পথচারি ও ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন ইউএনও আজিম উদ্দিন - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
পথচারি ও ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন ইউএনও আজিম উদ্দিন

পথচারি ও ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন ইউএনও আজিম উদ্দিন

 

ফরিদপুর)প্রতিনিধি:

গতকাল ৮তম রমজানে ইফতারের কিছুক্ষণ আগে ভাঙ্গা দক্ষিণপাড় বাসস্টান্ডে ইফতার নিয়ে হাজির ইউএনও আজিম উদ্দিন। অনেকেই ইফতার করতে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন। হঠাৎ সরকারি গাড়িতে শতাধিক প্যাকেট ইফতার নিয়ে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার দক্ষিন পাড় বাসস্টান্ড এলাকায় হাজির হন ইউএনও আজিম উদ্দিন।নিজ হাতে রিকশাচালক, অটোচালক ও ভ্যানচালক, ছিন্নমূল মানুষ এবং পথচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী ও কোমল পানীয় বিতরণ করেন প্রতিটি প্যাকেটে ইফতার হিসেবে ছিল কলা, আপেল, খেজুর, মুড়ি, জিলাপি, ছোলা বুট, বেগুনি ও পিঁয়াজু। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে ইফতার পেয়ে খুশি হন সেখানকার লোকজন।

পথচারি ও ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন ইউএনও আজিম উদ্দিন
পথচারি ও ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন ইউএনও আজিম উদ্দিন

তারা জানায়, করোনার কারণে তারা কর্মহীন, তাই টাকার অভাবে পানি খেয়েই হয়তো আজ ইফতার করতে হত।তাছাড়া উপজেলার সব হোটেল-রেস্তোরাও বন্ধ। তাই তারা ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানায়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিম উদ্দিন বলেন, রমজান মাস মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত ফজিলতের মাস, তাই আমরা নিজেদের খাবার থেকে কিছুটা খাবার এসব অসহায় মানুষের জন্য বিলিয়ে দিলে ওরা উপকৃত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে অনেক লোক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই রমজান মাসে কর্মহীন ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য ইফতার সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে। তিনি সমাজের বিত্তবান লোকদের যার যার সাধ্য অনুসারে অসহায় লোকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এসময় সহকারি কমিশনার(ভূমি)সজিব আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে পরিবারের ৫ বছর বয়সী এক শিশু।

 

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহতরা হলেন— ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত শিশুটি তাদের ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৫)। সুজন বড়ুয়া চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত।

 

স্থানীয় বাসিন্দা সুরভী বড়ুয়া জানান, চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজার কাছে এনি বড়ুয়া ও তার ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকেও রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে এনি বড়ুয়ার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরে কর্মস্থলে ছিলেন। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে স্ত্রী ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

 

তিনি দাবি করেন, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন ছিল। ওই লেনদেন-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে লিমন তার বাড়িতে এসে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে তার সন্দেহ। এছাড়া মৃত্যুর আগে তার স্ত্রী লিমন বড়ুয়ার নাম উল্লেখ করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

 

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

চট্টগ্রামে নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ ট্রাস্ট ও উৎসব ভাতা তহবিল থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এর ফলে, ২০২২ সালের পর অবসরপ্রাপ্ত বহু শিক্ষক তাদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত চারতলা বিশিষ্ট বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় ৬৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তাদের প্রাপ্য সুবিধা পাননি। বঞ্চিত শিক্ষকদের চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা করে প্রদান শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব বকেয়া পরিশোধ করা হবে।

 

শিক্ষাখাতে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার এবারের বাজেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেশের জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ হারে প্রদত্ত উৎসব ভাতা ধাপে ধাপে ১০০%-এ উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও সিআইপি অমল পোদ্দার।

কল্যাণ ট্রাস্ট-উৎসব ভাতা তহবিল থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে মহারশি, সোমেশ্বরী ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা। মহারশি নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের এবং অসংখ্য বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

উপজেলার ধানশাইল, কান্দুলী, কুচনিপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে নদীর পানি প্রবেশ করে ঝিনাইগাতী বাজারেও। এতে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থায়ী শহররক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সড়ক, দোকানপাট ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর বাঁতকুচি পয়েন্টে পানি বর্তমানে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন উজানে আরও ভারি বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

 

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক চিত্র সংগ্রহ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, অস্থায়ী বাঁধের মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এর কোনো কার্যকর সমাধান হয় না। তাই দ্রুত নদী খনন ও টেকসই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমিন বলেন, নদীগুলো খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি এবং বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় নদীতীরে ব্লক স্থাপন করা গেলে বাজারসহ নদীপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা স্থায়ীভাবে সুরক্ষা পাবে। এটি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বড় ধরনের আশীর্বাদ হবে।

শেরপুরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি

 

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি। মূলত এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগ ও আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি নিজেই নাটকীয়ভাবে আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

 

আজ শনিবার (১৩ জুন) কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন জিসানের নিখোঁজ হওয়ার দাবি করে তাঁর চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন। জিডি নথিভুক্ত হওয়ার পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জিসানকে উদ্ধারে অনুসন্ধানে নামে।

 

অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ২০ মে দাউদকান্দিতে জিসানের ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের জেরে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে ওষুধ খাইয়ে ভ্রূণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তবে আইনি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়াতে বিয়ের আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাতেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। নিজের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ‘অপহরণ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি কৌশলে চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে থানায় জিডি করান বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।

 

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম জংশন রোড এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন জিসানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেছিলেন যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করেছিল। তবে পুলিশি তদন্তে এই দাবির কোনো সত্যতা বা অপহরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

জিসান উদ্ধার হওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় জিসানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা, ভ্রূণ হত্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, জিসানকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়েছে যে, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অপহরণ নয়, ধর্ষণের মামলা এড়াতে ছাত্রশিবির নেতার ‘আত্মগোপন’: পুলিশ

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।

 

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে এবং আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্টার্ট-আপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, আমরা আগে যে ধরনের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করেছি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সেটির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত ইনোভেশন, স্টার্ট-আপ এবং প্রজেক্ট বেইজড। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। প্রদর্শনীতে ৬ কলেজসহ উপজেলার মোট ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

 

শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার মোট ২৯ প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

 

প্রজেক্ট প্রদর্শন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয়েছে রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় হয়েছে গুলবাহার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

পাবনার সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে রুহান মোল্লা নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

রুহান মোল্লা (২৬) উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুহান বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে ডোবায় টেঁটা দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। সেখান থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

 

পরিবারের অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম থাকার পরও চিকিৎসক রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রুহান মারা যান। এ ঘটনায় অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক প্রয়োগ করেনি। অ্যান্টিভেনম সময়মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

 

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। হাসপাতালে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক রয়েছে।

 

সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।

ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল যুবকের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে পরিবারের ৫ বছর বয়সী এক শিশু।

 

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহতরা হলেন— ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত শিশুটি তাদের ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৫)। সুজন বড়ুয়া চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত।

 

স্থানীয় বাসিন্দা সুরভী বড়ুয়া জানান, চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজার কাছে এনি বড়ুয়া ও তার ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকেও রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে এনি বড়ুয়ার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরে কর্মস্থলে ছিলেন। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে স্ত্রী ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

 

তিনি দাবি করেন, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন ছিল। ওই লেনদেন-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে লিমন তার বাড়িতে এসে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে তার সন্দেহ। এছাড়া মৃত্যুর আগে তার স্ত্রী লিমন বড়ুয়ার নাম উল্লেখ করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

 

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

চট্টগ্রামে নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

 

প্রথম বিয়ে গোপন রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়ে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন সাব্বির আহমেদ সাদান নামের এক ছাত্রদল নেতা।

 

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুরা ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রামে বরযাত্রীসহ কনের বাড়িতে আটকে রাখা হয় সাদানকে।

 

সাব্বির আহমেদ সাদান নেত্রকোনার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি ও বাঘমারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামন আজাদের ছেলে।

 

কনের বাড়ি থেকে ছাড়া পেয়ে শনিবার সকালে প্রথম স্ত্রী আইমনা আক্তারের বাড়িতে হামলা চালায় সাদান ও তার লোকজন। হামলায় আইমনা আক্তারের বড় বোন সুমনা আক্তার আহত হলে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিনি ২০২২ সালে প্রতিবেশী ধনাই মিয়ার মেয়ে আইমনা আক্তারকে গোপনে বিয়ে করেন। আইমনা আক্তার সর্ম্পকে সাদানের ভাতিজী হন। বিয়ের পর থেকে তারা গোপনে সংসার করে আসছেন।

 

কিন্তু প্রথম বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে পারিবারিকভাবে কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুরা ইউনিয়নের কৃষকদলের সভাপতি শাজাহান মিয়ার কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের তারিখ অনুযায়ী শুক্রবার (১২ জুন) বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে যান সাদান। খবর পেয়ে প্রথম স্ত্রী আইমন আক্তার মেয়ের বাবা শাজাহান মিয়াকে তাদের বিয়ের বিষয়টি জানান। এ খবর পেয়ে কনে পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বরপক্ষের লোকজনদের মারধর করে আটকে রাখে। পরে কয়েক দফা আলোচনা করে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছাড়া পায় বর পক্ষের লোকজন।

 

জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেয়ে এসেই শনিবার আইমনা আক্তারের বাড়িতে হামলা চালায় সাদানের লোকজন। এ সময় আইমনা আক্তারের বড় বোন সুমনা আক্তার আহত হলে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলা থেকে রক্ষা পেতে ৯৯৯ নাম্বারে কল দেয় আইমনার পরিবার। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

 

এ ব্যাপারে কনের বাবা ও কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুরা ইউনিয়নের কৃষক দলের সভাপতি শাহাজান মিয়া জানান, ছেলে যে আগে বিয়ে করেছে বিষয়টি জানা ছিল না। লোকজন নিয়ে আসার পর জানতে পারলাম ছেলে আগে বিয়ে করেছে। সব জেনেশুনে তো আর আমার মেয়েকে বিবাহিত ছেলের কাছে বিয়ে দিতে পারি না। জরিমানা আদায়ের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

 

জানতে চাইলে সাদানের বাবা আসাদুজ্জামান আজাদ জানান, আমার ছেলে আগে একটা বিয়ে করেছে, সেটা আমার জানা ছিল না। আগে জানলে তো আর কেন্দুয়া গিয়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হতো না।

 

মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অসীম কুসার দাস জানান, ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিয়ে সংক্রান্ত ঘটনায় এক নারীকে মারধর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম বিয়ে গোপনে, দ্বিতীয়টিতে ধরা ছাত্রদল নেতা

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ ট্রাস্ট ও উৎসব ভাতা তহবিল থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এর ফলে, ২০২২ সালের পর অবসরপ্রাপ্ত বহু শিক্ষক তাদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত চারতলা বিশিষ্ট বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় ৬৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তাদের প্রাপ্য সুবিধা পাননি। বঞ্চিত শিক্ষকদের চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা করে প্রদান শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব বকেয়া পরিশোধ করা হবে।

 

শিক্ষাখাতে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার এবারের বাজেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেশের জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ হারে প্রদত্ত উৎসব ভাতা ধাপে ধাপে ১০০%-এ উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও সিআইপি অমল পোদ্দার।

কল্যাণ ট্রাস্ট-উৎসব ভাতা তহবিল থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

খুলনায় একটি মসজিদে ঢুকে গুলি ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে আহত হয়েছেন ২ জন। রোববার (১৪ জুন) ফজরের নামাজ শেষে দৌলতপুরে ওজোপাডিকো জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, নামাজ শেষে কোরআন শরিফ পাঠ করছিলেন মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম এবং স্থানীয় আলম শেখ। এ সময় কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি মসজিদে ঢোকে। তাদের ছোড়া গুলিতে আহত হন লোকমান ও আলম।

 

পরে গুলিবিদ্ধ দুইজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য লোকমানকে ঢাকায় পাঠানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের ধরতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

খুলনায় মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি, আহত একজনকে ঢাকায় স্থানান্তর

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

 

আজ রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। গত বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জেল আপিল করেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার।

 

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : ‘দ্রুত রায় কার্যকর হলে অপরাধীরা ভয় পাবে’

রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

এর আগে গত ৯ জুন রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুূদণ্ড (ডেথ রেফারেন্স) অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে আসে।

 

দুই আসামির ফাঁসির রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ফৌজদারি কোনো মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত।

 

রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: সোহেল-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ৩।

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিতলা বাজার এলাকায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

 

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ১টার দিকে সদর থানাধীন কালিতলা বাজার সংলগ্ন একটি গোডাউন ঘরে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিমের সাথে অভিযুক্ত তামিম ইসলামের প্রায় এক সপ্তাহ আগে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তামিম তাকে বেড়ানোর কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরে রাতে ওই গোডাউন ঘরে নিয়ে গিয়ে আরও দুই সহযোগীসহ মিলে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

 

ঘটনার পর ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৪ জুন ভোর ৪টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযানে নামে।

 

ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তামিম ইসলাম, রনি ও মাসুদ নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা সবাই কালিতলা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

 

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাজাহান আলী জানান, ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ৩

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে মহারশি, সোমেশ্বরী ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা। মহারশি নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের এবং অসংখ্য বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

উপজেলার ধানশাইল, কান্দুলী, কুচনিপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে নদীর পানি প্রবেশ করে ঝিনাইগাতী বাজারেও। এতে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থায়ী শহররক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সড়ক, দোকানপাট ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর বাঁতকুচি পয়েন্টে পানি বর্তমানে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন উজানে আরও ভারি বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

 

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক চিত্র সংগ্রহ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, অস্থায়ী বাঁধের মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এর কোনো কার্যকর সমাধান হয় না। তাই দ্রুত নদী খনন ও টেকসই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমিন বলেন, নদীগুলো খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি এবং বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় নদীতীরে ব্লক স্থাপন করা গেলে বাজারসহ নদীপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা স্থায়ীভাবে সুরক্ষা পাবে। এটি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বড় ধরনের আশীর্বাদ হবে।

শেরপুরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’ বসেছে। তারা সেখানে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

 

নাসীরুদ্দীন জামায়াতের প্রয়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর কথা স্মরণ করে বলেন, এই চট্টগ্রামে আল্লামা সাঈদীর ঐতিহাসিক বক্তব্য রয়েছে।

 

ভারত সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না। যেদিন সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে অবৈধভাবে হত্যা করা হবে না, সেদিনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রকৃত অর্থে ন্যায্য ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

 

এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, তাদের দল চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এটি কোনো বাজেট নয়, বরং দলীয় লোকজনের জন্য তৈরি একটি গেজেট। এর মাধ্যমে দেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এই বাজেটে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম কিংবা মুগ্ধের আত্মত্যাগের প্রতিফলন নেই। তাই এই বাজেটের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে প্রধানমন্ত্রী গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

 

পরে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমনাকে নিয়ে সংরক্ষিত বন ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।

 

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

 

প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান। এ সময় পাশের আসনে বসে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

এছাড়া গাড়িতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ।

 

এরপর সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে ভক্তদের মধ্যে। সেই আবহে প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি নিজের সমর্থন প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পড়শী।

 

প্রথম ম্যাচের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

 

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি নতুন ছবি প্রকাশ করেন পড়শী। ছবিতে ব্রাজিলের জার্সি পরে হাতে ফুটবল নিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা যায় তাকে। বিশ্বকাপের আবহে তার এই উপস্থিতি ভক্তদের নজর কাড়ে।

 

ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভকামনা ব্রাজিল।’

 

পোস্টটিতে তিনি ব্রাজিলের পতাকার ইমোজির পাশাপাশি ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’ হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করেন। এরপরই মন্তব্যের ঘরে শুরু হয় ভক্তদের নানা প্রতিক্রিয়া।

 

একজন ভক্ত লেখেন, ‘ব্রাজিল মানেই আগুন। আমার ভালোবাসার মানুষটাও ব্রাজিল।’

 

আরেকজন মজার ছলে আক্ষেপ করে মন্তব্য করেন, ‘এটা কোনো কথা তুমিও ব্রাজিল।’

 

বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে নিজেদের অভিযান শুরু করতে রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

 

প্রথম রাউন্ডে দলটির সামনে রয়েছে আরও দুটি ম্যাচ।

ব্রাজিলের জার্সিতে শুভকামনা জানালেন পড়শি

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d