ক্যাম্পাস

 

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ ও অবদান স্মরণে ‘মাইলস ফর ম্যাট্রিস’ স্লোগানে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘রান ফর ভিক্টোরি ২.০’ শীর্ষক ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

 

বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টায় সরকারি তিতুমীর কলেজের প্রধান ফটক থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়। নির্ধারিত রুট অনুযায়ী অংশগ্রহণকারীরা কলেজের প্রধান ফটক থেকে গুলশান-১ পর্যন্ত দৌড়ে পুনরায় কলেজ গেটে ফিরে আসেন।

 

ম্যারাথন চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পুরো কর্মসূচিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

 

আয়োজকরা জানান, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও ঐতিহাসিক ঘটনাকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক ও ইতিবাচক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

 

ম্যারাথন শেষে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সোহেল রানা বলেন, ‘এটি আমাদের দ্বিতীয় বিজয়ের আয়োজন। আমাদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি অংশগ্রহণকারী এতে যুক্ত হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা গেলেও তিতুমীর ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহাবস্থান ও সম্প্রীতি অটুট থাকবে বলে আমরা আশা করি।’

 

কলেজ শাখার সভাপতি খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘তিতুমীর কলেজের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে আমরা এই ম্যারাথনের আয়োজন করেছি। জুলাইয়ের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে উজ্জীবিত রাখাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আমরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রেখেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে চাই।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘এই দিনটিকে আমরা এমন একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে স্মরণ করি, যেদিন শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপট ও স্মৃতিকে ধারণ করেই আজকের এই প্রতীকী ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।’

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ ও অবদান স্মরণে ‘মাইলস ফর ম্যাট্রিস’ স্লোগানে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘রান ফর ভিক্টোরি ২.০’ শীর্ষক ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পাঁচ বিস্তারিত

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিএম) কলেজে এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে সদ্য পরীক্ষা দেওয়া চার শিক্ষার্থীকে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে কলেজের এক প্রভাষকের বিরুদ্ধে।

 

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। পরীক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে, মোট ১০০টি উত্তরপত্রের কোড নম্বর তাঁরা পূরণ করেছেন। তবে বিষয়টিকে গুরুতর অনিয়ম হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

 

রোববার (২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজে গিয়ে দেখা যায়, চারজন শিক্ষার্থী একসঙ্গে বসে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্রের কোড নম্বর পূরণ করছেন। এই কাজ করিয়েছেন কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. রিপন হোসাইন, যিনি সম্প্রতি এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন।

 

জানা গেছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগের (বিএমটি) পাঠানো একটি চিঠির মাধ্যমে বাংলা বিষয়ের (বিষয় কোড-২১৮১১) উত্তরপত্র পাঠানো হয়েছে ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রিপনের কাছে। গত ৪ জুলাই স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, পরীক্ষক কোড-১৪০৫-এর আওতায় তাঁর কাছে মোট ৩৫০টি উত্তরপত্র পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে এসব উত্তরপত্র জমা দিতে হবে।

 

অভিযোগ ছিল, তিনি নিজে মূল্যায়ন না করিয়ে এ কাজে ব্যবহার করেন চার শিক্ষার্থী— আনিম, সিফাত, ইভান ও তানভিরকে। এদের মধ্যে আনিম, সিফাত ও ইভান এ বছর ওই কলেজ থেকেই দ্বাদশ শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছেন। আর তানভির ছিলেন হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে কেজ্যুয়াল (অনিয়মিত) পরীক্ষার্থী।

 

পরীক্ষার্থী সিফাত জানান, কলেজের শিক্ষক রিপন স্যার তাঁদের এসব খাতায় কোড নম্বর পূরণের কাজ করতে বলেছেন।

 

আরেক পরীক্ষার্থী আনিম বলেন, তাঁরা কলেজের কাছেই ছিলেন, স্যার ডেকে নিয়ে খাতার কোড পূরণ করতে বলেছেন এবং তাঁরা সেটাই করেছেন। তবে পরীক্ষার্থী হয়ে একই বোর্ডের উত্তরপত্র মূল্যায়নে অংশ নেওয়া নিয়মসম্মত কি না, এমন প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে তিনি দাবি করেন, তাঁরা শুধু কোড ভরাট করেছেন, প্রকৃত মূল্যায়ন করেননি।

 

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে প্রভাষক মো. রিপন হোসাইনের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সোমবার কলেজের অফিস কক্ষে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি, ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

 

রাঙ্গাবালী উপজেলা শিক্ষা অফিসের সুপারভাইজার অনাধি কুমার বাহাদুর বলেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নকারীকে কিছু ক্ষেত্রে কোড নম্বর পূরণ করতে হয়, সম্ভবত সে কাজেই শিক্ষার্থীদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে বলা সম্ভব হবে।

 

তবে বিষয়টিকে গুরুতর অনিয়ম হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ এনপিবি নিউজকে বলেন, যাকে উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, শুধু তিনিই তা করতে পারবেন অন্য কোনো শিক্ষকও তা মূল্যায়ন করতে পারবেন না। নির্ধারিত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কেউ মূল্যায়ন করেছেন এমন প্রমাণ বা অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আর শিক্ষার্থীদের দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করানোর প্রশ্নই ওঠে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন এই কর্মকর্তা।

সদ্য পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিএম) কলেজে এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে সদ্য পরীক্ষা দেওয়া চার শিক্ষার্থীকে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে কলেজের এক প্রভাষকের বিরুদ্ধে।   ঘটনা প্রকাশ্যে আসার বিস্তারিত

চায়ের দোকানে বন্ধুদের নিয়ে ধূমপান ও আড্ডার ফাঁকে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় প্রায় এক বস্তা খাতাসহ এক শিক্ষককে আটক করেছে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

 

গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রধান ফটকসংলগ্ন একটি চায়ের টং দোকান থেকে এসব উত্তরপত্র জব্দ করেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন।

 

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম ইকবাল হোসেন সোহান। তিনি সিলেট মেট্রোসিটি উইমেন্স কলেজের প্রাক-প্রভাষক এবং শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানোর পাশাপাশি জালালাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষক ইকবাল তার সাবেক সহপাঠী ও বন্ধুদের নিয়ে ওই চায়ের দোকানে বসে খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। বস্তা থেকে খাতা বের করে তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধুকে উত্তরপত্র দেখতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আইরিন লিনজাও উপস্থিত ছিলেন। এর আগের দিন শুক্রবার রাতেও একই দোকানে বসে চারজন মিলে চা-সিগারেট খাওয়ার ফাঁকে খাতা মূল্যায়ন করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরীক্ষকদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

খাতা জব্দের সময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন কৈফিয়ত চাইলে অভিযুক্ত ইকবাল দাবি করেন, খাতা দেখার সময় শেষ হয়ে আসায় তাড়াহুড়ো করে বন্ধুদের নিয়ে উত্তরপত্র না কেটে শুধু কোড নম্বর মেলাচ্ছিলাম।

 

সেখানে উপস্থিত শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী আইরিন লিনজা নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, আমি খাতা মূল্যায়নে অংশ নিইনি। ইকবাল আমার বন্ধু, তাই সেখানে উপস্থিত ছিলাম।

 

ঘটনার পরপরই শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থানীয় জালালাবাদ থানায় নিয়ে যান।

 

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব জানান, শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষককে বোর্ডের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

 

চায়ের দোকানে বন্ধুদের নিয়ে এইচএসসির খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষক আটক

চায়ের দোকানে বন্ধুদের নিয়ে ধূমপান ও আড্ডার ফাঁকে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় প্রায় এক বস্তা খাতাসহ এক শিক্ষককে আটক করেছে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বিস্তারিত

যশোরের চৌগাছায় দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আরাফাত হোসেন রাব্বি নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্তকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হেফাজতে নেয়।

গ্রেপ্তারকৃত ২২ বছর বয়সী আরাফাত হোসেন রাব্বি স্থানীয় চৌগাছা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মামলার বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কাজের সহযোগিতার জন্য প্রতিবেশী সম্পর্কের মামাতো ভাই রাব্বির দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে বিষয়টি অবগত থাকা সত্ত্বেও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাব্বি ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে চৌগাছা শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীকে ভুল বুঝিয়ে চৌগাছা পৌরসভার আওতাধীন এক পরিচিত ব্যক্তির বাসায় নিয়ে যান রাব্বি। সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে পড়া ওই শিক্ষার্থী পরবর্তীতে নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে পুরো বিষয়টি তার মা-বাবার কাছে প্রকাশ করেন। ঘটনা জানার পর পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় উপস্থিত হন এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

অভিযোগটি পাওয়ার পরপরই চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রাব্বিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত এজাহারের ভিত্তিতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আগামীকাল (রোববার) যশোর আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার বিষয়ে অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এনআইডি করে দেওয়ার কথা বলে তরু/ণীকে ধ/ র্ষ/ণের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

যশোরের চৌগাছায় দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আরাফাত হোসেন রাব্বি নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিস্তারিত

দেশের বিপুল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

 

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী জানান, তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, শুধুমাত্র প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দেশের বিশাল জনশক্তিকে উৎপাদনশীল সম্পদে পরিণত করা সম্ভব নয়। তাই কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও জানান, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে, যা এ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

অনুষ্ঠানে তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের স্মরণ করে বলেন, দেশের জন্য যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সংরক্ষণ করা সবার দায়িত্ব।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই দেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কর্মমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে।

কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের বিপুল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের শ্রমবাজারের চাহিদা বিস্তারিত

গোপালগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মধুমতি নদী থেকে নাফিস আশরাফ (২২) নামে ঢাকার গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) সংলগ্ন মধুমতি নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নাফিস আশরাফ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর ইসলামপাড়া এলাকার আশরাফুল ইসলাম শরীফের ছেলে। তিনি ঢাকার গ্রিন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে নাফিস পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এ সময় তিনি নিজের মোবাইল ফোনটি বাসায় রেখে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ প্রচার করেন।

 

এদিন বিকেলে গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

 

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ নাফিস আশরাফের বলে তার পরিবার শনাক্ত করেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিখোঁজের দুই দিন পর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মধুমতি নদী থেকে নাফিস আশরাফ (২২) নামে ঢাকার গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় বিস্তারিত

এআই প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রোফাইল ও নকল পরিচয়ের সংখ্যা বাড়ছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি বিনামূল্যের পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করছে ফেসবুক।

 

‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ নামে নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একটি সংক্ষিপ্ত সেলফি ভিডিও জমা দিয়ে পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। যাচাই সম্পন্ন হলে তাদের প্রোফাইলে একটি বিশেষ ব্যাজ যুক্ত হবে, যা দেখাবে অ্যাকাউন্টটির পেছনে একজন বাস্তব ব্যক্তি রয়েছেন।

 

মেটা জানিয়েছে, এটি তাদের অর্থের বিনিময়ে দেওয়া ‘মেটা ভেরিফায়েড’ সাবস্ক্রিপশন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি সেবা।

 

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নতুন এই ভেরিফায়েড ব্যাজ ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা নিয়ে আসবে।

 

যেসব সুবিধা মিলবে

 

দ্রুত পরিচয় যাচাই: সংক্ষিপ্ত সেলফি ভিডিও জমা দিলেই কয়েক মিনিটের মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হতে পারে।

 

ভুয়া অ্যাকাউন্ট চেনা সহজ: ব্যাজ দেখে সহজেই বোঝা যাবে, অ্যাকাউন্টটি একজন বাস্তব ব্যক্তির।

 

মার্কেটপ্লেসে নিরাপদ লেনদেন: ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে আস্থা বাড়বে।

 

ডেটিং প্রোফাইলে বাড়তি বিশ্বাসযোগ্যতা: ভুয়া পরিচয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।

 

গ্রুপে যাচাইকৃত সদস্য শনাক্ত করা সহজ: বিভিন্ন গ্রুপে প্রকৃত ব্যবহারকারীকে সহজে চেনা যাবে।

 

একবার যাচাই করলেই হবে: একবার পরিচয় নিশ্চিত হলে সমর্থিত সব জায়গায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাজ প্রদর্শিত হবে।

 

সহজ যাচাই প্রক্রিয়া: সেলফি ভিডিও ও প্রোফাইল ছবির মিল যাচাই করেই পরিচয় নিশ্চিত করবে ফেসবুক।

 

এআই-তৈরি ভুয়া প্রোফাইল শনাক্তে সহায়ক: কৃত্রিম ও প্রকৃত ব্যবহারকারীর মধ্যে পার্থক্য করা সহজ হবে।

 

ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ব্যবহার: বর্তমানে প্রোফাইল, মার্কেটপ্লেস, ডেটিং ও গ্রুপে ব্যাজ দেখা গেলেও ভবিষ্যতে নিউজ ফিডের পোস্টেও এটি দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

তবে মেটা স্পষ্ট করেছে, এই ব্যাজ কেবল পরিচয় যাচাইয়ের প্রমাণ। এটি কোনো ব্যবহারকারীর আচরণ, সততা বা সম্পূর্ণ বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চয়তা দেয় না। তাই ভেরিফায়েড ব্যাজ থাকলেও ব্যবহারকারীদের সতর্ক থেকেই ফেসবুক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সেলফি ভিডিও দিয়েই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই, মিলবে যেসব সুবিধা

এআই প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রোফাইল ও নকল পরিচয়ের সংখ্যা বাড়ছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি বিনামূল্যের পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করছে ফেসবুক।   ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ বিস্তারিত

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক।

 

সোমবার (২৭ জুলাই) তিনি বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য ১০ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

 

এর আগে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছিল, বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ে ফল প্রকাশ সম্ভব হয়নি। পরে ফল প্রস্তুতের কাজ শেষ হলে প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

 

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক।   সোমবার (২৭ জুলাই) তিনি বলেন, বিস্তারিত

বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) উদ্ধারকারী দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম জাওয়াদ-উল ইসলাম নাহিয়ান (২৪)। তিনি বিইউপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (আইআর) বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাসকান্দা এলাকায়। তিনি হেলাল উদ্দিনের ছেলে।

 

এর আগে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে থানচি উপজেলার দুর্গম তিন্দু বড়পাথর এলাকায় সাঙ্গু নদীতে ট্রেকিং দলের একটি নৌকা ডুবে গেলে নাহিয়ান নিখোঁজ হন। দুর্ঘটনার পরপরই তার সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর রোববার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

ওইদিন দুর্ঘটনার সময় নৌকাটিতে থাকা অন্য ছয়জন যাত্রী লাইফ জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় উদ্ধার হন। নাহিয়ানই ছিলেন দুর্ঘটনায় একমাত্র নিখোঁজ ব্যক্তি।

বান্দরবানে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ বিইউপি শিক্ষার্থী নাহিয়ানের লাশ উদ্ধার

বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) উদ্ধারকারী দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।   বিস্তারিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নারীঘটিত ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাত থেকে শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত দুই দফার সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

 

জানা গেছে, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের লেভেল-১, সেমিস্টার-২-এর দুই শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, একই ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে কটূক্তিকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে আশরাফুল হক হলের ৮ থেকে ১০ শিক্ষার্থী শহীদ শামসুল হক হলের এক শিক্ষার্থীর কক্ষে গিয়ে তাকে হুমকি দিয়ে আসেন। এরপরই দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও একাধিক শিক্ষার্থী জানান, প্রথমে ফোনালাপের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। বরং সময়ের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ শামসুল হক হলের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে আশরাফুল হক হলে গিয়ে হামলা চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, মূলত প্রেমসংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। এক শিক্ষার্থীর প্রেমিকাকে কটূক্তি করাকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা উত্তেজনা ছড়িয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

 

সংঘর্ষে আশরাফুল হক হলের জানালার কাচ, সিসিটিভি ক্যামেরা ও বৈদ্যুতিক লাইট ভাঙচুর করা হয়। এতে অন্তত ৯ জন শিক্ষার্থী আহত হন। খবর পেয়ে রাত প্রায় ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তারা দুই হলের প্রভোস্টকে ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। রাতের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও শুক্রবার আবারও নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

শুক্রবার জুমার নামাজের পর দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় এলাকায় আশরাফুল হক হলের এক শিক্ষার্থীকে শহীদ শামসুল হক হলের ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনার জের ধরে প্রায় আধাঘণ্টা পর দুপুর আড়াইটার দিকে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়।

 

দ্বিতীয় দফার সংঘর্ষে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীরা ঘণ্টাব্যাপী ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পাল্টা হামলায় জড়িয়ে পড়েন। এতে আব্দুল জব্বার মোড়সহ আশপাশের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সাধারণ শিক্ষার্থী ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় আরও চারজন শিক্ষার্থী আহত হন।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের সংঘর্ষে আহত ৯ জন এবং শুক্রবার দুপুরের সংঘর্ষে আহত আরও ৪ জনসহ মোট ১৩ শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম বলেন, রাতে দুই হলে মারামারির খবর পেয়ে আমি ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। তখন দুই হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার জুমার নামাজের পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। একটি সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

 

তিনি আরও বলেন, ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আহত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

 

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করেছে। দুই আবাসিক হলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।

প্রেমিকাকে কটূক্তির জেরে রণক্ষেত্র বাকৃবি, আহত ১৩

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নারীঘটিত ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।   বৃহস্পতিবার বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩