এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে’ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে’

এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। তিনি বলেছেন, এখন এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে।

 

রোববার (০৩ মে) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।পোস্টে ইংরেজিতে তিনি লেখেন, “It’s time to say goodbye to NCP. All the best.”


প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।

 

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে ইনকয়ারি (অনুসন্ধান) করার আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে।

 

জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ রোববার (৩ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে কেবিনেট সচিব ও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

 

রিটের বিষয়টি সোমবার (৪ মে) নিশ্চিত করেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আজ দুপুর একটায় ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

 

এর আগে শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। ওই রিট আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিলেন। এর পর তিনি ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছিলেন।

 

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

 

একই সঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর পর আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। একই সঙ্গে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

 

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন। সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

গণঅধিকার ও যুব অধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী যোগ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি)। শনিবার (২ মে) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। এসময় তাদের ফুল দিয়ে বরিশাল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা বরণ করে নেন। এসময় বিভিন্ন দল থেকে আগ্রহী নেতাকর্মীদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এদিন সদস্য ফরম পূরণ করে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে জানান মুসা।

 

এদিকে এনসিপিতে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্যরা হলেন- গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাসুম হাওলাদার, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদ সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রিয়াদ, কেদারপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খানসহ উজিরপুর, গৌরনদী, মেহেন্দিগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

 

এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- এনসিপি বরিশাল জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ খান ফেরদৌস, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আবেদ আহমেদ রনি, জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক নাফিসা মুসতারি, সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ আলী ও ইমরান হোসেন, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ।

গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আগামী ৪ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে এই এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।প্রশিক্ষণে মনোনীত কর্মকর্তারা হলেন-

 

 

১. স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সালমা সিদ্দিকা মাহতাব,

২. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মোস্তফা জামাল হায়দার,

৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আবু রায়হান মিয়া,

৪. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. ফিরোজ আহমেদ,

৫. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. তৌফিক ইমাম,

৬. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. তৌফিক ইমাম,

৭. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রায়হান আখতার,

৮. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ.এফ.এম. এহতেশামুল হক,

৯. স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. শামসুল হক,

১০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম,

১১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. জিল্লুর রহমান,

১২. বিসিএস প্রশাসন একাডেমির এমডিএস (যুগ্ম সচিব) জিসরকারি আদেশে কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এই প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় পাকিস্তান সরকার বহন করবে। বাংলাদেশ সরকারকে এই সফরের জন্য কোনও আর্থিক ব্যয়ভার গ্রহণ করতে হবে না। কর্মকর্তারা স্থানীয় মুদ্রায় তাদের বেতন ও ভাতাদি গ্রহণ করবেন এবং যাতায়াতের সময়কাল কর্মকালীন হিসেবে গণ্য হবে।

 

 

* কর্মকর্তারা ৪ মে ২০২৬ তারিখের কাছাকাছি সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন।

 

 

* এই প্রশিক্ষণের সময়কাল এবং যাতায়াতে ব্যয় হওয়া সময় কর্মকালীন (অন ডিউটি) হিসেবে গণ্য হবে।

প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১২ সরকারি কর্মকর্তা

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বে থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

আজ শুক্রবার (১ মে) ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ এক বিশেষ ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জামায়াতে ইসলামীর থানা ও বিভাগীয় সম্মেলনে সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সাদিক কায়েম নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (১ মে) সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ এক বিশেষ ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশেষ ঘোষণায় বলা হয়, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় একজন দায়িত্বশীলকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার সংবাদ কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইসলামী ছাত্রশিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দল থেকেও তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ নেই।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে দায়িত্ব শেষ করে বিদায় নেওয়ার পর কেউ কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হলে কিংবা নির্বাচনে প্রার্থী হলে সেটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। অতএব, বর্তমান সেশনের কোন দায়িত্বশীলকে নিয়ে এ ধরনের সংবাদে কেউ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

অপরদিকে, জামায়াতের একাধিক নেতা সূত্রে জানা গেছে, ওই সম্মেলনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করেন জামায়াতের কয়েকজন নেতা।

সংবাদমাধ্যমকে এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলছেন, কেউ পরামর্শ বা প্রস্তাবনা দিতেই পারে, তবে এটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামী যাকে অনুমোদন দেবেন আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হিসেবে তার নামই ঘোষণা করা হবে।

সাদিক কায়েমের মেয়র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই: ছাত্রশিবির

 

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

সংসদে আইন পাশের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

 

শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন ।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, জামায়াতের পূর্বসূরিরা মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেনি জামায়াতের তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এই সংসদে আমরা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন-২০২৬ পাশ করেছি। সে আইনের ধারা ২-এর উপধারা ১০ এর সংজ্ঞা অনুযায়ী জামায়াত এদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি প্রতিষ্ঠিত সত্য।

 

সংসদে উত্থাপিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন-২০২৬ বিল সম্পর্কে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা যখন বিলটি পার্লামেন্টে আনলাম তখন জামায়াতে ইসলাম বিলটির বিরোধিতা করেনি বরং তারা চুপ করে ছিলেন। আমরা জানি মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। আর এনসিপি লিখিতভাবে এই বিলে সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যা যা করার বিএনপি সব করবে। তবে গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে, বিএনপি প্রতারণার অংশের সাথে নেই বলেও জানান তিনি।

জামায়াতে ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি প্রতিষ্ঠিত সত্য : আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

অর্থ আ’ত্ম’সাৎ ও জা’ল চেকের মাধ্যমে প্র’তার’ণার অভিযোগে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নেতা হাবিবুল ইসলাম বাবলু স্ত্রী সহ ঢাকায় আটক

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও শিল্পপতি বাবলু স্ত্রীসহ ঢাকায় গ্রেফতার

অর্থ আত্মসাৎ ও জাল চেকের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও রাজ্জাক গ্রুপের চেয়ারম্যান হাবিবুল ইসলাম বাবলু এবং তার স্ত্রী আইরিন আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

২৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গুলশান থানা পুলিশের একটি দল তাদের গ্রেফতার করে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দাউদ হোসেন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের শীবগঞ্জ পূর্বপারপুগী এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে হাবিবুল ইসলাম বাবলু এবং তার স্ত্রী আইরিন আক্তার।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল চেকের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলার ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

অর্থ আ’ত্ম’সাৎ ও জা’ল চেকের মাধ্যমে প্র’তার’ণার অভিযোগে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নেতা হাবিবুল ইসলাম বাবলু স্ত্রী সহ ঢাকায় আটক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিক্ষকের ধর্ষণে ১২ বছরের এক মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি গ্রামের হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

 

গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় মেয়েটির মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসায় তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগী শিশুটি একই এলাকার বাসিন্দা এক বিধবা নারীর একমাত্র মেয়ে। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান। এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটি নেন। এরপর থেকে তিনি আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন ওই মাদরাসার আরেক শিক্ষক। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিও শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় যায়নি।

 

পরবর্তীতে সময়ে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ঘটলে তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি জানতে পারে। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে তার পরিবার মদন ‍উপজেলার হাসপাতাল রোডে অবস্থিত স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারের চেম্বারে যান।

 

ঢাকা পোস্টের পক্ষ থেকে ডা. সায়মা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে আমার ক্লিনিকে আসে এবং জানায়, যে তার পেটে সবসময় ভারী অনুভব করে এবং তার পেটের ভেতর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। পরে প্রাথমিকভাবে তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পাই, বাচ্চাটি রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে।

 

তিনি আরও জানান, অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির গর্ভে থাকা শিশুর বয়স প্রায় ২৭ সপ্তাহের বেশি (প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৭ মাস)। শিশুটির বয়স ১১ বছর, উচ্চতা সাড়ে চার ফুটের কম এবং ওজন মাত্র ২৯ কেজি। গর্ভস্থ শিশুটির বাইপ্যারাইটাল ডায়ামিটার (মাথার দুপাশের হাড়ের দূরত্ব) প্রায় ৭৪ মিলিমিটার। যা শিশুটির পেলভিকের তুলনায় অনেক বড়। অর্থাৎ শিশুটির সরু কোমরের তুলনায় গর্ভস্থ বাচ্চার মাথার মাপ অনেক বেশি। এটি বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এছাড়া বাচ্চাটির রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা মাত্র ৮.২, যা মারাত্মক রক্তস্বল্পতার লক্ষণ। সে অপুষ্টি এবং কৃমির সমস্যায়ও ভুগছে। সরু পেলভিসের ভেতর দিয়ে বড় মাথার বাচ্চা প্রসব করা স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়, যা মা ও বাচ্চা উভয়ের জন্যই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

 

চিকিৎসকের মতে, এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক ডেলিভারি প্রায় অসম্ভব। শুধুমাত্র ‘ক্র্যানিওটমি’ (বাচ্চার মাথা কেটে বের করা) পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাভাবিক ডেলিভারি করা যেতে পারে, যা একটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। ১১ বছরের এই ছোট বাচ্চার শরীরে সিজারিয়ান সেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যানেস্থেসিয়া বা ওষুধের ডোজ নির্ধারণ করা চিকিৎসকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

 

ডা. সায়মা আক্তার বলেন, শিশুটি বর্তমানে প্রচণ্ড ভয়ের মধ্যে রয়েছে। যখন সে প্রথম চেম্বারে আসে, তখন কথা বলার সাহস পাচ্ছিল না। অনেকক্ষণ নিজের সমস্যার কথা বুঝিয়ে বলতে পারেনি। শিশুটি এবং তার পুরো পরিবার এই ঘটনায় ট্রমাটাইজড হয়ে পড়েছে। শিশুটি এখনও পুরোপুরি বুঝতে পারছে না যে তার সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছে বা ভবিষ্যতে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে।

 

এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, ১১ বছর বয়সী এই শিশুটির আসলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে গাইনোকোলজিস্টের কাছে আসতে হয়েছে এমন একটি সমস্যা নিয়ে। মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে ভয়াবহ বিপদে পড়েছে।

 

ওই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তা ও শিক্ষক মো. ছোটন ঢাকা পোস্টকে বলেন, এই বিষয়ে বলতে গেলে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার কিছু জানায়নি। আর পাঁচ মাস আগে ওই মেয়ে চলে গেছে, তখনো আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। তারা দুই পরিবার প্রতিবেশী। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর তো ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে না। তিনি স্ত্রী সন্তানসহ পলাতক রয়েছেন। এমনকি গ্রামের কোনো মানুষের সঙ্গে বা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না।

 

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমি একটি মামলা সংক্রান্ত কাজে একবারে প্রত্যন্ত এলাকায় রয়েছি, পরে বিস্তারিত জানাতে পারব। আমি এখানে নতুন যোগদান করায় এখনো বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। তবে আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাবে।

 

 

আপনার কন্যা সন্তানকে সবসময় চোখে চোখে রাখুন – গণ টেলিভিশন

 

১২ বছরের মাদরাসাছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, জীবন নিয়ে শঙ্কা

আন্দোলন সংগ্রামের রাজপথের মহা নায়ক ছিলেন খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু।

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সাভার পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামিরুল হক সামিরকে ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ‘আন্দোলন-সংগ্রামের মহানায়ক’খ্যাত ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র ভাইস ও সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি,মরহুম খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু-র আদর্শ ধরে কাজ করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।

 

মোঃ সামিরুল হক সামির প্রয়াত মরহুম খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু কে স্মরণ করে বলেন

সাভারের রাজনৈতিক অঙ্গনে খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু একটি পরিচিত ও শ্রদ্ধার নাম। স্থানীয়দের মতে, তিনি ছিলেন রাজপথের আপোষহীন নেতা ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের অগ্রপথিক। সেই সংগ্রামের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং ৬নং ওয়ার্ডের অসম্পূর্ণ উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে মাঠে নেমেছেন সামিরুল হক সামির।

তিনি ৬নং ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় ও তাদের সমস্যার কথা শুনছেন তিনি। স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে বিল্টু সাহেবের আদর্শের ধারক মনে করে সমর্থন জানাচ্ছেন।

এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সামিরুল হক সামির বলেন:

 

“আমি কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু ভাইয়ের দেখানো পথে সাধারণ মানুষের সেবা করতে চাই। ৬নং ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত করে একটি আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড উপহার দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

 

৬নং ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজের পাশাপাশি রাজনৈতিক বলিষ্ঠতা বড় ভূমিকা রাখবে। সামিরুল হক সামিরের দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক ত্যাগ তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৬নং ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে এখন আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—কে হচ্ছেন পরবর্তী কাউন্সিলর।

আন্দোলন সংগ্রামের রাজপথের মহা নায়ক ছিলেন খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সোমবার (০৪ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য হাইকমিশনার ধন্যবাদ জানান।

 

সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চলমান অগ্রগতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা করেন।

 

দুই দেশের নতুন সক্ষমতা ও আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আগামীতে এই সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

প্রণয় ভার্মা পুনর্ব্যক্ত করেন যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ভারত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। দুই দেশের জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও লাভের ভিত্তিতে জনকল্যাণমুখী সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখার ওপর তিনি জোর দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রণয় ভার্মার অবদানের প্রশংসা করেন এবং তার পরবর্তী কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) আইনজীবী মোহাম্মদ মঈদুল ইসলাম পলক রিটটি করেন এবং অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস তা আদালতে উপস্থাপন করেন।

 

রিটে চুক্তিটিকে অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম ও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থপরিপন্থী বলা হয়েছে।

 

এতে অভিযোগ করা হয়, চুক্তিটি দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধানের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

 

রিটে পররাষ্ট্র, অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বিবাদী করা হয়েছে।

 

চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর অসম শুল্ককাঠামো, নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা খর্ব এবং দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের খণ্ডিত মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি।

 

এর আগে, শনিবার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ৯টায় জামিলের মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে অরল্যান্ডো বিমানবন্দর ছাড়ে। দুবাই হয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছায় বিমানটি। পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে লিমনের মরদেহ।

 

সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষায় ছিলেন লিমনের বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে লিমনের হত্যার ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছে স্বজনরা।

 

গত ১৬ এপ্রিল সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। এর আটদিন পর ২৪ এপ্রিল জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ ঢাকায়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় মারার অভিযোগে ছাত্রদল নেত্রী সাদিয়া সুলতানা নেলীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 

রোববার (৩ এপ্রিল) উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন ও সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

গত ২৯ এপ্রিল অডিটোরিয়ামে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনেই ওই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতে জকসু নেতৃবৃন্দ অভিযুক্তের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আল্টিমেটাম প্রদান করেন। ভিপি রিয়াজুল ইসলাম সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে স্থায়ী শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

উপাচার্য জানান, ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ বরদাশত করা হবে না। এদিকে বহিষ্কৃত নেলী জানান, তাকে এখনো দাপ্তরিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জবির ছাত্র সংসদ নেতাকে থাপ্পড়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।

 

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে ইনকয়ারি (অনুসন্ধান) করার আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে।

 

জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ রোববার (৩ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে কেবিনেট সচিব ও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

 

রিটের বিষয়টি সোমবার (৪ মে) নিশ্চিত করেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আজ দুপুর একটায় ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

 

এর আগে শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। ওই রিট আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিলেন। এর পর তিনি ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছিলেন।

 

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

 

একই সঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর পর আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। একই সঙ্গে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

 

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন। সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

মাদারীপুরের শিবচরে প্রেমিকার সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে ৪৫০ ফুট উঁচু বিদ্যুৎ টাওয়ারে উঠে অনশন করেন এক যুবক। খবর পেয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টা চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে।

 

রোববার (৩ মে) রাত ১০টার দিকে হাসান শেখ নামের ওই যুবককে টাওয়ার থেকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবচর পৌরসভার ডিসি রোডের বাসিন্দা হাসান শেখ বিকাল ৩টার দিকে চর-কাকইর, দফাদার কান্দি নদীর পাড়ে অবস্থিত একটি বিদ্যুৎ টাওয়ারে উঠে অনশন শুরু করেন। এসময় তিনি তার ফেসবুকে লাইভে এসে আত্মহত্যার হুমকিও দেন।

 

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রেমিকার মন জয় করতে এবং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার দাবিতে হাসান শেখ এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নেন। তাকে টাওয়ারে উঠতে দেখে দ্রুত পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবকটিকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনার চেষ্টা চালান। প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে চেষ্টার পর তাকে নামিয়ে আনা হয়।

 

এক পর্যায়ে যুবকটি জানান, তার প্রেমিকা ফোন না করলে তিনি টাওয়ার থেকে নামবেন না।

 

এদিকে, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা দেখতে টাওয়ারের নিচে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। সবাই উদ্বেগ নিয়ে যুবকটির দিকে তাকিয়ে থাকে এবং তাকে নিরাপদে নামিয়ে আনার জন্য প্রার্থনা করেন।

 

শিবচর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ তপন কুমার ঘোষ জানান, অনেক চেষ্টা ও কৌশলে বুঝিয়ে রাত প্রায় ১০টার দিকে প্রায় ৪৫০ মিটার উঁচু বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে যুবকটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন তারা। উদ্ধার করার পর ওই যুবককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রেমিকার অভিমান ভাঙতে ৪৫০ ফুট উঁচু টাওয়ারে যুবক, অতঃপর…

 

চট্টগ্রামের হালিশহরে নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠক থেকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ১৪ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। রোববার রাত ৮টার দিকে ‘তায়েফ রেস্টুরেন্ট’ থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদের প্রধান সংগঠক। পুলিশ জানিয়েছে, এই বৈঠকটি কোনো সাধারণ সামাজিক আয়োজন ছিল না বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত গোপন সমাবেশ, যেখানে দেশের বাইরে অবস্থানরত দলীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার নীলনকশা তৈরি হচ্ছিল।

 

সিএমপির গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। বিদেশে পলাতক নেতাদের নির্দেশনায় তারা স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

 

সিএমপি ডিবির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদের প্রধান সংগঠকসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে।

 

উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। রেস্টুরেন্টের ভেতরে বৈঠকরত অবস্থায় ১৪ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকার পালানোর পর বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে সারা দেশে বিভিন্ন সময়ে সংগঠনটির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গোপন বৈঠক থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৪ সদস্য গ্রেপ্তার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d