আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণার পর থেকেই একটি কুচক্রী মহল তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার সেই রাজনৈতিক অবস্থান ও জনসমর্থনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই প্রতিপক্ষরা এই চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।

 

এ বিষয়ে মাসুদ রানা পলিন বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় এবং আমার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল এই মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। এসব ষড়যন্ত্র করে জনগণের সেবা থেকে আমাকে সরিয়ে রাখা যাবে না।

 

তিনি সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমিনবাজার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের পক্ষে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে, তার বিরুদ্ধে চলমান এই ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সচেতন এলাকাবাসী।


রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতরে দুটি তাজা বোমা পাওয়া গেছে। যা উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম।

 

শুক্রবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছাতাটির বোতামে চাপ দিলেই ডিভাইসটি যেন বিস্ফোরিত হয়, এমন করে এটি তৈরি করা হয়েছিল।

 

মেট্রো স্টেশনে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শাপলা চত্ত্বরের দিকে একটি রথযাত্রা যাচ্ছিল। তখন রথযাত্রার একজন তাদেরকে রাস্তায় একটি ছাতা পড়ে থাকার তথ্য দেয়। তারা ছাতাটি ধরতেই ভেতরে লাল আলো জ্বলতে দেখেন। ছাতাটি সেখানে রেখে পুলিশকে খবর দেন আনসার সদস্যরা। পুলিশ এসে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সড়ক বন্ধ করে দেয় এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়। পরে বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসে ৭টা ৫০ মিনিটে একটি বোম এবং অপরটি ৮টা ১০ মিনিটে নিস্ক্রিয় করে।

মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর বোমা, নিষ্ক্রিয় করল পুলিশ

ঢাকার আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কের পাশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে তিনজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী জেলা প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শনে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। ঘটনাস্থলেই তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কসংলগ্ন পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে গেলে এ ঘটনা ধরা পড়ে।

 

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এর আগেও একাধিকবার মহাসড়কের পাশে কোনো অবস্থাতেই বর্জ্য না ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হলেও কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী তা অমান্য করে সেখানে বর্জ্য ফেলছিলেন। ঘটনাস্থলেই জেলা প্রশাসক অভিযুক্তদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন।

 

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, মহাসড়কের পাশে কোনোভাবেই বর্জ্য ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে আগেই স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যারা নির্দেশ অমান্য করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

 

জেলা প্রশাসন জানায়, পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্গন্ধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মহাসড়ক ও জনবহুল এলাকায় অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের কারণে ভোগান্তিতে থাকা আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়ককে পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

 

এ কর্মসূচির আওতায় মহাসড়কের দুই পাশে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ও অবৈধভাবে ফেলা বর্জ্য অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে স্থানান্তর করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাস্তার দুই পাশ বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে স্লোপ নির্মাণের কাজ চলছে, যাতে বর্ষাকালে মাটি ক্ষয় রোধ করা যায়। সবুজায়নের অংশ হিসেবে সড়কের দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারিকেল গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে যাতে কেউ মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে না পারে, সে জন্য দুই পাশে সুরক্ষা বেড়া নির্মাণেরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, মহাসড়ককে স্থায়ীভাবে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব রাখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। এ ধরনের অনিয়মে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

মহাসড়কে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা ৩ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ডিসির নির্দেশে সাময়িক বরখাস্ত

রাজধানীর উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেল রুটে বেয়ারিং প্যাডের ২৩.২৮ শতাংশ বা ৭৩০টি ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে ৪৬টি পিয়ার হেড এবং অন্তত ২০টি বক্স গার্ডারে ফাটল শনাক্ত হয়েছে।

 

স্বাধীন নিরাপত্তা অডিট কমিটির প্রতিবেদনে এসব ত্রুটি উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয় এমআরটি লাইন-৬ এখন একাধিক কাঠামোগত ও পরিচালনগত ত্রুটি নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

 

কমিটির ভাষায়, এসব ত্রুটি বিচ্ছিন্ন নয়; বরং একটি ‘যৌগিক ঝুঁকি প্রোফাইল’ তৈরি করেছে, যা যাত্রী নিরাপত্তা ও অবকাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের জন্য উদ্বেগজনক। এসব ত্রুটির পেছনে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার, নির্মাণত্রুটি কিংবা নকশাগত দুর্বলতা—সবই সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। এখন পর্যন্ত ত্রুটির মূল কারণ নির্ণয় কিংবা পূর্ণাঙ্গ প্রতিস্থাপন কর্মসূচির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

গত বছরের ২৬ অক্টোবর ফার্মগেট এলাকায় একটি বেয়ারিং প্যাড নিচে পড়ে পথচারীর মৃত্যুর ঘটনার পর হাইকোর্ট ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডিএমটিসিএল ৯ সদস্যের একটি স্বাধীন নিরাপত্তা অডিট কমিটি গঠন করে। চুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন গত মে মাসে জমা দেওয়া হয়।

কমিটির পরিদর্শনে দেখা গেছে, ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ। ৪৪২, ৪৪৬ ও ৪৪৮ নম্বর পিলারে ট্রেন চলাচলের সময় বেয়ারিং প্যাডে অস্বাভাবিক ধাক্কা লাগছে এবং ৪২৩ নম্বর পিলারে একটি বেয়ারিং প্যাড স্থানচ্যুত হওয়ার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।

 

বেয়ারিং প্যাডের পাশাপাশি ৪৬টি পিলার হেড এবং ২০টি বক্স গার্ডারে ফাটল শনাক্ত হয়েছে।

 

কোথাও কোথাও কংক্রিট খসে পড়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে। বিশেষ করে ৩৪১ নম্বর পিলারের ফাটল নির্ধারিত নিরাপদ সীমার চেয়ে বড় হওয়ায় সেটিকে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে কমিটি। অথচ এসব ফাটলের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ক্র্যাক গেজ স্থাপন কিংবা অনুমোদিত প্রকৌশল পদ্ধতিতে মেরামতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কমিটির মতে, এ ধরনের অবহেলা ভবিষ্যতে কাঠামোগত ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

অডিটে বলা হয়েছে, অস্বাভাবিক কম্পন, ঝাঁকুনি, ট্র্যাকের ত্রুটি এবং বেয়ারিং প্যাডের সমস্যার কারণে মেট্রো রেলের যাত্রী-স্বাচ্ছন্দ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল নকশা অনুযায়ী ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে ১০টি অংশে টেম্পোরারি স্পিড রেস্ট্রিকশন (টিএসআর) জারি রয়েছে। এসব স্থানে ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৯০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করছে। কোনো কোনো অংশে প্রকৃত গতি নেমে আসছে মাত্র ৪৪ থেকে ৪৭ কিলোমিটার পর্যন্ত। কমিটির পর্যবেক্ষণ, মূল সমস্যার সমাধান না করে শুধু গতি কমিয়ে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা স্থায়ী সমাধান নয়।

 

পরিচালনগত সমস্যার মধ্যেও সবচেয়ে গুরুতর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ট্রেনের আন্ডারশুটিং। অস্বাভাবিক ব্রেকিংয়ের কারণে ট্রেন নির্ধারিত স্টপিং পয়েন্টের আগেই থেমে যাচ্ছে। ফলে ট্রেনের দরজা ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোরের মধ্যে অসামঞ্জস্য তৈরি হচ্ছে এবং যাত্রীদের পড়ে যাওয়া বা আটকে পড়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। এই সমস্যার কারণে এরই মধ্যে পাঁচটি ট্রেনসেট রাজস্বভিত্তিক পরিচালনা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রেনের চাকার ক্ষয়, সম্ভাব্য ফাটল, দরজা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমে ক্রমাগত বৈদ্যুতিক স্পার্কিংকেও বড় নিরাপত্তাঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন বছরের বেশি সময় ধরে ডিপো এলাকায় ট্র্যাক বসে যাওয়ার সমস্যা অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত মেরামত করা হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।

 

অডিটে আরো উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে যে এখনো পুরো মেট্রো রেলে কোনো কার্যকর রিয়াল-টাইম স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং ব্যবস্থা নেই। ফলে পিলারের ফাটল, বেয়ারিং প্যাডের স্থানচ্যুতি, ট্র্যাক বসে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক কম্পনের মতো বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করার সুযোগ নেই।

 

এ বিষয়ে অডিট কমিটির সদস্য এবং বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, বর্তমানে বেয়ারিং প্যাডে ব্র্যাকেট বসানো, গতি কমিয়ে ট্রেন চালানো কিংবা অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণের মতো পদক্ষেপগুলো মূলত সাময়িক ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা; এগুলো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এ অবস্থায় কমিটি জরুরি ভিত্তিতে উচ্চ ঝুঁকির বেয়ারিং প্যাড প্রতিস্থাপন, ফাটল পর্যবেক্ষণে ক্র্যাক গেজ স্থাপন, পূর্ণাঙ্গ ডাইনামিক ভাইব্রেশন পরীক্ষা, ট্র্যাক ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার ত্রুটি দূরীকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের স্বাধীন নিরাপত্তা পর্যালোচনার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে স্মার্ট স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু, ডিজিটাল ত্রুটি ব্যবস্থাপনা এবং স্বাধীন সেফটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠনেরও আহবান জানিয়েছে কমিটি।

মেট্রোরেলের ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ

টানা কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান সড়ক, অলিগলি ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে নগরজীবন। কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

ভারী বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পানির নিচে ডুবে গেছে অসংখ্য ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, সিএনজি ও মোটরসাইকেল। অনেক যানবাহন মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে।

জলাবদ্ধতার কারণে অফিসগামী চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে। অনেক এলাকায় দোকানপাট ও নিচতলার বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে গণপরিবহন সংকটের কারণে অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় সড়কে অপেক্ষা করতে হয়েছে।

নগরবাসীর অভিযোগ, সামান্য সময়ের ভারী বৃষ্টিতেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে চলে যাওয়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতারই প্রতিফলন। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ধরনের জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের না হওয়া, জলাবদ্ধ এলাকায় সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করা এবং বৈদ্যুতিক ঝুঁকি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জনদুর্ভোগ অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকায় টানা ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, তীব্র জলাবদ্ধতায় স্থবির নগরজীবন

সাভারে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ঠেকাতে সাভারে রাজপথে সাভার পৌর যুবদল নেতা আশরাফুল ইসলাম আরিফ।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা ও কার্যক্রম প্রতিহত করতে সাভারের রাজপথে অবস্থান নিয়েছে সাভার পৌর যুবদল।

 

আজ (২৩ জুন) সাভার পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও প্রধান সড়কে যুবদলের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ও সাভার পৌর ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ আশরাফুল ইসলাম আরিফ, সাভার থানা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি মোঃ রাকিব আহম্মেদ, সহ আরো অনেকেই। এ সময় আশরাফুল ইসলাম আরিফ

জানান, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দোসর ও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ যেন নতুন করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপতৎপরতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য তারা মাঠ পর্যায়ে পাহারায় রয়েছেন। সাভারের শান্ত পরিবেশ বজায় রাখতে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় এই অবস্থান ও সর্তক পাহারা অব্যাহত থাকবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

কর্মসূচিতে সাভার পৌর যুবদল , ছাত্রদল সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ঠেকাতে সাভারে রাজপথে সাভার পৌর যুবদল নেতা আশরাফুল ইসলাম আরিফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নে পুকুর থেকে মুক্তি বনিক (২৮) নামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকায় বান্দিগড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি পুকুরে তার মরদেহ দেখতে পান এক অজ্ঞাত অটো চালক। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

এবং নিহত মুক্তি বনিকের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত মুক্তি বনিক ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকার বিবাকান্ত ও অনিমা বনিক দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা। জন্মের পর থেকেই তিনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

 

মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় সিয়াম হোসেন (৭) নামের প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম উপজেলার রামনগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। সে রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে সিয়াম বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়। পথিমধ্যে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি ভটভটি তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

তারিখঃ ০৮/০৯/২০২৬ ইং

মোবাইল নং ০১৭২৪২৫৫৭০৬

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনাকে দেশটির প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে রাজনৈতিক বক্তব্য ও সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ দেওয়াকে অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও ইরিটেটিং (অস্বস্তিকর) বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখতে ভারত সরকারের উচিত সেখানে বসে তাকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখা। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে।’

 

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর নিশ্চিত করেছেন যে শেখ হাসিনার আর আপিল করার সুযোগ নেই। তাকে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় অনুযায়ী সাজা কার্যকর করাই এখন সরকারের লক্ষ্য।’

 

ভারত সরকার যেন তাকে মিডিয়াতে কথা বলতে না দেওয়ার মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নয়নে পজিটিভ সিগন্যাল দেয়—সে বিষয়ে নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো স্বাভাবিক রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি মাফিয়া গ্যাং। তাদের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনা নেই।’

 

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং সরকার কাউকে ছাড় দেবে না বলে জানান তিনি।

 

সরকারি চাকুরিতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইবা) নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা বৈষম্য সৃষ্টির জন্য নয়, বরং দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করতেই সরকার এই পরিবর্তন এনেছে।

 

নতুন বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, বোয়িং কেনার অর্থ সরকারকে এখনই এককালীন পরিশোধ করতে হচ্ছে না, ধাপে ধাপে দীর্ঘ সময় ধরে এই পেমেন্ট দেওয়া হবে। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘এয়ারবাস’ থেকেও বিমান ক্রয়ের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

 

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দীর্ঘসূত্রিতার সমালোচনা করে ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা বলেন, দেড় বছর সময় পাওয়া সত্ত্বেও বিগত সময়ে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বা বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফলে বর্তমান সরকারকে দ্রুততম সময়ে জনগণের সাময়িক ক্রাইসিস কমাতে চীনের সাথে চুক্তিসহ জরুরি পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।

 

বিশ্বব্যাপী সম্ভাব্য দীর্ঘস্থায়ী ‘এল নিনো’ আবহাওয়া পরিস্থিতির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। তবে বর্তমানে দেশে ইতিহাসের যে কোনো সময়ের চেয়ে খাদ্যের সর্বোচ্চ মজুদ রয়েছে। সম্ভাব্য খাদ্য সংকট সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ এবং তথ্য অধিদপ্তরের উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: তথ্য উপদেষ্টা

সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

 

রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ‘দৈনিক দৈনিক অনলাইন নিউজ’ নামক একটি ভুঁইফোড় অনলাইন পেজ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে এই অপপ্রচার চালানো হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো দূরতম সম্পর্ক নেই।

 

দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এই নেতার রাজনৈতিক সুনাম ও সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দলীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

 

এ ধরণের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণীত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ে আমার আপসহীন অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচারে নেমেছে। এ ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা দিয়ে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা যাবে না। দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে এই ধরনের গুজবের বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং তা আমলে না নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি পাশাপাশি আমি এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এই পেজটির বিরুদ্ধে সাভার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি আশা করছি আমি সুবিচার পাবো।

সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণার পর থেকেই একটি কুচক্রী মহল তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার সেই রাজনৈতিক অবস্থান ও জনসমর্থনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই প্রতিপক্ষরা এই চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।

 

এ বিষয়ে মাসুদ রানা পলিন বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় এবং আমার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল এই মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। এসব ষড়যন্ত্র করে জনগণের সেবা থেকে আমাকে সরিয়ে রাখা যাবে না।

 

তিনি সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমিনবাজার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের পক্ষে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে, তার বিরুদ্ধে চলমান এই ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সচেতন এলাকাবাসী।

আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) চলতি অর্থবছরের জন্য ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

 

বাজেট ঘোষণা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ২১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

 

এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার সাধারণ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সিটি কর্পোরেশন। পাশাপাশি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অনুদান হিসেবে ধরা হয়েছে আরও ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

 

বাজেট বক্তৃতায় প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে জানান, ঘোষিত এই বাজেটে জনগণের ওপর নতুন করে কোনো করারোপ করা হয়নি। বরং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রমে সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে খুলনাবাসীর প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ানো জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনের লক্ষ্যে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়ক মেরামত এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ইতালিতে জনপ্রিয় বাংলাদেশী অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্টাটাসে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

 

ফেসবুক স্টাটাসে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ইতালির ভেনিসে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একজন নারী তথা জুলাই যোদ্ধাকে বিদেশের মাটিতে একা পেয়ে এ ধরনের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে, ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদের সামান্যতম অনুশোচনা হয়নি। সেহেতু এ সন্ত্রাসীদের জন্য আমাদের মনেও কখনও সামান্যতম সহানুভূতি জাগ্রত হবে না। কঠোর হাতে দমন করা হবে, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে।

অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের কড়া প্রতিবাদ

বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ বলে লাশ পাঠালো বাংলাদেশ দূতাবাস

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

মালয়েশিয়ায় বৈধ ভিসা থাকা পরেও অবৈধ অভিসীর তকমা দিয়ে মরদেহ দেশে প্রেরণের ছাড়পত্র দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। মৃত প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে গত ২৮ আগস্ট নরসিংদী সদরের হাটখোলা এলাকার মোঃ জাইদুল ইসলাম মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের সেরেম্বান শহরে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান । তিনি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে সেরেম্বান শহরে লিম চং ভেজি মার্ট লিম চং ভেজি মার্ট এসডিএন বিএইচডি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

 

মৃত প্রবাসীর ভিসা যাচাই করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৭ অক্টোবর ভিসার মেয়াদ শেষ হবে । অথচ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে দেখিয়ে অবৈধ অভিবাসীর তকমা দিয়ে মরদেহের ছাড়পত্র দিলে চলতি মাসের ২ তারিখে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে জাইদুলের লাশ তার পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। ভিসা থাকার পরেও অবৈধ অভিবাসীর তকমা দেয়ায় প্রবাসীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দূতাবাস আসলে কাদের সেবায় নিয়োজিত?

 

এদিকে মরদেহ দেশে প্রেরণে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ হওয়ায় নিয়োগকর্তা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মৃত জাইদুলের ভিসা নেই দেখিয়ে ২০২৫ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া কাগজপত্র দিয়ে মরদেহ প্রেরণের ছাড়পত্রের আবেদন করে দূতাবাসে। ছাড়পত্র দেয়ার আগেই এ বিষয়ে দূতাবাসরে সংশ্লিষ্ট শাখায় অবহিত করলেও কোন সুবিধার বিনিময়ে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ছাড়াপত্র দিয়েছে দূতাবাস সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

উল্লেখ্য মালয়েশিয়ায় থাকা বৈধ কর্মীর ভিসা নবায়নের সময় ইন্সুরেন্স করতে হয় । পরবর্তীতে কর্মীর চিকিৎসাসহ কোন কারণে মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে প্রেরণে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী থেকে ক্ষতি পূরণ পাওয়া যায়। দেশটির শ্রমআইন অনুযায়ী ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতা মূলক থাকলেও নিয়োগকর্তা সেটি না করায় মরদেহ দেশে প্রেরণসহ আইনি জটিলতা এড়াতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। যদিও জাইদুল ইসলামের ভিসা মেয়াদ এখনো চলমান আছে জানিয়ে বিষয়টি দূতাবাসের লেবার উইংয়ে কর্মরত সাইফুল ইসলাম কে মোবাইল ফোনে আগেই অবহিত করা হয়। পূর্বে অবহিত করার পরেও কেন অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ছাড়পত্র দেয়া হলো জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম জানান, ভিসা কিভাবে চেক করতে হয় সেটা আমাদের জানা নাই। এমনকি আগাম অবহিতকরণের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে কয়েজন গণমাধ্যমকর্মী লেবার কাউন্সিলর সৈয়দ শরিফুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকার কল দিলেও তিনি ফোনকল রিসিভ না করলে হাইকমিশনের লেবার মিনিস্টার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ হিসেবে যদি ছাড়পত্র দেয়া হয় তাহলে সে বিষয়ে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

উল্লেখ্য, লেবার কাউন্সিলর শরিফুলের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নিয়ে অস্তিত্বহীন কোম্পানীতে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের এটাস্টেশন, ব্যক্তিগত সহকারীকে দিয়ে কোম্পানীর তালিকা করে কোম্পানীর মালিক কর্তৃক অর্থ নিয়ে ফাইল ছাড় করা, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার সামনে অভিযোগ করায় নিয়োগকর্তা কর্তৃক কর্মী নির্যাতন, সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে বেশি ব্যবহার, সরকারের আর্থিক ক্ষতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেকে বাঁচাতে কখনও অস্থায়ী নিয়োগ পাওয়া ড্রাইভারকে জোরপূর্বক চাকরির ইস্তফা দিয়ে বিদায় করা, কখনও ব্যক্তিগত সহকারীকে (কল্যাণসহকারী, অস্থায়ী) চাকরিচ্যুত করেছেন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকা ইউনিভার্সিটির বন্ধু হওয়ায় তার হস্তক্ষেপে নানা অপরাধ করেও রক্ষা পান তিনি। এমনকি জুনিয়র কর্মকর্তা হয়েও অফিসিয়াল ভাষা ভুলে ডেপুটিকে ”তুমি সম্বোধন” মিশনের ক্ষমতার দাপটও দেখান।

বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ বলে লাশ পাঠালো বাংলাদেশ দূতাবাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার যাত্রী। এই স্টেশন থেকে প্রতি মাসে সরকারের প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আয় হলেও যাত্রী নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা স্টেশনের সব সিসিটিভি ক্যামেরাই অচল হয়ে আছে। স্টেশনে স্থাপিত ১৪টি এবং রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আরও ৬টি—মোট ২০টি ক্যামেরার কোনোটিই বর্তমানে কার্যকর নেই বলে জানা গেছে।

 

ফলে স্টেশনে চুরি, ছিনতাই কিংবা মাদকসহ কোনো অপরাধ ঘটলে ঘটনাটি শনাক্ত করা এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ না হওয়ায় অপরাধের সময় ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যও পুলিশের হাতে থাকছে না।

 

সড়কপথের যানজট ও দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তি এড়াতে নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন হাজারো মানুষ রেলপথ বেছে নেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, সিসিটিভি অচল থাকায় স্টেশন এলাকায় পকেটমারি, ছিনতাই, টিকিট কালোবাজারি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ ঠেকানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতে স্টেশনের বিভিন্ন অংশে নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে যায়।

 

অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কিছু সদস্যের যোগসাজশে স্টেশন এলাকায় মাদক পাচার, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। চুরি-ছিনতাই ও মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

 

এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন এলাকার কয়েকটি অংশের সীমানাপ্রাচীরও ভেঙ্গে আছে। পুলিশ বলছে, এসকল অংশ দিয়ে রাতে মাদকসেবীদের আনাগোনা ও আড্ডা বসে। যাত্রী ও স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সীমানাপ্রাচীর সংস্কারের পাশাপাশি স্টেশনের সব সিসিটিভি ক্যামেরা সচল করা এবং মাদক, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

রেলওয়ে পুলিশ বলছে, স্টেশন এলাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগ নিয়মিতই আসে। সম্প্রতি এক প্রবাসীর মানিব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনাতেও সিসিটিভি অচল থাকায় ফুটেজ দেখে ছিনতাইকারীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক শাহ আলম বলেন, সিসিটিভি সচল থাকলে অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সক্ষমতা আরও বাড়ত। স্টেশন এলাকার অবকাঠামোগত কিছু সমস্যা সমাধান করা গেলে মাদক, চুরি ও ছিনতাই দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

 

এবিষয়ে স্টেশন মাস্টার মো. শাকির জাহান বলেন, ক্যামেরাগুলোর হার্ডডিস্কে সমস্যা হওয়ায় গত প্রায় ১৫ দিন ধরে স্টেশন এলাকার কোনো ফুটেজ সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। বর্তমানে স্টেশনে ১৪টি ক্যামেরা রয়েছে। আরও ১৪টি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে বলেও জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের ২০ সিসিটিভির সবগুলোই অচল

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা সেই সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক রাকিবুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

 

আদালতে সিফাত আব্দুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি। শুনানি শেষে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা সিফাতের জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।

 

অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে সিফাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করার বিষয়টি যে কারণে তিনি আলোচনায় এসেছেন, তা মামলার এজাহারে উল্লেখ নেই। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে এ বিষয়টি তোলেননি।

 

তিনি আরও বলেন, ৪ জুনের একটি মামলায় সিফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ওই মামলার সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহ ফ্যাসিবাদের দোসর। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

 

পিপি আরও বলেন, সিফাত পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা হিসেবে কাজ করেছেন। ৫ আগস্টের আগেও তিনি ফ্যাসিস্টদের হয়ে কাজ করেছেন এবং এখনও তা অব্যাহত রেখেছেন।

 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের বাসা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা পুলিশ। রাত ৯টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

সিফাত আব্দুল্লাহ রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি পুরোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

শুনানি শেষে সেই সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d