হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

 

হাম সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি ইউনূস সরকার। সম্প্রতি একটি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

 

প্রশ্ন: প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।

 

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।

 

তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেওয়া সেই অবিনাশী আবু সাঈদ এবং স্বৈরাচার পতনের মহাকাব্যিক অধ্যায়ের আজ দুই বছর। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাইয়ে রাজপথে রক্ত ঝরানো সেইসব বীরদের স্মরণে আজ পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ছাত্র-জনতার জাগরণের সেই রক্তঝরা দিনটিকেই আজ বিনম্র শ্রদ্ধায় ও শোকের আবহে স্মরণ করছে বাংলাদেশ।

 

শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আজ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দিবসটি পালনের বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং স্মরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য তুলে ধরা হচ্ছে।

 

২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ১৬ জুলাই দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই কর্মসূচি চলাকালেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

সেদিন রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। একপর্যায়ে পুলিশের শটগানের গুলির সামনে দুই হাত প্রসারিত করে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে যান ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদের এই সাহসিকতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যেই বৈশ্বিক আলোড়ন সৃষ্টি করে। আবু সাঈদের এই শাহাদাত বরণের দৃশ্যই মূলত ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অবিনাশী প্রতীক হয়ে ওঠে।

 

একই দিনে চট্টগ্রামে সংঘর্ষে নির্মমভাবে শহীদ হন কলেজ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম, ওমরগণি এমইএস কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ এবং ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী মো. ফারুক। এছাড়া রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় সংঘর্ষে শহীদ হন হকার মো. শাহজাহান ও যুবদল নেতা সবুজ আলী। নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সূত্রে ১৬ জুলাই সারা দেশে অন্তত ৬ জন শহীদ হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।

 

১৬ জুলাই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তৎকালীন সরকার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়াসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে বিজিবি মোাতেয়েন করে। একই রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় এবং ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

 

১৬ জুলাই ছিল ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বদলের দিন। আবু সাঈদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ আন্দোলনের গতিপথকে কোটা সংস্কারের বৃত্ত থেকে বের করে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের বৃহত্তর লড়াইয়ে রূপান্তর করে। এই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এবং নতুন বাংলাদেশের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করতে ১৬ জুলাই জাতীয়ভাবে ‘ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কো পদত্যাগ করেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সরকারের কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের উদ্যোগ নেওয়ার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

মঙ্গলবার ইউক্রেনের পার্লামেন্ট প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে। এর ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকার পুনর্গঠনের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও দক্ষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।

ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কো দায়িত্ব পালনকালে দেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং যুদ্ধকালীন প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে নতুন পরিস্থিতির আলোকে সরকারে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সে বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

পদত্যাগ করলেন প্রধানমন্ত্রী

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আগামী ১৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে, গত ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশন’-এর এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলাটি করেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, তানজিন তিশা ‘অ্যাপোনিয়া’ নামের একটি অনলাইন পেজ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি পছন্দ করেন। পরে গত ১৮ জানুয়ারি শাড়িটি তার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, শর্ত ছিল শাড়িটি পরে তিনি পেজটির প্রচারণা করবেন। এ বিষয়ে তিনি ভয়েস ও টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে আশ্বাসও দিয়েছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি শাড়িটি পরে কোনো প্রচারণা করেননি এবং গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগও রাখেননি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বাদীর অভিযোগ, তানজিন তিশা প্রতারণার মাধ্যমে বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার জানান, ডিবির তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আদালত তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

 

তিনি আরও জানান, আইনি নোটিশ পাঠানোর পরও কোনো সাড়া না পাওয়ায় ২০২৫ সালের নভেম্বর মামলাটি করা হয়।

তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ

বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘অক্টাগন’ উদ্বোধন করল মিশর

 

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান

 

আধুনিক সামরিক অবকাঠামো ও কৌশলগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক কমান্ড কমপ্লেক্স ‘দ্য অক্টাগন’ (The Octagon) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে মিশর। শনিবার (৪ জুলাই) দেশটির নতুন প্রশাসনিক রাজধানীতে নির্মিত এ অত্যাধুনিক কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন মিশরের প্রেসিডেন্ট ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। মিশর সরকার একে বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বাধুনিক সামরিক কমান্ড এবং জাতীয় নিরাপত্তা সদর দপ্তর হিসেবে দাবি করছে।

 

মিশরীয় সরকারি সূত্র ও স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী কায়রো থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে গড়ে ওঠা নতুন প্রশাসনিক রাজধানীতে নির্মিত এই কমপ্লেক্সটি ‘স্টেট স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড সেন্টার’ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু। এর লক্ষ্য হলো সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ড, নিয়ন্ত্রণ, সমন্বয় ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থাকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও কার্যকর ও দ্রুততর করা।

 

প্রায় ৯২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল স্থাপনাটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক অবকাঠামো। মিশরের দাবি অনুযায়ী, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন-এর চেয়েও বড়।

 

‘অক্টাগন’ নামকরণের পেছনে রয়েছে এর ব্যতিক্রমী স্থাপত্যশৈলী। অষ্টভুজ আকৃতির একাধিক ভবনের সমন্বয়ে নির্মিত এই কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে। এটি মিশরের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

 

নতুন এই সামরিক সদর দপ্তরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড ছাড়াও রয়েছে অত্যাধুনিক কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, তথ্য বিশ্লেষণ ইউনিট, কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা, সংকট ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক পরিচালনা অবকাঠামো।

 

শুধু সামরিক কমান্ড নয়, এই বিশাল কমপ্লেক্সকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক নগরীর রূপও দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হোটেল, শপিং সেন্টার, বিনোদন ও বিভিন্ন সেবামূলক স্থাপনা। ফলে এটি একাধারে সামরিক, প্রশাসনিক ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।

 

মিশর সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অক্টাগন’ প্রকল্পের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে এবং ভবিষ্যতের বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশটির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

 

ইতোমধ্যে নতুন প্রশাসনিক রাজধানীতে অধিকাংশ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম স্থানান্তর সম্পন্ন করেছে মিশর। সেই ধারাবাহিকতায় ‘দ্য অক্টাগন’ এর উদ্বোধনকে কেবল একটি সামরিক স্থাপনার সূচনা নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনা, প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক কৌশলগত প্রভাব বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিশরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার পরিবর্তিত নিরাপত্তা বাস্তবতায় এই প্রকল্প মিশরের সামরিক ও ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হবে।

 

লেখক কলামিস্ট ও শিক্ষার্থী, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর

বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘অক্টাগন’ উদ্বোধন করল মিশর

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর খাতাম আল-আম্বিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার আলি আবদুল্লাহ বলেছেন, জানাজা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল কোনো ধরনের হামলা চালালে তার ‘চরম প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে।

 

তিনি বলেন, আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে আমেরিকা ও জায়নবাদীদের যে কোনো ভুল পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তা দিচ্ছি। দেশের বিরুদ্ধে হামলা বা আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করলে ওই দিনই নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। চার মাসেরও বেশি সময় তার লাশ সংরক্ষণের পর রোববার ভোর থেকে রাজধানী তেহরানে রাষ্ট্রীয় জানাজা শুরু হচ্ছে। এতে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে। তেহরানসহ মোট পাঁচটি শহরে জানাজা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে। এসব অনুষ্ঠানে দেড় কোটিরও বেশি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিপুল এই জনসমাগমকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য মার্কিন বা ইসরাইলি হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তেহরান।

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হলেও তিনি মার্কিন হামলায় গুরুতর আহত হন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি বাবার জানাজায় সরাসরি অংশ নেবেন না বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে ইরান।

 

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, খামেনির শেষকৃত্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান। বিশেষ করে মাশহাদে দাফনের অনুষ্ঠানকে ঘিরে হামলার আশঙ্কার কথাও তারা উল্লেখ করছেন।

 

এদিকে শেষকৃত্যের সময় নির্বাচন নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। কারণ, তেহরানে খামেনির জানাজা শুরু হওয়ার সময়ই যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে দেশটির ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের (সেমিকুইনসেন্টেনিয়াল) আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, পাঁচ দিনব্যাপী বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওয়াশিংটনের সমান্তরালে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছে তেহরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে এই বৃহৎ আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যে নানা রাজনৈতিক জল্পনাও তৈরি হয়েছে।

 

খামেনির জানাজায় হামলা হলে চরম প্রতিশোধ, হুঁশিয়ারি তেহরানের

ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারের একটি লাল পতাকা নিহত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে। শোক ও বিদায় আয়োজনের অংশ হিসেবে এই প্রতীকী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। খবর আল-জাজিরার।

 

আগামী ৯ জুলাই আলী খামেনিকে ওই মাজারে সমাহিত করা হবে। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হওয়ার পর এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামিক রাজনীতির সহযোগী অধ্যাপক নাদের হাশেমি বলেন, এই লাল পতাকা শিয়া ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হুসাইন ইবনে আলীর আত্মত্যাগের প্রতীক। তিনি ছিলেন নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর নাতি, যিনি সপ্তম শতকে কারবালার যুদ্ধে নিহত হন।

হাশেমি আরও বলেন, এই ঘটনা শিয়া মুসলমানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতীক। ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এটি ব্যবহার করে খামেনেইয়ের মৃত্যুকে সেই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছে।

ইমাম রেজার মাজারের লাল পতাকা খামেনির কফিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পারিবারিক কলহের জেরে বাবার হাতে ৭ মাসের শিশু হ/ত্যা গ্রেপ্তার ১

 

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে বাবার হাতে ৭ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে তুরাগ থানা পুলিশ।

 

নিহত শিশু রাফা মনির পরিবারের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সোনাইডাঙ্গা গ্রামে। বর্তমানে পরিবারটি তুরাগ এলাকার একটি বস্তিতে বসবাস করছিল।

 

শিশুটির মা লিমা আক্তার জানান, বুধবার সন্ধ্যায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী কবির হোসেনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে কবির হোসেন তার কোল থেকে শিশু রাফাকে ছিনিয়ে নিয়ে মাটিতে আছড়ে ফেলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে শিশুটিকে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার মধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

 

লিমা আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী নিয়মিত কাজ করতেন না এবং প্রায়ই মাদক সেবন করতেন। এসব বিষয় নিয়েই তাদের সংসারে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত।

 

তুরাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ফয়সাল জানান, ঘটনার পর বুধবার রাতেই অভিযুক্ত কবির হোসেনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটিকে আছড়ে হত্যার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মায়ের কোল থেকে ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে আছাড় মেরে হত্যা করলেন বাবা

নীলফামারী তে জুলাই শহীদ দিবস পালন

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার

জেলা নীলফামারী

১৬/জুলাই/২০২৬ : নীলফামারীতে জুলাই শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে “জুলাই স্মৃতি সব্ম্ভে”শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। পরে দোয়া শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় জেলা শহরের বিডি হল সংলগ্ন জুলাই স্মৃতি সব্ম্ভে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ নায়িরুজামান পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন, জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম পুষ্পামাল্য অর্পণ শেষে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, জুলাই যোদ্ধাগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান।

নীলফামারী তে জুলাই শহীদ দিবস পালন

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং মানবিক চিকিৎসক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। এ সময় তারা শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে তারা কবর জিয়ারত করেন।

 

কবর জিয়ারত শেষে শহীদ আবু সাঈদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেন সফরসঙ্গীরা।

 

শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, আবু সাঈদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

 

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ আবু সাঈদের মায়ের হাতে উপহার তুলে দেন ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। পাশাপাশি শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।

 

ডা. এস এম খালিদুজ্জামান বলেন, শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এক অনন্য প্রেরণা। শহীদ পরিবারের পাশে থাকা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি জাতিরও নৈতিক দায়। তিনি শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

 

সফর শেষে নেতৃবৃন্দ পুনরায় শহীদ পরিবারের প্রতি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং শহীদদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন শিবির সভাপতি

সাতক্ষীরা সিটি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ভূগোল প্রথম পত্র পরীক্ষায় ভুলবশত দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষা শুরুর প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর বিষয়টি ধরা পড়লে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভুল প্রশ্নপত্র ফিরিয়ে নিয়ে সঠিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। পরে অতিরিক্ত সময় দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া ভূগোল প্রথম পত্রের পরীক্ষায় কেন্দ্রটিতে শুরুতেই প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) প্রশ্নের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। অথচ ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা আগামী ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

পরীক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষা শুরুর পর প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট তারা ওই প্রশ্নেই উত্তর লেখা শুরু করেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভুলটি শনাক্ত করে প্রশ্নপত্রগুলো ফিরিয়ে নেন। প্রথম পত্রের সঠিক এমসিকিউ প্রশ্নপত্র সরবরাহের পর পরীক্ষা পুনরায় শুরু হয়। এ সময় সৃজনশীল অংশের প্রশ্নপত্র দিতে গিয়েও আরেক দফা বিভ্রাট ঘটে। ভুলক্রমে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে চলতি বছরের সঠিক প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ২০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।

 

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষা) রিপন বিশ্বাস বলেন, প্রশ্নপত্র বাছাই (সোর্টিং) করার সময় কলেজ কর্তৃপক্ষের অসাবধানতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে। পরে সঠিক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আগামী ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

 

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ বলেন, ঘটনার বিস্তারিত শিক্ষা বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম মো. আব্দুস ছালাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বোর্ড থেকেও তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আগামী ১৮ জুলাই নির্ধারিত দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

 

জানা গেছে, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ কেন্দ্রটিতে সাতক্ষীরা সিটি কলেজ, সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ, ঝাউডাঙ্গা কলেজ ও শহীদ স্মৃতি কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। প্রশ্নপত্র বিতরণে এমন বিভ্রাটে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সাময়িক উদ্বেগ ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হলেও পরে সংশোধিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

সাতক্ষীরায় ভূগোল প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন বিতরণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবি হরফ লেখা পতাকা প্রদর্শনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা হতে পারে বলে, তবে বাংলাদেশে সংগঠিত জঙ্গিবাদী তৎপরতা বা বড় ধরনের কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

 

আরবি হরফ লেখা পতাকা প্রদর্শনের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু মানুষ ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করতে পারে। কিছু সংগঠনকে চরমপন্থি বলা যেতে পারে। তবে দেশে সংগঠিত জঙ্গিবাদী তৎপরতা বা বড় ধরনের কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের অস্তিত্ব আছে বলে সরকার মনে করে না।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদী বা মৌলবাদী কোনো শক্তির উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিদেশে পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে আরব আমিরাতে (ইউএই) একজন এবং ভারতে তিনজনসহ মোট চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ ওসমান শরীফ হাদি হত্যা মামলার আসামিরাও রয়েছেন। তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মাত্র তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র ও ওয়ারেন্টের কপি পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভারতের সাথে বিদ্যমান এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী সে দেশে আটক আসামিদেরও দ্রুত ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় আদালতে বেআইনি অনুপ্রবেশের মামলার কারণে ভারত কিছুটা সময় নিলেও চুক্তি অনুযায়ী মামলা চলমান থাকা অবস্থাতেও আসামিদের প্রত্যর্পণ সম্ভব।

 

জুলাই-আগস্ট ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের তালিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার পতনের প্রাক্কালে হাসপাতাল থেকে বহু নথিপত্র গায়েব, চিকিৎসায় বাধা এবং লাশ গুম করার কারণে প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা প্রায় ১৪০০ বলা হলেও সরকারের ধারণা এই সংখ্যা ২০০০-এর অধিক। বর্তমানে ডিএনএ টেস্ট ও গণকবর অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিখোঁজদের পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে, যার ফলে নথিবদ্ধ শহীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে ১৫ হাজারেরও বেশি শহীদ ও আহতদের সুনির্দিষ্ট গেজেট ও তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আহতদের ক, খ ও গ—এই তিন শ্রেণীতে বিন্যস্ত করে চিকিৎসাসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

 

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালীন আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে যৌথ বৈঠকের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকার সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছে বলে জানান।

কালেমার পতাকা নিয়ে উগ্রবাদী তৎপরতার প্রমাণ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে গত রোববার। এ বছর মোট ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে মেধাভিত্তিক ট্যালেন্টপুলে ৩২,৯৬৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৬,২৮১ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। এর‌ই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এ আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে পাঠসহায়তা প্রাপ্ত ৬১১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

 

গত রোববার ফলাফল প্রকাশিত হলে আশা শিক্ষা কর্মসূচি আওতায় আশা ভেলাজান ব্রাঞ্চ শিক্ষা কেন্দ্র থেকে সাধারণ বৃত্তি পায় আব্দুল্লাহ আল উমার। সে সদর উপজেলার মোলানী ছেপড়িকুড়া এলাকার বাসিন্দা ও ছেপড়িকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

 

আব্দুল্লাহ উমার মা লাভলী আক্তার জানান, আশা শিক্ষা কেন্দ্রর পাঠদান অনেক ভালো। এখানকার শিক্ষক শিক্ষিকারা খুব দক্ষতার সহিত যত্নসহকারে বাচ্চাদের পাঠদান দিয়ে থাকে। দূর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্ন করে পাঠদান করার। আমার ছেলে উমার এ অর্জনের জন্য আমরা আনন্দিত।

শিক্ষা সেবিকা ময়না আক্তার জানান, আমার বেলি শাখায় ৬২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়মিত পাঠদান করাচ্ছি। তাদের সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে হাতে কলমে শেখাচ্ছি। আব্দুল্লাহ উমার সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে একজন শিক্ষা সেবিকা হিসেবে আমি অনেক খুশি।

 

আশা ভেলাজান ব্রাঞ্চের শিক্ষা সুপারভাইজার মোঃ সাফিরুল ইসলাম শাওন জানান, ভেলাজান ব্রাঞ্চে আটটি শিক্ষা কেন্দ্রে শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৪৮৮ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি করছি। তাদের সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে উদ্ধতনা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। আমাদের বেলি শাখা থেকে একজন শিক্ষার্থী সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে আমরা সকলেই চেষ্টা করছি। সামনে যেন আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী সাধারণ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায় সেটা নিয়েও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

 

আশা ভেলাজান ব্রাঞ্চের বি এম মোঃ মাছুম হায়দার জানান, নিয়মিত আমিও প্রতিটি শিক্ষা কেন্দ্রে ভিজিট করি এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলি তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করি এছাড়াও আমাদের শিক্ষা সুপারভাইজার নিয়মিত প্রতিটি শিক্ষা কেন্দ্রে ভিজিট করে। আমরা আশা রাখছি সামনে এই বৃত্তির সংখ্যা আরো বাড়বে।

 

আশা ঠাকুরগাঁও সদর জেলা সিনিয়র শিক্ষা অফিসার মোঃ আজাদুল হক জানান, এটা শিক্ষার্থীদের অর্জন তাদের কঠিন অধ্যবসায়, অভিভাবকদের সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রচেষ্টা এবং আশা শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত নিবেদিত প্রাণ শিক্ষা সেবিকাদের পরিশ্রমের সম্মিলিত ফল।শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি পূরণ, নিয়মিত অনুশীলন এবং মানসম্মত শিক্ষায় সহায়ক পরিবেশ তৈরির অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সাফল্য কামনা করি।

আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার 

*শ্যামনগরে শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী পালন, জামায়াতের র‍্যালি ও সমাবেশ*

 

*শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি*

*জি.এম. জিয়াউর রহমান*

*দৈনিক আমাদের দেশ*

 

কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র *শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী* এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের স্মরণে শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ *১৬ জুলাই* বুধবার বিকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

 

*শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগা ময়দানের সামনে থেকে* র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে *জেসি কমপ্লেক্সের সামনে* গিয়ে শেষ হয়।

 

র‍্যালি শেষে জেসি কমপ্লেক্সের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর *মাওলানা আব্দুর রহমান*।

 

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ বুক পেতে দিয়ে যে আদর্শের বীজ বপন করে গেছেন তা আজ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে বেঈমানী করা যাবে না। খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

 

সমাবেশ থেকে ” *খুনি কেন বাহিরে, আবু সাঈদ কবরে* ” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এসময় জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা আরও বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ও জুলাইয়ের সকল শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

 

ছবি:

শ্যামনগরে শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী পালন, জামায়াতের র‍্যালি ও সমাবেশ*

বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির শহীদ মিনার চত্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদালত চত্বর ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সংগঠনের জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আকবর আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার।বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। গত ১৭ বছরে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট অন্যতম সক্রিয় ইউনিট হিসেবে কাজ করেছে বলেও তারা দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এ সময় তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে দ্রুত বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, এ স্বীকৃতি পেলে আইনজীবীরা দলীয় কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আরও সুসংগঠিতভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। কারও বিরুদ্ধে অর্থ আদায় বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

বক্তারা সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, মতপার্থক্য থাকলে তা সংগঠনের অভ্যন্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। ব্যক্তিগত বা প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য পরিহার করে সংগঠনের ঐক্য অটুট রেখে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু সাইদ রাজা, অ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, অ্যাডভোকেট ই. জে. সাহরিয়ার হাসিব, অ্যাডভোকেট জি. এম. ফিরোজ আহমেদ, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সরদার সাইফ, অ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন শাওন, অ্যাডভোকেট মাকফুর রহমান , অ্যাডভোকেট রেজওয়ান আলী, অ্যাডভোকেট আকরাম আলী, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সোহেল, অ্যাডভোকেট শাহানা ইমরুজ, অ্যাডভোকেট আয়ুব আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াছিন হাবিব, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দীন, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ডালিম, অ্যাডভোকেট শাহাজান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট এবাদুল হক, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বাবলু, অ্যাডভোকেট আলামিন আলম, অ্যাডভোকেট শেখ হেলালুজ্জামান হেলাল, অ্যাডভোকেট বখতিয়ার, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ, অ্যাডভোকেট তারিক ইকবাল অপুসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শতাধিক আইনজীবী।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

সাভার আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে টানা প্রায় ৩১ বছর যাবত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

 

 

দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে দাবি করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

 

সম্প্রতি সময়ে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে অভিযোগ ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও বলে দাবি করেছেন স্থানী সেবা গ্রহণকারীরা।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় আবুল কালাম আজাদ সর্বদা নিয়মনীতি অনুসরণ করে কাজ করেছেন এবং জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যা সমাধানে তিনি আন্তরিক ছিলেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

 

এ বিষয়ে মোঃ আবুল কালাম আজাদ সংবাদ মোহনা কে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সুপরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী, যারা এখনো এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন, তারা অর্থের বিনিময়ে কিছু সাংবাদিককে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি।

 

প্রতিবেদনের স্বার্থে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের অনেকের মতে আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে চলমান প্রচারণার উদ্দেশ্য তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করাই তাদের লক্ষ্য।

সাভার আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে টানা প্রায় ৩১ বছর যাবত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে শরীয়তপুরের জাজিরায় এসেছেন মো. মোজাম্মেল হোসাইন নামে এক যুবক। গত শনিবার (১১ জুলাই) পাকিস্তানের লাহোর থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তার প্রেমিকা তানজিলা আক্তারের বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় ইমামের মাধ্যমে শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

 

ভিনদেশি যুবকের এমন প্রেমকাহিনি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। তবে ভালোবাসার এই গল্পের পাশাপাশি স্থানীয়দের একাংশের মনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগও। তানজিলাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তানজিলার সঙ্গে পরিচয় হয় পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা উর্দুভাষী মোজাম্মেল হোসাইনের। তানজিলা মজিবর শিকদারের একমাত্র মেয়ে। পরিচয়ের পর নিয়মিত চ্যাটিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

দীর্ঘ চার বছরের সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত ১১ জুলাই শনিবার লাহোর থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের রহিম উদ্দিন মালাই মৃধাকান্দি গ্রামের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তানজিলার বাড়িতে এসে হাজির হন মোজাম্মেল। পরে জাজিরায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

 

তানজিলার মা আসমা আক্তার এ বিয়ে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এত দূরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছুটা খারাপ লাগলেও তাদের মনে কোনো ভয় বা শঙ্কা নেই।

 

তবে পরিবারের এই স্বস্তির বিপরীতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের একাংশের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। তানজিলার ফুফু রাত্রি আক্তার ও চাচা তোফাজ্জল শিকদার বলেন, ইদানীং প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েদের বিদেশে পাচারের নানা খবর পাওয়া যাচ্ছে। ছেলের পরিবারের কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় এভাবে একটি মেয়েকে পাকিস্তানে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

এ কারণে পুরো বিষয়টি যাচাই করে প্রশাসনের নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে যুবকের জাজিরায় ছুটে আসার ঘটনা এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চার বছরের প্রেম শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনেছে। তবে নববধূকে নিয়ে পাকিস্তানে যাত্রার আগে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেমের টানে শরীয়তপুরে পাকিস্তানি যুবক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d