সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পরবর্তীতে বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি বাতিল করে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন কর্মকর্তাকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।


 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়াতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৬১ পয়সা বাড়াতে চায় ডিপিডিসি। পাশাপাশি, ডেসকো বাড়াতে চায় ৮৬ পয়সা।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গনশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিইআরসি জানায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় খরচ পড়বে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ হবে ৯২ পয়সা। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ায় প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই আর্থিক ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই পাইকারি মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এদিকে, লোকসান কাটিয়ে উঠতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, ২০২৬ ২৭ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা হতে পারে।

 

ডিপিডিসি জানিয়েছে, পাইকারি দাম এবং হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ১টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৮৬ পয়সা সমন্বয়ের প্রস্তাব পেশ করেছে।

 

পাশাপাশি, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা পেশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নেসকো।

 

এর আগে, বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়েও অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

জামায়াতে ইসলাম সামাজে নানা ধরনের অপকর্ম করে তা সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

 

আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী ফার্মেসি আসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

জামায়াত মিথ্যা ছাড়া ভালো কিছু চিন্তা করতে পারে না মন্তব্য করে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থির করার চেষ্টা করছে।

 

এছাড়া অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তাদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

 

হাম নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অন্তবর্তী সরকারের ব্যর্থতা এখন বিএনপির ঘাড়ে এসে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

জামায়াত নানা অপকর্ম করে সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে: শামসুজ্জামান দুদু

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো এবং একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।

 

তিনি আরও বলেন, কিন্তু শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলন।

 

মন্ত্রী বলেন, পরিবার, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন এবং প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ছেলেমেয়েদের সম্মান, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে।

 

তিনি আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা। আসুন, পরিবর্তনের এই সংগ্রামে সবাই একসঙ্গে শামিল হই।

আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো: মির্জা ফখরুল

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে এ নির্দেশ দেন তিনি।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

 

আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু হত্যা এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বাকি অংশের নির্মাণকাজ। একই সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়েকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে নতুন ৪টি র‍্যাম্প যুক্ত করার সম্ভাব্যতাও যাচাই করছে সেতু বিভাগ।

 

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালে এফডিসি গেট সংলগ্ন কারওয়ান বাজার র‍্যাম্পও চালু করা হয়। লক্ষ্য ছিল রাজধানীর যানজট কমিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া।

 

তবে বাস্তবে কর্মদিবসের পিক আওয়ারে এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজাগুলোতেই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। অনেক চালক এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠার আগেই ভোগান্তিতে পড়ে নিচের সড়ক ব্যবহার করছেন।

 

এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায়ের কারণেই টোলপ্লাজায় ধীরগতি তৈরি হচ্ছে এবং এতে ব্যবহারকারী কমে যাচ্ছে।

 

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা বিভাগের ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন (অব.) হাসিব হাসান খান বলেন, যতটুকু যাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক গাড়ি চলে আসে। এটাকে যদি আরেকটু গতি বাড়াতে পারতাম তাহলে ইউজারদের সংখ্যা আরেকটু বাড়তো।

 

চলতি বছরের এপ্রিলে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) চালু হলেও এখনও বেশিরভাগ টোল আদায় হচ্ছে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯ হাজারের কিছু বেশি ইটিসি ডিভাইস বিক্রি হয়েছে।

 

বর্তমানে চালু থাকা অংশ দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করলেও টোলপ্লাজার যানজটের কারণে অনেকে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার থেকে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এতে সম্ভাব্য রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

 

চীনা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে নির্মিত এই পিপিপি প্রকল্পের চুক্তি অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর ২৫ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন প্রথম ৮০ হাজার গাড়ির টোল পাবে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান। এর বেশি গাড়ি চলাচল করলে অতিরিক্ত টোল আয়ের ২৫ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সরকার। তবে চালুর পর এখন পর্যন্ত মাত্র তিন দিন ৮০ হাজারের বেশি গাড়ি এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করেছে।

 

সেতু বিভাগের সচিব মো. আবদুর রউফ জানান, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার গাড়ি চলাচল করছে। এছাড়া ২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ পুরো এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে এবং তখন যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে ও সরকারের আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

এক্সপ্রেসওয়ের মূল নকশার বাইরে গিয়ে আরও চারটি নতুন র‍্যাম্প যুক্ত করার বিষয়েও ভাবছে সেতু বিভাগ। এ নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

 

মো. আবদুর রউফ বলেন, ৩০০ ফিটের সাথে কানেকশন থাকলে আরও বেশি ভাইব্রেন্ট হয়। এদিকে মহাখালি বাসস্ট্যান্ড ও মগবাজারের বিষয়টা এখনও এড্রেস করা হয়নি। এগুলো এড্রেস করা হলে দেখ গেলো ভিতরের জ্যামটা আরও কমতে পারে। আমাদের ধারণা এবং এটার দাবিও আছে।

 

তবে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, মূল নকশায় পরিবর্তন আনলে প্রকল্প ব্যয় ও বাস্তবায়নের সময় দুটোই বাড়বে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাইবে সব গাড়ি এক্সপ্রেসওয়েতে তুলতে। তাতে তাদের ইনকাম বেশি হবে। মূল অবকাঠামো, র‍্যাম্প এবং নিচের সড়কের সক্ষমতা আছে কিনা, যাচাই করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। ২০২৩ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে ২০২৪ সালে শেয়ারসংক্রান্ত দ্বন্দ্বে নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে পড়ে এবং বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দুই বছর বন্ধের পর আবারও শুরু বাকি অংশের নির্মাণ কাজ

থানায় গিয়ে কোনো নাগরিক হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেছেন, আইন প্রয়োগের নামে কাউকে প্রহার বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না। পুলিশকে আইনের মধ্যে থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে থানাগুলোকে জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

 

বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

 

তিনি বলেন, থানায় কোনো দালালের অস্তিত্ব থাকবে না। যদি কোনো থানায় দালালের উপস্থিতির খবর পাওয়া যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অফিসারের কারণে জনবান্ধব পুলিশিং বাধাগ্রস্ত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কে কতদিন দায়িত্বে আছেন, সেটা বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার না করা হয়। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু কারও গায়ে হাত তোলা বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “বিগত সময়ে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। আমরা এটা কঠোরভাবে দেখবো। আমার সময়ে কেউ এমন করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

কিশোর গ্যাং দমনে ডিএমপির অবস্থান কঠোর জানিয়ে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কিশোর গ্যাং সদস্য ও গ্যাং লিডারদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে তিনি বলেন, “শুধু পুলিশের পক্ষে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সাংবাদিক, জনগণ ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করলে এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।”

 

শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের কথাও তুলে ধরেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৬ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ, ৮৪৭ জন মাদক কারবারি এবং ৬৭০ জন ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী রয়েছে।

 

তিনি বলেন, “সন্ত্রাসীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। যে দলেরই হোক, অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সাম্প্রতিক সময়ে জেনেভা ক্যাম্পের মাদক কারবারি পিচ্চি রাজা, কক্সবাজার থেকে বাবর চিনমন এবং পল্লবীর শিশু হত্যা মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ও উল্লেখ করেন কমিশনার।

থানায় সেবা গ্রহণে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশেষ প্রতিনিধি- হেলাল উদ্দিন।

গত ২০ মে বুধবার

সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে একে একে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন শ্রমিক, অপর একজন একই গ্রামের বাসিন্দা,আরেকজন পার্শ্ববর্তী গ্রাম ধর্মতীর্থের বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে ৩টায় উক্ত ঘটনা ঘটে। উক্ত হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গলানিয়া গ্রামের আকাশ-বাতাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলানিয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে কয়েকজন শ্রমিক সেখানে যান।

 

প্রথমে একজন শ্রমিক ট্যাংকের ভিতরে প্রবেশ করেন। কিছু সময় পার হলেও সে বাহিরে ফিরে না আসায় অন্য একজন শ্রমিক তাকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করে সেও ফিরে আসেনি।তাদের দুজনের না ফেরা দেখে বাড়ির মালিক আলী মিয়া আরেকজনকে ডেকে এনে তাকে ভেতরে ঢুকে অবস্থা দেখতে বলে। সেও ভেতর ঢুকে আর ফিরে আসেনি।ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী বাড়ির অপর একজন,যে সদ্য জমি থেকে ধান কেটে এসে বাসায় বিশ্রাম করছিল তাকে ডেকে উক্ত ট্যাঙ্কির ভেতরে পাঠায়। সে ঢুকার পর তারও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এক এক করে ৪ জনই নি:শব্দ।

 

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ভবনের মালিক আলী মিয়া স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

প্রথমে সরাইল ফায়ার সার্ভিসের শাখা এসে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাইলে সেখান থেকে তারা এসে দুটি ইউনিটই উদ্ধার কাজ করে। তবে সেপটিক ট্যাংকের প্রবেশপথ অত্যন্ত সরু হওয়ায় উদ্ধারকর্মীরা প্রথমদিকে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ট্যাংকের ভিতরে পৌঁছান তারা। সেখানে গিয়ে চারজনেরই নিথর দেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে একে একে মরদেহগুলো বাইরে আনা হয়।

 

নিহতরা হলেন—

১. ইমাম হোসেন, গলানিয়া।

২. সমশের মিয়া, গলানিয়া।

৩. মোঃ হৃদয় মিয়া, গলানিয়া।

৪. আরমান, ধর্মতীর্থ।

 

তাদের মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় ধোয়াশা।

কেউ বলছে বিশাক্ত গ্যাসে আবার স্থানীয় অনেকে জানান, সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে বিদ্যুতের একটি সচল লাইন ছিল। এ কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে একজনের পর আরেকজন উদ্ধার করতে গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে তাৎক্ষণিক সাড়া না দেওয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বলেই ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

 

ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিহতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বলে জানা গেছে। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

এ বিষয়ে অদ্য ২১ মে সরাইল থানার পুলিশ সুত্রে জানাযায়, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে আজ এবং এ বিষয়ে এখনও কোন মামলা করেনি।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, আজ বাদ মাগরিব গলানিয়া ঈদগাহ মাঠে তাদের একসাথে জানাযা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও আসন্ন পৌর নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাভার পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক,খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, বরং নিজের ভেতরের অহংকার ও পঙ্কিলতা বিসর্জন দেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। এই ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধি।”

 

তিনি ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। পবিত্র ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। উৎসবের এই দিনগুলোতে আমরা যেন আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবেশীদের ভুলে না যাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মিলে যেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারি, এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।”

 

এলাকার সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় তরুণদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান দীর্ঘদিন ধরে ৫ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ ও প্রবীণদের মাঝে এক ব্যাপক জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে তাকে ৫ নং ওয়ার্ডের যোগ্য অভিভাবক ও কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

 

শুভেচ্ছা বার্তা, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান সবাইকে সচেতন থাকার এবং কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে ওয়ার্ডবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পরবর্তীতে বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি বাতিল করে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন কর্মকর্তাকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়াতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৬১ পয়সা বাড়াতে চায় ডিপিডিসি। পাশাপাশি, ডেসকো বাড়াতে চায় ৮৬ পয়সা।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গনশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিইআরসি জানায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় খরচ পড়বে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ হবে ৯২ পয়সা। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ায় প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই আর্থিক ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই পাইকারি মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এদিকে, লোকসান কাটিয়ে উঠতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, ২০২৬ ২৭ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা হতে পারে।

 

ডিপিডিসি জানিয়েছে, পাইকারি দাম এবং হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ১টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৮৬ পয়সা সমন্বয়ের প্রস্তাব পেশ করেছে।

 

পাশাপাশি, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা পেশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নেসকো।

 

এর আগে, বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়েও অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাভার আশুলিয়া ও দেশবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মানবতার ফেরিওয়ালা মানবিক বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহান আদর্শ নিয়ে হাজির হয়। পশু কোরবানির মাধ্যমে মূলত আমাদের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও অন্যায়কে বিসর্জন দিতে হবে। ত্যাগের এই মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে উঠুক সকলের জীবন।

 

বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল আরও উল্লেখ করেন, ঈদের আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রতিটি পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমাদের কাম্য। একে অপরের প্রতি সহানুভূতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সর্বশেষে তিনি সাভারের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে পুনরায় সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানান।

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

রাজধানীর রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মো. শিহাব হোসেন নামে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বুধবার (২০ মে) রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মঙ্গলবার রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে (১০) এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা টুকু আরা খাতুন বুধবার রামপুরা থানায় শিহাব ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

 

উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা যায়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।

 

তিনি বলেন, শিশুটি ফাঁস নেওয়ার আগেই অভিযুক্ত শিহাব মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মাদ্রাসার চার ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে মাদ্রাসার তরফে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

রামপুরায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর আত্মহত্যার প্ররোচনা, পাবনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার

জামায়াতে ইসলাম সামাজে নানা ধরনের অপকর্ম করে তা সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

 

আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী ফার্মেসি আসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

জামায়াত মিথ্যা ছাড়া ভালো কিছু চিন্তা করতে পারে না মন্তব্য করে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থির করার চেষ্টা করছে।

 

এছাড়া অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তাদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

 

হাম নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অন্তবর্তী সরকারের ব্যর্থতা এখন বিএনপির ঘাড়ে এসে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

জামায়াত নানা অপকর্ম করে সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে: শামসুজ্জামান দুদু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকরা।

 

বুধবার (২০ মে) রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৫টি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তবে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, আহত অবস্থায় ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. হান্নান (২৮), আকরাম হোসেন (৩০), আমজাদ হোসেন (৩০), ইমান হোসেন (২৩), নাহিদ (২০), রেজাউল করিম (৩৬), আবুল হোসেন (৪১), হৃদয় হোসেন (২৫), মো. সুমন (৪৫), আকাশ (২০), শাহআলম (২৬) ও রিদয় হোসেন (২৪)।

 

চিকিৎসাধীন শ্রমিকরা জানান, স্কুল মাঠে রাখা বাসগুলোর ভেতরে থাকা শ্রমিকদের ওপর অন্ধকারের মধ্যে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এ সময় শ্রমিকদের মারধরের পাশাপাশি একের পর এক বাস ভাঙচুর করা হয়।

 

বোগদাদ পরিবহনের সুপারভাইজার ইউসুফ ও ওমর ফারুকসহ কয়েকজন শ্রমিক বলেন, হামলার ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানান।

 

হামলার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে বিচার না হওয়া পর্যন্ত কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের সব বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকরা।

 

বলাখাল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বেপারী বলেন, অন্ধকারের মধ্যে কারা হামলা চালিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি খুব দ্রুত ঘটে যাওয়ায় স্থানীয়রাও হতবাক হয়ে পড়েন।

 

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

অনির্দিষ্টকালের জন্য কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন।।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এবং ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, গভার্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে এবং তারা বিভিন্ন গণআন্দোলন ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে নিজেদের দাবি ও প্রত্যাশা প্রকাশ করছে।

 

নেপালের কাঠমান্ডু ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের পলিসি ল্যাবের উদ্যোগে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান : অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও গভর্নেন্সের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় বুধবার এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পলিসি ল্যাবের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সহকারী অধ্যাপক ড. লাল বাহাদূর পুন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ড. রাম নারায়ণ শ্রেষ্ঠ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সমভাবে বণ্টিত হচ্ছে না। সুশাসনের ঘাটতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

 

আলাউদ্দীন মোহাম্মদ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব না দিলে দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রগঠনসংক্রান্ত সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব হবে না।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচলিত ধারা পুনর্বিবেচনা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দ্রুত বিচার ও তদন্ত সম্পন্নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনা কোনোভাবেই ‘আনচ্যালেঞ্জড’ থাকতে দেওয়া হবে না এবং দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় সরকার।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইন মন্ত্রণালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আইনমন্ত্রী বলেছেন, মাগুরার আসিয়া, ঢাকার রামিসার ঘটনা মানুষ হিসেবে মনুষ্যত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন অপরাধ কোনোভাবেই আনচ্যালেঞ্জড যেতে দেবো না।

 

তিনি আরও বলেন, রামিসার বাবা যে মন্তব্য করেছেন, তা তার জায়গা থেকে অমূলক নয় এবং বিচার ব্যবস্থায় মামলার জট নিরসনে সরকার পদক্ষেপ নেবে।

 

তিনি জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনালে রামিসার মামলার বিচার হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, যত দ্রুত সম্ভব রামিসার মামলার বিচার হবে। সমাজের বিচার ব্যবস্থার ওপর অনাস্থা কমানোর জন্য এই মামলা হবে একটি উদাহরণ। সরকার এই মামলাকে ফাস্ট ট্র্যাকে নিয়ে বিচার করবে।

 

তিনি সতর্ক করে বলেন, অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি দিতে না পারলে সমাজে ‘ব্যাড মেসেজ’ যাবে। এ কারণে বিচার প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

আইনমন্ত্রী আরও জানান, এখন থেকে কোনো ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিবেচনাতেই আসবে না—আজকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে যা কিছু করা দরকার সবই করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দ্রুততম সময়ে বিচার করতে চাই। আসিয়ার মামলা এক মাসের মধ্যে শেষ করেছিলাম- সে উদাহরণ আমাদের সামনে আছে।

 

রায় কার্যকর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মামলার রায় কার্যকর করা সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার, সেখানে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ নেই। তবে দ্রুত রায় কার্যকরের জন্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, মাগুরার আসিয়া, ঢাকার রামিসার ঘটনা মানুষ হিসেবে আমাদের মনুষ্যত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন অপরাধ কোনোভাবেই আনচ্যালেঞ্জড হতে দেবো না।

 

তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, রামিসার বাবার উদ্বেগ অমূলক নয় এবং বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে সরকার কাজ করবে।

 

সবশেষে তিনি বলেন, শিশু রামিসার ঘটনার বিচার করে আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। বিচার প্রক্রিয়াকে অতিদ্রুত করতে পারলে রামিসার বাবার প্রশ্নের জবাবও দিতে পারব।

শিশু রামিসা হত্যার বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই: আইনমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d