" রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়"। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।

” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।

পীরজাদা মোহাম্মদ হাসান আলীঃ

পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়।

অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায় এবং ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তিসহকার পেট পুর্ন করে খায়ালে আরও এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়। এই হাদিসের বর্ননা মতে অনেকেই মনে করতে পারে রোজদার রোজা রেখে পেল এক রোজার সওয়াব পক্ষান্তরে যে রোজাদার কে ইফতার করালো ও খাওয়ালো সে পাবে দুই রোজার সওয়াব! আগেই বলাহয়েছে রমজান সওয়াব হাসিলের মাস মহান আল্লাহ তার বান্দার জন্য বিভিন্ন ভাবে সওয়াব হাসিলের উপায় দেখিয়াছেন। আজ থেকে ৪০ বছর আগে গ্রামীণ এলাকায় কিছু কু সংস্কার ছিল তারা রোজা রেখে অন্যের বাড়িতে ইফতার করতে চাইতনা তারা মনে করত যে ইফতার দানকারী তার রোজা নিয়ে যাবে বা রোজার সওয়াব নিয়ে যাবে কিন্ত না যিনি রোজাদার তার সওয়াব কেউ নিতে পারবেনা বা তার সওয়াবের কোন কমতি হবেনা। রোজাদারকে ইফতার করালে বা খাওয়ালে যে বা যারা ইফতার করালো বা খাওয়ালো সবাই সওয়াবের ভাগি হল কিন্ত এতে রোজাদারের রোজার সওয়াবের বিন্দুমাত্র কম হবেনা তিনি পূর্ণ সওয়াব পাবেন এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে যদি দশজন বা একশতজন মিলেও একজন রোজাদার কে ইফতার করায় ও ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ায় তবে সবাই কিন্ত এক রোজার সওয়াব পাবে কিন্ত এতে রোজাদার ব্যক্তির রোজার সওয়াবের বিন্দুমাত্র কমতি হবেনা। অন্যত্র বর্নিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে এবং ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ালে অন্যমাসের হাজার রোজাদারকে ইফতার করালে ও ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ালেও রমজান মাসের সমপরিমাণ সওয়াব হবেনা তাহলে বুঝতেই পারছেন পবিত্র রমজান মাস কত উত্তম এবং এই মাসের ইবাদতের ফজিলত কত বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ।আসুন আমরা সবাই সকলের জন্য সকলেমিলে মহান আল্লাহর দরবারে হাত তুলে ফরিয়াদ করি যাতে আমরা সকল মুসলমান পবিত্র রমজান মাসের সবকয়টি রেজা রাখতে পারি এবং তারাবির নামাজ আদায় করতে পারি পরিপূর্ণ ভাবে। আমিন


অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পাওয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাব্বির আলমকে সংবর্ধনা

 

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা `অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া মেডেল (OAM)’ অর্জন করায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাব্বির আলমকে সংবর্ধনা দিয়েছে ভিক্টোরিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটি।

 

১২ জুলাই: মেলবোর্নের গ্লেন ওয়েভারলি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ নাগরিক সংবর্ধনায় বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন প্রজন্মের বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। শীত ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁরা সার্জেন্ট আলমের এই অর্জন উদ্‌যাপনে একত্র হন।

 

সার্জেন্ট শাব্বির আলম দীর্ঘদিন ধরে মানবসেবা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, জননিরাপত্তা ও কমিউনিটি উন্নয়নে অবদান রেখে আসছেন। বিশেষ করে ২০০৯ সালের ব্ল্যাক স্যাটারডে এবং ২০১৯ সালের ব্ল্যাক সামার দাবানলের সময় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এসব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে OAM প্রদান করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে। সঞ্চালনা করেন আমিন রহমান। অস্ট্রেলিয়ার প্রচলিত *Acknowledgement of Country*-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে সার্জেন্ট আলমের বিভিন্ন পদক, সম্মাননা ও অর্জনের বিবরণ তুলে ধরা হলে উপস্থিত অতিথিরা করতালির মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান।

 

বক্তব্যে মুশফিকুর রহমান বলেন, সার্জেন্ট আলম জেনারেশন–ওয়াইয়ের প্রতিনিধি। এর আগে OAM অর্জনকারী বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয়রা ছিলেন বেবি বুমার প্রজন্মের। তাঁর মতে, এটি বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটির বিকাশ ও মূলধারার অস্ট্রেলীয় সমাজে তাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রতিফলন।

 

তিনি আরও বলেন, আগের প্রজন্মের অনেকেই মূলত বাংলাদেশি অভিবাসীদের সহায়তায় কাজ করেছেন। অন্যদিকে সার্জেন্ট আলমের সেবার পরিধি সমগ্র অস্ট্রেলীয় সমাজজুড়ে বিস্তৃত, যা বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয়দের স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

 

অনুষ্ঠানে কামরুল চৌধুরী OAM, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান OAMসহ আরও কয়েকজন বক্তা সার্জেন্ট আলমের অবদানের প্রশংসা করেন।

 

প্রতিক্রিয়ায় সার্জেন্ট শাব্বির আলম বলেন, কোনো বড় অর্জন বা জনসেবা একার পক্ষে সম্ভব নয়। এর পেছনে একটি নিবেদিত দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকে। তিনি তাঁর সহকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

 

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে তাঁর হাতে একটি *Certificate of Appreciation* তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননাপত্রে মানবসেবা, বিনয় এবং সব সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাঁর অবদানের প্রশংসা করা হয়।

 

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় ঘরে তৈরি বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন ও নাস্তা। পরে সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডা, স্মৃতিচারণ এবং আলোকচিত্র ধারণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

 

আয়োজকদের ভাষ্য, এই সংবর্ধনা শুধু সার্জেন্ট শাব্বির আলমের ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতিই নয়; এটি বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটির সামাজিক দায়বদ্ধতা, স্বেচ্ছাসেবামূলক চর্চা এবং বৃহত্তর অস্ট্রেলীয় সমাজে তাদের ইতিবাচক অবদানেরও একটি প্রতীক।

 

*প্রতিবেদন: এম. রহমান, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া*

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পাওয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাব্বির আলমকে সংবর্ধনা

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা করেছেন র‍্যাব- ১৩, সিপিসি-২। বুধবার ষ

(২৯ জুলাই) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করা হয়।

র‍্যাব-১৩, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার

স্কোয়াড্রোন লিডার আশরাফুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

(প্রশাসক ও অর্থ) মো. মহসীন। সভায় বক্তারা বলেন, মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয়

নেতাসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা 

 

নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চেরি গাছ উপহার: অনন্য নজির রাখলেন নওগাঁর ‘তাল বেলাল’

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক জেনারেল হাসপাতালের সৌন্দর্য ও পরিবেশের শোভা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে ‘নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা’র উদ্যোগে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রোপণের জন্য শোভাবর্ধনকারী থাই চেরি ফুলের গাছ উপহার দেওয়া হয়। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ও দেশবরেণ্য বিশিষ্ট বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলালের ব্যক্তিগত উদ্যোগে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু জার গাফফার-এর হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই চেরি ফুলের গাছ তুলে দেওয়া হয়। গাছ হস্তান্তরকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসাদুজ্জামান খান চৌধুরী, সদস্য আব্দুল কাইউম, সজিব হোসেন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। গাছ হস্তান্তরকালে আরএমও ডা. আবু জার গাফফার বলেন, “হাসপাতালের মতো একটি জনাকীর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে এ ধরনের দৃষ্টিনন্দন ফুলের গাছ রোপণ রোগীদের মানসিক প্রশান্তি দেবে। পরিবেশ রক্ষায় ও হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ মনোরম করতে এই সবুজ উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। “অনুষ্ঠানে বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে সুশোভিত করতে এবং এখানে আগত সেবাপ্রার্থীদের মনে কিছুটা স্বস্তি দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। “উল্লেখ্য, বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল পরিবেশ রক্ষায় একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ। তিনি ইতিপূর্বে সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের দু’পাশের প্রায় ৭৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিপুল পরিমাণ তাল বীজ রোপণ করে দেশজুড়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। মহাসড়কের পাশে তাঁর রোপণ করা সেই তালগাছগুলো এখন দৃশ্যমান ও পরিবেশের শোভা বাড়াচ্ছে। এই অসাধারণ কীর্তির জন্য তিনি এলাকাবাসী ও পরিবেশবাদীদের কাছে ‘তাল বেলাল’ নামে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। এর পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি নিয়মিত ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ রোপণ করে আসছেন।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

তারিখঃ ২৯-৭-২০২৬

নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চেরি গাছ উপহার: অনন্য নজির রাখলেন নওগাঁর ‘তাল বেলাল’

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

*শ্যামনগরে পুলিশের অভিযানে বিপুল মাদক ও অবৈধ ওষুধ জব্দ, অন্ধকারে পালালো কারবারিরা*।

 

*সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,*

*শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি*,

*দৈনিক আমাদের দেশ*।

 

*শ্যামনগর, সাতক্ষীরা | ২৯ জুলাই ২০২৬:* সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল জাতীয় কাফ সিরাপ ও অবৈধ স্কিন ক্রিম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে শ্যামনগর থানার এসআই সুদেব কুমার এবং এএসআই ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পার্শ্বেখালী এলাকার ওয়াপদার ওপর শামসুজ্জামান গাজীর রাইস মিলের পশ্চিম পাশে অভিযান চালায়।

 

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কারবারিরা মালামাল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি করে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়:

 

– *উইনসেরেক্স কাফ সিরাপ:* ১৩৯ বোতল

– *এসকাফ কাফ সিরাপ:* ৪৪ বোতল

– *গোমেলা ১৫ গ্রাম ক্রিম:* ৫২২ টি

– *গোমেলা ক্রিমের খালি মোড়ক:* ২৬১ টি

 

উদ্ধারকৃত কাফ সিরাপগুলো ফেনসিডিল হিসেবে এবং ক্রিমগুলো নিষিদ্ধ উপাদানযুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। পালিয়ে যাওয়া চিহ্নিত ও অজ্ঞাতনামা কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত মালামাল শ্যামনগর থানায় জব্দ তালিকাভুক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শ্যামনগরে পুলিশের অভিযানে বিপুল মাদক ও অবৈধ ওষুধ জব্দ, অন্ধকারে পালালো কারবারিরা

গাইবান্ধায় হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের পুটিমারী গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন একটি লোহার কারখানার বিরুদ্ধে চলমান আইনি কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং প্রতিবাদী গ্রামবাসীকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়েরের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

(২৮জুলাই) মঙ্গলবার সকালে সমবায় মার্কেটের ২য় তলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোছাঃ শিলা খাতুন।

 

তিনি অভিযোগ করেন, কারখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মর্জিনা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছেন। সম্প্রতি দায়ের করা একটি মামলায় সেলিম ও আশরাফুল নামে দুইজন কারাগারে রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।

 

গ্রামবাসীর দাবি, পরিবেশ অধিদপ্তরের উচ্ছেদ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং নিরীহ গ্রামবাসীকে হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাইবান্ধায় হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

One response to “” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”।”

  1. To whom it may concern,
    .
    I hope you are well. I recently came across your website and
    was impressed by the high quality of your content.
    I believe that a mutually beneficial partnership could be formed by exchanging backlinks between our websites.
    A backlink is a link from your website to mine, and vice versa.
    Backlinks are a key factor in search engine ranking algorithms,
    and can help increase the visibility and authority of both of our websites.

    .
    I am offering to exchange backlinks with
    you. If you are interested in this opportunity, please let me know and I would be happy to provide you with the necessary information to set
    up the exchange.

    Our Website: https://m.cheapestdigitalbooks.com
    .
    Thank you for considering my offer. I look forward to the possibility of working with you and building
    a long-term partnership.
    .
    Kind regards,
    David E. Smith

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পাওয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাব্বির আলমকে সংবর্ধনা

 

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা `অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া মেডেল (OAM)’ অর্জন করায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাব্বির আলমকে সংবর্ধনা দিয়েছে ভিক্টোরিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটি।

 

১২ জুলাই: মেলবোর্নের গ্লেন ওয়েভারলি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ নাগরিক সংবর্ধনায় বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন প্রজন্মের বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। শীত ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁরা সার্জেন্ট আলমের এই অর্জন উদ্‌যাপনে একত্র হন।

 

সার্জেন্ট শাব্বির আলম দীর্ঘদিন ধরে মানবসেবা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, জননিরাপত্তা ও কমিউনিটি উন্নয়নে অবদান রেখে আসছেন। বিশেষ করে ২০০৯ সালের ব্ল্যাক স্যাটারডে এবং ২০১৯ সালের ব্ল্যাক সামার দাবানলের সময় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এসব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে OAM প্রদান করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে। সঞ্চালনা করেন আমিন রহমান। অস্ট্রেলিয়ার প্রচলিত *Acknowledgement of Country*-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে সার্জেন্ট আলমের বিভিন্ন পদক, সম্মাননা ও অর্জনের বিবরণ তুলে ধরা হলে উপস্থিত অতিথিরা করতালির মাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান।

 

বক্তব্যে মুশফিকুর রহমান বলেন, সার্জেন্ট আলম জেনারেশন–ওয়াইয়ের প্রতিনিধি। এর আগে OAM অর্জনকারী বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয়রা ছিলেন বেবি বুমার প্রজন্মের। তাঁর মতে, এটি বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটির বিকাশ ও মূলধারার অস্ট্রেলীয় সমাজে তাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রতিফলন।

 

তিনি আরও বলেন, আগের প্রজন্মের অনেকেই মূলত বাংলাদেশি অভিবাসীদের সহায়তায় কাজ করেছেন। অন্যদিকে সার্জেন্ট আলমের সেবার পরিধি সমগ্র অস্ট্রেলীয় সমাজজুড়ে বিস্তৃত, যা বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয়দের স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

 

অনুষ্ঠানে কামরুল চৌধুরী OAM, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান OAMসহ আরও কয়েকজন বক্তা সার্জেন্ট আলমের অবদানের প্রশংসা করেন।

 

প্রতিক্রিয়ায় সার্জেন্ট শাব্বির আলম বলেন, কোনো বড় অর্জন বা জনসেবা একার পক্ষে সম্ভব নয়। এর পেছনে একটি নিবেদিত দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকে। তিনি তাঁর সহকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

 

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে তাঁর হাতে একটি *Certificate of Appreciation* তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননাপত্রে মানবসেবা, বিনয় এবং সব সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাঁর অবদানের প্রশংসা করা হয়।

 

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় ঘরে তৈরি বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন ও নাস্তা। পরে সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডা, স্মৃতিচারণ এবং আলোকচিত্র ধারণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

 

আয়োজকদের ভাষ্য, এই সংবর্ধনা শুধু সার্জেন্ট শাব্বির আলমের ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতিই নয়; এটি বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটির সামাজিক দায়বদ্ধতা, স্বেচ্ছাসেবামূলক চর্চা এবং বৃহত্তর অস্ট্রেলীয় সমাজে তাদের ইতিবাচক অবদানেরও একটি প্রতীক।

 

*প্রতিবেদন: এম. রহমান, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া*

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পাওয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সার্জেন্ট মোহাম্মদ শাব্বির আলমকে সংবর্ধনা

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা করেছেন র‍্যাব- ১৩, সিপিসি-২। বুধবার ষ

(২৯ জুলাই) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করা হয়।

র‍্যাব-১৩, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার

স্কোয়াড্রোন লিডার আশরাফুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

(প্রশাসক ও অর্থ) মো. মহসীন। সভায় বক্তারা বলেন, মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয়

নেতাসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারীতে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা 

১৪৪ ধারা জারির মধ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর হবিগঞ্জে প্রবেশের পথে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে। এসময় এনসিপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়।

 

বহরে আছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীনসহ আরও অনেকে।

 

আজ বুধবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের প্রবেশপথ সাতগাঁও এলাকায় পুলিশ তাদের আটকে দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে বাদানুবাদ চলছে। একই সময়ে দলীয় কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শহরের অন্তত ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

 

বুধবার বিকাল ৪টায় জেলা এনসিপির সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন আগামীর সময়কে জানান, হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করতে কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশের কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ পথে বাধা দিয়ে তাদের আটকে দিয়েছে।

 

অন্যদিকে ছাত্রদলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ১৪৪ ধারার কারণে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে না। তবে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান করছেন।

 

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন। বুধবার সকাল থেকেই টাউন হল, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সদর মডেল থানা, আদালত এলাকা, টাউন হল রোড, চৌধুরীবাজার, কালীবাড়ি রোড, রাজনগর ও শায়েস্তানগরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শতাধিক পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।

 

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টাউন হলের সামনে পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমসহ নেতারা সোনালী ব্যাংকের হবিগঞ্জ প্রধান শাখায় আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নেতৃত্বে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

 

হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করে সারজিস আলম দাবি করেন, হামলায় একজন কর্মীর একটি চোখ নষ্ট হয়েছে, জেলা এনসিপির নেতা মুবিনের হাত ভেঙেছে এবং তিনি নিজেও আঙুলে আঘাত পেয়েছেন।

এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ, নেতাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি

 

নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চেরি গাছ উপহার: অনন্য নজির রাখলেন নওগাঁর ‘তাল বেলাল’

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক জেনারেল হাসপাতালের সৌন্দর্য ও পরিবেশের শোভা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে ‘নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা’র উদ্যোগে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রোপণের জন্য শোভাবর্ধনকারী থাই চেরি ফুলের গাছ উপহার দেওয়া হয়। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ও দেশবরেণ্য বিশিষ্ট বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলালের ব্যক্তিগত উদ্যোগে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু জার গাফফার-এর হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই চেরি ফুলের গাছ তুলে দেওয়া হয়। গাছ হস্তান্তরকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসাদুজ্জামান খান চৌধুরী, সদস্য আব্দুল কাইউম, সজিব হোসেন এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। গাছ হস্তান্তরকালে আরএমও ডা. আবু জার গাফফার বলেন, “হাসপাতালের মতো একটি জনাকীর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে এ ধরনের দৃষ্টিনন্দন ফুলের গাছ রোপণ রোগীদের মানসিক প্রশান্তি দেবে। পরিবেশ রক্ষায় ও হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ মনোরম করতে এই সবুজ উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। “অনুষ্ঠানে বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে সুশোভিত করতে এবং এখানে আগত সেবাপ্রার্থীদের মনে কিছুটা স্বস্তি দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। “উল্লেখ্য, বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল পরিবেশ রক্ষায় একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ। তিনি ইতিপূর্বে সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের দু’পাশের প্রায় ৭৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিপুল পরিমাণ তাল বীজ রোপণ করে দেশজুড়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। মহাসড়কের পাশে তাঁর রোপণ করা সেই তালগাছগুলো এখন দৃশ্যমান ও পরিবেশের শোভা বাড়াচ্ছে। এই অসাধারণ কীর্তির জন্য তিনি এলাকাবাসী ও পরিবেশবাদীদের কাছে ‘তাল বেলাল’ নামে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। এর পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি নিয়মিত ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ রোপণ করে আসছেন।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

তারিখঃ ২৯-৭-২০২৬

নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চেরি গাছ উপহার: অনন্য নজির রাখলেন নওগাঁর ‘তাল বেলাল’

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল। সংগঠনের দাবি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃত নেতা মো. আরিফুল ইসলামের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি প্রেরণ করেন জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক খালিদ হাসান।

 

এর আগে শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের একাংশের নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলন করে আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক (সমকামিতা) প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন।

 

তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক দাবি করেন, বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত মেসেঞ্জার কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

অপর ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

 

পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার বলেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মো. আরিফুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদল শৃঙ্খলা পরিপন্থি কোনো কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেয় না।

সমকামিতার অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

*শ্যামনগরে পুলিশের অভিযানে বিপুল মাদক ও অবৈধ ওষুধ জব্দ, অন্ধকারে পালালো কারবারিরা*।

 

*সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,*

*শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি*,

*দৈনিক আমাদের দেশ*।

 

*শ্যামনগর, সাতক্ষীরা | ২৯ জুলাই ২০২৬:* সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল জাতীয় কাফ সিরাপ ও অবৈধ স্কিন ক্রিম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে শ্যামনগর থানার এসআই সুদেব কুমার এবং এএসআই ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পার্শ্বেখালী এলাকার ওয়াপদার ওপর শামসুজ্জামান গাজীর রাইস মিলের পশ্চিম পাশে অভিযান চালায়।

 

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কারবারিরা মালামাল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি করে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়:

 

– *উইনসেরেক্স কাফ সিরাপ:* ১৩৯ বোতল

– *এসকাফ কাফ সিরাপ:* ৪৪ বোতল

– *গোমেলা ১৫ গ্রাম ক্রিম:* ৫২২ টি

– *গোমেলা ক্রিমের খালি মোড়ক:* ২৬১ টি

 

উদ্ধারকৃত কাফ সিরাপগুলো ফেনসিডিল হিসেবে এবং ক্রিমগুলো নিষিদ্ধ উপাদানযুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। পালিয়ে যাওয়া চিহ্নিত ও অজ্ঞাতনামা কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত মালামাল শ্যামনগর থানায় জব্দ তালিকাভুক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শ্যামনগরে পুলিশের অভিযানে বিপুল মাদক ও অবৈধ ওষুধ জব্দ, অন্ধকারে পালালো কারবারিরা

গাইবান্ধায় হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের পুটিমারী গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন একটি লোহার কারখানার বিরুদ্ধে চলমান আইনি কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং প্রতিবাদী গ্রামবাসীকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়েরের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

(২৮জুলাই) মঙ্গলবার সকালে সমবায় মার্কেটের ২য় তলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোছাঃ শিলা খাতুন।

 

তিনি অভিযোগ করেন, কারখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মর্জিনা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছেন। সম্প্রতি দায়ের করা একটি মামলায় সেলিম ও আশরাফুল নামে দুইজন কারাগারে রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।

 

গ্রামবাসীর দাবি, পরিবেশ অধিদপ্তরের উচ্ছেদ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং নিরীহ গ্রামবাসীকে হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাইবান্ধায় হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এআই প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রোফাইল ও নকল পরিচয়ের সংখ্যা বাড়ছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি বিনামূল্যের পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করছে ফেসবুক।

 

‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ নামে নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একটি সংক্ষিপ্ত সেলফি ভিডিও জমা দিয়ে পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। যাচাই সম্পন্ন হলে তাদের প্রোফাইলে একটি বিশেষ ব্যাজ যুক্ত হবে, যা দেখাবে অ্যাকাউন্টটির পেছনে একজন বাস্তব ব্যক্তি রয়েছেন।

 

মেটা জানিয়েছে, এটি তাদের অর্থের বিনিময়ে দেওয়া ‘মেটা ভেরিফায়েড’ সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি সেবা।

 

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নতুন এই ভেরিফায়েড ব্যাজ ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা নিয়ে আসবে।

 

যেসব সুবিধা মিলবে

 

দ্রুত পরিচয় যাচাই: সংক্ষিপ্ত সেলফি ভিডিও জমা দিলেই কয়েক মিনিটের মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হতে পারে।

 

ভুয়া অ্যাকাউন্ট চেনা সহজ: ব্যাজ দেখে সহজেই বোঝা যাবে, অ্যাকাউন্টটি একজন বাস্তব ব্যক্তির।

 

মার্কেটপ্লেসে নিরাপদ লেনদেন: ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে আস্থা বাড়বে।

 

ডেটিং প্রোফাইলে বাড়তি বিশ্বাসযোগ্যতা: ভুয়া পরিচয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।

 

গ্রুপে যাচাইকৃত সদস্য শনাক্ত করা সহজ: বিভিন্ন গ্রুপে প্রকৃত ব্যবহারকারীকে সহজে চেনা যাবে।

 

একবার যাচাই করলেই হবে: একবার পরিচয় নিশ্চিত হলে সমর্থিত সব জায়গায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাজ প্রদর্শিত হবে।

 

সহজ যাচাই প্রক্রিয়া: সেলফি ভিডিও ও প্রোফাইল ছবির মিল যাচাই করেই পরিচয় নিশ্চিত করবে ফেসবুক।

 

এআই-তৈরি ভুয়া প্রোফাইল শনাক্তে সহায়ক: কৃত্রিম ও প্রকৃত ব্যবহারকারীর মধ্যে পার্থক্য করা সহজ হবে।

 

ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ব্যবহার: বর্তমানে প্রোফাইল, মার্কেটপ্লেস, ডেটিং ও গ্রুপে ব্যাজ দেখা গেলেও ভবিষ্যতে নিউজ ফিডের পোস্টেও এটি দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

তবে মেটা স্পষ্ট করেছে, এই ব্যাজ কেবল পরিচয় যাচাইয়ের প্রমাণ। এটি কোনো ব্যবহারকারীর আচরণ, সততা বা সম্পূর্ণ বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চয়তা দেয় না। তাই ভেরিফায়েড ব্যাজ থাকলেও ব্যবহারকারীদের সতর্ক থেকেই ফেসবুক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সেলফি ভিডিও দিয়েই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই, মিলবে যেসব সুবিধা

নরসিংদীর মাধবদী থানার আলোচিত খুনের পর ডাকাতির ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মাত্র ৯ দিনের মধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের মূল সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের মধ্যে তিনজন বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই ২০২৬ ভোররাতে মাধবদী থানাধীন নুরালাপুর ইউনিয়নের বলভদ্রদী গ্রামে সৌদি ফেরত প্রবাসী মিলনের বাড়িতে একদল সশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে ডাকাতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় মিলনের বড় ভাই মো. শাহজাহান (৫৬) নিহত হন এবং তার চাচা মো. সুরুজ মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে ডাকাতরা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।

 

এ ঘটনায় ১৯ জুলাই মাধবদী থানায় মামলা (নং-২৩) দায়ের করা হয়। ঘটনার পরপরই নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ্-আল-ফারুক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মাধবদী থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক বিশেষ টিম গঠন করেন।

 

গ্রেফতার হওয়া সাতজন হলেন— জুবায়ের হোসেন (২০), আশিক আহমেদ (২৩), মোজাহিদ রহমান অপু (২২), মো. সুজন মিয়া (২৫), মো. ফারুক মিয়া (৩০), রোমান (২৮) এবং মো. হৃদয় মিয়া (২২)।

 

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃতরা একটি পেশাদার ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের মধ্যে কয়েকজন খড়িয়া এলাকার পূর্ববর্তী একটি ডাকাতি ও দিগন্ত হত্যা মামলারও এজাহারভুক্ত আসামি।

 

অভিযানকালে আসামিদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল বিক্রির নগদ ৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

বর্তমানে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আলোচিত খুন-ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন, ৯ দিনে পুলিশের জালে মূল ৭ সদস্য

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d