
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বলড়া ইউনিয়নে কোমল পানীয়র (স্পীড কোল্ড ড্রিংসের) সাথে চেতনা নাশক পান করিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
আতিকুর রহমান আশিক
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মামলায় প্রধান আসামি জিহাদ (২০) এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গত ১ জুলাই (বুধবার) হরিরামপুর থানায় ধর্ষণ মামলা হলে ৩ নং আসামী মিনু আরা ওরফে আশা নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে মামলা রুজুর এক সপ্তাহ পার হলেও প্রযুক্তির যুগে এখনো প্রধান আসামি জিহাদ (২০) কে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এর আগে গত ২৫ শে জুন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার বলড়া ইউনিয়নের বলড়া গ্রামে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষনের অভিযোগ উঠে প্রতিবেশী জিহাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে জিহাদ পলাতক রয়েছে।
গত ১ জুলাই (বুধবার) ওই কিশোরীর বাবা হরিরামপুর থানায় জিহাদসহ ৪ জনের নামে মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিবাহ উপলক্ষ্যে পাশের বাড়ি গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যায় ওই কিশোরী। প্রতিবেশি জিহাদ, সোহাগ ও গৃহবধূ আশাও যান ওই অনুষ্ঠানে । অনুষ্ঠানে মামলার ১ নং আসামী জিহাদ ও ৩নং আসামী আশার সহায়তায় বাদীর মেয়েকে জোরপূর্বকভাবে কোমল পানীয় স্পিডের সাথে চেতনা নাশক জাতীয় ঔষধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে এবং আশার ঘড়ের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে।
পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে কিশোরীর বাবা হরিরামপুর থানায় মামলা করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার বলরায় ইউনিয়নের বলার গ্রামের মোঃ পান্নু বেপারীর ছেলে মোঃ জিহাদ (১৯), একই গ্রামের মোঃ ইব্রাহিম বেপারীর ছেলে মোঃ সোহাগ (১৬), মোঃ রাজেদুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ মিনুআরা নার্গিস ওরফে আশা (২০) ও মৃত আফসার বেপারীর ছেলে মোঃ আফজাল বেপারী (৩০)।
হরিরামপুর থানার মামলা নং- ০১/ তাং- ০১/০৭/২০২৬খ্রিঃ, ধারা- ৯(১)/৯(৪)(খ)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন,২০২৬ ; তৎসহ ৩২৮ পেনাল কোড, ১৮৬০।
মামলার এজাহার নামীয় ৩নং আসামিকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলেও তথ্য প্রযুক্তির যুগে এখনো প্রধান আসামীসহ অন্যান্যরা রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এ ব্যাপারে হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, মামলায় ধর্ষণের সহযোগী আশা নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার মূল আসামী জিহাদসহ বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Leave a Reply