তজুমদ্দিনে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, কী ঘটেছিল সেদিন - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
তজুমদ্দিনে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, কী ঘটেছিল সেদিন

তজুমদ্দিনে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, কী ঘটেছিল সেদিন

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মাওলানাকান্দি এলাকায় চাঁদার দাবিতে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রদল ও শ্রমিক দলের তিন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এ ঘটনায় অন্যতম আসামি মানিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সোমবার রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার পর মঙ্গলবার তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।

কর্মসূচিতে বর্তমান ও সাবেক উপজেলা কমিটির সমর্থকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে বলেন, দুস্কৃতিকারিরা গত সোমবার ভোলায় চাঁদার দাবিতে স্বামীকে ব্যাপক মারধর ও স্ত্রীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করার ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলেও দেশে এখনও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে।

তিনি আরও বলেন, ভোলায় নারীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। দুস্কৃতিকারিদের দ্বারা সংঘটিত এ ধরনের বর্বরোচিত ও পশুর চেয়েও হিংস্রতায় গোটা দেশের মানুষ হতভম্ব। নারীর ওপর ধারাবাহিক এ ধরনের পাশবিক নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় দেশের নারী সমাজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাই দুস্কৃতিকারিদের কঠোর হস্তে দমনের কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন থেকে জনগণ নিস্তার পেলেও দেশ এখনও পুরোপুরি নিরাপদ নয় বলেই নারীর ওপর এ ধরনের বর্বর ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ভোলায় নারীকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত দুস্কৃতিকারিদের আমি অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোড় আহ্বান জানাচ্ছি।

তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তদের শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়। সোমবার রাতে ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মানিক নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এদিকে বুধবার বিকেলে তজুমদ্দিন উপজেলা সদরে জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দও একটি প্রতিবাদ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।উল্লেখ্য, সোমবার রাতে বাদীর দ্বিতীয় স্ত্রীর বসতঘরে একদল দুর্বৃত্ত হানা দিয়ে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী ও সামাজিক সংগঠনগুলো।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d