এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।


এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্ত।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

এইচএসসি ও সমমানের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল।

 

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন, “আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর। মেধা, অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে তারা আগামী দিনে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

 

শিক্ষার্থীদের এই ধারাবাহিক সাফল্য বজায় রেখে সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই কৃতিত্বপূর্ণ অর্জনের পেছনে অবদান রাখা সকল অভিভাবক ও শিক্ষকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

যেসব শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে নতুন উদ্যোমে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্তা

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তিনি পেশাগত জীবনে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে সফল এবং কালারফুল। ব্যক্তি এবং দল হিসেবে আমি এবং আমরা তার ক্লায়েন্ট ছিলাম।

 

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে স্মরণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশেষ করে আমাদের কষ্টের দিনগুলোতে, সেই ওয়ান-ইলেভেন আমলে আইনের যাঁতাকলে যখন আমরা পিষ্ট, তখন প্রায়ই আমরা তার কাছে যেতাম, দ্বারস্থ হতাম। তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েই শুধু আমাদের কাজ সারেননি, বরং আমাদের মজলুম নেতৃবৃন্দের পক্ষে তিনি আদালতে বারবার দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, এরকম তো আরও অনেকেই দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু তিনি একদিক দিয়ে ভীষণ ব্যতিক্রম ছিলেন। প্রথমবার থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে কিছু ফি দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত আমরা এই কাজে সফল হইনি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তার এই অবদান স্মরণ করে আমার চোখে পানি আসছে। আমরা তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। তিনি স্পিকার হিসেবে পার্লামেন্টকে প্রাণবন্ত করে রাখতেন, আর আইনের অঙ্গনে তিনি অনেকের গুরু। তার চলন-বলন, সবকিছুই ছিল শিক্ষণীয়।

ব্যক্তি-দল হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ক্লায়েন্ট ছিলাম: বিরোধীদলীয় নেতা

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শ্যামনগরে জুলাই মাসে পুলিশের অভিযান, পাঁচ লাখ টাকার মাদকসহ গ্রেপ্তার ১৩

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

 

সাতক্ষীরা শ্যামনগর থানা পুলিশ জুলাই মাসজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

শ্যামনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানার উপপরিদর্শকসহ পুলিশের একাধিক দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

 

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ১৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০ টাকা মূল্যের ৭০৩ পিস ইয়াবা এবং ২ লাখ ১৯ হাজার ৬০ টাকা মূল্যের ১৮৩ বোতল কোরেক্স ফেনসিডিল।

 

এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি নম্বরবিহীন কালো রঙের ইয়ামাহা মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও মোটরসাইকেলসহ জব্দ করা মোট সম্পদের বাজারমূল্য দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৬০ টাকা।

 

উপজেলার কাশিমাড়ী, সোয়ালিয়া, আটুলিয়া, নকিপুর, বল্লার টোপ, বংশীপুর, মুন্সিগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশন এলাকা, নওয়াবেঁকী, কৈখালী পরাণপুর, নুরনগর ও মাদিয়া সহ বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়।

 

এসব ঘটনায় শ্যামনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বরগুলো হলো: ১, ১৬, ১৮, ২৭, ৩০, ৩১, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪, ৪৫ ও ৪৬।

 

অভিযান পরিচালনা করেন শ্যামনগর থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আব্বাস আলী, খন্দকার আনোয়ার হোসেন, অনিরুদ্ধ রায়, আসাদুজ্জামান নূর, মোহাম্মদ বিপ্লব হোসেন, চিরঞ্জিত গাইন এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কৈখালী ক্যাম্পের কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান।

 

এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ *সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী* বলেন, “মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিক, সামাজিক ও যুবসংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসা ও পাচারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।

শ্যামনগরে জুলাই মাসে পুলিশের অভিযান, পাঁচ লাখ টাকার মাদকসহ গ্রেপ্তার ১৩।

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা ৮০টি হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮০টি হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

 

 

নওগাঁয় উদ্ধার হওয়া হারানো মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে হারিয়ে যাওয়া ৮০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে নওগাঁ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার হওয়া এসব মোবাইল ফোন যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে গত জুলাই ২০২৬ মাসে জেলা পুলিশের আইসিটি শাখা, ক্রাইম শাখা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সমন্বিত প্রচেষ্টায় এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীসহ অর্ধশতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় মোবাইলের মালিকরা জেলা পুলিশের এই জনহিতকর উদ্যোগের জন্য পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

 

অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে মোবাইল ফোন মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। বলা যায়, মোবাইল ফোন এখন মানুষের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলা পুলিশের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় বিভিন্নভাবে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি।

 

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নওগাঁ জেলা পুলিশ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করবে।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

১৬-৮-২০২৭

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা ৮০টি হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর

গাজীপুরে ধর্ষণ মামলার আসামী কর্তৃক তরুণীকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি, আদালতে মামলা

 

বিশেষ প্রতিনিধি, গাজীপুর

 

গাজীপুরের কাশিমপুরে আগের ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার না করায় (১৭) বছর বয়সী এক তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে ওই তরুণীকে হত্যা, লাশ গুম অথবা মানব পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁর মা।

 

এ ঘটনায় তরুণীর মা আমেনা বেগম (৫৩) বাদী হয়ে গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৭ ও ৩০ ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার ও নথিতে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ সাতবাড়ী এলাকার মেহেদী হাসান (২১), হৃদয় হাসান (২২), জাহিদুল ইসলাম (৩৮) ও জাকির (৩৮)সহ স্থানীয় আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া সাতক্ষীরার জেলার ডাকাতি, মাদক, পাচার, চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেলসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি মোছা. মাছুরা বেগম (৩৫) ও মো. হাফিজুর রহমানকেও মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে অভিযোগে যুক্ত করা হয়েছে।

 

আগের ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের চাপ,

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রধান আসামি মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে কাশিমপুর থানায় আগে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছিল। মামলাটি বর্তমানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। ওই মামলায় মেহেদী হাসান উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়। এতে আসামিরা আরও ক্ষিপ্ত হন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বাড়ি থেকে তরুণীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ এপ্রিল বিকেলে তরুণী তাঁর মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় আসামিরা বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান এবং অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে রাখেন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নভাবে তাঁর সন্ধান ও উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

ফোনে হত্যার হুমকির অভিযোগ,

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩১ জুলাই মেহেদী হাসান তাঁর মুঠোফোন থেকে তরুণীর মায়ের নম্বরে ফোন করেন। এ সময় ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার না করলে মেয়েকে ফেরত দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম অথবা মানব পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আমেনা বেগম।

 

থানায় অভিযোগ, পরে আদালতে মামলা, ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, অপহরণ ও হুমকির ঘটনা জানিয়ে কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ বা তরুণীকে উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। পরে বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর মা।

 

গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজ তরুণীকে দ্রুত উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

গাজীপুরে ধর্ষণ মামলার আসামী কর্তৃক তরুণীকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি, আদালতে মামলা

নীলফামারীতে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, সম্মাননা পেলেন সফল তিন মাছ চাষী

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’স্লোগানে নীলফামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ শুরু হয়েছে। রবিবার

(১৬ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী শহরের বিভিন্ন

পদক্ষিণ করে। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামানের সভাপতিিত্বে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহসিন রেজা রূপম ও টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিফাত আরা সিমি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শাহিনা বেগম, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুন কুমার মন্ডল। অন্যান্যের মধ্যে কিশোরগঞ্জ উপজেলা চাঁদখানা ইউনিয়নের সফল মৎস্য চাষী সাইফুজ্জামান, সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জাবেদ আলী ও খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের আব্দুল মালেক বক্তব্য দেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মন্ডল জানান, নীলফামারী জেলায় মাছের চাহিদা ৪১ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন আর উৎপাদন হচ্ছে ৩৪ হাজার ৩৬৭ মেট্রিক টন। ঘাটতি পূরণে খাল-বিল-জলাশয়-পুকুর ও নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নার্সারী স্থাপন, জেলেদের প্রশিক্ষণ, মৎস্য গ্রামের মধ্য দিয়ে মাছ চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অনুষ্ঠান শেষে গুণগত মানসম্মত পোনা উৎপাদনে নীলফামারী সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের উত্তর চওড়া গ্রামের বুদারু রায়, গুণগত মানসম্মত কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নে সাইফুজ্জামান এবং সৈয়দপুর উপজেলা শহরের কুনদল এলাকার অভয়াআশ্রম সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত জেলে সংগঠনকে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

নীলফামারীতে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, সম্মাননা পেলেন সফল তিন মাছ চাষী 

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম গাইবান্ধা প্রতিনিধি

রুপালী মৎস স্বনির্ভর দেশ” সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস সপ্তাহ দিবস-২০২৬ এর পালন করা হয়েছে । এই উপলক্ষে রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাশেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তার মার্জানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল,সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মকছুদার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুজ্জামান শহিদ, সরকারি কলেজের অধ্যাপক আব্দুর রশিদ সরকার। এছাড়া জেলার মৎস খামারীরা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় বক্তারা বলেন, দেশে কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য দুর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও রফতানিমুখী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি এ খাত নিয়ে সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যত নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

 

আলোচনা শেষে আগত অতিথিরা মৎস চাষে অবদান রাখায়,চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনসহ মোট ছয়টি ক্যাটাগরিতে জেলার ৬ জন মৎস খামারী কে সনদ ও সম্মননা স্মারক প্রদান করেন।

 

এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে পৌর পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ফেষ্টুন ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপী(১৬-১৮ আগষ্ট) দিবসটির কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক । উদ্বোধন শেষে জেলা পৌর পার্কের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুুক্ত করা হয়।

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারত কোন আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে, সে সিদ্ধান্ত ভারতের নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

সম্প্রতি ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে ভারতের আদালতের অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় তাকে বাংলাদেশে পাঠাবে, তা তাদের বিষয়। আদালতের অনুমোদন নেবে, নাকি সরকারের সিদ্ধান্তে তাকে পাঠাবে—সেটি ভারতর বিষয়।

 

ভারতের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে এর বেশি মন্তব্য করতে চাননি চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, ভারতীয় আইনে এ ধরনের প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, সেটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করার বিষয় নয়।

 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন এবং একটিতে তিনি ইতোমধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাই তাকে দ্রুত দেশে এনে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি নিজেও বলেছেন ডিসেম্বরে তিনি আসবেন। আমরা মনে করি, তাকে এর আগেই ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্টের পাঠানো উচিত।

 

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আইনি ও কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি ভারতের আইন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এবং দুই দেশের পারস্পরিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

শেখ হাসিনাকে কীভাবে ফেরাবে ভারত, সিদ্ধান্ত তাদেরই: চিফ প্রসিকিউটর

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম গাইবান্ধা প্রতিনিধি

রুপালী মৎস স্বনির্ভর দেশ” সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস সপ্তাহ দিবস-২০২৬ এর পালন করা হয়েছে । এই উপলক্ষে রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাশেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তার মার্জানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল,সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মকছুদার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুজ্জামান শহিদ, সরকারি কলেজের অধ্যাপক আব্দুর রশিদ সরকার। এছাড়া জেলার মৎস খামারীরা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় বক্তারা বলেন, দেশে কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য দুর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও রফতানিমুখী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি এ খাত নিয়ে সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যত নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

 

আলোচনা শেষে আগত অতিথিরা মৎস চাষে অবদান রাখায়,চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনসহ মোট ছয়টি ক্যাটাগরিতে জেলার ৬ জন মৎস খামারী কে সনদ ও সম্মননা স্মারক প্রদান করেন।

 

এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে পৌর পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ফেষ্টুন ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপী(১৬-১৮ আগষ্ট) দিবসটির কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক । উদ্বোধন শেষে জেলা পৌর পার্কের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুুক্ত করা হয়।

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস পক্ষ-২০২৬ পালন

“শ্যামনগরের কৈখালীর রাস্তা সংস্কার না করার প্রতিবাদে রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুব সমা”

মো: জাহাঙ্গীর আলম

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

 

কৈখালী ইউনিয়নের অবহেলিত আলহাজ্ব মরহুম আদম গাজীর কেয়ার রাস্তা নামে পরিচিত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে।

সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটিতে সৃষ্টি হয়েছে প্রচণ্ড কাদার। ফলে পথচারী ও স্থানীয় এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। অবশেষে স্থানীয় যুবক ও এলাকাবাসী ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ হিসেবে রাস্তাটির কাদাময় অংশে ধানের চারা রোপণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

তাদের দাবি, দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী করা হোক। জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

শ্যামনগরের কৈখালীর রাস্তা সংস্কার না করার প্রতিবাদে রাস্তায় ধান রোপণ করে প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুব সমাজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই বলে মনে করছে সরকার।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একে এম শহীদুল করিম।

 

মুখপাত্র বলেন, ‘তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে উভয় দেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নতুন দিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে।

 

শহীদুল করিম আরও বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ঘাতকদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি। বাংলাদেশ এই জবাবের অপেক্ষায় আছে।’

 

এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীদেরসহ অন্য সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে আমরা আমাদের “বাংলাদেশ ফার্স্ট” (বাংলাদেশ প্রথম) নীতি অব্যাহত রাখব।’

ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র

সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সংকট না থাকলে তারা ঝুঁকি নিয়ে এলপিজি ব্যবহার করতেন না দাবি করে অটোরিকশা চালক দিদার ইসলামের।

 

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় সারা দিনেও গ্যাস পাওয়া যায় না। গাড়ি না চালালে পরিবারের খরচ চলবে কীভাবে? তারমধ্যে রয়েছে কিস্তি। তাই বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করছি।

 

হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, এলপি গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য। সিলিন্ডারে ত্রুটি, অসতর্কতা কিংবা পরিবহনের সময় আগুনের সংস্পর্শে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে যাত্রীবাহী অটোরিকশায় এভাবে সিলিন্ডার বহন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

 

এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের দায়িত্বে নিয়োজিত রাউজান হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তিনি সাড়া দেননি।

মহাসড়কে রান্নার সিলিন্ডারে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d