নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন।।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এবং ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, গভার্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে এবং তারা বিভিন্ন গণআন্দোলন ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে নিজেদের দাবি ও প্রত্যাশা প্রকাশ করছে।

 

নেপালের কাঠমান্ডু ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের পলিসি ল্যাবের উদ্যোগে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান : অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও গভর্নেন্সের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় বুধবার এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পলিসি ল্যাবের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সহকারী অধ্যাপক ড. লাল বাহাদূর পুন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ড. রাম নারায়ণ শ্রেষ্ঠ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সমভাবে বণ্টিত হচ্ছে না। সুশাসনের ঘাটতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

 

আলাউদ্দীন মোহাম্মদ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব না দিলে দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রগঠনসংক্রান্ত সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব হবে না।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচলিত ধারা পুনর্বিবেচনা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।


প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি

কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মোঃ সুজন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ সাঈদী এমপি মহোদয়ের মালয়েশিয়া আগমন উপলক্ষে কুয়ালালামপুরে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্তানবুল রিসোর্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি.এম. ইমদাদুল হক।

 

সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত আল রাওশা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী শেয়ারহোল্ডার, ব্যবসায়ী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী আলোচনা।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সম্মানিত পরিচালক (প্রশাসন) জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান এবং পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মোঃ আবু তাইব রাশেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বেলাল হোসেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি. এম. এমদাদুল হক, তিনি তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানের হালাল ট্যুরিজম, পর্যটন শিল্পে আধুনিক বিনিয়োগ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ততা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে হলে সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল ট্যুরিজম একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ ক্ষেত্রে Istanbul Hotel & Resort Limited একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী এমপি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আন্তরিক ভালোবাসা, সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাঁদের শ্রম, মেধা ও বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে পরিকল্পিত বিনিয়োগ, আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে Istanbul Hotel & Resort Limited দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হালাল ট্যুরিজম বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মালয়েশিয়া প্রবাসী শেয়ারহোল্ডারগণ।

কুয়ালালামপুরে আগমনে উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী এমপিকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে একাধিকবার কঠোর বার্তা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, তার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল, সিপিএম বা কংগ্রেসের চেয়ে বাংলাদেশের জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বা অস্বস্তি অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

 

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কলকাতার ভবানীপুর ও ক্যামাক স্ট্রিটে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

 

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষিত করা, অ-ভারতীয়দের দরজা দেখিয়ে দেওয়া এবং অনুপ্রবেশকারীদের হটিয়ে যেখান থেকে এসেছিল সেই রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।

 

নিজেকে সাধারণ মানুষের ‘ভাই’ হিসেবে উল্লেখ করে শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দেন, তিনি ভয় পাওয়ার বা মাথা নোয়ানোর লোক নন এবং বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এই মুখ্যমন্ত্রী তা পূরণ করবে। তার সরকারের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র ও দেশ রক্ষা। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাতিল করা হয়েছে এবং এখন তাদের প্রত্যর্পণের সময় চলে এসেছে। এর আগে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে।

 

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত রোববার (১৭ মে) কলকাতার পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গিয়ে পুলিশের ওপর ইট-পাথর ছোড়ার ও হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে এবং আহত তিন পুলিশকর্মীর সঙ্গে দেখা করে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর, গুন্ডামি, তোলাবাজি কিংবা সিন্ডিকেটরাজ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের অশান্তির ঘটনায় রাজ্য সরকারের নীতি হবে ‘জিরো টলারেন্স’। আসানসোলের পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যারা এই ক্ষতি করেছে তাদের গ্রেফতার করে ‘২০০ শতাংশ উসুল’ বা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।

আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশে জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বেড়ে গেছে: শুভেন্দু

মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া। রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রবাসীদের ভূমিকা ও ভাবনা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ১৭ মে ২০২৬ তারিখে কুয়ালালামপুরের রাধুনী বিলাস রেস্টুরেন্ট-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও ডায়াস্পোরা সেল সম্পাদক।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, গণভোটের রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় দেশ-বিদেশে বসবাসরত সকল নাগরিকের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন, প্রবাসীরা শুধু দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তিই নন, বরং রাষ্ট্র গঠন ও গণতান্ত্রিক চেতনা বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। তিনি রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রমে প্রবাসীদের মতামত ও অংশগ্রহণকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি কার্যকর রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

যুগ্ম সচিব মুসফিক আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় মালয়েশিয়া এনসিপির সদস্য সচিব আলম রওশন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক এমডি রুহুল আমিন সরকার, সিআইপিসহ প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা।

দীর্ঘ চার বছর ধরে গণধর্ষণ করার পর বিচার না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ভারতের রাজস্থানের যোধপুর জেলার এক তরুণী। এই নির্মম ঘটনার বিচার চাইতে পুলিশের ধারস্থ হন সেই তরুণীর ছোট বোন। এরপর বিচার না পেয়ে ক্ষোভে এবং অভিমানে ওই তরুণীর ছোট বোনও আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দুই বোনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় মারওয়ার রাজপুত সম্প্রদায়ের মানুষ ও সাধারণ জনতা এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছেন।

 

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত চার বছর আগে। যোধপুরের একটি স্থানীয় ‘ই-মিত্র’ (ডিজিটাল সেবা) কেন্দ্রের অপারেটর মহিপাল নামের এক যুবক গোপনে ওই বড় বোনের কিছু আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিওর সূত্র ধরে মহিপাল ও তার সহযোগীরা তরুণীকে দীর্ঘ চার বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিল। তারা ওই পরিবারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ২০ মার্চ বড় বোন আত্মহত্যা করেন।

 

বড় বোনের মৃত্যুর পর গত ১১ এপ্রিল ছোট বোন বাদী হয়ে মহিপাল, শিবরাজ, গোপালসহ আটজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সে সময় তিনি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করা না হলে তিনিও নিজের জীবন শেষ করে দেবেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, মামলা করার পরও আসামিরা দমে যায়নি; বরং তারা ছোট বোনকেও নানাভাবে যৌন নিপীড়ন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াত এবং পুলিশ তাদের কিছুই করতে পারবে না বলে অহংকার করত। অবশেষে গত শুক্রবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ওই তরুণী স্থানীয় একটি পানির ট্যাংকের ওপর উঠে পড়েন। সেখানে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বিষপান করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

 

এই ঘটনার পর যোধপুরজুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। নিহতের মরদেহ যে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে, তার বাইরে রাজপুত সমাজের শত শত মানুষ জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মারওয়ার রাজপুত সোসাইটির সভাপতি হনুমান সিং খাংটা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ শুরু থেকেই আসামিদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে। পুলিশের এই চরম গাফিলতি ও নিষ্ক্রিয়তার কারণেই আজ দুটি নিরীহ প্রাণ ঝরে গেল।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা ও নিহতের পরিবার অবিলম্বে সব আসামির গ্রেপ্তার এবং দায়িত্বে অবহেলাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের ও সুষ্ঠু তদন্তের লিখিত আশ্বাস পাওয়ার পর পরিবারটি মরদেহের ময়নাতদন্তের অনুমতি দেয়।

 

যোধপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) পিডি নিত্যা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্ত মহিপালসহ দুজনকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

চার বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল ও গণধর্ষণ: বিচার না পেয়ে ২ বোনের আত্মহত্যা

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুরাদাবাদে এক পিতল ব্যবসায়ীর মেয়ে তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে নতুন জীবন শুরু করার নেশায় নিজের বাড়িতেই ১ কোটি ২০ লাখ টাকার দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভিন্ন জাতে বিয়েতে পরিবারের আপত্তি থাকায় এই তরুণী তার প্রেমিক ও সহযোগীদের বাড়িতে ঢুকে ডাকাতি করতে সাহায্য করেন।

 

শুক্রবার (১৫ মে) এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইমরানের মেয়ে আরিবা, তার প্রেমিক আরশাদ ওয়ারসিসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ১১ মে ভোরে মুরাদাবাদের এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।

 

মুরাদাবাদ পুলিশ জানায়, গত ১১ মে ভোর ৪টার দিকে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইমরানের বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। ডাকাতরা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা নগদ এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়।

 

যাওয়ার সময় তারা বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআরটিও সঙ্গে নিয়ে যায় যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে। ঘটনার সময় বাড়িতে ইমরান, তার স্ত্রী সীমা এবং তাদের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পরপরই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে চারটি বিশেষ দল গঠন করা হয়।

 

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ইমরানের মেয়ে আরিবা গত সাত-আট বছর ধরে আমরাহ জেলার বাসিন্দা আরশাদ ওয়ারসির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। ভিন্ন জাতের হওয়ায় পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা দুজনে মিলে বাড়ি থেকে টাকা লুট করে নতুন জায়গায় জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেন।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আরিবা তার প্রেমিককে বাড়িতে কত টাকা রাখা আছে সেই তথ্য দেন। এমনকি এক মাস আগেই তিনি আরশাদকে বাড়ির প্রধান ফটকের চাবি সরবরাহ করেছিলেন এবং ঘটনার দিন রাতে ডিজিটাল লকটি ভেতর থেকে খুলে দেন, যাতে ডাকাতরা সহজেই ঘরে প্রবেশ করতে পারে।

 

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পুলিশ ৪৭ লাখ ২৪ হাজার রুপি নগদ টাকা, চারটি দেশি পিস্তল, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং দুটি গাড়ি উদ্ধার করেছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বাকি টাকা ও অলঙ্কার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিজের মেয়ের এমন বিশ্বাসহীনতায় ব্যবসায়ীর পরিবারে শোক ও বিস্ময়ের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিককে দিয়ে বাবার বাড়িতেই ডাকাতি করালেন তরুণী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার আওতায় রাজ্যজুড়ে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে নির্ধারিত সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া গরু, ষাঁড় বা মহিষের মতো কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই নিয়ম অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, যা রাজ্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

 

নতুন এই সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষর করা সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই বিধিনিষেধ গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর এবং স্ত্রী ও পুরুষ মহিষসহ সব ধরনের গবাদি পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

 

জবাইয়ের উপযোগী হিসেবে সনদ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট পশুর বয়স অবশ্যই ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি প্রজনন বা কাজের অনুপযোগী হতে হবে। এ ছাড়া গুরুতর আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগের কারণে কোনো পশু স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে তবেই সেটিকে জবাইয়ের জন্য বিবেচনা করা হতে পারে।

 

পশু জবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজ্য সরকার বিজেপি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমতিপ্রাপ্ত পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত নির্দিষ্ট স্থানেই জবাই করতে হবে। রাস্তাঘাট বা জনসমাগমপূর্ণ কোনো খোলা জায়গায় পশু জবাই করা এখন থেকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্যনিয়মটি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা তদারকি করার জন্য পৌর চেয়ারম্যান, পঞ্চায়েত সভাপতি বা অনুমোদিত সরকারি কর্মকর্তারা যেকোনো স্থাপনা বা চত্বর পরিদর্শন করতে পারবেন। এই পরিদর্শন কাজে বাধা দেওয়াকেও আইনের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে।

 

শাস্তির বিধানে বলা হয়েছে, এই নতুন আইনের যেকোনো ধারা ভঙ্গ করলে অপরাধীকে এক হাজার রুপি পর্যন্ত জরিমানা, ছয় মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। এ ছাড়া এই সংক্রান্ত সব ধরনের অপরাধকে ‘আমলযোগ্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই এই আমূল পরিবর্তন আনা হলো। বিশেষ করে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীর জয় এবং নতুন সরকারের এই ত্বরিত সিদ্ধান্তগুলো পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করলো বিজেপি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও আসন্ন পৌর নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাভার পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক,খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, বরং নিজের ভেতরের অহংকার ও পঙ্কিলতা বিসর্জন দেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। এই ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধি।”

 

তিনি ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। পবিত্র ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। উৎসবের এই দিনগুলোতে আমরা যেন আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবেশীদের ভুলে না যাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মিলে যেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারি, এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।”

 

এলাকার সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় তরুণদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান দীর্ঘদিন ধরে ৫ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ ও প্রবীণদের মাঝে এক ব্যাপক জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে তাকে ৫ নং ওয়ার্ডের যোগ্য অভিভাবক ও কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

 

শুভেচ্ছা বার্তা, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান সবাইকে সচেতন থাকার এবং কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে ওয়ার্ডবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পরবর্তীতে বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি বাতিল করে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন কর্মকর্তাকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়াতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৬১ পয়সা বাড়াতে চায় ডিপিডিসি। পাশাপাশি, ডেসকো বাড়াতে চায় ৮৬ পয়সা।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গনশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিইআরসি জানায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় খরচ পড়বে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ হবে ৯২ পয়সা। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ায় প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই আর্থিক ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই পাইকারি মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এদিকে, লোকসান কাটিয়ে উঠতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, ২০২৬ ২৭ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা হতে পারে।

 

ডিপিডিসি জানিয়েছে, পাইকারি দাম এবং হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ১টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৮৬ পয়সা সমন্বয়ের প্রস্তাব পেশ করেছে।

 

পাশাপাশি, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা পেশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নেসকো।

 

এর আগে, বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়েও অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাভার আশুলিয়া ও দেশবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মানবতার ফেরিওয়ালা মানবিক বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহান আদর্শ নিয়ে হাজির হয়। পশু কোরবানির মাধ্যমে মূলত আমাদের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও অন্যায়কে বিসর্জন দিতে হবে। ত্যাগের এই মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে উঠুক সকলের জীবন।

 

বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল আরও উল্লেখ করেন, ঈদের আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রতিটি পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমাদের কাম্য। একে অপরের প্রতি সহানুভূতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সর্বশেষে তিনি সাভারের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে পুনরায় সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানান।

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

রাজধানীর রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মো. শিহাব হোসেন নামে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বুধবার (২০ মে) রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মঙ্গলবার রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে (১০) এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা টুকু আরা খাতুন বুধবার রামপুরা থানায় শিহাব ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

 

উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা যায়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।

 

তিনি বলেন, শিশুটি ফাঁস নেওয়ার আগেই অভিযুক্ত শিহাব মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মাদ্রাসার চার ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে মাদ্রাসার তরফে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

রামপুরায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর আত্মহত্যার প্ররোচনা, পাবনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার

জামায়াতে ইসলাম সামাজে নানা ধরনের অপকর্ম করে তা সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

 

আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী ফার্মেসি আসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

জামায়াত মিথ্যা ছাড়া ভালো কিছু চিন্তা করতে পারে না মন্তব্য করে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থির করার চেষ্টা করছে।

 

এছাড়া অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তাদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

 

হাম নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অন্তবর্তী সরকারের ব্যর্থতা এখন বিএনপির ঘাড়ে এসে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

জামায়াত নানা অপকর্ম করে সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে: শামসুজ্জামান দুদু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকরা।

 

বুধবার (২০ মে) রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৫টি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তবে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, আহত অবস্থায় ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. হান্নান (২৮), আকরাম হোসেন (৩০), আমজাদ হোসেন (৩০), ইমান হোসেন (২৩), নাহিদ (২০), রেজাউল করিম (৩৬), আবুল হোসেন (৪১), হৃদয় হোসেন (২৫), মো. সুমন (৪৫), আকাশ (২০), শাহআলম (২৬) ও রিদয় হোসেন (২৪)।

 

চিকিৎসাধীন শ্রমিকরা জানান, স্কুল মাঠে রাখা বাসগুলোর ভেতরে থাকা শ্রমিকদের ওপর অন্ধকারের মধ্যে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এ সময় শ্রমিকদের মারধরের পাশাপাশি একের পর এক বাস ভাঙচুর করা হয়।

 

বোগদাদ পরিবহনের সুপারভাইজার ইউসুফ ও ওমর ফারুকসহ কয়েকজন শ্রমিক বলেন, হামলার ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানান।

 

হামলার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে বিচার না হওয়া পর্যন্ত কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের সব বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকরা।

 

বলাখাল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বেপারী বলেন, অন্ধকারের মধ্যে কারা হামলা চালিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি খুব দ্রুত ঘটে যাওয়ায় স্থানীয়রাও হতবাক হয়ে পড়েন।

 

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

অনির্দিষ্টকালের জন্য কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন।।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এবং ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, গভার্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে এবং তারা বিভিন্ন গণআন্দোলন ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে নিজেদের দাবি ও প্রত্যাশা প্রকাশ করছে।

 

নেপালের কাঠমান্ডু ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের পলিসি ল্যাবের উদ্যোগে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান : অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও গভর্নেন্সের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় বুধবার এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পলিসি ল্যাবের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সহকারী অধ্যাপক ড. লাল বাহাদূর পুন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ড. রাম নারায়ণ শ্রেষ্ঠ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সমভাবে বণ্টিত হচ্ছে না। সুশাসনের ঘাটতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

 

আলাউদ্দীন মোহাম্মদ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব না দিলে দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রগঠনসংক্রান্ত সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব হবে না।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচলিত ধারা পুনর্বিবেচনা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দ্রুত বিচার ও তদন্ত সম্পন্নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনা কোনোভাবেই ‘আনচ্যালেঞ্জড’ থাকতে দেওয়া হবে না এবং দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় সরকার।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইন মন্ত্রণালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আইনমন্ত্রী বলেছেন, মাগুরার আসিয়া, ঢাকার রামিসার ঘটনা মানুষ হিসেবে মনুষ্যত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন অপরাধ কোনোভাবেই আনচ্যালেঞ্জড যেতে দেবো না।

 

তিনি আরও বলেন, রামিসার বাবা যে মন্তব্য করেছেন, তা তার জায়গা থেকে অমূলক নয় এবং বিচার ব্যবস্থায় মামলার জট নিরসনে সরকার পদক্ষেপ নেবে।

 

তিনি জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনালে রামিসার মামলার বিচার হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, যত দ্রুত সম্ভব রামিসার মামলার বিচার হবে। সমাজের বিচার ব্যবস্থার ওপর অনাস্থা কমানোর জন্য এই মামলা হবে একটি উদাহরণ। সরকার এই মামলাকে ফাস্ট ট্র্যাকে নিয়ে বিচার করবে।

 

তিনি সতর্ক করে বলেন, অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি দিতে না পারলে সমাজে ‘ব্যাড মেসেজ’ যাবে। এ কারণে বিচার প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

আইনমন্ত্রী আরও জানান, এখন থেকে কোনো ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিবেচনাতেই আসবে না—আজকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে যা কিছু করা দরকার সবই করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দ্রুততম সময়ে বিচার করতে চাই। আসিয়ার মামলা এক মাসের মধ্যে শেষ করেছিলাম- সে উদাহরণ আমাদের সামনে আছে।

 

রায় কার্যকর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মামলার রায় কার্যকর করা সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার, সেখানে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ নেই। তবে দ্রুত রায় কার্যকরের জন্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, মাগুরার আসিয়া, ঢাকার রামিসার ঘটনা মানুষ হিসেবে আমাদের মনুষ্যত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন অপরাধ কোনোভাবেই আনচ্যালেঞ্জড হতে দেবো না।

 

তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, রামিসার বাবার উদ্বেগ অমূলক নয় এবং বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে সরকার কাজ করবে।

 

সবশেষে তিনি বলেন, শিশু রামিসার ঘটনার বিচার করে আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। বিচার প্রক্রিয়াকে অতিদ্রুত করতে পারলে রামিসার বাবার প্রশ্নের জবাবও দিতে পারব।

শিশু রামিসা হত্যার বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই: আইনমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অন্তত ১৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দির আমিরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

 

এতে জিংলাতলী থেকে দাউদকান্দি টোলপ্লাজা পর্যন্ত ঢাকামুখী এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মহাসড়কের আমিরাবাদ নামক স্থানে ঢাকামুখী লেনে দ্রুতগামী একটি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর গাড়ি দুটি রাস্তার ওপর আড়াআড়িভাবে আটকে থাকায় পেছনের দিকে যানবাহনের চেইন-জটলা তৈরি হয়, যা মুহূর্তে ১০-১২ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। অপরদিকে টোলপ্লাজার পশ্চিম মহাসড়কের গজারিয়ায় ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটলে যানজট আরও বেড়ে যায়।

 

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ ও গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনে চেষ্টা চালাচ্ছে। দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, সড়কে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষের দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এ দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে কেউ হতাহত হননি। তবে টোলপ্লাজা পশ্চিম পাড় গজারিয়া এলাকায় ট্রাক দুর্ঘটনা এবং টোল আদায়ে ধীরগতির কারণে এ যানজটের সৃষ্টটি হয়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d