বাংলাদেশ পুলিশ কে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বাংলাদেশ পুলিশ কে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বাংলাদেশ পুলিশ কে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বাংলাদেশ পুলিশ কে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

 

মোঃ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

বাংলাদেশ পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তর ।সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশনস্-২) মোহাম্মদ উল্ল্যার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো হলো:-

১। পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে ডিউটি পালনের সময় অবশ্যই মাস্ক, গ্লাভস, হেডকভার, ফেসশিল্ড পরতে হবে।

২। ডিউটি পালনকালে কিছু সময় পরপর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত ডিউটি শেষে সাবান/হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

৩। কোভিড-১৯ (ওমিক্রন) উপসর্গ দেখা দিলে আইসোলেশন সেন্টারে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪। পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কোডিড-১৯ টিকা নিতে হবে। এক্ষেত্রে ইউনিট ইনচার্জ কর্তৃক অধীন পুলিশ ও নন-পুলিশ সদস্যদের টিকা নেওয়া নিশ্চিত করা।

৫। পুলিশের সব ইউনিটে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ এবং ’নো মাস্ক নো এন্ট্রি’ নির্দেশনা প্রতিপালন করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাস্কের ব্যবস্থা রাখা।

৬। ডিউটিরত সব ক্ষেত্রে শারীরিক দুরত্ব (কমপক্ষে ৩ ফুট বা ১ মিটার), হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

৭। সেবা গ্রহীতা ও দর্শনার্থীদের পুলিশ স্থাপনায় প্রবেশের ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় ও হাত ধোয়া/স্যানিটাইজ নিশ্চিত করা।

৮। প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী (মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদি) ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৯। অপারেশনাল কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র, হ্যান্ডকাফ, রায়ট গিয়ার, হ্যান্ডমাইক, মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে ইত্যাদি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করা।

১০। ডিউটি শেষে আবাসস্থলে প্রবেশের পূর্বে ইউনিফর্ম ও জুতা ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করা এবং সাবান দিয়ে গোসল করা।

১১। ডাইনিং রুম, ক্যান্টিন, বিনোদন কক্ষ, রোল কল, ডিউটিতে যাওয়ার আগে ও ডিউটি থেকে ফেরার পর, সমাবেশস্থলে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রীর ব্যবহার নিশ্চিত করা।

১২। কোভিড-১৯ উপসর্গ দেখা দিলে কিংবা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে ছিলেন বা এসেছেন, এমন পুলিশ সদস্যদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

১৩। কোভিড-১৯ পজেটিভ সদস্যদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কেন্দ্রীয়/বিভাগীয়/জেলা পুলিশ দাসপাতাল ও স্থানীয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

১৪। জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ইউনিট ইনচার্জ কর্তৃক তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া।

১৫। ইউনিট ইনচার্জ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিজ ইউনিটের আক্রান্ত সদস্য ও তার পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা এবং সার্বিক সহায়তা দেওয়া।

১৬। হাজতখানা সর্বদা জীবাণুমুক্ত রাখা এবং হাজতে থাকাকালীন কোমো ব্যক্তির কোভিড-১৯ এর লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবিলম্বে তাকে পৃথক করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

১৭। রেশন সামগ্রী, ওষুধ ইত্যাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব নিশ্চিত করা।

১৮। কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক প্রণীত এসওপির নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ এবং রোল কলে সচেতনতামূলক ব্রিফিং দেওয়া।

১৯। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ইতোপূর্বে পাঠানো নির্দেশনা যথাযথ ও আন্তরিকভাবে প্রতিপালন করা।

 

২০। প্রত্যেক পুলিশ ইউনিটে কর্মরত সব সদস্যদের স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের সাথে সমন্বয়পূর্বক কোভিড-১৯ (বুস্টার ডোজ) ভ্যাকসিন গ্রহণে নিশ্চিত করতে হবে।

২১। কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী বিধায় সকল পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গকে অবশ্যই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছো


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এক তরুণকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

শনিবার (২৭ জুন) ভুক্তভোগী সাজিদ হাসানের শ্বশুর মাসুম চৌধুরী বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অপহরণের মামলা দায়ের করেন।

 

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাজিদ হাসান ও তার এক বন্ধুকে ধরে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আটকে রাখা হয়। পরে ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগ তুলে সাজিদের পরিবারের কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

 

মুক্তিপণের দাবির ফোন পাওয়ার পর ভুক্তভোগীর শ্বশুর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে। তবে এ সময় আরও দুজন পালিয়ে যায়।

 

মোবাইল ফোনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটক অবস্থায় থাকা তরুণের পকেট থেকে একজন যুবক ইয়াবা বের করছেন। পুলিশ বলছে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করা হয়।

 

গ্রেফতার হওয়া তিনজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়া পলাতক আরেকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।

 

এদিকে, ভুক্তভোগী সাজিদ হাসানের কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হয়েছে দাবি করে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

শাহবাগ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি অপহরণের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ায় এ বিষয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে। পলাতক দুজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তারা গ্রেফতার হলে পুরো চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা পরে শুনেছি। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওইখানে একজন ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে, আমরা কোনও হস্তক্ষেপ করব না।’

তরুণকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি, ঢাবি শিক্ষার্থীসহ গ্রেফতার ৩

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল ইসলাম সাগরের ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে ইয়াবা সেবন করছেন। সাথে থাকা কোনো ব্যক্তি তার অজান্তে ভিডিওটি করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন বন্ধ ও বাড়িতে না থাকায় এ ব্যাপারে যুবদল নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম সাগর বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভুতবাড়ি গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। তিনি ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক। তার বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ ছিল। তবে কেউ ভয়ে মুখ খোলার সাহস করছিলেন না।

 

সম্প্রতি ফেসবুকে তার ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের ভিডিও প্রকাশ হওয়ায় গ্রামজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে ইয়াবা সেবন করছে। এ সময় তার সঙ্গে একজন থাকলেও তাকে চেনা যাচ্ছেনা। সঙ্গে থাকা কোন ব্যক্তি প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওটি ধারন করেন।

 

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উপজেলায় দলের নামে সাগর বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হন। ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও নেতাকর্মীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।

 

এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, যুবদলে কোনো মাদকসেবী বা সন্ত্রাসীর জায়গা হবে না। ভিডিওটি তার নজরে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে জহুরুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধুনটে যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে ইউনিয়নের নুর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দোকান নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রলীগ কর্মী মামুনুর রশিদ মামুন ও শাহাদাত হোসেন তাকে হত্যা করেছেন।

 

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় পারভেজ ও মামুন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। সে সময় আদালতের বিভিন্ন ব্যয় পারভেজ বহন করলেও মামুন কোনো অর্থ দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি। জামিনে মুক্তির পর স্থানীয় একটি দোকানকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়।

 

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজ হাতে থাকা একটি লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। পরে দুই পক্ষের স্বজনেরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।নিহতের বাবা আবু তাহের বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি সর্বশেষ ছেলেকে দেখেন। শনিবার সকালে বাড়ির সামনে ছেলের গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দোকান নিয়ে বিরোধের জেরেই শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুন পারভেজকে হত্যা করেছেন।

 

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের বলেন, নিহত পারভেজ এবং অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা একই কারাগারে ছিলেন। জামিনে মুক্তির পর তাদের মধ্যে বিরোধ বাড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফেনীতে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে যুবলীগ কর্মী খুন

ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চলের কর্মজীবীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে দীর্ঘ ২৩ বছর পর বাগেরহাটের মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে।

 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে মোংলা ফেরিঘাটে ফুলটাইম ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইপিজেডের শ্রমিকদের যাতায়াত সহজ করতে সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত নদীর উভয় প্রান্ত থেকে ফেরি চলাচল করবে। এছাড়া অফিস ছুটির সময়েও দুই পাশ থেকেই ফেরি চলাচল করবে।

 

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরও জানান, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল নিয়মিত খনন করা হবে।

 

২০০৩ সালে মোংলা নদীতে ফেরি চলাচল শুরু হলেও এতদিন শুধুমাত্র জোয়ারের সময় ফেরি চলত। বাকি সময় বন্ধ থাকত ফেরি সেবা।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর মোংলা নদীতে চালু হলো ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে তার প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরেই বাবা ও মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন।

 

শনিবার (২৭ জুন) বেলা সোয়া ১২টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানের মাজার কমপ্লেক্সে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

 

এ সময় তারেক রহমান তার বাবা ও মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে পবিত্র ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

 

শনিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনের প্রথমেই ওই সফরের বিষয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন। পরে স্পিকার ধন্যবাদ প্রস্তাব কণ্ঠভোটে দিলে তাতে সবাই সমর্থন জানান। এ সময় সংসদে সবাই টেবিল চাপড়ে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

 

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা তারেক রহমান সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব হয়ে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। সফরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে এবং অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনি এই সফরে অনেকগুলো চুক্তি সম্পাদন করেছেন।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মালয়েশিয়ার এবং একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়েছে। দীর্ঘ একটি ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের নেতৃত্ব দেওয়ার পরে আমাদের নেতা ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ তার সম্পর্কে ধারণা সৃষ্টি করেছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর: সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব পাশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাইরাল হওয়া সংসদ সচিবালয়ের অর্থ শাখা-২ থেকে ইস্যুকৃত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখের একটি পত্রে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা ১০ জনের নামে অনুদান মঞ্জুরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

তালিকায় ১ নম্বরে হবোখালী গ্রামের ফাইজা, পিতা মো. বাচ্চুর নামে ১০ হাজার টাকা এবং ৮ নম্বরে ফাইজা, পিতা মো. আতাউরের নামে আরও ১০ হাজার টাকা অনুদানের উল্লেখ রয়েছে। এ দুই নামের মধ্যে একটি সংসদ সদস্যের মেয়ের বলে দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

 

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য বছরে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য ঐচ্ছিক তহবিল পান।’ তিনি শপথ নেওয়ার পর চলতি অর্থবছরে তার আসনের জন্য মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

 

তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদ সচিবালয়ে তালিকা জমা দেওয়ার তাগিদ থাকায় তিনি ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএস) বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নাম সংগ্রহ করে জমা দিতে বলেন। তার ভাষ্য, পিএস পরে পরিচিত কয়েকটি নাম দিয়ে তালিকা জমা দিয়েছেন, কিন্তু তিনি তালিকাটি দেখার সুযোগ পাননি।

 

সংসদ সদস্য আরও জানান, এখনও তিনি ওই অর্থ হাতে পাননি এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা অনুযায়ী পরবর্তীতে অনুদান বিতরণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নতুন তালিকা পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

 

সমালোচনার বিষয়ে আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘জনগণের হকের একটি পয়সাও আমি বা আমার পরিবারের কেউ আগামী পাঁচ বছরে স্পর্শ করবে না। যারা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্যও আমার অফুরন্ত দোয়া রইল।’

 

জানা গেছে, সদর উপজেলার জন্য ১০ জনের নামে ৮০ হাজার টাকা এবং লোহাগড়া উপজেলার ১১ জনের নামে ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দের পৃথক তালিকাও রয়েছে।

জামায়াত এমপির ঐচ্ছিক তহবিলের তালিকায় নিজের মেয়ের নাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এক তরুণকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

শনিবার (২৭ জুন) ভুক্তভোগী সাজিদ হাসানের শ্বশুর মাসুম চৌধুরী বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অপহরণের মামলা দায়ের করেন।

 

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাজিদ হাসান ও তার এক বন্ধুকে ধরে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আটকে রাখা হয়। পরে ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগ তুলে সাজিদের পরিবারের কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

 

মুক্তিপণের দাবির ফোন পাওয়ার পর ভুক্তভোগীর শ্বশুর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে। তবে এ সময় আরও দুজন পালিয়ে যায়।

 

মোবাইল ফোনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটক অবস্থায় থাকা তরুণের পকেট থেকে একজন যুবক ইয়াবা বের করছেন। পুলিশ বলছে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করা হয়।

 

গ্রেফতার হওয়া তিনজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়া পলাতক আরেকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।

 

এদিকে, ভুক্তভোগী সাজিদ হাসানের কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হয়েছে দাবি করে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

শাহবাগ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি অপহরণের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ায় এ বিষয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে। পলাতক দুজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তারা গ্রেফতার হলে পুরো চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করছে পুলিশ।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা পরে শুনেছি। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওইখানে একজন ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে, আমরা কোনও হস্তক্ষেপ করব না।’

তরুণকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি, ঢাবি শিক্ষার্থীসহ গ্রেফতার ৩

বিশ্বকাপে নিজের রেকর্ডের খাতা আরও সমৃদ্ধ করলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে দলকে আরও এগিয়ে দেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

 

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিক নিখুঁত শটে জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন মেসি। জর্ডানের গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না সেই শট ঠেকানোর।

 

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন মেসি। বিশ্বমঞ্চে ধারাবাহিক গোল করার এই রেকর্ডে তিনি আরও একবার নিজের অসাধারণ ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিলেন।

 

এর আগে ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। মাঠে নেমেই আক্রমণে গতি আনেন তিনি এবং শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে নিজের নাম লেখান স্কোরশিটে।

ফ্রি কিক থেকে মেসির গোল

গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সমাবেশে সংগঠনটির লক্ষ্মীপুর শহর শাখার সভাপতি আব্দুল আওয়াল হামদু বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিএনপির দল পরিচালনা করা হয় মাদকের টাকা দিয়ে। এটি জাতির কাছে এখন স্পষ্ট। তারা সভা-সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেও মূলত মাদক নিয়ন্ত্রণ করে তারাই।

 

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দক্ষিণ তেমুহনীতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

 

সমাবেশে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের লক্ষ্মীপুর শহর শাখার সভাপতি আব্দুল আওয়াল হামদু, জেলা সভাপতি আরমান হোসাইন, শহর সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন ফয়সাল এবং অর্থ সম্পাদক জুনায়েদ হোসেন খান।

 

বক্তব্যে আব্দুল আওয়াল হামদু আরও বলেন, ছাত্রশিবির একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। তবে নির্দেশনা এলে আমরা তার চেয়েও কঠোর হতে পারি। শিবিরের দিকে আঙুল তুলবেন না, আঙুল থাকবে না; চোখ রাঙাবেন না, চোখ থাকবে না। তাই আপনারা শান্তিতে থাকুন এবং দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন।

 

সমাবেশে বক্তারা গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বিএনপি মাদকের টাকায় পরিচালিত হয়—শিবির নেতা হামদু

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল ইসলাম সাগরের ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে ইয়াবা সেবন করছেন। সাথে থাকা কোনো ব্যক্তি তার অজান্তে ভিডিওটি করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন বন্ধ ও বাড়িতে না থাকায় এ ব্যাপারে যুবদল নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম সাগর বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভুতবাড়ি গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। তিনি ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক। তার বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ ছিল। তবে কেউ ভয়ে মুখ খোলার সাহস করছিলেন না।

 

সম্প্রতি ফেসবুকে তার ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের ভিডিও প্রকাশ হওয়ায় গ্রামজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে ইয়াবা সেবন করছে। এ সময় তার সঙ্গে একজন থাকলেও তাকে চেনা যাচ্ছেনা। সঙ্গে থাকা কোন ব্যক্তি প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওটি ধারন করেন।

 

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উপজেলায় দলের নামে সাগর বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হন। ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও নেতাকর্মীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।

 

এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, যুবদলে কোনো মাদকসেবী বা সন্ত্রাসীর জায়গা হবে না। ভিডিওটি তার নজরে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে জহুরুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধুনটে যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

 

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জান্নাতুল ফেরদৌস সিনেট হলে অনুষ্ঠিত সিনেটের ৪৩তম বার্ষিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। উপাচার্যের সভাপতিত্বে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

 

উপাচার্য জানান, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে তিনি আগ্রহী। এ বিষয়ে সিনেট সদস্যদের পরামর্শ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সময়মতো সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপাচার্য।

 

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) মনোনীত শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সিনেটে অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তবে এবারের সিনেট অধিবেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েও সদ্য নির্বাচিত জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম অংশ নিতে পারেননি।

 

বার্ষিক সিনেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতি, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া গত বছরের ২৮ জুন অনুষ্ঠিত সিনেটের ৪২তম বার্ষিক সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন ও নিশ্চিতকরণের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সিনেট সদস্য, মনোনীত প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

 

২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হতে যাচ্ছে জাবির ৭ম সমাবর্তন

সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে কয়েকজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

 

বিজিবি জানায়, শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৮ থেকে ১০ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।

 

বিজিবি জানায়, রাতের অন্ধকারে সীমান্তের নিরাপত্তা বাতি বন্ধ করে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় টহলরত বিজিবি সদস্য ও স্থানীয়দের তৎপরতায় পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়। পরে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

 

এদিকে, সীমান্তে যে-কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি কঠোর নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির কঠোর অবস্থান

ফেসবুক লাইভে এসে অদ্ভুত সব আচরণ, বিতর্কিত মন্তব্য ও হাস্যরসের জন্য পরিচিতি পাওয়া সিফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা’র জীবন সংকটাপন্ন। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হসপিটালে চিকিৎসাধীন একটি ছবি শেয়ার করে বিষয়টি জানান নিজেই।

 

তবে এবার সিফাত উল্লাহ যা লিখেছেন তাতে অবশ্য মন পুড়বে ভক্তদের। কারণ এতে সবার চোখে ভেসে উঠবে একজন রষিক মানুষের একাকিত্বের গল্পটা।

 

সিফাত উল্লাহর পোস্টটি ছিলো এমন— ‘আমার অবস্থা সংকটাপন্ন। আপনারা অনেকেই জানেন, আমার পৈতৃক সম্পত্তি দেশে যা আছে আমি একটি কলেজের নামে দিয়ে দিয়েছি। ইচ্ছে ছিল মায়ের নামে একটি হাসপাতাল করার। যদি আমি মারা যাই, আপনাদের কাছে শুধু দোয়া চাই। হয়ত আমার লাশ আমার প্রিয় বাংলাদেশে যাবে না। নেওয়ার মতো কেউ নেই, আমাকে সবাই ক্ষমা করুন।’

 

সিফাত উল্লাহ, যিনি অনলাইনে ‘সেফুদা’ নামে পরিচিত। অস্ট্রিয়ান প্রবাসী এই বাংলাদেশি দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচিত নানান হাস্যরসাত্বক কর্মকাণ্ডের কারণে। ফেসবুকে তার ফলোয়ারের সংখ্যাও প্রায় ৫ লাখ।

 

জানা যায়, সেফুদা খুলনার সোনাডাঙ্গায় ৫ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। ১৯৮৫ (মতান্তরে ১৯৮৮) সালে প্রথম সৌদি আরব যান এবং সেখান থেকে ১৯৮৮ সালে (মতান্তরে ১৯৯১) সালে অস্ট্রিয়ায় যান।

 

তথ্য অনুযায়ী, সেফাত উল্লাহ ১৯৭৯/১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এরপর ভিয়েনায় এক স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন তিনি। পাশাপাশি একটি অনলাইন শপে পার্টটাইম কাজ করতেন। ২০১০ সালে স্ট্রোক করেন সিফাত উল্লাহ। তার কিছুদিন পর মাথার চুল পড়ে যায়।

 

সেফুদার স্ত্রী এবং এক সন্তান রয়েছে। যদিও বর্তমানে তার স্ত্রী-সন্তান কিংবা পরিবারের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই। পারিবারিক সম্পর্কবিহীন সিফাত উল্লাহ দেশের ওপর রাগ করে একাকী প্রবাস যাপন করছেন দীর্ঘদিন।

 

সেফুদার বড় ভাই শামছুল আলম মজুমদারের ভাষ্যমতে, ‘সেফাত উল্লাহ ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। এরপর জাতিসংঘের শ্রম সংস্থায়ও (আইএলও) চাকরি করেছিলেন একসময়।

আমার অবস্থা সংকটাপন্ন: সেফুদা

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে ইউনিয়নের নুর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দোকান নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রলীগ কর্মী মামুনুর রশিদ মামুন ও শাহাদাত হোসেন তাকে হত্যা করেছেন।

 

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় পারভেজ ও মামুন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। সে সময় আদালতের বিভিন্ন ব্যয় পারভেজ বহন করলেও মামুন কোনো অর্থ দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি। জামিনে মুক্তির পর স্থানীয় একটি দোকানকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়।

 

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজ হাতে থাকা একটি লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। পরে দুই পক্ষের স্বজনেরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।নিহতের বাবা আবু তাহের বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি সর্বশেষ ছেলেকে দেখেন। শনিবার সকালে বাড়ির সামনে ছেলের গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দোকান নিয়ে বিরোধের জেরেই শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুন পারভেজকে হত্যা করেছেন।

 

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের বলেন, নিহত পারভেজ এবং অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা একই কারাগারে ছিলেন। জামিনে মুক্তির পর তাদের মধ্যে বিরোধ বাড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফেনীতে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে যুবলীগ কর্মী খুন

ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চলের কর্মজীবীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে দীর্ঘ ২৩ বছর পর বাগেরহাটের মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে।

 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে মোংলা ফেরিঘাটে ফুলটাইম ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইপিজেডের শ্রমিকদের যাতায়াত সহজ করতে সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত নদীর উভয় প্রান্ত থেকে ফেরি চলাচল করবে। এছাড়া অফিস ছুটির সময়েও দুই পাশ থেকেই ফেরি চলাচল করবে।

 

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরও জানান, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল নিয়মিত খনন করা হবে।

 

২০০৩ সালে মোংলা নদীতে ফেরি চলাচল শুরু হলেও এতদিন শুধুমাত্র জোয়ারের সময় ফেরি চলত। বাকি সময় বন্ধ থাকত ফেরি সেবা।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর মোংলা নদীতে চালু হলো ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d