার মৃত বরকতের মেয়ে সালমা আক্তার (৩২)।

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও মজিদচালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের গ্রামের বাড়ি মজিদচালা এলাকায়। সেখানে তার একটি খামার রয়েছে। ওই খামারকে কেন্দ্র করে চোরাই গরুর কেনাবেচা হয়ে আসছে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে ছিল।

 

 

গত ৩০ আগস্ট বিকেলে ওই খামার থেকে পাঁচটি গরু বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচটি গরু উদ্ধার করে। এ সময় গরুগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক তথ্য দিতে না পারায় মুজিবুর রহমান, রোজিনা আক্তার ও সালমা আক্তারকে আটক করা হয়।

 

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে গরু চুরির বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজন পালিয়ে গেছে বলেও তারা জানিয়েছে।

 

এ ঘটনায় কালিয়াকৈর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে আটক তিনজনকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

এদিকে উদ্ধার হওয়া পাঁচটি গরুর প্রকৃত মালিক এখনো শনাক্ত না হওয়ায় সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে থানার হেফাজতে রাখার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সদস্যদের মধ্যেও চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। গরুগুলোর খাবার, পরিচর্যা ও নিরাপত্তার বিষয়টিও পুলিশের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গরুগুলো দীর্ঘদিন থানার ভেতরে থাকায় নিয়মিত খাবার ও দেখাশোনার প্রয়োজন হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাবার ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা না গেলে গরুগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গরুগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্ত করে তাদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

 

উদ্ধার করা গরুগুলোর প্রকৃত মালিক কে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, গরুগুলোর মালিকানা যাচাই  প্রকৃত মালিক শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

 

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার করা পাঁচটি গরুর প্রকৃত মালিক শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। মালিক শনাক্ত না হওয়ায় আপাতত গরুগুলো পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। প্রকৃত মালিক শনাক্ত করা গেলে যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গরুগুলো যথাযথ মালিকের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে গরুগুলোর নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ

গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।   মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।   গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মজিদচালা এলাকায় একটি খামার থেকে চুরি করা হয়েছে এমন অভিযোগে পাঁচটি বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩