ক্যাম্পাস

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফলের বিস্তারিত তথ্যে দেখা যায়, এবার ময়মনসিংহ বোর্ডে সবেচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর সবচেয়ে কম অনুপস্থিতি ছিল চট্টগ্রাম বোর্ডে।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) সব বোর্ডের ফলের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা যায়। এবার গড় পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ। ২০২৪ সালে পাশের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ।

 

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অনুপস্থিত শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি ছিল ময়মনসিংহ বোর্ডে। ৪৫৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে আসেননি এই বোর্ডে। চট্টগ্রাম আছে এই তালিকায় সবার শেষে, ৪৬৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন এবারের পরীক্ষায়।

 

দিনাজপুর বোর্ডে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, ২৯৪২ জন পরীক্ষা দেননি। তিনে আছে রাজশাহী বোর্ড, অনুপস্থিত ২৯০৮ জন।

 

এরপরের ৬টি স্থান দখল করে আছে যথাক্রমে যশোর (২৮৬৭), ঢাকা (২৬০৪), বরিশাল (২৪৪৩), কুমিল্লা (১৩৯০), সিলেট (৬০৭) ও চট্টগ্রাম (৪৬৩)।

 

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল ও কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।

সর্বোচ্চ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ময়মনসিংহে, সর্বনিম্ন চট্টগ্রামে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফলের বিস্তারিত তথ্যে দেখা যায়, এবার ময়মনসিংহ বোর্ডে সবেচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর সবচেয়ে কম অনুপস্থিতি ছিল চট্টগ্রাম বোর্ডে।   বিস্তারিত

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে এ বছর সব বোর্ডে তুলনামূলক ইংরেজি এবং গণিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছে। অপরদিকে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে আইসিটি বিষয়ে।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

 

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বছর ঢাকা বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭৮.৪০ এবং ৮২.৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। রাজশাহী বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭৪.৭ এবং ৭৭.১৭, কুমিল্লা বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৮১.২৯ এবং ৮১.৭৫ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭১.৮৪ এবং ৮৩.৩৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭২.২৭ এবং ৮০.০৫ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৬৯.২৪ এবং ৭৭.৯৮ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৬৯.১১ এবং ৭৫.৯৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭২.৯১ এবং ৭১.০৫ শতাংশ।

ময়মনসিংহ বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৬৬.৬৪ এবং ৬৯.৬১ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭৯.২১ এবং ৬৯.৯৭ শতাংশ, কারিগরি বোর্ডে ৯৪.৭৯ এবং ৭০.৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন। অপরদিকে আইসিটিতে সব বোর্ডে সর্বেচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

 

এবার পরীক্ষায় গড় পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সারা দেশে গড় পাশের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ শিক্ষার্থী।

 

এছাড়া ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাশের হার ৬৪.০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলে ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাশের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।

এ বছর এসএসসিতে সব থেকে বেশি ফেল করেছে ইংরেজি ও গণিতে

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে এ বছর সব বোর্ডে তুলনামূলক ইংরেজি এবং গণিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছে। অপরদিকে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে আইসিটি বিষয়ে।   বিস্তারিত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

 

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

 

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।

 

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।

 

সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়।

 

অনলাইনে ফল দেখার নিয়ম

 

পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর অভিন্ন ওয়েবসাইট eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd-এ গিয়ে ফল দেখতে পারবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

 

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল জানতে পারবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে ওয়েবসাইটের ‘রেজাল্ট’ কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।

 

এসএমএসে ফল

 

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে:

 

SSC <স্পেস> বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> ২০২৬

এরপর সেটি ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026

এ ছাড়া ১৬২২২ নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করা যাবে।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১–১৭ আগস্ট

 

ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবে। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

 

কোনো শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা কার্যালয়ে সরাসরি গিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে না।

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।   সোমবার বিস্তারিত

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ হতে যাচ্ছে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ফলাফল। সোমবার (১০ আগস্ট) সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে আগেই জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮২ দিন পর এবার ফলাফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এর আগে করোনার সময়ে ফলাফল প্রকাশ দেরিতে হলেও এতটা দেরি হয়নি। ফলে এবার ফলাফল প্রকাশে ভেঙে যাচ্ছে গত ২০ বছরের রেকর্ড।

 

শিক্ষক-অভিভাবকরা বলছেন, ফল প্রকাশে এমন বিলম্বে ফলপ্রার্থী প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বেগে দিন কাটছে। তাদের অনেকে ট্রমায় ভুগছেন। এছাড়া ফল বিপর্যয়সহ নানান নেতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষক-অভিাবকরা।

 

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, ফল প্রকাশের এমন দেরিতে শিক্ষাপঞ্জিও এলোমেলো হয়ে পড়তে পারে। তারা বলছেন, দেরিতে ফল প্রকাশের কারণে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিতেও দেরি হবে। এতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আগেই তিনমাসের সেশনজটে পড়তে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। যার প্রভাব পড়বে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়েই তাদের এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে বাধ্য করা হবে। এতে শিখন ঘাটতি বাড়বে এবং নাম-সর্বস্ব ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষাজীবন শেষ করবেন অনেক শিক্ষার্থী।

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পাবলিক পরীক্ষাগুলোর ফল প্রকাশের সময়সীমা কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন। ওইদিন শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

কিন্তু পরে আবার শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানান, ২০ জুলাই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফল এখনো প্রস্তুত হয়নি। পূর্বঘোষিত সময়ে ফল প্রকাশ না করায় পরীক্ষার্থী-অভিভাবকদের মনে নানান প্রশ্ন দেখা দেয়। সন্দেহ-সংশয় দানা বাঁধতে শুরু করে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে, ১০ আগস্ট ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়। সে অনুযায়ী সোমবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এতে ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে, যেটি কি না হতে যাচ্ছে সবচেয়ে দেরিতে ফল প্রকাশের রেকর্ড।

 

কেনো এতো দেরি এবার?

 

চলতি বছর ২১ এপ্রিল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। সে হিসাবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশের কথা ছিল। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময়সীমা আরও কমিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী।

 

মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুতের কথা জানান শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরাও। গত ১১ জুলাই ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন, তারা সব প্রস্তুতি শেষ করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেই ফল প্রকাশ করা হবে। অথচ এর এক সপ্তাহ পর বোর্ড চেয়ারম্যান ২০ জুলাই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে জানান।

 

বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিয়ে দুই ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। বোর্ড চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে এক ধরনের কারণ জানান। আবার নাম প্রকাশ না করে ভিন্ন তথ্য জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখার কর্মকর্তারা।

 

প্রকাশ্যে বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে ঝামেলার কারণে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিতে পারেননি তারা। এতে সংকটের তৈরি হয়েছে।

 

আর নাম প্রকাশ না করে ফল বিপর্যয়ের ইঙ্গিত করে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ভুল-ত্রুটি ও ‘ফল সমন্বয়’ করার জন্য প্রস্তুতিতে সময় লেগেছে। প্রথম দফায় কাজ শেষ হলেও তা পুনরায় আবার প্রস্তুত করা হয়। যদিও ফল বিপর্যয়ের এমন গুঞ্জন ও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

 

নিয়ম অনুযায়ী- এসএসসি পরীক্ষা শেষে ফল প্রকাশ করা হবে। সেটা জুলাইয়ের আগেই শেষ করতে হবে। কারণ শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়। তার আগেই এসএসসি পাস করাদের আবেদন, ভর্তি শেষ করার কথা।

 

অথচ এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করতেই আগস্টের ১০ তারিখ অর্থাৎ, এক মাস ১০ দিন পিছিয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। আবেদন ও ভর্তি শেষ করতে আরও দেড় থেকে দুইমাস লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে ক্লাস শুরু হতে পারে অক্টোবরে। অর্থাৎ, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরুর আগেই তিন মাসের সেশনজটে পড়বেন।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষাগুলোর কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে প্রায় এক থেকে দেড় বছর সময় নষ্ট হচ্ছে। এসএসসির পর বিরতি এবং অলস সময়। এইচএসসির পরও ফল পেতে তাদের অপেক্ষায় থাকতে হয়। এ গ্যাপ (বিরতি) কমাতে পারলে আরও কম সময়ে শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি শেষ হবে।

এসএসসির ফল প্রকাশ আজ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ হতে যাচ্ছে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ফলাফল। সোমবার (১০ আগস্ট) সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে আগেই জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার বিস্তারিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নেয়ামত উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবি করেন। এ সময় কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী প্রক্টর বাধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

 

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস একসাথে চলে না’ এবং ‘ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চলে, প্রশাসন কী করে?’—সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

 

তারা বলেন, গত ৪ আগস্ট সংঘটিত হামলায় গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নেয়ামত উল্লাহ গুরুতর আহত হন। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামলার শিকার হন তিনি। এতে তার চোয়াল ভেঙে যায় এবং সাতটি দাঁত স্থানচ্যুত হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পরও তিনি রেহাই পাননি। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

 

কর্মসূচি চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মো. নঈম আক্তার সিদ্দিকী মানববন্ধনে বাধা দেন। এ নিয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বলেন, আহত সহপাঠীর বিচার দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে এসেও বাধার মুখে পড়তে হয়েছে

।শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু হামলার ঘটনার পরও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী প্রক্টর ড. মো. নঈম আক্তার সিদ্দিকীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

 

মানববন্ধন থেকে নেয়ামত উল্লাহর দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয় এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

 

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যানের সফরকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা ও হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হন। এর মধ্যে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নেয়ামত উল্লাহ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার চোয়াল ভেঙে গেছে। মুখমণ্ডলের কয়েকটি স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন।

 

জবি ছাত্রের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, প্রশাসনের বাধা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নেয়ামত উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিস্তারিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা শুরু হবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে।

 

আজ রবিবার (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের ৮০তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপাচার্যের অফিস কনফারেন্স রুমে বিশেষ এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

এবারও ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পাঁচটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত ইউনিট-A, কলা ও আইন অনুষদভুক্ত ইউনিট-B, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ইউনিট-C, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ইউনিট-D এবং চারুকলা অনুষদভুক্ত ইউনিট-E-এর মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

 

সব ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা হবে MCQ পদ্ধতিতে। এবার সব ইউনিটের পরীক্ষা বিভাগীয় শহর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

 

ইউনিট-A-এর পরীক্ষা হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭ (শুক্রবার)। ইউনিট-E-এর পরীক্ষা হবে ৮ জানুয়ারি (শুক্রবার)। ইউনিট-B-এর পরীক্ষা হবে ১৫ জানুয়ারি (শুক্রবার)। ইউনিট-C-এর পরীক্ষা হবে ২২ জানুয়ারি (শুক্রবার)। সর্বশেষ ইউনিট-D-এর পরীক্ষা হবে ২৩ জানুয়ারি (শনিবার)।

 

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের ২০২৩ অথবা ২০২৪ সালে এসএসসি বা সমমান এবং ২০২৬ সালে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

 

বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত ইউনিট-A-এ আবেদনের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ থাকতে হবে। তবে কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০০-এর কম হলে আবেদন করা যাবে না।

 

কলা ও আইন অনুষদভুক্ত ইউনিট-B-এর জন্য দুই পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ থাকতে হবে। কোনো একটি পরীক্ষায় জিপিএ ২.৭৫-এর কম হলে আবেদন করা যাবে না।

 

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ইউনিট-C-এর ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০ থাকতে হবে। কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০০-এর কম হলেও আবেদনযোগ্যতা থাকবে না।সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ইউনিট-D-এর জন্য দুই পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ থাকতে হবে। কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ২.৭৫-এর কম হওয়া যাবে না।

 

চারুকলা অনুষদভুক্ত ইউনিট-E-তে আবেদনের জন্য দুই পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.৫০ থাকতে হবে। কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ২.৫০-এর কম হলে আবেদন করা যাবে না। ভর্তি কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি এবং ইউনিটভিত্তিক ভর্তি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৪ এপ্রিল ২০২৭ থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনলাইন আবেদন, ভর্তি পরীক্ষা এবং পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বহিঃসদস্য এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন।

জবির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ, আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা বিস্তারিত

দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত প্রাইভেট নির্ভরতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে প্রয়োজনীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই বিদ্যালয়েই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পাঠদান ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

 

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ইউনিসেফ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ববি হাজ্জাজ বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করা, কর্মমুখী শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পরও অনেক শিক্ষার্থী মৌলিক বিষয়গুলো ঠিকভাবে আয়ত্ত করতে পারছে না বলে অভিযোগ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কর্মমুখী করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধাপে ধাপে ম্যাথ ল্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

একই সঙ্গে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলাকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

 

দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

দেশে প্রাইভেট টিউশন মহামারি আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত প্রাইভেট নির্ভরতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে প্রয়োজনীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিস্তারিত

ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় শিবিরের প্রবেশে বাধা, ভেতরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা

রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি মাদ্রাসায়-ই-আলিয়ায় ছাত্রশিবিরের প্রবেশে বাধা দিতে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার পর পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, হলের ‘বৈধ সাধারণ শিক্ষার্থী’ ও ছাত্রশিবিরের নেতারা সম্মিলিতভাবে আবাসিক হলে বিস্তারিত

ছাত্রদল, জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তিসহ কয়েকটি পক্ষের মধ্যে সংঘাতের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সে জন্য কড়া নিরপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র দেখে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। পাশাপাশি আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রচুর সদস্যও মোতায়েন রয়েছে। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও কড়া নিরাপত্তায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ক্যাম্পাসে।

 

একই স্থান ও প্রায় একই সময়ে তিনটি পৃথক সংগঠনের কর্মসূচি ঘোষণার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একই স্থানে ও একই সময়ে তিনটি সংগঠন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সকল ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হলো।

 

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) আজ দুপুর ১২টায় শহীদ রফিক ভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর কর্মসূচির আয়োজন করেছে। আহত ও অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেবেন নেতারা।

 

এরপর একই স্থান ও সময়ে ‘ঐক্যবদ্ধ জগন্নাথ’ ব্যানারে সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীদের হামলার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রচারণাও চালানো হয়েছে।

আর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল শহীদ রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করে। সংগঠনটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়।

 

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, একই স্থানে ও কাছাকাছি সময়ে একাধিক কর্মসূচি পালনের ঘোষণার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাময়িকভাবে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে অবহিত করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। এরইমধ্যে আজ সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র থেকে ক্যাম্পাসে যেতে দিচ্ছে প্রশাসন।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে থমথমে জবি, পরিচয়পত্র চেক করে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের

ছাত্রদল, জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তিসহ কয়েকটি পক্ষের মধ্যে সংঘাতের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-জকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক মো. নূর মোহাম্মদের ওপর ফের হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (৫ আগস্ট) পুরান ঢাকার সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনি সহপাঠীদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। হামলায় তার নারী সহপাঠীরাও আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

সহপাঠীদের অভিযোগ, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নূর মোহাম্মদকে কাঠ দিয়ে মারধর করেন। এতে তিনি আহত হন। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা।

 

ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব ও ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদের ওপর হামলা করেছে ছাত্রদল।

 

জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ছাত্রদল কি এখন গুন্ডা পোষা শুরু করেছে? সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের কর্মীরা জকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নূর মোহাম্মদসহ নারী শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। প্রসাশনকে বলব, হামলাকারীদের এখনই বিচারের আওতায় আনুন। নইলে আজ যারা অন্যের ওপর হামলা করছে, কাল তারাই আপনার ওপরও হামলা করবে।’

সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে জকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকের ওপর ছাত্রদলের হামলা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-জকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক মো. নূর মোহাম্মদের ওপর ফের হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (৫ আগস্ট) পুরান ঢাকার সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজের বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩