কুয়ালালামপুরে আগমনে উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী এমপিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
কুয়ালালামপুরে আগমনে উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী এমপিকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

কুয়ালালামপুরে আগমনে উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী এমপিকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি

কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মোঃ সুজন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ সাঈদী এমপি মহোদয়ের মালয়েশিয়া আগমন উপলক্ষে কুয়ালালামপুরে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্তানবুল রিসোর্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি.এম. ইমদাদুল হক।

 

সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত আল রাওশা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী শেয়ারহোল্ডার, ব্যবসায়ী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী আলোচনা।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সম্মানিত পরিচালক (প্রশাসন) জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান এবং পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মোঃ আবু তাইব রাশেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বেলাল হোসেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি. এম. এমদাদুল হক, তিনি তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানের হালাল ট্যুরিজম, পর্যটন শিল্পে আধুনিক বিনিয়োগ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ততা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে হলে সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল ট্যুরিজম একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ ক্ষেত্রে Istanbul Hotel & Resort Limited একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী এমপি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আন্তরিক ভালোবাসা, সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাঁদের শ্রম, মেধা ও বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে পরিকল্পিত বিনিয়োগ, আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে Istanbul Hotel & Resort Limited দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হালাল ট্যুরিজম বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মালয়েশিয়া প্রবাসী শেয়ারহোল্ডারগণ।


ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে একাধিকবার কঠোর বার্তা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, তার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল, সিপিএম বা কংগ্রেসের চেয়ে বাংলাদেশের জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বা অস্বস্তি অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

 

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কলকাতার ভবানীপুর ও ক্যামাক স্ট্রিটে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

 

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষিত করা, অ-ভারতীয়দের দরজা দেখিয়ে দেওয়া এবং অনুপ্রবেশকারীদের হটিয়ে যেখান থেকে এসেছিল সেই রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।

 

নিজেকে সাধারণ মানুষের ‘ভাই’ হিসেবে উল্লেখ করে শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দেন, তিনি ভয় পাওয়ার বা মাথা নোয়ানোর লোক নন এবং বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এই মুখ্যমন্ত্রী তা পূরণ করবে। তার সরকারের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র ও দেশ রক্ষা। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাতিল করা হয়েছে এবং এখন তাদের প্রত্যর্পণের সময় চলে এসেছে। এর আগে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে।

 

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত রোববার (১৭ মে) কলকাতার পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গিয়ে পুলিশের ওপর ইট-পাথর ছোড়ার ও হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে এবং আহত তিন পুলিশকর্মীর সঙ্গে দেখা করে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর, গুন্ডামি, তোলাবাজি কিংবা সিন্ডিকেটরাজ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের অশান্তির ঘটনায় রাজ্য সরকারের নীতি হবে ‘জিরো টলারেন্স’। আসানসোলের পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যারা এই ক্ষতি করেছে তাদের গ্রেফতার করে ‘২০০ শতাংশ উসুল’ বা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।

আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশে জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বেড়ে গেছে: শুভেন্দু

মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া। রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রবাসীদের ভূমিকা ও ভাবনা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ১৭ মে ২০২৬ তারিখে কুয়ালালামপুরের রাধুনী বিলাস রেস্টুরেন্ট-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও ডায়াস্পোরা সেল সম্পাদক।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, গণভোটের রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় দেশ-বিদেশে বসবাসরত সকল নাগরিকের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন, প্রবাসীরা শুধু দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তিই নন, বরং রাষ্ট্র গঠন ও গণতান্ত্রিক চেতনা বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। তিনি রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রমে প্রবাসীদের মতামত ও অংশগ্রহণকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি কার্যকর রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

যুগ্ম সচিব মুসফিক আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় মালয়েশিয়া এনসিপির সদস্য সচিব আলম রওশন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক এমডি রুহুল আমিন সরকার, সিআইপিসহ প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা।

দীর্ঘ চার বছর ধরে গণধর্ষণ করার পর বিচার না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ভারতের রাজস্থানের যোধপুর জেলার এক তরুণী। এই নির্মম ঘটনার বিচার চাইতে পুলিশের ধারস্থ হন সেই তরুণীর ছোট বোন। এরপর বিচার না পেয়ে ক্ষোভে এবং অভিমানে ওই তরুণীর ছোট বোনও আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে দুই বোনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় মারওয়ার রাজপুত সম্প্রদায়ের মানুষ ও সাধারণ জনতা এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছেন।

 

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত চার বছর আগে। যোধপুরের একটি স্থানীয় ‘ই-মিত্র’ (ডিজিটাল সেবা) কেন্দ্রের অপারেটর মহিপাল নামের এক যুবক গোপনে ওই বড় বোনের কিছু আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিওর সূত্র ধরে মহিপাল ও তার সহযোগীরা তরুণীকে দীর্ঘ চার বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিল। তারা ওই পরিবারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ২০ মার্চ বড় বোন আত্মহত্যা করেন।

 

বড় বোনের মৃত্যুর পর গত ১১ এপ্রিল ছোট বোন বাদী হয়ে মহিপাল, শিবরাজ, গোপালসহ আটজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সে সময় তিনি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করা না হলে তিনিও নিজের জীবন শেষ করে দেবেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, মামলা করার পরও আসামিরা দমে যায়নি; বরং তারা ছোট বোনকেও নানাভাবে যৌন নিপীড়ন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াত এবং পুলিশ তাদের কিছুই করতে পারবে না বলে অহংকার করত। অবশেষে গত শুক্রবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ওই তরুণী স্থানীয় একটি পানির ট্যাংকের ওপর উঠে পড়েন। সেখানে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বিষপান করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

 

এই ঘটনার পর যোধপুরজুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। নিহতের মরদেহ যে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে, তার বাইরে রাজপুত সমাজের শত শত মানুষ জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মারওয়ার রাজপুত সোসাইটির সভাপতি হনুমান সিং খাংটা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ শুরু থেকেই আসামিদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে। পুলিশের এই চরম গাফিলতি ও নিষ্ক্রিয়তার কারণেই আজ দুটি নিরীহ প্রাণ ঝরে গেল।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা ও নিহতের পরিবার অবিলম্বে সব আসামির গ্রেপ্তার এবং দায়িত্বে অবহেলাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের ও সুষ্ঠু তদন্তের লিখিত আশ্বাস পাওয়ার পর পরিবারটি মরদেহের ময়নাতদন্তের অনুমতি দেয়।

 

যোধপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) পিডি নিত্যা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্ত মহিপালসহ দুজনকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

চার বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল ও গণধর্ষণ: বিচার না পেয়ে ২ বোনের আত্মহত্যা

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুরাদাবাদে এক পিতল ব্যবসায়ীর মেয়ে তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে নতুন জীবন শুরু করার নেশায় নিজের বাড়িতেই ১ কোটি ২০ লাখ টাকার দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভিন্ন জাতে বিয়েতে পরিবারের আপত্তি থাকায় এই তরুণী তার প্রেমিক ও সহযোগীদের বাড়িতে ঢুকে ডাকাতি করতে সাহায্য করেন।

 

শুক্রবার (১৫ মে) এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইমরানের মেয়ে আরিবা, তার প্রেমিক আরশাদ ওয়ারসিসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ১১ মে ভোরে মুরাদাবাদের এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।

 

মুরাদাবাদ পুলিশ জানায়, গত ১১ মে ভোর ৪টার দিকে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইমরানের বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। ডাকাতরা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা নগদ এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়।

 

যাওয়ার সময় তারা বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআরটিও সঙ্গে নিয়ে যায় যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে। ঘটনার সময় বাড়িতে ইমরান, তার স্ত্রী সীমা এবং তাদের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পরপরই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে চারটি বিশেষ দল গঠন করা হয়।

 

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ইমরানের মেয়ে আরিবা গত সাত-আট বছর ধরে আমরাহ জেলার বাসিন্দা আরশাদ ওয়ারসির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। ভিন্ন জাতের হওয়ায় পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা দুজনে মিলে বাড়ি থেকে টাকা লুট করে নতুন জায়গায় জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেন।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আরিবা তার প্রেমিককে বাড়িতে কত টাকা রাখা আছে সেই তথ্য দেন। এমনকি এক মাস আগেই তিনি আরশাদকে বাড়ির প্রধান ফটকের চাবি সরবরাহ করেছিলেন এবং ঘটনার দিন রাতে ডিজিটাল লকটি ভেতর থেকে খুলে দেন, যাতে ডাকাতরা সহজেই ঘরে প্রবেশ করতে পারে।

 

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পুলিশ ৪৭ লাখ ২৪ হাজার রুপি নগদ টাকা, চারটি দেশি পিস্তল, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং দুটি গাড়ি উদ্ধার করেছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বাকি টাকা ও অলঙ্কার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিজের মেয়ের এমন বিশ্বাসহীনতায় ব্যবসায়ীর পরিবারে শোক ও বিস্ময়ের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিককে দিয়ে বাবার বাড়িতেই ডাকাতি করালেন তরুণী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার আওতায় রাজ্যজুড়ে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে নির্ধারিত সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া গরু, ষাঁড় বা মহিষের মতো কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই নিয়ম অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, যা রাজ্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

 

নতুন এই সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষর করা সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই বিধিনিষেধ গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর এবং স্ত্রী ও পুরুষ মহিষসহ সব ধরনের গবাদি পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

 

জবাইয়ের উপযোগী হিসেবে সনদ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট পশুর বয়স অবশ্যই ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি প্রজনন বা কাজের অনুপযোগী হতে হবে। এ ছাড়া গুরুতর আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগের কারণে কোনো পশু স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে তবেই সেটিকে জবাইয়ের জন্য বিবেচনা করা হতে পারে।

 

পশু জবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজ্য সরকার বিজেপি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমতিপ্রাপ্ত পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত নির্দিষ্ট স্থানেই জবাই করতে হবে। রাস্তাঘাট বা জনসমাগমপূর্ণ কোনো খোলা জায়গায় পশু জবাই করা এখন থেকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্যনিয়মটি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা তদারকি করার জন্য পৌর চেয়ারম্যান, পঞ্চায়েত সভাপতি বা অনুমোদিত সরকারি কর্মকর্তারা যেকোনো স্থাপনা বা চত্বর পরিদর্শন করতে পারবেন। এই পরিদর্শন কাজে বাধা দেওয়াকেও আইনের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে।

 

শাস্তির বিধানে বলা হয়েছে, এই নতুন আইনের যেকোনো ধারা ভঙ্গ করলে অপরাধীকে এক হাজার রুপি পর্যন্ত জরিমানা, ছয় মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। এ ছাড়া এই সংক্রান্ত সব ধরনের অপরাধকে ‘আমলযোগ্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই এই আমূল পরিবর্তন আনা হলো। বিশেষ করে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীর জয় এবং নতুন সরকারের এই ত্বরিত সিদ্ধান্তগুলো পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করলো বিজেপি

থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথ অনুষ্ঠানের পর অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান–এর একটি সামাজিক মাধ্যম পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।

 

সোমবার ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তৃষা লেখেন, “ভালোবাসা সবসময় সোচ্চার”—সেই সঙ্গে নিজের কাছের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। এই পোস্টকে কেন্দ্র করেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে ফের গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

 

গত ১০ মে চেন্নাইয়ে শপথ অনুষ্ঠানে থালাপতির সঙ্গে তার মায়ের উপস্থিতি দেখা যায়। সেখানে বিজয়ের প্রথম ভাষণের সময় তৃষাকে আবেগপ্রবণ হতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। অনুষ্ঠানে থালাপতির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

 

দীর্ঘদিন ধরেই থালাপতি বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। ২০০৪ সালের ‘ঘিল্লি’ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ‘লিও’ পর্যন্ত একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন।

 

২০২৪ সালে থালাপতির জন্মদিনে তৃষার একটি পোস্টও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল, যেখানে তিনি তাকে “সবচেয়ে ভালো মানুষ” বলে উল্লেখ করেছিলেন।

 

এদিকে থালাপতি বিজয় ও তার স্ত্রী সঙ্গীতা সর্ণালিঙ্গমের মধ্যে বিচ্ছেদের আবেদন নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে স্ত্রী ও সন্তানদের অনুপস্থিতিও এ নিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

থালাপতির শপথের পর অভিনেত্রী তৃষার রহস্যময় বার্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি

কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মোঃ সুজন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ সাঈদী এমপি মহোদয়ের মালয়েশিয়া আগমন উপলক্ষে কুয়ালালামপুরে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্তানবুল রিসোর্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি.এম. ইমদাদুল হক।

 

সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত আল রাওশা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী শেয়ারহোল্ডার, ব্যবসায়ী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী আলোচনা।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সম্মানিত পরিচালক (প্রশাসন) জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান এবং পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মোঃ আবু তাইব রাশেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বেলাল হোসেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি. এম. এমদাদুল হক, তিনি তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানের হালাল ট্যুরিজম, পর্যটন শিল্পে আধুনিক বিনিয়োগ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ততা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে হলে সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল ট্যুরিজম একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ ক্ষেত্রে Istanbul Hotel & Resort Limited একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী এমপি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আন্তরিক ভালোবাসা, সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাঁদের শ্রম, মেধা ও বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে পরিকল্পিত বিনিয়োগ, আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে Istanbul Hotel & Resort Limited দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হালাল ট্যুরিজম বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মালয়েশিয়া প্রবাসী শেয়ারহোল্ডারগণ।

কুয়ালালামপুরে আগমনে উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী এমপিকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

  1. সাতক্ষীরায় ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :

 

সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভূমি সেবা মেলা ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহিনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা জেলার বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার অর্ণব দত্ত, সদর সরকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বদরুদ্দোজা, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান,সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, দৈনিক যুগেরবার্তা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি শেখ মাসুম বিল্লাহ বিল্লাহ শাহীন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সায়েদুর রহমান মৃধা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপপরিচালক সঞ্জিত কুমার, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষা প্রমূখ। দেশব্যাপী ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে তেজগাঁও ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাতক্ষীরা প্রান্তে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন উপজেলার ভূমি কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা 

আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। এবারের দলে সবচেয়ে বেশি চারজন ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে। তিন দশক পর বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে এমন দৃশ্য দেখা গেল।

 

সর্বশেষ ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সাও পাওলো থেকে চারজন ফুটবলার সুযোগ পেয়েছিলেন। সেই দলে ছিলেন গোলরক্ষক জেত্তি, ডিফেন্ডার কাফু ও লিওনার্দো এবং ফরোয়ার্ড মুলার। পরে বিদেশি ক্লাব হিসেবেও চারজন প্রতিনিধির নজির গড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি।

 

এবার কার্লো আনচেলত্তি-র ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে জায়গা পেয়েছেন ডিফেন্ডার অ্যালেক্স সান্দ্রো, দানিলো ও লিও পেরেইরা এবং মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। যদিও প্রাথমিক দলে থাকা লিও অর্টিজ, সামুয়েল লিনো ও পেদ্রো শেষ পর্যন্ত জায়গা পাননি।

 

এ ছাড়া দুজন করে ফুটবলার সুযোগ পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনাল থেকে।

 

১৯৫৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে চারজন ফুটবলার পাঠাল ফ্ল্যামেঙ্গো। সেই বিশ্বকাপে ক্লাবটি থেকে ডাক পেয়েছিলেন জাগালো, দিদা, জোয়েল ও মোয়াসির। কিংবদন্তি জাগালো ফাইনালের শুরুর একাদশেও ছিলেন। ওই আসরে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।

 

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, এবারের বিশ্বকাপে ফ্ল্যামেঙ্গোর প্রতিনিধির সংখ্যা নয়জন পর্যন্ত হতে পারে। উরুগুয়ের হয়ে ডাক পেতে পারেন আরাসকাইতা, ভারেলা ও দে লা ক্রুজ। কলম্বিয়ার হয়ে থাকতে পারেন কারাসকাল এবং ইকুয়েডরের জার্সিতে দেখা যেতে পারে প্লাতাকে।

 

রিও ডি জেনেইরোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’-তে বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে দল ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক ফুটবলার, কর্মকর্তা ও ফুটবল বিশ্বের অনেক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। ১৩টি দেশের সাংবাদিকসহ ৬০০-এর বেশি সংবাদকর্মী অনুষ্ঠানটি কভার করেন।

 

আগামী ২৭ মে থেকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করবে ব্রাজিল দল। তবে পিএসজি ও আর্সেনাল-এর যেসব ফুটবলার দলে আছেন, তারা ৩০ মে ইউরোপসেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে।

নেইমারকে নিয়েই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয়, জানতে চান হাইকোর্ট

জমিজমা সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ কারণে প্রচলিত আইনে বাইরে গ্রাম আদালত বা বিকল্প বিরোধ আইনের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে তিনদিনের ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী জানান, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথ আলোচনা, মধ্যস্থতা বা সালিশ কিংবা সমঝোতার মাধ্যমে কার্যকর করা গেলে একদিকে আদালতে বিচারাধীন মামলার জট কমবে, অপরদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করাও সহজ হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়েই নয়, প্রতিটি জনবান্ধব কর্মসূচি নিয়েই জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চায় সরকার। বিগত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে মানুষের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চায় বর্তমান সরকার। এজন্য সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি ওয়াদা বাস্তবায়নে মনোযোগী বলেও জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে এ ধরনের আরও ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবং একই সাথেচ নাগরিকদের হাতের মুঠোয় ভূমি সেবা পৌঁছে দিতে মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভূমি’।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমি ব্যবস্থাপনা যত বেশি আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর করা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পথও খুব সম্ভবত তত বেশি সহজ হয়ে যায়। জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করায় জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ অনেকাংশেই লাঘব পাবে। একই সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসগুলোতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে।

জমিজমা সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে অগ্রাধিকারের সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে একাধিকবার কঠোর বার্তা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, তার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল, সিপিএম বা কংগ্রেসের চেয়ে বাংলাদেশের জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বা অস্বস্তি অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

 

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কলকাতার ভবানীপুর ও ক্যামাক স্ট্রিটে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

 

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষিত করা, অ-ভারতীয়দের দরজা দেখিয়ে দেওয়া এবং অনুপ্রবেশকারীদের হটিয়ে যেখান থেকে এসেছিল সেই রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।

 

নিজেকে সাধারণ মানুষের ‘ভাই’ হিসেবে উল্লেখ করে শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দেন, তিনি ভয় পাওয়ার বা মাথা নোয়ানোর লোক নন এবং বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এই মুখ্যমন্ত্রী তা পূরণ করবে। তার সরকারের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র ও দেশ রক্ষা। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাতিল করা হয়েছে এবং এখন তাদের প্রত্যর্পণের সময় চলে এসেছে। এর আগে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে।

 

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত রোববার (১৭ মে) কলকাতার পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গিয়ে পুলিশের ওপর ইট-পাথর ছোড়ার ও হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে এবং আহত তিন পুলিশকর্মীর সঙ্গে দেখা করে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ওপর হামলা, ভাঙচুর, গুন্ডামি, তোলাবাজি কিংবা সিন্ডিকেটরাজ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের অশান্তির ঘটনায় রাজ্য সরকারের নীতি হবে ‘জিরো টলারেন্স’। আসানসোলের পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যারা এই ক্ষতি করেছে তাদের গ্রেফতার করে ‘২০০ শতাংশ উসুল’ বা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।

আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশে জামাতিদের ‘চিড়বিড়ানি’ বেড়ে গেছে: শুভেন্দু

সোমবার (১৮ মে) সকালে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী সদর থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর আগে রোববার রাতে মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন- বগুড়া মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণ হাজীপাড়ার রায়হানের ছেলে মো. কাওসার (১৯), ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়ার মৃত হাতেম আলী পাইকারের ছেলে বাঁধন পাইকার (১৯) ও উত্তর কাটনারপাড়া এলাকার গোলাম রব্বানীর ছেলে মো. রকি (১৯)।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ভুক্তভোগী ওই তরুণীর সঙ্গে আসামিদের পূর্ব পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল। ওই তরুণী রোববার রাত ৮টার দিকে মহানগরীর পুলিশ প্লাজার ৭ম লেভেলে ‘লাক জোন’ নামক দোকানে যান। সেখানে আগে থেকেই কাওসার, বাঁধন, সাদিক ও অপর একজন ছিলেন। তারা সবাই মদপানের পরিকল্পনা করেন। পরে একটি হোটেল থেকে মদ সংগ্রহ করেন।এরপর রাত সোয়া ১০টার দিকে মহানগরীর ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন শ্মশান ঘাট রাস্তার পাশে নির্মাণাধীন বাড়িতে যান। সেখানে রনি তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

 

মদপানের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা পালাক্রমে তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত বাঁধন তাকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় শিববাটির বিগবাজার এলাকায় পৌঁছেন। তখন ওই তরুণী চিৎকার করে পথচারীদের সহযোগিতা চান। এ সময় বাঁধন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফুলবাড়ি ফাঁড়ির পুলিশ এসে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

 

বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী সোমবার সকালে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তরুণীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

 

একসঙ্গে মদপান, ৫ বন্ধু মিলে বান্ধবীকে ধর্ষণ

রাজধানীসহ সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

 

সোমবার (১৮ মে) নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪০৫ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৯১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৯ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৮৫৬ জন।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৬৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৮০ জন।

হাম ও হামের উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু

জুলাইয়ের অন্যতম লড়াকু সৈনিক ও জাতীয় নাগরিক পার্টি’র (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করছেন, প্রশাসন বা “অবৈধ মেয়র” (যাকে তিনি বৈধ মনে করছেন না) পুলিশ ব্যবহার করে ছাত্রদের দমন করতে চাইছে। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেছেন, জুলাইয়ের গ্রাফিতিতে এত ভয় কিসের?

 

সোমবার (১৮ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

“জুলাইয়ের গ্রাফিতি” বলতে জুলাই আন্দোলন বা ছাত্র আন্দোলনের সময় দেয়ালে আঁকা স্লোগান, চিত্র, প্রতিবাদী আর্ট—এসবকে বোঝানো হয় যা কোনো আন্দোলনের স্মৃতি, ক্ষোভ, দাবি বা রাজনৈতিক বার্তা বহন করে।

জুলাইয়ের গ্রাফিতিতে এত ভয় কিসের?

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d