ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, মে মাসে কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, মে মাসে কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, মে মাসে কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা

তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন চরম ভোগান্তির পর দেশজুরে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়েছে গত কয়েক দিন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে মে মাসে ঘূর্ণিঝড়, তীব্র কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির শঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

সংস্থাটির মে মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

 

এ ছাড়া মে মাসে দেশে ১-৩টি মৃদু (৩৬-৩৭.৯ সেলসিয়াস)/মাঝারি (৩৮-৩৯.৯ সেলসিয়াস) যার মধ্যে ১টি তীব্র (৪০-৪১.৯ সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

 

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, মে মাসে কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা

তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন চরম ভোগান্তির পর দেশজুরে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়েছে।

তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন চরম ভোগান্তির পর দেশজুরে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি শুরু হয়েছে গত কয়েক দিন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে মে মাসে ঘূর্ণিঝড়, তীব্র কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির শঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

সংস্থাটির মে মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

 

এ ছাড়া মে মাসে দেশে ১-৩টি মৃদু (৩৬-৩৭.৯ সেলসিয়াস)/মাঝারি (৩৮-৩৯.৯ সেলসিয়াস) যার মধ্যে ১টি তীব্র (৪০-৪১.৯ সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

 

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময়ে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ ৫-৮ দিন হালকা/মাঝারি, যার মধ্যে ২-৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড়সহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ মাসে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

 

দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে বিচ্ছিন্ন ভারি বৃষ্টিপাতে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীসমূহের পানি সমতল সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।


পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন।

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি।

 

সোমবার ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোয়ালপাড়া সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরীফ।

 

এ সময় বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি জাতের দুই শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন নেতাকর্মীরা।

 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আলম লাবু, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সায়েম এবং পৌর বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মাসুদ রানাসহ দলের নেতাকর্মীরা।

 

 

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথা জানান তারা।

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট তৃতীয়বারের মতো পুনরায় খুলে দেয়া হয়েছে।

 

শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন শুরু হয়। বর্তমানে লেকে পানির উচ্চতা রয়েছে ১০৫.৫১ ফুট এমএসএল।

 

কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, লেকের পানি বাড়ায় রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর প্লাবিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। লেকের পানির উচ্চতা ১০৫ ফুটে নেমে এলে জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।

 

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লেকের বর্তমান পানির উচ্চতা ১০৫.৫১ ফুট। পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খোলা হয়েছে এবং পানির উচ্চতা ১০৫ ফুটে নেমে এলে এগুলো বন্ধ করা হবে।

 

উল্লেখ্য, কাপ্তাই লেকের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। সম্ভাব্য দুর্যোগ এড়াতেই কর্তৃপক্ষ এই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করছে।

খুলে দেয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

উজানের পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুষ্টিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে জেলার সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলার দুটি ইউনিয়ন মারাত্মক বন্যাঝুঁকির মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয় সূত্ররা জানান, পদ্মার পানি বাড়ায় দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের বেশিরভাগ নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ফসলের জমি পানিতে ডুবে যাওয়ায় ব্যাপক কৃষিক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পানি প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় সম্ভাব্য দুর্যোগের আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন দুই ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

এদিকে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চিলমারী ইউনিয়নে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর যৌথ সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা জানানো হয়নি।

 

পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে চরাঞ্চলের আরও নতুন নতুন বসতি তলিয়ে পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রস্তুত রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

উজানের ঢলে পদ্মার পানি বৃদ্ধি, কুষ্টিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

বরিশালের বাবুগঞ্জে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে হঠাৎ করে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে আড়িয়াল খাঁ নদে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। নদীতীরবর্তী আতঙ্কিত মানুষ গাছপালা কেটে ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার আগেই সেগুলো ভেঙে নদীতে ভেসে যাচ্ছে। বসতভিটা ও সম্পদ হারিয়ে বিলাপ করছেন ভাঙনকবলিত মানুষ।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকালে প্রায় ১০০ ফুট এলাকাজুড়ে ফাটল দেখা দেয়। সন্ধ্যার দিকে চোখের পলকে ১০টি বসতঘর, ফসলি জমি ও গাছপালাসহ সড়কের প্রায় ৫০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একদিনে আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে রহমতপুর ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামের ১০টি বসতভিটা ও ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন নদীতীরের মানুষ।

 

শনিবার থেকে এ অঞ্চলে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আড়িয়াল খাঁ নদে পানি বেড়েছে। চোখের পলকে ভেঙে যাচ্ছে বসতঘর, গাছপালা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

 

রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামাল হোসেন পুতুল বলেন, রোববার সন্ধ্যায় চোখের পলকে আড়িয়াল খাঁ নদে লোহালিয়া গ্রামের ১০টি বসতভিটা, ঘরবাড়ি ও সড়কের অংশ বিলীন হয়ে গেছে। একদিনে নদীভাঙনে মোহাম্মদ কলম সরদার, আজহার মোল্লা, মতলব হাওলাদার, হাকিম হাওলাদার, মোহাম্মদ হাসিব, সুফিয়া বেগম, কালাম সরদার ও সামসু হাওলাদারসহ অনেকের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে।

 

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানান, আকস্মিকভাবে পানি বেড়ে যাওয়ায় আড়িয়াল খাঁ নদে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। ভাঙন রোধে এসব এলাকায় দ্রুত কাজ করা হবে।

আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে একদিনে ১০টি বাড়ি বিলীন

রাজধানী ঢাকাসহ ৯টি জেলার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্রবাজার জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

 

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ঢাকাসহ ৯ জেলায় দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হলেও এর প্রভাবে টানা তৃতীয় দিনের মতো জোয়ারে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছয়টি গ্রামসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

 

শুক্রবার দুপুরে জোয়ারে দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে থাকা উপজেলার চালিতাবুনিয়া ও চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও আঙিনা তলিয়ে যায়। অনেক পরিবারের পুকুরের মাছ ভেসে গেছে এবং রান্নাবান্না ব্যাহত হয়েছে।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল লঘুচাপে পরিণত হলেও পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়। এর সঙ্গে ছিল মৃদু দমকা হাওয়া।

 

দুপুরের জোয়ারে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের গরুভাঙা, মধ্য চালিতাবুনিয়া, বিবির হাওলা, চালিতাবুনিয়া বাজার ও চিনাবুনিয়া এবং চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রাম প্লাবিত হয়। তবে বৃহস্পতিবারের তুলনায় জোয়ারের পানির উচ্চতা কিছুটা কম ছিল।

 

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধের কারণে অস্বাভাবিক জোয়ার হলেই লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। ফলে প্রতি বছরই একই ধরনের দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে তাদের।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. খায়রুল হাসান বলেন, জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নে প্রায় ৩ কিলোমিটার এবং চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা এলাকায় প্রায় ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত রয়েছে। ফলে জোয়ারের পানি বাড়লেই এসব এলাকায় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কলাপাড়া নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, আইডব্লিউএমের মাধ্যমে নতুন একটি প্রকল্পের সমীক্ষা ও যাচাই-বাছাই চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) জমা দেওয়া হবে। ডিপিপি অনুমোদিত হলে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ।

তৃতীয় দিনের জোয়ারেও রাঙ্গাবালীর ছয় গ্রামসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩