ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহবান রুমনের - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহবান রুমনের

ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহবান রুমনের

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যম এখন স্বাধীন। তবে কিছু কিছু মিডিয়ার অনলাইনে মনের মাধুরী মিশিয়ে ফটোকার্ড বানানো হচ্ছে, রিলসের নামে খন্ডিত বক্তব্য ও ভিডিও প্রচার হচ্ছে। ফলে কখনো কখনো ভুল বার্তা যায়। সমাজে বিশৃঙ্খলার সুযোগ তৈরি হয়। ভিউ প্রতিযোগিতার নামে এমন অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহবান জানিয়েছেন তিনি।

 

সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেস উইং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান রুমন এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, আপনারা লক্ষ্য করেছেন, সারাদেশের মানুষ ঈদের আনন্দে ছুটি কাটাচ্ছিলেন যখন, তখনো কাজ করে যাচ্ছিলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি কিন্তু ছুটি কাটাননি। উনার টিমের সাথে যারা আছেন, তারাও কিন্তু ঈদে ছুটির দিনগুলোয় কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রী ঈদের পরের দিন নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন পুরো ঢাকা। ঘুরে ঘুরে দেখেছেন কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা, কোথায় পরিস্কার হয়েছে, কোথায় হয়নি। কোথাও গাফিলতি হয়েছে কি না? যেখানে অব্যবস্থাপনা পেয়েছেন, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছেন এবং গাফিলতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থাও নিয়েছেন।

 

এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অনেক বেশি মিডিয়া বান্ধব এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আপনারা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারছেন। আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে পুনর্গঠনের যুদ্ধে তার নিরলস প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরছেন। আমরা আশা করবো সরকারের এই আন্তরিকতা আপনারা তুলে ধরবেন। মানুষও যাতে ভালো কাজে আগ্রহী হয়।

 

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিয়মিত তদারকি এবং জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ দেশের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার একই নিষ্ঠা ও অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করে যাবে।


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

 

জাতিসংঘের সদর দফতরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এতে ১৯০ টি সদস্য রাষ্ট্র ভোট দেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯ টি ভোট এবং সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১ টি ভোট। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন-এর সভাপতিত্ব এবং অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ড. খলিলুর রহমান।

 

এবারের নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমানের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে বসলো বাংলাদেশ।

 

এর আগে, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশইন বা পুশব্যাকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অবস্থান নিয়েছে। তবে বৈধ প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাই শেষে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর বিষয় হলে তা আইনানুগভাবে বিবেচনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক পর্যায়ের আসন্ন বৈঠকে সীমান্তসংক্রান্ত সব বিষয় উত্থাপন করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এসময় সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্ডার কিলিং’ বলতে সাধারণত সীমান্ত বা শূন্যরেখায় এক দেশের বাহিনীর হাতে অন্য দেশের নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে বোঝায়। কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্য দেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে সেখানে আইন ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট দেশ তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।

 

সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসীদের নির্মূলে সরকারের কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের পরিকল্পনাটা এখনই ফাঁস করতে চাই না। কারণ এগুলো তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে আমাদের রেসকিউ অভিযান ও অপারেশনে অসুবিধা হয়।

সীমান্তে অবৈধ পুশইন-পুশব্যাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া হয়েছে

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিকদের সাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ১০ শতাংশ শয্যা (বেড) ফাঁকা রাখা হবে। পাশাপাশি পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় পাবে রোগীরা। সেই সঙ্গে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তবে খাবার ও ওষুধের খরচ রোগীকেই বহন করতে হবে।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হবে। এখন পর্যন্ত চারজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা একটা জাতীয় সমস্যা এটা মোকাবেলায় শুধু সরকার নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী শনিবার থেকে সারাদেশে তিনমাসের সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সঠিকভাবে যেন এই রোগের চিকিৎসা দিতে পারেন এজন্য চিকিৎসকদের ডেঙ্গু প্রোটোকলের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

 

একইসাথে সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতিটি বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে মশার প্রজনন যেন না হয় সে বিষয়ে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে কাজ করা হবে।

ডেঙ্গুতে বেড ও চিকিৎসা ফ্রি, পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাগ্রহনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া।

 

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জুনের তৃতীয় সপ্তাহে কুয়ালালামপুর সফরের প্রস্তুতি চলছে। এর পরপরই ভারত কিংবা চীন সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে, যদিও ওই সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

 

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সফরে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। এ ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠকেও বসবেন সরকারপ্রধান।

 

নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বোঝার ক্ষেত্রে এই দুই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, প্রথম সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়; এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর কূটনৈতিক বার্তাও।

 

কূটনৈতিক মহল বলছে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকা সময়ে একটি মধ্যম শক্তির দেশের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ শুরু করা বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক ও ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে কোনো নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক বলয়ের প্রতি ঝুঁকে পড়ার ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে।

 

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন খাতে কর্মরত আছেন। নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং সেবা খাতে তাঁদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সফরে শ্রম অভিবাসন, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং শ্রমিকদের কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, মালয়েশিয়া সফরের পর চীন সফর আয়োজনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। একদিকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, অন্যদিকে এশিয়ার বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ—দুই ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকার বার্তা দিতে চায় ঢাকা।

 

নতুন সরকারের ঘোষিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়গুলো রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আসন্ন সফরগুলোকে কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সোমবার (১ জুন) থেকে সুন্দরবনে প্রবেশে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এই সময়ে জেলে, বাওয়াল, মৌয়াল ও পর্যটকদের সুন্দরবনে ঢোকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

 

বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট এই তিন মাস সুন্দরবনের অধিকাংশ মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এই বিশেষ সময়ে বনের নদী ও খালে মাছ ডিম ছাড়ে, বন্যপ্রাণীদের প্রজনন ঘটে এবং বিভিন্ন গাছের বীজ থেকে নতুন চারা গজায়। যার ফলে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হওয়ার সুযোগ পায়। বনের এই স্বাভাবিক প্রাকৃতিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত না করতেই তিন মাসের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবন সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

 

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বনের ভেতরে সব ধরনের প্রবেশ রুখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশ যৌথভাবে সমন্বিত নজরদারি ও টহল পরিচালনা করবে।

 

এদিকে, সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বনের ওপর নির্ভরশীল উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার বনজীবী। কর্মসংস্থান হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহের সংকটে পড়া এই মানুষগুলো সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক ও খাদ্য সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আজ থেকে তিন মাস প্রবেশ করা যাবে না সুন্দরবনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে।

 

কলকাতার ঝর্ণা মঞ্চে মঙ্গলবার (২ জুন) বিজেপির বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়।

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশের স্বার্থে, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে তিনি এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে অনেক অপ্রকাশিত বিষয় সামনে আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতারের পর বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, চাইলে তিনি অনেক আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারতেন, কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা করেননি।

 

তার বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। মমতা বলেন, তিনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশেও বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই তিনি এখনও সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং গোয়েন্দা তৎপরতা সংক্রান্ত বিষয় সাধারণত প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চে খুব কমই উঠে আসে। এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে।

 

তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিরোধী মতকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেও এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কয়েকদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে তিনি রাস্তায় নামবেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ শানান তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মমতার এই বক্তব্য কেবল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি সামনে আসায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পেছনে কী তথ্য রয়েছে এবং আগামী দিনে তিনি এ বিষয়ে আরও কোনও তথ্য প্রকাশ করেন কি না, তা নিয়ে।

 

কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এখন এই প্রসঙ্গ সামনে আনলেন। সেই উত্তর খুঁজতেই ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল।

শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

 

জাতিসংঘের সদর দফতরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এতে ১৯০ টি সদস্য রাষ্ট্র ভোট দেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯ টি ভোট এবং সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১ টি ভোট। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন-এর সভাপতিত্ব এবং অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ড. খলিলুর রহমান।

 

এবারের নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমানের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে বসলো বাংলাদেশ।

 

এর আগে, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

০২/জুন/২০২৬: ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন ) দুপুর ১২টায় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য সচিব আরিফ আল মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক মোস্তাকিমুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা, ময়নুল ইসলাম, এনামুল হক প্রমুখ। বক্তারা বলেন অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং ফ্যাসিবাদদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তবে এ সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কারো মৃত্যু হয়নি।

 

এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯৪।

 

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯০। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫০৪ জন।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ১৩৬ জন।

 

একই সময়ে এক হাজার ২৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৬২ জনে।

হামের উপসর্গে প্রাণ হারাল আরও ৬ শিশু

দেশের ব্যাংক খাতে গত তিন মাসে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ বেড়েছে। আর মার্চ শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

এছাড়া দেশে চলতি মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে তিন হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। নীতি সহায়তা ও নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ঋণ পুনঃতপশিল করে নেওয়ার পরেও খেলাপি ঋণ বাড়ার ঘটনা ঘটল।

 

মার্চ শেষে দেশে মোট খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

 

তিন মাসে খেলাপির হার বেড়েছে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর গত বছরের ডিসেম্বর শেষে খেলাপির হার ছিল ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ।

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশইন বা পুশব্যাকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অবস্থান নিয়েছে। তবে বৈধ প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাই শেষে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর বিষয় হলে তা আইনানুগভাবে বিবেচনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক পর্যায়ের আসন্ন বৈঠকে সীমান্তসংক্রান্ত সব বিষয় উত্থাপন করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এসময় সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্ডার কিলিং’ বলতে সাধারণত সীমান্ত বা শূন্যরেখায় এক দেশের বাহিনীর হাতে অন্য দেশের নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে বোঝায়। কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্য দেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে সেখানে আইন ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট দেশ তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।

 

সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গল সলিমপুরের সন্ত্রাসীদের নির্মূলে সরকারের কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের পরিকল্পনাটা এখনই ফাঁস করতে চাই না। কারণ এগুলো তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে আমাদের রেসকিউ অভিযান ও অপারেশনে অসুবিধা হয়।

সীমান্তে অবৈধ পুশইন-পুশব্যাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া হয়েছে

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিকদের সাথে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ১০ শতাংশ শয্যা (বেড) ফাঁকা রাখা হবে। পাশাপাশি পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় পাবে রোগীরা। সেই সঙ্গে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তবে খাবার ও ওষুধের খরচ রোগীকেই বহন করতে হবে।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হবে। এখন পর্যন্ত চারজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এটা একটা জাতীয় সমস্যা এটা মোকাবেলায় শুধু সরকার নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী শনিবার থেকে সারাদেশে তিনমাসের সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সঠিকভাবে যেন এই রোগের চিকিৎসা দিতে পারেন এজন্য চিকিৎসকদের ডেঙ্গু প্রোটোকলের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

 

একইসাথে সিটি কর্পোরেশন এলাকার প্রতিটি বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে মশার প্রজনন যেন না হয় সে বিষয়ে কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে কাজ করা হবে।

ডেঙ্গুতে বেড ও চিকিৎসা ফ্রি, পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশ

ফেনীতে এক বাবার আবেদন: মেয়ের নিরাপত্তায় বৈধ শটগান চাই

 

 

প্রতিনিধি:রহিম আলী জাবেদ

 

ফেনীর সোনাগাজীতে কন্যা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৈধভাবে একটি শটগানের লাইসেন্স ও অস্ত্র বরাদ্দ চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন এক ব্যক্তি। সম্প্রতি

 

আবেদনপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

 

আবেদনকারী তানজিরুল ইসলাম সজীব উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের বাসিন্দা। গত ৩১ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে তার সাত বছর বয়সী

 

একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দেশের বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

 

আবেদনে তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল বাবা হিসেবে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আত্মরক্ষার স্বার্থে একটি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। এ কারণে দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে একটি শটগানের লাইসেন্স ও অস্ত্র বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছেন।

 

এতে আরও বলা হয়, অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে তিনি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবেন এবং সংশ্লিষ্ট সব আইন ও শর্ত মেনে চলবেন।

 

এদিকে আবেদনপত্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে একজন পিতার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন, ব্যক্তিগত অস্ত্রের পরিবর্তে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনের শাসন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই শেষে আইন অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

ফেনীতে এক বাবার আবেদন: মেয়ের নিরাপত্তায় বৈধ শটগান চাই

ফেনীতে হেযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান উজালিয়ার বাসিন্দারা

 

প্রতিনিধি:

 

ফেনী পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের উজালিয়া এলাকায় সম্প্রতি বিতর্কিত সংগঠন হেযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় আলেম-উলামা ও সচেতন মহল অভিযোগ করেছেন, সংগঠনটির বক্তব্য ও কার্যক্রম ইসলামের মূলধারার আকীদা-বিশ্বাসের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ই মে ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উগ্রবাদী সংগঠন হেযবুত তাওহীদ একটি কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, সেখান থেকেই মুলত কর্মীরা এলাকায় এসে বিভিন্ন সভা, লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ নিয়ে সাধারণ মুসল্লি, মাদরাসা শিক্ষক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

 

এলাকার কয়েকজন মুসল্লি জানান, তাদের কিছু বক্তব্য সাধারণ মানুষের ঈমান-আকীদার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখুক।

 

স্থানীয় মসজিদের ইমাম বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানরা যুগ যুগ ধরে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আকীদা অনুসরণ করে আসছে। বিভ্রান্তিকর মতবাদ ছড়িয়ে সমাজে ফেতনা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

 

এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকায় যেন বিতর্কিত এই হেযবুত তাওহীদ নামক সংগঠন বিভ্রান্তিকর কোন কার্যক্রম পরিচালনা না করে সেদিকে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

ফেনীতে হেযবুত তাওহীদের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান উজালিয়ার বাসিন্দারা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d