ইয়াছিন মোড়ল, শ্যামনগর থেকে:
চারিদিকে শুধু টাকার ছড়াছড়ি, টাকায় রক্ত কেনাবেচা হয়, ধনাঢ্যশালী ব্যক্তিরা টাকার বিনিময় রক্ত পেয়ে যায়, আর গরীব অসহায় রোগীরা ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে অগ্রসর হয়। অসহায় নিম্নবিত্ত মানুষের কথা চিন্তা করেই আবু নাঈম পূর্বাশা স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করেন। জরুরি রক্তের প্রয়োজনে ফোন পেলেই পাগল হয়ে যায় আবু নাঈম। রক্তদাতা নিয়ে ছুটে যায় অসহায় রোগীর কাছে।
মানবতার ফেরিওয়ালা আবু নাঈম, পূর্বাশা স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন এর পরিচালক। ২০১৪ সাল থেকে রক্তদানের কাজ শুরু করে আজ অবদি স্বেচ্ছায় সেবা দিয়ে যাচ্ছেন আবু নাঈম ।
দশম শ্রেণী থেকে পূর্বাশা রক্তদান সংগঠনের মাধ্যমে ফ্রিতে অসহায় রোগীদের রক্তদান করে মানবতার ফেরিওয়ালা আবু নাঈম হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি ।
শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের বিড়ালাক্ষী গ্রামের আবুল খায়ের গাজীর পুত্র আবু নাঈম অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র, সে ম্যানেজমেন্ট নিয়ে শ্যামনগর মহসিন কলেজে লেখাপড়া করছেন। অন্য যুবকদের ন্যায় খেলাধুলা ও আড্ডাবাজিতে সময় ব্যয় না করে, অবসর সময় প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় রোগীদের রক্তের বন্দোবস্ত করতে দিনরাত ছুটে বেড়ান তিনি ।
কখনো কখনো রোগীর অসহায়ত্বের কথা ভেবে রক্তের ব্যাগ ও রক্ত পরীক্ষার টাকাও দিয়ে দেন নিজের পকেট থেকে। রক্তদান করার পর রক্তদাতাকে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন ফল-ফলাদি খাবার স্যালাইন অনেক সময় যাতায়াত খরচও দিতে হয়। আটুলিয়া ইউনিয়ন তথা শ্যামনগর বাসী আবু নাঈম এর পূর্বাশা রক্তদান সংগঠন এর থেকে উপকৃত ও সর্বস্তরের মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন ।
Leave a Reply