স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৩ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৩

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৩

ভোলার বোরহানউদ্দিনে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণের অভিযোগে করা মামলায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (০৫ আগস্ট) দুপুরে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাহাত (১৭), জিসান (১৬) ও ইমন (১৭)। তারা সবাই ওই উপজেলার বাসিন্দা।

 

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বোরহানউদ্দিন উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল স্থানীয় কয়েকজন কিশোর। কিন্তু তাদের প্রস্তাবে রাজি হচ্ছিল না ওই শিক্ষার্থী।

 

পরে গত ২৬ জুলাই দুপুরে বিদ্যালয় বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে জিহাদ নামের এক কিশোর ওই স্কুলছাত্রীকে কৌশলে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তারা ৫ জন ওই ছাত্রীর মুখ চেপে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের পুরো ঘটনা জানায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।

 

এরপর আজ সকালে ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা করেন। মামলা করার পর দুপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে।

 

ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, আজ দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে। অভিযুক্তরা যেহেতু অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাই তাদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, ভিটেছাড়া করার হুমকি।

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গার্মেন্টস কর্মীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী যুবক শরিফুলের বিরুদ্ধে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।

 

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী নাপিত পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম (৩০) ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী নাপিত পাড়া এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী রুমানা (২২) (ছন্দনাম) ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত এবং ছুটির সুবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ গ্রামে বাড়ীর পাশে শরিফুল (৩০) নামে এক যুবকের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে ওই যুবক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে এবং নিজ বাড়ীতে একাধিকবার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

 

এ সময় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন রুমানা। পরে প্রেমিক শরিফুলের চাপে বাচ্চাটি নষ্ট করতে বাধ্য হন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই গার্মেন্টস কর্মী বিয়ের জন্য চাপ দিলে যুবকটি অস্বীকৃতি জানায় এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

 

নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিজের পরিবারকে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত যুবক ও তার পরিবারের প্রভাবশালী সদস্যরা ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনাটি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করতে চাইলে তরুণীর পরিবারকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং ভিটেমাটি ছাড়া করার সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর থেকে লোকলজ্জা ও চরম নিরাপত্তার অভাবে ভুক্তভোগী পরিবারটি অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটান।

 

পরে ঘটনাটি বাড়া না করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, মেয়ের মামা আব্দুল মালেক, স্থানীয়

মাতব্বর মানিক, কুরবান আলী, গত বুধবার রাতারাতি জোরপূর্বক ৮৩ হাজার টাকা দিয়ে আপোষ করার চেষ্টা করেন।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি টাকার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

 

পরবর্তী সময় মেয়ের মামা আব্দুল মালেক স্থানীয় এক নেতা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করার জন্য ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ২০ হাজার টাকা নেন।

 

এ ঘটনায় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম এর বাড়ীতে গেলে জানা যায় সে বাড়ীতে নেই।

 

মেয়ের মামা আব্দুল মালেক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

 

আইনি ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া:

আইনজীবীদের মতে, বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী বিয়ের মিথ্যা প্রলোভনে সম্মতি আদায় করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা সরাসরি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। তাছাড়া মামলা করতে বাধা দেওয়া বা ভিটেছাড়া করার হুমকি দেওয়া ফৌজদারি অপরাধের শামিল।

 

মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে আসামিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, কর্মজীবী নারীদের এভাবে ফাঁদে ফেলে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে পরিবারকে সমাজচ্যুত বা ভিটেছাড়া করার হুমকি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

 

ভুক্তভোগী পরিবারটি স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

 

এ বিষয়ে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী  জানান, এই ধরনের কোন ঘটনা আমরা জানি না এবং কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, ভিটেছাড়া করার হুমকি

মানিকগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ পিতা আটক

 

মোঃ আতিকুর রহমান আশিক মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

 

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ পিতাকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন তিনি। এতদিন হুমকির মুখে ঘটনাটি কাউকে জানাতে পারেনি শিশুটি।

 

আজ সোমবার মায়ের কাছে বিষয়টি প্রকাশ পেলে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও স্ত্রীর আগের ঘরের ১১ বছরের মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন জুলহাস নামের এক মিলশ্রমিক।

 

অভিযোগ, গত রোববার সকালে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এর আগেও পাঁচ থেকে ছয়বার একইভাবে তাকে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে শিশুটি জানিয়েছে। অভিযুক্তের হুমকির কারণে এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিল সে। সোমবার সকালে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। পরে মা তার মেয়েকে নিয়ে স্থানীয় বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টুর কাছে যান। চেয়ারম্যান বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘিওর থানায় জানান।

 

বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টু বলেন, ভুক্তভোগী শিশু ও তার মা পরিষদে এসে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো হয়। শিশুটির মা বলেন, তাঁর স্বামী যে এমন জঘন্য কাজ করতে পারেন, তা তিনি কখনো কল্পনাও করেননি। ভয় দেখানোর কারণে মেয়েটি এতদিন কাউকে কিছু বলতে পারেনি। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

 

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্ত জুলহাসকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

মানিকগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে সৎ পিতা আটক 

যশোরের চৌগাছায় দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আরাফাত হোসেন রাব্বি নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্তকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হেফাজতে নেয়।

গ্রেপ্তারকৃত ২২ বছর বয়সী আরাফাত হোসেন রাব্বি স্থানীয় চৌগাছা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মামলার বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কাজের সহযোগিতার জন্য প্রতিবেশী সম্পর্কের মামাতো ভাই রাব্বির দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে বিষয়টি অবগত থাকা সত্ত্বেও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাব্বি ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে চৌগাছা শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীকে ভুল বুঝিয়ে চৌগাছা পৌরসভার আওতাধীন এক পরিচিত ব্যক্তির বাসায় নিয়ে যান রাব্বি। সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়া ওই শিক্ষার্থী পরবর্তীতে নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে পুরো বিষয়টি তার মা-বাবার কাছে প্রকাশ করেন। ঘটনা জানার পর পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় উপস্থিত হন এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

অভিযোগটি পাওয়ার পরপরই চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রাব্বিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত এজাহারের ভিত্তিতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আগামীকাল (রোববার) যশোর আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার বিষয়ে অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এনআইডি করে দেওয়ার কথা বলে তরু/ণীকে ধ/ র্ষ/ণের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় বরিশাল জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নয়ন সরকার জয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে বরিশাল নগরীর কাউনিয়া প্রথম গলির বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী এক তরুণী।

 

নয়ন সরকার জয় বরগুনা জেলার বাসিন্দা নারায়ণ সরকারের ছেলে ও বরিশাল জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি। তিনি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া প্রথম গলিতে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন এবং বিএম কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

 

মামলার অভিযোগে তরুণী উল্লেখ করেন, জয়ের সঙ্গে ২০২৪ সালে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। এরপর তিনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। গত ছয় মাস ধরে বিয়ের কথা বললে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে এখন লাপাত্তা রয়েছেন নয়ন। তার মা আমাকে বউ হিসাবে মেনে নেবেন না বলে জানিয়েছেন।

 

তরুণীর অভিযোগ, গ্রেফতারের আগে জয় পলাতক অবস্থায় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়া মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন।

 

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন ইসলাম বলেন, ধর্ষণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে নয়ন সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ধর্ষণ মামলায় বরিশাল ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি গ্রেফতার

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় বসতঘরের জানালা ভেঙে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা দুই অভিযুক্তকে মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

 

ভুক্তভোগী কিশোরীর খালা অভিযোগ করেন, কিশোরীর মা তার দাদির চোখের চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে ছিলেন। বাড়িতে কিশোরীর অপর বোন ও ছোট ভাই সাথে ছিল। রাত ১টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরটি ঘিরে ফেলে। দুর্বৃত্তরা প্রথমে দরজা খোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তবে ভেতর থেকে দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানালে দুর্বৃত্তরা ঘরের জানালা ভেঙে কিশোরীকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায়।

 

এ সময় স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সশস্ত্র দলটি তাদের ওপর হামলার হুমকি দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে পাশের গ্রামের একটি পুকুরের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তিন যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

ওই এলাকার বাসিন্দাদের সুত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভুক্তভোগী কিশোরী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা কিশোরীকে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে মোটরসাইকেলসহ আটক করে গণপিটুনি দিয়ে তাদের সদরপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। আটকৃতরা হলেন, হেলাল মৃধা (২০) ও রইস শিকদার (১৬)।

 

ভুক্তভোগীও জানালেন, প্রথমে দরজা খুলতে বললে খোলা না হলে পরে জানালা ভেঙে একটা ছেলেকে ঘরে ডুকিয়ে দেওয়া হয়। পরে ওই ছেলে দরজা খুলে দেয়। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের কয়েকজন আগে থেকেই স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বিরক্ত করতো বলেও জানিয়েছে সে।

 

এই ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামছুল আজম বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ফরিদপুরে রাতে বাড়ির জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, সংঘবদ্ধ ধ/র্ষ/ণের অভিযোগ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী যুবতীকে (২১) জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। ভুক্তভোগী যুবতি বর্তমানে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আছেন বলে মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ নোয়াখালীতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেছেন।

 

বৃহস্পতিবার ( ৩০ জুলাই ) দুপুরে ভুক্তভোগীর মা জাহানারা বেগম (৪৭) বাদী হয়ে ট্রাইব্যুনালে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় কবিরহাটের চর এলাহি ইউনিয়নের চর যাত্রা গ্রামের মোস্তফার ছেলে মোঃ ইউছুফকে (২৫) প্রধান আসামি করা হয়েছে।

 

জানা যায়, ভুক্তভোগীর মা জাহানারা বেগম একজন হতদরিদ্র ও বিধবা নারী। তার এক মেয়ে বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ভিক্ষাবৃত্তি ও অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে বাদী মাঝে মাঝে তার প্রতিবন্ধী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১০ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে খাস মন্ডলিয়া বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে একটি সুপারি বাগানের পাশে ইউছুফ ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী যুবতীর মুখে গামছা চেপে ধরে টেনে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।ঘটনা কাউকে জানালে ভুক্তভোগী ও তার মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় ইউছুপ। পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন ও টাকা-পয়সার লোভ দেখিয়ে আরও একাধিকবার ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করা হয়।

 

এ দিকে মেয়েটির মা জাহানারা বেগম তার শারীরিক পরিবর্তন দেখে স্থানীয় ফার্মেসী ও পরবর্তীতে মাইজদী একটি বেসরকারি হাসপাতালে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করলে ভুক্তভোগী যুবতী ২৮ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকরা জানান।

 

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা আসামির বিচারের দাবিতে গত ২৩ জুলাই খাস মন্ডলিয়া বাজারে একটি মানববন্ধন আয়োজন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল আসামিকে রক্ষায় ভুক্তভোগীর পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তাদের হুমকি ধমকি দিয়ে এ ঘটনায় প্রকৃত আসামীকে রক্ষা করতে বিভিন্ন ব্যাক্তিকে জড়িয়ে বিচারকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

 

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগীর মা গত ২৯ জুলাই কবিরহাট থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। এর প্রেক্ষিতে ৩০ জুলাই নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০২-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধারায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

 

ভুক্তভোগীর সঠিক চিকিৎসা সংক্রান্ত ও প্রসূতি অবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা এবং গর্ভের সন্তানের পিতৃত্ব নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আদালত বাদী পক্ষের পিটিশনের ভিত্তিতে কবিরহাট থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন আদালত। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ নোয়াখালীর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌসী আদালতে এই নির্দেশ প্রদান করেন।

 

নোয়াখালী জজ আদালতের আইনজীবী মোহাম্মদ শামসুল আলম শাফি জানান, ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী হওয়ায় এবং হতদরিদ্র পরিবারের হওয়ায় বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেন তারা। ভুক্তভোগী পরিবার এর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টিকে অন্য খাতে নেয়ার চেষ্টা চালান।

বাকপ্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ করে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, আদালতে মামলা দায়ের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, ভিটেছাড়া করার হুমকি।

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গার্মেন্টস কর্মীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী যুবক শরিফুলের বিরুদ্ধে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।

 

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী নাপিত পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম (৩০) ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী নাপিত পাড়া এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।

 

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী রুমানা (২২) (ছন্দনাম) ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত এবং ছুটির সুবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ গ্রামে বাড়ীর পাশে শরিফুল (৩০) নামে এক যুবকের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে ওই যুবক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে এবং নিজ বাড়ীতে একাধিকবার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

 

এ সময় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন রুমানা। পরে প্রেমিক শরিফুলের চাপে বাচ্চাটি নষ্ট করতে বাধ্য হন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই গার্মেন্টস কর্মী বিয়ের জন্য চাপ দিলে যুবকটি অস্বীকৃতি জানায় এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

 

নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিজের পরিবারকে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত যুবক ও তার পরিবারের প্রভাবশালী সদস্যরা ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে চড়াও হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনাটি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ বা মামলা করতে চাইলে তরুণীর পরিবারকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং ভিটেমাটি ছাড়া করার সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর থেকে লোকলজ্জা ও চরম নিরাপত্তার অভাবে ভুক্তভোগী পরিবারটি অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটান।

 

পরে ঘটনাটি বাড়া না করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, মেয়ের মামা আব্দুল মালেক, স্থানীয়

মাতব্বর মানিক, কুরবান আলী, গত বুধবার রাতারাতি জোরপূর্বক ৮৩ হাজার টাকা দিয়ে আপোষ করার চেষ্টা করেন।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি টাকার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

 

পরবর্তী সময় মেয়ের মামা আব্দুল মালেক স্থানীয় এক নেতা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করার জন্য ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ২০ হাজার টাকা নেন।

 

এ ঘটনায় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম এর বাড়ীতে গেলে জানা যায় সে বাড়ীতে নেই।

 

মেয়ের মামা আব্দুল মালেক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

 

আইনি ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া:

আইনজীবীদের মতে, বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী বিয়ের মিথ্যা প্রলোভনে সম্মতি আদায় করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা সরাসরি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। তাছাড়া মামলা করতে বাধা দেওয়া বা ভিটেছাড়া করার হুমকি দেওয়া ফৌজদারি অপরাধের শামিল।

 

মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে আসামিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, কর্মজীবী নারীদের এভাবে ফাঁদে ফেলে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে পরিবারকে সমাজচ্যুত বা ভিটেছাড়া করার হুমকি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

 

ভুক্তভোগী পরিবারটি স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

 

এ বিষয়ে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী  জানান, এই ধরনের কোন ঘটনা আমরা জানি না এবং কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের প্রলোভনে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ, ভিটেছাড়া করার হুমকি

সাভারের বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের তেঁতুলঝোড়া মোড় এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার।

উক্ত অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে ছিলেন আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ঢাকা জেলা যুবদল নেতা ইয়ার মোঃ ইয়াছিন সরকার শাওন। উক্ত দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ এলাকার সাধারণ জনগণ অংশ নেন। উক্ত দোয়া মাহফিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়, এবং সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

সাভারের বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

আতিকুর রহমান আশিক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব এস এ কবির জিন্নাহ।

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল আলম খান লোদী, সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান, আব্দুল বাতেন,মোঃ মোতালেব হোসেন,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার, কৃষক দলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সালাম বাদল, যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক আহমেদ দিপু, সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এডভোকেট জিন্নাহ খান, ছাত্র দলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান এবং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

 

অনুষ্ঠান শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে (বিএসপিআই) একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

বিএসপিআই সূত্র জানায়, ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা মূলত দুটি ফোরামে বিভক্ত। এর একটি ফোরাম গঠিত হয়েছে কক্সবাজার জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে। আরেকটি অন্য সব জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে। গতকাল রাতে সংঘর্ষে জড়ানো দুটি পক্ষ মূলত ওই দুই ফোরামের। তবে কী কারণে সংঘর্ষ হয়েছে ও ফেসবুক স্ট্যাটাসে কী ছিল, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

আহত ১২ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন কক্সবাজার জেলার। তারা হলেন হোসেন নুর আবিদ, মোস্তফা ওবায়দুল, তাকবির হাবিব, আরাফাত আবির ও মো. ইমরান। আর অন্যরা ভিন্ন ভিন্ন জেলার। তারা হলেন আবদুল্লাহ আল তৌসিফ, আল আমিন, আদিত্য রায়, মো. হাসান খন্দকার, মেহেরাব হোছাইন, মো. মোস্তাকিম ও তারেক হোছাইন।

 

সংঘর্ষের পর রাতেই বিএসপিআই কর্তৃপক্ষ আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। জানতে চাইলে ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনাটি সত্যি। ঘটনাটি তদন্তে অটোমোবাইল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ।’

 

সংঘর্ষের খবর পেয়ে রাতেই কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানতে চাইলে শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।’

 

ইনস্টিটিউটের হোস্টেল সুপার আবদুল মান্নান বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুটি পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এখন ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

রাঙামাটিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১২

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে জাহাজ কাটার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

 

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসন ও পক্ষ থেকে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড মালিকদের সংগঠন বিএসবিআরএ এর পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন গঠিত ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি কারও গাফিলতি বা দায় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশসহ সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

এদিকে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শনে যান শিল্প সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা জানান, জাহাজটিতে ২১.৯ পিপিএম হাইড্রোজেন সালফাইডের অস্তিত্ব পেয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর, যা খুব বিষাক্ত।

 

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে জাহাজ কাটার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে নিহত ৯ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারীসহ গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরের পর হাতীবান্ধা উপজেলার সোনালী ব্যাংক সূচনা চত্বর এলাকায় হিরোন মটরস শোরুম সংলগ্ন ঢাকা-বুড়িমারী মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন- হাতীবান্ধার বড়খাতা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সারডুবি এলাকার জহুরুল (৫০) এবং সিঙ্গিমারী এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুল জলিল (৫০)।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা মেট্রো-ট ১২-৫৪৮২ নম্বরের ট্রাকটি হাতীবান্ধার সোনালী ব্যাংক সূচনা চত্বর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বড়খাতা হয়ে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে সজোরে চাপা দেয়। পরে ট্রাকটি অটোরিকশাটিকে টেনেছেঁচড়ে বেশ কিছু দূর নিয়ে গিয়ে সড়কের পাশে থাকা ‘হিরোন মটরস’ মোটরসাইকেলের শো-রুমে ঢুকে পড়ে।

এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। শো-রুমে থাকা কয়েকটি মোটরসাইকেলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

 

হাতীবান্ধা থানার ওসি আশরাফুজ্জামান সরকার জানান, এ ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। অটোরিকশায় থাকা এক নারীসহ আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি আটক করেছে স্থানীয়রা। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে টেনেহিঁচড়ে শো-রুমে ঢুকে পড়লো ট্রাক, নিহত ২

কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও অনৈতিক ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর ভূঁইয়া বাড়ির হোসেনপুর পশ্চিম ও উত্তরপাড়া নূরে মদিনা মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

 

আটক ব্যক্তি হাফেজ মাওলানা মো. মিজানুর রহমান (৫০)। তিনি ওই মাদ্রাসার সুপার এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। তার বাড়ি বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর ইউনিয়নের পোমতলা গ্রামে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা মিজানুর রহমানকে মারধর করে মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে আটকে রাখেন। পরে কয়েকজন তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করলে স্থানীয়রা ধাওয়া করে চরবাকর-হোসেনপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করেন এবং গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দেন।

 

কমপ্লেক্সের বাবুর্চি মো. ইব্রাহিম জানান, মাদ্রাসার সুপারের ১২ বছর বয়সী ছেলে সিয়াম ওই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে। বাবার মোবাইলে কিছু অনৈতিক ভিডিও দেখে সে বিষয়টি তার মাকে জানায়। পরে বন্ধুদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ভিডিওগুলো ইব্রাহিমকে দেয় বলে দাবি করেন তিনি। এরপর স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানান ইব্রাহিম।

 

অভিযোগকারী কিশোরীর ভাষ্য, প্রায় দেড় বছর ধরে মিজানুর রহমান তাকে বিরক্ত করে আসছিলেন। এ কারণে তিনি তার কাছে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দেন। তার অভিযোগ, তাকে অচেতন করে অনৈতিকভাবে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিজানুর রহমান। তার দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো তার নয় এবং অন্যদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও। তিনি বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে ওই ছাত্রীর মাসিক শুরু হওয়ার পর তাকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় একটি বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধের জেরে একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

 

স্থানীয় ইমরান ভূঁইয়া জানান, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা ও ইমামের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও নারীদের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছিল এবং গত দেড় বছরে এ নিয়ে অন্তত তিনটি সালিস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

 

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা মাদ্রাসা সুপারকে মারধর করে আটকে রেখেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘেরাও করার চেষ্টা করে। ভুক্তভোগীর বাবা মামলা করলে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বাবার মোবাইলের অনৈতিক ভিডিও ভাইরাল করলো ছেলে, স্থানীয়দের গণপিটুনি

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে মডেল ও অভিনেত্রী রিধিকা রিধির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৬টায় দিকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

অভিনেত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, একজনের সঙ্গে রিধিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আর আজ ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই রিধি আত্মহত্যা করেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনায় মামলা নেয়া হচ্ছে । পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। প্রসঙ্গত, মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন রিধিকা রিধি। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’ ও ‘সুন্দরী’।

রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার

নাটোরের লালপুরে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রদলের তিন কর্মীকে বহিষ্কার করেছে লালপুর থানা ছাত্রদল।

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বহিষ্কৃতরা হলেন—মো. জাহিদ হোসেন (৩২), মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (৩৫) ও মো. মামুন আলী (২৫)।

 

লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. রায়হান কবির সুইট ও যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু রায়হান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ আগস্ট লালপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি সজীবুল হৃদয় ও মানবজমিনের লালপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো. রাশেদুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় তিন কর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

ঘটনার সঙ্গে জড়িতের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিকভাবে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে কেউ কোনো কর্মকাণ্ড করলে ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বহিষ্কার আদেশে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে লালপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারীরা সাংবাদিক সজিবুল ইসলাম হৃদয় ও রাশেদুল ইসলাম লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় উপজেলা ছাত্রদলের তিন কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়।

সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার

বিএনপি সরকার যতদিন সরকারে আছে ততদিন শিক্ষকদের আর অবসর ভাতার জন্য অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বকেয়া ভাতার জট খুলেন। সরকারের এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে iBAS+ সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়।

 

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যতদিন আপনাদের নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আপনাদেরকে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। আগামী দিনগুলোতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর যন্ত্রণা ছাড়াই যথাসময়ে অনলাইনে আপনাদের প্রাপ্য টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

 

শিক্ষকদের হয়রানির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষক সমাজ যারা নীতি-নৈতিকতা আর আদর্শের বাণী শিখিয়ে লাখো শিক্ষার্থীকে বড় করে তোলেন, তাদেরকেই যদি নিজেদের প্রাপ্য টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয় কিংবা অফিসে অফিসে ঘুরে ভোগান্তি পোহাতে হয়, তবে সেটি শুধু শিক্ষকদের হয়রানি নয়; বরং জাতি হিসেবে আমাদের দীনতা ও হীনতাই প্রকাশ পায়। আজ আমরা কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই অনলাইনে তাদের টাকা পাঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।তারেক রহমান বলেন, টাকা পৌঁছে দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা অত সহজ ছিল না। পতিত, পরাজিত ও বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী সরকার যেভাবে ব্যাংক-বিমাসহ প্রতিটি সেক্টর থেকে লুটপাট করেছিল, শিক্ষকদের এই তহবিল দুটিও তা থেকে রেহাই পায়নি। জাল ইনডেক্স তৈরি করে এবং দুর্বল ব্যাংকে অর্থ সরিয়ে এই তহবিল দুটিকে প্রায় দেউলিয়া করে ফেলা হয়েছিল। ফলে ২০২২ সাল থেকে শিক্ষকরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েন। বর্তমান সরকার বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষকদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে এই বিশাল অর্থের সংকুলান করেছে।

 

বক্তব্যের শুরুতে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী দেন, শিক্ষকদের কল্যাণে বেগম জিয়ার উদ্যোগেই ১৯৯১ সালে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী ‌কল্যাণ ট্রাস্ট এবং ২০০২ সালে অবসর সুবিধা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষা বিস্তারে, বিশেষ করে নারীদের অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালুর ক্ষেত্রে বেগম জিয়ার ভূমিকা আজ বিশ্বজুড়ে রোল মডেল।

 

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমাজের ‘আলোকবর্তিকা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রচলিত নিয়মে পেশা থেকে অবসর নিলেও শিক্ষক হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি। বাংলাদেশের আবহমান কালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনারা ভূমিকা রাখবেন।

 

সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d