আসমা ধর্ষণ-হত্যা: চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আসমা ধর্ষণ-হত্যা: চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

আসমা ধর্ষণ-হত্যা: চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় আসমা আক্তার (৫) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আকতার এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

 

নারীও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদেশে আরও বলা হয়েছে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখতে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের জেঠাতো ভাই শাহাদাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

 

এরপর ৬ এপ্রিল নিহত শিশুর বাবা মাওলানা শাহজাহান বাদী হয়ে চাটখিল সদর থানায় শাহাদাতকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন।


নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ওই ছাত্রী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি বকুল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে খুঁজছে পুলিশ।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বিএনপি নেতা বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকেরা তাকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান।

 

ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর ভাষ্য, ‘ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল মিয়া ও আবু মিয়া আমাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য লোকজন দিয়েও আমাকে ধর্ষণ করিয়েছে। আমি বিষয়টি প্রকাশ করায় তারা আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।’

 

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। আজ রাতেই বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে।

দলবদ্ধ ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ওই ছাত্রী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি বকুল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে খুঁজছে পুলিশ।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বিএনপি নেতা বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকেরা তাকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান।

 

ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর ভাষ্য, ‘ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল মিয়া ও আবু মিয়া আমাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য লোকজন দিয়েও আমাকে ধর্ষণ করিয়েছে। আমি বিষয়টি প্রকাশ করায় তারা আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।’

 

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। আজ রাতেই বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে।

দলবদ্ধ ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে শত শত মানুষ। বুধবারের (২৬ আগস্ট) আকস্মিক এই বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

নেপালে এখন অবস্থান করছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। তবে তিনি নিরাপদে আছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা অপু নিজের জন্য চিন্তা না করে দোয়া চেয়েছেন।

 

বুধবার সন্ধ্যায় অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি পোখারাতে আছি। যেখানে আছি নিরাপদে আছি। তবে পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার হাইওয়ে রাস্তায় ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। জানতে পেরেছি, এই রাস্তা ঠিক হতে মাসখানেক সময় লাগবে। আমাদের গাড়ি ঠিক করা হয়েছে। আগামীকাল কাঠমান্ডু যাব। ফ্লাইটে অনেক চাপ চলছে। কাঠমান্ডু থেকে পরশুদিনের (শুক্রবার) ফ্লাইটে ঢাকা ফিরব।’

 

নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমার জন্য চিন্তা না করবেন না। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন নিরাপদে দেশে আমার সন্তানের কাছে ফিরতে পারি।’

 

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ে নেপাল গিয়েছেন অপু বিশ্বাস। সিনেমাটিতে অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন মুর্তজা পলাশ। এতে আরো অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা রজতাভ দত্ত, শ্যাম ভট্টাচার্য প্রমুখ।

 

ঢালিউড অপু বিশ্বাস

নেপালে ভালো আছি চিন্তা করবেন না: অপু বিশ্বাস

ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুককে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।

 

এ সময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

 

ভুটানের রাজা ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।

 

আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।

 

বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

 

ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন– পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

 

সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।

ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গাজীপুরের টঙ্গীতে এনে আকাশ সরদার (২১) নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাজহারুল ইসলাম মিঠু (৩০) নামে তার এক বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের একটি পরিত্যক্ত ড্রেন থেকে আকাশের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

নিহত আকাশ সরদার ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার চাঁদপুর গ্রামের মো. করিম সরদারের ছেলে। গ্রেপ্তার মিঠু নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। তারা দুজনই আগে কম্বোডিয়াপ্রবাসী ছিলেন।

 

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আড়াই বছর আগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকার অপু মিয়ার মাধ্যমে আকাশ ও মিঠু কম্বোডিয়ায় যান। প্রায় তিন মাস আগে তারা দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর আকাশ বেকার হয়ে পড়লে তাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে গত ২৭ জুলাই সোনারগাঁয়ে ডেকে নেন মিঠু। পরে তাকে অপহরণ করে টঙ্গীতে নিয়ে আসা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এজাহার অনুযায়ী, ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে আকাশের স্ত্রী জেরিনের মোবাইল ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে সুমন নামের এক ব্যক্তি আকাশকে আটকে রাখার কথা জানান। এর পর থেকে আকাশের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্বজনেরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

এ ঘটনায় আকাশের বাবা করিম সরদার বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় মাজহারুল ইসলাম মিঠু, মো. অপু মিয়া ও মো. সুমন মিয়াকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে র‌্যাব-১-এর একটি দল গত ২৩ আগস্ট টঙ্গী পশ্চিম থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিঠুকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের ২১ নম্বর টয়লেটের পাশে একটি পরিত্যক্ত ড্রেন থেকে আকাশের গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারে টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়ানুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

চাকরির প্রলোভনে বন্ধুকে অপহরণ করে হত্যা, ইজতেমা ময়দান থেকে লাশ উদ্ধার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সদ্য গঠিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা প্রকাশ করেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গঠিত এই প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হওয়া দেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের স্বার্থে কতটা প্রভাব ফেলবে—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তা গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক জোটে যুক্ত হচ্ছে। সার্ক, বিমসটেক, ইন্দো-প্যাসিফিক বা ব্রিকসের মতোই বিশ্বজুড়ে একাধিক কৌশলগত জোটের বিস্তার ঘটছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এই জোটটি ন্যাটোর আদলে গঠিত, যার মূল শর্ত হলো—সদস্য যেকোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে তা তিনটি দেশের ওপর যৌথ আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। এটি কেবল সামরিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সদস্য দেশগুলোর অর্থায়ন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে আগ্রহী অন্যান্য দেশের জন্যও এতে যোগ দেওয়ার সুযোগ খোলা রাখা হয়েছে।

 

চুক্তির সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি ও বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি এবং জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই পদক্ষপে নেওয়া হবে। এতে দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে কি না, তা প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, যৌথ জোটভুক্ত সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক শ্রমবাজারের সম্পর্ক রয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০ লাখ প্রবাসী নিয়োজিত। পাশাপাশি তুরস্কের সঙ্গেও সম্প্রতি বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনা বেশ জোরদার হয়েছে। তাই সার্বিক দিক পর্যালোচনা করেই বাংলাদেশ সরকার এই মক্কা চুক্তির বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তান সামরিক জোটে বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ওই ছাত্রী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি বকুল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে খুঁজছে পুলিশ।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বিএনপি নেতা বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকেরা তাকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান।

 

ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর ভাষ্য, ‘ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল মিয়া ও আবু মিয়া আমাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য লোকজন দিয়েও আমাকে ধর্ষণ করিয়েছে। আমি বিষয়টি প্রকাশ করায় তারা আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।’

 

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। আজ রাতেই বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে।

দলবদ্ধ ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ওই ছাত্রী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় বকুল মিয়াসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি বকুল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করতে খুঁজছে পুলিশ।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বিএনপি নেতা বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকেরা তাকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান।

 

ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর ভাষ্য, ‘ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল মিয়া ও আবু মিয়া আমাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য লোকজন দিয়েও আমাকে ধর্ষণ করিয়েছে। আমি বিষয়টি প্রকাশ করায় তারা আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।’

 

অভিযোগের বিষয়ে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। আজ রাতেই বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলার দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে।

দলবদ্ধ ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে শত শত মানুষ। বুধবারের (২৬ আগস্ট) আকস্মিক এই বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

নেপালে এখন অবস্থান করছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। তবে তিনি নিরাপদে আছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা অপু নিজের জন্য চিন্তা না করে দোয়া চেয়েছেন।

 

বুধবার সন্ধ্যায় অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি পোখারাতে আছি। যেখানে আছি নিরাপদে আছি। তবে পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার হাইওয়ে রাস্তায় ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। জানতে পেরেছি, এই রাস্তা ঠিক হতে মাসখানেক সময় লাগবে। আমাদের গাড়ি ঠিক করা হয়েছে। আগামীকাল কাঠমান্ডু যাব। ফ্লাইটে অনেক চাপ চলছে। কাঠমান্ডু থেকে পরশুদিনের (শুক্রবার) ফ্লাইটে ঢাকা ফিরব।’

 

নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমার জন্য চিন্তা না করবেন না। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন নিরাপদে দেশে আমার সন্তানের কাছে ফিরতে পারি।’

 

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ে নেপাল গিয়েছেন অপু বিশ্বাস। সিনেমাটিতে অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন মুর্তজা পলাশ। এতে আরো অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা রজতাভ দত্ত, শ্যাম ভট্টাচার্য প্রমুখ।

 

ঢালিউড অপু বিশ্বাস

নেপালে ভালো আছি চিন্তা করবেন না: অপু বিশ্বাস

নেপালের চারিদিকে ধ্বংসস্তূপ। দেশটির রসুয়া জেলার ফ্ল্যাশ ফ্লাডের আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভারতের বিহারে। হাই এলার্টে গোটা বিহার। চলছে মাইকিং, মানুষজনকে সতর্ক করা হচ্ছে। ভোতে কোশি নদী হয়ে, ত্রিসুলী ও গণ্ডক নদী ধরে বিহারে প্রবেশ করতে পারে তিব্বতের পানি।

 

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী হাই লেভেল টিম গঠন করে সব সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী নদীর চারদিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নদীর বাঁধ এবং বাঁধের চারপাশ বুধবার এবং বৃহস্পতিবার নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ করে রাতে নাইট পেট্রোলিং বাড়ানোর প্রতি জোর দেয়া হয়েছে।

গন্ডক নদীর পাশে থাকা পশ্চিম চম্পারন, পূর্ব চম্পারণ, মোজাফফরনগর, বৈশালী, গোপালগঞ্জ, সারণ জেলা প্লাবিত হতে পারে এমন আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে। রাজ্যের সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

 

নেপাল থেকে গণ্ডক নদীতে হয়ে বিহারে প্রবেশ করবে পানি। প্রশাসনের আশঙ্কা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একসঙ্গে সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নেমে আসবে।

নিহত বেড়ে ১৬০ পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত নেপাল, বিহারে ঢুকে পড়ছে পানি

গায়ক আসিফ আকবরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আসিফের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

 

রাশেদ খাঁনের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো–

 

মাথার সমস্যার কারণে মদ পান করতে হয় বলে আদালতকে জানিয়েছিলেন গায়ক আসিফ আকবর! আমি জানি না, কখন তার মাথায় সমস্যা থাকে, আর কখন থাকে না। তবে ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ সাকিব আল হাসানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কেক কাটতে তিনি লন্ডনে উপস্থিত হন! এই ঘটনায় আসিফ আকবর খুব সমালোচনা মুখোমুখি হয়েছিলেন। আমার ধারণা, মাথায় সমস্যা থাকার কারণে তিনি এই ভুল করেছেন। হয়তো পরবর্তীতে মাথা ঠিক হলে তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন!

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তিনি বিসিবির পরিচালক হন। কিন্তু পরবর্তীতে স্বপদে থাকতে না পেরে তিনি বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। সম্প্রতি তিনি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ (সালাহউদ্দিন আহমদ) সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, ‘এই লোক গুম ছিল নাকি লুকিয়ে ছিল, আল্লাহ জানেন, স্যুট পরে এসে এখন সংবিধান শেখাচ্ছে!’ আমার প্রশ্ন হলো, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্যের সময় আসিফ আকবরের মাথা কি ঠিক ছিল? প্রয়োজনে বক্তব্য দেওয়ার আগে একটু খেয়ে, মাথা ঠিক করে নিয়ে তারপরে বক্তব্য দিতেন! মাথার অসুস্থতা নিয়ে কেউ এভাবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেয়?

আসিফ আকবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুম নিয়ে যে ভাষায় কথা বলেছে, ঠিক শেখ হাসিনা গুম নিয়ে এমন হাসিঠাট্টা করতো। বিদেশে যেতে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেছে মর্মে গুমের বৈধতা উৎপাদন করতো। আর সাকিব আল হাসানের সাথে সাক্ষাৎ করে আসার পরে আসিফ আকবরের কথার পরিবর্তন হয়েছে মনে হচ্ছে! তিনিও শেখ হাসিনার ভাষায় গুম নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছেন! হ্যা, তিনি যদি কোনো রাজনৈতিক সমালোচনা করতেন, সেটি নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু গুম নিয়ে কটাক্ষ ও প্রশ্ন তুলেছেন। যে কারণে প্রিয় শিল্পী আসিফ আকবরের বক্তব্যের জবাব দিতে হলো!

 

ছোটবেলা থেকে আসিফ আকবরের গান ভাল লাগতো। পছন্দের শিল্পী তালিকায় তিনিও ছিলেন। বিএনপির লাখো মানুষ তাকে গায়ক হিসেবে পছন্দ করতো। শিল্পী বা তারকাদের কোনো দল না থাকাই শ্রেয়। আর থাকলে তিনি তো সাকিবের মতোই ঘৃণিত হবেন। আমি জানি না, হঠাৎ কেন গায়ক আসিফ আকবর ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান হতে চাইলেন? তাকে তো আমরা ভালোবাসি, এই ভালবাসার প্রতিদান এভাবে দেওয়া মোটেও উচিত হলো না, প্রিয় আসিফ আকবর ভাই!

মাথায় সমস্যা থাকায় ভুল করেছেন— গায়ক আসিফকে নিয়ে রাশেদ খাঁন

মাগুরার শ্রীপুরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর ভুয়া পরিচয়ে এক নারীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট, একটি খেলনা পিস্তল, অপহরণে ব্যবহৃত একটি নোয়া মাইক্রোবাস ও আটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন— মোছা. আসমা খাতুন, মো. হাসানুজ্জামান হাছান, মো. ওসমান গনি, সালমান শাহ, মো. ছাব্বির হোসেন, মো. সাকিব ও মো. আল আমিন হোসেন। তাদের বাড়ি মাগুরার শালিখা উপজেলা, ঝিনাইদহ ও কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

পুলিশ সুপার জানান, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকোল পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা জানতে পারেন, শ্রীপুর থানার নাকোল পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি নোয়া মাইক্রোবাস সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছে।

 

বিষয়টি নাকোল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল মালেক পুলিশ সুপারকে জানালে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) থান্দার খায়রুল হাসান রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

 

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকেই তাদের আটক করা হয়। এ সময় এক নারীসহ সাতজনকে আটক করে পুলিশ। তাদের এই অভিযানের মাধ্যমে ওই নারীকে অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা চারটি জ্যাকেটে সিআইডি লেখা ছিল। এছাড়া একটি খেলনা পিস্তল, একটি নোয়া মাইক্রোবাস ও আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মাগুরায় সিআইডির ভুয়া পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, আটক ৭

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশের নিহত ৯ জনের মরদেহ আসছে ২৭ আগস্ট, এর মধ্যে ৭ জনই নওগাঁর

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

 

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ আগামী ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে। নিহতদের মধ্যে ৭ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।

 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ২৫ আগস্টের এক সরকারি চিঠির সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

চিঠিতে জানানো হয়, গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী নিহত হন। পরবর্তীতে সৌদি কর্তৃপক্ষ ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় নিশ্চিত করে।

 

সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ বিমানের BG-340 ফ্লাইটে আগামী ২৭ আগস্ট বিকেল ৪টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

 

নিহত ৯ জনের পরিচয় শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলারই সাতজন, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার একজন এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার একজন রয়েছেন।

 

নওগাঁ (আত্রাই উপজেলা): মৃত ফরিদ, মৃত রুবেল প্রামাণিক, মৃত সোহেল রানা, মৃত কলিমউদ্দিন ইসলাম, মৃত মোহন আলী, মৃত সুমন আলী ও মৃত আব্দুল জলিল সরকার।

নাটোর (নলডাঙ্গা উপজেলার): মৃত রবিউল ইসলাম।

রাজশাহী (বাগমারা উপজেলার): মৃত শ্যামল উদ্দিন মাঝি।

মরদেহ গ্রহণ ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। তবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাকি ৭ জনের পরিচয় শনাক্তকরণ ও মরদেহ আনার বিষয়ে ওই চিঠিতে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশের নিহত ৯ জনের মরদেহ আসছে ২৭ আগস্ট, এর মধ্যে ৭ জনই নওগাঁর

গাইবান্ধায় কাবিলের বাজার মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কাবিলের বাজার মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া কওমী মাদ্রাসায় পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষে এক উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অত্র মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিম মুফতি ইদ্রিস বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে ও মুফতি আমিনুল ইসলামের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় মুল বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল রাসুলুল্লাহ (সা:)-এর মিলাদুন্নবী ও সিরাতুন্নবী (সা:), আখলাকুন্নবী (সা:) সম্পর্কিত হাদিস, নাতে রাসুল (সা:), আসমাউল হুসনা এবং বিষয়ভিত্তিক কিরাতে কুরআন তেলাওয়াত।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাদ্রাসার সভাপতি মো: এ.টি.এম সাবুদ মিয়া।প্রতিযোগিতা পরিচালনায় প্রধান বিচারক ছিলেন মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাও: রাকিবুল ইসলাম এবং বিচারকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,মাওঃ আশরাফ আলী মুফতী সাইফুল ইসলাম সাইফী হাফেজ মেহেদী হাসান কারী হুসাইন কারি ফরিদুল হাফেজ মাসুদ কারী মাসুদ কারী গোলাম রববানী।

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা নাতে রাসূল (সা:)-এর মধুর সুর ও আসমাউল হুসনার পরিবেশনা পুরো মাদ্রাসার আবহকে এক রুহানি ও আধ্যাত্মিক শান্তিতে ভরিয়ে তোলে।মিলাদুন্নবী ও সিরাতুন্নবী (সা:)-এর গুরুত্ব এবং আখলাকুন্নবী (সা:) সম্পর্কিত হাদিস প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মহানবী (সা:)-এর উত্তম আদর্শ ও জীবনচরিত সম্পর্কে গভীরভাবে জানার সুযোগ পেয়েছে।

 

উল্লেখ্য, বর্তমানে মাদ্রাসার নূরানী একাডেমী বিভাগসহ সকল বিভাগে নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গাইবান্ধায় কাবিলের বাজার মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে পিকআপ ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ নিহত ২ আহত ৪

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পিকআপ, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের ভূল্লী উপজেলাধীন কচুবাড়ী পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন—ভূল্লী উপজেলার বড় বালিয়া এলাকার শাহজাহান আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৪৫) এবং অজ্ঞাতনামা এক পুরুষ (প্রায় ৪০) মারা যান।

 

আহতরা হলেন— মোটরসাইকেলচালক লক্ষ্মীরহাট বাজার এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হারুনুর রশিদ (৩৮), অটোরিকশাচালক কিসমত কেশুরবাড়ি এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে মো. সাহিরুল ইসলাম (২৩), বড় বালিয়া এলাকার মোছা. জরিনা (৪০) এবং ঠিকানা অজ্ঞাত মো. শফিকুল ইসলাম। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় হারুনুর রশিদ, সাহিরুল ইসলাম ও অন্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি মালবাহী পিকআপ কচুবাড়ী পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনটি যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কয়েকজন যাত্রী ও চালক গুরুতর আহত হন।

 

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ারা বেগম ও লাইলী বেগমের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হারুনুর রশিদ ও সাহিরুল ইসলামকে পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

খবর পেয়ে ভূল্লী থানার পুলিশ এবং বোদা হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

 

এ ঘটনায় পিকআপের চালক মো. হাবিবুর রহমান (২৪)কে আটক করেছে পুলিশ। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিষকাকুড়ি গ্রামের মো. আব্দুল হামিদের ছেলে। পুলিশ পিকআপসহ তাকে ভূল্লী থানায় নিয়ে গেছে।

 

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “কচুবাড়ী এলাকায় পিকআপ, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষে দুই নারী নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পিকআপের চালককে গাড়িসহ আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে পিকআপ ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ নিহত ২ আহত ৪

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d