জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

 

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

 

অদ্য ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.৩০ ঘটিকায় খুলনা আদালত চত্বরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, খুলনার আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী চেয়ারম্যান, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, খুলনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম সেবা মহোদয়।

 

আলোচনা সভায় পুলিশ কমিশনার মহোদয় বলেন, উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম মাধ্যম হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। সামাজিক যোগযোগ তথা ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে কেহ হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইল করলে বা করার চেষ্টা করলে উক্ত বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এলআইসি শাখা ও সাইবার সেল সহায়তার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি পুলিশকে জানানো অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান ছাড়াও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, লিগ্যাল এইডে আইনের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সকলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স ও অতিঃ দায়িত্বে ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিপিএম-সেবা, পিপিএম (বার), খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্) জনাব শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা-সহ অন্যান্য সুধীবৃন্দ।


বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট, দিনের অর্ধেক সময়ও থাকছে না বিদ্যুৎ

 

লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে নগরবাসী, দুশ্চিন্তায় অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা

 

খুলনা প্রতিনিধি:

বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। দিনের দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

 

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে বাসাবাড়ির স্বাভাবিক কাজকর্ম থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

 

সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা। ফ্রিল্যান্সার, ভিডিও এডিটর, গ্রাফিক ডিজাইনার, অনলাইন উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রিমোট কর্মীরা বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে কাজ করেন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই সময়মতো কাজ জমা দিতে পারছেন না। গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন মিটিং ও কাজের সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।

 

একজন অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবী বলেন, “আমাদের কাজের বড় একটি অংশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যাকআপ থাকলেও দীর্ঘ সময় কাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে কাজের সময়সূচি ও আয়ের ওপর প্রভাব পড়ছে।”

 

এদিকে শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ করে রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে দোকানপাট, ছোট ব্যবসা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়ছে।

 

নগরবাসীর দাবি, লোডশেডিংয়ের সময়সূচি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য জানানো হোক। পাশাপাশি দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি করে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।

 

বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে খুলনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরে জনজীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।

বিভাগীয় শহর খুলনায় বিদ্যুতের তীব্র সংকট, দিনের অর্ধেক সময়ও থাকছে না বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে নগরবাসী, দুশ্চিন্তায় অনলাইনভিত্তিক কর্মজীবীরা

বছরব্যাপী বই পড়ার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে খুলনা মহানগরীর ৪৬টি স্কুলের ৩ হাজার ২৬৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার পেয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) খুলনার সেন্ট জোসেফস উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসবের আয়োজন করে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে গ্রামীণফোন।

 

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্পের পরিচালক মু. বিল্লাল হোসেন খান, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইরুফা সুলতানাসহ শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী, বিজ্ঞান সংগঠক, শিক্ষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সেন্ট জোসেফস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে তাদের উৎসাহিত করেন।

 

স্বাগত বক্তব্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান বছরব্যাপী বই পড়ার কর্মসূচি সফল করতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বই পড়ার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান বলেন, বই পড়া, সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্তি কমানো সম্ভব। তাই শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি বই পড়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সৃজনশীল সাহিত্য ও ভালো বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ভালো বই শুধু গল্প বলে না, বরং পাঠকের মনের কথাও শোনে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

এবারের উৎসবে ৪৬টি স্কুলের ৩ হাজার ২৬৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ জনকে সরাসরি মঞ্চ থেকে এবং ১৬টি স্কুলের বাকি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার সংশ্লিষ্ট স্কুলের সংগঠকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ২ হাজার ২৫৪ জন ‘শুভেচ্ছা’, ৯২৩ জন ‘অভিনন্দন’ এবং ৯২ জন ‘সেরা পাঠক’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ১৪৬ জন এবং মেয়ে ২ হাজার ১২৩ জন।

 

এদিকে, এ বছর প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অনলাইন সেফটি ফান্ডামেন্টালস’ নামে সচেতনতামূলক অনলাইন কোর্স চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও অভিভাবকদের নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে মৌলিক ধারণা দেওয়া হবে।

 

অনুষ্ঠানস্থলে ‘অনলাইন সেফটি কর্নার’-এর মাধ্যমে শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ সম্পর্কে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সচেতন করা হয়।

বই পড়ে পুরস্কার পেলো খুলনার ৪৬ স্কুলের ৩২৬৯ শিক্ষার্থী

সাতক্ষীরার পেট্রোল পাম্পে উপচে পড়া ভিড়, শহরজুড়ে দীর্ঘ যানজট

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

 

তেল সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরেও সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

জ্বালানি তেল নিতে শত শত মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় শহরের বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

দুপুর ১টার দিকে শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, জ্বালানি সংগ্রহের জন্য চালকদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পাম্পের বাইরে সড়কে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের কারণে আশপাশের সড়কগুলোতে ধীরগতির যান চলাচল এবং কোথাও কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পাম্পে দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানান, জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল—সব ধরনের জ্বালানি পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেল সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ জ্বালানি নিতে পাম্পে ভিড় করছেন।

তিনি বলেন, “রাস্তায় যানজট হওয়ার কারণ তেলের সংকট নয়। গুজবের কারণে একসঙ্গে ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন পাম্পে চলে আসছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। কিন্তু একসঙ্গে এত চাপ সামাল দিতে সময় লাগছে। ফলে পাম্পের বাইরে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে এবং সেখান থেকেই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।”

পাম্পে আসা কয়েকজন চালক জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেল সংকটের খবর দেখে তারা আগেভাগেই জ্বালানি নিতে এসেছেন। তবে অনেকেই পরে জানতে পারেন, জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সংকটের খবর সঠিক নয়।

এদিকে, পাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক ভিড়ের কারণে সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের ভোগান্তি বাড়ছে।সংশ্লিষ্টরা গুজবে কান না দিয়ে যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরার পেট্রোল পাম্পে উপচে পড়া ভিড়, শহরজুড়ে দীর্ঘ যানজট

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্বাবধায়নে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন থেকে কল্যাণপুর অভিমুখী খালের উপর নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার আগেই হাতল ভেঙে পড়েছে। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ কালভার্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ চলমান অবস্থায় গতকাল রোববার সকালে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে পড়েছে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিয়ষটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ বলেন, হাতলের পাশে মাটি দেওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ছবিঃ শ্যামনগরে নির্মানাধীন কালভার্টের হাতলে ধ্বসের স্থির চিত্র।

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

*শ্যামনগরে শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী পালন, জামায়াতের র‍্যালি ও সমাবেশ*

 

*শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি*

*জি.এম. জিয়াউর রহমান*

*দৈনিক আমাদের দেশ*

 

কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র *শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী* এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের স্মরণে শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ *১৬ জুলাই* বুধবার বিকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

 

*শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগা ময়দানের সামনে থেকে* র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে *জেসি কমপ্লেক্সের সামনে* গিয়ে শেষ হয়।

 

র‍্যালি শেষে জেসি কমপ্লেক্সের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর *মাওলানা আব্দুর রহমান*।

 

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ বুক পেতে দিয়ে যে আদর্শের বীজ বপন করে গেছেন তা আজ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে বেঈমানী করা যাবে না। খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

 

সমাবেশ থেকে ” *খুনি কেন বাহিরে, আবু সাঈদ কবরে* ” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এসময় জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা আরও বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ও জুলাইয়ের সকল শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

 

ছবি:

শ্যামনগরে শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী পালন, জামায়াতের র‍্যালি ও সমাবেশ*

বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির শহীদ মিনার চত্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদালত চত্বর ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সংগঠনের জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আকবর আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার।বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। গত ১৭ বছরে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট অন্যতম সক্রিয় ইউনিট হিসেবে কাজ করেছে বলেও তারা দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এ সময় তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে দ্রুত বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, এ স্বীকৃতি পেলে আইনজীবীরা দলীয় কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আরও সুসংগঠিতভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। কারও বিরুদ্ধে অর্থ আদায় বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

বক্তারা সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, মতপার্থক্য থাকলে তা সংগঠনের অভ্যন্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। ব্যক্তিগত বা প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য পরিহার করে সংগঠনের ঐক্য অটুট রেখে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু সাইদ রাজা, অ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, অ্যাডভোকেট ই. জে. সাহরিয়ার হাসিব, অ্যাডভোকেট জি. এম. ফিরোজ আহমেদ, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সরদার সাইফ, অ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন শাওন, অ্যাডভোকেট মাকফুর রহমান , অ্যাডভোকেট রেজওয়ান আলী, অ্যাডভোকেট আকরাম আলী, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সোহেল, অ্যাডভোকেট শাহানা ইমরুজ, অ্যাডভোকেট আয়ুব আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াছিন হাবিব, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দীন, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ডালিম, অ্যাডভোকেট শাহাজান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট এবাদুল হক, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বাবলু, অ্যাডভোকেট আলামিন আলম, অ্যাডভোকেট শেখ হেলালুজ্জামান হেলাল, অ্যাডভোকেট বখতিয়ার, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ, অ্যাডভোকেট তারিক ইকবাল অপুসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শতাধিক আইনজীবী।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মালয়েশিয়ায় ১২৬ জন বাংলাদেশি কর্মীর ৩ মাস বেতন নেই। সমাধানে কোম্পানি পরিদর্শনে দূতাবাস

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের প্লাইউড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মেনটাকাব ভিনিয়ার অ্যান্ড প্লাইউড এসডিএন বিএইচডি-তে কর্মরত প্রায় ২৫০ জন অভিবাসী শ্রমিক জানিয়েছেন, তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তাঁদের বেতন দেওয়া হয়নি, যার ফলে তাঁদের এবং দেশে থাকা তাঁদের পরিবারের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের শ্রমিকরাও দাবি করেছেন যে, তাঁদের চাকরির চুক্তিতে উল্লিখিত শর্তের চেয়ে ভিন্ন কর্মপরিবেশে তাঁদেরকে কাজ করতে হয়েছে।

১২৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের একজন মুখপাত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রী মালয়েশিয়া টুডে-কে জানান যে, বকেয়া মজুরি এখানে তাদের দুর্ভোগের কারণ হচ্ছে এবং দেশে থাকা তাদের পরিবারগুলো ঋণ বা বন্ধকী ঋণ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে।

 

তারা জানান কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে বেশিরভাগেরই জনপ্রতি প্রায় ১৬ থেকে ১৮ হাজার রিঙ্গিত খরচ হয়েছে। এই অর্থের একটি বড় অংশ তারা ব্যাংক ঋণ, নিজেদের জমি বন্ধক রেখে অথবা পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ধার করে জোগাড় করেছিলেন। ভাগ্য বদলের আশায় পাড়িজমানো এসব কর্মীদের পরিবার তাদের পাঠানো টাকার ওপর নির্ভরশীল। কর্মীরা বলেন “আমরা এখানে যখন সংগ্রাম করছি, আমাদের প্রিয়জনেরাও তখন দুর্ভোগ ও উদ্বেগের সম্মুখীন হচ্ছেন। আমরা আশা করি মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ আমাদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেবে”।

 

উল্লখ্য, কোম্পানিটির বৈদেশিক বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহ।

 

শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন যে, চুক্তিতে নির্ধারিত আট ঘণ্টার পরিবর্তে তাঁদেরকে দৈনিক ৬৫ রিঙ্গিত মজুরিতে দিনে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করা হতো এবং তাঁদেরকে নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন দেওয়া হতো না।

“তারা আমাদের পাসপোর্ট আটকে রেখেছে, যা আমাদের চুক্তির লঙ্ঘন। এছাড়াও, আমাদের বার্ষিক ছুটিতে দেশে যেতে চাইলে মালয়েশিয়ায় ফিরে আসা নিশ্চিত করার জন্য ২৫০০ রিঙ্গিত জামানত চাইছে। এটা ঠিক নয়,” মুখপাত্র বলেন।

 

তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশ হাই কমিশন ও শ্রম বিভাগকে বিষয়টি জানালেও তাদের অভিযোগ তদন্ত করতে কোনো কর্মকর্তা আসেননি।

 

তবে কর্মীদের অভিযোগ সঠিক নয় দাবী করে দূতাবাস থেকে আরটিভিকে জানায়, গতকাল ১১ আগস্ট) সকাল ১১ টায় কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানোর পর দূতাবাস থেকে নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করে সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষে আগামীকাল ১৩ আগস্ট দূতাবাস, নিয়োগকর্তা এবং কর্মী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে অংশ নিতে ইতোমধ্যে দূতাবাসের প্রতিনিধি দল সেখানে রওনা দিয়েছেন।

 

এছাড়া অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হলে কোম্পানির একজন মুখপাত্র জানান, কোম্পানির নিজস্ব সমস্যার কারণে বেতন প্রদানে বিলম্ব হয়েছে।

তিনি বলেছেন, কোম্পানি কর্মীদের বেতনের একাংশ পরিশোধ করেছে, কিন্তু ঠিক কত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে তা জানাতে রাজি হননি।

 

আমরা বলছি না যে আমরা তাদের পাওনা পরিশোধ করব না। আমরা যত দ্রুত সম্ভব তাদের বকেয়া নিষ্পত্তি করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।

“সমস্যা হলো, তারা আমাদের পরিকল্পনা শুনতে চায় না। তাদের সাথে কথা বলাও কঠিন, কারণ তারা আক্রমণাত্মক,” তিনি বললেন।

 

মুখপাত্র দাবি করেছেন যে, শ্রমিকদের দাবি দিন দিন বাড়ছিল, যার ফলে কোম্পানির পক্ষে বিষয়টি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছিল। তিনি আরও বলেন, কোম্পানির ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য তাদের অন্যান্য অভিযোগগুলোকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় ১২৬ জন বাংলাদেশি কর্মীর ৩ মাস বেতন নেই। সমাধানে কোম্পানি পরিদর্শনে দূতাবাস

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘এই বিএনপি জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়, খালেদা জিয়ার বিএনপিও নয়। এটি ক্রমেই একটি মাফিয়া-গোষ্ঠীনির্ভর রাজনৈতিক কাঠামোয় পরিণত হচ্ছে, এমন অভিযোগ ও আশঙ্কা এখন জনমনে গভীরভাবে জায়গা করে নিচ্ছে।’

 

বুধবার (১২ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

 

স্ট্যাটাসে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী লেখেন, ‘জনগণের গলার কাঁটা বিএনপি আজ জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কাঁটা গভীরভাবে বিঁধে যাওয়ার আগেই সরিয়ে ফেলতে হবে; নইলে দীর্ঘমেয়াদে এই ক্ষত বয়ে বেড়াতে হবে

।’

অনেকে বিএনপিকে আরও সময় ও সুযোগ দেওয়ার কথা বলছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মাত্র পাঁচ মাস হয়েছে, তাদের আরও সময় ও সুযোগ দেওয়া উচিত। আমি মোটেই একমত নই। কারণ গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তাদের কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক চরিত্র সম্পর্কে যথেষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।’

 

বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও ভারতনির্ভরতার পুরোনো রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে।’

 

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাসীরুদ্দীন। তিনি লেখেন, ‘সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা নিয়েও মানুষের প্রশ্ন বাড়ছে—শিক্ষামন্ত্রী ব্যর্থ, অর্থমন্ত্রী ব্যর্থ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্যর্থ, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে দ্বিগুণ ব্যর্থতা, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যস্ত এস আলমের হিসাব-নিকাশে!’

 

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে দেশে নতুন করে জঙ্গি নাটকের আশঙ্কা, পাহাড়ে অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য খাদ্যসংকট, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।’

 

বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক চরিত্র নিয়েও মন্তব্য করে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘এই বিএনপি জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়, খালেদা জিয়ার বিএনপিও নয়। এটি ক্রমেই একটি মাফিয়া-গোষ্ঠীনির্ভর রাজনৈতিক কাঠামোয় পরিণত হচ্ছে, এমন অভিযোগ ও আশঙ্কা এখন জনমনে গভীরভাবে জায়গা করে নিচ্ছে।’

 

 

 

 

স্ট্যাটাসের শেষ দিকে তিনি লেখেন, ‘ক্ষত ছোট থাকতেই চিকিৎসা জরুরি। ক্ষত গভীর হয়ে গেলে তার বোঝা শুধু একটি দল নয়, পুরো জাতিকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হয়।’

 

‘বাংলাদেশের স্বার্থে, সার্বভৌমত্বের স্বার্থে এবং জনগণের ভবিষ্যতের স্বার্থে, সময় থাকতে এই রাজনৈতিক গলার কাঁটা সরানো জরুরি’—বলে মন্তব্য শেষ করেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক।

বিএনপি ক্রমেই মাফিয়া-গোষ্ঠীনির্ভর দলে পরিণত হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক সহকারী কমিশনার মো. গোলাম রুহানী ও সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ পুলিশের উর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত ছয়টি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

বরখাস্ত হতে যাওয়া অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন— সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রাজন কুমার দাস, কাজী আশরাফুল আজীম ও মো. ইকবাল হোসাইন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

সূত্র জানায়, তাদের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা এবং পলায়নের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

ছয় কর্মকর্তার মধ্যে ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশালে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই মো. গোলাম রুহানী বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক।

 

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সাময়িক বরখাস্ত হয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। রাজন কুমার দাস সাময়িক বরখাস্ত ও পলাতক। জুলাই আন্দোলনের সময় ‘গুলি করি, মরে একটা, আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না’- মন্তব্য করা মো. ইকবাল হোসাইন সাময়িক বরখাস্ত হয়ে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। কাজী আশরাফুল আজীম সাময়িক বরখাস্ত হয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত

ছিলেন।

 

চাকরি হারালেন গোলাম রুহানী-বিপ্লব কুমার, প্রজ্ঞাপন জারি

টিএসপি সার সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ তুলে ‘সিন্ডিকেট’র বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেছেন, ‘সবার আগে সিন্ডিকেট, সবার আগে ভাইয়া। ভাইয়া সিন্ডিকেট রাজ্যে সবাইকে স্বাগত!।’

 

বুধবার (১২ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাস ও এর কমেন্টে এসব বলেন তিনি।

 

সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কৃষকদের সার কিনতে হচ্ছে বলেও দাবি করে পাটওয়ারী বলেন, ‘টিএসপি সারের সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা। কৃষককে কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায়!’

তিনি লেখেন, প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৪৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং কার পকেটে যাচ্ছে—এমন প্রশ্নও করেন তিনি। পাশাপাশি কারা এই সিন্ডিকেট চালাচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা।

 

 

 

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও লেখেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সিন্ডিকেটের কারও নাম নেই, পরিচয় নেই; তারা যেন অদৃশ্য ভূত! কিন্তু এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যের হোতা হিসেবে বারবার ভাইয়ার নামই সামনে আসছে।’

 

পরে কমেন্ট সেকশনে তিনি লেখেন, ‘সবার আগে সিন্ডিকেট, সবার আগে ভাইয়া। ভাইয়া সিন্ডিকেট রাজ্যে সবাইকে স্বাগত!’

 

তবে পোস্টে ‘ভাইয়া’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

‘ভাইয়া সিন্ডিকেট’ রাজ্যে সবাইকে স্বাগত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ক্যাম্পাসে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে গায়ের জোর ও পেশিশক্তির পরিবর্তে মেধা, যোগ্যতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।

 

তিনি বলেন, ‘শক্তি থাকলেই সব সময় শক্তি দেখাতে হয় না। আমরা চাই জুলাইয়ের পরে ক্যাম্পাসগুলোতে মেধার চর্চা হোক। মেধার ভিত্তিতে কম্পিটিশন হোক। যুদ্ধ হলে ইন্টেলেকচুয়াল ওয়ার হওয়া উচিত। গায়ের জোর সবাই দেখাতে পারে, কিন্তু ছাত্রশিবির গায়ের জোর দেখাতে চায় না। আমরা চাই মেধা নিয়ে প্রতিযোগিতা হোক।’

 

বুধবার (১২ আগস্ট) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুবি শাখার আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

ক্যাম্পাসে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই প্রতিযোগিতা হতে হবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। পেশিশক্তি প্রদর্শন করে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছাত্ররাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

 

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত কোনো জায়গায় মাইর খেলেও মাইরের কোনো জবাব দিচ্ছি না। তার মানে এই না যে আমাদের শক্তি নেই। এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। শক্তি থাকলেই সব সময় শক্তি দেখাতে হয় না।’

 

ছাত্ররাজনীতির প্রতিযোগিতার ধরন ব্যাখ্যা করে শিবির সভাপতি বলেন, ‘আমি একটা নবীনবরণ করলে তুমি আরও ১০টা নবীনবরণ করো। আমি স্টুডেন্টদের নিয়ে হায়ার এডুকেশনের একটা প্রোগ্রাম করলে তুমি আরও ২০টা করো। আমি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে প্রোগ্রাম করলে তুমি আরও ভালো প্রোগ্রাম করো। এভাবেই প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত।’

 

তিনি বলেন, ‘গায়ের জোর দিয়ে সবাই কিছু একটা করতে পারে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের জন্য কে বেশি কাজ করতে পারে, কে বেশি ভালো উদ্যোগ নিতে পারে, কে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো নিয়ে বেশি কথা বলতে পারে—সেই প্রতিযোগিতাই হওয়া উচিত।’

 

সাদ্দাম হোসেন বলেন, জুলাইয়ের পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন ধরনের ছাত্ররাজনীতির চর্চা প্রয়োজন। ছাত্রসংগঠনগুলোর কাজ হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, ক্যারিয়ার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।

 

তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের পরে ক্যাম্পাসগুলোতে মেধার চর্চা হওয়া উচিত। মেধার ভিত্তিতে কম্পিটিশন হওয়া উচিত। যুদ্ধটা হলে ইনটেলেকচুয়াল ওয়ার হওয়া উচিত।’

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিবির সভাপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান, মেধা, নৈতিকতা ও নেতৃত্ব তৈরির প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের নিজেদের যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি সমাজ ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা তৈরি করতে হবে।

 

তিনি বলেন, একটা সোসাইটি এমনিই তৈরি হয় না। একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ মুখের কথায় তৈরি হয় না। যে সোসাইটি নিজেকে তৈরি করতে পেরেছে, সেই সোসাইটির মানুষগুলোকে আগে তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় যদি শুধু সার্টিফিকেট দেয়, কিন্তু নৈতিক মানুষ তৈরি করতে না পারে, তাহলে সেই শিক্ষা সমাজের জন্য কতটা কার্যকর—সেটা ভাবতে হবে।

 

দেশের উন্নয়নে মেধাবীদের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে শিবির সভাপতি সিঙ্গাপুরের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মেধাবীদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি দেশ দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশেও মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে।

 

তিনি বলেন, মেধার মূল্যায়ন না থাকলে কোনো সোসাইটি এগোতে পারে না। মেধাবীদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। যারা যোগ্য, যারা মেধাবী, যারা নৈতিক—তাদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

 

শিবির সভাপতি আরও বলেন, ছাত্ররাজনীতির মূল প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু করার ক্ষেত্রে। সংগঠনগুলো কে কত বেশি শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে পারে, কে কত বেশি শিক্ষামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিতে পারে এবং কে কত বেশি যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করতে পারে—তার ভিত্তিতেই নিজেদের প্রমাণ করা উচিত।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) কুমিল্লা শহরের ঢুলিপাড়া চৌমুহনী এলাকায় এ নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠান কুবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় পরিচালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন আবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

 

এ ছাড়াও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের অন্য নেতারা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

গায়ের জোর নয়, মেধা নিয়ে প্রতিযোগিতা চাই: শিবির সভাপতি

ভুল করে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে কিশোরীর মৃত্যু, শ্যামনগরে

 

সংবাদদাতা: ইয়াছিন মোড়ল

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ভুল করে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে সোহানা পারভীন (১৭) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার জয়নগর গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত সোহানা পারভীন জয়নগর গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। পারিবারিক ও থানা সূত্রে জানা যায়, রাতে ভুলক্রমে ইঁদুর মারার জন্য ব্যবহৃত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

 

পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত সোহানাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

 

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পারিবারিকভাবে দাফন করা হয়েছে।

করে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে কিশোরীর মৃত্যু, শ্যামনগরে

গাইবান্ধায় বাসদ (মার্কসবাদী)’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

জ্বালানি তেল আমদানি, বিদ্যুৎ বিতরণ, রেল, পর্যটন মোটেলসহ ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে তুলে দেওয়া এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্যতালিকা বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাসদ (মার্কসবাদী)।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বেলা ১২টায় পার্টি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তী সমাবেশে জেলা আহ্বায়ক কমরেড আহসানুল হাবিব সাঈদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা কমিটির সদস্য কমরেড গোলাম ছাদেক লেবু, কাজী আবু রাহেন শফিউল্লাহ খোকন ও নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেল আমদানি ও বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে পুরো দেশ ও জনগণ বহুজাতিক বা বেসরকারি কোম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান জনগণের সম্পদ; তা কোনো ব্যক্তির মুনাফার জন্য ছেড়ে দেওয়া অন্যায়।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার পাঁয়তারা এবং জনস্বার্থবিরোধী ওষুধের মূল্যতালিকা বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

 

পাশাপাশি ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করে এনটিআরসিএ (NTRCA)-এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল রাখার আহ্বান জানান।

গাইবান্ধায় বাসদ (মার্কসবাদী)’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

 

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম জুয়েল জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

 

জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হাজতি আসামি বাংলাদেশ চলচিত্র জগতের একজন জনপ্রিয় ও নামকরা খলনায়ক। এই মামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। আসামিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। আসামি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার। আসামি ডনের বিরুদ্ধে এজাহার এবং গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কথিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিল না। এজন্য তার জামিন পাওয়া একান্ত আবশ্যক।

 

গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা গেছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার কারণে ডনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। ইমিগ্রেশন থেকে জানানোর পরে সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়েছে। গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

 

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। শুরুতে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে এ নিয়ে হত্যা মামলা হয়। মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম এসেছে।

 

২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অন্য আসামিরা হলেন—সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর

সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে আবদুস সাত্তার, তার স্ত্রী ও এক গৃহকর্মীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপস্থিত দু-একজন অবশ্য বলেছেন খুন হওয়া মেয়েটি গৃহকর্মী নয় আবদুস সাত্তারের নিজের মেয়ে। খবর পাওয়ার পরপরই থানা পুলিশ, সিআইডি এবং পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ১১১ নম্বর বাসায় রক্তাক্ত লাশগুলো দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন।

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মঞ্জুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

এ ঘটনায় পুরো রায়নগর ও মিতালী আবাসিক এলাকায় তীব্র আতঙ্ক এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতা বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, বাসার একটি বাথরুম ভেতর থেকে লক করা ছিল। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে লক খুলেছেন। তবে বাথরুমের ভেতর কিছু পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ঘাতকরা ঠান্ডা মাথায় খুন করে এই বাথরুমে হাত মুখ ধুয়ে বেরিয়ে যায়।

 

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বুধবার (১২ আগস্ট) সকালের দিকে কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা প্রাচীরঘেরা বাড়িটিতে প্রবেশ করে এবং অত্যন্ত নৃশংসভাবে তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহতদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

মিতালি আবাসিক এলাকার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক নাজু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘সকালে বাসার ভেতরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়।’

 

পুলিশ জানিয়েছে, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক কোন্দল নাকি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে।

নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা লাশ, সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d