নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় সিয়াম হোসেন (৭) নামের প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম উপজেলার রামনগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। সে রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে সিয়াম বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়। পথিমধ্যে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি ভটভটি তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

তারিখঃ ০৮/০৯/২০২৬ ইং

মোবাইল নং ০১৭২৪২৫৫৭০৬


ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নে পুকুর থেকে মুক্তি বনিক (২৮) নামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকায় বান্দিগড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি পুকুরে তার মরদেহ দেখতে পান এক অজ্ঞাত অটো চালক। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

এবং নিহত মুক্তি বনিকের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত মুক্তি বনিক ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকার বিবাকান্ত ও অনিমা বনিক দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা। জন্মের পর থেকেই তিনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

 

মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা সেই সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক রাকিবুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

 

আদালতে সিফাত আব্দুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি। শুনানি শেষে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা সিফাতের জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।

 

অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে সিফাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করার বিষয়টি যে কারণে তিনি আলোচনায় এসেছেন, তা মামলার এজাহারে উল্লেখ নেই। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে এ বিষয়টি তোলেননি।

 

তিনি আরও বলেন, ৪ জুনের একটি মামলায় সিফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ওই মামলার সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহ ফ্যাসিবাদের দোসর। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

 

পিপি আরও বলেন, সিফাত পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা হিসেবে কাজ করেছেন। ৫ আগস্টের আগেও তিনি ফ্যাসিস্টদের হয়ে কাজ করেছেন এবং এখনও তা অব্যাহত রেখেছেন।

 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের বাসা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা পুলিশ। রাত ৯টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

সিফাত আব্দুল্লাহ রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি পুরোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

শুনানি শেষে সেই সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর

নওগাঁ সাপাহারে ৬ টি ইউনিয়নের ৫৫ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন সরকারি ভাবে চায়না ফনিক্স বাইসাইকেল

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৬ টি ইউনিয়নের মোট ৫৫ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে চায়নাফনিক্স বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

 

বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রোমানা রিয়াজ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু) ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা।

 

বাইসাইকেল পেয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে তারা বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায়৫ দায়িত্ব পালনের সময় বাইসাইকেল গুলো আমাদের চলাচল ও সরকারি দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এসব বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

তারিখঃ ০৭-০৯-২০২৬

নওগাঁ সাপাহারে ৬ টি ইউনিয়নের ৫৫ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন সরকারি ভাবে চায়না ফনিক্স বাইসাইকেল

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও আশপাশের এলাকার। অবৈধভাবে সমুদ্রপথে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে ইতালি। এর পরিপ্রেক্ষিতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে যৌথভাবে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মশালায় মানুষকে বোঝানো হবে যে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বৈধভাবে দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহীদের সেই সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে সচেতন করা হবে।

 

ইতালির রাষ্ট্রদূতের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তাদের বড় একটি অংশ শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের বাসিন্দা বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

অবৈধ অভিবাসনকে মানবিক ও মানবাধিকারসংক্রান্ত সমস্যা হিসেবে দেখছে ইতালি। বিশেষ করে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার সময় প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেছেন, বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার সুযোগ থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

অবৈধভাবে লোক পাঠানোর সঙ্গে জড়িতদের রাষ্ট্রদূত ‘দালাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ‘অবৈধ এজেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বৈধভাবে ইতালি যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া পরিবারসহ আরও প্রায় ১২ হাজার মানুষের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিবছর নির্দিষ্টসংখ্যক বাংলাদেশিকে নেওয়া হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী এ সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়া ঠেকাতে ওয়ার্কশপ হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে, কখনো শেয়ার বাজার লুট হয়নি। বিএনপির আমলে সবসময় গ্রামীণ রাস্তাঘাটে উন্নয়ন হয়। মেগা প্রজেক্ট, ফ্লাইওভার এগুলো দেখায়নি। এই কারণে দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন।

 

আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক মন্ত্রী সাইফুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, অনেক সংকট মোকাবেলা করা গেছে। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া একজন সুযোগ্য অর্থনীতিবিদ পেয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী হিসেবে। যিনি ছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এবং দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বাস্তবতা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতেন।

 

তিনি আরও বলেন, সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন কিন্তু কখনো শেয়ারবাজার লুট হয়নি। আপনি শুনেছেন ২০০১ থেকে ২০০৬ শেয়ারবাজার হরিলুট হয়েছে? ৯১ থেকে ৯৬ শেয়ারবাজার কোনো লুণ্ঠন হয়েছে? এটার কারণ সাইফুর রহমানের ব্যবস্থাপনা। তিনি ঠিকই বুঝতে পারতেন যে কারা এখানে ফটকাবাজি করছে। ঠিক ওই সময় তিনি লকইন করা অন্যান্য পদক্ষেপ নিতেন।

দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষক রাজু মিয়ার গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের জামালপুর বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

 

মেহেদুল ইসলাম মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং আল-আমিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভিকটিমের বাবা মধু মিয়া, খালু কায়সার হাবিব, জেলা বিএনপির সদস্য সাদেকুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী আজাদুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ সাইফুল ইসলাম, সুন্দইল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, জামালপুর হাট প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ মন্ডল, ঐতিহ্যবাহী হাড়িয়া মন্ডল জামে মসজিদের খতিব মুফতি হাবিবুর রহমান, মোরসালিন সরকার প্রমুখ।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৪ আগষ্ট বিকালে দেবাত্তর রামনাথপুর গ্রামে লম্পট রাজু মিয়া মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন ৮ বছরের শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। সেই সময় কৌশলে রাজু পালিয়ে যায়।

 

বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষক রাজুকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার ২৪ দিন অতিবাহিত হলেও ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক রাজুর গ্রেফতার নিশ্চিত না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।

গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নে পুকুর থেকে মুক্তি বনিক (২৮) নামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকায় বান্দিগড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি পুকুরে তার মরদেহ দেখতে পান এক অজ্ঞাত অটো চালক। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

এবং নিহত মুক্তি বনিকের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত মুক্তি বনিক ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকার বিবাকান্ত ও অনিমা বনিক দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা। জন্মের পর থেকেই তিনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

 

মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় সিয়াম হোসেন (৭) নামের প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম উপজেলার রামনগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। সে রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে সিয়াম বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়। পথিমধ্যে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি ভটভটি তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

তারিখঃ ০৮/০৯/২০২৬ ইং

মোবাইল নং ০১৭২৪২৫৫৭০৬

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনাকে দেশটির প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে রাজনৈতিক বক্তব্য ও সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ দেওয়াকে অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও ইরিটেটিং (অস্বস্তিকর) বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখতে ভারত সরকারের উচিত সেখানে বসে তাকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখা। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে।’

 

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর নিশ্চিত করেছেন যে শেখ হাসিনার আর আপিল করার সুযোগ নেই। তাকে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় অনুযায়ী সাজা কার্যকর করাই এখন সরকারের লক্ষ্য।’

 

ভারত সরকার যেন তাকে মিডিয়াতে কথা বলতে না দেওয়ার মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নয়নে পজিটিভ সিগন্যাল দেয়—সে বিষয়ে নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো স্বাভাবিক রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি মাফিয়া গ্যাং। তাদের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনা নেই।’

 

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং সরকার কাউকে ছাড় দেবে না বলে জানান তিনি।

 

সরকারি চাকুরিতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইবা) নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা বৈষম্য সৃষ্টির জন্য নয়, বরং দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করতেই সরকার এই পরিবর্তন এনেছে।

 

নতুন বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, বোয়িং কেনার অর্থ সরকারকে এখনই এককালীন পরিশোধ করতে হচ্ছে না, ধাপে ধাপে দীর্ঘ সময় ধরে এই পেমেন্ট দেওয়া হবে। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘এয়ারবাস’ থেকেও বিমান ক্রয়ের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

 

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দীর্ঘসূত্রিতার সমালোচনা করে ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা বলেন, দেড় বছর সময় পাওয়া সত্ত্বেও বিগত সময়ে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বা বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফলে বর্তমান সরকারকে দ্রুততম সময়ে জনগণের সাময়িক ক্রাইসিস কমাতে চীনের সাথে চুক্তিসহ জরুরি পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।

 

বিশ্বব্যাপী সম্ভাব্য দীর্ঘস্থায়ী ‘এল নিনো’ আবহাওয়া পরিস্থিতির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। তবে বর্তমানে দেশে ইতিহাসের যে কোনো সময়ের চেয়ে খাদ্যের সর্বোচ্চ মজুদ রয়েছে। সম্ভাব্য খাদ্য সংকট সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ এবং তথ্য অধিদপ্তরের উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের গণমাধ্যমে হাসিনাকে এখনো কথা বলতে দেওয়া অপ্রত্যাশিত: তথ্য উপদেষ্টা

সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

 

রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ‘দৈনিক দৈনিক অনলাইন নিউজ’ নামক একটি ভুঁইফোড় অনলাইন পেজ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে এই অপপ্রচার চালানো হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো দূরতম সম্পর্ক নেই।

 

দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এই নেতার রাজনৈতিক সুনাম ও সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দলীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

 

এ ধরণের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণীত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ে আমার আপসহীন অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচারে নেমেছে। এ ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা দিয়ে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা যাবে না। দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে এই ধরনের গুজবের বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং তা আমলে না নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি পাশাপাশি আমি এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এই পেজটির বিরুদ্ধে সাভার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি আশা করছি আমি সুবিচার পাবো।

সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণার পর থেকেই একটি কুচক্রী মহল তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার সেই রাজনৈতিক অবস্থান ও জনসমর্থনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই প্রতিপক্ষরা এই চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।

 

এ বিষয়ে মাসুদ রানা পলিন বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় এবং আমার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল এই মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। এসব ষড়যন্ত্র করে জনগণের সেবা থেকে আমাকে সরিয়ে রাখা যাবে না।

 

তিনি সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমিনবাজার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের পক্ষে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে, তার বিরুদ্ধে চলমান এই ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সচেতন এলাকাবাসী।

আমিনবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাসুদ রানা পলিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) চলতি অর্থবছরের জন্য ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

 

বাজেট ঘোষণা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ২১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

 

এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার সাধারণ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সিটি কর্পোরেশন। পাশাপাশি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অনুদান হিসেবে ধরা হয়েছে আরও ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

 

বাজেট বক্তৃতায় প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে জানান, ঘোষিত এই বাজেটে জনগণের ওপর নতুন করে কোনো করারোপ করা হয়নি। বরং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রমে সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে খুলনাবাসীর প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ানো জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনের লক্ষ্যে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়ক মেরামত এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ইতালিতে জনপ্রিয় বাংলাদেশী অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্টাটাসে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

 

ফেসবুক স্টাটাসে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ইতালির ভেনিসে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একজন নারী তথা জুলাই যোদ্ধাকে বিদেশের মাটিতে একা পেয়ে এ ধরনের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে, ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদের সামান্যতম অনুশোচনা হয়নি। সেহেতু এ সন্ত্রাসীদের জন্য আমাদের মনেও কখনও সামান্যতম সহানুভূতি জাগ্রত হবে না। কঠোর হাতে দমন করা হবে, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে।

অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলায় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের কড়া প্রতিবাদ

বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ বলে লাশ পাঠালো বাংলাদেশ দূতাবাস

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

মালয়েশিয়ায় বৈধ ভিসা থাকা পরেও অবৈধ অভিসীর তকমা দিয়ে মরদেহ দেশে প্রেরণের ছাড়পত্র দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। মৃত প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে গত ২৮ আগস্ট নরসিংদী সদরের হাটখোলা এলাকার মোঃ জাইদুল ইসলাম মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের সেরেম্বান শহরে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান । তিনি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে সেরেম্বান শহরে লিম চং ভেজি মার্ট লিম চং ভেজি মার্ট এসডিএন বিএইচডি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

 

মৃত প্রবাসীর ভিসা যাচাই করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৭ অক্টোবর ভিসার মেয়াদ শেষ হবে । অথচ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে দেখিয়ে অবৈধ অভিবাসীর তকমা দিয়ে মরদেহের ছাড়পত্র দিলে চলতি মাসের ২ তারিখে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে জাইদুলের লাশ তার পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। ভিসা থাকার পরেও অবৈধ অভিবাসীর তকমা দেয়ায় প্রবাসীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দূতাবাস আসলে কাদের সেবায় নিয়োজিত?

 

এদিকে মরদেহ দেশে প্রেরণে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ হওয়ায় নিয়োগকর্তা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মৃত জাইদুলের ভিসা নেই দেখিয়ে ২০২৫ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া কাগজপত্র দিয়ে মরদেহ প্রেরণের ছাড়পত্রের আবেদন করে দূতাবাসে। ছাড়পত্র দেয়ার আগেই এ বিষয়ে দূতাবাসরে সংশ্লিষ্ট শাখায় অবহিত করলেও কোন সুবিধার বিনিময়ে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ছাড়াপত্র দিয়েছে দূতাবাস সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

উল্লেখ্য মালয়েশিয়ায় থাকা বৈধ কর্মীর ভিসা নবায়নের সময় ইন্সুরেন্স করতে হয় । পরবর্তীতে কর্মীর চিকিৎসাসহ কোন কারণে মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে প্রেরণে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী থেকে ক্ষতি পূরণ পাওয়া যায়। দেশটির শ্রমআইন অনুযায়ী ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতা মূলক থাকলেও নিয়োগকর্তা সেটি না করায় মরদেহ দেশে প্রেরণসহ আইনি জটিলতা এড়াতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। যদিও জাইদুল ইসলামের ভিসা মেয়াদ এখনো চলমান আছে জানিয়ে বিষয়টি দূতাবাসের লেবার উইংয়ে কর্মরত সাইফুল ইসলাম কে মোবাইল ফোনে আগেই অবহিত করা হয়। পূর্বে অবহিত করার পরেও কেন অবৈধ অভিবাসী হিসেবে ছাড়পত্র দেয়া হলো জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম জানান, ভিসা কিভাবে চেক করতে হয় সেটা আমাদের জানা নাই। এমনকি আগাম অবহিতকরণের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে কয়েজন গণমাধ্যমকর্মী লেবার কাউন্সিলর সৈয়দ শরিফুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকার কল দিলেও তিনি ফোনকল রিসিভ না করলে হাইকমিশনের লেবার মিনিস্টার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ হিসেবে যদি ছাড়পত্র দেয়া হয় তাহলে সে বিষয়ে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

উল্লেখ্য, লেবার কাউন্সিলর শরিফুলের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নিয়ে অস্তিত্বহীন কোম্পানীতে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগের এটাস্টেশন, ব্যক্তিগত সহকারীকে দিয়ে কোম্পানীর তালিকা করে কোম্পানীর মালিক কর্তৃক অর্থ নিয়ে ফাইল ছাড় করা, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার সামনে অভিযোগ করায় নিয়োগকর্তা কর্তৃক কর্মী নির্যাতন, সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে বেশি ব্যবহার, সরকারের আর্থিক ক্ষতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেকে বাঁচাতে কখনও অস্থায়ী নিয়োগ পাওয়া ড্রাইভারকে জোরপূর্বক চাকরির ইস্তফা দিয়ে বিদায় করা, কখনও ব্যক্তিগত সহকারীকে (কল্যাণসহকারী, অস্থায়ী) চাকরিচ্যুত করেছেন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকা ইউনিভার্সিটির বন্ধু হওয়ায় তার হস্তক্ষেপে নানা অপরাধ করেও রক্ষা পান তিনি। এমনকি জুনিয়র কর্মকর্তা হয়েও অফিসিয়াল ভাষা ভুলে ডেপুটিকে ”তুমি সম্বোধন” মিশনের ক্ষমতার দাপটও দেখান।

বৈধ ভিসা থাকার পরেও অবৈধ বলে লাশ পাঠালো বাংলাদেশ দূতাবাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার যাত্রী। এই স্টেশন থেকে প্রতি মাসে সরকারের প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আয় হলেও যাত্রী নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা স্টেশনের সব সিসিটিভি ক্যামেরাই অচল হয়ে আছে। স্টেশনে স্থাপিত ১৪টি এবং রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আরও ৬টি—মোট ২০টি ক্যামেরার কোনোটিই বর্তমানে কার্যকর নেই বলে জানা গেছে।

 

ফলে স্টেশনে চুরি, ছিনতাই কিংবা মাদকসহ কোনো অপরাধ ঘটলে ঘটনাটি শনাক্ত করা এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ না হওয়ায় অপরাধের সময় ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যও পুলিশের হাতে থাকছে না।

 

সড়কপথের যানজট ও দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তি এড়াতে নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন হাজারো মানুষ রেলপথ বেছে নেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, সিসিটিভি অচল থাকায় স্টেশন এলাকায় পকেটমারি, ছিনতাই, টিকিট কালোবাজারি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ ঠেকানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতে স্টেশনের বিভিন্ন অংশে নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে যায়।

 

অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কিছু সদস্যের যোগসাজশে স্টেশন এলাকায় মাদক পাচার, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। চুরি-ছিনতাই ও মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

 

এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন এলাকার কয়েকটি অংশের সীমানাপ্রাচীরও ভেঙ্গে আছে। পুলিশ বলছে, এসকল অংশ দিয়ে রাতে মাদকসেবীদের আনাগোনা ও আড্ডা বসে। যাত্রী ও স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সীমানাপ্রাচীর সংস্কারের পাশাপাশি স্টেশনের সব সিসিটিভি ক্যামেরা সচল করা এবং মাদক, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

রেলওয়ে পুলিশ বলছে, স্টেশন এলাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগ নিয়মিতই আসে। সম্প্রতি এক প্রবাসীর মানিব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনাতেও সিসিটিভি অচল থাকায় ফুটেজ দেখে ছিনতাইকারীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক শাহ আলম বলেন, সিসিটিভি সচল থাকলে অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সক্ষমতা আরও বাড়ত। স্টেশন এলাকার অবকাঠামোগত কিছু সমস্যা সমাধান করা গেলে মাদক, চুরি ও ছিনতাই দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

 

এবিষয়ে স্টেশন মাস্টার মো. শাকির জাহান বলেন, ক্যামেরাগুলোর হার্ডডিস্কে সমস্যা হওয়ায় গত প্রায় ১৫ দিন ধরে স্টেশন এলাকার কোনো ফুটেজ সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। বর্তমানে স্টেশনে ১৪টি ক্যামেরা রয়েছে। আরও ১৪টি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে বলেও জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের ২০ সিসিটিভির সবগুলোই অচল

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা সেই সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক রাকিবুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

 

আদালতে সিফাত আব্দুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি। শুনানি শেষে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা সিফাতের জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।

 

অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে সিফাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করার বিষয়টি যে কারণে তিনি আলোচনায় এসেছেন, তা মামলার এজাহারে উল্লেখ নেই। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে এ বিষয়টি তোলেননি।

 

তিনি আরও বলেন, ৪ জুনের একটি মামলায় সিফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ওই মামলার সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহ ফ্যাসিবাদের দোসর। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

 

পিপি আরও বলেন, সিফাত পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা হিসেবে কাজ করেছেন। ৫ আগস্টের আগেও তিনি ফ্যাসিস্টদের হয়ে কাজ করেছেন এবং এখনও তা অব্যাহত রেখেছেন।

 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের বাসা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা পুলিশ। রাত ৯টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

সিফাত আব্দুল্লাহ রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি পুরোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

শুনানি শেষে সেই সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d