রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ২ যুবক নিহত - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ২ যুবক নিহত

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ২ যুবক নিহত

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে ড্রোন হামলায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। তবে নিহত দুইজন ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।

 

নিহতরা হলেন উপজেলার চর গুজামানিকা গ্রামের মাফল মিয়া (২৪) এবং রায়েরছড়া গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (৩০)।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উন্নত জীবনের আশায় গত এপ্রিল মাসে এক দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় যান মাফল ও আরিফ। সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পৌঁছানোর পর তাদের সেই কাজে নিয়োগ না দিয়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। পরে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে পৃথক স্থানে ড্রোন হামলার শিকার হয়ে তারা নিহত হন।

 

পরিবারের দাবি, প্রথমদিকে তাদের মৃত্যুর খবর গোপন রাখা হয়েছিল। পরে রাশিয়ায় অবস্থানরত এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন স্বজনরা। মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছালে দুই পরিবারের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্বজন-প্রতিবেশীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

 

নিহত মাফল মিয়ার বড় বোন কণিকা আক্তার বলেন, অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় আমার ভাই রাশিয়ায় গিয়েছিল। রাজমিস্ত্রির কাজের কথা বলে তাকে নেওয়া হলেও পরে জানায়, তাকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে দেওয়া হয়েছে। এরপর যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। এখন আমরা শুধু তার মরদেহ দেশে ফেরত চাই।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোশারফ হোসেন জানান, আরিফ মিয়া আগে আনসার বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ভালো আয়ের আশায় চাকরি ছেড়ে রাশিয়ায় গেলেও দালালদের প্রতারণার শিকার হন। প্রতিশ্রুত কাজের পরিবর্তে তাকে রুশ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান।

 

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আমাদের জানানো হয়নি। খবরটি সত্য হলে নিহতদের পরিবারকে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবে

 

লন্ডন থেকে আজিজুল আম্বিয়া,

 

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

 

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ, আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, মৌলানা হেলাল আহমদ, জিলু খান , আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

 

 

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

সস্তায় ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত এক চীনা নাগরিকের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে এক ব্যক্তি চীনে বহুতল ভবনের ৩৪তম তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর পর জানতে পারেন, ভবনটিতে আছেই মাত্র ৩২টি তলা। অর্থাৎ যে ফ্ল্যাটের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করেছিলেন ওই ব্যক্তি, বাস্তবে সেটির কোনও অস্তিত্বই নেই। এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি অর্থও।

 

 

সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেন পদবির ওই ব্যক্তি ২০১৩ সালে চীনের শানসি প্রদেশের শি’আনের কাছাকাছি একটি গ্রামে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। কয়েক বছর পর তিনি জানতে পারেন, তিনি তথাকথিত ‘গ্রে মার্কেট’ আবাসন প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

 

 

শেন ৯০ বর্গমিটার আয়তনের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন এবং সেটি ভবনের ৩৪তম তলায় থাকার কথা। প্রতি বর্গমিটারের দাম ছিল ২ হাজার ৬৪৬ ইউয়ান, যা ওই এলাকার গড় বাজারদরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ফ্ল্যাটটির মূল্য ছিল প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। এত কম দামের কারণ ছিল প্রকল্পটির তথাকথিত ‘সীমিত সম্পত্তি অধিকার’ বা ‘লিমিটেড প্রোপার্টি রাইটস’ মর্যাদা।

 

অর্থাৎ এটি এমন এক ধরনের আবাসন ব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রীয় নগর জমির পরিবর্তে গ্রামীণ সমষ্টিগত মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়। এসব প্রকল্প সাধারণত প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয় এবং নিয়মিত আবাসন প্রকল্পের মতো আইনি সুরক্ষা পায় না। এগুলো আইনিভাবে পুনরায় বিক্রি করাও যায় না এবং চীনের সম্পত্তি আইনে তা স্বীকৃতও নয়। তবে কম দামের কারণে অনেক ক্রেতা এখনও এসব প্রকল্পে আগ্রহ দেখান।

 

 

২০১৩ সালে শেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ডাউন পেমেন্ট হিসেবে পরিশোধ করেন। তার দাবি, প্রকল্পের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের আশ্বস্ত করেছিল যে পরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সনদ সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু এ ধরনের প্রকল্পে সাধারণত সেই আইনি নথি পাওয়া সম্ভব হয় না।

 

 

ফ্ল্যাটটি ২০১৫ সালে বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। তবে নির্মাণকাজে বিলম্ব হওয়ায় সময়সীমা পিছিয়ে যায়। ২০১৭ সালে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেনকে জানায়, নির্মিত ভবনটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে। ফলে তিনি যে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, সেটি বাস্তবে নেই।

 

প্রথমে কোম্পানিটি তাকে ৩২তম তলায় বিকল্প একটি ফ্ল্যাট দেয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তখন তিনি বাকি অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি। দুই মাস পর সেই ফ্ল্যাটও অন্য এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। অন্যদিকে ফ্ল্যাট না পেয়ে শেন অর্থ ফেরতের দাবি জানান। তখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানায়, তারা আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং পুরো অর্থ ফেরত দিতে পারবে না।

 

 

২০২০ সালে তিনি ২০ হাজার ইউয়ান এবং ২০২২ সালে আরও ৫০ হাজার ইউয়ান ফেরত পান। এরপর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি বিষয়টি সালিসি প্রক্রিয়ায় নিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে তার ডাউন পেমেন্টের বাকি ৪৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়। এর সঙ্গে ২৭ হাজার ইউয়ান সুদও পরিশোধ করতে বলা হয়।

 

 

রায়ে আরও বলা হয়, নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ৪৭ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তবে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত শেন ওই বকেয়া অর্থ পাননি।

 

মূলত ফ্ল্যাট কেনার এক দশকেরও বেশি সময় পরও শেন এখনও থাকার জায়গা পাননি এবং সম্পূর্ণ অর্থও ফেরত পাননি। ঘটনাটি চীনে আবারও কম দামের কিন্তু আইনি সুরক্ষাবিহীন আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগের ঝুঁকির বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

৩৪ তলায় কিনেছিলেন ফ্ল্যাট, পরে ক্রেতা জানলেন ভবনই ৩২ তলা

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরে রাজনীতি থেকে অবসরের কথাই এক সময়ে ভেবেছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এখন সেই ভাবনা নাকচ।

 

দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে’ সেই চিন্তা সরিয়ে রেখে ‘নিজের দেশের মানুষের পাশে থাকা’-র সিদ্ধান্তই নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) নয়াদিল্লি থেকে ‘এই সময়’-কে দীর্ঘ একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

 

একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বললেন, ‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে মানুষের দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। ১৯৮১-তে আমি যখন সব হারিয়ে দেশে ফিরেছিলাম, তখন আওয়ামী লিগের কর্মীরাই ছিলেন আমার পরিবার। আজ সেই নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত, আমার দেশের জনগণের জীবন আজ বিপর্যস্ত। আমি কী ভাবে তাদের ছেড়ে বিশ্রামে যাই?’

 

তিনি বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্বের বিষয়ে আমি সর্বদাই উৎসাহী। আমাদের অনেক তরুণ নেতারা আজ নিজ নিজ অবস্থান থেকে, রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন মোকাবিলা করে দৃঢ়তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের পতাকা ধরে রেখেছেন। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।’

 

একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, মাথা উঁচু করে খুব দ্রুত আপনি বাংলাদেশের মাটিতে ফিরবেন। বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে আপনার ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাকর্মীদের প্রত্যাবর্তন ও রাজনীতি শুরু করাটা কতটা বাস্তবসম্মত?’

 

এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পাকিস্তানি শাসকরা পারেনি, সামরিক শাসকেরা পারেনি, খুনিরা পারেনি, ষড়যন্ত্রকারীরা পারেনি, আজকের বিএনপি সরকারও আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলতে পারবে না। আমার প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত বিষয় তো নয়। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের সঙ্গে যুক্ত।’ তার সংযোজন, ‘

 

জনগণ বুঝতে পেরেছেন আওয়ামী লীগই তাদের একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জনগণের শক্তিতে বলীয়ান হয়েই আমি ফিরব। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে ফিরব, দেশ পুনর্গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ফিরবো।

ভারতীয় গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার সিদ্ধান্ত বদলালেন পলাতক শেখ হাসিনা

উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। টাইমস অব ইসরায়েল, আল-জাজিরাসহ একাধিক বৈশ্বিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

 

আইআরজিসির বরাতে জানা গেছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) হামলার জবাব দিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে উত্তর ইসরায়েলে।

 

ইসরায়েলের স্থানীয় সময় রোববার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটেছে এ হামলা। কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ইরান ছুড়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি; তবে আইডিএফ জানিয়েছে উত্তর ইসরায়েলের অনেক জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র সতর্ক অ্যালার্ম বেজেছে।

 

পরে আইডিএফ জানিয়েছে, উত্তর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে কমপক্ষে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান এবং এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে আঘাত হানার আগেই সবগুলোকে ধ্বংস করে ফেলা সম্ভব হয়েছে।

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে।

 

কলকাতার ঝর্ণা মঞ্চে মঙ্গলবার (২ জুন) বিজেপির বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়।

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশের স্বার্থে, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে তিনি এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে অনেক অপ্রকাশিত বিষয় সামনে আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতারের পর বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, চাইলে তিনি অনেক আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারতেন, কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা করেননি।

 

তার বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। মমতা বলেন, তিনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশেও বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই তিনি এখনও সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং গোয়েন্দা তৎপরতা সংক্রান্ত বিষয় সাধারণত প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চে খুব কমই উঠে আসে। এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে।

 

তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিরোধী মতকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেও এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কয়েকদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে তিনি রাস্তায় নামবেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ শানান তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মমতার এই বক্তব্য কেবল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি সামনে আসায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পেছনে কী তথ্য রয়েছে এবং আগামী দিনে তিনি এ বিষয়ে আরও কোনও তথ্য প্রকাশ করেন কি না, তা নিয়ে।

 

কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এখন এই প্রসঙ্গ সামনে আনলেন। সেই উত্তর খুঁজতেই ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল।

শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 

ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

 

সোমবার (১৫ জুন) প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বৈশ্বিক আবহাওয়াগত সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

 

পাউবো জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ ও মার্কুলি স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা স্টেশনে সতর্কসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।

 

আগামী তিন দিনে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী দুই দিনে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ব্রহ্মপুত্র–যমুনা নদ-নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও আগামী পাঁচ দিনে তা কিছুটা বাড়তে পারে, তবে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে গঙ্গা–পদ্মা নদীর পানি বাড়লেও তা বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

 

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন বাড়তে পারে এবং কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

 

ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, ভুলাই ও কংস নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, যা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর বিভাগের দুধকুমার নদীর পানি বাড়লেও তিস্তা ও ধরলা নদী আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে।

 

এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু নদীর পানি বাড়লেও কয়েকটি নদীর পানি হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে পাউবো।

 

অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।

 

আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০ জুনের পর দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে, যা চলমান ভ্যাপসা গরম কিছুটা কমিয়ে আনতে পারে। চলতি জুন মাসে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম থাকতে পারে বলেও আভাস দেওয়া হয়েছে।

তিন জেলায় বন্যার পূর্বাভাস

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে ড্রোন হামলায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। তবে নিহত দুইজন ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।

 

নিহতরা হলেন উপজেলার চর গুজামানিকা গ্রামের মাফল মিয়া (২৪) এবং রায়েরছড়া গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (৩০)।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উন্নত জীবনের আশায় গত এপ্রিল মাসে এক দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় যান মাফল ও আরিফ। সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পৌঁছানোর পর তাদের সেই কাজে নিয়োগ না দিয়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। পরে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে পৃথক স্থানে ড্রোন হামলার শিকার হয়ে তারা নিহত হন।

 

পরিবারের দাবি, প্রথমদিকে তাদের মৃত্যুর খবর গোপন রাখা হয়েছিল। পরে রাশিয়ায় অবস্থানরত এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন স্বজনরা। মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছালে দুই পরিবারের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং স্বজন-প্রতিবেশীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

 

নিহত মাফল মিয়ার বড় বোন কণিকা আক্তার বলেন, অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় আমার ভাই রাশিয়ায় গিয়েছিল। রাজমিস্ত্রির কাজের কথা বলে তাকে নেওয়া হলেও পরে জানায়, তাকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে দেওয়া হয়েছে। এরপর যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। এখন আমরা শুধু তার মরদেহ দেশে ফেরত চাই।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোশারফ হোসেন জানান, আরিফ মিয়া আগে আনসার বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ভালো আয়ের আশায় চাকরি ছেড়ে রাশিয়ায় গেলেও দালালদের প্রতারণার শিকার হন। প্রতিশ্রুত কাজের পরিবর্তে তাকে রুশ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান।

 

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আমাদের জানানো হয়নি। খবরটি সত্য হলে নিহতদের পরিবারকে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে গিয়ে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ২ যুবক নিহত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।

 

রোববার (১৫ জুন) বিকেলে সরকারি নলডাঙ্গা ভূষণ স্কুল মাঠে কালীগঞ্জ ক্রীড়া ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র’য়ে শেষ হয়।

 

খেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কালীগঞ্জ ক্রীড়া ফেডারেশনের উপদেষ্টা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ।

 

বর্ণাঢ্য সাজসজ্জা ও উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থক দল মাঠে প্রবেশ করলে দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।

 

রেফারির বাঁশিতে খেলা শুরু হওয়ার পর প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে উভয় দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। একাধিক গোলের সুযোগ সৃষ্টি হলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র’য়ে শেষ হয় এবং উভয় দলকে যৌথভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

 

মাঠজুড়ে ছিল দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় দলের পতাকা, জার্সি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো খেলার পরিবেশ।

 

খেলা শেষে, কালীগঞ্জ ক্রীড়া ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আশরাফুজ্জামান রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কৃতী ফুটবলার রহমানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিলন, ক্রীড়া সংগঠক অজিত কুমার, সাংবাদিক জামির হোসেন, আসাদুজ্জামান মুকুল, তৌফিকুর রহমান কাজল, নুরুল ইসলাম, লিখন ও আশরাফুল আলমসহ ক্রীড়া ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

 

খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন অন্তনু বিশ্বাস, রাসেল হোসেন ও জামাল হোসেন। ধারাভাষ্য প্রদান করেন রবিউল ইসলাম।

কালীগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, গোলশূন্য

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ইয়াসিন আলী নামের এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার নলতা এলাকায় নলতা মানব স্বপ্ন হেলথ কেয়ার সেন্টার ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইয়াসিন আলী বৈধ চিকিৎসক না হয়েও নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিলো। এ সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাইনুল ইসলাম খান বলেন, ইয়াছিন আলী কোন এমবিবিএস সার্টিফিকেটধারী চিকিৎসক নন। অথচ নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে রোগী দেখতেন, প্রাকটিস করতেন। তার ভুল চিকিৎসা দেওয়ার কারণে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

 

অভিযানকালে এসবের সত্যতা পাওয়া গেছে ও ডাক্তার পদবি ব্যবহৃত সিলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাইনুল ইসলাম।

সাতক্ষীরায় এমবিবিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবিতে চিকিৎসা, ছয় মাসের কারাদণ্ড

 

নীলফামারীতে আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার লক্ষ্যে নীলফামারীতে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের নিয়ে অফিস ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় স্থানীয় সরকার ইন্সটিটিউটের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় স্কিল ডেভলপমেন্টে সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান বলেন, “ইউনিয়ন পরিশোধ হলো স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক দক্ষতা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবাকে আরো কার্যকর করতে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্ম ক্ষেত্রে প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি। প্রশিক্ষণে অফিস ব্যবস্থাপনা, আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা, হিসাব সংরক্ষণ, সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার সহ বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

নীলফামারীতে আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত 

কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা রেজাউল করিম (৫০) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন তার পরিবার ও এলাকাবাসী। সোমবার

(১৫ জুন) ১১ টায় কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে

ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন নিহতের মা আফরোজা বেগম, ভাই মোঃ. এনামুল হক, মোঃ ওয়াদুদ মিয়া, আব্দুল মাজেদ ও স্থানীয় নাসির উদ্দিন সহ অন্ন্যরা। এ সময় বক্তারা বলেন, গত ১ জুন বিকেলে রেজাউল করিম উপজেলার মাগুরা দোলাপাড়ার গড়েরপার এলাকায় তার ফুফার বাড়িতে দাওয়াতে যান। সেখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তার ফুফা আমিনুরের ভাইদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষরা রেজাউলকে মারধর করে এবং মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, এ মামলার আসামি মোঃ রাকিব ইসলাম, আসাদুজ্জামান বিটু, আব্দুল আজিজ, আখতারুজ্জামান বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ভিসাপ্রতারক ও তাই খেলার সঙ্গে জড়িত থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অর্থের প্রভাব খাটিয়ে তারা আইনের আওতার বাইরে থাকার চেষ্টা করছেন। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। নিহত রেজাউল করিম মাগুরা দোলাপাড়া গ্রামের পূর্ব পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল

ওহাবের ছেলে এবং দোলাপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, “ঘটনার পর দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতা হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন 

নীলফামারীতে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে জলবায়ুর প্রভাব ও বৃক্ষরোপণ শীর্ষক আলোচনা

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারীতে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে জলবায়ুর প্রভাব ও বৃক্ষরোপণ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে জেলা শহরের জমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক প্লাটফর্মের সভাপতি আকতারুল আলম রঞ্জুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মেজবাহুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন

ডেমোক্রেসিওয়াচ’র জেন্ডার সমতা অর্জন ও বৈষম্য নিরসনে নাগরিক সম্পৃক্ততা

(ফেসিং) প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মজিবুল রহমান। বক্তব্য দেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সদস্য সীমা পারবেন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জেবুন নাহার ও বন কর্মকর্তা আতাউর রহমান। ডেমোক্রেসিওয়াস’র জেন্ডার সমতা অর্জন ও বৈষম্য নিরসনে নাগরিক সম্পৃক্ততা

(ফেসিং) প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মজিবুর রহমান জানান, যুবকদের হাত ধরে বদলেছে সবকিছু। পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়াতে হবে। এজন্য এখন থেকে নিজেদের লক্ষ্য তৈরি করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শিক্ষার্থীদের বৃক্ষপ্রেমী হতে হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মেজবাহুল হক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। সরকার প্রধানের এই উদ্যোগ সারাদেশে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আমরা তার উদ্যোগকে সফল করতে একটি করে গাছের চারা লাগাতে চাই। বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণের সকলকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে বৃক্ষরোপনের জন্য নাগরিক প্লাটফর্মের উদ্যোগে বিভিন্ন গাছের চারা

হস্তান্তর করা হয় অধ্যক্ষের কাছে।

নীলফামারীতে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে জলবায়ুর প্রভাব ও বৃক্ষরোপণ শীর্ষক আলোচনা 

সাভারে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচার) সাভার উপজেলা শাখার যুব সম্পাদক হলেন জুলাই আন্দোলনের পরিচিত মুখ সেঁজুতি হোসাইন।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা সেঁজুতি হোসাইন। ঢাকা জেলার সাভারে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছেন জনগণের পক্ষে। বিগত আওয়ামী সরকার পতনে সাভার উপজেলায় ছাত্র-জনতার পক্ষে ভূমিকা রাখায় আলোচিত নেত্রী হিসেবে জনগণের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির যুব সংগঠনের ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করলেও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন এই রাজনৈতিক দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। বর্তমানে পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলনের ঢাকা জেলার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন অসুস্থ অবস্থায় থাকলেও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে সাভার উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে সাভার উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে কমিটিতে সেঁজুতি হোসাইনকে যুব বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে

সেজুতি হোসাইন বলেন, আমি সব সময় জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করছি। জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই কেন্দ্রীয় কমিটি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি অবশ্যই সক্রিয়ভাবে সেই দায়িত্ব পালন করব পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে জনগণের পাশে থাকবো। নিরাপদ সড়ক প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এ বিশেষে প্রশাসন সহ সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করছি।

সাভারে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচার) সাভার উপজেলা শাখার যুব সম্পাদক হলেন জুলাই আন্দোলনের পরিচিত মুখ সেঁজুতি হোসাইন।

 

আগামী ১ আগষ্ট দেশের সকল পরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

 

রুবেল হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

 

আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

 

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে ১ আগস্ট থেকেসম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আগামী ১ আগষ্ট দেশের সকল পরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক 

গোপালগঞ্জ শহরের পাঁচুরিয়া এলাকায় একটি ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ ভেঙে বালুবাহী ট্রাক, একটি ইজিবাইক ও একটি বাইসাইকেল খালে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় ট্রাকচালক, ইজিবাইকচালক ও যাত্রীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় জেলা শহরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

 

রবিবার (১৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কের পাঁচুরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি অতিক্রম করার সময় মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছালে হঠাৎ বিকট শব্দে জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজটি ধসে পড়ে। এ সময় ট্রাকটি খালে পড়ে যায়। একই সঙ্গে ট্রাকের পেছনে থাকা একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও একটি বাইসাইকেলও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালের পানিতে পড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে ট্রাকচালক, ইজিবাইকচালক এবং কয়েকজন যাত্রী রয়েছেন।

 

ব্রিজটি ভেঙে পড়ার ফলে গোপালগঞ্জ শহরের সঙ্গে আশপাশের এলাকার সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

 

বর্তমানে যানবাহনগুলোকে বিকল্প হিসেবে লেকপাড়ের সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। তবে সড়কটি সরু ও বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ থাকায় সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু এবং স্থায়ী ও টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

 

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি ব্রিজ, আহত ৫

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d