” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।
” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।

” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।

পীরজাদা মোহাম্মদ হাসান আলীঃ

পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়।

অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায় এবং ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তিসহকার পেট পুর্ন করে খায়ালে আরও এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়। এই হাদিসের বর্ননা মতে অনেকেই মনে করতে পারে রোজদার রোজা রেখে পেল এক রোজার সওয়াব পক্ষান্তরে যে রোজাদার কে ইফতার করালো ও খাওয়ালো সে পাবে দুই রোজার সওয়াব! আগেই বলাহয়েছে রমজান সওয়াব হাসিলের মাস মহান আল্লাহ তার বান্দার জন্য বিভিন্ন ভাবে সওয়াব হাসিলের উপায় দেখিয়াছেন। আজ থেকে ৪০ বছর আগে গ্রামীণ এলাকায় কিছু কু সংস্কার ছিল তারা রোজা রেখে অন্যের বাড়িতে ইফতার করতে চাইতনা তারা মনে করত যে ইফতার দানকারী তার রোজা নিয়ে যাবে বা রোজার সওয়াব নিয়ে যাবে কিন্ত না যিনি রোজাদার তার সওয়াব কেউ নিতে পারবেনা বা তার সওয়াবের কোন কমতি হবেনা। রোজাদারকে ইফতার করালে বা খাওয়ালে যে বা যারা ইফতার করালো বা খাওয়ালো সবাই সওয়াবের ভাগি হল কিন্ত এতে রোজাদারের রোজার সওয়াবের বিন্দুমাত্র কম হবেনা তিনি পূর্ণ সওয়াব পাবেন এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে যদি দশজন বা একশতজন মিলেও একজন রোজাদার কে ইফতার করায় ও ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ায় তবে সবাই কিন্ত এক রোজার সওয়াব পাবে কিন্ত এতে রোজাদার ব্যক্তির রোজার সওয়াবের বিন্দুমাত্র কমতি হবেনা। অন্যত্র বর্নিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে এবং ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ালে অন্যমাসের হাজার রোজাদারকে ইফতার করালে ও ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ালেও রমজান মাসের সমপরিমাণ সওয়াব হবেনা তাহলে বুঝতেই পারছেন পবিত্র রমজান মাস কত উত্তম এবং এই মাসের ইবাদতের ফজিলত কত বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ।আসুন আমরা সবাই সকলের জন্য সকলেমিলে মহান আল্লাহর দরবারে হাত তুলে ফরিয়াদ করি যাতে আমরা সকল মুসলমান পবিত্র রমজান মাসের সবকয়টি রেজা রাখতে পারি এবং তারাবির নামাজ আদায় করতে পারি পরিপূর্ণ ভাবে। আমিন


One response to “” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।”

  1. To whom it may concern,
    .
    I hope you are well. I recently came across your website and
    was impressed by the high quality of your content.
    I believe that a mutually beneficial partnership could be formed by exchanging backlinks between our websites.
    A backlink is a link from your website to mine, and vice versa.
    Backlinks are a key factor in search engine ranking algorithms,
    and can help increase the visibility and authority of both of our websites.

    .
    I am offering to exchange backlinks with
    you. If you are interested in this opportunity, please let me know and I would be happy to provide you with the necessary information to set
    up the exchange.

    Our Website: https://m.cheapestdigitalbooks.com
    .
    Thank you for considering my offer. I look forward to the possibility of working with you and building
    a long-term partnership.
    .
    Kind regards,
    David E. Smith

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‎বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) শাখার ২০২৫-২৬ কার্যবর্ষের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত কমিটিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইমন হোসেন কে  সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতি খাতুন কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ সজীব প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‎বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে
কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দিতে বলা হয়েছে।

‎নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. ইমন হোসেন বলেন,”এই দায়িত্ব আমার কাছে কেবল একটি পদ নয়- এটি একটি দায়িত্বের প্রতিজ্ঞা। আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি তরুণ লেখকের কলমে লুকিয়ে আছে পরিবর্তনের শক্তি, জাগরণের আগুন, আর ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি। আমি চাই তরুণ কলাম লেখকদের কলম হোক হাতিয়ার – স্বপ্নের,সাফল্যের, প্রতিবাদেরও, যেখানে শব্দ জন্ম দেবে চিন্তার, আর চিন্তা জাগাবে মানবতা। আমাদের লক্ষ্য শুধু লেখা নয়—সমাজে আলোর বীজ বপন করা। আমার বিশ্বাস  তরুণ কলাম লেখক ফোরাম হবে সেই মঞ্চ, যেখানে তরুণের ভাবনা মিলবে দেশের হৃদস্পন্দনের সাথে, আর কলম হবে পরিবর্তনের পতাকা।”

সাধারণ সম্পাদক জান্নাতি খাতুন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, কলমের রাজ্যে আজ নতুন সূর্যের উদয়। দায়িত্ব নয়, এটি এক বিশ্বাস—চিন্তার প্রদীপ জ্বেলে ফোরামকে স্বপ্নের চূড়ায় পৌঁছে দেওয়া।আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—প্রতিটি শব্দে জাগবে সত্য, প্রতিটি লেখায় ফুটবে প্রজ্ঞার ফুল। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এখন হবে এক অগ্নিশিখা—যেখানে কলম হবে তরবারি, চিন্তা হবে বিপ্লবের অঙ্গীকার”।

প্রসঙ্গত, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। তরুণ লেখকদের পরামর্শ দেওয়া, পত্রিকায় লেখা প্রকাশে সহযোগিতাসহ লেখালেখি বিষয়ক সভা, সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, গোবিপ্রবি শাখার নেতৃত্বে ইমন-জান্নাতি

 

মেহেদী হাসান:

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে এক বিশেষ সেমিনার এর আয়োজন  সম্পন্ন হয়েছে।

১০ই অক্টোবর রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় ঐতিহ্যবাহী নকিপুর জমিদার বাড়ি মাঠ প্রাঙ্গণে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে, এলাকার সাধারণ কৃষকদের বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদের জন্য এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

 

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, খুলনা কৃষ ইনস্টিটিউট দৌলতপুরের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ জনাব এস এম ফেরদৌস হোসেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী ছিলেন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ জামাল ফারুক।উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব শেখ সাখাওয়াত হোসেন উপজেলা কৃষি অফিসার ফকিরহাট। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগরের সুযোগ্য কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হুদা এবং উক্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ, শ্যামনগর উপজেলা শাখার অন্যতম নেতা জনাব হাজী আশরাফুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠান সাফল্যমন্ডিত করার জন্য সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র শেখ সিরাজুল ইসলাম মিলন।অনুষ্ঠানটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, প্রভাষক সামিউল ইমাম আজম মনির, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু কৃষ্ণান্দ মুখার্জী, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক এ মাজিজুল হক, বাবু রনজিত দেবনাথ, শেখ মেহেদী হাসান, এস এম তরিকুল ইসলাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে, বক্তারা বলেন এলাকার একমাত্র মিষ্টি পানির খালটি সাধারণ কৃষকদের বোরো মৌসুমে সেচের জন্য একমাত্র উপায়। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী স্বার্থন্বেষী মানুষ তাদের ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থের নিমিত্তে এই খালটি নেট পাটা দিয়ে লোনা পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে খালটিতে চিংড়ি চাষ অব্যাহত রেখেছে। যাহার ফলে ৬০০-৭০০ জমিতে বোরো ধান চাষে আগ্রহী কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সাধারণ কৃষকদের দাবি অনতিবিলম্বে খালটি অবমুক্ত করা সহ খালটিতে মিষ্টি পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। না হলে,দেশের কৃষি খাত মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শ্যামনগরে Hutch Bangladesh এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত  

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d