মহিদুল ইসলাম মিলটন
স্টাফ রিপোর্টার :
নুর মোহাম্মদ একজন মুরগী ব্যবসায়ী প্রতারণার শিকার হয়ে খুয়াগেছে বেঁচে থাকার শেষ সম্বল। ।
গাজীপুর মহানগর কাশিমপুরের ১ নং ওয়ার্ড নবীটেক্সটাইল স্ট্যান্ডে একটি মুরগির দোকানের ব্যবসা পরিচালোনা করে আসছে দীর্ঘদিন নুর মোহাম্মদ ।
বগুড়া থেকে পরিবারের দুবেলা দুমুঠো ভাত জোগাতে নবীটেক্সটাইলে ভাড়া থেকে চলছিল তার সংসার।কিন্তু
পরতারক কাজী মিলনের মিথ্যে প্রলোভনে নিঃস্ব হন নূর মোহাম্মদ। মিলন নুর মোহাম্মদকে বলেন তাহার ভাই ম্যাজিস্ট্রেট, গাজীপুরের সকল থানার অকসনের গাড়ি কোর্টের মাধ্যমে ছাড়িয়ে আনা তাহার ব্যাবসা আর এতে করে সহজ সরল নুর মোহাম্মদ
৩ টি গাড়ি জন্য নগদ সাত লাখ ত্রিশ হাজার টাকা দেন স্হানীয় সমিতি থেকে লোন করে ।
নুর মোহাম্মদ মুরগীর ব্যবসায়ী হওয়াতে পিক আপ( ট্রাক ) কেনার জন্যে গচ্ছিত বেশ কিছু টাকা প্রতারক মিলনকে দেন।
৩ মাস অতিক্রম হওয়ার পর নুর মোহাম্মদ গাড়ির জন্য কথা বললে প্রতারক কাজী মিলন গাড়ি না দিয়ে তাহার মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়ে যায় ।
এমতাবস্থায় সমিতির টাকা দিতে ব্যার্থ হলে শেষ সম্বল ব্যবসা দোকান বিক্রি করে সমিতির টাকা পরিশোধ করে আজ পথে পথে অনাহারে পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে নুর মোহাম্মদ ।
নুর মোহাম্মদ ৭/৭/২০২৫ তারিখে লোকমারফত জানতে পারে পরতারক গাজীপুর, কাশিমপুরে, জিতার মোড় এলাকাতে ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করিতেছেন ,তখন নুর মোহাম্মদ সেখানে গিয়ে তাহাকে তার পাওনা টাকা চাইলে সে টাকা না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা কথা বলে। পরে আমি নিরুপায় হয়ে গণমাধ্যম কর্মী ও স্হানীয়দের সাথে আলাপ করে (গাজীপুর মেট্রোপলিটন ) থানা কাশিমপুরে অভিযোগ দায়ের করি ।
এসময় উপ- পুলিশ পরিদর্শক শরীফ কাশিমপুর নামা বাজার ঘটনাস্হলে যান এবং প্রতারক মিলনের স্বীকার উক্তিতে থানায় ২ পক্ষ বসার জন্য সময় দেন আজ ৯/৭/২০২৫ ইং তারিখে সন্ধায়।
এমতাবস্থায় আমি এবং আমার পরিবার চিন্তায় ভেঙে পরেছি শেষ সম্বল টুকু যদি খোয়া যায় আমার আর আমার পরিবারের বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না আমি কাশিমপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামানের সহায়তা চাই, বাংলাদেশ সরকারের কাছে সহায়তা চাই আমাকে ও আমার পরিবারকে বাঁচার সুযোগ করে দিলে কৃতজ্ঞ থাকিব।।
Leave a Reply