এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।


নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা একটি শপথ নিলেন, আরেকটি নিলেন না। গণভোটকে তারা অস্বীকার করলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবেই জনগণকে ধোঁকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দলের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?

 

জামায়াতের আমির বলেন, দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার আমাদের দাবি অগ্রাহ্য করে জনগণকে অপমান করেছে। গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই। এবারই প্রথম বিপত্তি ঘটলো। আমরা যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সমাজে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবাদিক সমস্ত জায়গায় আজকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না, এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের। আমরা যে প্রস্তাবনা জনগণের সামনে পেশ করবো এটার শর্ত আছে। সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা থাকলে এটা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আর একাউন্টটিবিলিটি না থাকলে যে বাজেট সরকার দেবে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

 

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার জুলাই টু জুন। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা-খরা-সাইক্লোনে আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ্য করি এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়ো করা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণ লুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। আমরা সংসদে প্রস্তাব দেব, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না।

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির নেতারা।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দুই বছর দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও মাত্র তিন মাসের মাথায় মূল্যবৃদ্ধি করে সরকার জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’

 

তিনি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং তা না হলে সরকারকে জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে বলেও হুশিয়ারি দেন।

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘ গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’

 

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম জুন থেকে কার্যকর।

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

 

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকের অনেকগুলো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হতো।

 

রাশেদ খানের দাবি, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ৪ কোটি টাকার একটি সমঝোতার আলোচনা হয়।

 

বৈঠক শেষে হান্নান মাসউদ আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ১ কোটি টাকা দিতে চান, তবে ৩ কোটি টাকায় চুক্তি করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই নেতাদের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে এবং অর্থের প্রয়োজন আছে বলেও হান্নান মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন।

 

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, হান্নান মাসউদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হাতিয়ার বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান।

 

তিনি জানান, ২৭ জুলাইয়ের পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। জিসান বিভিন্ন সময় সমন্বয়কদের ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজও করতেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান হান্নান মাসউদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তবে হান্নান মাসউদের অর্থের প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ ও আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে তিনি দূরে সরে যান।

 

ফেসবুক পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

 

তার দাবি, হান্নান মাসউদ মনে করতেন মোহাম্মদ আলী তার রাজনৈতিক পথে প্রধান বাধা। এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতারে ভূমিকা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি বলেছেন যে নোয়াখালীর আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের সঙ্গে তার কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই বিরোধ রয়েছে।

 

একই সঙ্গে নোয়াখালীর রাজনীতিতে প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বিভিন্ন আলোচনায় তুলে ধরতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

২৫ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলার অগ্রগতি না হওয়া, সরকারি দলের সাথে সম্ভাব্য ‘আন্ডারটেবিল সমঝোতা’ এবং গ্রুপটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কেউ বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে কথা বললে তারা তাদের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম ব্যবহার করে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো শুরু করে। হাসনাতের এই বক্তব্যের পর থেকে গত চারদিনে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বসুন্ধরার মালিকানাধীন ৫টি সংবাদমাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে ধারাবাহিক সমন্বিত নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

 

দ্য ডিসেন্ট বিশ্লেষণ করে দেখেছে, হাসনাত আব্দুল্লাহ এর সংসদের বক্তৃতার পর গত ২৮ জুন সকাল ৭টা থেকে আজ ১ জুলাই দুপুর ৩টা পর্যন্ত মোট ৪ দিনে (৮০ ঘণ্টায়) বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন পাঁচটি সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, নিউজ ২৪, ডেইলি সান এবং বাংলানিউজ২৪ ডটকমে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বমোট ৯৯টি নেতিবাচক কন্টেন্ট প্রচার করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই হুবহু একই প্রতিবেদন অল্প সময়ের ব্যবধানে ৫টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

 

সংসদে কী বলেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন “আমরা দেখেছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বসুন্ধরার পুত্র আনভির দেশে ঢোকার সাহস পায় নাই। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখেছি সদর্পে এই সোবহানের পুত্র, এই ধর্ষক, দেশে ঢুকেছে।”

 

তিনি সেখানে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলার কি অগ্রগতি হয়েছে সেটা আমরা জানতে চাই। আমরা জানতে চাই আন্ডারটেবিল কোন ধরনের সমঝোতা হয়েছে কিনা। যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধাটা কোথায় সেটা বাংলাদেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে।”

 

হাসনাত আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই বসুন্ধরা গ্রুপ যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে এবং মিডিয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের গুম খুন হত্যাকে যারা বৈধতা দিয়েছে তাদের খুঁটির জোর কোথায় সেটা আমরা জানতে চাই।” “ সরকার দলের অনেকেই মাঝে মাঝে আমাদের কাছে এসে দু:খ প্রকাশ করে যে আসলে আমরা জেল খেটেছি, আমরা কষ্ট করেছি, আমাদের সন্তানদের সাথে আমরা থাকতে পারিনাই, কিন্তু আমাদের দলেরই কিছু কিছু মানুষ বসুন্ধরার এডভাইজর হিসেবে কাজ করে। তাদের মিডিয়ার এডভাইজর হিসেবে কাজ করে।”

 

“যেই মিডিয়া তারেক রহমানকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার এডভাইজর হিসেবে আজকে বসুন্ধরা গ্রুপে আজকে এই সংসদ সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের অনেকেই তারা সেখানে যুক্ত”, বলেন তিনি।

 

“এই বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া লেলিয়ে দেওয়া হয়।”

 

“এতদিন ধরে যারা মিডিয়াকে, যারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদের পক্ষে যারা বয়ান উৎপাদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে উনি সুবিচার নিশ্চিত করবেন” তিনি দাবি করেন।

 

৪ দিনে ৫ মিডিয়ায় ৯৯টি কন্টেন্ট

দ্য ডিসেন্টের এই বিশ্লেষণে শুধুমাত্র বসুন্ধরা গ্রুপের পাঁচটি সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪ ও নিউজ২৪-এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত কনটেন্ট পর্যালোচনা করা হয়েছে। কনটেন্ট সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান করা হয়েছে। এই বিশ্লেষণের আওতায় প্রিন্ট সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

 

২৮ জুন সকাল ৭টা ৪ মিনিটে কালের কণ্ঠের ওয়েবসাইটে “হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা” শিরোনামে প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। এর আট মিনিট পর, সকাল ৭টা ১২ মিনিটে একই বিষয় নিয়ে একটি ফটোকার্ডও প্রকাশ করা হয়।

 

ওই সময় থেকে ১ জুলাই দুপুর ২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ৭৯ ঘণ্টায়, বসুন্ধরা গ্রুপের এই পাঁচটি সংবাদমাধ্যমে হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মোট ৯৯টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়।

 

পাঁচটি সংবাদমাধ্যমের মধ্যে কালের কণ্ঠে সর্বাধিক ৭৬টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে ছিল ৩৫টি ভিডিও (ইউটিউব, ওয়েবসাইট ও ফেসবুক মিলিয়ে),১১টি সংবাদ প্রতিবেদন এবং ৩০টি ফটোকার্ড।

 

 

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

ফ্যাক্ট চেক

ডিজিটাল ইনভেস্টিগেশন

মিডিয়া ওয়াচ

ডিসইনফরমেশন এক্টর

অপিনিয়ন

আমাদের সম্পর্কে

ক্যারিয়ার

যোগাযোগ

শর্তাবলি

গোপনীয়তার নিয়মাবলি

Follow us:

মিডিয়া ওয়াচ

menu

বসুন্ধরার বিরুদ্ধে বক্তব্যের পর ৫টি মিডিয়ায় হাসনাতের বিরুদ্ধে ৮০ ঘণ্টায় ৯৯ কনটেন্ট

 

Roby Hossain

লেখক

রবি হোসাইন

১ জুলাই, ২০২৬

লিংক কপি করুন

২৫ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলার অগ্রগতি না হওয়া, সরকারি দলের সাথে সম্ভাব্য ‘আন্ডারটেবিল সমঝোতা’ এবং গ্রুপটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কেউ বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে কথা বললে তারা তাদের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম ব্যবহার করে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো শুরু করে। হাসনাতের এই বক্তব্যের পর থেকে গত চারদিনে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বসুন্ধরার মালিকানাধীন ৫টি সংবাদমাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে ধারাবাহিক সমন্বিত নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

 

দ্য ডিসেন্ট বিশ্লেষণ করে দেখেছে, হাসনাত আব্দুল্লাহ এর সংসদের বক্তৃতার পর গত ২৮ জুন সকাল ৭টা থেকে আজ ১ জুলাই দুপুর ৩টা পর্যন্ত মোট ৪ দিনে (৮০ ঘণ্টায়) বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন পাঁচটি সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, নিউজ ২৪, ডেইলি সান এবং বাংলানিউজ২৪ ডটকমে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বমোট ৯৯টি নেতিবাচক কন্টেন্ট প্রচার করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই হুবহু একই প্রতিবেদন অল্প সময়ের ব্যবধানে ৫টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

 

সংসদে কী বলেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন “আমরা দেখেছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বসুন্ধরার পুত্র আনভির দেশে ঢোকার সাহস পায় নাই। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখেছি সদর্পে এই সোবহানের পুত্র, এই ধর্ষক, দেশে ঢুকেছে।”

 

তিনি সেখানে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলার কি অগ্রগতি হয়েছে সেটা আমরা জানতে চাই। আমরা জানতে চাই আন্ডারটেবিল কোন ধরনের সমঝোতা হয়েছে কিনা। যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধাটা কোথায় সেটা বাংলাদেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে।”

 

হাসনাত আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই বসুন্ধরা গ্রুপ যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে এবং মিডিয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের গুম খুন হত্যাকে যারা বৈধতা দিয়েছে তাদের খুঁটির জোর কোথায় সেটা আমরা জানতে চাই।” “ সরকার দলের অনেকেই মাঝে মাঝে আমাদের কাছে এসে দু:খ প্রকাশ করে যে আসলে আমরা জেল খেটেছি, আমরা কষ্ট করেছি, আমাদের সন্তানদের সাথে আমরা থাকতে পারিনাই, কিন্তু আমাদের দলেরই কিছু কিছু মানুষ বসুন্ধরার এডভাইজর হিসেবে কাজ করে। তাদের মিডিয়ার এডভাইজর হিসেবে কাজ করে।”

 

“যেই মিডিয়া তারেক রহমানকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার এডভাইজর হিসেবে আজকে বসুন্ধরা গ্রুপে আজকে এই সংসদ সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের অনেকেই তারা সেখানে যুক্ত”, বলেন তিনি।

 

“এই বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া লেলিয়ে দেওয়া হয়।”

 

“এতদিন ধরে যারা মিডিয়াকে, যারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদের পক্ষে যারা বয়ান উৎপাদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে উনি সুবিচার নিশ্চিত করবেন” তিনি দাবি করেন।

 

৪ দিনে ৫ মিডিয়ায় ৯৯টি কন্টেন্ট

দ্য ডিসেন্টের এই বিশ্লেষণে শুধুমাত্র বসুন্ধরা গ্রুপের পাঁচটি সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪ ও নিউজ২৪-এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত কনটেন্ট পর্যালোচনা করা হয়েছে। কনটেন্ট সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান করা হয়েছে। এই বিশ্লেষণের আওতায় প্রিন্ট সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

 

২৮ জুন সকাল ৭টা ৪ মিনিটে কালের কণ্ঠের ওয়েবসাইটে “হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা” শিরোনামে প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। এর আট মিনিট পর, সকাল ৭টা ১২ মিনিটে একই বিষয় নিয়ে একটি ফটোকার্ডও প্রকাশ করা হয়।

 

ওই সময় থেকে ১ জুলাই দুপুর ২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ৭৯ ঘণ্টায়, বসুন্ধরা গ্রুপের এই পাঁচটি সংবাদমাধ্যমে হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মোট ৯৯টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়।

 

পাঁচটি সংবাদমাধ্যমের মধ্যে কালের কণ্ঠে সর্বাধিক ৭৬টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে ছিল ৩৫টি ভিডিও (ইউটিউব, ওয়েবসাইট ও ফেসবুক মিলিয়ে),১১টি সংবাদ প্রতিবেদন এবং ৩০টি ফটোকার্ড।

 

কোন সংবাদমাধ্যমে কতটি কনটেন্ট?

সংবাদমাধ্যমের নাম

 

কনটেন্টের সংখ্যা

 

কালের কণ্ঠ

 

৭৬

 

ডেইলি সান

 

 

বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

 

বাংলানিউজ২৪

 

 

নিউজ২৪

 

 

সর্বমোট

 

৯৯

 

ডেইলি সানে মোট ৯টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে ছিল ৬টি সংবাদ ও ৩টি ফটোকার্ড।

 

বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত হয় মোট ৫টি কনটেন্ট, যার মধ্যে ছিল ৩টি সংবাদ ও ২টি ফটোকার্ড।

 

বাংলানিউজ২৪ এ প্রকাশিত হয় মোট ৫টি কনটেন্ট, যার মধ্যে ছিল ৪টি সংবাদ ও ১টি ফটোকার্ড।

 

অন্যদিকে নিউজ২৪ এ একই সময়পর্বে হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে ৪টি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

 

দিনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি কনটেন্ট প্রকাশিত হয় ২৮ জুন। সেদিন পাঁচটি সংবাদমাধ্যমে মিলিয়ে মোট ৩৭টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়। পরদিন ২৯ জুন প্রকাশিত হয় ১৮টি কনটেন্ট। আর ৩০ জুন প্রকাশিত হয় ২৭টি কনটেন্ট। ১ জুলাই প্রতিবেদন লেখার সময় (দুপুর ২টা) পর্যন্ত আরও ১৭টি কনটেন্ট প্রকাশিত হয়েছে।

 

৯৯টি কনটেন্টে ঘুরেফিরে ৯টি ‘খবর’

২৮ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত প্রকাশিত ৯৯টি কনটেন্ট বিশ্লেষণে দেখা যায়, এগুলোর বড় অংশই কোনো স্বতন্ত্র প্রতিবেদন নয়। একই বিষয় বা অভিযোগকে বিভিন্ন ফরম্যাটে সংবাদ, ভিডিও, ইংরেজি অনুবাদ এবং ফটোকার্ড হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের পাঁচটি সংবাদমাধ্যমে একাধিকবার প্রকাশ করা হয়েছে।

 

বিশ্লেষণে অন্তত ৯টি স্বতন্ত্র বা মূল কনটেন্ট চিহ্নিত করা যায়, যেগুলো খণ্ডিত করেই অধিকাংশ কনটেন্ট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো “হাসনাত আবদুল্লাহ: সাদা সাদা, কালা কালা”, “মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ”, “হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার”, মো. তারেক রহমানের একটি ভিডিও বক্তব্য, রাশেদ খানের বক্তব্য, “হাসনাত আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ করে দিয়েছিল” শিরোনামের ভিডিও এবং “চেতনাবোধ না থাকলে মানুষ হাসনাতদের প্রত্যাখ্যান করবে” শিরোনামের ভিডিও। পরবর্তীতে এর সাথে নতুন করে যুক্ত করা হয় বিএনপি নেতা এম এ আউয়াল খানের বক্তব্য (“নেতারা শুধু জয় দেখেছেন…”) এবং নির্দিষ্ট প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে “মসজিদের অর্থ বরাদ্দে ই-টেন্ডার নৈরাজ্য” সংক্রান্ত সংবাদ।

 

এই নয়টি মূল কনটেন্ট থেকেই বিভিন্ন শিরোনাম, ভাষা, প্ল্যাটফর্ম ও ফরম্যাটে বাকি কনটেন্টগুলো প্রকাশ করা হয়েছে।

 

দিনভিত্তিক প্রচার

২৮ জুন: এই দিন সবচেয়ে বেশি (৩৭টি) কনটেন্ট প্রকাশিত হয়। এদিন একই শিরোনাম, একই বিষয় এবং একই কনটেন্ট একাধিক সংবাদমাধ্যম ও প্ল্যাটফর্মে পুনঃপ্রচার করা হয়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য “হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা” শিরোনামে কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪ ও নিউজ২৪ বসুন্ধরা গ্রুপের এই পাঁচটি সংবাদমাধ্যমেই সংবাদ প্রকাশিত হয়। একই শিরোনাম কালের কণ্ঠে আবার ফটোকার্ড হিসেবেও প্রকাশ করা হয়।

 

একই দিনে “হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ” ভিডিওটি কালের কণ্ঠের ইউটিউব, ওয়েবসাইট ও ফেসবুক এই তিনটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হয়। এছাড়া “হাসনাত আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ করে দিয়েছিল” এবং “হাসনাত ও হান্নান মাসউদ বাজেট বাদ দিয়ে চানাচুর মার্কা আলোচনা করেছেন” এই দুটি ভিডিও ইউটিউব ও ফেসবুকে প্রকাশিত হয়।

 

২৯ জুন: আগের দিন প্রকাশিত একই অভিযোগ ও বক্তব্য নতুন প্ল্যাটফর্ম ও নতুন সংবাদমাধ্যমে পুনঃপ্রচার করা হয়। “হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার” শিরোনামটি কালের কণ্ঠে ইউটিউব ভিডিও, সংবাদ ও ফটোকার্ড এই তিনটি ফরম্যাটে প্রকাশ করা হয়।

 

২৮ জুন কালের কণ্ঠে প্রকাশিত “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক” শিরোনামটি পরদিন (২৯ জুন) বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪ ও নিউজ২৪-এ প্রকাশিত হয়। একই দিনে ২৮ জুনের “হাসনাত ও হান্নান মাসউদ বাজেট বাদ দিয়ে চানাচুর মার্কা আলোচনা করেছেন” ভিডিওটি কালের কণ্ঠের ওয়েবসাইটেও নতুন করে প্রকাশ করা হয়।

 

৩০ জুন: এদিনও একই শিরোনাম ও একই ধরনের কনটেন্ট একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। “মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ” শিরোনামের সংবাদটি কালের কণ্ঠ, বাংলানিউজ২৪, নিউজ২৪ এবং ডেইলি সানের বাংলা সংস্করণে প্রকাশিত হয়।

 

ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানে “Hasnat Abdullah: White outside, black inside”, “Day labourer’s family alleges brutal assault by supporters of Hasnat Abdullah” এবং “Tale of Hasnat Abdullah’s rise as a ‘mob emperor’” এই তিনটি শিরোনামে সংবাদ ও ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়।

 

একই সঙ্গে “Tale of Hasnat Abdullah’s rise as a ‘mob emperor'” শিরোনামে বাংলাদেশ প্রতিদিনেও সংবাদটি প্রকাশিত হয়। এছাড়া এই দিন নতুন করে বিএনপি নেতা এম এ আউয়ালের বক্তব্য নিয়ে “এনসিপির নেতারা শুধু জয় দেখেছেন, পরাজয় দেখেননি : আউয়াল খান” শিরোনামে কালের কণ্ঠে সংবাদ, একাধিক ভিডিও (ইউটিউব ও ফেসবুক) এবং ফটোকার্ড প্রচার করা হয়।

 

১ জুলাই: সর্বশেষ এই দিনে প্রচারণায় আরও কয়েকটি নতুন অভিযোগ যুক্ত করা হয়। বিশেষ করে “মসজিদের অর্থ বরাদ্দে হাসনাতের ই-টেন্ডার নৈরাজ্য” শিরোনামে কালের কণ্ঠে একটি সংবাদ, দুটি ভিডিও (ইউটিউব ও ফেসবুক) এবং অন্তত ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়।

 

পাশাপাশি “‘খেজুরের মতো হাসনাতের কাছে ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব চান এলাকাবাসী’” শিরোনামের সংবাদটি কালের কণ্ঠ ও বাংলানিউজ২৪-এ প্রকাশিত হয় এবং কালের কণ্ঠে এ নিয়ে একাধিক ফটোকার্ড ছড়ানো হয়।

 

এছাড়া “হাসনাত-সারজিস কোন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে দুদকে গিয়েছিলেন, তদন্ত চান রাশেদ খান” শিরোনামেও কালের কণ্ঠে

সংবাদ ও ফটোকার্ড প্রকাশিত হয়। এদিন আগের “মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ” সংবাদটি নিউজ২৪-এ পুনরায় প্রচার করা হয়।

 

 

 

বসুন্ধরার বিরুদ্ধে বক্তব্যের পর ৫টি মিডিয়ায় হাসনাতের বিরুদ্ধে ৮০ ঘণ্টায় ৯৯ কনটেন্ট

ফেনী সীমান্ত থেকে উদ্ধার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবক, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

 

প্রতিনিধি : রহিম আলী জাবেদ

 

ফেনী সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের পর আটক হওয়া এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বাংলাদেশি যুবককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ফেনীর পরশুরাম উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল (২২) গত ৩০ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানসিক বিভ্রান্তির কারণে তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় ভারতের ৪৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মন্ডুবস্তি ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাকে আটক করে।

 

বিষয়টি জানতে পেরে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) দ্রুত বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আটক যুবককে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি হয়।

 

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ফেনী ব্যাটালিয়নের মজুমদারহাট বিওপি এবং বিএসএফের বিলোনিয়া ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে মোস্তাফিজুর রহমান রুবেলকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

 

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধ, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা এবং মাদক ও চোরাচালান দমনে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান।

ফেনী সীমান্ত থেকে উদ্ধার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবক, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

জামালপুরে জানালার গ্রিল কেটে বিচারক দম্পতির ভাড়া বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি হীরার আংটি, নগদ ১ লাখ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

ভুক্তভোগী সিভিল জজ আহমাদুল কবির সাকিল জামালপুর আদালতের মেলান্দহ সিভিল জজ আদালতে এবং তার স্ত্রী সিভিল জজ নুসরাত জেরিন জেনি দেওয়ানগঞ্জ সিভিল জজ আদালতে কর্মরত।

 

স্থানীয়রা জানান, পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেনের তিনতলা ভবনের তৃতীয় তলায় গত সাত মাস ধরে ভাড়া থাকেন বিচারক দম্পতি আহমাদুল কবির সাকিল ও নুসরাত জেরিন জেনি। মঙ্গলবার বিকেলে স্ত্রীকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিতে বাসা থেকে বের হন আহমাদুল কবির সাকিল। বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি হীরার আংটি, নগদ ১ লাখ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

 

সিভিল জজ আহমাদুল কবির সাকিল বলেন, রাত ৮টার দিকে বাসায় ফিরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখি জানালার গ্রিল কাটা, ঘর তছনছ এবং আলমারি-ড্রয়ারের জিনিসপত্র এলোমেলো। তখন বুঝতে পারি, বাসায় চুরি হয়েছে।

 

বাড়ির মালিক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার তিনতলা ভবনে পাঁচটি ইউনিট রয়েছে। এই বাসায় আগে কখনো চুরির ঘটনা ঘটেনি। ভবনে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও বর্তমানে তা অচল। ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে সিসিটিভি বিকল করে দুর্বৃত্তরা চুরি করেছে।

 

এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, বিচারক দম্পতির তৃতীয় তলার ভাড়া বাসায় গ্রিল কেটে চুরির ঘটনা ঘটেছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামালপুরে জানালার গ্রিল কেটে বিচারক দম্পতির বাসায় চুরি

রাজবাড়ীর কালুখালীতে যাত্রীবাহী বাস ও একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের খাগজানা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীরা জানায়, পাংশা থেকে দৌলতদিয়াগামী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী চৌধুরী ডিলাক্স পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়।

 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

 

কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইসরাত জাহান উম্মন জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

পাংশা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাজ্জাত দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত চালকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রাজবাড়ীতে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকের মৃত্যু

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় একটি সুপারি বাগান থেকে ৪টি গাঁজার গাছ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

 

বুধবার (১ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাটগোপালপুর গ্রামের মোল্লাপাড়ায় অভিযান চালায় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ।

 

পুলিশ জানায়, মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত মাজেদুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে সুপারি বাগানে গাঁজার চাষ করে আসছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানে সুপারি বাগান থেকে প্রায় ১২ ফুট উঁচু দুটি এবং প্রায় ২ ফুট উঁচু দুটি গাঁজার গাছ জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত মাজেদুল ইসলাম মঞ্জুকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

 

পুলিশ আরও জানায়, ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় প্রচুর সুপারি বাগান থাকায় কিছু মাদক কারবারি এসব বাগানে গোপনে গাঁজার চাষ করছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বাগানে গাঁজা চাষ, অভিযানে জব্দ ৪টি গাছ

শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে অসুস্থ ১১ শিক্ষার্থী

 

বিশেষ প্রতিনিধি

মামুন হাওলাদার

 

বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সেদ্ধ ডিম খাওয়ার পর ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে শরণখোলা উপজেলার ১ নং ধানসাগর ইউনিয়নের ৯৮ পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে বর্তমানে তারা সুস্থ রয়েছে এবং পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে ডিমের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষায় পাঠানোর উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওসাকা-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি মুক্তি বলেন, শরণখোলার ১১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে সব গুলো বিদ্যালয় একই সময়ে ডিম সরবরাহ করা হয়েছে। অন্য কোনো বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা সংবাদ পাওয়া যায় নি। একটি বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিশু কী কারণে সাময়িক অসুস্থ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আক্রান্ত সবাই বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানেই ডিম সেদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হয় এবং সব ডিমই ভালো ছিল। প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরা একই ডিম খেয়েও অসুস্থ হয়নি। তবে দ্বিতীয় শিফটের কয়েকজন শিক্ষার্থী ডিম খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে। কী কারণে এমন হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস জানান, ডিম খাওয়ার পর ১১ জন শিশু পেটব্যথা ও অস্বস্তিবোধ করায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। সতর্কতার অংশ হিসেবে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিমে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। একই ডিম প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরাও খেয়েছে, তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। এরপরও পরীক্ষার জন্য ডিমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্যদের মধ্যেও মানসিক প্রভাবের কারণে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে অসুস্থ ১১ শিক্ষার্থী

জুয়া, অনলাইন জুয়া, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে জুয়া প্রতিরোধ বিল পাস হয়েছে। বিদ্যমান দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ রহিত করে নতুন আইনটি করা হচ্ছে।

 

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬ পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

 

বিলে অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয় সংজ্ঞায়ন করে অপরাধের প্রকৃতিভেদে ১৪ ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড/কারাদণ্ড/উভয় দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে।

 

বিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

 

অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার অপরাধ করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

 

কেউ অনলাইন বেটিংয়ে সম্পৃক্ত হলে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

 

ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের সাজা হবে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

 

বিলে জুয়া, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া—এসবেরও সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে।

জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস: অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। প্রশ্নফাঁস ও নকল ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে এবার বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

 

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ফরম পূরণ করেছেন ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে। এই বোর্ডে ৩১০টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা দেবে তিন লাখ ৩৯৩ জন। দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে বসবেন শিক্ষার্থীরা। প্রথম দিন দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে।

 

পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনাসহ সব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

 

এ বছর এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হবে।

বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর সতর্কতা

রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি চট্টগ্রামে নতুন একটি থানা এবং চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে তিনটি নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।

 

আজ বুধবার (১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিকার ১২১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

প্রসঙ্গত, ঢাকা ছাড়াও পূর্বাচল নতুন শহরের বড় একটি অংশ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় পড়েছে, আবার কিছু অংশ পড়েছে গাজীপুরের কালীগঞ্জে। তিন জেলায় বিভক্ত হওয়ায় এ প্রকল্পের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা হচ্ছিল।

 

সেই সমস্যা দূর করতে প্রকল্পটির পুরো এলাকা ঢাকা জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। যা আজ অনুমোদন পেল।

 

আর চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ করা হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন উপজেলা গঠন হতে যাচ্ছে।

 

এছাড়া, কুমিল্লার মুরাদনগরকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ নামে নতুন উপজেলা এবং ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার আটটি ইউনিয়ন নিয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠন হবে।

ঢাকায় যুক্ত হবে পূর্বাচল; নতুন একটি থানা ও তিন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d