থালাপতির শপথের পর অভিনেত্রী তৃষার রহস্যময় বার্তা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
থালাপতির শপথের পর অভিনেত্রী তৃষার রহস্যময় বার্তা

থালাপতির শপথের পর অভিনেত্রী তৃষার রহস্যময় বার্তা

থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথ অনুষ্ঠানের পর অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান–এর একটি সামাজিক মাধ্যম পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।

 

সোমবার ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তৃষা লেখেন, “ভালোবাসা সবসময় সোচ্চার”—সেই সঙ্গে নিজের কাছের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। এই পোস্টকে কেন্দ্র করেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে ফের গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

 

গত ১০ মে চেন্নাইয়ে শপথ অনুষ্ঠানে থালাপতির সঙ্গে তার মায়ের উপস্থিতি দেখা যায়। সেখানে বিজয়ের প্রথম ভাষণের সময় তৃষাকে আবেগপ্রবণ হতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। অনুষ্ঠানে থালাপতির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

 

দীর্ঘদিন ধরেই থালাপতি বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। ২০০৪ সালের ‘ঘিল্লি’ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ‘লিও’ পর্যন্ত একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন।

 

২০২৪ সালে থালাপতির জন্মদিনে তৃষার একটি পোস্টও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল, যেখানে তিনি তাকে “সবচেয়ে ভালো মানুষ” বলে উল্লেখ করেছিলেন।

 

এদিকে থালাপতি বিজয় ও তার স্ত্রী সঙ্গীতা সর্ণালিঙ্গমের মধ্যে বিচ্ছেদের আবেদন নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে স্ত্রী ও সন্তানদের অনুপস্থিতিও এ নিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।


বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে ৪৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জমি ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে (বিএসএফ) বুঝিয়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১১ মে) নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেন শুভেন্দু অধিকারী।

 

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করতে সিদ্ধান্ত হয়।

 

বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

 

তিনি বলেন, রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। প্রথম দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর এবং বিএসএফ-কে আমরা জমি হস্তান্তরে অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়া হবে।

 

এর আগে একাধিকবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সীমান্তে বিএসএফকে জমি না দেয়ায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এ বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

 

গেল শনিবার শপথগ্রহণের পর পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন শুভেন্দু অধিকারী। আজকের বৈঠক ঘিরে রোববার থেকেই বাড়ানো হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নবান্ন এবং আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করছেন কলকাতা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে সবরকম নিরাপত্তা প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়েছে।

 

এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নিশান কোম্পানির গাড়িটি আনা হয়েছিল ঝাড়খন্ড থেকে। ঘাতকদের সন্ধানে এরইমধ্যে উত্তর প্রদেশে পৌঁছেছে পুলিশের একটি দল।

 

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর ঘোষণা, ৪৫ দিনের মধ্যে জমি পাবে বিএসএফ

ব্যারাকপুরে নির্বাচনী ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই রাজনীতির ময়দান ছাড়ার ঘোষণা দিলেন পরিচালক ও সাবেক বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। ভোটের ফল প্রকাশের মাত্র দুই দিনের মাথায় তিনি জানিয়ে দেন, এবার তিনি আর রাজনীতিতে থাকছেন না।

 

৪ এপ্রিলের ভোটের ফলে রাজ্যে পরিবর্তনের ঢেউ আসে। ব্যারাকপুর কেন্দ্রে লড়াই করেও এবার জয় পাননি রাজ। এরপরই তিনি নিজের রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন।

 

২০২১ সালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। পাঁচ বছর ধরে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পের প্রচারেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। এমনকি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও পরিচালনা করেছিলেন রাজ।

 

হারার পর সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, জীবনে তিনি যেমন সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তেমনি বিধায়ক হিসেবেও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। তবে এবার সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল বলে জানান তিনি।

 

নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজ্য উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে এবং মানুষের সমস্যার সমাধান হবে।

 

ভোটের দিন ব্যারাকপুরে তার রোড শো ঘিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস থাকলেও ফল ঘোষণার দিন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গণনা কেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায় এবং স্লোগান ও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে।

 

পরাজয়ের পর রাজের স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টও আলোচনায় আসে। যেখানে তিনি স্বামীকে জীবনের নায়ক বলে উল্লেখ করেন এবং মনোবল ভেঙে না পড়ার বার্তা দেন।

নির্বাচনে হেরে রাজনীতি ছাড়লেন শুভশ্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী

বিশ্ববাজারে টানা দুইদিন কমার পর বৃহস্পতিবার (৭ মে) আবারও ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। ওয়াশিংটন ভিত্তিক ডব্লিউটিআই ক্রুড অয়েলের দামও বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে পৌঁছেছে। খবর দ্য ওয়াশিংটন পোষ্টের।

 

বুধবার (৬ মে) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি একটি প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে নেয়, তাহলে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই ঘোষণা প্রকাশের পর থেকেই তেলের দাম কমতে শুরু করে। বুধবার এক পর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম ১০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারে নেমে আসে। অপরদিকে, ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৯ ডলারে নেমে আসে।

 

তবে, ট্রাম্প ইরানকে চুক্তি গ্রহণ না করলে আরও বেশি মাত্রার বোমা হামলা চালানোর হুমকি দেওয়ার পর থেকে আবারও বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

 

এর আগে, গত ২৯ এপ্রিল ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলারে পৌঁছে যায়, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ ছিলো।

 

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। এর ফলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাজারে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

বিশ্ববাজারে টানা দুইদিন কমার পর বৃহস্পতিবার (৭ মে) আবারও ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে নিজ বাড়ির সামনে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক (পিএ) চন্দ্রনাথকে গুলি করে হত্যা করা হয়। বুধবার (৬ মে) এই ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি এবং কার্তুজ উদ্ধার হলেও নেপথ্যে বড় কোনো ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে পুলিশ।

 

পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা জানিয়েছেন, অপরাধে ব্যবহৃত একটি গাড়ি ইতোমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তে দেখা গেছে, গাড়িটির নম্বর প্লেট বিকৃত করা ছিল। যে নম্বরটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি মূলত শিলিগুড়ির একটি গাড়ির, যা অপরাধীরা ভুয়া হিসেবে ব্যবহার করেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু ব্যবহৃত খোল এবং তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এর সূত্র অনুযায়ী, রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে চন্দ্রনাথ রথ যখন মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন, তখন আততায়ীরা তার গাড়ি থামাতে বাধ্য করে। এরপর অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলিতে চন্দ্রনাথের পাশাপাশি তাঁর গাড়িচালক বুদ্ধদেব বেরাও গুরুতর আহত হন।

 

হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, চন্দ্রনাথকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার শরীরে দুটি গুলি লাগে। একটি গুলি তার বুক দিয়ে ঢুকে হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয় এবং অন্যটি পেটে লাগে। অন্যদিকে, চালক বুদ্ধদেবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

 

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নব-নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং এবং বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই ঘটনার জন্য সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছেন।

 

তাদের দাবি, বিজেপিকে ভয় দেখাতেই এই ‘টার্গেট কিলিং’ করা হয়েছে। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

গাড়ির ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে শুভেন্দু অধিকারীর পিএকে গুলি

 

হাম সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি ইউনূস সরকার। সম্প্রতি একটি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

 

প্রশ্ন: প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।

 

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।

 

তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

 

ভারতের মুম্বাইয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের আকস্মিক মৃত্যুকে ঘিরে দানা বেঁধেছে রহস্য। শুরুতে ‘বিষাক্ত তরমুজ’ খেয়ে মৃত্যুর গুজব ছড়ালেও ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্টে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুক্রবার (১ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই রহস্যজনক ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।গত শনিবার রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ দোখাডিয়া (৪৫) তার পরিবার ও আত্মীয়দের নিয়ে মাটন পোলাওয়ের মাধ্যমে নৈশভোজ সম্পন্ন করেন। অতিথিরা চলে যাওয়ার পর রাত ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তরমুজ খান। ভোর ৫টার দিকে হঠাৎ সবাই বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মৃত্যু হয় আবদুল্লাহ, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং দুই কিশোরী কন্যা জয়নাব (১৩) ও আয়েশার (১৬)।

 

মৃতদেহগুলোর প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষায় চিকিৎসকরা বিস্মিত হয়েছেন। সাধারণ খাদ্যে বিষক্রিয়ায় যা দেখা যায় না, এখানে তার চেয়ে ভিন্ন কিছু ঘটেছে। দেখা গেছে, মৃতদের মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও অন্ত্রসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ অস্বাভাবিকভাবে সবুজাভ হয়ে গেছে।

 

তদন্তে সবচেয়ে বড় মোড় আসে যখন আবদুল্লাহ দোখাডিয়ার শরীরে মরফিনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। অত্যন্ত শক্তিশালী এই ব্যথানাশক ওষুধটি কীভাবে তার শরীরে এলো, তা নিয়ে গোয়েন্দারা ধন্দে আছেন। এটি কি কোনো চিকিৎসার অংশ ছিল, নাকি কোনো দুর্ঘটনার শিকার বা পরিকল্পিত হত্যার ছক সবগুলো দিক খতিয়ে দেখছে পুরাজ্যের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন জানিয়েছে, তরমুজের সঙ্গে মৃত্যুর সরাসরি কোনো সম্পর্ক এখনো পাওয়া যায়নি। ওই রাতে মাটন পোলাও খেলেও তারা সুস্থ ছিলেন।

 

মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মৃতদের ভিসেরা রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত পুলিশ চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি নয়।

 

পুলিশ পরিবারের মানসিক অবস্থা, কোনো ব্যবসায়িক শত্রুতা বা অন্য কোনো বিষাক্ত পদার্থের প্রয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে।

 

ইতোমধ্যেই পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। মুম্বাইয়ের এই রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ও কৌতূহল—উভয়ই বিরাজ করছে।

তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নেতা নয়, সেবক হয়ে সাভার পৌরবাসীর পাশে থাকতে চাই”: ওবায়দুর রহমান অভি।

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। এই নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, সাভার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, সাভার বাজার রোড ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি, সাভার সিটি সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি, ওবায়দুর রহমান অভি। গণ টেলিভিশনের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ক্ষমতার মোহ নয় বরং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে শামিল হতে চান তিনি। ওবায়দুর রহমান অভি আরো বলেন

“আমি নিজেকে নেতা হিসেবে নয়, বরং সাভার পৌরবাসীর সেবক হিসেবে দেখতে চাই। এই পৌরসভা আমাদের সবার। এখানকার ড্রেনেজ সমস্যা, যানজট এবং নাগরিক সেবার যে ঘাটতি রয়েছে, তা নিরসনে আমি আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।” আধুনিক ও স্মার্ট পৌরসভা: প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিক সেবা হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়া।

মাদকমুক্ত সমাজ: তরুণ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করা।

যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসন: সাভারের প্রধান সমস্যাগুলোর পরিকল্পিত ও স্থায়ী সমাধান।

নারীদের নিরাপত্তা: নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

 

জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ওবায়দুর রহমান অভিকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা একজন সৃজনশীল ও জনবান্ধব নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছেন। সাধারণ মানুষের মতে, অভি সবসময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন, তাই তাকে মেয়র হিসেবে পেলে পৌরসভার আমূল পরিবর্তন সম্ভব।

 

সেবক হিসেবে আগামীর পথচলা

ওবায়দুর রহমান অভি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, নির্বাচিত হওয়া বা না হওয়া বড় কথা নয়, তিনি সাভারের মাটির সন্তান হিসেবে সব সময় জনগণের পাশে ছিলেন এবং থাকবেন। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

 

নেতা নয়, সেবক হয়ে সাভার পৌরবাসীর পাশে থাকতে চাই”: ওবায়দুর রহমান অভি।

থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর ১৩তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথ অনুষ্ঠানের পর অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান–এর একটি সামাজিক মাধ্যম পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।

 

সোমবার ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তৃষা লেখেন, “ভালোবাসা সবসময় সোচ্চার”—সেই সঙ্গে নিজের কাছের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। এই পোস্টকে কেন্দ্র করেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে ফের গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

 

গত ১০ মে চেন্নাইয়ে শপথ অনুষ্ঠানে থালাপতির সঙ্গে তার মায়ের উপস্থিতি দেখা যায়। সেখানে বিজয়ের প্রথম ভাষণের সময় তৃষাকে আবেগপ্রবণ হতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। অনুষ্ঠানে থালাপতির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

 

দীর্ঘদিন ধরেই থালাপতি বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। ২০০৪ সালের ‘ঘিল্লি’ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ‘লিও’ পর্যন্ত একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন।

 

২০২৪ সালে থালাপতির জন্মদিনে তৃষার একটি পোস্টও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল, যেখানে তিনি তাকে “সবচেয়ে ভালো মানুষ” বলে উল্লেখ করেছিলেন।

 

এদিকে থালাপতি বিজয় ও তার স্ত্রী সঙ্গীতা সর্ণালিঙ্গমের মধ্যে বিচ্ছেদের আবেদন নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে স্ত্রী ও সন্তানদের অনুপস্থিতিও এ নিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

থালাপতির শপথের পর অভিনেত্রী তৃষার রহস্যময় বার্তা

বাংলাদেশের ক্রিকেট ও রাজনীতি অঙ্গন নিয়েই সম্প্রতি খোলামেলা কথা বলেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে থাকা এই ক্রিকেটার সম্প্রতি ‘সিম্পলি সাঈদ’ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান, দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা, ক্রিকেট বোর্ডের ভবিষ্যৎ এবং ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘একটা সময় দেখতাম যে সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউই আওয়ামী লীগ করে না। এরকম একটা অবস্থা।’

 

আগামীতে দেশে ফিরলে প্রথমে কোথায় যাবেন, মিরপুর স্টেডিয়াম নাকি নিজ জেলা মাগুরা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন তো ঢাকায় পা রাখাটাই সবচেয়ে বড় চিন্তা।’

 

সাক্ষাৎকারে ‘আপনার সাবেক টিমমেট, আপনার বন্ধু তামিম ইকবাল বোর্ড সভাপতি। তিনি নতুন কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কিনা?’ এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ইলেকশন করার পরে আসলে যে বোর্ডটা আসবে, তাদের হয়তো হাতে চিন্তাভাবনা করে ডিসিশনটা নেওয়ার অনেক সময় থাকবে।’

 

রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার জবাবে সাকিব বলেন, ‘আমি মনে করি যে আমি ভুল কিছু করি নাই।’ খেলোয়াড়ি জীবনেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কখনো মাগুরাতে সাকিব আল হাসান হইনি। আমি সবসময় মাগুরাতে ফয়সালেই ছিলাম।’

একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, এখন দেখি কেউই করে না’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে প্রচুর মেধাবী তরুণ রয়েছেন, যারা সুযোগ-সুবিধা পেলে বিশ্বমানের উদ্ভাবন করতে সক্ষম হবে। মেধাপাচার রোধ করে মেধা লালন করে আমরা ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে চাই।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘ট্রান্সফরমিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমান সরকার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পুঁথিগত জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

 

তিনি জানান, সরকার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার এবং প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারের মতো আয়োজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনাও নিয়েছে। এছাড়া, স্কুলপর্যায় থেকেই শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, অটোমেশন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডেটা ও ন্যানোটেকনোলজির মতো প্রযুক্তি বিশ্ব অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ধরণ দ্রুত বদলে দিচ্ছে। ফলে প্রথাগত চাকরির পাশাপাশি নতুন ধরনের কর্মক্ষেত্রও তৈরি হচ্ছে।

 

তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা আর কেবল স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। এখন জ্ঞানচর্চা বহুমাত্রিক হয়ে উঠেছে, যেখানে ডেটা সায়েন্সের সঙ্গে বায়োলজি কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে সমাজবিজ্ঞানের সংযোগ তৈরি হচ্ছে।

 

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার কাজ শুরু করতে চায়, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকেও আলোকিত করবে।

মেধাপাচার রোধ, মেধা লালন করে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে চাই

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক আতাউর রহমানের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। মগবাজারে জানাজা শেষে আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বিকালে তার মরদেহ শহীদ বেদিতে রাখা হবে। জনসাধারণের শ্রদ্ধা শেষে বনানী কবরস্থানে গুণী এই নাট্যব্যক্তিত্বের দাফন সম্পন্ন হবে।

 

এর আগে সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ অভিনেতা।

 

অভিনয়শিল্পী সংঘ থেকে জানানো হয়, আতাউর রহমানের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের শহীদ বেদিতে আজ বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত রাখা হবে। এর আগে জোহরের নামাজ শেষে মগবাজারের ইস্পাহানি সেঞ্চুরি আর্কেডে নিজ বাসভবনের সামনে খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে তার জানাজা। সবশেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বরেণ্য অভিনেতাকে।

 

পরিবারসূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বাসায় পড়ে যাওয়ার পর আতাউর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর প্রথমে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিক আইসিইউ সুবিধা না পাওয়ায় পরে তাকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ভর্তির পরই তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। ওইদিনই শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু আবার অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

 

প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী। তিনি একাধারে নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক ও লেখক। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত তিনি। দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক।

 

তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষকতার পাশাপাশি ‘প্রজাপতি নিবন্ধ’, ‘মঞ্চসারথির কাব্যকথা’, ‘নাটক করতে হলে’, ‘নাট্যপ্রবন্ধ বিচিত্রা’, ‘লেখনী’সহ নানা বই প্রকাশ করেছেন। বেশ কিছু টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।

শহীদ মিনারে নেওয়া হবে আতাউর রহমানের মরদেহ, দাফন বনানী কবরস্থানে

যুবসমাজকে ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে, অকালমৃত্যু কমাতে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে তামাকবিরোধী দুটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে সিগারেটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম সর্বনিম্ন ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।সোমবার (১১ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, সিগারেটকে চারটি মূল্যস্তরে ভাগ করা হয়েছে — প্রিমিয়াম, উচ্চ, মাঝারি ও নিম্ন।

 

প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সঙ্গে ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক এবং প্রতি প্যাকেটে নির্দিষ্ট ৪ টাকা কর যোগ হলে প্রতিটি সিগারেটের দাম দাঁড়াবে ৩৫ টাকা।উচ্চ মূল্যস্তরে প্রতি প্যাকেটের দাম আগের তুলনায় ১০ টাকা বাড়িয়ে ১৫০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক ও প্যাকেটপ্রতি ৪ টাকা নির্দিষ্ট কর যুক্ত হলে প্রতি শলাকার দাম হবে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা, যা বর্তমানের চেয়ে প্রায় ২ টাকা বেশি।

 

মধ্যম ও নিম্ন স্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ৮০ ও ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে উভয় ক্ষেত্রেই ১০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই হারে আবগারি শুল্ক ও নির্দিষ্ট কর যোগ হলে প্রতিটি সিগারেটের দাম হবে ১৭ টাকা ১ পয়সা।

 

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিগারেটের দাম বাড়ালে লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী ধূমপান থেকে বিরত থাকবেন এবং একই সঙ্গে সরকারের কর আয়ও বৃদ্ধি পাবে। তারা সতর্ক করে জানান, বাংলাদেশে ক্যানসারসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান।

সিগারেটের দাম সর্বনিম্ন ১৭, সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব

আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত পারভেজ মিয়া শেরপুর জেলার নকলা থানার রুনীগাঁও গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের হাজী জয়নাল আবেদীনের মালিকানাধীন একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে বন্ধু শাহাদাত পারভেজকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। পরে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহাদাত ধারালো অস্ত্র দিয়ে পারভেজের মুখ ও মাথায় আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন পারভেজ। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়।

আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহতের মুখ ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

 

তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বাড়িতে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা

নানা কারণে আলোচনায় থাকা ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাদেরকে এই দুই জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

 

সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক দুই আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়। তাদেরকে ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

এর মধ্যে মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে বদলি করে ফেনীতে আনা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

অন্যদিকে, বিসিএস পুলিশের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান পঞ্চগড়ে যোগদানের আগে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন-১-এ সহঅধিনায়ক (পুলিশ সুপার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ফেনী ও পঞ্চগড়ের আলোচিত দুই এসপিকে প্রত্যাহার

খুলনা মহানগরীর মডার্ন টাওয়ারের নিকটবর্তী টিবি বাউন্ডারি রোডের মৌলভীপাড়া এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটিতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

 

সোমবার রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যুতের খুঁটি থেকে হঠাৎ স্পার্কিং শুরু হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

 

ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

খুলনায় বিদ্যুতের খুঁটিতে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের অভিযানে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি।

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d