আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।


বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তিনি পেশাগত জীবনে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে সফল এবং কালারফুল। ব্যক্তি এবং দল হিসেবে আমি এবং আমরা তার ক্লায়েন্ট ছিলাম।

 

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে স্মরণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশেষ করে আমাদের কষ্টের দিনগুলোতে, সেই ওয়ান-ইলেভেন আমলে আইনের যাঁতাকলে যখন আমরা পিষ্ট, তখন প্রায়ই আমরা তার কাছে যেতাম, দ্বারস্থ হতাম। তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েই শুধু আমাদের কাজ সারেননি, বরং আমাদের মজলুম নেতৃবৃন্দের পক্ষে তিনি আদালতে বারবার দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, এরকম তো আরও অনেকেই দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু তিনি একদিক দিয়ে ভীষণ ব্যতিক্রম ছিলেন। প্রথমবার থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে কিছু ফি দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত আমরা এই কাজে সফল হইনি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তার এই অবদান স্মরণ করে আমার চোখে পানি আসছে। আমরা তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। তিনি স্পিকার হিসেবে পার্লামেন্টকে প্রাণবন্ত করে রাখতেন, আর আইনের অঙ্গনে তিনি অনেকের গুরু। তার চলন-বলন, সবকিছুই ছিল শিক্ষণীয়।

ব্যক্তি-দল হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ক্লায়েন্ট ছিলাম: বিরোধীদলীয় নেতা

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা একটি শপথ নিলেন, আরেকটি নিলেন না। গণভোটকে তারা অস্বীকার করলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবেই জনগণকে ধোঁকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দলের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?

 

জামায়াতের আমির বলেন, দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার আমাদের দাবি অগ্রাহ্য করে জনগণকে অপমান করেছে। গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই। এবারই প্রথম বিপত্তি ঘটলো। আমরা যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সমাজে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবাদিক সমস্ত জায়গায় আজকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না, এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের। আমরা যে প্রস্তাবনা জনগণের সামনে পেশ করবো এটার শর্ত আছে। সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা থাকলে এটা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আর একাউন্টটিবিলিটি না থাকলে যে বাজেট সরকার দেবে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

 

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার জুলাই টু জুন। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা-খরা-সাইক্লোনে আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ্য করি এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়ো করা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণ লুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। আমরা সংসদে প্রস্তাব দেব, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না।

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান, ২২লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার ৩

 

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের বিশেষ নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২২ লিটার চোলাই মদসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ।

 

আজ রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের সাতঘরা গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার তল্লা সর্বজান গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে রিপন পারভেজ (২৫), একই গ্রামের মোঃ সোহরাব প্রামানিকের ছেলে মোঃ সেলিম রেজা (২৫) এবং সাতঘরা গ্রামের মৃত শিবার ছেলে শ্রী সুতেষ (৬০)।

 

পুলিশ জানায়, জেলাকে মাদক মুক্ত করার ধারাবাহিক প্রত্যয়ে পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতঘরা গ্রামের একটি বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় মজুদ রাখা ২২ লিটার অবৈধ চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এ সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় ওই তিনজনকে।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চোলাই মদ তৈরি, মজুদ ও এলাকায় কেনাবেচা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

 

নিয়ামতপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের এমন কঠোর অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

১৯-৭-২০২৬

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান, ২২লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার ৩ 

কিশোরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টাও সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আজিজুল ইসলাম রাজু। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মাগুরা মিয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে আজিজুল ইসলাম রাজু বলেন, উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সয়রাগন্ডা বাবু পাড়ায় অবস্থিত জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। ১৯৫৩ সাল থেকে তারা ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন এবং জমির দলিল ও রেকর্ড তাদের নামে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন,

গত ১৩ জুলাই তার চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম, শিমুল ইসলাম, ও আঞ্জু বেগম কোন

পূর্বঘোষণা ছাড়াই দখলের চেষ্টা করেন। তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে এবং তার ছেলে-মেয়েকে মারধর করা হয়, এতে তারা আহত হন। রাজুর দাবি, জমি দখলের চেষ্টা করে অভিযুক্তরা উল্টো হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে কিছু সাংবাদিক অর্থের বিনিময়ে তাকে ‘ভূমিদস্যু’ আখ্যা দিয়ে তার বক্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দার আলহাজ্ব মোঃ হামিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী। তারা বলেন, শফিকুল ইসলামের দ্বারা শুধু রাজু নন, তারাও জমি দখলের চেষ্টার শিকার হয়েছেন। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক জমি সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

কিশোরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টাও সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

 

রোববার (১৯ জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। পরে দলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমানকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে কেবল ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ’-এর কথা উল্লেখ করা হলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

 

এর আগে শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাহপরাণ হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় হাসিবুর রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে আসে।

 

ঘটনার পর ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলে।

 

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের জেরে ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আশরাফুল আলম আশরাফকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (১৯ জুলাই) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ পারভেজ প্রিন্স ও সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

 

নোটিশে বলা হয়, রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের সঙ্গে না নিয়ে জেলা ছাত্রদলকে অসহযোগিতা করার অভিযোগে ডোমার উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে কেন কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

 

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা ছাত্রদল নেতৃত্ব বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলেও নোটিশে জানানো হয়।

সমাবেশে নেতাকর্মী না নেওয়ায় ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

গাজীপুরে একটি বিয়ে বাড়িতে উৎসবের নামে অ্যালকোহলের (মদ) নামে মিথানল পান করায় দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় সজিব (২২) এবং বিকেল সাড়ে চারটার সময় রনি (২০) মিয়া নামে ওই দুই যুবকের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়।

 

নিহত সজিব ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার জুনিয়ার বাজার এলাকার আব্দুল রেজাক এর ছেলে। তিনি কোনাবাড়ী থানাধীন বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় মফিজ উদ্দিন এর বাসায় ভাড়া থেকে কাঁচা মালের ব্যবসা করতেন এবং রনি মিয়া একই জেলার মোস্তফা ইসলামের ছেলে এবং বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় তোবারক মোল্লার বাসায় ভাড়া থেকে আশুলিয়া পলিট্যাকনিক্যালে পড়াশোনা করতেন।

 

স্থানীয়রা জানান,গত ১০ জুলাই রাতে বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকার ভাড়াটিয়া রমজানের বিয়ের অনুষ্ঠানে তার বিয়াই সাগর অ্যালকোহলের (মদ ) নামে মিথানল পান করায়। পরের দিন সকাল থেকে তারা অসুস্থ অনুভব করলে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খায়। কিন্তু তাদের কোন উন্নতি না হলে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

 

সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় প্রথমে সজিব এবং সাড়ে চারটার সময় রনি মিয়া মারা যায়।

 

রনি মিয়ার নানী রেজিয়া খাতুন বলেন, সে আমার সাথে বসবাস করে পড়াশোনা করতো। আমি ভিক্ষাবৃত্তি করে তাকে পড়াশোনা করাচ্ছি। সে এতটাই ভদ্র ছিলো যে কোন নেশা পানি করতনা। তাকে যড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। এর সাথে জড়িতদের শাস্তি চাই।

 

ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন (Methanol Poisonig) পান করার কারণে তাদের মৃত্যু হয়।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইফতেখার হোসেন জানান, শাহবাগ থানা থেকে একটি বার্তা পেয়েছি সজিব নামে এক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছে। পরে আন অফিশিয়ালি বিকেলে রনি মিয়া নামে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাই।

 

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কাঁচা মালের ব্যবসায়ী সাগর পলাতক রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

বিয়ের অনুষ্ঠানে মদ মনে করে মিথানল পান, দুইজনের মৃত্যু

মধ্যে রাতে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফাইনাল। তবে এর মহারণ শুরুর আগেই মাঠের বাইরের পারদ চড়তে শুরু করেছে। স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে আলবিসেলেস্তেদের এক হাত নিলেন স্প্যানিশ সাংবাদিক রবার্তো গোমেজ। রেডিও মার্কার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘লা ত্রিবু’-তে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনাকে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ‘প্রতারক দল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন তোলপাড় চলছে।

 

স্প্যানিশ এই প্রবীণ সাংবাদিকের দাবি, লিওনেল স্কালোনির দল শুধু ফুটবল খেলে না, বরং মাঠে প্রতিপক্ষকে অনবরত উস্কানি দেয়। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণকে ‘সহিংস’ উল্লেখ করে তিনি দলটিকে একটি হিংস্র দল হিসেবেও মন্তব্য করেন। গোমেজের মতে, ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে বাজে এবং কঠিন একটি দল। তবে এই ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন তাদের ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরবে বলেও তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।

 

চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথচলা মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি রেফারিং বিতর্কেও জড়িয়েছে বারবার। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষের ফুটবলার এবং কোচেরা হারের পর রেফারিং নিয়ে সরাসরি আঙুল তুলেছেন, যা স্কালোনি বাহিনীর জয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে।

 

স্প্যানিশ সাংবাদিক গোমেজ সেই বিতর্ককেই উস্কে দিয়ে বলেন, শুধু এই বিশ্বকাপেই নয়, এর আগে আর্জেন্টিনা যে তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছে, তার সবগুলোর পেছনেই জড়িয়ে আছে নানা বিতর্কিত ইতিহাস। মাঠের মহাযুদ্ধের আগে স্প্যানিশ ক্যাম্প থেকে আসা এমন কড়া মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণ ফাইনালের উত্তেজনাকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।

 

আর্জেন্টিনার ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেও দেশটির ফুটবল প্রতিভাকে অস্বীকার করতে পারেননি এই স্প্যানিশ সাংবাদিক। আলফ্রেডো ডি স্টেফানো, ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করে তিনি স্বীকার করেন যে, ইতিহাসসেরা ফুটবলাররা এই দেশ থেকেই এসেছেন এবং লিওনেল স্কালোনিও একজন অসাধারণ কোচ।

আর্জেন্টিনা ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতারক দল: স্প্যানিশ সাংবাদিক

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্বাবধায়নে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন থেকে কল্যাণপুর অভিমুখী খালের উপর নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার আগেই হাতল ভেঙে পড়েছে। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ কালভার্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ চলমান অবস্থায় গতকাল রোববার সকালে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে পড়েছে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিয়ষটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ বলেন, হাতলের পাশে মাটি দেওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ছবিঃ শ্যামনগরে নির্মানাধীন কালভার্টের হাতলে ধ্বসের স্থির চিত্র।

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং: ১৯/০৭/২৬ রবিবার।

 

হেডলাইন: নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

 

নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লোহাগড়া (নড়াইল):

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত আলিনুর ফকির ওই এলাকার আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত ওত পেতে থেকে আলিনুর ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় আলিনুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে,ন করা হয়েছে

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১১ সালে সংঘটিত এক শিশু ধর্ষণ মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর দেওয়া এ রায়ে তিনজনকে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত আদেশে বলেছেন, আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।

 

 

রোববার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর বহুল প্রতীক্ষিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোলপাম্পসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তাঁর গতিরোধ করে।

 

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রথমে দুই যুবক কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তাঁকে জোর করে পেট্রোলপাম্পের পেছনের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে মোবাইল ফোনে আরও কয়েকজনকে ডেকে আনা হয়। সেখানে তিনজন পালাক্রমে কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং অপর তিনজন এ অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করে।

 

 

একপর্যায়ে কিশোরীর চিৎকার শুনে পাশ দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে কাপড়ের ব্যবস্থা করে তাঁর পরিচিতদের কাছে পৌঁছে দেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

 

ঘটনার তিন দিন পর, ২০১১ সালের ২৫ অক্টোবর ভুক্তভোগীর বাবা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ, আলামত উপস্থাপন এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় দেন।

 

 

রায়ে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(৩) ধারায় আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

 

এছাড়া অপর তিন আসামি মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন না। অর্থাৎ বিচারাধীন অবস্থায় হাজতে কাটানো সময় তাঁদের দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে না। পাশাপাশি তাঁরা জেল কোড অনুযায়ী কোনো ধরনের সাজা মওকুফ বা রেমিশনের সুবিধাও পাবেন না।

 

 

অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আইন অনুযায়ী বিচারাধীন অবস্থায় কারাভোগের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন।

আদালত আরও নির্দেশ দেন, দণ্ডিতদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। যদি দণ্ডিতরা অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় কার্যকরের অংশ হিসেবে আদালত পাঁচ দণ্ডিত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেন, তিনি গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের পর থেকে তাঁর সাজা কার্যকর হবে।

 

 

২০১১ সালে সংঘটিত এ ঘটনাটি সে সময় ঠাকুরগাঁও জেলায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘোষিত এ রায়ে মামলার ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হলো।

 

 

রায় ঘোষণার পর সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল চৌধুরী বলেন, “আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন। দীর্ঘদিন পর হলেও ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d