দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে, কখনো শেয়ার বাজার লুট হয়নি। বিএনপির আমলে সবসময় গ্রামীণ রাস্তাঘাটে উন্নয়ন হয়। মেগা প্রজেক্ট, ফ্লাইওভার এগুলো দেখায়নি। এই কারণে দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন।

 

আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক মন্ত্রী সাইফুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, অনেক সংকট মোকাবেলা করা গেছে। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া একজন সুযোগ্য অর্থনীতিবিদ পেয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী হিসেবে। যিনি ছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এবং দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বাস্তবতা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতেন।

 

তিনি আরও বলেন, সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন কিন্তু কখনো শেয়ারবাজার লুট হয়নি। আপনি শুনেছেন ২০০১ থেকে ২০০৬ শেয়ারবাজার হরিলুট হয়েছে? ৯১ থেকে ৯৬ শেয়ারবাজার কোনো লুণ্ঠন হয়েছে? এটার কারণ সাইফুর রহমানের ব্যবস্থাপনা। তিনি ঠিকই বুঝতে পারতেন যে কারা এখানে ফটকাবাজি করছে। ঠিক ওই সময় তিনি লকইন করা অন্যান্য পদক্ষেপ নিতেন।


নওগাঁ সাপাহারে ৬ টি ইউনিয়নের ৫৫ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন সরকারি ভাবে চায়না ফনিক্স বাইসাইকেল

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৬ টি ইউনিয়নের মোট ৫৫ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে চায়নাফনিক্স বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

 

বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রোমানা রিয়াজ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু) ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা।

 

বাইসাইকেল পেয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে তারা বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায়৫ দায়িত্ব পালনের সময় বাইসাইকেল গুলো আমাদের চলাচল ও সরকারি দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এসব বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

তারিখঃ ০৭-০৯-২০২৬

নওগাঁ সাপাহারে ৬ টি ইউনিয়নের ৫৫ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন সরকারি ভাবে চায়না ফনিক্স বাইসাইকেল

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও আশপাশের এলাকার। অবৈধভাবে সমুদ্রপথে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে ইতালি। এর পরিপ্রেক্ষিতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে যৌথভাবে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মশালায় মানুষকে বোঝানো হবে যে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বৈধভাবে দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহীদের সেই সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে সচেতন করা হবে।

 

ইতালির রাষ্ট্রদূতের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তাদের বড় একটি অংশ শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের বাসিন্দা বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

অবৈধ অভিবাসনকে মানবিক ও মানবাধিকারসংক্রান্ত সমস্যা হিসেবে দেখছে ইতালি। বিশেষ করে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার সময় প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেছেন, বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার সুযোগ থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

অবৈধভাবে লোক পাঠানোর সঙ্গে জড়িতদের রাষ্ট্রদূত ‘দালাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ‘অবৈধ এজেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বৈধভাবে ইতালি যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া পরিবারসহ আরও প্রায় ১২ হাজার মানুষের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিবছর নির্দিষ্টসংখ্যক বাংলাদেশিকে নেওয়া হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী এ সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়া ঠেকাতে ওয়ার্কশপ হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষক রাজু মিয়ার গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের জামালপুর বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

 

মেহেদুল ইসলাম মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং আল-আমিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভিকটিমের বাবা মধু মিয়া, খালু কায়সার হাবিব, জেলা বিএনপির সদস্য সাদেকুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী আজাদুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ সাইফুল ইসলাম, সুন্দইল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, জামালপুর হাট প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ মন্ডল, ঐতিহ্যবাহী হাড়িয়া মন্ডল জামে মসজিদের খতিব মুফতি হাবিবুর রহমান, মোরসালিন সরকার প্রমুখ।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৪ আগষ্ট বিকালে দেবাত্তর রামনাথপুর গ্রামে লম্পট রাজু মিয়া মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন ৮ বছরের শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। সেই সময় কৌশলে রাজু পালিয়ে যায়।

 

বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষক রাজুকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার ২৪ দিন অতিবাহিত হলেও ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক রাজুর গ্রেফতার নিশ্চিত না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।

গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি আটক

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ টহলদল হাবিলদার মোঃ আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে হরিপুর উপজেলার বেতনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ৩৬৩/২-এস থেকে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হরিপুর থানাধীন ঠাকিঠুকি এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।

 

অভিযানকালে সন্দেহভাজন দুই মাদক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—হরিপুর উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের সমির আলীর ছেলে মোঃ সাদিকুল ইসলাম (২৮) এবং একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন (২২)।

 

বিজিবির বিশেষ টহলদল তাদের কাছ থেকে ৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, সিমকার্ডসহ একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। জব্দ করা মালামালের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

পরে আটক দুই আসামিকে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হরিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধ, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আন্তঃসীমান্তীয় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালানসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডলসহ ৩ যুবক আটক

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাস

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে রেহেনা সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট সেবনের সময় তিন যুবককে আটক করেছে ভূল্লী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূল্লী বাজারের রেহেনা সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

 

আটকরা হলেন ৩নং আউলিয়াপুর ইউনিয়ন এর মো. আল আমিন (২২), মাদারগঞ্জ বারমারা (কচুবাড়ি ভাটা) এলাকার মো. আবুল কালামের ছেলে; শ্রী সুমন শর্মা ডালিম (২৪), কচুবাড়ী নাপিতপাড়া এলাকার মধু শর্মার ছেলে, এবং ২ নং বালিয়া ইউনিয়ন এর মো. মেহেদী হাসান লিমন (২১),  কুমারপুর বসিরপাড়া এলাকার মো. মোজাম্মেল হকের ছেলে।  সবার থানা ভূল্লী, জেলা ঠাকুরগাঁও।

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে রেহেনা সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় তিন যুবক ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট সেবন করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে ভূল্লী থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে তাদের আটক করে তল্লাশি চালানো হলে ১০ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

 

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরে আলম সিদ্দীকীর নেতৃত্বে পুলিশের এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

 

পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আটক তিন যুবকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডলসহ ৩ যুবক আটক

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণকারী ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন কৃষকের ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

 

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

 

তিনি বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণগ্রহণকারী এসব কৃষকের ঋণ সুদসহ মওকুফ করে তাদের কাছে ব্যাংকের প্রাপ্য ১ হাজার ৩৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা সরকার পরিশোধ করেছে।

 

অর্থমন্ত্রী জানান, এ ঋণ মওকুফ কর্মসূচির আওতায় দেশের সব উপজেলার কৃষক সুবিধা পেয়েছেন।

 

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় করদাতার সংখ্যা সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে জেলাটিতে টিআইএনধারী করদাতার সংখ্যা ৭২ হাজার ৪৬৩ জন। এর মধ্যে ২০২৫-২৬ করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করেছেন ২১ হাজার ৫৬৭ জন।

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পেয়েছেন ১৪ লাখ কৃষক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নওগাঁ সাপাহারে ৬ টি ইউনিয়নের ৫৫ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন সরকারি ভাবে চায়না ফনিক্স বাইসাইকেল

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৬ টি ইউনিয়নের মোট ৫৫ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে চায়নাফনিক্স বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

 

বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রোমানা রিয়াজ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু) ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা।

 

বাইসাইকেল পেয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে তারা বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায়৫ দায়িত্ব পালনের সময় বাইসাইকেল গুলো আমাদের চলাচল ও সরকারি দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এসব বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

তারিখঃ ০৭-০৯-২০২৬

নওগাঁ সাপাহারে ৬ টি ইউনিয়নের ৫৫ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন সরকারি ভাবে চায়না ফনিক্স বাইসাইকেল

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও আশপাশের এলাকার। অবৈধভাবে সমুদ্রপথে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে ইতালি। এর পরিপ্রেক্ষিতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে যৌথভাবে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মশালায় মানুষকে বোঝানো হবে যে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বৈধভাবে দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহীদের সেই সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে সচেতন করা হবে।

 

ইতালির রাষ্ট্রদূতের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তাদের বড় একটি অংশ শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের বাসিন্দা বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

অবৈধ অভিবাসনকে মানবিক ও মানবাধিকারসংক্রান্ত সমস্যা হিসেবে দেখছে ইতালি। বিশেষ করে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার সময় প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেছেন, বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার সুযোগ থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

অবৈধভাবে লোক পাঠানোর সঙ্গে জড়িতদের রাষ্ট্রদূত ‘দালাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ‘অবৈধ এজেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

মীর শাহে আলম বলেন, ইতালির রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বৈধভাবে ইতালি যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া পরিবারসহ আরও প্রায় ১২ হাজার মানুষের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিবছর নির্দিষ্টসংখ্যক বাংলাদেশিকে নেওয়া হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী এ সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়া ঠেকাতে ওয়ার্কশপ হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে, কখনো শেয়ার বাজার লুট হয়নি। বিএনপির আমলে সবসময় গ্রামীণ রাস্তাঘাটে উন্নয়ন হয়। মেগা প্রজেক্ট, ফ্লাইওভার এগুলো দেখায়নি। এই কারণে দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন।

 

আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক মন্ত্রী সাইফুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, অনেক সংকট মোকাবেলা করা গেছে। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া একজন সুযোগ্য অর্থনীতিবিদ পেয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী হিসেবে। যিনি ছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত এবং দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বাস্তবতা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতেন।

 

তিনি আরও বলেন, সাইফুর রহমান যখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন কিন্তু কখনো শেয়ারবাজার লুট হয়নি। আপনি শুনেছেন ২০০১ থেকে ২০০৬ শেয়ারবাজার হরিলুট হয়েছে? ৯১ থেকে ৯৬ শেয়ারবাজার কোনো লুণ্ঠন হয়েছে? এটার কারণ সাইফুর রহমানের ব্যবস্থাপনা। তিনি ঠিকই বুঝতে পারতেন যে কারা এখানে ফটকাবাজি করছে। ঠিক ওই সময় তিনি লকইন করা অন্যান্য পদক্ষেপ নিতেন।

দারিদ্রতা দূরীকরণে বিএনপি সবসময় ছিল চ্যাম্পিয়ন: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষক রাজু মিয়ার গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের জামালপুর বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

 

মেহেদুল ইসলাম মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং আল-আমিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভিকটিমের বাবা মধু মিয়া, খালু কায়সার হাবিব, জেলা বিএনপির সদস্য সাদেকুল ইসলাম, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী আজাদুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ সাইফুল ইসলাম, সুন্দইল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, জামালপুর হাট প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ মন্ডল, ঐতিহ্যবাহী হাড়িয়া মন্ডল জামে মসজিদের খতিব মুফতি হাবিবুর রহমান, মোরসালিন সরকার প্রমুখ।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৪ আগষ্ট বিকালে দেবাত্তর রামনাথপুর গ্রামে লম্পট রাজু মিয়া মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন ৮ বছরের শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। সেই সময় কৌশলে রাজু পালিয়ে যায়।

 

বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষক রাজুকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার ২৪ দিন অতিবাহিত হলেও ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক রাজুর গ্রেফতার নিশ্চিত না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।

গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নওগাঁয় জাল নোট তৈরির অভিযোগে ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার এক

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ সদর উপজেলার পয়না বাজারে কম্পিউটার ও প্রিন্টারের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরির অভিযোগে তারিকুল ইসলাম মল্লিক (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ৪৭টি জাল নোট, একটি কম্পিউটার মনিটর, দুটি সিপিইউ, একটি কালার প্রিন্টার ও একটি স্ক্যানার জব্দ করা হয়েছে। আজ রোববার বিকেল সোয়া তিনটার দিকে পয়না বাজারে তারিকুল ইসলামের ‘মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট অ্যান্ড ফটোকপি টেলিকম’ নামের দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল নওগাঁ সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর আসে, পয়না বাজারের একটি দোকানে কম্পিউটারের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরি করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ডিবির অভিযানিক দল ওই দোকানে অভিযান চালায়। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সামনে তারিকুল ইসলাম মল্লিকের দেহ তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ৪৭টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে দোকানে থাকা একটি কম্পিউটার মনিটর, দুটি সিপিইউ, একটি কালার প্রিন্টার ও একটি স্ক্যানার জব্দ করে পুলিশ।

 

নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় তারিকুল ইসলাম মল্লিকের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। জাল নোট তৈরির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং এর মাধ্যমে জাল নোট বাজারে ছড়ানো হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নওগাঁয় জাল নোট তৈরির অভিযোগে ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার এক

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি আটক

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ টহলদল হাবিলদার মোঃ আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে হরিপুর উপজেলার বেতনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ৩৬৩/২-এস থেকে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হরিপুর থানাধীন ঠাকিঠুকি এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।

 

অভিযানকালে সন্দেহভাজন দুই মাদক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—হরিপুর উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের সমির আলীর ছেলে মোঃ সাদিকুল ইসলাম (২৮) এবং একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন (২২)।

 

বিজিবির বিশেষ টহলদল তাদের কাছ থেকে ৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, সিমকার্ডসহ একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। জব্দ করা মালামালের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

পরে আটক দুই আসামিকে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হরিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধ, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আন্তঃসীমান্তীয় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালানসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডলসহ ৩ যুবক আটক

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাস

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে রেহেনা সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট সেবনের সময় তিন যুবককে আটক করেছে ভূল্লী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূল্লী বাজারের রেহেনা সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

 

আটকরা হলেন ৩নং আউলিয়াপুর ইউনিয়ন এর মো. আল আমিন (২২), মাদারগঞ্জ বারমারা (কচুবাড়ি ভাটা) এলাকার মো. আবুল কালামের ছেলে; শ্রী সুমন শর্মা ডালিম (২৪), কচুবাড়ী নাপিতপাড়া এলাকার মধু শর্মার ছেলে, এবং ২ নং বালিয়া ইউনিয়ন এর মো. মেহেদী হাসান লিমন (২১),  কুমারপুর বসিরপাড়া এলাকার মো. মোজাম্মেল হকের ছেলে।  সবার থানা ভূল্লী, জেলা ঠাকুরগাঁও।

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে রেহেনা সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় তিন যুবক ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট সেবন করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে ভূল্লী থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে তাদের আটক করে তল্লাশি চালানো হলে ১০ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

 

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরে আলম সিদ্দীকীর নেতৃত্বে পুলিশের এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

 

পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আটক তিন যুবকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডলসহ ৩ যুবক আটক

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। গুরুতর আহত ১২ জনকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

 

আজ রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের গেড়াখোলা এলাকায় ব্রিজের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।

 

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশাঙ্কা করা হচ্ছে।

 

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আজাদুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশিচত করেছেন।

গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০

রোহিঙ্গা সংকট এখন আর শুধু মানবিক সমস্যা নয়, এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

তিনি বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার অবস্থান বাংলাদেশের ওপর যেমন বড় চাপ তৈরি করছে, তেমনি এর ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়ছে।’

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ ও সমাধানের কৌশল’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছরের বেশি সময় হতে চলেছে। এখন শুধু সংকট ব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। রাখাইনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। এ জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে কৌশল নির্ধারণ করা জরুরি।’

 

তিনি বলেন, ‘বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সমর্থন প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের চলমান সংঘাতের কারণে রোহিঙ্গা সংকট যেন আড়ালে পড়ে না যায়। জাতিসংঘসহ প্রভাবশালী দেশ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে নজর রাখতে হবে।’

 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরো জোরদার করতে হবে। প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গাকে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে

রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়ে বিভাগীয় শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

 

রাষ্ট্রপতির কাছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

 

২০২৫ সালে এনবিআর সংস্কার নিয়ে কর্মকর্তাদের আন্দোলন একপর্যায়ে তীব্র আকার ধারণ করে। ওই সময় দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়। পরে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।

 

আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগে পরবর্তী সময়ে ৩৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয় আইআরডি। তাদের মধ্যে এনবিআরের তিন সদস্য ও একজন কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

 

এর আগে আন্দোলনে জড়িত ২৪ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে আয়কর ক্যাডারের ১৪ জন এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ক্যাডারের ১০ কর্মকর্তা দণ্ড মওকুফের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন।

 

দণ্ড বাতিল করা কর্মকর্তারদের মধ্যে রয়েছেন— ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল (উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা), মির্জা আশিক রানা (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর), মোনালিসা শাহরীন সুমিতা (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ), মো. মামুন মিয়া (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর), সুলতানা হাবীব (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-১২, ঢাকা), মুরাদ আহমেদ (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), মামুনা খাতুন (যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা), মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর), মো. জিল্লুর রহমান।

 

প্রজ্ঞাপনে দণ্ড মওকুফের ফলে এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেওয়া সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শাস্তির কার্যকারিতা বাতিল হবে।

এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d