শহীদ জিয়ার আদর্শ ও জুলাইয়ে আকাঙ্ক্ষায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শহীদ জিয়ার আদর্শ ও জুলাইয়ে আকাঙ্ক্ষায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে

শহীদ জিয়ার আদর্শ ও জুলাইয়ে আকাঙ্ক্ষায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দেশের গণমানুষের জন্য অত্যন্ত শোকাবহ ও স্মৃতিবিজড়িত। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অগ্রগতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার যে ঐতিহাসিক উত্থান ঘটেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়েই তিনি শাহাদত বরণ করেন।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের মূল ঠিকানা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া প্রদর্শিত পথ। গভীর এই শোককে শক্তিতে পরিণত করেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে ইস্পাতকঠিন জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের আদর্শে রাজনীতি করে আসছে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করা হবে। ৫ আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের চেতনার আলোকে দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করা হবে।

 

তিনি বলেন, জিয়ার মাজারে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের সার্বিক কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকারপ্রধান বলেছেন, জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এমন স্থানে নিয়ে গিয়েছেন, তাতে মানুষ জিয়া ও বাংলাদেশকে এক রকম মনে করতো। কঠোর পরিশ্রম, সততার মাধ্যমে দেশে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।

 

তবে দেশে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। বিষয়গুলো কীভাবে শিশুদের মাঝে তৈরি করা যায় তা নিয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। রোববার (২১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

 

রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় সরকার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করবে বলে জানান আসাদুজ্জামান।

 

এর আগে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যতটা স্বাধীন, এতটা স্বাধীনতা অন্য অনেক দেশেই দেখা যায় না। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের পোস্টিং বা শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সেই স্বাধীনতার ভিন্ন রূপও আমরা অতীতে দেখেছি, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও উঠেছে।

 

মামলার দীর্ঘসূত্রতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিচারক ও আইনজীবীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এই জট তৈরি হয়েছে। এ সময় তিনি রামিসা হত্যা মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন আদালত, আশা আইনমন্ত্রীর

আগামী তিন মাস সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বনজ সম্পদ, মৎস্য ও জলজ প্রাণীর নিরাপদ প্রজনন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্য প্রাণীর সুরক্ষার লক্ষ্যে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

 

এ সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সুন্দরবননির্ভর হাজারো জেলে, মৌয়াল ও বনজীবী।

 

তাদের দাবি, তিন মাস বন বন্ধ থাকায় আয়-রোজগারের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। অনেককে ঋণ করে সংসার চালাতে হয় এবং মহাজনসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ধারদেনায় জড়িয়ে পড়তে হয়। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন। এ কারণে খাদ্য সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন কর্মহীন বনজীবীরা।

 

বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট সময়টি সুন্দরবনের মাছ, জলজ প্রাণী ও বিভিন্ন বন্য প্রাণীর প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় অধিকাংশ মাছ ও জলজ প্রাণী ডিম ছাড়ে। একই সঙ্গে বনের উদ্ভিদরাজির স্বাভাবিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়াও চলতে থাকে। তাই বন ও বন্য প্রাণীর নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করতে প্রতিবছরের মতো এবারও তিন মাসের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে।

 

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলে, মৌয়াল ও পর্যটকদের জন্য নতুন পাস বা অনুমতিপত্র দেওয়া ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। বন বিভাগ ১ জুন থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে সবাইকে বন এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।

 

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জলজ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন সক্ষমতা বাড়াতে প্রতি বছর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তাই এ সময়ে কাউকে সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, গত ২৪ মে থেকে নতুন করে কোনো অনুমতিপত্র দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়া সুন্দরবননির্ভর জেলে পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়ার একটি প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এ সহায়তা পাবে।

 

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে সুন্দরবনে মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা চালু হয়। শুরুতে এর মেয়াদ ছিল দুই মাস। পরে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়িয়ে তিন মাস করা হয়। ২০২১ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ, পর্যটন কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়ে আসছে।

১ জুন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ, বিপাকে বনজীবীরা

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো, জীবিত জিয়ার চেয়ে মৃত জিয়া অনেক বেশি শক্তিশালী। তাকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু তার আদর্শকে হত্যা করা যায়নি। এই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি চোখের মণি দিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান স্পন্দিত হচ্ছেন। এই জিয়াউর রহমানের নাম কেউ মুছতে পারবে না।

 

শনিবার সন্ধ্যায় নরসিংদী জেলা বিএনপির আয়োজনে শিশু একাডেমিতে স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভা শেষে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

 

খায়রুল কবির খোকন আরও বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ কতটা শক্তিশালী, তা বিভিন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। দেশের সংকটময় মুহূর্তে একমাত্র এই জিয়া পরিবারই নেতৃত্ব দিয়েছে। সর্বশেষ ২৬-এর নির্বাচনে দেশের জনগণ তাদের পছন্দের দল ও প্রার্থীকে ভোট দিয়ে মহান সংসদে পাঠিয়েছে। পেছনের দরজা দিয়ে বিএনপি কোনো দিন ক্ষমতায় আসেনি। সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। এটা পরীক্ষিত ও প্রমাণিত।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, অ্যাড. বাছেদ, আকবর হোসেন, গোলাম কবির কামাল, ফারুক উদ্দিন ভূঁইয়া, হারুন অর রশিদ, দ্বীন মোহাম্মদ দিপু, রবিউল ইসলাম রবি সহ বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীবৃন্দ।

 

এর আগে বিকালে চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লার উদ্যোগে স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে চিনিশপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের আয়োজনে দোয়া মাহফিল, গণভোজ ও বৃক্ষরোপণ করা হয়। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পেছনের দরজা দিয়ে বিএনপি কখনো ক্ষমতায় আসেনি: খায়রুল কবির খোকন

সবাই মিলে দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশ কারও একার না। দেশ যেমন কোনো সরকারের একার না, যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের, প্রত্যেকের। তাই এই দেশকে গড়ে তুলতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।

 

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

 

এলাকার মানুষকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি এই এলাকার মানুষ হয়ে থাকেন, আপনি চেষ্টা করবেন আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলার জন্য। আবর্জনা সঠিকভাবে ফেলার জন্য। কারণ আজকে যদি মনে করেন, আপনি যে আবর্জনাটা এখানে ফেলেন, এইটুকু আবর্জনা, এক কেজি, আধা কেজি আবর্জনা বা দুই কেজি আবর্জনা– কী হবে? কিন্তু আপনি চিন্তা করেন, এখানে যতগুলো মানুষ, এখানে কয়েক হাজার মানুষ আমরা জড়ো হয়েছি। প্রত্যেকে যদি ১ কেজি করে ময়লা একটা জায়গায় ফেলে, তাহলে কত কেজি ময়লা হবে? না হলে ১০ হাজার কেজি ময়লা হয়ে যাবে। মানে ১০ টন ময়লা।

 

তিনি বলেন, তাহলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী তারাও তো মানুষ। তারা হয়ত গরিব মানুষ। তাদেরও পরিষ্কার করতে কষ্ট হয়। কিন্তু আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি, তাহলে আপনি নিজের শহরকে যেমন পরিষ্কার রাখতে পারবেন, সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীও অল্পতেই জায়গাটাকে পরিষ্কার করে ফেলতে পারবে। ঠিক একইভাবে তারও কষ্ট কম হবে। আপনার সন্তানরা, আপনি নিজে, আপনার বাবা-মা, পরিবারের সদস্যরাও একটি পরিষ্কার ও সুন্দর পরিবেশের মধ্যে থাকতে পারবেন।

 

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কমবেশি সবাই তো এই ঢাকা শহরেই বাস করেন। এই এলাকায় বাস করেন, তাই না? এখন চিন্তা করেন, এলাকা যদি পরিষ্কার থাকে, তাহলে তো আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। ভালো লাগবে না? টিভির পর্দায় যখন অন্যান্য দেশের ছবি দেখেন, সুন্দর রাস্তাঘাট দেখেন, পরিষ্কার রাস্তাঘাট দেখেন, তখন একটু হিংসা হয় না মনের মধ্যে? যে, আমাদের রাস্তাঘাট কেন এত ময়লা হয়? আমার তো হয় ভাই। আমার কিন্তু হিংসা হয় যে, ওই দেশের রাস্তাঘাট এত পরিষ্কার। আমার দেশের রাস্তাঘাট কেন পরিষ্কার না? এখন ওই দেশের যে রাস্তাঘাট পরিষ্কার, এটা তো বাইরে থেকে কেউ এসে করে দিয়ে যায় না। যে দেশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার, সে দেশের সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেমন পরিষ্কার করে, একইভাবে সে দেশের জনগণও কিন্তু যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে না। এখন আপনি সরকারের কেউ না। এই কাজটি করার জন্য কিন্তু সরকারের কেউ হওয়ার দরকার নেই। এমপি হওয়ার দরকার নেই। মন্ত্রী হওয়ার দরকার নেই। মেয়র হওয়ার দরকার নেই। ওয়ার্ড কমিশনার হওয়ার দরকার নেই। একজন নাগরিক হিসেবে আপনি এই কাজটি করতে পারেন। ময়লাটা আপনার পকেটে নিয়ে নেন। যদি টিস্যু পেপার থাকে, কিছু থাকে, ময়লা নেন। বাদাম খাবেন, তখন বাদামের খোসাটা এমনভাবে এক জায়গায় ফেলেন, যাতে জায়গাটা ময়লা না হয়।

দেশ কারও একার না, তাই গড়ার দায়িত্বও সবার: প্রধানমন্ত্রী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারী রেলস্টেশন পরিদর্শনে নীলফামারী-২ আসনের এমপি

আলফারুক

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামার)

৩১ মে ২০২৬ ইংঃ নীলফামারী রেলস্টেশন

আকস্মিক পরিদর্শন ও ঢাকা গামী নীলসাগর ট্রেনের যাত্রীদের সাথে ট্রেনের সেবার মান নিয়ে কথা বলেছেন নীলফামারী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতিফ। শনিবার (৩০ মে) রাত সাড়ে আটটার দিকে সংসদ সদস্য নীলফামারী রেল স্টেশনে আসেন তিনি স্টেশনের যাত্রী বিশ্রামগার, প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন মাস্টারের কক্ষ সহ বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরে চিলাহাটি রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি নীলফামারী স্টেশনে এসে পৌঁছালে তিনি ট্রেনে ওঠে ঢাকাগামী যাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় ও ট্রেনের সেবার মান নিয়ে কথা বলেন। এসময় যাত্রীরা

ঢাকাগামী ট্রেনের বিভিন্ন সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার কথা সংসদ সদস্যকে অবগত করেন। যাত্রীদের কথা মনোযোগ সহকারে শুনে উদ্ধাতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত ট্রেনের সেবার মান বাড়ানো সহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রদান করে তিনি। এ সময় সংসদ সদস্যের সাথে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলামসহ স্থানীয় জামায়তের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারী রেলস্টেশন পরিদর্শনে নীলফামারী-২ আসনের এমপি

কাশিমপুর তুরাগ নদীতে নিখোঁজ রাসেলের ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধারকাজ শুরু,২৪ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি ।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুর নগরীর কাশিমপুরে তুরাগ নদীতে নৌকাভ্রমণে গিয়ে যুবকদের আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। নৌকায় ডিজে গান বাজানোর সময় ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন রাসেল (২২) নামের এক যুবক। ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

শনিবার বিকেলে কাশিমপুরের নামাবাজার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়া এলাকার তুরাগ নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ রাসেল কাশিমপুরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দবাড়ী এলাকার ফজল আলীর ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটির আমেজে কয়েকজন বন্ধু মিলে নৌকায় করে তুরাগ নদীতে ভ্রমণে বের হন। নৌকায় ডিজে গান বাজিয়ে আনন্দ-উল্লাস চলছিল। একপর্যায়ে রাসেল ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে যান। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই তিনি নদীর পানিতে তলিয়ে যান এবং নিখোঁজ হন।

 

ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার বিকেলে ঘটনার পর উদ্ধারকারী দলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অবশেষে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রোববার ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

দীর্ঘ সময় পর উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এমন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হলে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা বেশি থাকত।

 

স্থানীয় জেলে, নৌকার মাঝি ও এলাকাবাসীও নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে সহায়তা করছেন। এদিকে ঘটনাস্থলে শত শত মানুষের ভিড় দেখা গেছে। নিখোঁজ রাসেলের পরিবার ও স্বজনদের কান্নায় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও রাসেলকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ডুবুরি দল, স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসীর সমন্বয়ে তার সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ যুবকের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রম চলবে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কাশিমপুর তুরাগ নদীতে নিখোঁজ রাসেলের ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধারকাজ শুরু,২৪ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি

“জনগণ যা চাইবে, সেটাই হবে আইন-নীলফামারীতে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন”

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এ্যাব) আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেছেন,”এক সময় দেশে আওয়ামীলীগ যা বলত, সেটাই ছিল আইন। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রমান করেছেন-দেশের জনগণ যা বলবে, যা চাইবে, সেটাই হবে আইন।” রবিবার (৩১মে) দুপুরে নীলফামারী জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকৌশলী তুহিন বলেন, “বগুড়ার মানুষ, দিনাজপুরের মানুষ যেটা বোঝে, সেটা আমরা বৃহত্তর রংপুরের মানুষ অনেক সময় বুঝতে পারিনা। আমরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে অবুঝ হয়ে গেছি। তবে ভবিষ্যতে এ অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে আশা করি।”তিনি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ” যদি আমরা আমাদের দলের যোগ্য প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে পারি, তাহলে জনগণের দাবি-দাওয়া আদায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। মন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেও এলাকার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ আদায় করে নেওয়া যাবে। নীলফামারীর জনগণের সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রাজস্ব বরাদ্দ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাইসাইকেল, হুইলচেয়ার, সিলিং ফ্যান, টিউবওয়েল এবং বিভিন্ন খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করেন প্রধান অতিথি। জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীমের সভাপতিিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তামান্না ইয়াসমিন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপন করেন। পরে জেলা পরিষদের আধুনিক ডাকবাংলো নির্মাণ কাজের উদ্বোধন এবং জেলা পরিষদ স্কুল এন্ড কলেজের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, যুগ্ন আহবায়ক রেয়াজুল ইসলাম কালু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আল মাসুদ

চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

“জনগণ যা চাইবে, সেটাই হবে আইন-নীলফামারীতে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন”

নওগাঁ পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান: গাজার গাছ সহ গ্রেফতার এক

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

স্টাফ রিপোর্টার নওগাঁঃ

শনিবার (৩০ মে) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) নওগাঁ এর একটা টীম মান্দা থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। রাত ০৯ টা ৩০ ঘটিকায় অভিযানিক টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে মান্দা থানাধীন রামনগর গ্রামের একজন ব্যাক্তি তার কচু ক্ষেতের মধ্যে গোপনে একটা গাজার গাছ রোপন করে পরিচর্যা করছে।

 

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম আসামী শ্রী নিতাই কুমার মন্ডল (৪৫) পিতা নন্দ কুমার থানা মান্দা জেলা নওগাঁ কে গ্রেফতার করে উপস্থিত এলাকাবাসীর সামনে গাজার গাছটি উদ্ধার করে জব্দ করে। গাজা গাছটির ওজন ২.৫০ কেজি। আসামির বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নওগাঁ পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান: গাজার গাছ সহ গ্রেফতার এক

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কফিল উদ্দিনের মৃত্যুতে থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুউদ্দিন সাইফুলের শোক প্রকাশ।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং হানিফ এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুউদ্দিন সাইফুল।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জনাব কফিল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

এক শোকবার্তায় সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন:

 

“আলহাজ্ব মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনের মৃত্যুতে সাভারবাসী একজন দক্ষ সংগঠক ও সমাজসেবককে হারাল। দলের প্রতি তাঁর অবদান এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কল্যাণে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর এই অকাল মৃত্যু সাভারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

 

সাইফুদ্দিন সাইফুল মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সাথে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মরহুমের জানাজায় শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কফিল উদ্দিনের মৃত্যুতে থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুউদ্দিন সাইফুলের শোক প্রকাশ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকারপ্রধান বলেছেন, জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এমন স্থানে নিয়ে গিয়েছেন, তাতে মানুষ জিয়া ও বাংলাদেশকে এক রকম মনে করতো। কঠোর পরিশ্রম, সততার মাধ্যমে দেশে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।

 

তবে দেশে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। বিষয়গুলো কীভাবে শিশুদের মাঝে তৈরি করা যায় তা নিয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

নেত্রকোণায় বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-বাবা ও দুই কন্যা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশা চালক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ সড়কের চল্লিশা ঝাউসি এলাকার বাইপাস মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বাইপাস সড়ক অতিক্রম করার সময় একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়।

 

নিহতরা হলেন সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলী কেশবপুর গ্রামের আয়নাল হক, তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম এবং তাদের দুই কন্যা সন্তান স্মৃতি ও ইতি।

 

এ ঘটনায় গুরুতর আহত অটোরিকশা চালক রেহানকে উদ্ধার করে প্রথমে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হয়।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন বাইপাস সড়ক নির্মাণ হলেও প্রধান সড়কের সংযোগস্থলে পর্যাপ্ত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, স্পিড ব্রেকার ও সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

 

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

 

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই পরিবারের চার সদস্যের প্রাণহানিতে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে।

সড়কে শেষ হলো পরিবারটির গল্প, নিহত বাবা-মা ও দুই মেয়ে

পবিত্র হজ পালন শেষে বাংলাদেশি হাজিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোববার (৩০ মে) রাত ৩টা পর্যন্ত ১৫টি ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৬ হাজার ১৭৫ হাজি দেশে পৌঁছেছেন। এদিকে চলতি বছর সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি হাজিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

শনিবার (৩০ মে) রাতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্প ডেস্কের দৈনিক বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়।

 

বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় মক্কায় বাংলাদেশ মিশনের কনফারেন্স কক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের (এনডিসি) সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের নিয়মিত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারীদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় করণীয়, আবাসন ও চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে প্রশাসনিক দলের সদস্য, চিকিৎসক এবং আইটি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বুলেটিনে বলা হয়, ৩০ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ফিরতি ফ্লাইট (এসভি-৫৮০৬) স্থানীয় সময় রাত ২টা ৪ মিনিটে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৪৫ জন হাজি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা করে। ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

 

দেশে ফেরা ৬ হাজার ১৭৫ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৭৫৯ জন রয়েছেন। ফিরতি যাত্রী পরিবহণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ হাজার ১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১ হাজার ৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৩ হাজার ৩০০ জন হাজি পরিবহণ করেছে।

 

এ পর্যন্ত মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪টি এবং ফ্লাইনাস ৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

 

অন্যদিকে সৌদি আরবে এ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। মক্কায় ২৭ জন এবং মদিনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ১৭৬ হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ২৬ হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

 

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

এবার হজে গিয়ে মারা গেছেন ৩৭ বাংলাদেশি

চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে সরকার কারাগার স্থাপন করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এখানে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না।

 

রোববার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বা রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভেতরে এক ধরনের ‘দুর্বৃত্তের রাষ্ট্র’ গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল, যার একটি প্রত্যক্ষ নমুনা হচ্ছে এই জঙ্গল সলিমপুর। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলি বর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অপরাধীদের অবদমন করতে গত ৯ মার্চ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জঙ্গল সলিমপুরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিভিন্ন পাহারা বসিয়ে সন্ত্রাসীরা যে সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, তা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযানের মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে র‍্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার মতো দুঃসাহস সন্ত্রাসীরা কীভাবে পেল—তা কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর পেছনে থাকা ভূমিদস্যু ও মূল ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।

 

জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সরকার। জনগণকে স্বস্তি ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে যারা এখানে এসে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছেন বা স্থানান্তরিত হয়েছেন, তাদের কাউকেই আপাতত উচ্ছেদ করা হবে না। প্রকৃত বাসিন্দাদের টেকসই পুনর্বাসনের জন্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। তিনি উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে কোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান।

 

জঙ্গল সলিমপুরে রোড নেটওয়ার্ক তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী জানান, সলিমপুর ইউনিয়নের সঙ্গে সীতাকুণ্ড, ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সংযোগ ঘটিয়ে একটি আধুনিক রোড নেটওয়ার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ড্রোন চিত্র ও সড়ক মানচিত্র পর্যালোচনা করে এই অঞ্চলে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সেনানিবাসের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির কাজ চলছে।

 

এছাড়া, বায়েজিদ লিংকের আশপাশে খাস জমিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের ঝুলে থাকা প্রকল্পটি প্রশাসনিক অনুমোদনের আলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ বেতুয়া ও চা বাগান এলাকা থেকেও সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করা হবে।

 

জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ‘আইনের শাসন’ প্রতিষ্ঠা করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জঙ্গল সলিমপুরে কারাগার স্থাপন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। রোববার (২১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

 

রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় সরকার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করবে বলে জানান আসাদুজ্জামান।

 

এর আগে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যতটা স্বাধীন, এতটা স্বাধীনতা অন্য অনেক দেশেই দেখা যায় না। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের পোস্টিং বা শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সেই স্বাধীনতার ভিন্ন রূপও আমরা অতীতে দেখেছি, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও উঠেছে।

 

মামলার দীর্ঘসূত্রতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিচারক ও আইনজীবীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এই জট তৈরি হয়েছে। এ সময় তিনি রামিসা হত্যা মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন আদালত, আশা আইনমন্ত্রীর

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d