ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতা এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ব্যাখ্যায় বললেন ‘কৌশলের কারণে ছিলাম - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতা এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ব্যাখ্যায় বললেন ‘কৌশলের কারণে ছিলাম

ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতা এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ব্যাখ্যায় বললেন ‘কৌশলের কারণে ছিলাম

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়।

 

তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দুই যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও এ. এস. এম. সানোয়ার রাব্বী প্রমিসের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

 

জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ-সভাপতি এবং সানোয়ার রাব্বী প্রমিস একই কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ওই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

তবে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে কৌশলে বা পারিপার্শ্বিক কারণে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে আমার উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছাত্রত্ব চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যেতো।

তিনি বলেন, জোর-জবরদস্তি করে মাঝে মাঝে তারা আমাদের প্রোগ্রামে ডেকে নিতো, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভালো করেই জানেন। তবে আমি যে ২০২২, ২০২৪ সাল বা এর আগেও ওপেন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি, তার সমস্ত ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে।

 

অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী জানান, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের সেই কমিটিতে আমাদের আইন অনুষদ থেকে অনেকেরই নাম না জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমার কোন ছবিও কেউ দেখাতে পারবে না।

 

তিনি বলেন, অযাচিতভাবে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে বিভাগেও বিষয়টি জানাই। পরবর্তীতে জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণেই ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো।

 

‎এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলো। পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে।

 

এছাড়া বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগ করতে হতো বলে অনেকের অনিচ্ছায় কিংবা না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়। এসব বিষয় সংশ্লিষ্টরা যাচাই করেই তাকে দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

 

তবে পরবর্তীতে যদি তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখকে ১৮ হাজার টাকা ধার দেন আমিনুর ফকির। পাওনা টাকা মাস খানেকের মধ্যে দেয়ার কথা থাকলেও রাজিব নানা তালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করেন। টাকা দেয়ার কথা বলে শনিবার রাতে তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডাকে নেন আমিনুরকে।

আমিনুর তার ভাই আলিনুরকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। পাওনা টাকা চাওয়ায় সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় রাজিব ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলিনুর ও তার ভাই আমিনুরের ওপর হামলা করে। হামলায় আলিনুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুই ভাইকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. স্মিথ মিয়া।

 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। আক্রান্তের তালিকায় এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু। প্রতি পাঁচজন রোগীর একজনই ১৫ বছরের কম বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, গত ২৫ বছরেও ঢাকায় কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ঢাকার বাইরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরো সীমিত হওয়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন হবে।

 

এরই মধ্যে হাসপাতালের বেডে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। উদ্বেগের নতুন কারণ—শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৭০ জন। মারা গেছেন ৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশই ১৫ বছরের কম বয়সী।

 

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজসহ রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পজিটিভ নিয়ে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুরের ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র তৌহিদুল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। তার হাতে ক্যানুলা। শিশু তৌহিদুল বাবাকে প্রশ্ন করছে—কবে সে বাড়ি ফিরতে পারবে।

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আকিব। তার ধারণা, সে গোসল করতে গিয়ে এডিস মশার কামড় খেয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এই শিশু জানায়, তার আর হাসপাতালে থাকতে ভালো লাগছে না।

 

এদিকে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন হৃদয়। এই সময়ের মধ্যেই বাবাও হয়েছেন তিনি। এখন স্ত্রী, নবজাতক ও স্বজনদের নিয়ে হাসপাতালে সময় কাটছে তার।

 

রোগীর সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিশু ও কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৯৯ জন। যা মোট রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মস্থলে নিয়মিত যাতায়াত, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বিস্তারই সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ।

 

ডেঙ্গুর এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার গল্প নয়। এর প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি কর্মজীবন কিংবা একটি শিশুর অসুস্থতার করুণ গল্প। তাই হাসপাতালের চিকিৎসার পাশাপাশি মশার উৎস ধ্বংস করাকেই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, শিশুদের নিয়ে ভয় বিশেষজ্ঞদের

তথ্য বিকৃত করে ট্রল ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ও বিভ্রান্তি একটি সুন্দর ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পথে বড় অন্তরায়।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তবে এ প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপতথ্য ছড়িয়ে বিশেষ করে তরুণদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, গুজব ও বিকৃত তথ্যের পরিবর্তে সত্য ও ইতিবাচক তথ্যের চর্চা বাড়াতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

এর আগে শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক গ্রন্থাগার এবং কম্পিউটার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের সম্ভাব্য সময় থাকলেও তা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে ফল প্রকাশের নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে। তবে নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ না হলেও চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার (১৮ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘২০ জুলাই ফল প্রকাশ সম্ভব হচ্ছে না। এইচএসসি নিয়ে নানান জটিলতার কারণে আমরা ফলাফল প্রস্তুত করতে পারিনি। আমরা মাসের শেষের দিকে ফলাফল প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

 

এ মাসেই ফলাফল প্রকাশ হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সবকিছু প্রস্তুত করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় আমাদের জন্য তা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

 

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একাধিকবার জানিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। এদিকে, ফল প্রকাশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী কাজও চলছে। তবে সোমবার ফল প্রকাশ হচ্ছে না।

 

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এসএসসি ও সমমানের ফল প্রস্তুত করতে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২০ জুলাইকে লক্ষ্য করেই কাজ চলছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে কয়েকদিন দেরি হতে পারে।’

জানা গেছে, সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

 

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী অংশ নিতে ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিল পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে পুলিশের কাছে না দিয়ে ব্যতিক্রমী উপায়ে ‘শাস্তি’ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে তওবা করানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফকির আস্তানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিমের (৩৫) বিরুদ্ধে একটি মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।

 

পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে নিজের ভুল স্বীকার করে তওবা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়। ভবিষ্যতে চুরি বা অন্য কোনো অপরাধে জড়াবেন না—এ মর্মে তার কাছ থেকে অঙ্গীকারও নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহাম্মদ খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। শুক্রবার মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির চেষ্টা করলে স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে হাতেনাতে আটক করেন। আমাদের উদ্দেশ্য তাকে অপমান করা নয়, বরং সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া। তাই তার কাছ থেকে তওবা করিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়েছে।’

 

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমাদের কেউ অবহিত করেননি। তবে চুরির অভিযোগে কাউকে আটক করা হলে তাকে অবশ্যই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই।’

পুলিশে নয়, ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে দিলেন ‘শাস্তি’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মাহামুদুর রহমান সৈকত (ডাকনাম টুনা)কে নিয়ে তার বোনের লেখা একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পোস্টটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই শহীদ সৈকতকে স্মরণ করে পোস্টটি শেয়ার করছেন।

 

পরিবারের দাবি, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোড এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন মাহামুদুর রহমান সৈকত। পরে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের ভাষ্য, গুলিটি তার মাথায় আঘাত করে।

 

জুলাই আন্দোলনের সময় দেওয়া সেই পোস্টে সৈকতের বোন লিখেছিলেন, ‘ছবির ছেলেটা আমার ভাই। আমাদের দুই বোনের একমাত্র আদরের ভাই। আমরা ওকে কতটা ভালোবাসতাম, সেটা হয়তো আর কখনো বলা হবে না।’

 

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, ছোটবেলায় পরিবারের সবাই তাকে ‘টুনা’ নামে ডাকতেন। বয়স বাড়লেও পরিবারের কাছে তিনি ‘টুনা’ই ছিলেন। জন্মদিন ঘনিয়ে এলেই কেক নিয়ে নানা আবদার করতেন। তার উপস্থিতিতে পরিবারের প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আনন্দে ভরা।

 

ভাইকে হারানোর বেদনার কথা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘এখন বুকে শুধু হাহাকার। মনে হয় কী যেন নেই। আমাদের কলিজাকে গুলি করে মারা হয়েছে। আমার ফুলের মতো ভাইটাকে ঠান্ডা মাথায় মাথায় গুলি করা হয়েছে। বাবার কাঁধে সন্তানের লাশের চেয়ে ভারী এই পৃথিবীতে আর কিছু আছে?’

 

বিচারের আকুতি জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘বিচার কাকে দেব? আল্লাহর কাছেই বিচার দিলাম। আমার আল্লাহ কখনো কারও সঙ্গে অবিচার করেন না। হাশরের ময়দানে বিচার করবেন আমার আল্লাহ।’

 

ভাইয়ের মানবিকতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। পোস্টে লেখেন, ‘আমার ছোট্ট ভাইটা নির্দোষ ছিল। সে বীরের মতো একজন বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়েছিল। কারণ, আমাদের পারিবারিক শিক্ষা ছিল—বিপদে কাউকে দেখলে সাহায্য করতে হয়।’

 

আরও লেখেন, ‘কখনো আর ভাইকে দেখতে পারব না, জড়িয়ে ধরতে পারব না, গালে-কপালে চুমু দিতে পারব না। আর কখনো বলতে পারব না—“টুনা, পানি দে”, “টুনা, কয়েলটা ধরিয়ে দে”।’

 

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘আমার ভাই শহীদ। শুক্রবার বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে তার মাথায় গুলি করা হয়েছে। সবাইকে জানাতে চাই, আমার ভাই শহীদ ও নিষ্পাপ। সে কখনো কারও ক্ষতি করেনি।’

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পোস্টটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই পোস্টটি শেয়ার করে শহীদ সৈকতের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছেন।

জুলাইয়ে নিহত সৈকতকে নিয়ে বোনের আবেগঘন পোস্ট ফের ভাইরাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখকে ১৮ হাজার টাকা ধার দেন আমিনুর ফকির। পাওনা টাকা মাস খানেকের মধ্যে দেয়ার কথা থাকলেও রাজিব নানা তালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করেন। টাকা দেয়ার কথা বলে শনিবার রাতে তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডাকে নেন আমিনুরকে।

আমিনুর তার ভাই আলিনুরকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। পাওনা টাকা চাওয়ায় সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় রাজিব ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলিনুর ও তার ভাই আমিনুরের ওপর হামলা করে। হামলায় আলিনুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুই ভাইকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. স্মিথ মিয়া।

 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে গেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফলে ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিততে এখন মেসির সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন সমীকরণ।

 

বর্তমানে টুর্নামেন্টে এমবাপ্পের গোল ১০টি, সঙ্গে রয়েছে ৪টি অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে, মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। অর্থাৎ গোলসংখ্যায় দুই গোল পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পে দুটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন। সেই সঙ্গে সব বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোল দাঁড়ায় ২২টি, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড।

 

এ অবস্থায় গোল্ডেন বুট জিততে হলে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসিকে অন্তত দুটি গোল করতে হবে, যাতে তিনি এমবাপ্পের সমান ১০ গোলে পৌঁছাতে পারেন। তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও বিজয়ী নির্ধারণে অ্যাসিস্ট ও অন্যান্য টাইব্রেকার বিবেচনায় আসতে পারে। বর্তমানে দুইজনেরই অ্যাসিস্ট সমান ৪টি। তাই শুধু সমতায় ফিরলেই হবে না, প্রয়োজনে টাইব্রেকারেও এগিয়ে থাকতে হবে মেসিকে।

 

ফাইনালই হবে মেসির শেষ সুযোগ। স্পেনের বিপক্ষে তিনি গোল করতে পারলে শুধু আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাই বাড়বে না, ব্যক্তিগতভাবে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়েও টিকে থাকবেন। ফলে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দিকেও থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের বাড়তি নজর।

গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে যে কঠিন সমীকরণ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

 

রোববার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে দুই দল।

 

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

 

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অপরাজিত থাকা আর্জেন্টিনা ফাইনালেও পরীক্ষিত কৌশলেই খেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্কালোনি বরাবরের মতো ৪-৪-২ ফরমেশনেই দল সাজানোর সম্ভাবনা বেশি। গোলপোস্টে থাকবেন নির্ভরযোগ্য এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। চার সদস্যের রক্ষণভাগে দেখা যেতে পারে নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে।

 

মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ওপর থাকবে খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দায়িত্ব। এই চার ফুটবলারের সমন্বয়ই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডকে শক্তিশালী করে তুলেছে পুরো টুর্নামেন্টে।

 

আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গী হিসেবে থাকবেন হুলিয়ান আলভারেজ। চলতি বিশ্বকাপে মেসি ইতোমধ্যে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে ফাইনালে ওঠার পথে বড় অবদান রেখেছেন আলভারেজও।

 

স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ– গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তালিয়াফিকো। মিডফিল্ডার: রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ

 

ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী : ১৮/জুলাই/২০২৬ নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া দোলার পাড় নামক স্থান থেকে কমর চন্দ্র রায় (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই এলাকার একটি আদা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত কমল চন্দ্র কচুকাটা বন্দর পাড়া গ্রামের বীরেণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কবিরাজ। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নিহত কমল চন্দ্র শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে স্থানীয় লোকজন আদা ক্ষেতের নালায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। নীলফামারী সদর থানার (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহটি মাটিতে উপুড় হয়ে

সোয়া ছিল। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারির ডিমলা উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসা গাফিলতিতে মেয়ে রাবিবনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার বাবার রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে, শনিবার

(১৮ জুলাই) নীলফামারী শহরের একটি সাংবাদিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের ৮ আগস্ট

প্রসবজনিত কারণে তার মেয়ে রাবিবনা আক্তার কে ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সিজারিয়ান অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রসূতি ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিশেষ করে রাবিবনা তীব্র পেট ব্যথা শুরু হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ১১ আগস্ট তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বলেন,রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা পূর্ণরায় আরো অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন কিন্তু ওই সময় ডিমলা স্কোয়ার ক্লিনিক এর মালিক ও ব্যবস্থাপক বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন। যে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়েছে, সেখানে অপারেশন না করার জন্য তারা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন অভিযোগ করেন তিনি। এতে

অস্ত্রোপাচার করতে বিলম্ব হয়। রবিউল ইসলাম আরও বলেন, পরে গোপনে রংপুরের তালুকদার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার মেয়ের পেটের ‘নার’ এর একটি বড় অংশ পচে গিয়েছে। রাব্বিনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

তার দাবি, ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসার কারণে সিজারের সময় ‘নার’ পেঁচিয়ে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল রাব্বিনার আক্তারের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও ওই ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আদৌ বরং

ইউএনও ব্যবস্থা নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন অভিযোগ করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে আমার মেয়ের ‘নার’ নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোন প্রস্তুতি চিকিৎসার গাফিলতির শিকার না হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক সফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এক বছর আগের ঘটনা আমার বিষয়টি সঠিক জানা নেই। আমার ক্লিনিক ও রংপুরের ক্লিনিকের রিপোর্ট কি আছে সেটা দেখতে হবে।

অপারেশনতো আমি করি নাই চিকিৎসক বলতে পারবে। জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান বলেন, আমি কি করতে পারি। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ তারপরও বিষয়টি আমি দেখবো।

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। আক্রান্তের তালিকায় এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু। প্রতি পাঁচজন রোগীর একজনই ১৫ বছরের কম বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, গত ২৫ বছরেও ঢাকায় কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ঢাকার বাইরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরো সীমিত হওয়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন হবে।

 

এরই মধ্যে হাসপাতালের বেডে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। উদ্বেগের নতুন কারণ—শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৭০ জন। মারা গেছেন ৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশই ১৫ বছরের কম বয়সী।

 

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজসহ রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পজিটিভ নিয়ে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুরের ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র তৌহিদুল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। তার হাতে ক্যানুলা। শিশু তৌহিদুল বাবাকে প্রশ্ন করছে—কবে সে বাড়ি ফিরতে পারবে।

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আকিব। তার ধারণা, সে গোসল করতে গিয়ে এডিস মশার কামড় খেয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এই শিশু জানায়, তার আর হাসপাতালে থাকতে ভালো লাগছে না।

 

এদিকে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন হৃদয়। এই সময়ের মধ্যেই বাবাও হয়েছেন তিনি। এখন স্ত্রী, নবজাতক ও স্বজনদের নিয়ে হাসপাতালে সময় কাটছে তার।

 

রোগীর সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিশু ও কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৯৯ জন। যা মোট রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মস্থলে নিয়মিত যাতায়াত, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বিস্তারই সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ।

 

ডেঙ্গুর এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার গল্প নয়। এর প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি কর্মজীবন কিংবা একটি শিশুর অসুস্থতার করুণ গল্প। তাই হাসপাতালের চিকিৎসার পাশাপাশি মশার উৎস ধ্বংস করাকেই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, শিশুদের নিয়ে ভয় বিশেষজ্ঞদের

তথ্য বিকৃত করে ট্রল ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ও বিভ্রান্তি একটি সুন্দর ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পথে বড় অন্তরায়।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তবে এ প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপতথ্য ছড়িয়ে বিশেষ করে তরুণদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, গুজব ও বিকৃত তথ্যের পরিবর্তে সত্য ও ইতিবাচক তথ্যের চর্চা বাড়াতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

এর আগে শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক গ্রন্থাগার এবং কম্পিউটার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের লড়াই শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এই ম্যাচ বিশেষ এক আবেগ তৈরি করেছে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিবারেও। কারণ তার জীবনের বড় একটি অধ্যায় জড়িয়ে আছে স্পেনের সঙ্গে। স্ত্রী স্প্যানিশ, দুই সন্তানের জন্মও স্পেনে। ফলে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে পরিবারের একাংশের সমর্থন থাকবে স্পেনের পক্ষে, আর অন্য অংশ থাকবে আর্জেন্টিনার পাশে।

 

ফাইনালের আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে স্কালোনি জানান, স্ত্রী ও দুই ছেলে অবশ্যই আর্জেন্টিনাকেই সমর্থন করবে। তার ভাষায়, জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কতটা চাপ, পরিশ্রম ও আবেগের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেটা তার স্ত্রী খুব ভালো করেই বোঝেন। সন্তানরাও সেই বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত।

 

২০০৮ সালে ইতালির লাৎসিও ছেড়ে স্প্যানিশ ক্লাব মায়োর্কায় যোগ দেওয়ার পর এলিসা মন্তেরোর সঙ্গে পরিচয় হয় স্কালোনির। পরে তাদের সংসার গড়ে ওঠে। ২০১২ সালে বড় ছেলে ইয়ান এবং ২০১৬ সালে ছোট ছেলে নোয়ার জন্ম হয় মায়োর্কাতেই। জন্মসূত্রে স্প্যানিশ নাগরিক হলেও, দুই সন্তান বাবার দেশ আর্জেন্টিনারই সমর্থক।

 

২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয়ের পর আর্জেন্টিনার উদ্‌যাপনে স্কালোনির দুই ছেলেকে আকাশি-সাদা জার্সি পরে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা গিয়েছিল। সেই স্মৃতিই ইঙ্গিত দেয়, ফাইনালেও তাদের পছন্দের দল কোনটি।

 

তবে স্কালোনির শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের অবস্থান ভিন্ন। তাদের সবার বসবাস স্পেনের মায়োর্কায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তারা স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষায় থাকবেন।

 

এ প্রসঙ্গে স্কালোনি বলেন, মায়োর্কায় থাকা আত্মীয়দের জন্য পরিস্থিতি সহজ নয়। একদিকে নিজের দেশের প্রতি সমর্থন, অন্যদিকে পরিবারের সম্পর্ক—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে নেওয়াটাই তাঁদের জন্য সবচেয়ে কঠিন।

 

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বসেরার মুকুট ফিরে পেতে মাঠে নামবে স্পেন। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি স্কালোনির পরিবারের আবেগও হয়ে উঠেছে এই ফাইনালের এক অনন্য গল্প।

ফাইনালের আগে স্কালোনির নিজ ঘরেই দ্বন্দ্ব!

বিগত ১৭ বছরে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের ওপর আরোপিত বিভিন্ন কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বললেন, ‘গণমাধ্যম পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে চলছে। তবে কিছু মোবাইল সাংবাদিক অপসাংবাদিকতা করছে। সাম্প্রতিক আন্দোলনকে যারা উস্কে দিয়েছে। যারা এমনটা করছে, তাদের বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। আজ শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।

 

এতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্য সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

 

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু….

 

মোঃআশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নম্বর চাড়োল ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মোস্তাকিম (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিম ওই গ্রামের মজিবর রহমানের একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেলাধুলার একপর্যায়ে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় মোস্তাকিম। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। এ ঘটনায় শাহবাজপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

বর্ষা মৌসুমে পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকলে এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃ’ত্যু

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d