বালু ভরাট করতে যুবদল নেতাকে দিতে হবে ১০ লাখ, স্থানীয়রা দিলেন পুলিশে - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বালু ভরাট করতে যুবদল নেতাকে দিতে হবে ১০ লাখ, স্থানীয়রা দিলেন পুলিশে

বালু ভরাট করতে যুবদল নেতাকে দিতে হবে ১০ লাখ, স্থানীয়রা দিলেন পুলিশে

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের রুদ্রপুর এলাকায় জমিতে বালু ভরাটের কাজকে কেন্দ্র করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদলের এক নেতাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

 

সোমবার (৮ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক সাব্বির আহমেদ শামীম (৩০) রুদ্রপুর এলাকার আরফান আলীর ছেলে এবং ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাইলস ব্যবসায়ী নুরুদ্দিন খন্দকার খোকনের মালিকানাধীন একটি জমিতে উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে বালু ভরাট চলছিল। এ সময় সাব্বির আহমেদ শামীম সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধের চেষ্টা করেন এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

 

এ ঘটনায় জমির মালিক নুরুদ্দিন খন্দকার খোকন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ১১ শতাংশ জমির বৈধ মালিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি জমির উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে সেখানে বালু ভরাট শুরু করা হয়। গত ৭ জুন বিকেলে বালু ভরাটের কাজ চলাকালে সাব্বির আহমেদ শামীম কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চাঁদা না দিলে জমিতে কোনো ধরনের কাজ করতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন সকালে পুনরায় কাজ শুরু হলে শামীম ও তার সহযোগীরা আবারও সেখানে উপস্থিত হয়ে কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে নুরুদ্দিন খন্দকারের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। হামলার সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়রা শামীমকে আটক করলেও তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে যান।

 

তবে সাব্বির আহমেদ শামীম চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, বালু ভরাটের কাজ তাদের জমির একটি অংশ ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছিল। এ কারণেই তিনি আপত্তি জানিয়েছেন। চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

 

ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, বিষয়টি সংগঠনের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

জয়দেবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কুমার কর জানান, এ ঘটনায় নুরুদ্দিন খন্দকার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে আটক সাব্বির আহমেদ শামীমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। সোমবার (৮ জুন) সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

ওই ৫ নেতাকর্মীরা হলেন, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাল হোসেন রানা, নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সজিব রায় দুর্জয়, ছাত্রলীগ নেতা শাহেল মিয়া, জামিল আহমদ ও ফয়সল মিয়া।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামি পক্ষের আইনজীবী সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট শফিকুল হক বলেন, আসামিরা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে; আদালত জামিন শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আমরা আইনানুগ ভাবে তাদের জামিনের জন্য চেষ্টা করব।

 

উল্লেখ্য, গেল বছরের ২৩ জুন জগন্নাথপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনের কেক কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ২৮ জুন জগন্নাথপুর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলা এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলাটি দায়ের পর থেকে আত্মসমর্পণ ওই ৫ নেতা পলাতক ছিলেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৫ নেতার আত্মসমর্পণ

পাবনা শহরের জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় হোসেন আলী (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিহত ব্যক্তির মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে সেখানে উপস্থিত ছিল।

 

নিহত হোসেন আলী পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি আশরাফিয়া মাদরাসার স্টাফ ছিলেন।

 

নিহতের পরিবারের দাবি, ছেলেকে মাদরাসায় রেখে আসার উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন হোসেন আলী। একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে পরপর দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এরপর অস্ত্র পুনরায় লোড করে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হোসেন আলী। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় শহরে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে কাজ চলছে। হত্যার কারণ ও ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিন আহম্মেদের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার,গাজীপুর ।

 

সোমবার ৮ ই জুন বিকালে

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার

৫ নং ওয়ার্ড হরতকিতলা এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জনসাধারণের মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিন আহম্মেদ এক উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন।

 

উঠান বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ, নারী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সাইজুদ্দিন আহম্মেদ পৌর এলাকার নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।

জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

বৈঠকে উপস্থিত এলাকাবাসী বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন।

মেয়র প্রার্থী সেগুলো মনোযোগ সহকারে শুনে নির্বাচিত হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। এসময় ৫ জন অসুস্থ রোগিদের আর্থিক সহযোগিতা করেন, এবং এক সপ্তাহের ভিতর রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু করবেন বলে জানান।

উঠান বৈঠক শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, তবারক বিতরণ করেন।

কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিন আহম্মেদের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

 

বরগুনায় একটি খাল থেকে এক ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার গৌরীচন্না বাজার-সংলগ্ন গৌরীচন্না খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহত মো. শামীম (৪০) বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না এলাকার মো. মনসুর আলী ব্যাপারীর ছেলে। শামীম স্থানীয় গৌরীচন্না বাজারে হাঁস-মুরগির ব্যবসার পাশাপাশি জমি কেনাবেচা ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় তিনি বাসা থেকে বাজারে যান। রাত গভীর হলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

 

সোমবার সকালে শামীমের ছোট ভাই সোহেল গৌরীচন্না বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নেন। এ সময় কয়েকজন জানান, রাতে বাজার-সংলগ্ন একটি সেতুর পাশে তাকে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে। পরে ওই স্থানে গিয়ে রক্তের দাগ ও একটি জুতা দেখতে পান তিনি। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।

 

পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় খালের কচুরিপানার ভেতর থেকে শামীমের মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

বরগুনা সদর ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. ইমদাদুল হক বলেন, বরগুনা সদর থানা পুলিশের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের নিজস্ব ডুবুরি দল না থাকায় পটুয়াখালীর ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। তবে এর মধ্যেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাথাবিহীন লাশটি উদ্ধার করা হয়।

 

ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে সেতুসংলগ্ন এলাকায় রক্তের দাগ, একটি জুতাসহ বেশ কিছু আলামত পাওয়া গেছে। পড়ে থাকা জুতাটি শামীমের বলে তার পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করার পর তার বাবা লাশটি শনাক্ত করেছেন।

 

তিনি আরও জানান, নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বরগুনায় মাথাবিহীন ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের কবরস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন, নেয়ামতপুর গ্রামের জমির হোসেনের ছেলে নুরু মিয়া (৬৫) এবং মর্জু মিয়ার ছেলে সানাউল্লাহ (১৮)।

 

জানা যায়, নেয়ামতপুর গ্রামের মরহুম মতি সরকারের স্ত্রীকে দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার কাজে কয়েকজন যুবকসহ গ্রামের লোকজন অংশ নেন। একপর্যায়ে কবরস্থানের পাশে একটি স্টিল শিট সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে সংস্পর্শ হয়। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ২ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

কসবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নেয়ামতপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসক, প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো কতটা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

 

সোমবার (৮ জুন) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আন্দোলনরত চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বৈঠক করবেন। তিনি বলেন, ‘এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ। আন্দোলন করার অধিকার সবার রয়েছে। তাদের দাবিগুলো কতটা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য, তা আমরা পর্যালোচনা করব।’

 

চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এখনো সেই পর্যায়ে পরিস্থিতি পৌঁছায়নি। তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।’

 

আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘তারা কী বলেছে বা বলেনি, সেটি আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের আইন মেনেই কাজ করতে হয়। তারা সময় চেয়েছে। আদালত যেমন অনেক ক্ষেত্রে সময় দেয়, আমরাও দুই দিন সময় দিয়েছি।’

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের দক্ষ আইনজীবী রয়েছেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তারা আমাদের কী ক্ষতিপূরণ দেবে, সেটিও দেখার বিষয়। পাশাপাশি তারা কোনো অপরাধ করে থাকলে, আইন অনুযায়ী সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার ভিত্তিতে আমাদের অবস্থানে অটল থাকব।’

 

এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের দাবির যৌক্তিকতা বিবেচনা করে ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। সোমবার (৮ জুন) সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

ওই ৫ নেতাকর্মীরা হলেন, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাল হোসেন রানা, নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সজিব রায় দুর্জয়, ছাত্রলীগ নেতা শাহেল মিয়া, জামিল আহমদ ও ফয়সল মিয়া।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামি পক্ষের আইনজীবী সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট শফিকুল হক বলেন, আসামিরা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে; আদালত জামিন শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আমরা আইনানুগ ভাবে তাদের জামিনের জন্য চেষ্টা করব।

 

উল্লেখ্য, গেল বছরের ২৩ জুন জগন্নাথপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনের কেক কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ২৮ জুন জগন্নাথপুর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলা এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলাটি দায়ের পর থেকে আত্মসমর্পণ ওই ৫ নেতা পলাতক ছিলেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৫ নেতার আত্মসমর্পণ

পাবনা শহরের জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় হোসেন আলী (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিহত ব্যক্তির মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে সেখানে উপস্থিত ছিল।

 

নিহত হোসেন আলী পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি আশরাফিয়া মাদরাসার স্টাফ ছিলেন।

 

নিহতের পরিবারের দাবি, ছেলেকে মাদরাসায় রেখে আসার উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন হোসেন আলী। একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে পরপর দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এরপর অস্ত্র পুনরায় লোড করে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হোসেন আলী। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় শহরে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে কাজ চলছে। হত্যার কারণ ও ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিন আহম্মেদের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার,গাজীপুর ।

 

সোমবার ৮ ই জুন বিকালে

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার

৫ নং ওয়ার্ড হরতকিতলা এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জনসাধারণের মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিন আহম্মেদ এক উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন।

 

উঠান বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ, নারী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সাইজুদ্দিন আহম্মেদ পৌর এলাকার নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।

জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

বৈঠকে উপস্থিত এলাকাবাসী বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন।

মেয়র প্রার্থী সেগুলো মনোযোগ সহকারে শুনে নির্বাচিত হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। এসময় ৫ জন অসুস্থ রোগিদের আর্থিক সহযোগিতা করেন, এবং এক সপ্তাহের ভিতর রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু করবেন বলে জানান।

উঠান বৈঠক শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, তবারক বিতরণ করেন।

কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিন আহম্মেদের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করার বিধান আইনে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের বক্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য, মানহানিকর কনটেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর ছবি, ভিডিও ও অডিও ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

সংসদে হেলেন জেরিন খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি, বট নেটওয়ার্ক ও এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া কনটেন্ট, নারী ও শিশুদের অনলাইন হয়রানি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়টি তোলেন।

 

তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে ভুয়া পরিচয়ে অসংখ্য অ্যাকাউন্ট ও পেজ পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠিত বট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এআই ব্যবহার করে ভুয়া ছবি, ভিডিও ও অডিও তৈরি করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

 

তিনি এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের প্রধান, তার স্ত্রী ও কন্যাসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরিবারকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে যেসব কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে, সেগুলো আসলেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কি না, সেটা পুনরায় সংজ্ঞায়িত করা দরকার।

 

সাইবার স্পেসের সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভার্চুয়াল মিডিয়াসহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোকে আইনের আওতায় আনা হবে। আজকে (সোমবার) সকালেই এ বিষয়ে আমি একটা আইনি সংস্কার করার জন্য ড্রাফটে হাত দিয়েছি। আমি জানতাম না আজকে এই প্রশ্নটা এখানে আসবে।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সাইবার স্পেসে গুজব ও অপতথ্যের বিস্তার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর, অপমানকর ও মানহানিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের খসড়া করা হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ নামে আমরা অবহিত করবো। এর কতিপয় বিধান সংশোধন করবো। গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর কনটেন্ট নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে। এ ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ ও প্রচার প্রতিরোধে নতুন শাস্তির বিধানও আইনে যুক্ত করা হবে।

 

পরে হেলেন জেরিন খান সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, মেটাসহ আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না। জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের আইনে এখনো এমন বিধান নেই, যার মাধ্যমে মেটাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কনটেন্ট সরাতে বাধ্য করা যায়।

 

তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে তারা আইনি সুরক্ষার মাধ্যমে এমন বিধান করেছে, মেটাকে ২৪ ঘণ্টায় অ্যাকশন নিতে বাধ্য করেছে। কিন্তু আমাদের বিটিআরসি এবং সংশ্লিষ্ট সাইবার আইনে সেই বিধানটা নেই।

 

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিটিআরসি বা অন্য কর্তৃপক্ষ মেটাকে অনুরোধ পাঠালেও তারা অনেক সময় দ্রুত ব্যবস্থা নেয় না। তারা বলে, তোমাদের তো আইনটা ঠিকমত নেই। সুতরাং আইনি কভার না থাকলে সেটা প্রেসার দেওয়া যায় না।

 

তিনি বলেন, নতুন সংশোধনে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয়, সময়সীমাভিত্তিক কনটেন্ট অপসারণ এবং রিপোর্ট করা কনটেন্ট অপসারণ প্রক্রিয়া কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার বিধান থাকবে।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা সংস্থা ও বিটিআরসিসহ ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য সংস্থাগুলোকেও এ ধরনের কনটেন্ট অপসারণ, ব্লক বা স্থানান্তরের ক্ষমতা দেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত সরাতে বাধ্য করতে আইন করবে সরকার

কুমিল্লার দেবিদ্বারের ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন ও সংসদে বসে অধিবেশন দেখার সুযোগ পেয়েছেন।

 

সোমবার (৮ জুন) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর আমন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পান। দেবিদ্বারের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে ৮ম এবং ৫ম শ্রেণিতে যারা বৃত্তি পেয়েছে তাদেরকেই এই সুযোগ করে দেন তিনি। পরিদর্শন শেষে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার তুলে দেন হাসনাত।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নবিয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, দেবিদ্বারের ইতহাসে এই প্রথম শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবন ও অধিবেশন পরিদর্শনের সুযোগ পেলেন। এই আসনেরই সংসদ সদস্য ও এই এলাকার সন্তান হাসনাত আবদুল্লাহ এই সুযোগ করে দিয়েছেন। আজ শুধু এই শিক্ষার্থীরা নয়, পুরো দেবিদ্বারবাসী গর্বিত। পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি স্বপ্ন দেখতে পারবে। তাদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস। হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে হাসনাত আবদুল্লাহর স্পষ্ট বার্তা, ‘এখানে একদিন তোমাদেরই আসতে হবে। একদিন তোমাদেরকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তোমাদের স্বপ্ন দেখতে হবে এজন্য তোমাদেরই এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। আজ যাদের বক্তব্য শুনেছো তোমরা একদিন তাদের জায়গায় থাকবে।’

 

এ বিষয়ে গণমাধমকে বললেন, ‘এখানে কে গরিবের সন্তান, কে ধনীর সন্তান সেটি দেখা হয়নি। দেবিদ্বারের বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসা ও কলেজের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদেরকেই সংসদ ভবন ও পরিদর্শনে আনা হয়েছে। এখানে আনার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে যাতে তারা বড় স্বপ্ন দেখতে শেখে।’

১৫২ শিক্ষার্থীকে সংসদে বাজেট অধিবেশন দেখার সুযোগ করে দিলেন হাসনাত

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের রুদ্রপুর এলাকায় জমিতে বালু ভরাটের কাজকে কেন্দ্র করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদলের এক নেতাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

 

সোমবার (৮ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক সাব্বির আহমেদ শামীম (৩০) রুদ্রপুর এলাকার আরফান আলীর ছেলে এবং ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাইলস ব্যবসায়ী নুরুদ্দিন খন্দকার খোকনের মালিকানাধীন একটি জমিতে উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে বালু ভরাট চলছিল। এ সময় সাব্বির আহমেদ শামীম সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধের চেষ্টা করেন এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

 

এ ঘটনায় জমির মালিক নুরুদ্দিন খন্দকার খোকন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ১১ শতাংশ জমির বৈধ মালিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি জমির উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে সেখানে বালু ভরাট শুরু করা হয়। গত ৭ জুন বিকেলে বালু ভরাটের কাজ চলাকালে সাব্বির আহমেদ শামীম কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চাঁদা না দিলে জমিতে কোনো ধরনের কাজ করতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন সকালে পুনরায় কাজ শুরু হলে শামীম ও তার সহযোগীরা আবারও সেখানে উপস্থিত হয়ে কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে নুরুদ্দিন খন্দকারের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। হামলার সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়রা শামীমকে আটক করলেও তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে যান।

 

তবে সাব্বির আহমেদ শামীম চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, বালু ভরাটের কাজ তাদের জমির একটি অংশ ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছিল। এ কারণেই তিনি আপত্তি জানিয়েছেন। চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

 

ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, বিষয়টি সংগঠনের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

জয়দেবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কুমার কর জানান, এ ঘটনায় নুরুদ্দিন খন্দকার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে আটক সাব্বির আহমেদ শামীমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বালু ভরাট করতে যুবদল নেতাকে দিতে হবে ১০ লাখ, স্থানীয়রা দিলেন পুলিশে

 

বরগুনায় একটি খাল থেকে এক ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার গৌরীচন্না বাজার-সংলগ্ন গৌরীচন্না খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহত মো. শামীম (৪০) বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না এলাকার মো. মনসুর আলী ব্যাপারীর ছেলে। শামীম স্থানীয় গৌরীচন্না বাজারে হাঁস-মুরগির ব্যবসার পাশাপাশি জমি কেনাবেচা ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় তিনি বাসা থেকে বাজারে যান। রাত গভীর হলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

 

সোমবার সকালে শামীমের ছোট ভাই সোহেল গৌরীচন্না বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নেন। এ সময় কয়েকজন জানান, রাতে বাজার-সংলগ্ন একটি সেতুর পাশে তাকে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে। পরে ওই স্থানে গিয়ে রক্তের দাগ ও একটি জুতা দেখতে পান তিনি। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।

 

পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় খালের কচুরিপানার ভেতর থেকে শামীমের মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

বরগুনা সদর ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. ইমদাদুল হক বলেন, বরগুনা সদর থানা পুলিশের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের নিজস্ব ডুবুরি দল না থাকায় পটুয়াখালীর ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। তবে এর মধ্যেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাথাবিহীন লাশটি উদ্ধার করা হয়।

 

ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে সেতুসংলগ্ন এলাকায় রক্তের দাগ, একটি জুতাসহ বেশ কিছু আলামত পাওয়া গেছে। পড়ে থাকা জুতাটি শামীমের বলে তার পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করার পর তার বাবা লাশটি শনাক্ত করেছেন।

 

তিনি আরও জানান, নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বরগুনায় মাথাবিহীন ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যাত্রীবাহী একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

 

সোমবার (৮ জুন) ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বৈশামোড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিগন্ত পরিবহনের একটি লোকাল বাস মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বৈশামোড়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের গভীর খাদে উল্টে পড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রীর মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হন অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এবং স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল বাতেন বলেন, বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে চারজন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ৪

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমানের ফ্রান্স সফরের প্রস্তাব অনুমোদন দেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি মন্তব্য করেছেন, প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নন এমন কর্মকর্তার বিদেশ সফরের যৌক্তিকতা নেই। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এ ধরনের সফরে অংশ নিতে পারেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ফ্রান্সভিত্তিক আউটডোর লাইটিং অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (এএলএসি) পরিদর্শন এবং বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী স্ট্রিট লাইটিং প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এ বি এম আসাদুজ্জামান সুইটের ফ্রান্স সফরের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার এ বিষয়ে অনুশাসন দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি সালেহ শিবলী এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

প্রস্তাবের নোটে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্ট্রিট লাইটিং প্রযুক্তি বিষয়ে প্রকৌশলীর অর্জিত জ্ঞান সিটি করপোরেশনের কাজে লাগবে। তবে প্রশাসক প্রকৌশলী নন, তাই তার এ সফরে অংশগ্রহণের বিশেষ গুরুত্ব নেই। প্রয়োজনে শুধু নির্বাহী প্রকৌশলীকে সফরের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

 

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্ভাবনী প্রকল্পে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

 

এর আগে মশকনিধন-সংক্রান্ত উদ্ভাবনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনসহ পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়নি। সে সময় প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, মশকনিধনের উপায় জানতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রয়োজন নেই; দেশের বাস্তব পরিবেশ থেকেই কার্যকর পদ্ধতি উদ্ভাবন সম্ভব।

 

সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল আজহার আগে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে করার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে নামকরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

সরকারি সূত্রগুলোর মতে, সাম্প্রতিক এসব সিদ্ধান্তে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও পেশাগত সংশ্লিষ্টতাকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের পরিবর্তে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার নীতির প্রতিফলন ঘটেছে

সড়ক বাতির বিদ্যুৎ সাশ্রয় শিখতে ফ্রান্সে যেতে চান রাজশাহী সিটির প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর ‘না’

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরের শাসনামলে শিক্ষা খাতে হওয়া দুর্নীতিগুলোর বিস্তারিত বিবরণসহ শ্বেতপত্র প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় পর্যায়ের স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিভিন্ন আয়োজন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এসএসসির রেজাল্ট ২০ জুলাই আউট করবে, সেই নির্দেশনা আমরা দিয়েছি।’

 

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাব্যবস্থার চলমান সংস্কার কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) পরিমার্জনের জন্য ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। আগামী বছর চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d