শীর্ষখবর - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রিয় দলের হারে সাতক্ষীরায় আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যু

 

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

 

 

বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে প্রিয় দল হেরে যাওয়ার শোকে সাতক্ষীরায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাফিজুর রহমান ওরফে লালটু (৩৫) নামে এক আর্জেন্টিনা সমর্থকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সাতক্ষীরা পৌর শহরের রসুলপুর এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিহত হাফিজুর রহমান লালটু উক্ত এলাকার মো. আনছার আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত লালটু ফুটবলের কট্টর ভক্ত এবং আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। সদ্য সমাপ্ত টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচই তিনি বন্ধুদের সঙ্গে কদমতলা এলাকায় বড় পর্দায় উপভোগ করেছেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার ভোরেও কদমতলা এলাকায় বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল খেলা দেখতে যান তিনি। খেলা শুরুর আগে বন্ধুদের নিয়ে সেখানে নৈশভোজেরও আয়োজন করা হয়েছিল।

তবে খেলার শেষ বাঁশি বাজতেই ঘটে বিপত্তি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হেরে গেলে প্রচণ্ড মানসিক কষ্টে ভেঙে পড়েন লালটু। থমথমে মন নিয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ তিনি তীব্র শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। একপর্যায়ে স্বজনরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের নিকটাত্মীয় শেখ জাকির হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “প্রিয় দলের পরাজয় লালটু মেনে নিতে পারেনি। খেলা শেষে মন খারাপ করে বাড়ি ফেরার পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যায় সে।”

এদিকে, প্রিয় দলের হার এবং তরতাজা তরুণ লালটুর এমন আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পুরো রসুলপুর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রিয় দলের হারে সাতক্ষীরায় আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যু

বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রিয় দলের হারে সাতক্ষীরায় আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যু     মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :     বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে প্রিয় দল হেরে যাওয়ার শোকে সাতক্ষীরায় হৃদরোগে আক্রান্ত বিস্তারিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

দশ বছর আগে যে স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করেছিলেন মেসি, অবসর ভেঙে সেই মেট লাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের দিকে তাকিয়ে ছিল ভক্ত-সমর্থকরা। ১৯৭৮ বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনা অধিনায়ক মারিও কেম্পস হাতে সোনালী রঙের ট্রফি উচুঁ করে ধরে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসি এন্ড কোং-কে দিয়েছেন অনুপ্রেরণা। দারুণসব রেকর্ড নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চে সব আলোটাই পড়েছে মেসিদের উপরে। জিতলে উপর্যুপরি ২ বার বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডে ইতালি ( ১৯৩৪, ১৯৩৮)-ব্রাজিলের (১৯৫৮,১৯৬২) সঙ্গী হবে আর্জেন্টিনা। ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনার নায়ক মেসির হাতে উপর্যুপরি দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ট্রফির দিকেই ছিল সমর্থকদের চোখ। তবে কিক অফের আগে স্পেন ফুটবলের রেনেসাঁর প্রতিনিধি ইনিয়েস্তার হাতে স্বর্নালী ট্রফিটাই একটু বেশি উজ্জীবিত করেছে নতুন স্পেনকে। আর্জেন্টিনার নেগেটিভ কৌশলের ফুটবলকে হতভম্ব করে উপর্যুপরি আক্রমনে সুফল তুলে নিয়েছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে খেলার ১১৬তম মিনিটে ফেরান টোরেসের গোলে (১-০) ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ট্রফি পুনরুদ্ধার করেছে স্পেন।

 

এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতিটি জয়ে একক কৃতিত্ব রাখা মেসিকে বোতলবন্দি করে রাখার কৌশলে জিতেছেন স্পেন কোচ। লা লিগায় ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময়ে খেলেছেন মেসি। সে কারণেই স্পেন কোচ লা ফুয়েন্তে এবং তাঁর শিষ্যরা মেসির কৌশলটা ভালই জানেন। মেসিকে আটকে রাখার কৌশলে এদিন পুরোপুরি সফল স্পেনের ডিফেন্স।

 

৪-৪-২ ফরমেশনে আর্জেন্টিনার দুই ফরোয়ার্ড মেসি-আলভারেজ স্পেন ডিফেন্ডারেদের কড়া মার্কিংয়ে থাকায় শুরু থেকেই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উপস্থিতির সঙ্গে পেরে না উঠলেও খেলার নিয়ন্ত্রনটা কিন্তু ছিল স্পেনের। আশ্চর্য হলেও সত্য, ১২০ মিনিটে খেলার নিয়ন্ত্রন ৬৫% নিয়ে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে খেলেছে স্পেন। আশ্চর্য হলেও সত্য,স্পেনের গোলপোষ্ট লক্ষ্য করে একটি মাত্র শট নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। অথচ, টার্গেটে ১২টি শট নিয়েছে স্পেন।

 

বিপরীতে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে পরিচিত টিকিটাকা ফুটবল প্রদর্শনীই করেছে স্পেন পুরো ম্যাচে। নিজেদের পায়ে অধিকাংশ সময়ে বলের নিয়ন্ত্রন নিয়ে ওয়ান টাচে পাস দিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবলারদের ক্লান্ত করতে চেষ্টা করেছে স্পেন ফুটবল দল। স্পেনের ৭৬২টি পাসের বিপরীতে আর্জেন্টিনার পাস সংখ্যার সমষ্টি মাত্র ৩৫৮। এটাই ফাইনালে স্পেনের একতরফা খেলার স্বাক্ষ্য দিচ্ছে।

 

প্রথমার্ধে দুটি পরিকল্পিত আক্রমনের দুটিই করেছে স্পেন। উইং অ্যাটাকে বর্তমানের সেনসেশন ইয়ামাল খেলার ৫মিনিটের মাথায় বিপজ্জনকভাবে ডি বক্সে ঢুকে পড়ে মিডফিল্ডার ওলমোকে দিয়েছিলেন পাস। সেই পাস পেয়ে ওলমো থ্রু বাড়িয়েছিলেন ইয়ামালকে। তবে ইয়ামাল বলটি নিয়ন্ত্রণে নিলেও আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এবং এমিলিয়ানো মার্টিনেজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বলটি বিপদমুক্ত হয়।

 

খেলার ৩৯তম মিনিটে স্পেনের পরিকল্পিত আক্রমনে বড় বিপদের আলামত ছিল। লাপোর্তে, রদ্রি এবং বায়েনার দারুণ বোঝাপড়ায় আক্রমন থেকে ফাবিয়ান পাস পেয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়া ওইয়ারজাবালের দিকে বলটি ঠেলে দেন। বক্সের কোনা থেকে বাঁ-পায়ের জোরালো শট নিয়েছিলেন তিনি। তবে আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ শুয়ে পদে বলটি বিপদমুক্ত করেন। প্রথমার্ধে মেসি ১৫বার বলে টাচ করেছেন। তবে হাইড্রেশন ব্রেকের আগে একবার গোলের উৎস তৈরি করে দিয়েছিলেন মেসি। খেলার ২২ মিনিটের মাথায় আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বক্সের প্রান্তে থাকা গঞ্জালেজের দিকে একটি চমৎকার বল বাড়িয়ে দেন, কিন্তু তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ ঠিকমতো করতে পারেননি। ১৯ বছর আগে যে ছেলেটিকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন মেসি, সেই ইয়ামালের শৈল্পিক ফুটবল, ড্রিবলিংয়ে ভবিষ্যতের মেসির ক্লোন দেখতে পেয়েছে বিশ্ব। ৮৬ বার বলে টাচ করে প্রতিবারই আর্জেন্টিনার গোলসীমায় বিপজ্জনকভাবে ঢুকেছেন ইয়ামাল।

 

ডিফেন্ডার কুবার্সি-পোরো-লাপোর্তের তৈরি করা দেয়াল ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা প্রথমার্ধে। ডিফেন্সিভ মিড ফিল্ডারের ভুমিকা পালন করতে ওভারল্যাপ করে লেফট উইংয়ে বার বার চলে গেছেন স্পেনের পরিশ্রমী ফুটবলার কুকুরেয়া।

 

দ্বিতীয়ার্ধেও হাইড্রেশন ব্রেকের আগে খেলার নিয়ন্ত্রন ছিল স্পেনের। পরিচিত স্ট্র্যাটেজি ছেড়ে আর্জেন্টিনা এই পর্বে ডিফেন্সে দিয়েছে বেশি মনযোগ। তারপরও স্পেনের আক্রমনে বার বার ডিফেন্স এলোমেলো হয়েছে। খেলার ৬৪ মিনিটের মাথায় স্পেন ডান দিক দিয়ে সুন্দরভাবে আক্রমণ শানায়। পেদ্রি বক্সের কোনায় থাকা ওলমোকে দিয়েছিলেন পাস। সেই পাস পেয়ে জটলার মধ্যে ওলমোর নেয়া জোরালো শট আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন।

 

খেলার ৭৭ মিনিটের মাথায় ক্রস থেকে স্পেনের পেদ্রি গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার শটটি সৌভাগ্যবশত এমিলিয়ানো মার্টিনেজের হাতে গিয়ে পড়ে। পরের মিনিটে ইয়ামাল দ্রুতগতিতে দৌড় আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার মেদিনা আটকে দিলেও ক্লিয়ার করতে পারেননি। ফিরতি বলটিতে কুবার্সি নিয়েছিলেন জোরালো শট। এমিলিয়ানো মার্টিনেজ কর্নারের বিনিময়ে তা প্রতিহত করেন।

 

ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে (৯০+৩) ফার্নান্দেজ একটি আলগা বলের পেছনে ছুটতে গিয়ে কুবার্সির সাথে সজোরে ধাক্কা খান এবং সাথে সাথেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন! ম্যাচের শুরুতে অভিনয়ের জন্য হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছিল! আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজকে দ্বিতীয়বারের মতো হলুদ কার্ড দেখিয়ে ( লাল কার্ড) মাঠ থেকে বহিষ্কৃত করেন রেফারি।

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট পেরিয়ে ইনজুরি টাইমের ৬ষ্ঠ মিনিটে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া স্পেন সেনশেসন ইয়ামালে ফ্রি কিক বাঁ দিকে লাফিয়ে কর্নারের বিনিয়মে সেভ করেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক মার্টিনেজ।

 

খেলোয়াড় পরিবর্তনের সুফল পেয়েছে স্পেন। ওয়েরজাবালের জায়গায় ফেরান টোরেস, অ্যালেক্স বাইনারের জায়গায় নিকো উইলিয়ামস, দানি ওলমোর জায়গায় মিকেল মেরিনোকে মাঠে নামালে আক্রমরে ধার বাড়ে স্পেনের।

 

১০ জনের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেন আক্রমনের ধার বাড়িয়েছে। খেলার ৯৩ মিনিটের মাথায় পেদ্রির বক্সে পাঠানো চমৎকার পাস থেকে বদলি খেলোয়াড় উইলিয়ামসের দুর্দান্ত ফ্লিক আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক মার্টিনেজ শুণ্যে লাফিয়ে বিপদমুক্ত করেন। খেলার ৯৬তম মিনিটে উইলিয়ামসের শট জালে জড়িয়েছিল। তবে ডি বক্সে মেরিনো ওটামেন্ডিকে ফাউল করায় রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন!

 

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (১০৬ মিনিট) কাঙ্খিত গোল পায় স্পেন। খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার মাত্র ৩৭ সেকেন্ডের মধ্যেই, নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে স্পেন ডান দিক দিয়ে দারুণভাবে আক্রমণ থেকে পোরোরের ক্রসে উইলিয়ামস বলটি নিয়ন্ত্রণে এনে ফেরান তোরেসকে দিয়েছে ব্যাকপাস। সেই পাস থেকে জোরালো শটে গোল করেন ফেরান তোরেস (১-০) থেকে তোরেস সজোরে বল জালে জড়িয়ে দিলে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জয়ের পথে এগিয়ে যায় স্পেন।

 

পুরো খেলায় আর্জেন্টিনা মাত্র একবার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে। এবং তা একেবারে শেষ মুহূর্তে। মেসির কর্নার থেকে সিমিওনের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে টাইব্রেকার ভাগ্যে গড়ায়নি ফাইনাল।

 

ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক ১১টি সেভ করেছেন – যা বিশ্বকাপের ফাইনালে যেকোনো গোলরক্ষকের করা রেকর্ডে (১৯৬৬ সাল থেকে) যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ড্রিবলিংয়ে রেকর্ড করেছেন স্পেন সেনসেশন ইয়ামাল। ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসির ৭ টি ড্রিবলিং এখনও রেকর্ড। তবে তাঁর পরের রেকর্ডটি এখন ইয়ামালের। বিশ্বকাপের ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ৫টির বেশি ড্রিবল সম্পন্ন করেছেন ইয়ামাল। এই রেকর্ড সঙ্গে নিয়েই শুরু হলো স্পেনের নতুন রূপকথা।

মেসির আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক দশ বছর আগে যে স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করেছিলেন মেসি, অবসর ভেঙে সেই মেট লাইফ বিস্তারিত

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এই বাংলাদেশ হতে হবে এডুকেশনাল হাব। সারাবিশ্ব থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে, সেই আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। আমি নিজেও জানি, দেশের অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখনও দেখা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাই ডিস্টিংশন অর্জন করে দেশের সুনাম বাড়াচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, তাহলে আমরা কেন বাংলাদেশকে একটি এডুকেশনাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো না? যুক্তরাজ্য যদি শিক্ষা খাত থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করতে পারে, তাহলে আমরা কেন ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবো না? আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ও সম্পদই তো আমাদের মেধাবী তরুণ প্রজন্ম।

 

কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব সুন্দর পোস্ট দেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষক, যার নামের আগে ‘ডক্টর’ লেখা আছে, তিনি আমাকে ‘পরীক্ষা মিলন’ বলে সম্বোধন করেছেন। আমি বলছি, হ্যাঁ, আমার নাম যদি ‘পরীক্ষা মিলন’ও হয়, তাতে সমস্যা কোথায়?

 

তিনি আরও বলেন, ডক্টর সাহেব, আপনি যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, সেটিও কি কোনো পরীক্ষা বা মূল্যায়ন ছাড়া করেছেন? আজকের উন্নত বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা আধুনিক পদ্ধতি, যেমন প্রজেক্টভিত্তিক মূল্যায়ন চালু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে কি কোনো ধরনের মূল্যায়ন বা পরীক্ষা একেবারেই থাকে না?

 

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ এবং দেওয়া বক্তব্য নিয়ে ট্রল করা হয়েছে। যারা ট্রল করেছে তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। বিষয়গুলো নিয়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তিনি।

 

সারাবিশ্ব থেকে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে, সে আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলছি

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এই বাংলাদেশ হতে হবে এডুকেশনাল হাব। সারাবিশ্ব থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে, সেই আদলে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে।   শনিবার (১৮ বিস্তারিত

শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

 

পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাজিব শেখকে ১৮ হাজার টাকা ধার দেন আমিনুর ফকির। পাওনা টাকা মাস খানেকের মধ্যে দেয়ার কথা থাকলেও রাজিব নানা তালবাহানায় সময়ক্ষেপণ করেন। টাকা দেয়ার কথা বলে শনিবার রাতে তিনি লোহাগড়া উপজেলার কুমারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ডাকে নেন আমিনুরকে।

আমিনুর তার ভাই আলিনুরকে নিয়ে সেখানে হাজির হন। পাওনা টাকা চাওয়ায় সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় রাজিব ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলিনুর ও তার ভাই আমিনুরের ওপর হামলা করে। হামলায় আলিনুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুই ভাইকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. স্মিথ মিয়া।

 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।     নিহত আলিনুর ফকির কুমারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাই ফকিরের বিস্তারিত

বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। আক্রান্তের তালিকায় এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু। প্রতি পাঁচজন রোগীর একজনই ১৫ বছরের কম বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, গত ২৫ বছরেও ঢাকায় কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ঢাকার বাইরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরো সীমিত হওয়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন হবে।

 

এরই মধ্যে হাসপাতালের বেডে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। উদ্বেগের নতুন কারণ—শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৭০ জন। মারা গেছেন ৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশই ১৫ বছরের কম বয়সী।

 

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজসহ রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পজিটিভ নিয়ে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুরের ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র তৌহিদুল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। তার হাতে ক্যানুলা। শিশু তৌহিদুল বাবাকে প্রশ্ন করছে—কবে সে বাড়ি ফিরতে পারবে।

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আকিব। তার ধারণা, সে গোসল করতে গিয়ে এডিস মশার কামড় খেয়ে আক্রান্ত হয়েছে। এই শিশু জানায়, তার আর হাসপাতালে থাকতে ভালো লাগছে না।

 

এদিকে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন হৃদয়। এই সময়ের মধ্যেই বাবাও হয়েছেন তিনি। এখন স্ত্রী, নবজাতক ও স্বজনদের নিয়ে হাসপাতালে সময় কাটছে তার।

 

রোগীর সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিশু ও কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। ১৬ থেকে ৫০ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৭৯৯ জন। যা মোট রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মস্থলে নিয়মিত যাতায়াত, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বিস্তারই সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ।

 

ডেঙ্গুর এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার গল্প নয়। এর প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি কর্মজীবন কিংবা একটি শিশুর অসুস্থতার করুণ গল্প। তাই হাসপাতালের চিকিৎসার পাশাপাশি মশার উৎস ধ্বংস করাকেই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, শিশুদের নিয়ে ভয় বিশেষজ্ঞদের

বর্ষার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। আক্রান্তের তালিকায় এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু। প্রতি পাঁচজন রোগীর একজনই ১৫ বছরের কম বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকরভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা না বিস্তারিত

তথ্য বিকৃত করে ট্রল ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ও বিভ্রান্তি একটি সুন্দর ও শিক্ষিত জাতি গঠনের পথে বড় অন্তরায়।

 

শনিবার (১৮ জুলাই) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তবে এ প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অপতথ্য ছড়িয়ে বিশেষ করে তরুণদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, গুজব ও বিকৃত তথ্যের পরিবর্তে সত্য ও ইতিবাচক তথ্যের চর্চা বাড়াতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

এর আগে শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক গ্রন্থাগার এবং কম্পিউটার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য বিকৃত করে অপপ্রচার চালিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

তথ্য বিকৃত করে ট্রল ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপতথ্য ও বিস্তারিত

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়।

 

তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দুই যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও এ. এস. এম. সানোয়ার রাব্বী প্রমিসের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

 

জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ-সভাপতি এবং সানোয়ার রাব্বী প্রমিস একই কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ওই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

তবে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে কৌশলে বা পারিপার্শ্বিক কারণে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে আমার উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছাত্রত্ব চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যেতো।

তিনি বলেন, জোর-জবরদস্তি করে মাঝে মাঝে তারা আমাদের প্রোগ্রামে ডেকে নিতো, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভালো করেই জানেন। তবে আমি যে ২০২২, ২০২৪ সাল বা এর আগেও ওপেন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি, তার সমস্ত ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে।

 

অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী জানান, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের সেই কমিটিতে আমাদের আইন অনুষদ থেকে অনেকেরই নাম না জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমার কোন ছবিও কেউ দেখাতে পারবে না।

 

তিনি বলেন, অযাচিতভাবে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে বিভাগেও বিষয়টি জানাই। পরবর্তীতে জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণেই ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো।

 

‎এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলো। পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে।

 

এছাড়া বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগ করতে হতো বলে অনেকের অনিচ্ছায় কিংবা না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়। এসব বিষয় সংশ্লিষ্টরা যাচাই করেই তাকে দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

 

তবে পরবর্তীতে যদি তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতা এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ব্যাখ্যায় বললেন ‘কৌশলের কারণে ছিলাম

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৭ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়।   বিস্তারিত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের সম্ভাব্য সময় থাকলেও তা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে ফল প্রকাশের নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে। তবে নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ না হলেও চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার (১৮ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘২০ জুলাই ফল প্রকাশ সম্ভব হচ্ছে না। এইচএসসি নিয়ে নানান জটিলতার কারণে আমরা ফলাফল প্রস্তুত করতে পারিনি। আমরা মাসের শেষের দিকে ফলাফল প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

 

এ মাসেই ফলাফল প্রকাশ হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সবকিছু প্রস্তুত করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় আমাদের জন্য তা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

 

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একাধিকবার জানিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। এদিকে, ফল প্রকাশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী কাজও চলছে। তবে সোমবার ফল প্রকাশ হচ্ছে না।

 

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এসএসসি ও সমমানের ফল প্রস্তুত করতে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২০ জুলাইকে লক্ষ্য করেই কাজ চলছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে কয়েকদিন দেরি হতে পারে।’

জানা গেছে, সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

 

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী অংশ নিতে ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিল পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশের সম্ভাব্য সময় থাকলেও তা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে ফল প্রকাশের নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে। তবে নতুন তারিখ এখনো বিস্তারিত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে পুলিশের কাছে না দিয়ে ব্যতিক্রমী উপায়ে ‘শাস্তি’ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে তওবা করানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফকির আস্তানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিমের (৩৫) বিরুদ্ধে একটি মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।

 

পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে নিজের ভুল স্বীকার করে তওবা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়। ভবিষ্যতে চুরি বা অন্য কোনো অপরাধে জড়াবেন না—এ মর্মে তার কাছ থেকে অঙ্গীকারও নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহাম্মদ খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। শুক্রবার মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির চেষ্টা করলে স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে হাতেনাতে আটক করেন। আমাদের উদ্দেশ্য তাকে অপমান করা নয়, বরং সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া। তাই তার কাছ থেকে তওবা করিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়েছে।’

 

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমাদের কেউ অবহিত করেননি। তবে চুরির অভিযোগে কাউকে আটক করা হলে তাকে অবশ্যই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই।’

পুলিশে নয়, ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে দিলেন ‘শাস্তি’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে পুলিশের কাছে না দিয়ে ব্যতিক্রমী উপায়ে ‘শাস্তি’ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে তওবা করানোর পর ছেড়ে বিস্তারিত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মাহামুদুর রহমান সৈকত (ডাকনাম টুনা)কে নিয়ে তার বোনের লেখা একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পোস্টটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই শহীদ সৈকতকে স্মরণ করে পোস্টটি শেয়ার করছেন।

 

পরিবারের দাবি, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোড এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন মাহামুদুর রহমান সৈকত। পরে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের ভাষ্য, গুলিটি তার মাথায় আঘাত করে।

 

জুলাই আন্দোলনের সময় দেওয়া সেই পোস্টে সৈকতের বোন লিখেছিলেন, ‘ছবির ছেলেটা আমার ভাই। আমাদের দুই বোনের একমাত্র আদরের ভাই। আমরা ওকে কতটা ভালোবাসতাম, সেটা হয়তো আর কখনো বলা হবে না।’

 

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, ছোটবেলায় পরিবারের সবাই তাকে ‘টুনা’ নামে ডাকতেন। বয়স বাড়লেও পরিবারের কাছে তিনি ‘টুনা’ই ছিলেন। জন্মদিন ঘনিয়ে এলেই কেক নিয়ে নানা আবদার করতেন। তার উপস্থিতিতে পরিবারের প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আনন্দে ভরা।

 

ভাইকে হারানোর বেদনার কথা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘এখন বুকে শুধু হাহাকার। মনে হয় কী যেন নেই। আমাদের কলিজাকে গুলি করে মারা হয়েছে। আমার ফুলের মতো ভাইটাকে ঠান্ডা মাথায় মাথায় গুলি করা হয়েছে। বাবার কাঁধে সন্তানের লাশের চেয়ে ভারী এই পৃথিবীতে আর কিছু আছে?’

 

বিচারের আকুতি জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘বিচার কাকে দেব? আল্লাহর কাছেই বিচার দিলাম। আমার আল্লাহ কখনো কারও সঙ্গে অবিচার করেন না। হাশরের ময়দানে বিচার করবেন আমার আল্লাহ।’

 

ভাইয়ের মানবিকতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। পোস্টে লেখেন, ‘আমার ছোট্ট ভাইটা নির্দোষ ছিল। সে বীরের মতো একজন বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়েছিল। কারণ, আমাদের পারিবারিক শিক্ষা ছিল—বিপদে কাউকে দেখলে সাহায্য করতে হয়।’

 

আরও লেখেন, ‘কখনো আর ভাইকে দেখতে পারব না, জড়িয়ে ধরতে পারব না, গালে-কপালে চুমু দিতে পারব না। আর কখনো বলতে পারব না—“টুনা, পানি দে”, “টুনা, কয়েলটা ধরিয়ে দে”।’

 

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘আমার ভাই শহীদ। শুক্রবার বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে তার মাথায় গুলি করা হয়েছে। সবাইকে জানাতে চাই, আমার ভাই শহীদ ও নিষ্পাপ। সে কখনো কারও ক্ষতি করেনি।’

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পোস্টটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই পোস্টটি শেয়ার করে শহীদ সৈকতের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছেন।

জুলাইয়ে নিহত সৈকতকে নিয়ে বোনের আবেগঘন পোস্ট ফের ভাইরাল

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মাহামুদুর রহমান সৈকত (ডাকনাম টুনা)কে নিয়ে তার বোনের লেখা একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিস্তারিত

স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার দায়ে স্ত্রীকে ১০ দিনের কারাদন্ড

 

আতিকুর রহমান আশিক , মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

মানিকগঞ্জে স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌতুক মামলা দায়ের করার দায়ে লাভলী আক্তার নামে এক নারীকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় স্বামী আরিফুল ইসলাম রতনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে আদালতে এ রায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক দোলন বিশ্বাস এ রায় দেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে স্বামী আরিফুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ধারায় মামলা করেন স্ত্রী লাভলী আক্তার। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল আরিফুল পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে তাকে মারধর করেন। পরে আরও একটি ঘটনায় যৌতুক দাবির অভিযোগ আনা হয়।

তবে অভিযোগে উল্লেখিত দুই ঘটনার সময়ই আরিফুল ইসলাম বিদেশে ছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল চাকরির উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান এবং দেশে ফেরেন ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি।

 

গত ২৭ জুলাই সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরিফুল ইসলাম রতনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। পরে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বাদীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৬ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে পিটিশন দাখিল করেন।

 

এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত বাদী লাভলী আক্তারকে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৬ ধারায় ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।

 

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন কোহিনুর বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আসামিকে খালাস দেন। পরে মিথ্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি বিবেচনায় যৌতুক নিরোধ আইনের ৬ ধারায় বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন করা হয়। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত বাদীকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

 

বাদী পক্ষের আইনজীবী সমাপ্তি আক্তার বলেন, ১০ দিনের সাজা হওয়ায় আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করা হয়। পরে আদালত এক মাসের মধ্যে আপিল করার শর্তে এক হাজার টাকা বন্ডের লাভলী আক্তারের জামিন মঞ্জুর করেন।

 

মানিকগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, মিথ্যা মামলা করে কাউকে হয়রানি করলে মামলার বাদীকেও যে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে, এই রায় তার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এ ধরনের রায় হলে সমাজে ঢালাওভাবে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসতে পারে।

স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার দায়ে স্ত্রীকে ১০ দিনের কারাদন্ড 

গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণার দাবিতে মাননীয় শ্রম মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে

গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

১৩ আগষ্ট ২০২৬’ তারিখ সকাল ১১ টায় গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চের উদ্যোগে বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ১৬ আগষ্ট গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণার দাবিতে মাননীয় শ্রম মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মঞ্চের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মঞ্চের সদস্য সচিব শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতা জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম, কামরুন নাহার, তপন সাহা, কামরুজ্জামান ফিরোজ, আবু কালাম, মিজানুর রহমান শিকদার, সাজিয়া রহমান, মাহমুদা হোসেন মিলি প্রমূখ।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সরকার পে-স্কেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে চরম বৈষম্যে সৃষ্টি করেছেন। বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় আমলাতন্ত্র কতখানি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে তার প্রমাণ হচ্ছে পে-স্কেল। ঘোষিত পে-স্কেলে একজন সচিব এর বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা অপর দিকে একজন অফিস সহকারী (পিয়ন) তার বেতন ধরা হয়েছে ৪১ হাজার টাকা। অথচ যারা উৎপাদন করে সেই শ্রমিক বিশেষকরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী হচ্ছে ১২ হাজার ৫ শত টাকা। এর মধ্য দিয়ে সরকার সমাজে প্রবল বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। এই বৈষম্য দুর করতে শ্রমিকের জন্য জাতীয় নিম্নতম মজুরী ৩০ হাজার টাকা এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য অবিলম্বে নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণা করে শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরী ঘোষণা করতে হবে। বর্তমান উর্দ্ধমূখী বাজার ব্যবস্থায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা যে মজুরী পান তা দিয়ে তাদের জীবন চলেনা। ফলে শিল্পের শ্রমক অসন্তষ লেগেই রয়েছে। শিল্পের উৎপাদনের সুষ্ঠ পরিবেশ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী বৃদ্ধির বিকল্প নাই। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বিগত ২০২৩ সালের ঘোষিত মজুরী আগামী নভেম্বরে শেষ হয়ে যাবে। ডিসেম্বর ২০২৬ সাল থেকে নতুন মজুরী কার্যকর হওয়ার কথা। এখন মাত্র চার মাস সময় আছে সরকার কাল বিলম্ব না করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ন্যূনতম মজুরী বোর্ড ঘোষণা করতে হবে এবং বোর্ডের গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের মধ্য থেকে নির্বাচিত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত দাবিতে আগামী ১৬ আগষ্ট মাননীয় শ্রমমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে। একই সাথে উক্ত স্মারকলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে অবগতির জন্য পাঠানো হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরী বোর্ড ঘোষণার দাবিতে মাননীয় শ্রম মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হবে

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

পটুয়াখালীর বাউফলের নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায়সাহেব এলাকায় হামলার ঘটনার জামায়াত নেতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে, হামলার শিকার বিএনপি সমর্থক মাঈনুদ্দিন (২৫) বাদি হয়ে বাউফল থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেন।

 

বুধবার (১২আগস্ট) দুপুরের অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে দ্রুতই তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

গ্রেফতার আসামিরা হলেন— চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি সাইফুল শরীফ (৪০), ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সোহাগ হাওলাদার (২৮) ও জামায়াত সমর্থক আল-আমিন (২৮)।

 

পুলিশ জানায়, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের রায়সাহেব এলাকার লালচরে মহিষের পাল জেলেদের মাছ ধরার চাই নষ্ট করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের মিমাংসার জন্য সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে রায় সাহেব এলাকায় সালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশ বৈঠকে মহিষ খামারিদের পক্ষে অবস্থান নেয় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। অপরদিকে, জেলেদের পক্ষে অবস্থান নেন বিএনপির সমর্থক ভুক্তভোগী মাইনুদ্দিন।

 

সালিশ চলাকালে দু’পক্ষই বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের হামলা চালিয়ে মাঈনুদ্দিন, শাহিন, সোহেল রাড়ি, মামুন, ইউনুস, মমতাজ ও রানী বেগমসহ ৭ জন আহত করেন।

 

এদের মধ্যে গুরুতর আহত শাহিন রাড়ি ও মাঈনুদ্দিনকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, হামলার মামলায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বাউফলে বিএনপি সমর্থকদের কু/পিয়ে জখম, জামায়াতের ৩ নেতা-কর্মী গ্রেফতার

চাঁদপুরে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে জেলার রেলওয়ে স্টেশনের ছায়াবানী রেল ক্রসিংয়ের পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত তায়েবা আক্তার (১৪) চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুদী মাদরাসা রোড এলাকার বিষ্ণুদী ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবার নাম তাজুল ইসলাম ও মা আমেনা বেগম।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি ছায়াবানী রেল ক্রসিং পার হয়ে পূর্ব পাশে পৌঁছালে তায়েবা রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় চলন্ত ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

 

চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব কর বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার অভিভাবকেরা থানায় এসেছেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চাঁদপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘আমাদের দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলীয় জোট থেকে মনোনীত হয়েছেন আমাদের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আমরা তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আগামী ২০ তারিখে নির্বাচিত করতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

 

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান এবং সমর্থক ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন।

 

তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট থেকে কর্নেল অলি আহমদও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। তার পক্ষ থেকেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।ফলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে আসবেন— এ প্রশ্নের উত্তরে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমাদের আর কোনো সিদ্ধান্ত এই মুহূর্তে বলার নেই।’

‘আমরা মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে চাই’

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার মার্কিন কোম্পানিগুলোর পুঁজি, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে স্বাগত জানায়। তাদের সফলতার জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসে দেশের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার জন্য ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের তিনি স্বাগত জানাচ্ছেন। তিনি আশা করেন, তাদের সফর বাংলাদেশে বিদ্যমান সম্ভাবনা সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট ধারণা দেবে।

 

নিজের ব্যবসায়ী জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতিতে আসার আগে তিনিও ব্যবসা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। ব্যবসা বিকশিত হওয়ার জন্য সঠিক নীতি ও পরিবেশ প্রয়োজন—এটা তিনি তার অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছয় মাস বয়সি, ভবিষ্যৎমুখী সরকার চায় মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ করুক।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের পুঁজি, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে স্বাগত জানাই। আপনাদের সাফল্য নিশ্চিত করতে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং এটি আপনাদের প্রতি আমার ব্যক্তিগত অঙ্গীকার।’

মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মেহেরপুরের গাংনীতে এসএসসি পরীক্ষায় টানা দুবার ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পর রামিদুজ্জামান টুটুল (১৭) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের সদস্যদের বকাঝকার পর অভিমান করে সে আত্মহত্যা করেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

 

রামিদুজ্জামান টুটুল গাংনী উপজেলার কোদাইলকাটি পশ্চিম পাড়ার মিন্টু হোসেনের ছেলে এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাখুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

 

টুটুলের দাদা আনিচ উদ্দিন বলেন, ‘আমি প্রতিদিন মাঠে যাওয়ার আগে টুটুলকে ঘুম থেকে ডেকে তুলি। আজও সকাল ছয়টার দিকে ডাকতে গিয়ে তাকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে নামিয়ে দেখা যায়, সে আর বেঁচে নেই।’

 

প্রতিবেশী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘টুটুল এমনিতেই খুব ভদ্র ছেলে। গ্রামের কারও সঙ্গে কখনো খারাপ আচরণ করেনি। তবে গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল। এ বছরও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন তাকে কিছুটা বকাঝকা করেছিলেন। এরপর সে অভিমান করে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছি।’

 

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমারীডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই মহাসিন আলী বলেন, ‘আমাদের পুলিশ ক্যাম্পের কাছেই কোদাইলকাটি পশ্চিম পাড়ায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নেবেন।’

এসএসসিতে ইংরেজিতে দুবার ফেল, বকাঝকার পর সকালে মিলল শিক্ষার্থীর লা/শ

রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ১৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা চেয়েছে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

 

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচ উপজেলায় দিনে-রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ১১০ থেকে ১১৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে।

 

রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র ব্যবস্থাপক রবেন্দ্র চন্দ্র রায় বলেন, লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য জেলার ১৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

 

এদিকে রাজশাহী মহানগরীতেও বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম চৌধুরী জানান, বুধবার নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ১১০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এ সময়ে ২৮ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। বৃহস্পতিবারও একই অবস্থা।

 

তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের পরিমাণ পরিবর্তিত হচ্ছে। কখনো চাহিদার পুরো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, আবার কখনো ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তবে মহানগরীতে গড়ে ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।

 

এর আগে মঙ্গলবার রাতে মহানগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় ১১৩ মেগাওয়াট। বর্তমানে মহানগরীতে দিনে-রাতে গড়ে ১৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ১১১ মেগাওয়াট। এতে গড়ে ২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকছে।

 

তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের এই ঘাটতিতে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোগান্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোভও তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাজশাহীর ১৪ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনে কাছে চিঠি

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩