শ্রীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান করলেন জেলা বিএনপি'র নেতৃবৃন্দ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শ্রীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান করলেন জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ

শ্রীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান করলেন জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ

মুজাহিদ শেখ (মাগুরা) প্রতিনিধি
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের রাধানগর বাজারের পাশের একটি জমি
নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটিপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ জানুয়ারি ১০ ঘটিকার সময় রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উভয় পক্ষের মধ্যে শৃষ্ট বিরোধ নিরসনে জেলা বিএনপির আহবায়ক আলী আহমেদ ও সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন খাঁন, যুগ্ম আহবায় খান আমিনুর রহমান পিকুলসহ শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসার সার্থে সকলের বক্তব্য শুনে ঝামেলাটা নিরসন করতে জেলা নেতৃবৃন্দ তিনজন আইনজীবীকে দায়িত্ব দেন।

জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও আইনজীবী গন জনান, উভয়পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর জেলা বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের অবগত করার পর তারা সিধান্ত গ্রহন করেন যে শ্রীপুর উপজেলার ৫৫ নং কাদিরপাড়া মৌজার হাল খতিয়ান ৩৭১ সাবেক দাগ নং ২৬৪২, হাল ৪৮৮৩,সাবেক দাগ ২৬৩৮ হাল ৪৮৮৯,ও সাবেক ২৬৩০ হাল ৪৮৮৭ দাগের পূর্বের মালিকের মৃত্যুর পর ওয়ারেশ সুত্রে পুত্র মোঃআবুল হোসেন ও কন্যা সুফিয়া বেগম প্রাপ্যদার হন।
১ম পক্ষ মোঃআজাদ ও সাহেব আলী পিতা আঃবারিক বিশ্বাস সাং রাধানগর ২৮ আগষ্ট ২০২৩ তারিখে কবলা দলিমুলে ১০ শতক জমি আবুল হোসেনের নিকট হতে খরিদ করেন।
সুফিয়া বেগম বাবা এবং মায়ের ওয়ারেশ হিসেবে ১৩১ শতক জমির মধ্যে ২২,৬৯ শতক জমির অংশিদার।

সুফিয়া বেগমের প্রাপ্ত জমি থেকে ইং ১৩ মে ১৯৯৯ সালে কবলা দলিল মুলে মসলেম উদ্দিন ও মোঃ মাহবুব রশিদ সাং কাদিরপাড়া জমির অংশ থেকে ১০ শতক জমি খরিদ করেন।
ঐ একই তারিখে সাফ কবলা মূলে ইসলাম উদ্দিন পিতা কুরবান শেখ, রাহেমন নেশা স্বামী ইসলাম শেখ খরিদ করেন।
কিন্তু মোঃআবু জাফর মন্ডল ও আজিজুর রহমান মন্ডল পিতা মোহন মন্ডল কাদিরপাড়া মোছা সুফিয়া খাতুনকে দত্তা দেখিয়ে তার প্রাপ্য জমির অংশ থেকে ১২ জুলাই ১৯৯৯ তারিখে একটি কবলা দলিল মুলে ২০ শতক জমি খরিদ করেন।
উল্লেখ্য সুফিয়া বেগম তার বাবা এবং মায়ের ওয়ারেশ হিসেবে ১৩১ শতক জমির মধ্যে ২২,৬৯ শতক জমির অংশিদার কিন্তু ১৩ মে ১৯৯৯ তারিখে মসলেম উদ্দিন,মাহবুবুর রশিদ ১০ শতক ও একই তারিখে ইসলাম উদ্দিন, মোছাঃ রাহেমন নেছা কবলা দলিল মুলে ১০ শতক জমি মোট ২০ শতক জমি বিক্রয় করেছেন তাহলে আবু জাফর মন্ডল গং জমি খরিদ করেছেন ১২ জুলাই ১৯৯৯ তারিখে কাগজপত্র বিচার বিশ্লেষণ করে দেখা যায় আবু জাফর মন্ডল গং দুই মাস পরে দলিল করেছন যেহেতু সুফিয়া বেগম ২২.৬৯ শতক জমির ওয়ারেশ কিন্ত। আগেই ২০ শতক জমি বিক্রয় করেছেন তাহলে আবুরজাফর মন্ডল গং ২.৬৯ শতক জমির মালিকানা পাবে।

এ বিষয়ে জাফর মন্ডল বলেন, আমি এ এক পক্ষীয় শালিশি রায় মানি না আমি জমি ক্রয় করেছি আমি জমি পাবো এ জমি নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান তাই মামলা চলমান অবস্থায় কোন শালিশ হতে পারেনা।
মুজাহিদ শেখ
শ্রীপুর প্রতিনিধি


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d