রংপুর বিভাগ

,

গণ টেলিভিশন, জেলা প্রতিনিধি
——————————————–
জামালপুরের১৬/০৬/২১ সর্বশেষ প্রতিবেদনে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৮২ টি নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে জামালপুর জেলার স্থায়ী নিবাসীর ৭ টি নমুনা পরীক্ষায় ১ জন এবং জেলা/উপজেলা পর্যায়ে রেপিড এন্টিজেন টেস্টে ৪ টি নমুনা পরীক্ষায় ০ জন অর্থাৎ মোট ৯৩ টি নমুনা পরীক্ষায় আরও মোট ১৪ জন (জামালপুর সদর উপজেলা- ১১ জন, মেলান্দহ উপজেলা- ২ জন ও সরিষাবাড়ী উপজেলা- ১ জন) কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
সর্বমোট সংক্রমণ শনাক্ত ২৪০২ জন।

সর্বশেষ এলাকা ভিত্তিক শনাক্তঃ
জামালপুর সদর উপজেলা- শরীফপুর ২ জন, তিতপল্যা, বানাকূড়া, ছোনটিয়া, পুলিশ লাইন, মাইনপুর, পাথালিয়া, দিগপাইত, জেনারেল হাসপাতাল ও মোসলেমাবাদ।
মেলান্দহ উপজেলা- মেলান্দহ বাজার ও মেলান্দহ।
সরিষাবাড়ী উপজেলা- বারইপটল।

সর্বশেষ সুস্থ ৩০ জন (হোম আইসোলেশনে- জামালপুর সদর উপজেলা ২৬ জন ও ইসলামপুর উপজেলা ৪ জন)।
সর্বমোট সুস্থ ২২১৫ জন।

সর্বশেষ মৃত্যু ২ জন (মেলান্দহ উপজেলা)।
১. ঠিকানা- নয়ানগর, মেলান্দহ, জামালপুর, লিঙ্গ-পুরুষ, বয়স- ৪১ বছর, নমুনা সংগ্রহের তারিখ- ১২/০৬/২০২১, নমুনা পরীক্ষার তারিখ- ১৩/০৬/২০২১, মৃত্যুর তারিখ- ১৫/০৬/২০২১ (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)।
২. ঠিকানা- মাহমুদপুর, মেলান্দহ, জামালপুর, লিঙ্গ-পুরুষ, বয়স- ৪৫ বছর, নমুনা সংগ্রহের তারিখ- ১৩/০৬/২০২১, নমুনা পরীক্ষার তারিখ- ১৪/০৬/২০২১, মৃত্যুর তারিখ- ১৫/০৬/২০২১ (হোম)।
সর্বমোট মৃত্যু ৩৯ জন।

সর্বশেষ রেফার্ড ০ জন।
মোট রেফার্ড ৪১ জন।

সর্বশেষ নমুনা সংগ্রহ ৯৩ টি।
মোট নমুনা সংগ্রহ ২৩০৮৭ টি।

কোভিড-১৯ দ্রুত শনাক্তে সন্দেহজনক সকলেই সরকারী বিধি-বিধান মেনে স্ব স্ব উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের নিদিষ্ট বুথে নমুনা প্রদান করুন,

মাক্স পড়ুন ‌স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন,,

সূত্র: সিভিল সার্জন অফিস ।

জামালপুর জেলার করোনা পরিস্থিতি

, গণ টেলিভিশন, জেলা প্রতিনিধি ——————————————– জামালপুরের১৬/০৬/২১ সর্বশেষ প্রতিবেদনে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৮২ টি নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে জামালপুর জেলার স্থায়ী বিস্তারিত

বাস মালিকরা মানছেন না স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা ভাড়া নিচ্ছে দুই সিটের …… —-

ডেস্ক রিপোর্ট গণ টেলিভিশন। করোনা মহামারীর ক্রান্তি কালে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি – সৈয়দপুুর বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে রংপুর পর্যন্ত বাস চালাচ্ছেন ঠিকই। ভাড়া নেয়া হচ্ছে সরকার নির্ধারিত বিস্তারিত

বাস মালিকরা মানছেন না স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা ভাড়া নিচ্ছে ডবল সিটের ……

ডেস্ক রিপোর্ট গণ টেলিভিশন। করোনা মহামারীর ক্রান্তি কালে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি – সৈয়দপুুর বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে রংপুর পর্যন্ত বাস চালাচ্ছেন ঠিকই। ভাড়া নেয়া হচ্ছে সরকার নির্ধারিত বিস্তারিত

মোঃশাহীন আলম লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটে ২৮ কেজি গাঁজা ও গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকসহ ৩ জনকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ।
সোমবার (১৪ জুন) বিকালে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর আলমের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার দুড়ারকুটি নামক স্থান থেকে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অবৈধ মাদক বহন করার অপরাধে ট্রাকটি জব্দ করেছেন সদর থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হলেনঃ ট্রাক চালক রুবেল খান (২৫)। ও সহকারী নয়ন মিয়া (২৪)। এদিকে ওই দিন রাতে সদর থানায় ট্রাকের মালিক পরিচয় দিয়ে ইস্রারিল আলম তদবির করেন ট্রাকটি ছাড়ানোর। পরে তাকেও আটক করেন পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকালে আটককৃতদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করেছেন পুলিশ।
থানা পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সদর থানার উপ-পরিদর্শক ( এসআই) নুর-আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ একদল পুলিশ দুড়াকুঠির হায়দার আলীর চাতাল মিলের সামনে থেকে একটি ভুট্টা বোঝাই ট্রাক আটক করেন। পরে ভুট্টা বোঝাই ট্রাক থেকে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে ট্রাকটি জব্দ করা হয়
এ ঘটনায় সদর থানার এসআই নুর-আলম বাদি হয়ে ট্রাকের মালিকসহ তিনজনকে আসামী করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।। মামলা নং- ৪৩।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

লালমনিরহাটে এস আই নুর-আলমের নেতৃত্বে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন আটক,ট্রাক জব্দ।

মোঃশাহীন আলম লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটে ২৮ কেজি গাঁজা ও গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকসহ ৩ জনকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। সোমবার (১৪ জুন) বিকালে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর বিস্তারিত

মো:মোস্তফা কামাল সরকার
আটোয়ারী পঞ্চগড় (প্রতিনিধি )

‘বাঁচলে পরিবেশ-বাঁচবে দেশ, দূর্যোগ হবে নিরুদ্দেশ’ স্লোগান নিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে সবুজ আন্দোলনের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

সবুজ আন্দোলন উপজেলা শাখার আয়োজনে সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা শেষে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে কর্মসুচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্বোধক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।

সবুজ আন্দেলনের উপজেলা সভাপতি মোঃ আকতার হোসেনের সঞ্চালনায় “পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করনীয়” শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু তাহের মোঃ সামসুজ্জামান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইজার উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজাহান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেনু একরাম। প্রধান আলোচক হিসেবে সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিতভ আলোচনা করেন সবুজ আন্দোলনের পঞ্চগড় জেলা সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রসুল বক্স (মানিক)।

এসময় ধামোর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম দুলাল, সবুজ আন্দোলন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম (বাবু), প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান সহ সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা ক্যাম্পাস ও থানা ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপন শেষে আটোয়ারী-পঞ্চগড় সড়কে দাঁড়িয়ে পথচারীদের মাঝে প্রায় একশত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ জানান, পরবর্তীতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হবে।

সবুজ আন্দোলন উপজেলা শাখার আয়োজনে সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা শেষে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে কর্মসুচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্বোধক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।

সবুজ আন্দেলনের উপজেলা সভাপতি মোঃ আকতার হোসেনের সঞ্চালনায় “পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করনীয়” শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু তাহের মোঃ সামসুজ্জামান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইজার উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজাহান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেনু একরাম। প্রধান আলোচক হিসেবে সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিতভ আলোচনা করেন সবুজ আন্দোলনের পঞ্চগড় জেলা সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রসুল বক্স (মানিক)।

এসময় ধামোর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম দুলাল, সবুজ আন্দোলন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম (বাবু), প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান সহ সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা ক্যাম্পাস ও থানা ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপন শেষে আটোয়ারী-পঞ্চগড় সড়কে দাঁড়িয়ে পথচারীদের মাঝে প্রায় একশত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ জানান, পরবর্তীতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হবে।

‘বাঁচলে পরিবেশ-বাঁচবে দেশ, দূর্যোগ হবে নিরুদ্দেশ’ স্লোগান নিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে সবুজ আন্দোলনের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্বোধন।

মো:মোস্তফা কামাল সরকার আটোয়ারী পঞ্চগড় (প্রতিনিধি ) ‘বাঁচলে পরিবেশ-বাঁচবে দেশ, দূর্যোগ হবে নিরুদ্দেশ’ স্লোগান নিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে সবুজ আন্দোলনের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি উদ্বোধন করা হয়েছে। সবুজ আন্দোলন উপজেলা শাখার বিস্তারিত

মোঃ আব্দুল মতিন
জেলা প্রতিনিধি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পুকুর পাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৩ জুন) সকাল আটটার দিকে বাড়ির পুকুরের পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। শাহজাহান মিয়া মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামের ইউপি অফিসের পূর্বপাড়া মৃত সামসু মিয়ার ছেলে। নিহত শাহজাহান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তেইশ বেঙ্গলের কর্পোরাল ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার সকালে মৃত সিরাজুল হকের ছেলে সুহেল ও কাইয়ুমের সাথে শাহজাহান মিয়ার বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় শাহ-জাহানের সাথে সুহেল ও কাইয়ুমের ধস্তাধস্তি করেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গলাটিপে শাহজাহানকে হত্যা করা হয়।
নিহতের নাতি সাইফুল ইসলাম বলেন, শনিবার সুহেল ও কাইয়ুমের পুকুরপাড় মাটি ফেলা নিয়ে তার দাদা শাহ-জাহানের সাথে তর্কাতর্কি করেন। পরে আজকে (গতকাল রোববার) সকালে তার দাদা পুকুর পাড়ে মাটি ফেলতে কেন বাঁধা দিলেন তাই শাহজাহানকে গলাটিপে হত্যা করেন সুহেল ও কাইয়ুম। তিনি দাদার হত্যাকারীর ফাঁসির দাবি করেন।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে দু’পক্ষের ধস্তাধস্তিতে পড়ে গিয়ে এক সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়ছে। লাশ উদ্ধার করর ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে হত্যার রহস্য।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাবেক সেনাসদস্যর গলাটিপে হত্যার অভিযোগ থানায় মামলা।

মোঃ আব্দুল মতিন জেলা প্রতিনিধি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পুকুর পাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৩ জুন) সকাল আটটার দিকে বাড়ির পুকুরের পাড়ে এ ঘটনা বিস্তারিত

।

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
মোঃ আব্দুল মতিন

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে বিয়ে বাড়িতে সোনার বদলে নকল অলংকার আনার জেরে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এ নিয়ে বরপক্ষকে একদিন আটকে রেখে শনিবার দুপুরে মিমাংসার মাধ্যমে মেয়েকে পাঠানো হয়নি বরের বাড়িতে। ঘটনাটি ঘটেছে বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলী সরকার পাড়ায়।
জানা গেছে, ওই এলাকার এক মেয়ের সাথে আড়াই মাস আগে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন হয় দিনাজপুরের খানাসামা উপজেলার তেবাড়িয়া চৌপথি এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী হবিবর রহমানের ছেলের মফিজুল ইসলামের। শুক্রবার (১১ জুলাই) ছিল কনে বিদায়ের দিন। ওইদিন সন্ধ্যায় ৫০-৬০ জন বরযাত্রী নিয়ে কনেকে নিজবাড়িতে নিতে আসেন বর মফিজুল। সএকদিকে বরপক্ষের খাওয়া-দাওয়া চলছিল আর অন্যদিকে কনে সাজানো হচ্ছিল। কনের ভাবি টের পান যে বরপক্ষের দেওয়া হাতের বালা দুটি সোনার বদলে ছিলো সিটিগোল্ডের। এনিয়ে বরপক্ষের সাথে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে সারারাত বরপক্ষকে আটকে রাখে কনেপক্ষ।
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে দু’পক্ষের জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে কনে তালাক করে নেয়া হয়।
বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার জানান, দুই মাস আগে বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়েছিলো তাদের। শুক্রবার কনে নিয়ে যাওয়ার অনুষ্ঠান ছিলো। এদিন রাতে মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় বিয়ে ভেঙ্গে যায় তাদের।
আজ দুপুরে তালাক করে নেয়া হয় মেয়েকে। বরপক্ষকে এক লাখ টাকা দিয়েছিলো মেয়ে পক্ষ্য। এরমধ্যে ৭০ হাজার টাকা নগদ দেয় বরপক্ষ।

বিয়ে বাড়ীতে স্বর্ণঅলংকার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ

। নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মতিন নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে বিয়ে বাড়িতে সোনার বদলে নকল অলংকার আনার জেরে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এ নিয়ে বরপক্ষকে একদিন আটকে রেখে শনিবার দুপুরে বিস্তারিত

শাহীন মন্ডল,কুড়িগ্রামঃ

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশে টানা তৃতীয়বারের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির।

শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখায় উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবিরকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ প্রদান করেন পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা।

উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি জনগণের জন্য কাজ করেই মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। সরকারের মূল্যায়নে তিনি তৃতীয়বারের মতো জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হওয়ায় তিনি পুলিশ সুপার ও মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার সহযোগিদেরও ধন্যবাদ জানান।

প্রসঙ্গত, ওসি ইমতিয়াজ কবির উলিপুরে যোগদানের পর থেকে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির পথে হাঁটতে শুরু করে। মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। তিনি পুলিশ বিভাগের ভার্বমুতি উজ্জ্বল করেন। যার ফলে বার-বার শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন। আবারো তৃতীয় বারের মত কৃতিত্বের স্বাক্ষরে নিজের নাম লিখালেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

টানা তৃতীয়বারের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির।

শাহীন মন্ডল,কুড়িগ্রামঃ কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশে টানা তৃতীয়বারের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির। শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বিস্তারিত

মোঃ আব্দুল মতিন
বিশেষ প্রতিনিধি নওগাঁ

নওগাঁর মান্দায় আব্দুল খালেক নামের এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি প্রধান করায়, দু জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার পরানপুর ইউপির দাওয়াইল গ্রামের মৃত মহির দ্দিনের ছেলে আলাম( ৪০)ও আলামের ছেলে আনন্দ(১৮) এদের ৭/০৬/২১ ইং তারিখে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী আব্দুল খালেক পিতা মৃত সিরাজ উদ্দিন মন্ডল সং দাওয়াই ,তার নিজস্ব সম্পত্তি যার হাল দাগ (৩৪২/৩৪১) এবং খতিয়ান নং (২৯/১৮৪) তে জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ আমগাছ ও বাঁশঝাড় রহিয়াছে যা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছেন।
গত ২৯/০৫/২১ ইং তারিখে-তার রোপণকৃত আমগাছে, আম পাড়ার জন্য জান। এসময় বিবাদী গন ,আলাম, আনন্দ ,সালাম, শাহিন, দেলুয়ারাসহ আর ও কয়েকজন সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাবেক সেনা সদস্যকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করে এমত অবস্থায় সে নিরুপায় হয়ে পালিয়ে কোনরকম প্রাণে বেঁচে যান। এরপর তিনি বাদী হয়ে মামলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মামলা নাম্বার ১২/২১ এত।
এ ব্যাপারে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আব্দুল খালেক বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, এতে দুজন আসামিকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নওগাঁর মান্দায় আব্দুল খালেক নামের এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা আটক ২জন।

মোঃ আব্দুল মতিন বিশেষ প্রতিনিধি নওগাঁ নওগাঁর মান্দায় আব্দুল খালেক নামের এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি প্রধান করায়, দু জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। বিস্তারিত

গণ টেলিভিশন, ব্যুরো প্রধান জামালপুর ।

জামালপুর জেলার সানন্দবাড়ী তে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের টাকা বিতরনের সময় , প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা মতে চর আমখাওয়া ইউনিয়নের নাদু মেম্বারের সাথে
স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগ আহবায়ক আবু শামার সাথে ইউনিয়ন পরিষদে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে,

এরই ধারাবাহিকতায় ইফতারের আগ মুহূর্তে নাদু মেম্বার গ্রুপ স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক আবু শামা আকন্দ কে এলোপাতাড়ি মেরে আহত করেন,, স্থানীয় পুলিশ খবর পেয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করেন ।
এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অফিসার্স ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জোবায়ের হোসেন খান উক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখতে তার বাড়িতে যান,,
পরক্ষণেই তৃতীয় দফায় আবু শামা আকন্দের গ্রুপের লোকজন বিশিষ্ট টি ব্যবসায়ী সামিউল’এর ছেলে চুল কাটার জন্য সানন্দবাড়ী বাজার উত্তর পাশে গেলে সিফাতকে মারধর করে আহত করে,,
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ইনচার্জ জোহায়ের হোসেন খান অফিসার অফিসার দেওয়ানগঞ্জ এবং জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এর সাথে সমন্বয় পূর্বক কঠোর হস্তে দুই পক্ষকেই ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, দ্রুততার সাথে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন,,
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের সাহায্য করতে দেখা যায়, তারমধ্যে, হাট ইজারাদার রেজাউল করিম, সিরাজুল মেম্বার, জামাত আলী, টোকন ,সাইদ আকন্দ নজরুল মেম্বার হাজী বসরত, মহির উদ্দিন, বাবুল রানা সহ অনেককেই দায়িত্ব নিয়ে হাট-বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট দেখতে পাওয়া যায়,,
এখন পরিস্থিতি মোটামুটি শান্ত আছে তবে যেকোনো মুহূর্তে যে কোন ঘটনা ঘটতে পারে আরে জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক অবস্থায় দেখা যায় ।

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

গণ টেলিভিশন, ব্যুরো প্রধান জামালপুর । জামালপুর জেলার সানন্দবাড়ী তে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের টাকা বিতরনের সময় , প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা মতে চর আমখাওয়া ইউনিয়নের নাদু মেম্বারের সাথে স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগ আহবায়ক বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩