শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত  
শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত  

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত  

 

মেহেদী হাসান:

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে এক বিশেষ সেমিনার এর আয়োজন  সম্পন্ন হয়েছে।

১০ই অক্টোবর রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় ঐতিহ্যবাহী নকিপুর জমিদার বাড়ি মাঠ প্রাঙ্গণে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে, এলাকার সাধারণ কৃষকদের বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদের জন্য এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

 

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, খুলনা কৃষ ইনস্টিটিউট দৌলতপুরের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ জনাব এস এম ফেরদৌস হোসেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী ছিলেন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ জামাল ফারুক।উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব শেখ সাখাওয়াত হোসেন উপজেলা কৃষি অফিসার ফকিরহাট। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগরের সুযোগ্য কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হুদা এবং উক্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার অন্যতম নেতা জনাব হাজী আশরাফুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠান সাফল্যমন্ডিত করার জন্য সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র শেখ সিরাজুল ইসলাম মিলন।অনুষ্ঠানটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, প্রভাষক সামিউল ইমাম আজম মনির, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু কৃষ্ণান্দ মুখার্জী, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক এ মাজিজুল হক, বাবু রনজিত দেবনাথ, শেখ মেহেদী হাসান, এস এম তরিকুল ইসলাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে, বক্তারা বলেন এলাকার একমাত্র মিষ্টি পানির খালটি সাধারণ কৃষকদের বোরো মৌসুমে সেচের জন্য একমাত্র উপায়। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী স্বার্থন্বেষী মানুষ তাদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থের নিমিত্তে এই খালটি নেট পাটা দিয়ে লোনা পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে খালটিতে চিংড়ি চাষ অব্যাহত রেখেছে। যাহার ফলে ৬০০-৭০০ জমিতে বোরো ধান চাষে আগ্রহী কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সাধারণ কৃষকদের দাবি অনতিবিলম্বে খালটি অবমুক্ত করা সহ খালটিতে মিষ্টি পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। না হলে,দেশের কৃষি খাত মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

 

রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ‘দৈনিক দৈনিক অনলাইন নিউজ’ নামক একটি ভুঁইফোড় অনলাইন পেজ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে এই অপপ্রচার চালানো হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো দূরতম সম্পর্ক নেই।

 

দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এই নেতার রাজনৈতিক সুনাম ও সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দলীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

 

এ ধরণের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণীত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ে আমার আপসহীন অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচারে নেমেছে। এ ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা দিয়ে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা যাবে না। দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে এই ধরনের গুজবের বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং তা আমলে না নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি পাশাপাশি আমি এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এই পেজটির বিরুদ্ধে সাভার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি আশা করছি আমি সুবিচার পাবো।

সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) চলতি অর্থবছরের জন্য ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

 

বাজেট ঘোষণা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ২১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

 

এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার সাধারণ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সিটি কর্পোরেশন। পাশাপাশি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অনুদান হিসেবে ধরা হয়েছে আরও ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

 

বাজেট বক্তৃতায় প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে জানান, ঘোষিত এই বাজেটে জনগণের ওপর নতুন করে কোনো করারোপ করা হয়নি। বরং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রমে সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে খুলনাবাসীর প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ানো জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনের লক্ষ্যে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়ক মেরামত এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ডাকাত গ্রেপ্তারে সহযোগিতা, এবার ‘টার্গেট’ দুই বিএনপি নেতা

 

প্রাণনাশের হুমকি, অপপ্রচার ও উক্ত মামলাসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ; এসপির কাছে নিরাপত্তা দাবি

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাক্ষী হওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি, হয়রানি, অপপ্রচার এবং উক্ত মামলাসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির দুই নেতা মো. ইদ্রিস আলী ও মো. রওশন আলী।

 

আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, তারা কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ও স্থানীয়ভাবে বিএনপির দায়িত্বশীল কর্মী। মো. ইদ্রিস আলী কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি এবং মো. রওশন আলী সংগঠনটির সদস্য ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

 

আবেদনকারীদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন সময়ে র‍্যাব ও পুলিশকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মামলায় তারা আইনানুগ সাক্ষী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর থেকেই একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র তাদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ভয়ভীতি, প্রাণনাশের হুমকি, হয়রানি, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

 

আবেদনে বলা হয়, গত ২৭ মার্চ ২০২৬ রাতে র‍্যাব-৬ পরিচালিত একটি অভিযানে ইয়ার আলী তরফদার নামে এক ব্যক্তিকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ওয়াকিটকি ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। আবেদনকারীদের দাবি, ওই অভিযানে জব্দতালিকা প্রস্তুত ও মামলা রুজুর সময় তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করেন এবং সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর প্রদান করেন।

 

এছাড়া গত ১২ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বিএনপি কার্যালয়ে বোমাবাজি ও নাশকতার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তারা। বিকট শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরে ঘটনাস্থল থেকে আলামত জব্দে পুলিশকে সহযোগিতা করেন বলে দাবি করেন আবেদনকারীরা। এ ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় মামলা নং-১৩, তারিখ ১৩ জুন ২০২৬ দায়ের হয়। ওই মামলায় তারা প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

আবেদনকারীদের অভিযোগ, এসব মামলায় সাক্ষী হওয়ার পর থেকেই মামলার আসামি ও তাদের সহযোগী-পৃষ্ঠপোষকদের পক্ষ থেকে মামলা তুলে নেওয়া এবং সাক্ষ্য প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য তাদের ওপর অব্যাহতভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

 

আবেদনে মো. তৌফিক আলম রায়হান, ‘টেমি’ মো. হাফিজুর রহমান (হাফিজ) এবং মো. তানভীর নামে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। আবেদনকারীরা তাদের বিরুদ্ধে অপরাধী চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

আবেদনকারীদের আরও দাবি, ইয়ার আলী, বাহার আলী, রেজাউল, রফিকুল ও বিল্লাল নামে কয়েকজন গ্রেপ্তারের পর তাদের অনুসারীদের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন কাল্পনিক মামলায় জড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

 

আবেদনে আরও বলা হয়, মো. তৌফিক আলম রায়হানের সঙ্গে দোকানঘর বিক্রয়কে কেন্দ্র করে আবেদনকারীদের আর্থিক বিরোধ রয়েছে। ওই দোকানঘর বেআইনিভাবে দখলে রেখে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দায়েরের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেছেন।

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আবেদনকারীরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাক্ষী হওয়ার কারণে তাদের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা, ভয়ভীতি, হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা হতে পারে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগেই প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া আবেদনে তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, হুমকিদাতা ও চক্রান্তকারীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা, নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা হলে যথাযথ যাচাই-বাছাই এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিষয়ে তদন্তসহ মোট সাত দফা প্রতিকার দাবি করেছেন।

 

আবেদনের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, র‍্যাব সদর দপ্তর, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য:

আবেদনে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে আবেদনকারীদের উত্থাপিত অভিযোগের প্রকৃততা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ডাকাত গ্রেপ্তারে সহযোগিতা, এবার ‘টার্গেট’ দুই বিএনপি নেতা!

বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট, দিনের অর্ধেক সময়ও থাকছে না বিদ্যুৎ

 

লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে নগরবাসী, দুশ্চিন্তায় অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা

 

খুলনা প্রতিনিধি:

বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। দিনের দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

 

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে বাসাবাড়ির স্বাভাবিক কাজকর্ম থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

 

সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা। ফ্রিল্যান্সার, ভিডিও এডিটর, গ্রাফিক ডিজাইনার, অনলাইন উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রিমোট কর্মীরা বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে কাজ করেন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই সময়মতো কাজ জমা দিতে পারছেন না। গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন মিটিং ও কাজের সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।

 

একজন অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবী বলেন, “আমাদের কাজের বড় একটি অংশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যাকআপ থাকলেও দীর্ঘ সময় কাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে কাজের সময়সূচি ও আয়ের ওপর প্রভাব পড়ছে।”

 

এদিকে শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ করে রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে দোকানপাট, ছোট ব্যবসা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়ছে।

 

নগরবাসীর দাবি, লোডশেডিংয়ের সময়সূচি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য জানানো হোক। পাশাপাশি দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি করে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।

 

বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে খুলনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরে জনজীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।

বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট, দিনের অর্ধেক সময়ও থাকছে না বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে নগরবাসী, দুশ্চিন্তায় অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা

বছরব্যাপী বই পড়ার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে খুলনা মহানগরীর ৪৬টি স্কুলের ৩ হাজার ২৬৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার পেয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) খুলনার সেন্ট জোসেফস উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসবের আয়োজন করে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে গ্রামীণফোন।

 

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্পের পরিচালক মু. বিল্লাল হোসেন খান, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইরুফা সুলতানাসহ শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী, বিজ্ঞান সংগঠক, শিক্ষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সেন্ট জোসেফস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে তাদের উৎসাহিত করেন।

 

স্বাগত বক্তব্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান বছরব্যাপী বই পড়ার কর্মসূচি সফল করতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বই পড়ার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান বলেন, বই পড়া, সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্তি কমানো সম্ভব। তাই শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি বই পড়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সৃজনশীল সাহিত্য ও ভালো বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ভালো বই শুধু গল্প বলে না, বরং পাঠকের মনের কথাও শোনে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

এবারের উৎসবে ৪৬টি স্কুলের ৩ হাজার ২৬৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ জনকে সরাসরি মঞ্চ থেকে এবং ১৬টি স্কুলের বাকি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার সংশ্লিষ্ট স্কুলের সংগঠকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ২ হাজার ২৫৪ জন ‘শুভেচ্ছা’, ৯২৩ জন ‘অভিনন্দন’ এবং ৯২ জন ‘সেরা পাঠক’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ১৪৬ জন এবং মেয়ে ২ হাজার ১২৩ জন।

 

এদিকে, এ বছর প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অনলাইন সেফটি ফান্ডামেন্টালস’ নামে সচেতনতামূলক অনলাইন কোর্স চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও অভিভাবকদের নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে মৌলিক ধারণা দেওয়া হবে।

 

অনুষ্ঠানস্থলে ‘অনলাইন সেফটি কর্নার’-এর মাধ্যমে শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ সম্পর্কে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সচেতন করা হয়।

বই পড়ে পুরস্কার পেলো খুলনার ৪৬ স্কুলের ৩২৬৯ শিক্ষার্থী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩