টাঙ্গাইলে মেডিনোভার ভুল রিপোর্টে রোগীর ভোগান্তি \ মহাবিপাকে ভুক্তভোগী

টাঙ্গাইলে মেডিনোভার ভুল রিপোর্টে রোগীর ভোগান্তি \ মহাবিপাকে ভুক্তভোগী

 

 

মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী

জেলা প্রতিনিধি টাংগাইলঃ

 

টাঙ্গাইল শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড ক্লিনিকের ভুল রিপোর্টে এক রোগীকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি চরম বিপাকে পড়েছিলেন। ওই ভুলের বিপরীতে সঠিক রিপোর্টের জন্য একই রোগীকে আরো তিনটি হাসপাতালে পরীক্ষা করতে হয়েছে। এতে অতিরিক্ত খরচ ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে তাকে। ওই রোগী হলেন, ঢাকা ট্রিবিউনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান।

 

জানা যায়, গত ৬ই এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার শারীরিক সমস্যা অনুভব করাতে তিনি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখায় বুকের এক্সরে করান। ওই এক্সরেতে তার লাঞ্চে পানি জমেছে বলে রিপোর্টে দেখানো হয়। পরদিন বুধবার (৭ এপ্রলি) বিকেলে নোমান রিপোর্টটি সোনিয়া ক্লিনিকে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নুরুল আমিন মিঞাকে দেখান। ডা. নুরুল আমিন মিঞা ওই রিপোর্ট দেখে লাঞ্চে পানি জমার বিষয়টি সাংবাদিক নোমানকে জানান। তিনি নোমানের লাঞ্চ থেকে পানি রেব করার সিদ্ধান্ত নেন। পরদিন বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) নোমান সোনিয়া ক্লিনিকে ভর্তি হন। সেখানে এন্যানেস্থশিয়া, পেইন এবং ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও সোনিয়া নার্সিং হোমের কনসালটেন্ট ডা. এন.কে. আলম তার লাঞ্চ থেকে ইনজেকশনের মাধ্যমে পানি বের করার চেষ্টা করে। কিন্তু একাধিকবার পুশ করেও তার লাঞ্চ থেকে পানি বের হয়নি। পরে চিকিৎসক এন.কে. আলম সাংবাদিক নোমানের লাঞ্চে পানি না পেয়ে হতবাক হয়ে যান। চিকিৎসক এন.কে. আলম আরও নিশ্চিত হবার জন্য সোনিয়া ক্লিনিকে নোমানের আল্ট্রা করান। আল্ট্রা রিপোটেও লাঞ্চে পানি ধরা পড়েনি। পরে বিষয়টি চিকিৎসক এন.কে. আলম ডা. নুরুল আমিনকে জানালে তিনি সোনিয়া ক্লিনিকে শুধু ডান কাত করে এক্সরে করতে বলেন। পরে সেই এক্সরে রিপোর্টেও তার লাঞ্চে কোনো পানি ধরা পড়েনি। এতে করে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নুরুল আমিন মিঞা অবাক হন। এরপর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য গত শনিবার (১০ এপ্রিল) আবার জাতীয় সব হাসপাতালে এক্সরে করালে সে রিপোর্টেও পানি ধরা পড়ে না। কিন্ত মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখা থেকে তার লাঞ্চে পানি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত ভাবেই জানানো হয়। বিষয়টি আরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য নোমান বুধবার (১৩ এপ্রিল) আরেকটি ক্লিনিকে এক্সরে করান। সেই রির্পোটেও লাঞ্চে কোন পানি পাওয়া যায়নি। মেডিনোভার হাসপাতালে কর্মরত রিপোর্টদাতার ভুলের কারণে সাংবাদিক নোমান বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন। এই রিপোর্টের কারণে তিনি ও তার পরিবার চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হয়।

 

এ ব্যাপারে সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, মেডিনোভা হাসপাতালের ভুল রিপোর্টের কারণে আমি চরম দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ভুল রিপোর্টের কারণে আমার শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে। এমন ভুলের কারণে আমার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারতো। এ ঘটনায় মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখার কর্তৃপক্ষ ও ভুল রিপোর্টদাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, গতকাল সোমবার টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নুরুল আমিন মিঞা সর্বশেষ রির্পোটগুলো দেখে জানান, ‘আপনার লাঞ্চে কোন পানি নেই। আপনার সব কিছু ঠিকই আছে’

 

সোনিয়া ক্লিনিকের চিকিৎসক এনকে আলম বলেন, যথারীতি নিয়মে ওইদিন নোমানের লাঞ্চ থেকে পানি বের করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু লাঞ্চ থেকে তার কোন পানি বের হচ্ছে না। কিন্তু মেডিনোভার রিপোর্টে পানি রয়েছে বলে দেখানো হয়। পরে আমরা তার আল্ট্রা করাই। আল্ট্রাতেও তার কোন পানি পাওয়া যায়নি।

 

সাংবাদিক নোমানের সাথে থাকা তার সহর্কমী জাতীয় দৈনিক প্রভাতী খবরের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রবিন তালুকদার বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃক্ষজনক। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সেই সাথে দ্রুত প্রশাসনের হস্তকেক্ষপ কামনা করছি।

 

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. নুরুল আমিন মিঞা বলেন, আমার কাছে আসা রোগীর মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে করানো এক্স্রে সুস্পষ্টভাবেই পানি দেখানো হয়েছিল। কিন্তু এই রির্পোটের বিষয়ে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের উপযুক্ত জবাবদিহিতা থাকলেও থাকতে পারে।

 

এ ব্যাপারে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখার ম্যানেজার হায়দার বলেন, বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার রির্পোটটি কয়েকজন প্রফেসরকে দেখানো হয়েছে। তারা কোন রির্পোটে কোন ভুল পাননি। রির্পোটটি সঠিক বলেও তিনি দাবি করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩