শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। রাজধানীর ধানমন্ডিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হানা দেয় একদল সেনা সদস্য।

 

হত্যা করা হয় শেখ মুজিবুর রহমান, তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা, তিন ছেলে কামাল, জামাল ও রাসেল, ভাগিনা ফজলুল হক মনি ও তার স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতসহ পরিবারের ১৭ সদস্যকে। দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

 

তখন অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় জর্জরিত ছিল দেশ। বাকশাল গঠন করে কায়েম করা হয়েছিল একদলীয় শাসন। নিষিদ্ধ হয়েছিল বাকি সব দল।

 

এ বিষয়ে চর্চার সম্পাদক সোহরাব হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যারা যুদ্ধ করেছেন, তারাই আবার তাকে হত্যা করলেন। তো এখানে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা কাজ করেছে। ব্যক্তিগত ক্ষোভ কাজ করেছে। ওই সরকার যদি একটা গণঅভ্যুত্থান হতে পারত, তাহলে ও ন্যায্যতা পেত। কিন্তু আপনি একদিন সকালবেলা একটা বাড়িতে ঢুকে আপনি হত্যা করে আসলেন।

 

তবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সদস্য সচিব মফিদুল হক বলেন, সপরিবারে উৎখাত করা এরকম ঘটনা কিন্তু মধ্যযুগের একটি ঘটনা। যারা ঘটনাটা ঘটিয়েছে, তারা কিন্তু একটি বিশেষ গোষ্ঠী চক্রান্তমূলকভাবে এই কাজটা করেছে। এটা রাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই ঘটনাটার পরিণতিতে আমরা আসিনি।

 

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ ত্বরান্বিত করে। ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। এর মধ্যে ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ৫১ বছর আজ

জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘আমাদের দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলীয় জোট থেকে মনোনীত হয়েছেন আমাদের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আমরা তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আগামী ২০ তারিখে নির্বাচিত করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

 

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং সমর্থক ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।

 

তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট থেকে কর্নেল অলি আহমদও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। তার পক্ষ থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।ফলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসবেন— এ প্রশ্নের উত্তরে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমাদের আর কোনো সিদ্ধান্ত এই মুহূর্তে বলার নেই।’

‘আমরা মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে চাই’

ক্যাম্পাসে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে গায়ের জোর ও পেশিশক্তির পরিবর্তে মেধা, যোগ্যতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।

 

তিনি বলেন, ‘শক্তি থাকলেই সব সময় শক্তি দেখাতে হয় না। আমরা চাই জুলাইয়ের পরে ক্যাম্পাসগুলোতে মেধার চর্চা হোক। মেধার ভিত্তিতে কম্পিটিশন হোক। যুদ্ধ হলে ইন্টেলেকচুয়াল ওয়ার হওয়া উচিত। গায়ের জোর সবাই দেখাতে পারে, কিন্তু ছাত্রশিবির গায়ের জোর দেখাতে চায় না। আমরা চাই মেধা নিয়ে প্রতিযোগিতা হোক।’

 

বুধবার (১২ আগস্ট) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুবি শাখার আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

ক্যাম্পাসে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই প্রতিযোগিতা হতে হবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। পেশিশক্তি প্রদর্শন করে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছাত্ররাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

 

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত কোনো জায়গায় মাইর খেলেও মাইরের কোনো জবাব দিচ্ছি না। তার মানে এই না যে আমাদের শক্তি নেই। এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। শক্তি থাকলেই সব সময় শক্তি দেখাতে হয় না।’

 

ছাত্ররাজনীতির প্রতিযোগিতার ধরন ব্যাখ্যা করে শিবির সভাপতি বলেন, ‘আমি একটা নবীনবরণ করলে তুমি আরও ১০টা নবীনবরণ করো। আমি স্টুডেন্টদের নিয়ে হায়ার এডুকেশনের একটা প্রোগ্রাম করলে তুমি আরও ২০টা করো। আমি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে প্রোগ্রাম করলে তুমি আরও ভালো প্রোগ্রাম করো। এভাবেই প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত।’

 

তিনি বলেন, ‘গায়ের জোর দিয়ে সবাই কিছু একটা করতে পারে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের জন্য কে বেশি কাজ করতে পারে, কে বেশি ভালো উদ্যোগ নিতে পারে, কে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো নিয়ে বেশি কথা বলতে পারে—সেই প্রতিযোগিতাই হওয়া উচিত।’

 

সাদ্দাম হোসেন বলেন, জুলাইয়ের পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন ধরনের ছাত্ররাজনীতির চর্চা প্রয়োজন। ছাত্রসংগঠনগুলোর কাজ হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, ক্যারিয়ার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।

 

তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের পরে ক্যাম্পাসগুলোতে মেধার চর্চা হওয়া উচিত। মেধার ভিত্তিতে কম্পিটিশন হওয়া উচিত। যুদ্ধটা হলে ইনটেলেকচুয়াল ওয়ার হওয়া উচিত।’

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিবির সভাপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান, মেধা, নৈতিকতা ও নেতৃত্ব তৈরির প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের নিজেদের যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি সমাজ ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা তৈরি করতে হবে।

 

তিনি বলেন, একটা সোসাইটি এমনিই তৈরি হয় না। একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ মুখের কথায় তৈরি হয় না। যে সোসাইটি নিজেকে তৈরি করতে পেরেছে, সেই সোসাইটির মানুষগুলোকে আগে তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় যদি শুধু সার্টিফিকেট দেয়, কিন্তু নৈতিক মানুষ তৈরি করতে না পারে, তাহলে সেই শিক্ষা সমাজের জন্য কতটা কার্যকর—সেটা ভাবতে হবে।

 

দেশের উন্নয়নে মেধাবীদের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে শিবির সভাপতি সিঙ্গাপুরের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মেধাবীদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি দেশ দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশেও মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে।

 

তিনি বলেন, মেধার মূল্যায়ন না থাকলে কোনো সোসাইটি এগোতে পারে না। মেধাবীদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। যারা যোগ্য, যারা মেধাবী, যারা নৈতিক—তাদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

 

শিবির সভাপতি আরও বলেন, ছাত্ররাজনীতির মূল প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু করার ক্ষেত্রে। সংগঠনগুলো কে কত বেশি শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে পারে, কে কত বেশি শিক্ষামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিতে পারে এবং কে কত বেশি যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করতে পারে—তার ভিত্তিতেই নিজেদের প্রমাণ করা উচিত।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) কুমিল্লা শহরের ঢুলিপাড়া চৌমুহনী এলাকায় এ নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠান কুবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় পরিচালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন আবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

 

এ ছাড়াও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের অন্য নেতারা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

গায়ের জোর নয়, মেধা নিয়ে প্রতিযোগিতা চাই: শিবির সভাপতি

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্ত।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

এইচএসসি ও সমমানের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল।

 

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন, “আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর। মেধা, অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে তারা আগামী দিনে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

 

শিক্ষার্থীদের এই ধারাবাহিক সাফল্য বজায় রেখে সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই কৃতিত্বপূর্ণ অর্জনের পেছনে অবদান রাখা সকল অভিভাবক ও শিক্ষকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

যেসব শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে নতুন উদ্যোমে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্তা

ন্যায়,ইনসাফ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, গাইবান্ধায় ডা.শফিকুর রহমান

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গনভোটের রায় না মানলে, আপনারাও নাই হয়ে যাবেন, সরকারের উদ্দেশ্য এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।সোমবার (১০ আগষ্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত ছাত্র শিবির কর্মী শহীদ সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের খুনিদের বিচারের দাবী ও সারাদেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতির প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন ।

 

জনসমাবেশে তিনি আরো বলেন, দুর্নীতিবাজদের হাত বন্ধ করতে চাই, সকলের জন্য ন্যায় ইনসাফ, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই এর জন্যই ছিল গণভোট। সরকার যারা ছিল তারাও হ্যা এর পক্ষে রায় দিতে বলেছিল, হ্যা সবাই বল্লাম। এখন আমরা হ্যা হয়েছি সরকার না হয়েছে। আমরা পরিস্কার করে বলতে চাই গণভোট না মানলে আপনারাও নাই হয়ে যাবেন। পাশাপাশি নিহত দুই শহীদের হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।

 

ফুলছড়ি- সাঘাটা ৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।

 

এছাড়া জামায়াত দলীয় সুন্দরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান, সাদুল্লাপুর- পলাশবাড়ী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (লেবু)সহ জেলা জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন । সমাবেশ শেষে নিহত দুই ছাত্র শিবির কর্মী শহীদ সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনে রুহের মাগফেরাত কামনা করে কবর জিয়ারত করেন।

ন্যায়,ইনসাফ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, গাইবান্ধায় ডা.শফিকুর রহমান

গনভোটের প্রস্তাব নিজেরা দিলেও, ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপির মানসিকতা বদলে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডে কূটনীতিকদের নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন তথ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে তিনি এ অভিযোগ জানান।

 

জামায়াত আমির বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিটি না থাকলে, ২০২৬ সালের নির্বাচনও সংবিধানে নেই। এছাড়া, সংসদে দাবি না মানায়, জনগণকে নিয়ে রাজপথের আন্দোলনে নেমেছে বিরোধী দল।

 

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের মত বর্তমান সরকারও দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দলীয়করণ করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ইস্যুতে সন্ধ্যায় বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান বিরোধী দলীয় নেতা।

 

এসময় কূটনীতিকদের সামনে জুলাই হত্যার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাযজ্ঞ থেকে আওয়ামী লীগের খুনের রাজনীতি শুরু হয়।

গনভোটের প্রস্তাব নিজেরা দিলেও, ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপির মানসিকতা বদলে গিয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শ্যামনগরে জুলাই মাসে পুলিশের অভিযান, পাঁচ লাখ টাকার মাদকসহ গ্রেপ্তার ১৩

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

 

সাতক্ষীরা শ্যামনগর থানা পুলিশ জুলাই মাসজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

শ্যামনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানার উপপরিদর্শকসহ পুলিশের একাধিক দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

 

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ১৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০ টাকা মূল্যের ৭০৩ পিস ইয়াবা এবং ২ লাখ ১৯ হাজার ৬০ টাকা মূল্যের ১৮৩ বোতল কোরেক্স ফেনসিডিল।

 

এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি নম্বরবিহীন কালো রঙের ইয়ামাহা মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও মোটরসাইকেলসহ জব্দ করা মোট সম্পদের বাজারমূল্য দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৬০ টাকা।

 

উপজেলার কাশিমাড়ী, সোয়ালিয়া, আটুলিয়া, নকিপুর, বল্লার টোপ, বংশীপুর, মুন্সিগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশন এলাকা, নওয়াবেঁকী, কৈখালী পরাণপুর, নুরনগর ও মাদিয়া সহ বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়।

 

এসব ঘটনায় শ্যামনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বরগুলো হলো: ১, ১৬, ১৮, ২৭, ৩০, ৩১, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪, ৪৫ ও ৪৬।

 

অভিযান পরিচালনা করেন শ্যামনগর থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আব্বাস আলী, খন্দকার আনোয়ার হোসেন, অনিরুদ্ধ রায়, আসাদুজ্জামান নূর, মোহাম্মদ বিপ্লব হোসেন, চিরঞ্জিত গাইন এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কৈখালী ক্যাম্পের কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান।

 

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ *সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী* বলেন, “মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিক, সামাজিক ও যুবসংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসা ও পাচারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।

শ্যামনগরে জুলাই মাসে পুলিশের অভিযান, পাঁচ লাখ টাকার মাদকসহ গ্রেপ্তার ১৩।

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা ৮০টি হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮০টি হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

 

 

নওগাঁয় উদ্ধার হওয়া হারানো মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে হারিয়ে যাওয়া ৮০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে নওগাঁ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার হওয়া এসব মোবাইল ফোন যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে গত জুলাই ২০২৬ মাসে জেলা পুলিশের আইসিটি শাখা, ক্রাইম শাখা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সমন্বিত প্রচেষ্টায় এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীসহ অর্ধশতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় মোবাইলের মালিকরা জেলা পুলিশের এই জনহিতকর উদ্যোগের জন্য পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

 

অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে মোবাইল ফোন মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। বলা যায়, মোবাইল ফোন এখন মানুষের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলা পুলিশের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় বিভিন্নভাবে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি।

 

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নওগাঁ জেলা পুলিশ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করবে।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

১৬-৮-২০২৭

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা ৮০টি হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

গাজীপুরে ধর্ষণ মামলার আসামী কর্তৃক তরুণীকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি, আদালতে মামলা

 

বিশেষ প্রতিনিধি, গাজীপুর

 

গাজীপুরের কাশিমপুরে আগের ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার না করায় (১৭) বছর বয়সী এক তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে ওই তরুণীকে হত্যা, লাশ গুম অথবা মানব পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁর মা।

 

এ ঘটনায় তরুণীর মা আমেনা বেগম (৫৩) বাদী হয়ে গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৭ ও ৩০ ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার ও নথিতে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ সাতবাড়ী এলাকার মেহেদী হাসান (২১), হৃদয় হাসান (২২), জাহিদুল ইসলাম (৩৮) ও জাকির (৩৮)সহ স্থানীয় আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া সাতক্ষীরার জেলার ডাকাতি, মাদক, পাচার, চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেলসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি মোছা. মাছুরা বেগম (৩৫) ও মো. হাফিজুর রহমানকেও মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে অভিযোগে যুক্ত করা হয়েছে।

 

আগের ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের চাপ,

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রধান আসামি মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে কাশিমপুর থানায় আগে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছিল। মামলাটি বর্তমানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। ওই মামলায় মেহেদী হাসান উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়। এতে আসামিরা আরও ক্ষিপ্ত হন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বাড়ি থেকে তরুণীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ এপ্রিল বিকেলে তরুণী তাঁর মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় আসামিরা বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান এবং অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে রাখেন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নভাবে তাঁর সন্ধান ও উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

ফোনে হত্যার হুমকির অভিযোগ,

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩১ জুলাই মেহেদী হাসান তাঁর মুঠোফোন থেকে তরুণীর মায়ের নম্বরে ফোন করেন। এ সময় ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার না করলে মেয়েকে ফেরত দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম অথবা মানব পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আমেনা বেগম।

 

থানায় অভিযোগ, পরে আদালতে মামলা, ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, অপহরণ ও হুমকির ঘটনা জানিয়ে কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ বা তরুণীকে উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। পরে বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর মা।

 

গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজ তরুণীকে দ্রুত উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

গাজীপুরে ধর্ষণ মামলার আসামী কর্তৃক তরুণীকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি, আদালতে মামলা

নীলফামারীতে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, সম্মাননা পেলেন সফল তিন মাছ চাষী

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’স্লোগানে নীলফামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ শুরু হয়েছে। রবিবার

(১৬ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী শহরের বিভিন্ন

পদক্ষিণ করে। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামানের সভাপতিিত্বে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহসিন রেজা রূপম ও টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিফাত আরা সিমি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শাহিনা বেগম, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুন কুমার মন্ডল। অন্যান্যের মধ্যে কিশোরগঞ্জ উপজেলা চাঁদখানা ইউনিয়নের সফল মৎস্য চাষী সাইফুজ্জামান, সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জাবেদ আলী ও খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের আব্দুল মালেক বক্তব্য দেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মন্ডল জানান, নীলফামারী জেলায় মাছের চাহিদা ৪১ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন আর উৎপাদন হচ্ছে ৩৪ হাজার ৩৬৭ মেট্রিক টন। ঘাটতি পূরণে খাল-বিল-জলাশয়-পুকুর ও নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নার্সারী স্থাপন, জেলেদের প্রশিক্ষণ, মৎস্য গ্রামের মধ্য দিয়ে মাছ চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অনুষ্ঠান শেষে গুণগত মানসম্মত পোনা উৎপাদনে নীলফামারী সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের উত্তর চওড়া গ্রামের বুদারু রায়, গুণগত মানসম্মত কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নে সাইফুজ্জামান এবং সৈয়দপুর উপজেলা শহরের কুনদল এলাকার অভয়াআশ্রম সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত জেলে সংগঠনকে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

নীলফামারীতে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, সম্মাননা পেলেন সফল তিন মাছ চাষী 

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম গাইবান্ধা প্রতিনিধি

রুপালী মৎস স্বনির্ভর দেশ” সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস সপ্তাহ দিবস-২০২৬ এর পালন করা হয়েছে । এই উপলক্ষে রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাশেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তার মার্জানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল,সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মকছুদার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুজ্জামান শহিদ, সরকারি কলেজের অধ্যাপক আব্দুর রশিদ সরকার। এছাড়া জেলার মৎস খামারীরা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় বক্তারা বলেন, দেশে কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য দুর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও রফতানিমুখী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি এ খাত নিয়ে সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যত নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

 

আলোচনা শেষে আগত অতিথিরা মৎস চাষে অবদান রাখায়,চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনসহ মোট ছয়টি ক্যাটাগরিতে জেলার ৬ জন মৎস খামারী কে সনদ ও সম্মননা স্মারক প্রদান করেন।

 

এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে পৌর পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ফেষ্টুন ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপী(১৬-১৮ আগষ্ট) দিবসটির কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক । উদ্বোধন শেষে জেলা পৌর পার্কের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুুক্ত করা হয়।

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারত কোন আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে, সে সিদ্ধান্ত ভারতের নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

সম্প্রতি ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে ভারতের আদালতের অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় তাকে বাংলাদেশে পাঠাবে, তা তাদের বিষয়। আদালতের অনুমোদন নেবে, নাকি সরকারের সিদ্ধান্তে তাকে পাঠাবে—সেটি ভারতর বিষয়।

 

ভারতের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে এর বেশি মন্তব্য করতে চাননি চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, ভারতীয় আইনে এ ধরনের প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, সেটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করার বিষয় নয়।

 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন এবং একটিতে তিনি ইতোমধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাই তাকে দ্রুত দেশে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি নিজেও বলেছেন ডিসেম্বরে তিনি আসবেন। আমরা মনে করি, তাকে এর আগেই ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্টের পাঠানো উচিত।

 

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আইনি ও কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি ভারতের আইন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এবং দুই দেশের পারস্পরিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

শেখ হাসিনাকে কীভাবে ফেরাবে ভারত, সিদ্ধান্ত তাদেরই: চিফ প্রসিকিউটর

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম গাইবান্ধা প্রতিনিধি

রুপালী মৎস স্বনির্ভর দেশ” সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস সপ্তাহ দিবস-২০২৬ এর পালন করা হয়েছে । এই উপলক্ষে রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাশেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তার মার্জানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল,সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মকছুদার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুজ্জামান শহিদ, সরকারি কলেজের অধ্যাপক আব্দুর রশিদ সরকার। এছাড়া জেলার মৎস খামারীরা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় বক্তারা বলেন, দেশে কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য দুর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও রফতানিমুখী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি এ খাত নিয়ে সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যত নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

 

আলোচনা শেষে আগত অতিথিরা মৎস চাষে অবদান রাখায়,চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনসহ মোট ছয়টি ক্যাটাগরিতে জেলার ৬ জন মৎস খামারী কে সনদ ও সম্মননা স্মারক প্রদান করেন।

 

এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে পৌর পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ফেষ্টুন ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপী(১৬-১৮ আগষ্ট) দিবসটির কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক । উদ্বোধন শেষে জেলা পৌর পার্কের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুুক্ত করা হয়।

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

“শ্যামনগরের কৈখালীর রাস্তা সংস্কার না করার প্রতিবাদে রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুব সমা”

মো: জাহাঙ্গীর আলম

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

 

কৈখালী ইউনিয়নের অবহেলিত আলহাজ্ব মরহুম আদম গাজীর কেয়ার রাস্তা নামে পরিচিত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে।

সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটিতে সৃষ্টি হয়েছে প্রচণ্ড কাদার। ফলে পথচারী ও স্থানীয় এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। অবশেষে স্থানীয় যুবক ও এলাকাবাসী ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ হিসেবে রাস্তাটির কাদাময় অংশে ধানের চারা রোপণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

তাদের দাবি, দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী করা হোক। জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

শ্যামনগরের কৈখালীর রাস্তা সংস্কার না করার প্রতিবাদে রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুব সমাজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই বলে মনে করছে সরকার।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একে এম শহীদুল করিম।

 

মুখপাত্র বলেন, ‘তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে উভয় দেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নতুন দিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে।

 

শহীদুল করিম আরও বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ঘাতকদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি। বাংলাদেশ এই জবাবের অপেক্ষায় আছে।’

 

এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীদেরসহ অন্য সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে আমরা আমাদের “বাংলাদেশ ফার্স্ট” (বাংলাদেশ প্রথম) নীতি অব্যাহত রাখব।’

ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র

সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সংকট না থাকলে তারা ঝুঁকি নিয়ে এলপিজি ব্যবহার করতেন না দাবি করে অটোরিকশা চালক দিদার ইসলামের।

 

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় সারা দিনেও গ্যাস পাওয়া যায় না। গাড়ি না চালালে পরিবারের খরচ চলবে কীভাবে? তারমধ্যে রয়েছে কিস্তি। তাই বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করছি।

 

হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, এলপি গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য। সিলিন্ডারে ত্রুটি, অসতর্কতা কিংবা পরিবহনের সময় আগুনের সংস্পর্শে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে যাত্রীবাহী অটোরিকশায় এভাবে সিলিন্ডার বহন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

 

এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের দায়িত্বে নিয়োজিত রাউজান হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তিনি সাড়া দেননি।

মহাসড়কে রান্নার সিলিন্ডারে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d